Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৬

    ছয়

    অফিস থেকে ফিরে খাটের ওপর হাত-পা ছড়িয়ে বসে আছে মিহির। চোখ দুটো তার খোলা জানলার বাইরে। তখন ভরা জ্যোৎস্না। খাটের পাশে স্নিগ্ধ হলুদ আলোয় জ্বলছে টেবিল ল্যাম্প। সেই আলোর খানিকটা আর বাইরে থেকে আসা জ্যোৎস্নার কিছুটা রশ্মি মিহিরের শ্যামলা মুখে পড়েছে। ফ্যানের হাওয়ায় বাইরে বসন্ত বাতাস মিশে অসম্ভব সুন্দর একটা রোমান্টিক পরিবেশ। গায়ের ফিনফিনে সাদা ফতুয়াটা তিরতির করে মিহিরের শরীর ছুঁয়ে নড়ছে। কপালের ওপর নেমে আসা ঈষৎ ঢেউ খেলানো চুলগুলো ফুরফুর করে উড়ছে। মিহিরের চোখের পাতাগুলোও কোনো এক নরম আবেশে ভিজে বন্ধ হচ্ছে আবার খুলছে। হঠাৎ পটাং করে জ্বলে উঠল ঘরের টিউব লাইটটা। আলোর ঝটকায় ভ্রূ কুঁচকে চোখ বুজল মিহির।

    — দাও কালকের বাজারের টাকাটা দাও। তুমি তো আর থাকবে না। আমাকেই যেতে হবে।

    মিহির রীতিমতো ভ্রূ কুঁচকে ব্যাজার মুখে মৃন্ময়ীকে বলল, ‘তুমি ঠিক কেমন করে এলে বলো তো?’

    — কেমন করে?

    — কমলবনে মত্ত হস্তীর মতো।

    আঁচল দিয়ে গলার ঘাম মুছতে মুছতে মুখ বাঁকালো মৃন্ময়ী। ‘মরণ! হস্তী মত্ত না হলে সংসারটা যে ছত্রখান হয়ে যাবে। তুমি তো আর কোনো ঝামেলা ঘাড়াবে না। যত জ্বালা আমার।’ মিহির পুচ করে মুখ দিয়ে শব্দ করে মৃন্ময়ীকে উত্তর দিল, ‘তুমি না সেই টিপিক্যাল গৃহিণীদের মতো হয়ে যাচ্ছ মৃন্ময়ী। কোথায় আমি আজ বাদে কাল টলিসুন্দরী মেরে স্বপ্নো কি রানি আত্রেয়ী সেনকে নিয়ে শুট করতে যাচ্ছি। তুমি পাশে বসে উৎসাহ দেবে, তা নয়।’

    এবার মৃন্ময়ী যারপরনাই আনন্দিত হয়ে বলল, ‘কী বলছ কী? ফাইনাল?’ চোখ নাচিয়ে ঘাড় হেলিয়ে মিহির বলল, ‘হে হে বাওয়া তবে আর বলছি কী? আজকেই ওঁর বাড়ি গেছিলাম। ডিওপি আর আত্রেয়ী সেনের সঙ্গে স্ক্রিপ্ট নিয়ে মিটিংটা ওঁর বাড়িতেই হল। আমিও সব বুঝিয়ে-টুঝিয়ে দিলাম।’

    — তোমার কথা শুনল?

    — ও মা! আমি ডিরেক্টর। আমার কথা শুনবে না মানে? তবে ডিওপিটা একটু পোঁয়া পাকা।

    — কেন?

    — কোন ডায়লগটা আত্রেয়ী সেনের মুখে ভালো লাগবে, কোন অ্যাঙ্গেলে আত্রেয়ীর কীভাবে তাকানো উচিত সব শালা ও জানে। স্ক্রিপ্ট লিখেছি আমি, ডিরেকশন আমার। আরে বাবা আমারও তো একটা ভাবনা-চিন্তা আছে নাকি?

    এবার রীতিমতো গোয়েন্দাসুলভ সন্দিগ্ধ চোখে মৃন্ময়ী জানতে চায় ডিওপির নাম। মিহির বলল, ‘তন্ময় হালদার।’ নামটা শুনেই খানিক চুপ করে যায় মৃন্ময়ী। তারপর বলে, ‘দেখো বাবা! কোনো ঝামেলায় জড়িয়ো না যেন। দেখবে হয়তো কাটি করে তোমাকেই বাদ দিয়ে দিল।’ মৃন্ময়ীর মাথায় পটাং করে একটা চাঁটি মেরে মিহির বলল, ‘কালিমুখী কালনাগিনী! ভালো কিছু মুখে আসে না, না?’ মৃন্ময়ীও মিহিরের মাথায় খোঁচা দিয়ে বলে, ‘আমি ভালোর জন্যেই বলেছি গো। এই তো ক-দিন আগেই কোন একটা পেপারে পড়ছিলাম, আত্রেয়ী সেনের সঙ্গে ওই তন্ময়ের এখন প্রেম চলছে। মহারানি নাকি ওঁকে ছাড়া এখন শুটই করেন না। কোন একটা সিনেমা থেকে ক্যামেরাম্যানকে সরিয়ে তন্ময়কে নেওয়া হয়েছে।

    — নিকুচি করেছে। আমি ডিরেক্টর আমি যেমন বলব ডিওপি তেমন শট নেবে আর আমার আত্রেয়ীও সেই শটটাই দেবে।’ মৃন্ময়ী এবার ছদ্মরাগে ফুঁসে ওঠে, ইসসস! একদিনেই কেমন বশ করেছে দেখেছ? আমার আত্রেয়ী! যতসব ঢলানি মহিলা। কাজ ছাড়া একদম ধারে-কাছেও ঘেঁষবে না।’ ফিক করে গা-জ্বালানি হাসি হেসে মিহির বলে, দুটো দিন যাক না। দেখো না কী হয়।’ কথাটা বলার সময় মিহিরের শরীরটাও বিছানায় বসে তুড়ুক তুডুক দু-বার নেচে উঠল। তারপর হাত দুটোকে সামনে বাড়িয়ে দু-পাশে ছড়িয়ে দিয়ে বলল, ‘খবরের কাগজে বড়ো বড়ো করে বেরোবে, আত্রেয়ী সেন এখন মিহির সরখেলের ছবি ছাড়া শুটিং করেন না।’ মৃন্ময়ী খিলখিল করে এক চোট হেসে নিল। তারপর মিহিরের চুলে আঙুল চালিয়ে একটু ঘেঁটে দিয়ে আদুরে স্বরে বলল, ‘অনেক ভাট বকেছ। এবার বাজারের টাকাটা ছাড়ো।’ মিহিরের বুকের ছাতি একবার উঠেই নেমে গেল। সঙ্গে একটা বড়ো দীর্ঘশ্বাস। এই নিশ্বাসের অন্তরালেই হয়তো লুকিয়ে রইল তার সুদূরের অসম্ভব কোনো স্বপ্নের বীজ! তারপর টেবিলে রাখা পার্স থেকে তিনটে একশো টাকা বের করতেই মৃন্ময়ী হাত বাড়াল।

    — উঁহু।

    পট করে হাত সরিয়ে দু-পাশে ঘাড় নাড়ল মিহির। টাকাটা গিন্নির হাতে না দিয়ে পাশের টেবিলেই রাখল। তারপর মৃন্ময়ীর দিকে তাকিয়ে বলল, ‘ওখান থেকে নিয়ে নাও।’

    — মানে? তোমার হাত থেকে নিলে ক্ষতি কী ছিল?

    মিহির পার্সটা টেবিলে রেখে ডানহাতটাকে মুখের কাছে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখল। ভীষণ নরম আর আহ্লাদি সুরে বলল, ‘এই হাত আর তোমায় ছোঁবে না কখনও। তুমিও ছুঁয়ো না যেন!’ ন্যাকা-ন্যাকা নাটকীয় সুরটাকে মিহিরের গলা থেকে চুরি করে মৃন্ময়ীও জিজ্ঞেস করল, ‘কেন গো?’ সুনীল সাগরের দু-ফোঁটা জল ধার করে মিহির বলল, ‘এই হাত ছুঁয়েছে আত্রেয়ীর হাত, একে স্পর্শ কোরো না তুমি! এখন থেকে সারারাত এই হাতে খাব শুধু হামি।’ বলেই চুকুত করে নিজের হাতেই একখানা চুমু খেল মিহির। তারপরে ঘরের মধ্যে শুধুই চপেটাঘাতের শব্দ, মিহিরের খ্যাকখ্যাক হাসি আর মৃন্ময়ীর মুখে টিপিক্যাল গৃহিণীদের মতো বরের উদ্দেশ্যে উদ্‌গীরিত হওয়া সোহাগিশব্দ, ইতর, দুশ্চরিত্র, ছোটোলোক, দু-কান কাটা’ ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি।

    .

    থানার করিডরের টাংস্টেন আলোয় হারিয়ে যেতে লাগল সব কিছু। স্মৃতিগুলো সব ইতিউতি ছিঁড়ে যাওয়া মাকড়সার জালের মতো ঝুলে রইল থানার করিডরটায়। সায়ন আর মৃন্ময়ী এখন লোহার গরাদের সামনে। দু-হাতের আঙুলে লোহার গরাদটাকে পেঁচিয়ে ধরে মৃন্ময়ী এক দৃষ্টে দেখতে থাকে ভেতর দিকে। লক-আপের ভেতরে হাঁটু-মাথা এক করে বসে আছে, কে ও? মানুষ! নাকি কলে-পড়া কোনো জন্তু? লক-আপের মাথার দিকে ঘুলঘুলি মতো জানলা দিয়ে ঠিকরে আসা আলোটা তেরচাভাবে পড়ে মাটিতে ও দেয়ালের খানিকটা অংশ আলোকিত করেছে। সায়ন আর মৃন্ময়ী বাকরুদ্ধ। এতক্ষণে একবারও গলা তুলে ডাকতে পারেনি ভেতরের চেনা মানুষটাকে। ওই মানুষটাও কি বুঝছে না কেউ এসেছে? মরমে মরে কাঠ হয়ে গেছে হয়তো। ভাবতেই পেটের ভেতর থেকে কান্নাটা দলা পাকিয়ে উঠল মৃন্ময়ীর। তবু ডাকতে হবে। সময় নেই বেশি। লোহার গরাদ টপকে কান্না-জড়ানো কাঁপা গলায় একটা আটপৌরে ডাক ভেসে গেল, ‘শুনছ! কী গো?’ আস্তে আস্তে মাথা তুলল লোকটা। মাত্র দুটো দিনে চেনা মানুষটাকে অন্য লোক মনে হচ্ছে। ক্লিন সেভ মুখে এত দাড়ি কী করে গজিয়ে গেল মানুষটার?

    — দাদাভাই, চিন্তা কোরো না। আমি জামিনের ব্যবস্থা করছি। কিচ্ছু হবে না তোমার।

    সায়নের কথাগুলো লোকটাকে এক ঝটকায় দূরে বসার জায়গা থেকে এক্কেবারে গরাদের সামনে নিয়ে এল। কথা বলল না কিছু। গরাদে প্যাঁচানো মৃন্ময়ীর হাতটাকে খুব জোরে চেপে ধরল মিহির। অনেক কিছু বলার জন্য গলার নলিটা কাঁপছে, ঠোঁট দুটো থরথর করছে। লাল চোখদুটো দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। অনেক কষ্টে মিহির বলল, ‘আমি কিচ্ছু জানি না। আমি কিচ্ছু করিনি।’

    গরাদের মধ্যে থেকেই হাত বাড়িয়ে বড়ো শ্যালকের কাঁধে হাত রাখল সায়ন। বলল, ‘সেটা তুমি না বললেও আমরা জানি। তুমি কিচ্ছু ভেবো না।’

    .

    এই কথাগুলো যখন সায়ন বলছে তখন মৃন্ময়ীর চোখ সেলের অন্ধকার কোণে আটকে গেছে। সেখানে হাঁটু-মাথা এক করে আরও এক আসামি বসে আছে। মুখটা দেখা যাচ্ছে না। মনে তো হচ্ছে গায়ে কালো রঙেরই পোশাক। নিশ্চয়ই কোনো দাগি আসামি। ভাবতেই ভেতর থেকে লজ্জায় কুঁকড়ে এল মৃন্ময়ী। শেষে কিনা আর পাঁচজন চোর-ডাকাত-খুনির সঙ্গে একই ঘরে থাকতে হচ্ছে তার স্বামীকে? মৃন্ময়ীর ভয় হল মিহিরের শরীর খারাপ করবে না তো? যদি মানসিক কোনো সমস্যা দেখা দেয়! তিন বছরের ছেলেটাকে নিয়ে একা কী করবে সে? ঠিক সেই সময়েই মিহিরও প্রশ্ন করল, ‘সোনাই, সোনাই কার কাছে? ওকে আয়ার হাতে ছেড়ে এসেছ নাকি? ‘ চোখের জল মুছে মৃন্ময়ী জানাল, ‘সোনাইকে মুনাই নিয়ে গেছে।’ ছেলেটা নিজের ছোটো বোনের কাছে আছে জেনে খানিক শান্ত হল মিহির। দূরে বসে থাকা আসামির দিকে আড়চোখে চেয়ে মৃন্ময়ী ফিশফিশ করে মিহিরকে বলল, ‘এখানে কেউ তোমায় ডিস্টার্ব করছে না তো গো? মানে ওদের সঙ্গে কিন্তু বেশি কথা বোলো না কেমন।’

    — কাদের সঙ্গে আর কথা বলব মৃন্ময়ী? আমার সঙ্গে কথা বলার মতো কেই-বা আছে এখানে?

    বড্ড অসহায় লাগল মিহিরকে। সায়ন মনে মনে স্থির করেই নিয়েছে। কিছু একটা করতেই হবে। চ্যানেল থেকে এখনও কোনো ফোন এল না। ওরা ঠিক কী ব্যবস্থা নিচ্ছে সেটা জানা গেলে বড্ড উপকার হত। এখানে থাকলে এই কৃষ্ণপদ দাদাভাইকে ছিঁড়ে খাবে। এই ভাবনাগুলো যখন সায়নের মনের ভেতর তোলপাড় করছে তখনই কনস্টেবল এসে জানাল সময় শেষ। আসার আগে মিহিরকে যতটা সম্ভব সান্ত্বনা দিতে চেষ্টা করল সায়ন। মিহিরও অসহায়ের মতো বারবার বলতে থাকে একটাই কথা, ‘আমি কিচ্ছু করিনি সায়ন। আমি নিজের ঘরেই ঘুমোচ্ছিলাম। আমি কোনো খুন করিনি। ওরা সবাই ভুল করছে।’

    — একদম চিন্তা কোরো না দাদাভাই। আমি সবার সঙ্গে কথা বলব। আমায় জানতে হবে আসল কারণ কী। ওই বৃষভানু নাকি সব দেখেছে। ঠিক কী দেখেছে আমি নিজে ওর মুখ থেকে শুনব। আর এটাও জানব তন্ময় আর বৃষভানুকে থানা থেকে জিজ্ঞাসাবাদ করে কেন এত তাড়াতাড়ি ছেড়ে দিল।

    সায়ন মিহিরের সঙ্গে কথা বলছে আর মৃন্ময়ী ঠায় চেয়ে আছে দূরে বসে থাকা লোকটার দিকে। এতক্ষণ লোকটাকে পাথরের মূর্তির মতো লাগছিল। কিন্তু সায়নের জিজ্ঞাসাবাদ করার কথা শুনে লোকটা যেন একটু নড়ে উঠল। সত্যিই কি নড়ল নাকি মৃন্ময়ীর ভ্রম! আরও ভালো করে পর্যবেক্ষণ করবে বলে একটু সামনের দিকে ঝুঁকে পড়ল মৃন্ময়ী। কিন্তু সায়ন বুঝল, মিহিরের অসহায়তা চোখের সামনে মৃন্ময়ী যত দেখছে তত ভেঙে পড়ছে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মৃন্ময়ীকে নিয়ে থানা থেকে বেরোতে হবে।

    .

    সায়ন আর মৃন্ময়ী বেরিয়ে আসতেই কৃষ্ণপদ টিপ্পনি কাটলেন, ‘কী স্যার? আপনার আত্মীয়কে খুব একটা খারাপ রাখিনি তো? যত্নেই আছেন কিন্তু!

    — হ্যাঁ কেমন যত্নে রেখেছেন সেটা তো নিজের চোখেই দেখলাম।

    রাগ আর অভিমান একসঙ্গে বেরিয়ে এল মৃন্ময়ীর গলা দিয়ে। কৃষ্ণপদ বাঁ-দিকের ভ্রূ তুলে বললেন, ‘কেন? খারাপটা কী দেখলেন?’

    — এখানে কথা বাড়িয়ে লাভ নেই বউদি। চলো আমরা বরং…

    — আরে দাঁড়ান দাঁড়ান …

    সায়নকে হাত তুলে থামিয়ে দিলেন কৃষ্ণপদ। মৃন্ময়ীকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘খাবার সময় খেতে দিয়েছি, অপরাধী সন্দেহে মারধোরও করিনি। খারাপটা কী রেখেছি?’

    এত বাগবিতণ্ডা সায়নের ভালো লাগছিল না। তবু মৃন্ময়ী কৃষ্ণপদর চোখে চোখ রেখে কড়া গলায় বলল, ‘একজন নিপাট ভদ্রলোককে নিতান্ত সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করে আর পাঁচটা আসামির সঙ্গে একই লক-আপে রেখেছেন। এরপরেও বলছেন খারাপ কী রেখেছি?’ এবার শুধু কৃষ্ণপদ নয়, মৃন্ময়ীর অভিযোগ শুনে সায়নেরও ভ্রূ কুঞ্চিত হল।

    — এই দেখুন সায়নবাবু, আপনার বউদি কী বলছেন এসব? আপনার আত্মীয়কে তো সম্পূর্ণ একটা আলাদা কেবিনে জামাই আদরে রেখেছি। আর পাঁচজন আসামি কোথায় সেখানে?

    কৃষ্ণপদর চিবিয়ে চিবিয়ে ঠাট্টা করে বলা কথাগুলো মৃন্ময়ীকে আরও খেপিয়ে দিল। বেশ ঝাঁঝালো কণ্ঠেই মৃন্ময়ী বলল, ‘পুলিশের পোশাক পরে মিথ্যে কথা বলবেন মা প্লিজ!’ কথাটা সোজাসুজি এবার কৃষ্ণপদর ব্রেনে গিয়ে ঘা দিল। মাথার পাশের রগদুটো শক্ত হয়ে উঠল। ঠিক এই সময় সায়ন বলল, ‘না না বউদি, কৃষ্ণপদবাবু কিন্তু মিথ্যে বলছেন না।’ মৃন্ময়ী যেন আকাশ থেকে পড়ল। দু-চোখ ভরা বিস্ময় নিয়ে সায়নের দিকে তাকাল। সায়ন বলল, ‘দাদাভাই তো ওই ঘরটায় একাই আছে। আর তো কোনো আসামি নেই!’

    — সায়ন, তোমার চোখটাও কী গেল? অন্ধকার কোণের দিকে বসে থাকা অত বড়ো মানুষটাকে তুমি দেখতেই পেলে না?

    — কোন মানুষ? কার কথা বলছ? আমি তো দাদাভাই ছাড়া কাউকেই দেখিনি।

    বউদি আর নন্দাইয়ের মাঝে পড়ে কৃষ্ণপদ ভড়কে ভ। স্বামীকে আসামির ঘরে দেখে এর নির্ঘাত মাথা গেছে। এদিকে মৃন্ময়ী কিছুতেই সায়নের কথা মানবে না। সায়ন বলল, ‘আচ্ছা বেশ, কৃষ্ণপদবাবু, আমি নিজে আর-একবার লক-আপটা চেক করে আসতে চাই। প্লিজ!’ সায়নের মাথা থেকে পা পর্যন্ত একবার দ্রুত চোখ চালিয়ে অনিচ্ছাসত্ত্বেও অনুমতি দিলেন। সায়ন ঢুকে গেল। খানিক বাদে বেরিয়েও এল। এসে একই কথা বলল, ‘না বউদি, ওই ঘরে দাদা একাই আছে।’ এতটা ভুল দেখল মৃন্ময়ী? না না, সে কী করে হয়? ও যে স্পষ্ট দেখল একটি লোক তিন মাথা এক করে হাঁটু মুড়ে বসে আছে। মুখ ঢাকা। মনে হয় কালো অথবা ছাই রঙের পোশাক ছিল গায়ে। অন্ধকারে সঠিক রংটা ঠাওর করতে পারেনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }