Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – অভিষেক চট্টোপাধ্যায়

    অভিষেক চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প526 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি – ৮

    আট

    দুঃস্বপ্নের মতো সন্ধের অন্ধকার নেমেছে আজ। পুলিশের গাড়ির জানলায় মাথা হেলিয়ে আছে মৃন্ময়ী। তীব্র হাওয়ার ঝাপটা এসে লাগছে মুখে। মনে হচ্ছে পরিবেশ পরিস্থিতি যেন তাকে চাবুকের আঘাতে ছিন্নভিন্ন করে দিতে চাইছে। বোলপুরের এক অন্ধকার খুপরিতে ভালোবাসার মানুষটাকে একলা ফেলে তাকে ফিরতে হচ্ছে কলকাতা। মন চাইছে না। তবু যেতে হবে তাকে। তিন বছরের ছেলেটার জন্য মন তার আনচান করছে। আর কি কখনও দেখা হবে মিহিরের সঙ্গে? আর কি কখনও সুস্থ স্বাভাবিক হাসি-ঠাট্টা-মজায় জীবন কাটাতে পারবে তারা? মন কেন বারবার বলছে, দুজনের এই দেখাই শেষ দেখা! মৃন্ময়ীর অন্তঃস্থলে অন্তঃপুরের মেয়েটা আকুলি-বিকুলি করে কেঁদে মরছে। তবু বাইরে তার প্রকাশ নেই। মাত্র কয়েক ঘণ্টাতেই কি গায়ের চামড়াগুলো শক্ত হয়ে গেল?

    .

    একটা শব্দ হচ্ছে। বাজনা বাজছে কোথাও। পাশে বসে থাকা একটা মানুষের ছটফটানিতে মনে হল সায়নের পকেটে ফোনটা বাজছে। পা-টাকে একটু সামনের দিকে ছড়িয়ে দিয়ে পকেট থেকে মোবাইলটা বের করল সায়ন।

    — হ্যাঁ সূর্য বল। ও তাই নাকি? বাবা! এটা তো বেশ রিস্ক হয়ে গেল। আচ্ছা।

    ফোনে কথা চলাকালীন মৃন্ময়ী সায়নের মুখের দিকে অধীর আগ্রহে একদৃষ্টে তাকিয়ে ছিল। কী জানি কী খবর এল। ফোনটা কান থেকে সরাতেই মৃন্ময়ী বলল, ‘ওদের চ্যানেল থেকে? কিছু বলল ওরা? উকিল পাঠাচ্ছে?’ একসঙ্গে এতগুলো প্রশ্ন করে থামল সে। সায়ন শান্ত গলায় বলল, ‘না বউদি। আমাদের থানা থেকে জানাল যে আত্রেয়ী সেনকে কলকাতার মেডিলাইফ সুপার স্পেশ্যালিটিতে ট্রান্সফার করা হচ্ছে ফর বেটার ট্রিটমেন্ট।’

    — ও।

    মৃন্ময়ীর মুখটা আবার শুকিয়ে গেল। পরক্ষণেই সায়নের মোবাইলটা আবার বেজে উঠল। মৃন্ময়ীর চোখদুটো আবারও অজানা আশায় সায়নের মুখের দিকে তাকাল। সায়ন ফোন ধরে। ‘হ্যালো হ্যাঁ বলছি। ও আচ্ছা আচ্ছা বলুন। হুম … আচ্ছা … আচ্ছা। মানে কালকের আগে কিছু … বেশ। ঠিকাছে।’ মৃন্ময়ীর চোখদুটো এবার চকচক করে উঠেছে নিজে থেকেই। ও আর প্রশ্ন করল না। সায়ন নিজে থেকেই বলল, ‘চ্যানেল থেকে ভালো উকিল ঠিক করেছে। কাল কোর্টে জামিনের জন্য ট্রাই করবে।’ ‘ও জামিন পেয়ে যাবে বলো সায়ন? অ্যাঁ পেয়ে যাবে না? ও তো কিছু করেনি।’ শিশুর মতো অসহায় লাগছে মৃন্ময়ীকে। নিজের মতো সাফাই সাজিয়ে বলে চলেছে। ‘ঠিক বলেছ। দাদাভাই কিছু করেনি। জামিন পেয়ে যাবে চিন্তা কোরো না।’

    কিন্তু কার জামিন হবে কাল? মিহিরের? কীভাবেই-বা হবে? সায়ন যখন মৃন্ময়ীকে নিয়ে কলকাতার পথে ঠিক তখনই বোলপুর থানায় তুলকালাম। থানা-ভরতি লোক, পাহারাদার। জাঁদরেল কৃষ্ণপদ ঘোড়ুই ডিউটিতে থাকাকালীন এমন দুর্ঘটনা কল্পনাও করেনি কেউ। কৃষ্ণপদ অনেক দিন পর খুব শখ করে আলুসেদ্ধ, চানাচুর, শশা, ছোলা, পেঁয়াজ ও একটু তেঁতুলের জল দিয়ে গুছিয়ে মুড়ি মাখিয়ে এনেছিলেন। পায়ের ওপর পা তুলে জমিয়ে দুই কি তিন গাল খেয়েছে। অমনি ভেতর থেকে এক কনস্টেবল দৌড়োতে দৌড়োতে এল।

    — স্যার স্যার। সর্বনাশ হয়ে গেছে।

    সবেমাত্র মুখের মধ্যে চালান করা মুড়িগুলো ভুরভুর করে বেরিয়ে এল বাইরে। চেয়ারে এলিয়ে থাকা কৃষ্ণপদর পিঠটা চড়াৎ করে সোজা হয়ে গেল। রসনায় ব্যাঘাত কৃষ্ণপদর একদম সহ্য হয় না। আর এখন ঠিক সেটাই হল। ‘কী হয়েছেটা কী? উল্লুকের মতো লাফাচ্ছ কেন?’ দৌড়ে আসা কনস্টেবল প্রায় লাফিয়ে-হাঁফিয়ে যা বলল তাতে কৃষ্ণপদর হাত থেকে মুড়ির ঠোঙাটা তৎক্ষণাৎ থানার মেঝেতে পড়ে গড়াগড়ি। পড়ি কী মরি করে দলবলসমেত থানার করিডর ফুঁড়ে ঢুকে পড়েন কৃষ্ণপদবাবু। চোখ কপালে তুলে এসে দাঁড়ান লক-আপের সামনে। আসামাত্রই বুকের মধ্যে কে যেন খুব জোরে জোরে হাতুড়ি পিটতে শুরু করে তাঁর। এ কী করে সম্ভব? অমন মোটা শক্ত লোহার গরাদগুলো কে যেন আসুরিক শক্তিতে দু-পাশে বেঁকিয়ে ঠেলে দিয়েছে। মাঝে একটা বিরাট হাঁ-মুখ তৈরি হয়েছে যেখান দিয়ে যে-কোনো মানুষ অনায়াসেই গলে বেরোতে পারবে। লক-আপ শূন্য। মিহির সরখেল উধাও। ‘এটা কী করে সম্ভব হল?’ ফুসফুস ফাটিয়ে চিৎকার করে উঠলেন কৃষ্ণপদ ঘোড়ুই। ‘থানা-ভরতি এতগুলো লোক কি ঘুমোচ্ছিলে?’ কনস্টেবলের দল সব মাথা নীচু করে চুপ। তারপরেই হঠাৎ গলাটা শীতল থেকে শীতলতর হয়ে যায় কৃষ্ণপদবাবুর। উনি বলেন, ‘মাত্র তো একজন আসামি ছিল। তাকেও খেয়াল করে রাখা গেল না? এতগুলো লোকের চোখের সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেল?’ সাব-ইনস্পেক্টর বিপুল বলে, ‘স্যার, মিহিরবাবু যদি পালিয়েও যান তাহলে তো আপনার ঘরের মধ্যে দিয়েই যাবে। এছাড়া তো আর কোনো পথ তাঁর জানার কথা নয়।’

    বুটে ঠকঠক শব্দ তুলে বিপুলের সামনে এসে দাঁড়িয়েও চুপ রইলেন তিনি। কিছু বলতে গিয়েও বলতে পারলেন না। কারণ কথাটা ভীষণ সত্যি। শুধু দাঁতে দাঁত চেপে বললেন, ‘যান, এখুনি মিহির সরখেলকে ধরে আনুন। যেখান থেকে পারেন।’ কেউ ঠিক বুঝতে পারছে না। এখন জায়গা থেকে নড়া ঠিক হবে, না ভুল! সবাইকে কাঠের পুতুলের মতো দেখে মাথায় আগুন জ্বলে যায় কৃষ্ণপদর। মাথা ঝাঁকিয়ে পরিত্রাহী চিৎকার করে ওঠেন, ‘সবাই কি মরে গেলেন? যান খুঁজে আনুন মিহির সরখেলকেএএএ।’

    .

    শাওয়ারের তলায় দাঁড়িয়েও আনমনা হয়ে ছিল বৃষভানু। আবেগের বশে দুম করে বোলপুর থানার ওসিকে ফোন করে দেওয়াটা ঠিক হল না বোধহয়। কোথা থেকে কীসে জড়িয়ে পড়ে সে ও নিজেও জানে না। কিন্তু সে তো রাতে ফোন করবে বলল। এখন আর মন চাইছে না তার। শাওয়ারের ঠান্ডা জলের নীচে দাঁড়িয়েও শিরা দিয়ে যেন আতঙ্কের উষ্ণ স্রোত বইছে। এটা ও কী দেখল? ভুল দেখেনি তো? না না, এতটা ভুল সে দেখতে পারে না। এমনকি ভুল দেখলেও এরকম ভুল সে কিছুতেই দেখতে পারে না। এ যে অলৌকিক! অবাস্তব! ভয়ংকরও বটে। এরকম হতে পারে না কিছুতেই। বুক কাঁপিয়ে কলিং বেলটা বেজে উঠল। ভাবনার জগৎ থেকে বাস্তবের মাটিতে আছড়ে পড়ল বৃষভানু। শাওয়ার বন্ধ করে কোনোরকমে টাওয়েল জড়িয়ে বেরিয়ে এল। সারা গা দিয়ে টপটপ করে জল পড়ছে। লাল মাটিতে জলভেজা পায়ের ছাপ ফেলতে ফেলতে এগিয়ে গেল দরজার দিকে। ছিটকিনিটা খুলতে গিয়েও হাত থমকে গেল। একবার ভেবে নিল, পুলিশ এখানে কি আসবে? নাহ! সে সম্ভাবনা নেই। তবে কে এল? ঠিক তখনই বাইরে থেকে একটা ছেলের গলা, ‘ভানুদাআআআ, ও ভানুদাআআআ। খাবার এনেছি তো। ভানুদাআআআআ।’ হাঁফ ছেড়ে বাঁচল বৃষভানু। দরজা খুলল। স্টিলের থালা দিয়ে ঢাকা খাবার হাতে করে দাঁড়িয়ে আছে সামনের খাবার দোকানের তেঁতুল। ‘কী গো? চান করছিলে? আমি সেই কখন থেকে বেল দিচ্ছি।’’দে দে’ বলে হাত বাড়িয়ে খাবারটা নিল ভানু। ঢাকনা সরিয়ে খাবারটা দেখেই বলল, ‘পেঁয়াজ দিসনি? বলে এলাম যে।’ ঝট করে লম্বা জিভটা কেটে তেঁতুল বলল, ‘অ্যাল! একদম ভুলে গেছি। এখুনি দিয়ে যাচ্ছি।’ দরজাটা দিতে যাবে অমনি তেঁতুল জিজ্ঞেস করল, ‘হ্যাঁ গো ভানুদা, তোমাদের শুটিঙে নাকি হেবি বাওয়াল! ওই ডিরেক্টর আত্রেয়ীকে খুন করতে গেছিল?’ সারা শহর জেনে গেছে। লুকোবার জায়গা নেই। বেশি কথা বলল না, শুধু ‘হুম’ বলে দরজাটা বন্ধ করার তালে ছিল বৃষভানু, অমনি আবার তেঁতুল বলে উঠল, তা বলছি পুলিশ বাওয়াল দেয়নি? এত তাড়াতাড়ি তোমাকে আসতে দিল?’

    — তোর না বড্ড কৌতূহল তেঁতুল। যা না। দোকানে খদ্দের নেই?

    — আছে তো।

    — তাহলে যা। পেঁয়াজটা নিয়ে আয়।

    বলে আর-একটা কথাও না বাড়িয়ে তেঁতুলের মুখের ওপর দরজাটা দিয়ে দেয় বৃষভানু। ঘরে এসে খাবারটা রেখে বিছানায় বসে পড়ল সে। এই কেষ্টপুরে এক কামরার একটা ঘর ভাড়া নিয়ে থাকে। গত বছরই বিয়ে করেছে। বউ দেশের বাড়িতে থাকে। মোবাইলটা চোখে পড়তেই কৃষ্ণপদর মুখটা ভেসে ওঠে ভানুর চোখের সামনে। কোনো এক গোপন কথা জানাবে বলে ভানু কথা দিয়েছে তাকে। এবার যদি না জানায় তাহলে পুলিশ ভানুকেই সন্দেহ করতে পারে। ‘উফফফ’ বলে মোবাইলটা হাতে তুলে নেয়। কৃষ্ণপদর নম্বর ডায়াল করতে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে আবার বেজে উঠল কলিং বেল। মুখটা ব্যাজার হয়ে গেল। এবার পেঁয়াজ দেবার নাম করে নির্ঘাত আরও গন্ডাখানেক প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছে তেঁতুল। কোমর থেকে গামছাটা খুলে একটা হাফপ্যান্ট পরে নেয়। দরজা খুলতেই অবাক হয়ে যায়। কেউ নেই। দরজার বাইরে মুখ বাড়িয়ে গলিটার এপাশ-ওপাশ দেখে। শুনসান। দূরে একটা পাগল অনেকক্ষণ থেকেই বসে। উলটোদিকে রিকশাগুলো সারে সারে দাঁড় করানো। হলদে স্ট্রিটলাইটের আলো গলিটাকে আলোকিত করে রেখেছে। আজব ব্যাপার! বেল দিল কে? ভ্ৰূটা কুঁচকে দরজাটা দিয়ে দিল। ঘরে গিয়ে মোবাইলটা হাতে নিয়ে ডায়াল করল।

    .

    তন্নতন্ন করে খুঁজেও মিহিরকে কোথাও পাওয়া যায়নি। টেনশনে থানার মধ্যেই পায়চারি করছেন কৃষ্ণপদ। এত বছরের কর্মজীবনে এমন ফ্যাসাদে কক্ষনো পড়েননি। এমন অদ্ভুত কাণ্ডও ঘটেনি তার সঙ্গে। জলজ্যান্ত একটা মানুষ রাতারাতি উবে গেল চোখের সামনে দিয়ে? এমন সময় কৃষ্ণপদর ফোনটা আবার বেআক্কেলের মতো ঝনঝন করে ওঠে। কৃষ্ণপদ দৌড়ে এসে ফোনটা কানে ধরেই বলে ওঠে ‘হ্যালো।’ কানের পর্দায় আবারও যেই ঝনঝন করে আগের মতো ফোনটা বেজে ওঠে তখন উনি বোঝেন যে কল অ্যাক্সেপ্ট না করেই হ্যালো বলে ফেলেছেন। কোনোরকমে সবুজ রঙের গোল রিসিভার আঁকা চিহ্নটার ওপর ডানহাতের তর্জনিটা ঘষে দিয়েই আবার ‘হ্যালো’ বললেন। ফোনের ওপারে বৃষভানু। এখন একে মাথার ঘায়ে কুকুর পাগল দশা। তার ওপর ভানুর ফোন। চূড়ান্ত বিরক্তি নিয়ে বলেন, ‘হ্যাঁ কী বলবেন বলুন।’

    — আমি স্যার ঠিক বুঝতে পারছি না কী বলব। মানে কী করে বোঝাব? আপনারা হয়তো বিশ্বাসই করবেন না।

    — মানে?

    প্যান্টের ওপর দিয়েই পেছনটা চুলকে নিয়ে ব্যাজারমুখে উত্তর দেন কৃষ্ণপদবাবু।

    ভানু পায়চারি করতে করতে সবে মুখ খুলতে যাবে ঠিক তখনই ওর মনে হল ঘরের দরজায় কে যেন এসে দাঁড়িয়েছে। কথা বলবে বলে মুখ খুলেও থেমে গেল। হ্যাঁ ঠিক দেখেছে সে। ঘরের আলো আর বাইরের করিডরের আলোর মাঝে লম্বা মতন কেউ দাঁড়িয়ে আছে। গায়ে মেরুন রঙের টি-শার্ট, জিনস। প্রোমোশুটের শুরু থেকেই এই রঙের পোশাক দেখছে সে। তবু মুখটা আবছা লাগল চোখে। ফোনটা কানে ধরেই ভানু বলে ওঠে, ‘কে? কে ওখানে?’ ফোনের ওপারে কৃষ্ণপদ খ্যাকখ্যাক করে বলে ওঠে, ‘আরে কে আবার কী? আপনি তো আমায় ফোন করলেন।’ এসব কিছুই ফোনের এপারে ভানুর কানে ঢুকছে না। কারণ ঘরে আসা আগন্তুকের মুখ এখন আবছা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। ভানুর হাতটা কান থেকে আপনা-আপনিই নেমে আসে। গলা দিয়ে বেরিয়ে আসে, ‘স্যার আপনি?’ ওপার থেকে কৃষ্ণপদ আরও কিছু বলে চলে কিন্তু কানে পৌঁছোয় না ভানুর। ধীরে ধীরে চোখদুটো ভয়ে ঠেলে বেরিয়ে আসতে থাকে বৃষভানুর। সে পিছোতে পিছোতে হোঁচট খেয়ে বিছানায় পড়ে যায়। হঠাৎ সে চিৎকার করে ওঠে, ‘না, এ-এ হতে পারে না। কে আপনি?’ বলামাত্রই একটা হাত ভানুর গলা টিপে ধরে। ‘অক-অক’ করে শব্দ বেরোতে থাকে। কৃষ্ণপদ ওপার থেকে ভানুর নাম ধরে ডেকেই চলে। তারও কিছু একটা সন্দেহ হয়। এদিকে ধারালো নখের চাপে ভানুর গলার হাড়গুলো শরীরের ভেতরে মড়মড় করে ভেঙে যায়। বিছানা থেকে ঝুলতে থাকা পা-দুটো ছটফট করতে করতে থেমে যায়। গলার মধ্যে বসে যাওয়া আততায়ীর হাতটা উঠে আসে। রক্ত আর মাংসের মধ্যে গেঁথে গিয়েছিল বলে পচপচ শব্দ হয়। লম্বা লম্বা খুনে নখরগুলোতে কিছু মাংসের টুকরো লেগে ঝুলতে থাকে। বিছানায় ছড়িয়ে থাকা ভানুর নিথর হাতের কিছু দূরে পড়ে থাকা মোবাইলে উচ্চৈঃস্বরে বাজতে থাকে কৃষ্ণপদর গলা, ‘ভানুবাবু কথা বলুন, কী হয়েছে আপনার? বৃষভানু আপনি শুনতে পাচ্ছেন? কথা বলছেন না কেন? কে এসেছে? হ্যালো, হ্যালো। ভানুবাবু …।’

    .

    মুনাই তার বউদিকে আজ রাতে আর ছাড়েনি। সায়নের মা-ও মৃন্ময়ীকে বাড়ি যেতে দিল না। মৃন্ময়ী বাড়ি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে ছোট্ট সোনাই যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছিল। দু-গালে চুমু খেয়ে গলা জড়িয়ে সে কী আদর তার মা-কে। বেচারা, এই প্রথম গোটা একটা দিন সে মা-ছাড়া ছিল। আদর করতে করতেই আধো আধো স্বরে সোনাই জিজ্ঞেস করেছিল, বাবা কোথায়?’ চোখ ভিজে গিয়েছিল মৃন্ময়ীর তারপরেই ছেলে বলে উঠেছিল, ‘যা যা! বাবা হালিয়ে গেল?’ বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠেছিল মৃন্ময়ীর। ছেলেকে বুকে জড়িয়ে বলেছিল, ‘না সোনাই বাবা তো কাজে গেছে। হারিয়ে যাবে কেন? বাবা কালকেই ফিরে আসবে।’ কোন জোর থেকে কথাগুলো ছেলেকে বলল, সে জানে না। তবু বলে ফেলল।

    — কী অত ভাবছ বউদি, খেয়ে নাও। এত চিন্তা কোরো না।

    খাবার টেবিলে বসে কখন যে আনমনা হয়ে গিয়েছিল মৃন্ময়ী নিজেরও খেয়াল নেই। খাবার টেবিলেই সায়নের ফোনটা বেজে ওঠে। মৃন্ময়ী, মুনাই, মুনাইয়ের শাশুড়ি সবার লক্ষ্য এখন সায়ন।

    — হ্যালো। হ্যাঁ বলছি। ও কৃষ্ণপদবাবু।

    নামটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে মৃন্ময়ী সোজা হয়ে বসে। আবার কী খবর এল রে বাবা! আশঙ্কার ভাবনাটা মনের মধ্যে তখনও গুছিয়ে বসতে পারেনি, তার আগেই ‘হোয়াট’ বলে সায়ন একদম খাবার টেবিল ছেড়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। হাত লেগে খাবার থালাটা আর-একটু হলেই উলটে যেত। ‘অ্যাবসার্ড। এটা একটা অসম্ভব আজগুবি গল্প বলছেন কৃষ্ণপদবাবু। একজন দাগি আসামি হলেও না হয় মেনে নিতাম। কিন্তু মিহির সরখেল জাস্ট একজন নিতান্ত সাধারণ মানুষ। ওঁর গায়ে অত জোরই-বা আসবে কোত্থেকে?’ মুনাই আর মৃন্ময়ী প্রায় কাঁদো-কাঁদো হয়ে জিজ্ঞেস করে, কী হয়েছে? ওর কী হয়েছে?’ ‘দাদাভাইয়ের কী হল কিছু বলো।’ দুজনকেই হাত দেখিয়ে চুপ করতে বলে সায়ন। তারপর ফোনে কৃষ্ণপদকে জিজ্ঞেস করে, ‘আর কী হয়েছে? মানে?’ এরপর বেশ খানিকক্ষণ চুপ। সায়ন চেয়ারে বসে পড়ে। কৃষ্ণপদ কী যে বলে চলেছেন সে কেবল সায়নই জানে। কথা শুনতে শুনতে কান থেকে একবার ফোন সরিয়ে ফোনের স্ক্রিনে কী যেন দেখল সায়ন। তারপর আবার ফোনটা কানে দিয়ে বলল, ‘যেভাবে হোক খুঁজে বের করুন কৃষ্ণপদবাবু। মিহির সরখেল যেন হারিয়ে না যায়।’ ফোনটা কাটতেই সায়নের ওপর প্রায় ঝাঁপিয়ে পড়ছিল মুনাই আর মৃন্ময়ী। কিন্তু তার আগেই মোবাইলটা আবার বেজে ওঠে।

    — হ্যাঁ দত্ত বলো। … কী? … কোথায়? কেষ্টপুর! ভিক্টিমের নাম?

    সায়নের গলায় আবারও চমকে যাওয়ার আভাস, ‘কী নাম? বৃষভানু মণ্ডল!’ নামটা উচ্চারণ করতে করতেই সায়নের কানে বেজে উঠল একটু আগেই কৃষ্ণপদর বলা কথাগুলো, ‘বৃষভানু আরও কিছু একটা দেখে ফেলেছিল। সেটা আমায় জানাতে ফোন করে। কিন্তু সে কিছু বলার আগেই অন্য কারওর সঙ্গে সে কথা বলতে শুরু করে। প্রথমে সে তাকে ‘স্যার’ বলে সম্বোধন করে। কিন্তু তার পরেই চিৎকার করে বলে ওঠে, না না এ অসম্ভব। হতে পারে না এইরকম গোছের কথা। তারপরেই বলে— ‘কে? কে আপনি?’ আর ঠিক তারপরেই গোঙাতে থাকে। তারপর আর কারও কোনো সাড়া নেই। কিচ্ছু বুঝতে পারলাম না। বৃষভানুর ঠিকানা আছে। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। মিহির আপনার আত্মীয় তাই আপনাকে জানালাম। ওদের চ্যানেলের বিজনেস হেডকেও জানিয়েছি।’

    .

    কান থেকে ফোন নামিয়ে মিহিরের পালিয়ে যাবার কথা সবাইকে জানায় সায়ন। কৃষ্ণপদ আরও বড়ো ফোর্স রেডি করে বোলপুরের গ্রামেগঞ্জে আজ সারারাত তল্লাশি চালাবে। তাতেও না পাওয়া গেলে প্রতিটা থানায়, রাস্তার পাশে, দেয়ালে দাদাভাইয়ের ছবি ঝুলিয়ে দেবে। সবাই যাতে সাবধান হয়ে যায়। মৃন্ময়ী কাঁদছে না আর। মাথায় হাত দিয়ে বসে আছে। এই মুহূর্তে মাথার ভেতরটা মহাশূন্যের মতো খালি। সায়ন বৃষভানুর খুনের খবরটাও সবাইকে জানায়। বলে তাকে এখুনি বেরিয়ে যেতে হবে। ঘরে সোনাই ঘুমোচ্ছিল। হঠাৎ কেঁদে ওঠে। মৃন্ময়ী ঠায় বসে থাকে। মুনাই দৌড়ে যায় ঘরে। সায়ন যখন পুলিশের পোশাক পরে বেরিয়ে যাচ্ছিল, মৃন্ময়ী তখন জিজ্ঞেস করল, ‘লক-আপের সেই লোকটাও কি পালিয়েছে?’

    — ওই লক-আপে দাদাভাই ছাড়া আর তো কেউ ছিল না বউদি

    দু-চোখে রহস্য ঘনিয়ে মৃন্ময়ী বলে ওঠে, ‘তার মানে ও চলে যাওয়ার পর লক আপটা খালি হয়ে গিয়েছিল।’ আরও কীসব যেন ভাবতে ভাবতে নিজের মধ্যে ডুবে যেতে থাকে মৃন্ময়ী।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭৪ – ডার্টি গেম
    Next Article নীরেন ভাদুড়ি সমগ্র ৩ – সৌভিক চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }