Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প138 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. ফন্দি ফিকির – মেকু কাহিনী

    ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেছে বলে আবার একটা মোমবাতি জ্বালানো হয়েছে। মেকুকে বিছানায় শুইয়ে রেখে আবার মতি, বদি আর জরিনা গোল হয়ে বসেছে। চব্বিশ ঘণ্টা আগে তারা যখন এভাবে বসেছিল তখন তাদের মাঝে উৎসাহ ছিল। এখন তাদের মাঝে উৎসাহের ছিটেফোঁটা অবশিষ্ট নেই।
    বদি চেয়ারে সোজা হয়ে বসতে পারছিল না, খানিকটা বাঁকা হয়ে বসে বলল, “আমি এখনো বলছি এই হতচ্ছাড়া পাজি বাচ্চাটাকে জানালা দিয়ে নিচে ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বাড়ি যাই।” তার মুখের সামনের একটা দাঁত পরে যাওয়ায় কথাগুলি বলার সময় মুখ থেকে বাতাস বের হয়ে কথাটা কেমন যেন বিচিত্র শুনায়।
    জরিনা বদির দিকে তাকিয়ে বলল, “কী বললে? বাড়ি যাবে? তোমার বাড়িতে গিয়ে দেখ এখন পুলিশ বসে আছে!”
    বদি হতাশভঙ্গিতে মাথা নেড়ে বলল, “ঠিকই বলেছ।” তারপর একটা দীর্ঘ নিশ্বাস ফেলে বলল, “এই কিডন্যাপ করতে গিয়ে আমাদের কী লাভ হয়েছে?”
    মতি তার বুজে যাওয়া চোখ দিয়ে দেখার চেষ্টা করতে করতে বলল, “এখনো হয় নাই। কিন্তু -”
    জরিনা বলল, “আমার হিসাবে মাইনাস তিন লাখ টাকা।”
    “মাইনাস?”
    “হ্যাঁ। কারণ এখন পর্যন্ত শুধু ক্ষতি। বাড়ি গেছে, গাড়ি গেছে এখন তোমাদের দুই জনের চিকিৎসা করতে গিয়ে কত যাবে কে জানে!”
    বদি তার একটা পা সোজা করার চেষ্টা করতে করতে বলল, “ঠিকই বলেছ।”
    জরিনা মতির দিকে তাকিয়ে বলল, “এখন কী করবে বল?”
    “প্রথমে এই বাচ্চার বাসার টেলিফোন নম্বর দরকার।”
    “হ্যাঁ। কিন্তু কীভাবে পাবে সেটা? তোমাদের যে অবস্থা এখান থেকে তো বেরই হতে পারবে না।”
    মতি পকেট থেকে মোবাইল টেলিফোন বের করে বলল, “বের হতে হবে নয়া। এখান থেকেই বের করতে পারব। তিন চারটা টেলিফোন করলেই বের হয়ে যাবে।”
    গত কয়েক ঘণ্টায় অবস্থা যেদিকে গিয়েছে মতির কাজকর্মে কারো সেরকম বিশ্বাস নেই কিন্তু দেখা গেল মতি সত্যি সত্যি মেকুর আব্বা আম্মার টেলিফোন নম্বর বের করে নিল। টেলিফোন নম্বরটা একটা কাগজে লিখে মতি যখন সেই নম্বরে ডায়াল করতে যাচ্ছিল তখন বদি বলল, “মতি তুমি করো নয়া। তুমি হচ্ছ কুফা।”
    মতি খুব রেগে গেল, বলল, “কুফা? আমি কুফা? তুমি যান আমি এই পর্যন্ত কয়টা কিডন্যাপ কেস করেছি?”
    “করে থাকলে করেছ। কিন্তু এই কেসটা তো দেখছ কী হচ্ছে।”
    “সেটা কী আমার দোষ?”
    “কার দোষ আমি জানি নয়া, কিন্তু তুমি টেলিফোন করতে পারবে নয়া। কারণ তুমি হচ্ছ কুফা। হয় আমি টেলিফোন করব নয়া হয় জরিনা।”
    জরিনা বলল, “ঠিক আছে আমিই করছি।”
    মতি অত্যন্ত বিরস বদনে টেলিফোনটা জরিনার কাছে এগিয়ে দিল। জরিনা ফোনটা হাতে নিয়ে ডায়াল করতে গিয়ে থেমে গেল, মতি এবং বদির দিকে তাকিয়ে বলল, “ইলিয়াস আলীর বাচ্চাটা ছেলে ছিল। এইটা কী ছেলে ননা মেয়ে?”
    তিন জনেই মেকুর দিকে তাকাল, সত্যি সত্যি কারো এটা জানা নেই। ছোট বাচ্চার চেহারা দেখে সে ছেলে না মেয়ে বোঝার কোনো উপায় নেই, সেটা নিঃসন্দেহ হতে হলে ন্যাপি খুলে দেখতে হবে। বদি বলল, “দাঁড়াও দেখছি।”
    বদি তার মচকে যাওয়া পায়ে ভর দিয়ে ন্যাংচাতে ন্যাংচাতে মেকুর কাছে এগিয়ে যায়, তার ন্যাপি ধরে টানাটানি করতে থাকে। মেকু এত বড় অপমান এত সহজে মেনে নিতে রাজি হল না, সে দুই পা একত্র করে অপেক্ষা করতে থাকে। বদির মুখটা নাগালের মাঝে আসতেই জোড়া পায়ে সমস্ত গায়ের জোরে সেখানে প্রচণ্ড একটা লাথি কষিয়ে দিল। বদির মুখে এমনিতেই ব্যথা, দাঁত ভেঙে সেখানে ফুলে উঠেছে, তার উপর মেকুর জোড়া পায়ে লাথি খেয়ে সে যন্ত্রণায় কোঁক করে শব্দ করে পিছনে গড়িয়ে পড়ল। মুখে এবং মচকে যাওয়া পায়ে চেপে ধরে সে চিৎকার করে ওঠে। মতি অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে বলল, “এই টুকুন বাচ্চার লাথি খেয়ে গড়িয়ে পড়লে এই লাইনে এসেছ কেন? তোমার হওয়া উচিত ছিল ইউনিভার্সিটির প্রফেসর।”
    বদি মুখে হাত চেপে রেখে হিংস্র গলায় বলল, “এই বাচ্চা সাক্ষাৎ ইবলিশ! আমি একে খুন করে ফেলব।”
    মতি ধমক দিয়ে বলল, “বাজে কথা বল না। দুই মাসের বাচ্চা বুঝে শুনে কিছু করে না। ওরা তো হাত পা ছুঁড়বেই তুমি দূরে থাকতে পার না। মুখ নিয়ে এত কাছে যাবার দরকার কী?”
    মতি এবারে নিজেই এগিয়ে গেল। নিজের মাথাটা মেকুর শরীর থেকে যতটুকু সম্ভব দূরে রেখে সে সাবধানে তার ন্যাপি খুলে ফেলল। মেকু গত কয়েক ঘণ্টা থেকে বাথরুম করার সুযোগ পায় নি তলপেটে প্রচণ্ড চাপ নিয়ে বসে আছে। নিজের কাপড়েরও কিছু করে ফেলতে সাহস পাচ্ছে না, হয়তো ভিজে কাপড়েই সারা রাত শুয়ে থাকতে হবে। এইবার তলপেটের চাপ কমানোর সুযোগ পেয়ে আর দেরি করল না, মতির মুখের দিকে নিশানা করে কাজ সেরে ফেলল। মতি লাফিয়ে সসরে যাবার আগে সে ভিজে চুপসে গিয়েছে, এত যন্ত্রণার মাঝেও বদি খ্যাক খ্যাক করে হেসে বলল, “এখন বিশ্বাস হয়েছে; এই ছেলে কত পাজি?”
    জরিনাও হি হি করে হেসে বলল, “এই বাচ্চাও তা হলে ছেলে।”
    মতি বিষ দৃষ্টিতে মেকুর দিকে তাকিয়ে দাঁতে দাঁত ঘষে বলল, “হ্যাঁ, এই বাচ্চাও ছেলে। মহা বিচ্ছি ছেলে।”
    জরিনা এইবারে টেলিফোনে ডায়াল করল, প্রায় সাথে সাথেই অন্য পাশে মেকুর আব্বার উদ্বিগ্ন গলার স্বর শোনা গেল, “হ্যালো।”
    জরিনা বলল, “আমি কী প্রফেসর হাসান সাহেবের সাথে কথা বলতে পারি ?”
    “জি। কথা বলছি।”
    “চমৎকার হাসান সাহেব। আমি আপনার ছেলের বিষয় নিয়ে কথা বলতে ফোন করেছি।”
    টেলিফোনের অন্যপাশে হঠাৎ করে আব্বা চুপ করে গেলেন, কয়েক মুহূর্ত পরে ভয় পাওয়া গলায় বললেন, “আপনি কে বলছেন?”
    “সেটা জেনে আপনি কী করবেন।” আপনার ছেলে নিয়ে কথা বলতে চাইছি সেটা নিয়েই বলা যাক।”
    “কোথায় আমার ছেলে? কোথায়?”
    “আছে আমাদের কাছে।”
    আব্বা কিছু একটা বলতে চাইছিলেন, তার আগেই আম্মা আব্বার হাত থেকে টেলিফোন কেরে নিয়ে চিৎকার করে বললেন, “কে? কে আমার মেকুকে নিয়ে গেছে? কে?”
    জরিনা শুকনো গলায় বলল, “আপনি কে?”
    “আমি মেকুর মা। তুমি কে?”
    জরিনা আমতা আমতা করে বলল, “ইয়ে, আমি মানে ইয়ে -”
    “তোমার কত বড় সাহস যে আমার বাসা থেকে তুমি মেকুকে চুরি করে নিয়ে যাও?” আম্মা হুংকার দিয়ে বললেন, “তোমার মাথার চুল আমি ছিঁড়ে ফেলব। ঘুষি মেরে তোমার সব কয়টা দাঁত আমি ভেঙে ফেলব। লাথি মেরে আমি তোমার পাঁজরের হাড্ডি একটা একটা করে ভাঙব। কত বড় সাহস তোমার যে তোমরা আমার মেকুকে চুরি করে নিয়ে যাও?”
    জরিনা এই ধমক খেয়ে একেবারে ভ্যাবাচেকা খেয়ে গেল। কারো বাচ্চা কিডন্যাপ করে নেওয়ার পর সে যে এরকম খেপে যেতে পারে তার এরকম ধারণা ছিল না। সে কী বলবে বুঝতে পারল না। আম্মা ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কেন তোমরা আমার ছেলেকে চুরি করেছ? কেন?”
    জরিনা মিন মিন করে বলল, “ইয়ে মানে, মুক্তিপণ – মানে – ”
    আম্মা চিৎকার করে বললেন, “কত বড় ছোটলোক তুমি মুক্তিপণের জন্যে বাচ্চা চুরি কর? লজ্জা করে না বেহায়া বেশরম ধড়িবাজ? তোমার মা বাবা নাই? তোমার বাচ্চা কাচ্চা নাই? কুকুর বিড়াল পর্যন্ত অন্যের বাচ্চা টানাটানি করে না, আর তুমি মানুষ হয়ে আমার বাচ্চা চুরি করেছ? তুমি কুকুর বিড়ালের অধম – ”
    জরিনার পক্ষে আর সহ্য করা সম্ভব হল না। সে ফ্যাকাসে মুখে টেলিফোনটা মতির দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, “নাও। তুমি কথা বল।”
    “কেন?”
    “বড় গালাগাল করছেন।”
    মতি অবাক হল, তার সুদীর্ঘ কিডন্যাপ জীবনে অভিজ্ঞতায় দেখেছে এরকম অবস্থায় সাধারণত কেউ গালাগালা করে না। সে টেলিফোনটা নিয়ে মধুর, গলায় বলল, “হ্যালো।”
    আম্মা এবারে আরো রেগে গেলেন, চিৎকার করে বললেন, “তুমি আবার কোথা থেকে হাজির হয়েছ? তুমি কে?”
    “সেটা নিয়ে কথা বলার অনেক সময় পাওয়া যাবে। আগে আমরা যে জন্যে ফোন করেছি সেটা নিয়ে কথা বলি।”
    “আমি কোনো কথা শুনতে চাই না। আমার মেকুকে ফিরিয়ে দাও।”
    “কী বললেন? মেকু?”
    আম্মা বললেন, “হ্যাঁ। মেকু। আমার ছেলের নাম মেকু।”
    “মেকু আবার কী রকম নাম?”
    “সেইটা নিয়ে তোমার মাথা ঘামাতে হবে না। এই মুহূর্তে আমার ছেলেকে আমার কাছে ফিরিয়ে দাও।”
    মতি আরো মধুর গলায় বলল, “সেই জন্যেই তো আপনার কাছে ফোন করেছি। আপনার মেকুকে কীভাবে আপনার কাছে ফিরিয়ে দেব সেটার একটা ব্যবস্থা করতে হবে না? সবাই যেন খুশি থাকে সেটা একটু দেখবেন না?”
    “সবাই যেন খুশি থাকে?”
    “হ্যাঁ। আপনার মেকুর যদি কিছু একটা হয়ে যায় তা হলে সেটা কী আপনার ভালো লাগবে?”
    আম্মা একেবারে বোমার মতো ফেটে পড়লেন। “কী বললে? তোমরা বদমাইশের দল, চামচিকার দল, খাটাসের দল, তোমরা কী আমার মেকুর গায়ে হাত দিয়েছ?”
    মতি মিন মিন করে বলল, “এখনো দেই নাই।”
    “খেতে দিয়েছ? বাথরুম করিয়েছ? শুকনো কাপড় পরিয়েছ?”
    “না, মানে – ।”
    “ঘুমাতে দিয়েছ?”
    “ইয়ে – ”
    আম্মা মেঘস্বরে বললেন, “আমি বলেছি টেলিফোনটা আমার মেকুকে দাও।”
    মতি অবাক হয়ে বলল, “আপনার মেকুর বয়স মাত্র দুই তিন মাস – ”
    আম্মা শুদ্ধ করে দিয়ে বললেন, “দুই মাস এগারো দিন।”
    “ওই হল। দুই মাস এগারো দিন। দুই মাস এগারো দিনের বাচ্চা কী টেলিফোনে কথা বলতে পারে?”
    “তুমি মেকুর কানে টেলিফোনটা লাগাও। আমি তার সাথে কথা বলল।”
    “আপনার মেকু টেলিফোনে কথা শুনে কি কিছু বুঝবে?”
    “সেইটা নিয়ে তোমার চিন্তা করতে হবে না। চুরি-চামারি করতে নেমেছ, চুরি চামারি নিয়েই থাক। মা কীভাবে বাচ্চার সাথে কথা বলে সেটা নিয়ে তোমার মাথা ঘামাতে হবে না। টেলিফোনটা মেকুর কানে লাগাও। আমি দেখতে চাই আমার মেকু ভালো আছে কি না।”
    মতি কী করবে বুঝতে পারল না। অনেকটা বোকার মতন সে টেলিফোনটা মেকুর কাছে নিয়ে তার কানে লাগাল। আম্মা টেলিফোনে চিৎকার করে ডাকলেন, “মেকু! মেকু – বাবা তুই ভালো আছিস?”
    মেকুর ইচ্ছে হল চিৎকার করে বলে, “হ্যাঁ মা ভালো আছি। তুমি কোনো চিন্তা করো না, আমি এই বদমাইশগুলিকে এমন শিক্ষা বেদ যে এরা জন্মের মতো সিধে হয়ে যাবে।” কিন্তু সে এসব কিছুই বলতে পারল না, মায়ের গলার আওয়াজ শুনে দুই মাসের বাচ্চার আনন্দে যেরকম শব্দ করার কথা সেরকম একটা শব্দ করল।
    “মেকু বাবা তোকে ব্যথা দিচ্ছে না তো? কোনো যন্ত্রণা দিচ্ছে না তো?”
    মেকু “ভ্যারররররর” করে মুখ দিয়ে একটা শব্দ করে মাথা নাড়ল।
    “তুই যেখানেই থাকিস না কেন আমি তোকে নিয়ে আসব।”
    মেকু আবার মুখ দিয়ে তার শব্দটা করে সম্মতি জানাল। মতি তখন টেলিফোনটা সরিরে নিজের কানে লাগিয়ে বলল, “ছেলের কথা শুনলেন?”
    আম্মা বললেন, “হ্যাঁ শুনেছি।”
    “চমৎকার। এবার তা হলে বিজনেস সেরে দেখা যাক।”
    “বিজনেস?” আম্মা চিৎকার করে বললেন, “আমার ছেলে কি সিমেন্টের বস্তা নাকি গাড়ির পার্টস যে তাকে নিয়ে বিজনেস করবে?”
    মতি গলায় স্বরে মধু ঢেলে বলল, “আমার মন হয় আপনি ব্যাপারটার গুরুত্ব ধরতে পারছেন না। হাজার হলেও আপনি তো মা ব্যাপারটা খুব ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে নিচ্ছেন। এটাকে ব্যক্তিগতভাবে নেওয়ার কোনো কারণ নেই। আপনার সাথে আমাদের কোনো বিরোধ নেই। আপনার ছেলের সাথেও নেই -”
    আম্মা ধমক দিয়ে বললেন, “খবরদার তুমি আমার ছেলের কথা মুখে নেবে না। তোমার দুর্গন্ধ ভরা মুখ তোমার নোংরা মুখ – ”
    মতি প্রায় হাল ছেড়ে দিয়ে বলল, “আমি কী আপনার স্বামী প্রফেসর সাহেবের সাথে কথা বলতে পারি?”
    “কেন? হাসানের সাথে কেন কথা বলতে হবে?”
    “কারণ ব্যাপারটা জরুরি। আমরা আপনাদের মেকুকে আপনাদের হাতে তুলে দিতে চাই। ব্যাপারটা যত সহজে করা যায় ততই ভালো। আমি সেটা নিয়ে আপনার স্বামী প্রফেসর হাসানের সাথে কথা বলতে চাই।”
    “আমার সাথেই বল ব্যাটা ধড়িবাজ।”
    “না, আপনার সাথে বলা যাবে না। চেষ্টা করেছি এতক্ষণ থেকে, আপনি শুধু গালাগাল করছেন।”
    “তোমাদের গালাগাল করব না তো কি মাথায় তুলে নাচব? তোমাদের জুতিয়ে সিধে করা দেওয়া দরকার – ”
    হঠাৎ করে আম্মার কথা বন্ধ হয়ে গেল, এবং আব্বার গলা শোনা গেল। মনে হল আব্বা এক রকম জোর করে আম্মার হাত থেকে টেলিফোনটা কেড়ে নিয়েছেন। আব্বা বললেন, “হ্যালো।”
    “প্রফেসর হাসান সাহেব?”
    “হ্যাঁ।”
    “আপনার স্ত্রীর সাথে কথা বলা খুব কঠিন, খুব অল্পে রেগে যান। আপনার সাথে কথা বলতে আশা করছি কোনো সমস্যা হবে না।”
    “কী বলতে চান বলে ফেলেন।”
    “মুক্তিপণের টাকার পরিমাণটা আপনাকে জানাই।”
    “কত?”
    “দশ লক্ষ টাকা।”
    আব্বা কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললেন, “দেখেন, আমাদের ছেলেকে ফিরে পাওয়ার জন্যে আমাদের যা আছে সব দিয়ে দেব। কিন্তু আমরা তো আসলে চাকরিজীবী আমাদের হাতে কোনো ক্যাশ টাকা নেই। আমি জীবনে একসাথে দশ লক্ষ টাকা দেখি নি। আমরা – ”
    মতি বাধা দিয়ে বলল, “এই সব খুঁটিনাটি নিয়ে আমরা মাথা ঘামাতে চাই না। আপনারা নিজেদের মাঝে আলোচনা করেন। শুধু একটা ব্যাপার – ”
    “কী ব্যাপার?”
    “পুলিশকে কিছু জানাতে পারবেন না। পুলিশ আমাদের ধরে ফেলবে সেটা নিয়ে আমরা একবারও মাথা ঘামাচ্ছি না, কিন্তু তাদেরকে জানালে টাকার একটা ভাগ তো তাদেরকেও দিতে হবে কাজেই আপনাদের উপর চাপটা একটু বেশি পড়বে। এই হচ্ছে ব্যাপার।”
    আব্বা কিছু একটা বলতে চাচ্ছিলেন, কিন্তু মতি বাধা দিয়ে বলল, “আমি এখন আর কিছুই বলতে চাই না। একটু পরে আবার ফোন করব। শুভ সন্ধ্যা প্রফেসর সাহেব।”
    টেলিফোনটা বন্ধ করে মতি যুদ্ধ জয় করার ভঙ্গি করে বদি এবং জরিনার দিকে তাকাল, বলল, “দেখেছ? কেমন চমৎকার প্রফেশনাল ভাবে কাজ করলাম!”
    বদি তার ফুলে যাওয়া মুখে হাত বুলাতে বুলাতে বলল, “কী মনে হয় তোমার, দেবে টাকা?”
    “নিশ্চয়ই দেবে। কিন্তু কত দিতে পারবে সেটা হচ্ছে কথা ইউনিভার্সিটির মাষ্টারদের বেতন আর কত? বেচারারা প্রাইভেট টিউশানিও করতে পারে না। কাজেই তাদের কাছে ক্যাশ টাকা কম।”
    “যতই হোক, কিছু তো নিশ্চয়ই দেবে।”
    “তা দেবে।”
    টেবিলে রাখা মোমবাতিটা প্রায় শেষ হয়ে নিভু নিভু হয়ে এসেছে। সেদিকে তাকিয়ে জরিনা বিরক্ত হয়ে বলল, “কী যন্ত্রণা – ইলেক্ট্রিসিটি আসছে না, গরমে সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছি।”
    জরিনার কথা শেষ হবার আগেই হঠাৎ করে লাইট জ্বলে উঠল। আবছা অন্ধকারে সস্তা হোটেলটার দৈন্য দশা বোঝা যাচ্ছিল না, কর্কশ উজ্জ্বল আলোতে হঠাৎ করে সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠল। মলিন বিছানা, নোংরা মশারি, রং ওঠা দেওয়াল এবং সেটাকে আরো প্রকট করার জন্যে ঘরের দেওয়ালে গোবদা একটা মাকড়শা তার পা ছড়িয়ে বসে আছে।
    মেকুর খিদে পেয়েছে, কোনো রকম সঙ্কেত না দিলে এরা খেতে দেবে বলে মনে হয় না। সব সময়েই মায়ের দুধ খেয়ে এসেছে এখন কী খেতে দেবে কে জানে। কিন্তু কিছু একটা তো খেতে হবে। মেকু তখন খাবার জন্যে ঘ্যান ঘ্যান করে একটু কাঁদবে বলে ঠিক করল, তারপর সত্যি সত্যি কাঁদতে শুরু করল।
    বদি মতি আর জরিনা তিন জনেই এক সাথে মেকুর দিকে তাকাল, মেকুর কান্নাকে তারা খুব ভয় পায়। বদি ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল, “কী হল? কাঁদে কেন?”
    মতি বলল, “ছোট বাচ্চার কাজ তিনটা, খাওয়া ঘুম আর বাথরুম। এই মাত্র সে আমার মুখে বাথরুম সেরেচে। কাজেই বাথরুম করতে হবে না। ঘুমের দরকার হলে ঘুমাতে পারে, সে তো শুয়েই আছে। তা হলে বাকি থাকল খাওয়া।”
    “কীভাবে খাওয়াবে?”
    “ফিডার বোতল কিনে এনেছি, বাচ্চার পাওডার দুধ কিনে এনেছি। পানির সাথে দুধ মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। দুধের কৌটায় লেখা আছে।”
    বদি জরিনার দিকে তাকিয়ে বলল, “জরিনা, তুমি তা হলে এই বাচ্চাকে একটু খাওয়াবে। এর চিৎকার শুনলে আমার এত ভয় লাগে!”
    জরিনা বলল, “কেন? আমি কেন খাওয়াব?”
    “ছোট বাচ্চাদের তো মহিলারাই দেখে শুনে রাখে।”
    জরিনা নাক দিয়ে ফোঁস করে নিশ্বাস ফেলেল বলল, “আমাকে কী তোমার সেরকম মহিলা মনে হচ্ছে? বাচ্চা কাচ্চাই যদি আমার জীবনের উদ্দেশ্য হতো তা হলে বিয়ে শাদী করে সংসার করতাম, এই লাইনে আসতাম না।”
    মতি বলল, “তর্ক করে লাভ নেই। আছাড় খেয়ে বদি আর আমার দুজনেরই বারটা বেজে গেছে, আমরা খুব বেশি নাড়াচাড়া করতে পারছি না। জরিনা, এখন তোমাকেই কিছু কাজ কর্ম করতে হবে।”
    জরিনা গজ গজ করতে করতে উঠে গেল। ফিডার বোতল বের করে তার মাঝে পানি ঢালল, দুধের কৌটা খুলে সেখান থেকে পাওডার দুধ বের করে মিশিয়ে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে বোতলটা মেকুর মুখে ধরিয়ে দিল। মেকু সাথে সাথে কান্না থামিয়ে ফিডার বোতল টানতে থাকে কিন্তু এক মুহূর্ত পর বোতল থেকে মুখ সরিয়ে বিকট স্বরে চিৎকার করতে শুরু করে।
    বদি ভয় পেয়ে বলল, “কী হল? কাঁদছে কেন? এভাবে কাঁদলে তো লোক জমা হয়ে যাবে।”
    জরিনা বলল, “বুঝতে পারছি না কেন কাঁদছে।”
    মেকুর ইচ্ছে হল দশ কেজি একটা ধমক দিয়ে বলে, “বেকুবের দল, দুধ খেতে হলে নিপলে ফুটো করতে হয়।” কিন্তু সেটা বলতে পারল না, দুই মাসের বাচ্চার যেরকম ভঙ্গিতে কান্নাকাটি করা দরকার ঠিক সেই রকম ভঙ্গিতে চিৎকার করতে লাগল।
    জরিনা কী করবে বুঝতে না পেরে ফিডার বোতলটা আবার মেকুর মুখে ঠেসে ধরল। মেকু এক দুইবার চুষে মুখে থেকে বের করে দিয়ে আবার তার স্বরে চিৎকার করতে থাকে।
    জরিনার পাশাপাশি বদি এবং মতি এসে দাঁড়াল। মতি চিন্তিত মুখে বলল, “এ তো ঝামেলা হল দেখছি। কী করা যায়?”
    বদি মাথা চুলকে বলল, “এর মা’কে ফোন করে জিজ্ঞেস করা যায় না?”
    মতি বলল, “হ্যাঁ ঠিকই বলেছ। তাই করা যাক।”
    বদি জরিনার দিকে টেলিফোনটা এগিয়ে দিয়ে বলল, “নাও টেলিফোন কর।”
    জরিনা ভয়ে ভয়ে বলল, “আমি করব? যদি আবার গালাগাল শুরু করে দেয়?”
    মতি বলল, “দিলে দেবে। তুমিও উলটো গালাগাল করবে। কিন্তু এই বাচ্চার কান্না থামানো না গেলে আমরা বিপদে পরে যাব।”
    জরিনা বলল, “টেলিফোন নাম্বারটা জানি কত?”
    মতি বলল, “টেলিফোন নাম্বার লাগবে না। মাঝখানের হলুদ বাটনটা চাপ দিলেই লাস্ট নাম্বার রিডায়েল হয়ে যাবে।”
    জরিনা হলুদ বোতাম টিপে দিতেই ফোন ডায়াল হয়ে গেল এবং প্রায় সাথে সাথেই মেকুর আম্মার গলার স্বর শোনা গেল, “হ্যালো।”
    জরিনা ভয়ে ভয়ে বলল, “আপনি মেকুর মা?”
    “হ্যাঁ। আপনি কে?”
    “আমি একটু আগে ফোন করেছিলাম, মনে নেই?”
    “মনে নেই আবার? একশ বার মনে আছে। কী চাও এখন? আমার মেকুকে ফেরত দেবে কখন? তাকে খাইয়েছ? তার কান্নার শব্দ শুনতে পাচ্ছি কেন, কী হয়েছে?”
    “সেই জন্যেই ফোন করেছি। খাওয়া নিয়ে একটু সমস্যা হচ্ছে, খেতে চাচ্ছে না। কী করা যায় জানার জন্যে ফোন করেছি।”
    “মেকু খেতে চাচ্ছে না?”
    “না।”
    “দুধ বেশি গরম হয় নাই তো?”
    “না।”
    “কতটুকু পানিতে কয় চামুচ দুধ দিয়েছ?”
    “সেটা মাপ মতো দিয়েছি, কৌটায় যা লেখা আছে।”
    “একেবারেই খেতে চাচ্ছে না? না কি একটু খেয়ে এর খেতে চাচ্ছে না?”
    জরিনা বলল, “একেবারেই খেতে চাচ্ছে না।”
    আম্মা কয়েক মুহূর্ত চিন্তা করে বললেন, “ফিডার বোতলের নিপলে ফুটো আছে তো?”
    জরিনা বলল, “দাঁড়ান দেখি।” বোতলটা হাতে নিয়ে নিপলটি দেখল, সত্যি সত্যি নিপলে ফুটো নেই।
    আম্মা জিজ্ঞেস করলেন, “কী ? আছে?”
    “না, নেই।”
    আম্মা আবার মহা খাপ্পা হয়ে চিৎকার করতে লাগলেন, “তোমরা কী রকম কিডন্যাপ করো যে একটা বাচ্চাকে কীভাবে দুধ খাওয়াতে হয় সেটা পর্যন্ত জানো না? মাথার মাঝে কী ঘিলু নেই? সেখানে কী গোবর ভরা আছে? তোমরা কী ভাত খাও নাকি ঘাস খেয়ে থাকো – ”
    রাগারাগি এবং গালাগালি আরো বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যাবার আগে জরিনা তাড়াতাড়ি টেলিফোনের কানেকশান কেটে দিল।
    নিপলের মাঝে ফুটো করে ফিডারটি মেকুর মুখে ধরে দেবার পর সে এবারে চুক চুক করে চুষতে শুরু করল। ঘরের ভেতরে শেষ পর্যন্ত এবারে শান্তি ফিরে আসে।
    মেকু দুধ খেতে খেতে চারিদিকে চোখ বুলিয়ে দেখে। জরিনা টেলিফোনটা রেখেছে একেবারে তার হাতের কাছে। একটু চেষ্টা করলেই সে নাগাল পেয়ে যাবে, আর হলুদ বোতামটা চেপে ধরলেই তার আম্মার কাছে টেলিফোন চলে যাবে। ব্যাপারটা মন্দ নয়।
    মেকু শান্ত হয়েছে আবিষ্কার করার পর মতি একটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে বলল, “ এবারে তা হলে আমরা ঠিক করে নিই এখন কী করব।”
    “হ্যাঁ। বদিও মাথা নাড়ল, “মনে হচ্ছে কিডন্যাপ করাটা পুরোটা জলে যায় নাই। কিছু টাকা বের করা যাবে।”
    জরিনা ঠোটে একটা সিগারেট চেপে ধরে ফস করে ম্যাচ জ্বালিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে বলল, “হ্যাঁ, এই অংশটা খুব ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করতে হবে। ধরা পড়ার আশঙ্কা এই খানে সবচেয়ে বেশি।”
    তখন তিন জন মিলে কথাবার্তা বলতে শুরু করে। মেকুকে কোথায় রেখে যাবে। যেহেতু গাড়িটা পুলিশ নিয়ে গেছে আবার নতুন একটা গাড়ি ভাড়া করতে হবে কার কাছ থেকে সেই গাড়ি নেওয়া যায়। মুক্তিপণটা ঠিক কোথায় হস্তান্তর হবে এই রকম খুঁটিনাটি।
    আলোচনাটা শুরু হবার সাথে সাথে মেকু বুঝতে পারল এই কথাবার্তাগুলি তার আম্মা আব্বার শোনা দরকার। তার হাতের কাছাকাছি মোবাইল টেলিফোন, মেকু একটু গড়িয়ে সেই টেলিফোনটার কাছে পৌঁছে হলুদ বোতামটা চেপে ধরল। তার আর কিছুই করতে হবে না। আব্বা-আম্মা বাসায় বসে এখন এদের সব কথাবার্তা শুনতে পাবেন।
    আসল ব্যাপারটা হল তার থেকে অনেক ভালো। কিডন্যাপ করে ফোন করেছে শুনে পুলিশ রেকর্ড করার যন্ত্র নিয়ে বসেছিল। ফোন বাজার সাথে সাথে তারা রেকর্ড করতে শুরু করল – আম্মা টেলিফোন তুলে বার কতক “হ্যালো হ্যালো” বললেন কিন্তু অন্য পাশে কেউ উত্তর দিল না। টেলিফোনটা রেখে দিতে গিয়ে আম্মা থেমে গেলেন হঠাৎ করে শুনতে পেলেন খুব আবছাভাবে কিছু মানুষের কথা শোনা যাচ্ছে। কথা খুব স্পষ্ট নয় কিন্তু ভাসা ভাসা বোঝা যায়। একটু কান পেতে শুনে আম্মা চমকে উঠলেন – মানুষগুলি কথা বলছে মেকুকে নিয়ে, কিডন্যাপ করার পর মুক্তিপণটা কীভাবে আদায় করবে সেটাই হচ্ছে আলোচনার বিষয়। আম্মা একেবারে হতবাক হয়ে গেলেন।
    পুলিশ সাথে সাথে কাজ শুরু করে দিল, আলাপ আলোচনা থেকে জানতে পারল এখানে তিন জন মানুষ একজনের নাম বদি একজন মতি এবং আরেকজন জরিনা। ফাইল ঘেটে ঘণ্টাখানেকের মাঝেই তাদের ছবিও বের হয়ে গেল, তিনজনেই ঘাঘু আসামি আগেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছে। আগামী কাল মুক্তিপণ আদায় করার জন্যে কোথা থেকে তারা গাড়ি ভাড়া করে কোথায় কীভাবে যাবে সেটাও পুলিশ জেনে গেল।
    আধা ঘণ্টা পরে মতি যখন আবার টেলিফোন করে মুক্তিপণ কীভাবে দিতে হবে সেটা নিয়ে মেকুর আব্বা আম্মার সাথে আলোচনা করছিল সে ঘুণাক্ষরেও সন্দেহ করে নি ততক্ষণে তাদের সব খুঁটিনাটি বের হয়ে গেছে। মুক্তিপণের টাকার পরিমাণ নিয়ে মেকুর আব্বা আম্মা যে ডর কষাকষি করলেন সেটাও যে পুলিশের শেখানো সেটাও সে বুঝতে পারল না। মেকুর আব্বা আম্মা যেটুকু টাকা দিতে রাজি হলেন সেটা যে তাদের মতো কারো মতো কারো পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয় সেটা নিয়েও তাদের মনে কোনো সন্দেহ হল না। লোভ বড় ভয়ানক জিনিস, এর কারণে সব কাণ্ডজ্ঞান হঠাৎ করে লোপ পেয়ে যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আরো টুনটুনি ও আরো ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }