Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৪৬

    ছেচল্লিশ

    কাছেপিঠে জ্বলতে থাকা আগুনের আঁচ এসে পড়ছে ব্রহ্মস্বরূপানন্দের রক্তবস্ত্রে। রাতের আঁধারেও বস্ত্রের টকটকে লাল রংটা দপদপ করে জ্বলে উঠছে। মাথা থেকে আজানুলম্বিত একরাশ জটা নেমে এসেছে। চোখদুটো নেশায় রক্তিম বর্ণ। ওপরের ঠোঁট খয়েরি-সাদা গোঁফে ঢেকে আছে। শীর্ণকায়। এত বয়সেও হাত কাঁপে না তাঁর। কামরূপ কামাখ্যার শ্মশানেই গত মাসদুয়েক ধরে আছেন। এরপর আবার অন্য কোথাও যাবেন। ব্রহ্মস্বরূপানন্দ অনেকক্ষণ ধরে একভাবে তাকিয়ে আছেন নীলাম্বরের চোখের দিকে। তারপর গমগমে গলায় বলে উঠলেন, ইস উমর মে হঠাৎ তোর এমন সর্বনাশের শখ হল কেন?’ নীলাম্বর জবাব দিলেন, ‘আমার পূর্বপুরুষ ছিলেন অঘোরী সাধক। আমি তাঁর এক কণাও নই গুরুদেব।’

    — সির্ফ ইয়েহি ওয়াজা?

    — না গুরুদেব। কৌতূহল বলতে পারেন। শবদেহ জাগাব আমি। শব সাধনা করব। কত মানুষ কত কঠিন সমস্যা নিয়ে আসে। আমি তাদের ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হই। শুধু অনেক কিছু জানি না বলে। আপনি আমায় সাহায্য করুন গুরুদেব।

    — সবার জন্য সব কিছু নয় নীলাম্বর। এক জীবনে তুই সব কিছু চাইছিস।

    — আমি তো জীবনে কারও ক্ষতি করিনি। সৎভাবে বেঁচেছি। নিজের সাধ্যমতো সবার উপকার করেছি। আমি আরও উপকার করতে চাই গুরুদেব।

    — উও তো ঠিক হ্যায়। পর তুই আরও শক্তিশালী ভি হতে চাস বেটা। বেশ। আমি তোর সামনে শব জাগাব। ফির ওই আত্মার ইচ্ছা তোকে পূরণ করতে হবে। তবেই আমি তোকে এই সাধনার দীক্ষা দেব।

    .

    হিন্দির টানে বাংলায় কথাগুলো বলে গেল ব্রহ্মস্বরূপানন্দ। তিনি হাঁক দিলেন, ‘নিগমানন্দ, নিগমানন্দ।’ কাছেপিঠে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বেশ কিছু সাধু গাঁজায় টান দিচ্ছিল। তার মধ্যে থেকেই কালো জটাধারী এক মাঝবয়সি সাধু উঠে এল। গুরুদেব হুকুম দিলেন, ‘করোটি কা ঝোলা লে কর আও।’

    — জি।

    বলে ঘরে গিয়ে একটা বিশাল লাল রঙের ভারী ঝোলা নিয়ে এল। দড়ি দিয়ে বাঁধা ঝোলার মুখটা খুলে গুরুদেব বললেন, ‘এই ঝোলায় বহুত করোটি আছে। আদ্যাশক্তির নাম নিয়ে তুই চোখ বুজে এর মধ্যে হাত ঢোকাবি। তারপর তোর হাতে প্রথম যে করোটি পাবি সেটাই তুলে আমায় দিবি। মনে রাখবি, তোর হাত প্রথম যে করোটি স্পর্শ করবে ওটাই আমায় দিবি। আমি ওই করোটিতেই প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে উও ইনসানকা শরীর ওয়াপস করব। উও য্যায়সা ভি হো, মাননা পড়েগা তুঝে।’

    — তাই হবে গুরুদেব।

    নীলাম্বরের চোখদুটো চকচক করে ওঠে। আদ্যাশক্তির উদ্দেশে প্রণাম করে চোখ বুজে ঝোলার মধ্যে থেকে তুলে আনে একটা নরকরোটি। গুরুদেব বলেন, ‘আঁখে খোল বেটা।’ নীলাম্বর চোখ খুলে দেখেন যে-করোটি সে তুলে এনেছে সেটা বিকৃত, বিকট। দু-পাশে চ্যাপটা। অন্যান্য নরকরোটির মতো আকৃতি নয়। অবাক হয়ে প্রশ্ন করেন নীলাম্বর, ‘গুরুদেব, এ কী মানুষের করোটি?’

    — হাঁ বেটা। এটা মানুষেরই। আজ সে ছ্যায় সাড়ে ছ্যায় সাল পহেলে আমরা হিমাচলের রাভি নদীর পাড়ে সাধনা করছিলাম। রাত মে হঠাৎ বিশাল বড়ো একটা পাখর গিরনে কা শব্দ হুয়া। উসকে বাদ, অউর ভি এক শব্দ। উও শব্দ বহুত কম থা। সাধনা ছেড়ে উঠতে নেই। তাই তখন কিছু দেখিনি। সারা রাত সাধনা করে ভোরবেলা নাহানে কে লিয়ে হাম নদী মে যা রহে থে। হামারা ঝোপড়ি নদীকে পাস হি থা। তখনও আলো ফোটেনি। হঠাৎ দেখি, একটা মানুষের বডি ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে আছে। সারা গায়ের জামা ছেঁড়া। রক্তের দাগ। কাছে গিয়ে দেখি, লোকটার মাথাটা কেউ ভারী পাথর দিয়ে থেঁতলে দিয়েছে। নদীর ওপর জঙ্গল, তার ওপর পাহাড়। উসকে উপর এক জগাহ হ্যায়। নাম মালুম নেই। শায়েদ মার্ডার করকে উঁওহি সে ফেক দিয়া। একদিকে আমাদের ভালোই হল। শবসাধনায় অপঘাতে মৃত্যুর মড়া আমাদের কাজে লাগে। তখনই ওই বডি নিয়ে আমরা পাহাড়ের ভেতর চলে যাই। সেই বডির করোটিই এটা। আমি পঁয়তাল্লিশ দিন এই করোটিকে নিয়ে সাধনা করে এই আত্মার পূর্বরূপ ফিরিয়ে আনব। তুই থাকবি আমার সঙ্গে।

    — তাই হবে গুরুদেব।

    .

    সেই করোটিকে সামনে রেখে শুরু হল সাধনা। ঠিক পঁয়তাল্লিশ দিনের দিন হঠাৎ ব্রহ্মস্বরূপানন্দের সামনে থেকে উধাও হয়ে গেল করোটি। নীলাম্বর চমকে যায়। তার বেশ খানিকক্ষণ পর রাতের অন্ধকারে চোখ বন্ধ করে নীলাম্বরও যখন একমনে ধ্যান করছেন তখন বুঝতে পারেন তাঁদের ঘিরে কেউ যেন ঘুরছে। চোখ বুজেই একটা ছায়ার চলাচল আন্দাজ করেন নীলাম্বর। হঠাৎ ঘড়ঘড়ে গলায় কে যেন বলে ওঠে, ‘বড্ড কষ্ট!’ পিলে-চমকানো সেই কণ্ঠ শুনে নীলাম্বর চোখ খুলতে বাধ্য হন। দেখে তার থেকে মাত্র চার-পাঁচ হাত দূরত্বে একজন পুরুষ দাঁড়িয়ে আছে। সম্পূর্ণ নগ্ন। মানুষেরই মুখ। কোনোভাবেই থ্যাঁতলানো নয়। কিন্তু চোখ ও মুখের ভঙ্গি যে-কোনো মানুষকে ভয় পাইয়ে দেবে। লোকটা প্রচণ্ড রেগে আছে। সারা শরীরে কষ্টের সঙ্গে বিপুল রাগ ফুটে উঠেছে। গুরুদেব চোখ খোলেন। আত্মার দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘কষ্ট তো হবেই। নরক-যন্ত্রণা ভোগ করছিস যে।’ রাগে গরগর করে উঠল আত্মাটা। আবার বললেন, ‘নরকে গিয়েও তোর শান্তি নেই। তোর অনেক ইচ্ছে। যা, পূরণ করে নে। দুই পক্ষকাল সময় পাবি।’ কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে আত্মার চোখ-মুখ সব পালটাতে থাকে। ধীরে ধীরে মুখটা খ্যাতলানো রক্তাক্ত হয়ে যায়। নীলাম্বর তাকাতে পারছিল না। আত্মা হাওয়ায় বিলীন হলে তার শান্তি হয়।

    — ও কোথায় গেল গুরুদেব? আমি কীভাবে ওকে সাহায্য করব?

    গুরুদেবের শুভ্র শুশ্রুর ফাঁকে ছলনার হাসি ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, ‘এ এক জটিল ইচ্ছেপূরণ নীলাম্বর। তোকে খুব বুদ্ধি করে চলতে হবে। নইলে সব ছারখার করে দেবার ক্ষমতা রাখে এই আত্মা। জীবিত অবস্থায় এ নিজেও ছিল লম্পট, দুশ্চরিত্র। ধূর্তও বটে। এখনও সেই সকল দোষ ওর মধ্যে বিদ্যমান। কিন্তু কোনো মানুষের প্রাণ সে নেয়নি। উলটে ওর প্রাণ চলে গেছে। যারা যারা ওকে শেষ করেছে এখন শুধু ও তাদের শেষ করবে না। যারা ওর পথে বাধা হয়ে আসবে ও তাদেরও শেষ করে দেবে।’

    — কিন্তু গুরুদেব, যেকোনও পরিস্থিতিতেই তো মানুষকে মারা পাপ। আমি সেই পাপ কাজে ওকে সাহায্য করব?

    — পাপ দিয়েই পাপকে খতম করতে হয় নীলাম্বর। অপরাধীকে ফাঁসি দেওয়া, এনকাউন্টার করা, সেগুলোও তো মেরে ফেলাই। কিন্তু পৃথিবী থেকে পাপ সরাতে পাপীদের হত্যায় সাহায্য করা কোনো অপরাধের নয়। তা ছাড়া তুই আপনে হাথো সে নেহি মারেগা।

    — তাহলে?

    আবার হাসেন গুরুদেব। ‘সব ম্যায় বোল দুঙ্গা তো তেরা পরীক্ষা ক্যাসে হোগা?’ নীলাম্বর বেশ চিন্তায় পড়ে যান। কূলকিনারা খুঁজে পান না গুরুদেবের কথার। আবার চোখ বন্ধ করে ধ্যানে বসেন গুরুদেব। বলেন, ‘তুই নিজে ঠিক করবি, কাকে মারবি আর কাকে রাখবি। একটা বাত মাথায় রাখিস, তুই যাকে পাপ ভাবছিস, সেটা তোর পরিচিত কারও নিয়তি। সেই নিয়তির ভোগযন্ত্রণা থেকে তাকে তুই-ই মুক্তি দিবি। ইয়েহি তেরা নিয়তি হ্যায়।’

    — আমি কী ফিরে যাব গুরুদেব?

    — আজ সে সাতদিন বাদ পূর্ণিমাকে রাত। মাঝরাতে ব্রহ্মপুত্রের ধারে আমি একটা যজ্ঞ করব। তারপর যেটা দেব ওটা নিয়ে রওয়ানা হবি।

    .

    — আপনি গেলেন সাতদিন বাদে?

    প্রশ্নটা মৃন্ময়ী করল। সায়নের বাড়িতে বসে দমবন্ধ করে সবাই নীলাম্বরের গল্পটা শুনছে। সূর্য আর সোমদত্তাও উপস্থিত। নীলাম্বর বললেন, ‘হ্যাঁ গেলাম। সেই যজ্ঞের পরই উনি আমায় চণ্ডাল-করোটি দিয়ে বলেছিলেন কালভৈরবের মন্ত্র দ্বারা ভৈরবী যন্ত্রে চণ্ডালকে জাগাতে হবে। তার জন্য লাগবে পনেরো দিনের মধ্যে মৃত্যু হওয়া একটা চণ্ডালের হার্ট। সেটাই হবে আমাদের রক্ষাকবচ।’ মৃন্ময়ীর দিকে তাকিয়ে বলেন, ‘তোমাদের বাড়ি থেকে যেভাবে আমি শান্তনুর আত্মাকে তাড়ালাম।’ মুনাই জিজ্ঞেস করে, ‘তার মানে আপনি জানতেন ওই আত্মা আমাদের এই সর্বনাশ করবে?’

    — না মা। গুরুদেব যখন নিয়তির কথা বলেন তখন আমি কিছু বুঝিনি। আমি শুধু ভেবে গিয়েছি কার হতে পারে? আমি ট্রেনে বা ফ্লাইটে কিছুতেই আসিনি। কারণ ওই চণ্ডাল-করোটি নিয়ে প্লেনে আসা সম্ভব ছিল না। ট্রেনটাও রিস্কি হয়ে যেত। তাই বাই রোড এসেছি। আসতে আসতেই ইন্টারনেটে মিহিরের খবরটা পড়ি। ঠিক তখনই আমার মনে পড়ে মিহিরের কুষ্ঠির কথা। মিহিরের জীবনের এই ঘটনার জন্য তোমরা আমায় দায়ী করতেই পারো। কারণ আমার থেকেই এই সর্বনাশের শুরু।

    সায়ন লজ্জা পেয়ে বলে ওঠে, ‘না না নীলাম্বরবাবু। এ আপনি কী বলছেন? আপনিই তো সব করলেন। আর শেষে সোমদত্তা।’ সবার সামনে প্রশংসা সোমদত্তাকে বেশ লজ্জায় ফেলে।

    — না সায়ন। তোমরা জানো না। এর শুরু কোথায়!

    নীলাম্বরের কথায় উপস্থিত সবার কপালে নতুন করে ভাঁজ পড়ে। মৃন্ময়ী বলে, আরও কিছু আছে নীলাম্বরবাবু?’

    — হ্যাঁ মা। এই সর্বনাশের উৎস এখনও তোমাদের বাড়িতে বর্তমান।

    মৃন্ময়ী ভয় পেয়ে যায়। ‘মানে? কী সেটা?’

    — তেরো নম্বর ফ্লোরের ঘটনাটার শেষ দিন, মানে যেদিন ঊষাকালে মিহির তিলোত্তমার অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিল। সেইদিন থেকেই আজকের ঘটনার সূত্রপাত। মিহির ফেরবার পথে আমার প্যারানরমাল সোসাইটির ছেলেদের জিজ্ঞেস করে যে, ওই ফ্লোরে এখন যাওয়া যাবে কিনা। কারণ ওখানে ওর ফোনটা পড়ে আছে। ছেলেরা বলে দেয়, কোনো প্রবলেম নেই। আসলে ওরাও তো শিখছে। ওদের শেখা অনেক বাকি। অনেক কিছু জানে না ওরা। তা সেদিন মিহির ওদের কথা শুনে তেরো নম্বর ফ্লোরে যায়। ফোনটাও খুঁজে পায়। ঠিক তখনই একটা শব্দ হয়। ভারী দরজাটা বন্ধ হওয়ার শব্দ। মিহির অবাক হয়ে যায়। ফোনটা হাতে নিয়ে দরজার কাছে আসে। কাউকে দেখতে পায় না। দেখার কথাও নয়। কারণ কোনো মানুষ সেখানে ছিল না। তিলোত্তমা যাবার সঙ্গে সঙ্গে কাচের গা থেকে কালো মায়া সরে গিয়েছিল। কিন্তু এক যুগ ধরে অশুভ শক্তির বাসস্থান ছিল ওই তেরো নম্বর ফ্লোর। তাই আত্মা বিদায় নিলেও সম্পূর্ণভাবে অশুভ শক্তি চলে যায় না। মৃতদেহের সঙ্গে আত্মা যেমন তিনদিন বাস করে, তেমনি অশুভ আত্মা চলে যাবার পরেও তার বসবাসকারী স্থানে অনেক অশুভ অতৃপ্ত ছায়ারা থাকে তিনদিন বা আরও বেশিদিন পর্যন্ত। যারা কর্মফলের দরুন নানান লোকে বিচরণ করে। কেউ দেখা দেয় আবার কেউ অদৃশ্য হয়ে থাকে। তাদের চেনা যায় না। শুধু অনুভব করা যায় যে কিছু একটা আছে। মিহির শুধু সেই ফ্লোরেই যায়নি, ওই ফোনটাকেও বাড়িতে নিয়ে আসে। তাই ওর ওপর থেকে অশুভ ছায়া কাটেনি।

    মৃন্ময়ী চোখ বড়ো বড়ো করে উত্তেজিত হয়ে বলে ওঠে, ‘ফোনটা ওখান থেকে আনার পর আর চালু হয়নি। কিন্তু আমার ছেলেটা তো এখন ওই ফোনটা নিয়েই খেলে।’

    — হয়তো সেই কারণেই আত্মা তোমার ছেলেকে বশ করতে পেরেছিল। কোনো নেগেটিভ এনার্জি আছে যে জায়গায়, সেখানকার কোনো জিনিস বাড়িতে রাখবে না। তাহলে অশুভ আত্মারা আকৃষ্ট হয়। আর তোমাদের বাড়িতে কোনো মঙ্গলযজ্ঞ না করেও ঢুকবে না। তার আগে ওই ফোনটাকে গঙ্গায় বিসর্জন দেবে।

    — আপনি এই কারণেই আমায় ডেকে পাঠিয়ে মিহিরের কুষ্ঠি নিয়ে বলেছিলেন?

    মৃন্ময়ীর প্রশ্নে মাথা নেড়ে নীলাম্বর বলেন, ‘হ্যাঁ। কারণ ছেলেগুলোর মুখ থেকে ওটা শোনার পর মনটা খুব খচখচ করছিল। তারপর কুষ্ঠিতেও যখন দেখলাম তখন আর…’ একটা বড়ো নিশ্বাস ছেড়ে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালেন নীলাম্বর। এবার আমি আসি। একটু উকিলের বাড়ি ঘুরে বাড়ি চলে যাব।’ সকলে উঠে দাঁড়ায়। নীলাম্বর সোমদত্তার মাথায় হাত রেখে বলেন, ‘একটা কথা মাথায় রাখিস মা, মানুষের সবচেয়ে দুর্বলতম জায়গা হল ভয়। সেটাকে কক্ষনো মনে স্থান দিবি না। শুভ চিন্তা নিয়ে এগিয়ে যাবি। তোর জয় নিশ্চিত।’ সোমদত্তা হেসে ঢক করে প্রণাম করতে যায় নীলাম্বরকে। নীলাম্বর সোমদত্তাকে বাধা দিয়ে বলে ওঠে, ‘একদম না। আসি, বিয়েতে নেমন্তন্ন করিস কিন্তু। কবজি ডুবিয়ে খাব।’ বলেই সূর্যের দিকে তাকায়। সূর্যও হাসে। তারপর সূর্য আর সোমদত্তাকে একসঙ্গে আশীর্বাদ করে বেরোবার জন্য উদ্যোগ নেন। এগোতে এগোতে মৃন্ময়ী বলে, ‘হসপিটাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ওর যে কী হবে জানি না। ভালোয় ভালোয় ফিরে এলে পুজো দেব বাড়িতে। ওই পুজোটাও কিন্তু আপনিই করবেন নীলাম্বরবাবু।’ চলতে গিয়ে থমকে যান। মৃন্ময়ীর দিকে মুখ ফিরিয়ে শুধু হাসেন।

    .

    সমগ্র পুলিশ ডিপার্টমেন্ট মিহিরের পাশে দাঁড়ায়। জাঁদরেল উকিলের তত্ত্বাবধানে কোর্টে কেস ওঠে। আত্রেয়ীকে বোলপুরের চৌধুরি ভিলা থেকে ঠেলে যে ফেলেছিল সে মিহির নয়। কারণ যে সেই ঘটনা দেখেছে অর্থাৎ বৃষভানু সে তার বন্ধু বল্টুকে সাদা ধবধবে রাক্ষুসে চোখের কথা বলে। যেটা মিহিরের নয়। সেরকম কোনো লেন্সের হদিশও মেলেনি। এরপর বোলপুর থানার গরাদ ভেঙে পালায় মিহির। কিন্তু কীভাবে? কৃষ্ণপদ কোর্টে ওঠে। গারদ ভেঙে পালাতে গেলে সবার চোখের সামনে দিয়েই পালাতে হবে। তাহলে কৃষ্ণপদ ঘোড়ুই যে বোলপুর থানার ওসি সে কী করছিল? দায়িত্বজ্ঞানহীনতার আঙুল ওঠে তার দিকে। শুধু সে নয়, গোটা থানা-ভরতি লোকের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে গেল সে। একজন সাধারণ মানুষ হয়ে তার গায়ে এত জোরই-বা এল কোত্থেকে? মিহিরের রেকর্ড বলছে সে দাগি আসামি নয়, বডি বিল্ডার নয়। ডাক্তারি পরীক্ষায় পরবর্তীকালে তার আসুরিক শক্তির কোনো রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। কিন্তু লোকে বলছে তাকে নাকি পিশাচ ভর করেছিল। যা আইন মানে না। যদি মিহির নিজের ইচ্ছেতেই পালায় তাহলেও সে কীভাবে বোলপুর থেকে কলকাতা ওইটুকু সময়ে আসে? যখন দ্রুতগামী কোনো যানই কলকাতা পৌঁছোতে পারে না? বৃষভানু খুন হওয়ার পর তার শরীর থেকে মিহিরের হাতের ছাপ পাওয়া যায়নি। মৃত্যুটাও অস্বাভাবিক। শুধুমাত্র হাতের চাপে কোনো মানুষের পক্ষে ওইভাবে মারা সম্ভব নয়। অন্য কোনো অস্ত্রের প্রমাণ মেলেনি। এমন কোনো তথ্য মেলেনি যা মিহিরের সঙ্গে সম্পর্কিত। এমনকি, তেঁতুল ওরফে পিন্টু ঘোষ বৃষভানুর মতোই বীভৎস চোখের একটি লোককে দেখে। সিসিটিভিতে যার মুখের ছবি ধরা পড়েনি। শুধু জামা আর প্যান্টের রংটা বোঝা গিয়েছিল। যা মিহির সরখেলের সঙ্গে মিলছিল। তা-ও স্ট্রিট লাইটের আলোয় জামার রং সঠিক করে বলা যায়নি। এরপরে তেঁতুলের মৃত্যু যা আদতে আইনের চোখে খুব রেয়ার দুর্ঘটনা। কোর্টে এসে আত্রেয়ীর নার্স সোহিনী সান্যাল বয়ান দেয় সে ঠিক কী কী দেখেছে এবং ফেস করেছে। কীভাবেই-বা আত্রেয়ী মারা যায়! তন্ময় হালদার যে কিনা কোর্টে প্রমাণিত হয় শান্তনু খুনের দোষী বলে সে-ও স্বীকার করে, তাকে যে মারতে চেয়েছিল সে মিহির নয়। শান্তনু। অথচ শান্তনু মৃত। তাহলে সে এল কোথা থেকে? সেটা অমীমাংসিত। ভূতের কনসেপ্ট আদালত না মানলেও ড্রাইভার আবদুলের মৃত্যু, আত্রেয়ীর মৃত্যু এবং ড্যাফোডিলে ঘটা ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ দেখে স্বয়ং বিচারক হতবাক। এর কোনো যুক্তি পায়নি আদালত। সাক্ষী হিসেবে সুরভি দেবীকে আনা সম্ভব হয়নি কারণ মেয়ের হাজতবাসের কথা শুনে তাঁর হার্টফেল করে। তন্ময় আদালতে সব স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। পুলিশ সবই জানত। শুধু এই ওয়ালেট আর ছবির কেসটাই ধোঁয়াশায় ছিল। তন্ময় জানায়, শান্তনুকে খুন করার পর ওর ওয়ালেট ফেলে দিতেই পারত। কিন্তু সেক্ষেত্রে কেউ না কেউ খুঁজে পেত। তাই চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেবে বলে প্যান্টের পকেটে রাখে। ফেরার পথে ওরা ফ্লাইটের টিকিট পায়নি। এছাড়া ফেরার পথে ওরা দুজনে এত ভয়ে ছিল যে, ওয়ালেটের কথাটা মাথা থেকে বেরিয়ে যায়। কলকাতা ফিরে এসে যখন খেয়াল হয় তখন আত্রেয়ী বলে তার কাছে থাকা অনাথআশ্রমের ছবিগুলোও এমন একটা জায়গায় লুকোতে হবে যাতে কেউ না খুঁজে পায়। কিন্তু সেগুলো পুড়িয়ে একেবারে নষ্ট করতে চায়নি সে। ওই ছবিগুলো ওর প্রথম মা-হওয়ার স্মৃতি। তাই বারবার বলা সত্ত্বেও ছবিগুলো জ্বালাতে চায়নি। প্রকাশ না করলেও বন্দনার প্রতি অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়ে আত্রেয়ী। শান্তনুকে জীবন থেকে সরিয়ে দেবার পর বন্দনার ওপর অনেকটাই ভরসা করতে শুরু করে আত্রেয়ী সেন। ওর কথাতেই ওই ছবিগুলোর সঙ্গে শান্তনুর ওয়ালেটটাও ধানুয়ার ঘরের দেয়াল ভেঙে লুকিয়ে ফেলে তন্ময়। যে লোক এই কাজ করে তাকেও তন্ময় কলকাতার বাইরে থেকে নিয়ে আসে। তন্ময় ও বন্দনার যাবজ্জীবন কারাবাস ঘোষণা করে আদালত। প্রমাণের অভাবে বেকসুর খালাস পায় মিহির সরখেল। প্রতিটা মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে সেই খবর। হইচই পড়ে যায় চতুর্দিকে।

    .

    মিহির এখন স্ক্রাচ নিয়ে হাঁটে। ডাক্তার বলেছে, এটা টেম্পোরারি। আবার আগের মতো ছুটে হেঁটে ঘুরে বেড়াতে পারবে মিহির সরখেল। বাড়িতে বড়ো করে যজ্ঞের আয়োজন হয়। চারজন পুরোহিত সেই যজ্ঞ করেন। নীলাম্বর ব্যানার্জিই এঁদের কন্ট্যাক্ট দিয়েছিলেন সায়নকে। কিন্তু তিনি আসেননি। আসতে পারেননি।

    .

    সাদার্ন অ্যাভিনিউয়ে নীলাম্বরের বাড়ি। আজ বৃষ্টিটাও হচ্ছে অনেকক্ষণ ধরে। বৃষ্টি থামলে বেরোব, এই ভেবে অপেক্ষা করেই সময়টা নষ্ট হল। প্যারানরমাল সোসাইটি থেকে বাড়ি ফিরতে অনেকটা রাত হয়ে গেল নীলাম্বরের। রাস্তাঘাটে লোকজন নেই বললেই চলে। বৃষ্টি মাথায় ঘাড় নীচু করে এক পায়ে দাঁড়িয়ে রাস্তা পাহারা দিচ্ছে স্ট্রিটলাইটগুলো। কালু, ভুলুরাও আজ বেপাত্তা। নইলে এতক্ষণে বিস্কুটের আশায় ল্যাজ নাড়তে নাড়তে ঠিক চলে আসত। ছাতা মাথায় হাঁটতে হাঁটতেই মোবাইলে কথা বলছেন নীলাম্বর। ‘হ্যাঁ হ্যাঁ সব ঠিক আছে। আমি আর কী বলব বলুন তো? সেদিন তো আপনার বাড়িতে গিয়ে সব দেখে এলাম। আমার যাবতীয় আইনি দস্তাবেজ তো আপনি আজকে প্রথম করছেন না। না না সমাজপতিবাবু পূর্ণ বিশ্বাস করি আপনি সব ঠিক করবেন… হ্যাঁ আমি ভাইয়ের ছেলেকে আসতে বলেছি। ও তো এখন ব্যাঙ্গালোরে। এলেই আপনার কাছে নিয়ে যাব। আর একান্ত যদি আসতে না পারে তাহলে আর-

    .

    আর কিছু বলার অবকাশ পেলেন না নীলাম্বর। কখন যে দানবের মতো লরিটা হর্ন ছাড়াই ছুটে এসে পিষে দিয়ে গেল তাঁকে, নীলাম্বর নিজেও টের পেলেন না। ফোনটা কোথায় পড়ল জানেন না। তবে নীলাম্বরের শরীরটা উড়ে গিয়ে পাঁচিলে ধাক্কা খেয়ে রাস্তার পাশেই পড়ল। সারা শরীরের রক্ত ধুয়ে দিতে দিতে বৃষ্টিও ক্লান্ত হয়ে গেল। চোখের ওপর স্ট্রিটলাইটের আলোগুলো নিভে যাবার আগে আগুনের মতো দপ করে জ্বলে উঠল। সেই আগুনের পাশে বসেই গুরুদেব বলেছিলেন, ‘তুই এই আত্মাকে জাগাচ্ছিস। তাই মনে রাখিস নীলাম্বর, আত্মার ইচ্ছে যদি পূর্ণ না হয় তাহলে ও যে লোকেই থাকুক না কেন, তোকে মেরে তবেই শান্ত হবে।’

    .

    চার পুরোহিত উচ্চকণ্ঠে সংস্কৃত মন্ত্রোচ্চারণ করে চলেছেন। আগুনের লেলিহান শিখাগুলো পরমানন্দে নৃত্যরত। যজ্ঞ ঘিরে বসে আছে সায়ন, মিহির, মুনাই, মৃন্ময়ী, সূর্য, সোমদত্তা ও সোনাই। সকলের চোখই জ্বালা করছে এখন। নোনতা জল গড়িয়ে পড়ছে টুপটুপ করে। সে কী ধোঁয়ার জন্য, নাকি ডাইনিঙের দেয়ালে মালা দিয়ে সাজনো পরমবন্ধুর ছবিটার জন্য!

    .

    গল্প শেষ হয়। কিন্তু জীবন নয়।

    ***

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }