Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৭

    সাত

    এলোপাথাড়ি বসন্তের হাওয়া। মাথার ওপর চাঁদিফাটা রোদ। তবে চৌধুরি ভিলার চারপাশে গাছেদের ভরা সংসার বলে রোদের তাতটা এখানে একটু কম। বাড়িটার উঠোনে পা রাখতেই মৃন্ময়ীর গায়ের রোমগুলো খাড়া হয়ে গেল। বুকের ভেতরটা কে জানে কেন কেঁপে-কেঁপে উঠছে। উঠোনে যে জায়গাটায় আত্রেয়ী পড়েছিল পুলিশ সেই জায়গাটাকে মার্ক করে ঘিরে দিয়েছে। এখনও রক্তের দাগ শুকিয়ে জমে আছে মাটিতে। উঠোনটাকে ঘিরে তিনদিকে ঘর, বারান্দা। কৃষ্ণপদ ঘোড়ুই সায়নের সঙ্গে দুজন সাব ইনস্পেক্টর ও দুজন কনস্টেবল পাঠিয়ে দিয়েছেন। এরা চারজনেই আজ ভোর রাতে এখানে এসেছিল। তাই সায়নের একটু সুবিধেও হবে। চলুন স্যার, আগে দোতলাটা ভালো করে দেখে নেবেন, মানে যে দিকটার ছাদ থেকে আত্রেয়ী সেনকে ফেলে দেওয়া হয়।’ সাব ইনস্পেক্টর বিপুলের কথায় সায়ন খানিক ভ্রূ কুঁচকে তাকাল ওদের দিকে। মৃন্ময়ী যেন একটু গুটিয়ে গেল। এরা কি ধরেই নিয়েছে যে মিহির আত্রেয়ীকে খুন করতে চেয়েছে? ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মৃন্ময়ীর চোখ পড়ে দোতলার বারান্দায়। একটি লোক ওপর থেকে ওদের খেয়াল করছে। ঠিক এই সময়েই আর-এক কনস্টেবল মোহন হঠাৎ বলল, ‘বিনায়কটা গেল কোথায়? গেটেও নেই!’

    — কে বিনায়ক?

    সায়ন জিজ্ঞেস করল। মোহন বলল, ‘এই বাড়ি দেখাশুনো করে।’ মৃন্ময়ীর কথাগুলো কানে যেতেই বলল, ‘ওই তো ওপরে বোধহয় উনিই দাঁড়িয়ে আছেন।’ সকলে ওপরের দিকে তাকাল। কিন্তু কেউ-ই কাউকে দেখতে পেল না। মৃন্ময়ীও যথেষ্ট অবাক হল। ‘এক্ষুনি তো ওপর থেকে আমাদের দেখছিলেন।’ বিপুল দু-বার হাঁক দিল বিনায়কের নাম ধরে। কিন্তু সাড়া দিল না কেউ। সায়ন ফোন করতে বলল বিনায়ককে। মোহন চেষ্টাও করল। কিন্তু এখানে মাঝেমধ্যেই টাওয়ার থাকে না। এখনও একই অবস্থা। একটু লজ্জাতেই পড়ল মৃন্ময়ী। লক-আপেও সে একজনকে দেখল অথচ তাকে কেউ দেখতে পেল না। এখানেও একই ঘটনা।

    .

    সায়ন বলল, চলুন আমরাই নিজেরা দেখে নিই।’ বলেই দলবল নিয়ে গটগট করে দোতলায় উঠে সায়নের মনে হল ছাদ থেকেই শুরু করা ভালো। কাঠফাটা রোদ। চোখ কুঁচকে আসছে সবার। সায়ন চোখে সানগ্লাস এঁটে নিল। ভালো করে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল সারা ছাদ। তেমন কোনো বিশেষত্ব নেই। ছাদের ধারে পাঁচিল থাকলেও সেটা যথেষ্ট নীচু। এখান থেকে কোনো মানুষের পক্ষে কাউকে ঠেলে ফেলা এমন কিছু অসম্ভব নয়। মৃন্ময়ী সবার থেকে একটু তফাতে দাঁড়িয়ে। শুধু মাঝে মাঝে একটা করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ছে। এখন তার মনের মধ্যে অদ্ভুত রকমের শূন্যতা। কী দেখবে সে? কী-ই বা বুঝবে? এসব কিচ্ছু দেখার নেই তার। এখন শুধু একটাই লক্ষ্য, কী করে এই নরকের অন্ধকার থেকে মিহিরকে উদ্ধার করা যায়।

    — এই বাড়িটা ভাড়া করতে গেলে কার সঙ্গে কনট্যাক্ট করতে হয়?

    সায়নের প্রশ্নে উত্তর দিল বিপুল, বিনায়ক। তবে এ বাড়ির বর্তমান মালিক ব্যাঙ্গালোরে থাকেন।’

    — কী নাম?

    — মৈনাক দত্ত।

    — কী করেন?

    — আইটিতে আছেন সম্ভবত। একটু খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে।

    — হুম!

    সায়ন আরও একবার ঝুঁকে নীচের দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর ঠোঁট উলটে বলল, ‘এত উঁচু থেকে পড়লেন অথচ বেঁচে রইলেন।’ মোহন ফুট কাটল, কথাতে বলে মেয়েদের জান আর কই মাছের প্রাণ, একই।’ সায়ন একটু কান এঁটো করা হাসি দিয়ে ঘুরে বলল, ‘বৃষভানু কোথায় ছিল রাতে?’ এমন কঠিন একটা নাম তুলে হট করে প্রশ্ন করাতে দুজন সাব ইনস্পেক্টর একটু থমকে গেল। প্রথমে মনে করতে পারল না এই বৃষভানুটি কে? সায়ন সেটা বুঝেই আরও পরিষ্কার করে বলল, ‘ওই যে ছেলেটি আত্রেয়ী সেনকে ঠেলে ফেলতে দেখেছে।’

    — ও হো, শুটিংয়ের খাবার দিত যে? ওই তো, ওই দিকের বারান্দাতে ছিল। বিপুল আঙুল তুলে উলটোদিকের দোতলার বারান্দাটা দেখাল। সায়ন স্বচক্ষে জায়গাটা দেখে মনে মনে বেশ হতাশই হল। ও মনেপ্রাণে চাইছিল সাক্ষীদের বলা কোনো কিছু একটা মিথ্যে হোক। তাতে দাদাভাইকে ছাড়াতে সুবিধে হবে। কিন্তু এটাও মিলে গেল। ওই বারান্দা থেকে এই ছাদ একেবারে স্পষ্ট দেখা যায়। এমনকি ঘরের মধ্যে থেকে উঁকি দিলেও এই ছাদের ধারে কী হচ্ছে সেটা বোঝাও অসম্ভব নয়। বেশ বড়োসড়ো একটা শ্বাস নিয়ে সায়ন বলল, ‘চলুন, এখানে বিশেষ কিছু নেই। নীচের ঘরগুলো দেখি।’

    — চলুন স্যার।

    বিপুল এগোতে গেল। সায়ন ‘একী! বউদি কোথায় গেল?’ বলে থমকে গেল। মৃন্ময়ী একটু তফাতেই দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এখন আর নেই। ‘বিরাট ছাদ! ওইদিকটায় আছেন বোধহয়।’ বলেই বিপুল ছাদের উলটোদিকটায় গেল। পেছন পেছন বাকিরা। কিন্তু কোথায় কী? বসন্তের এলোমেলো হাওয়ার ছুটোছুটি আর আশেপাশের গাছগাছালির দুলন্ত শাখার ছায়া ছাড়া সারা ছাদে কিসসু নেই, কেউ নেই। সায়ন গলা তুলে ডাকতে থাকে। বিপুলের সঙ্গে মোহনও ‘মিসেস সরখেল মিসেস সরখেল’ বলে ডাকাডাকি করে। মৃন্ময়ীর গলা পাওয়া যায় না। তড়িঘড়ি দোতলায় নেমে আসে সকলে। ডাকাডাকি হাঁকাহাঁকি চলতে থাকে। দ্রুততার সঙ্গে প্রতিটা ঘর খুলে ভালো করে দেখা হয়। সায়নের ভ্রূ দুটো ধনুকের মতো বেঁকে যাচ্ছে ক্রমশ। অচেনা জায়গায় বউদি গেল কোথায়? আর গেলই যখন এত ডাকাডাকিতেও সাড়া দিচ্ছে না কেন? তন্ময়ের ঘর, অমিতাভ মল্লিকের ঘর এবং সঙ্গে আরও দুটো ঘর তন্ন তন্ন করে খুঁজে সকলে ঢুকে পড়ল বারান্দার একদম কোণের ঘরটায়। ঢুকেই সায়নের মাথায় যেন বাজ পড়ে। দেখে মাটিতে অচৈতন্য হয়ে লুটিয়ে আছে মৃন্ময়ী। কোনোরকমে ঘরের বিছানায় তুলে চোখে-মুখে জলের ঝাপটা দিল সবাই। ধীরে ধীরে চোখ মেলল মৃন্ময়ী। চোখে কেমন যেন ঘোর লেগে আছে ওর। ‘বউদি ঠিক আছ? বউদি, চোখ খোলো। আমি সায়ন।’ গালদুটো ধরে নাড়াচ্ছে, গালে আঘাত করছে। যাতে মৃন্ময়ীর জ্ঞান ফিরে আসে তাড়াতাড়ি।

    মৃন্ময়ী উঠে বসল। মাথাটা কেন যে টলছে এত। সায়ন বলে চলেছে, ‘তুমি এখানে এলে কেন? কখনই-বা এলে?’

    — আপনার শরীর কী খুব খারাপ করছে মিসেস সরখেল? ডাক্তারের ব্যবস্থা … মৃন্ময়ী হাত তুলে বিপুলকে থামিয়ে দিল। মাথা নেড়ে বলল, ‘আমি ঠিক আছি। ব্যস্ত হবেন না।’ সায়ন জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি এখানে এলে কী করে? কেনই-বা এলে?’

    — জানি না।

    — জানো না! এতগুলো ঘর পেরিয়ে এই কোণের ঘরেই কেন এলে? আর অজ্ঞানই-বা হলে কী করে?

    — আমি অজ্ঞান হয়েছিলাম?

    — হুমম।

    মৃন্ময়ীর কপালে ঘাম। ক্লান্তিতে চোখদুটো ছোটো হয়ে গেছে। শরীরটা যেন আর চলছে না। তবু সে বলল, ‘আমার কিচ্ছু মনে পড়ছে না সায়ন। এটা কার ঘর? কে নিয়ে এল আমায়?’ সায়ন বলল, ‘তখন কত করে বললাম কিছু খেয়ে নাও। দুপুর তিনটে বেজে গেল। পেটে কিচ্ছু পড়েনি। নিশ্চই গ্যাস ফর্ম করে গেছে।’ এবার বেশ বিচলিত দেখাল মৃন্ময়ীকে। বলল, ‘সোনাই? সোনাই খেয়েছে? মুনাইয়ের কাছে ঝামেলা করেনি তো?’

    — আমি এক্ষুনি ফোন করে খবর নিচ্ছি। তুমি নিজেই কথা বলো।

    বলতে বলতে পকেট থেকে ফোন বের করে দেখে টাওয়ারের জায়গায় ক্রস চিহ্ন। ‘এ বাবা! এখানে তো টাওয়ারই নেই। বাইরে গেলে বোধহয় টাওয়ার পাব। তখন কথা বলে নিয়ো।’ মৃন্ময়ীর ভেতরে ছটফটানিটা আরও বেড়ে গেল। ছেলেকে ছেড়ে এতক্ষণ কোথাও কোনোদিন যায়নি সে। সায়ন পুরো ঘরটাকে একটু ভালো করে নজর করতে করতে বলল, ‘কাল রাতে এ ঘরে কে ছিল বিপুলবাবু?’

    — আজ্ঞে মিহিরবাবু ছিলেন।

    সায়ন আর মৃন্ময়ী দুজনেই যেন অজানা কারণে ধাক্কা খেল। তাই বেখেয়ালে দুজনেই একসঙ্গে বলে উঠল, ‘মিহিরবাবু!’ সায়ন বলল, ‘মানে দাদাভাই ছিল এই ঘরে?’

    — আজ্ঞে হ্যাঁ স্যার।

    সায়ন নীরবে মৃন্ময়ীর দিকে চাইল। এই মুহূর্তে সায়ন আর মৃন্ময়ীর মনের প্রশ্ন হুবহু এক, এই ঘরে মিহির ছিল আর এখন মৃন্ময়ীও এই ঘরে এল! এবং অজ্ঞানও হল! কীভাবে? এ কি কোনো কাকতালীয় ঘটনা? নাকি আবারও কোনো …! মনও যেন অলৌকিক শব্দটা উচ্চারণ করতে ভয় পেল। তিলোত্তমা, বরেন, মিহির চ্যাটার্জি, মহীতোষ কেউ-ই মুছে যায়নি মন থেকে। পৈশাচিক নিয়তির মতো এখনও জ্বলজ্বল করছে মনের মণিকোঠায়।

    .

    বুকের ভেতরের পাখিটা ছটফট করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে। তার এখন কান্না নেই, প্রতিবাদও নেই। আসলে কোনো কিছুই তো মিহিরের হাতে নেই। কী হল? কেন হল? প্রশ্নগুলো মরদেহের পাশে ভনভন করতে থাকা মাছির মতো মাথার চারপাশে খানিক আগে পর্যন্তও ঘুরছিল। কিন্তু এখন মিহির শুধুই রক্তমাংসের পুতুল। ঢং ঢং করে বারকয়েক একটা শব্দ কানে এল মিহিরের। ও যেন নিজের শরীরের মধ্যে ফিরল। লোহার গরাদের বাইরের দিকে চেয়ে দেখল কুচো কুচো চুল সাজানো টাকের নীচে দু-জোড়া শিকারি চোখ তার দিকে দেখছে। সেই চোখে চোখ পড়তেই ধমকের সুরে বাঁধা গলাটা বলে উঠলেন, ‘কী ব্যাপার? খাবারটা খাননি কেন?’

    খাবার? ভ্রূগুলো কুঁচকে গেল মিহিরের। সামনের মাটিতে তাকিয়ে দেখল, চারটে রুটি আর একটা সবজির ঘ্যাঁট অ্যালুমিনিয়ামের থালায় পড়ে আছে। ক্ষুধা, তৃষ্ণার অনুভূতিগুলো মরে গেছে মিহিরের। কখন থেকে খাবার পড়ে আছে খেয়ালই নেই। বাইরে থেকে কৃষ্ণপদ বিচ্ছিরি ধমকের সুরে আবার বলল, ‘অনশন করে লাভ নেই মিহিরবাবু। যা অপরাধ করেছেন তাতে কম করে যাবজ্জীবন তো বটেই।’

    এবার এক ফোঁটা জল শুধু লজ্জায় চোখের কোল বেয়ে গড়িয়ে পড়ল মিহিরের কৃষ্ণপদ তার বাক্যি ঝেড়েই চলেছেন, ‘আপনার ওই ভগ্নিপোত ছাড়া আপনার হয়ে তো কেউ কতাই কইছে না। আপনার অফিস থেকেও এখনও তেমন কোনো স্টেপ নেয়নি। তার মধ্যে ওই লোকটা, কী যেন ষাঁড়ের মতো নাম! খাবার দেয়। হ্যাঁ, বৃষভানু!’ নামটা উচ্চারণ করেই খ্যাকখ্যাক করে নিজের মনে হেসে কৃষ্ণপদ বললেন, ‘ওই খয়াখোপ্পুরে চেহারা তার নাম নাকি বৃষভানু। যাইহোক, সে তো পুরো ঘটনাটাই চোখের সামনে

    .

    বেআক্কেলে মোবাইল কথাটা শেষ করতেই দিল না কৃষ্ণপদকে। ‘ধুউর বাল, এসময়ে আবার …’ থুথু ছোঁড়ার মতো কথাগুলো বলতে বলতে ফোন ধরলেন। ‘হ্যালোওওওও! বলছি … কে বলছেন? বৃষভানু! বাওয়া আপনি তো মশাই একশো বছর বাঁচবেন।’ যে মিহির এতক্ষণ ভেজা ন্যাতার মতো পড়েছিল, সে বৃষভানুর নাম শুনে বিদ্যুৎ-তরঙ্গের মতো ওসির দিকে তাকাল।

    — বলুন কী কথা? অ্যাঁ? কী বলেননি? হ্যালো … হ্যাঁ শুনতে পাচ্ছেন?

    মিহির বুঝতে পারে নেটওয়ার্কের কোনো প্রবলেমের জন্য ওসির কানে কিছুই পৌঁছোচ্ছে না। খামোকা পায়চারি করছে আর এক কান চেপে আর-এক কানে কোনো গোপন তথ্য শুনতে চাইছে। ‘হ্যাঁ কী বলবেন বলুন। আরে বাবা পাচ্ছি শুনতে। এক কাজ করুন আপনি হোয়াটস্যাপ করুন। নেটওয়ার্কে প্রবলেম … হ্যাঁ হ্যাঁ ঠিক আছে, রাতে জানান। … হ্যালো, হ্যালো, হ্যাঁ হ্যাঁ রাতে পৌঁছে বলুন। ফোনটা কাটতে কাটতে নিজেই বিড়বিড় করলেন বোলপুর থানার ওসি, শালা নেটওয়ার্কও বটে।’ বলেই মিহিরকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ‘খেয়ে নিন। নইলে ধকল সইবেন কী করে?’ বলে চলে যেতে যাচ্ছিলেন ঠিক তখনই ভারাক্রান্ত কণ্ঠে ডেকে উঠল মিহির, ‘শুনুন।’ ফিরে তাকালেন কৃষ্ণপদ, ‘কিছু বলবেন?’

    — বৃষভানু কী বলল? ও কি আরও কিছু …

    — হ্যাঁ। কী একটা যেন বলা হয়নি বলল। সেটা বলতেই ফোন করেছিল বাট নেটওয়ার্ক প্রবলেম। তাই বলল রাতে বাড়ি পৌঁছে জানাবে।

    মুখে পুচ করে একটা শব্দ করে কৃষ্ণপদ বললেন, ‘ভয় করছে? আরও কিছু ডিটেইলস যদি ও আপনার বিরুদ্ধে বলে তাহলে তো …’ কথাটা মুখে বললেন না বটে তবে চোখের সঙ্গে মুখের যা ভঙ্গিমা করলেন তাতে পরিচালক মিহিরের বুঝতে অসুবিধে হল না যে উনি মিহিরের জীবনটাই শেষ এমন ইঙ্গিতই করলেন। বুটের শব্দ তুলে কৃষ্ণপদ চলে গেলেন। মিহিরের শান্ত চোখদুটোয় যে নিস্তরঙ্গ ভাব ছিল সেখানে এখন ঢেউ উঠছে প্রবল। মুখের দু-পাশে শিরায় চাপ পড়েছে। তারাও চামড়া ভেদ করে বেরোতে চাইছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }