Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেঘদূত – কালিদাস (অনুবাদ: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়)

    কালিদাস এক পাতা গল্প26 Mins Read0
    ⤷

    মেঘদূ্তম্/পূর্ব্বমেঘ (বাংলা)

    কোন যক্ষ অভিশপ্ত হয়ে কর্ম্মদোষে।
    মহিমা বিগত একবর্ষ প্রভুরোষে।।
    বিরহের গুরুভারে দয়িতের সনে।
    মুহ্যমান হয়ে রয় রামগিরি বনে।।
    হেথা তরুগণ তোষে স্নিগ্ধ ছায়া দানে।
    জলধারা পুণ্যময়ী জানকীর স্নানে।। (১)

    কাটিল কয়েক মাস তনুক্ষীণ হয়।
    মণিবন্ধ হতে খসে সুবর্ণ বলয়।।
    আষাঢ়ের প্রথম দিবস সমাগতে।
    হেরে যক্ষ মেঘ আসি উদয় পর্ব্বতে।।
    সমাচ্ছন্ন সানুদেশ পয়োদ পাটলে।
    যেন বপ্রক্রীড়া মত্ত মাতঙ্গের দলে।। (২)

    রাজরাজ অনুচর যক্ষ বহুক্ষণ !
    চাপিয়া অন্তরবাষ্প করে নিরীক্ষণ।।
    কৌতুক-আধান মেঘ করে অন্যমন।
    মিলন সুখেতে যারা থাকে অনুক্ষণ।।
    কণ্ঠাশ্লেষ প্রণয়িনী দূরে থাকে যার।
    মেঘাগমে মনোব্যথা কি বর্ণিব তার।। (৩)

    আসন্ন শ্রাবণ মাস, দয়িতা জীবন।
    কেমনে বাঁচাবে, তাই, করিল মনন।।
    দূত করি পয়োমুচে দয়িতা সদন।
    স্বকীয় কুশল বার্ত্তা করিবে প্রেরণ।।
    কুটজ কুসুমে অর্ঘ্য সাজাইয়া ক্ষণে।
    মেঘেরে স্বাগত দেয় বিনম্র বচনে।। (৪)

    ধূমজ্যোতি জল আর মিশিয়া পবন।
    সঞ্জাত যে পুরোবর্ত্তী মেঘ অচেতন।।
    না করি বিচার তার প্রার্থনা জানায়।
    কামাতুর যক্ষ মেঘে মনের জ্বালায়।।
    সচেতন প্রাণী বিনা বার্ত্তা কেবা বয়।
    কামীজন সেইজ্ঞান অবলুপ্ত হয়।। (৫)

    পুষ্কর আবর্ত্ত বংশ বিদিত ভুবন।
    তুমি তার বংশধর, ওহে মহাত্মন্ !
    প্রকৃতি পুরুষ মেঘ কামরূপ-ধর !
    ভাগ্যদোষে প্রিয়া মোর অতি দূরান্তর।।
    ভিক্ষার্থী আজিকে তাই তোমার সকাশে।
    প্রার্থনা উচিত সদা গুণীজন পাশে।।
    মহতের বিমুখতা তবু সহনীয়।
    অধমেতে লব্ধকাম নহে বরণীয়।। (৬)

    তাপিত শরণ তুমি হে পয়োদ বর !
    ধনপতি কোপে পাই দুর্দশা বিস্তর।।
    সমাচার লয়ে মোর প্রিয়া পাশে যাও।
    মরম যাতনা হতে তাহারে বাঁচাও।।
    ধনবান যক্ষগণ বাস করে যথা।
    অলকা নগরী নাম যাইবে হে তথা।।
    পুরীর বাহিরে এক আছয়ে উদ্যান।
    চন্দ্রমৌলি মহাদেব তথা রত-ধ্যান।।
    ললাট চন্দ্রিকা হতে জ্যোৎস্না ধারা ক্ষরে।
    সৌধ কিরিটিনী পুরী তাহে স্নান করে।। (৭)

    নিত্যপুষ্প তরু সেথা, উন্মাদ ভ্রমর।
    কুসুমের মধুপানে নিয়ত মুখর।।
    সরোবর নিত্যপদ্মা মরাল-মেখলা।
    ভবন-কলাপী-নিত্য কলাপ-উজ্জ্বলা।।
    কেকারবে তারা সদা উৎকণ্ঠিত রয়।
    নিত্য জ্যোৎস্না তমোনাশে প্রদোষ সময়।। (৮)

    পবন সরণী ধরি চলিবে যখন।
    পথিক বনিতা সবে করিবে ঈক্ষণ।।
    সরায়ে অলকাবলী হতে পদ্মানন।
    লভিবে আশ্বাস তারা প্রিয় আগমণ।।
    মম হেন পরাধীন ভিন্ন কোন্ জন !
    করয়ে উপেক্ষা বল প্রিয়া হেন ধন ! (৯)
    তব অনুকূলে বায়ু মন্দ মন্দ ধায়।
    বামেতে চাতক অই সুমধুর গায়।।
    গর্ব্ভাধান অভিলাষী বলাকার দল।
    আকাশে রচনা করে সুচারু শৃঙ্খল।। (১০)

    শ্রুতি সুখকর তব নিনাদ সময়।
    উঠিবে মহীরচ্ছত্র উচ্ছিলীন্ধ্র চয়।।
    সে রবে মরালদল হবে মোদমান।
    মানস সরসী জলে করিয়ে পয়ান।।
    পাথেয় মৃণালখণ্ড লয়ে মুখে সবে।
    তব সঙ্গে কৈলাস অবধি যাবে নভে।। (১১)

    ওহে মেঘ পুরোবর্ত্তী এই উচ্চ নগ।
    বন্দ্যনীয় রঘুপতি পদাঙ্কে সুভগ।।
    ইনি তব প্রিয় বন্ধু দিয়ে আলিঙ্গন।
    যথা সমাদরে কর প্রিয় সম্ভাষণ।।
    কালে কালে সংযোগে বন্ধুতা বাড়ে ভারি।
    বিরহান্তে তাই ত্যাগ করে বাষ্প করি।। (১২)

    একমাত্র পত্নী মোর তব ভ্রাতৃপ্রিয়া।
    হরিতেছে এবে কাল দিবস গণিয়া।।
    দেখিতে তাহারে মেঘ পাইবে নিশ্চয়।
    মোর আশে বেঁচে আছে বাঁধিয়ে হৃদয়।।
    কুসুমের মত মৃদু নারীদের হিয়া।
    বিরহ ব্যথায় পড়ে অচিরে ভাঙ্গিয়া।।
    অবাধ গতিতে মেঘ যাত্রা কর ত্বরা।
    ভাবিয়া সে অবলায় নিতান্ত কাতরা।। (১৩)

    শুনহে জলদ ! এবে বলি বিবরণ।
    যে মার্গে তোমার যোগ্য যাত্রার কারণ।।
    তারপর প্রেরণীয় মম সমাচার।
    পান করি শ্রুতি পথে হবে আগুসার।।
    পথশ্রমে ক্লান্ত পদ হয়ে জলধর।
    বিশ্রাম লইবে বসি শিখর উপর।।
    বারি বরিষণে যদি ক্ষীণতনু হয়।
    সেবিবে নির্ঝর হতে পরিলঘু পয়।। (১৪)

    সরস বেতস কুঞ্জে শোভিত অঞ্চল।
    তেয়াগি উত্তর মুখে যাইবে চঞ্চল।।
    পথি মাঝে দিকনাগে ঊর্দ্ধে শুঁড় তুলি।
    ধরিতে তোমায় মেঘ হইবে ব্যাকুলি।।
    এড়াইবে সে সংঘাত নিজ বুদ্ধি বলে।
    তোমার উৎসাহ হেরি সিদ্ধাঙ্গনা দলে।।
    মুগ্ধনেত্রে ভাবিবেক সচকিত মনে।
    হরিতেছে গিরিশৃঙ্গ বুঝিবা পবনে।। (১৫)

    অই হের পুরোভাগে বল্মীকের পরে।
    তোমার গমন বার্ত্তা ঘোষণার তরে।।
    রত্নরাজি প্রভাময় হাসে ইন্দ্রধনু।
    সাজাইতে জলধর তব শ্যাম তনু।।
    ধরিবে অপূর্ব্ব রূপ যথা শ্যামরায়।
    চূড়াতে কলাপ পরি ব্রজে শোভা পায়।। (১৬)

    তোমার আয়ত্তাধীন কৃষিকাজ যত।
    জনপদ বধূগণ জানে রীতিমতো।।
    জানে না ভ্রুলীলা ছলা, প্রীতি স্নিগ্ধ মনে।
    তোমারে করিবে পান নয়নের কোণে।।
    মালভূমি ব্যাপী যত আছে ক্ষেত্র চয়।
    সদ্য হল-কর্ষণেতে সোঁদাগন্ধ ময়।।
    সেখানে পশ্চিমমুখে কিছুদূর গিয়া।
    লঘুগতি যাবে পুনঃ উত্তর হইয়া।। (১৭)

    আম্রকূটে বসি করো পথশ্রম দূর।
    সে অদ্রি তোমার পাশে কৃতজ্ঞ প্রচুর।।
    সেখানেতে দাবানল করিলে দমন।
    বরষিয়া জলধারা ওহে মহামন !
    মহতের কাছে বন্ধু কত বরণীয়।
    সে কথা ভাষায় কভু নহে বর্ণনীয়।।
    হইলেও ক্ষুদ্রজন স্মরি উপকার।
    বন্ধুরে আশ্রয়দানে না করে বিচার।। (১৮)

    প্রান্তদেশ সমাচ্ছন্ন আম্রের কাননে।
    শোভে বৃক্ষ পক্ক ফলে পাণ্ডুর বরণে।।
    বসিবে শিখরে যবে স্নিগ্ধ বেণী প্রায়।
    অমর মিথুনে সবে নিরখিবে তায়।।
    যেন ধরা সুন্দরীর শ্যামল চুচুক।
    পাণ্ডুর বিস্তার সহ রয়েছে উন্মুখ।। (১৯)

    বনচর বধূদের ভুক্তকুঞ্জ বনে।
    ক্ষণেক বর্ষিবে বারি মৃদুমন্দ স্বনে।।
    তারপর দ্রুতবেগে করিবে হে গতি।
    বিন্ধ্যগিরি পাদদেশে যথা রেবা সতী।।
    বিস্তর উপল মাঝে শীর্ণভাব গত।
    ভক্তিভরে বিচিত্রিত গজ অঙ্গ মত।। (২০)

    বমন করিয়া বৃষ্টি, ওহে নব ঘন!
    অন্তঃসার শূন্য যদি হও সেইক্ষণ।।
    পবন তোমারে লঘু তুলার মতন।
    উড়াইয়া লয়ে যাবে যেথা চায় মন।।
    অঙ্গপুষ্টি লাগি কিছু পান করি লবে।
    রেবার সুপেয় নীর বাসিত সৌরভে।।
    বনগজ মদস্রাব সে স্রোতে গলিত।
    জম্বু কুঞ্জ পরিস্রুত হেতু দেহ-হিত।।
    পূর্ণতায় বৃদ্ধি করি গুরুত্ব প্রথমে।
    উপক্রমী হয়ো মেঘ পথ অতিক্রমে।। (২১)

    কচ্ছভূমে কন্দলীর প্রথম মুকুল।
    সুখেতে চর্ব্বনরত সারঙ্গের কূল।।
    হেরিবে অদূরে নব অর্দ্ধ বিকশিত।
    কদম্ব-কেশর বর্ণ কপিশ-হরিত।।
    অরণ্যের সোঁদাগন্ধ আঘ্রাণ করিয়া।
    ছুটিবে তোমার আগে মাতাল হইয়া।। (২২)

    জলবিন্দু গ্রহণেতে চাতক চতুর।
    হেরিয়া তোমায় লভে আনন্দ প্রচুর।।
    অতৃপ্ত নয়নে তারা দেখিবে তোমায়।
    বলাকা চলিবে নভে কিবা শৃঙ্খলায়।।
    শ্রেণীবদ্ধ তার সংখ্যা গুণিতে গুণিতে।
    চলিবে সুরঙ্গে মেঘ গম্ভীর ধ্বনিতে।।
    শঙ্কিতা তোমার রবে সিদ্ধাঙ্গনা যত।
    বেপথু বাহুতে বাঁধে প্রিয়ে দৃঢ় মত।।
    প্রিয়া আলিঙ্গনে হৃষ্ট সেই সিদ্ধগণ।
    কৃতজ্ঞতা মানিবেক তোমার সদন।। (২৩)

    যদি ও উদগ্রীব সখে প্রিয় কার্য্যে মম।
    দ্রুতগতি চলিবার করিছ উদ্যম।।
    পর্ব্বতে-পর্ব্বতে তবু কালক্ষেপ হবে।
    প্রস্ফুটিত ককুভের মোদিত সৌরভে।।
    স্বাগত করিবে মেঘ ! কলাপীরা সবে।
    শুক্লাপাঙ্গ সজল নয়নে কেকারবে।।
    সে সবার অনুরোধ অবহেলা করি।
    কেমনে চলিবে বলো স্বীয় মার্গ ধরি।। (২৪)

    দশার্ণ দেশেতে যবে হবে উপনীত।
    সঙ্গী তব হংসগুলি তোমার সহিত।।
    করিবে বিশ্রাম সেথা দিন কতিপয়।
    ওদিকে পাকিবে বনে শ্যাম জম্বুচয়।।
    কণ্টকী কেতকী ফুল বেড়া প্রান্ত ভরি।
    ফুটিবে গৌরবে মুখে পাণ্ডুরাগ ধরি।।
    গ্রাম চৈত্যে গৃহবলীভূক পক্ষী সব।
    নীড় রচনায় মাতি করে কলরব।। (২৫)

    সেই সব দৃশ্য মেঘ দেখিতে দেখিতে।
    আসিবে বিখ্যাত পুরী বিদিশা চকিতে।।
    রাজধানী গিয়া পাবে সদ্য সদ্য ফল।
    কামুকের কাম্য যত লব্ধ অবিকল।।
    প্রান্ত দিয়া কুলুকুলু বেত্রবতী ধায়।
    সুস্বাদু সে জলধারা পান করো তায়।।
    সে চলোর্মি স্রোতস্বিনী মুখপদ্মে তারি।
    ভ্রুভঙ্গি বিলাস খেলে অতি চমৎকারী।। (২৬)

    নীচৈ নামে গিরি এক আছয়ে তথায়।
    বিশ্রাম লইবে বসি তাহার মাথায়।।
    তব আগে প্রস্ফূটিত প্রৌঢ় নীপদল।
    তোমার পরশে হবে পুলক চঞ্চল।।
    শিলা কাটি গুহা তথা হয়েছে রচনা।
    উদ্দাম নাগর যায় সহ বারাঙ্গনা।।
    গুহাতল পরিলিপ্ত রতি পরিমলে।
    যৌবন সম্ভোগ কথা ব্যক্ত সেই ছলে।। (২৭)

    বিশ্রামান্তে যাইবে হে বননদী তীরে।
    উদ্যানে যূথিকাজালে জল দিবে ধীরে।।
    সে মালঞ্চে কমলের কূণ্ডলধারিণী।
    স্বেদসিক্ত গণ্ডস্থল অনেক মালিনী।।
    যূথিকা চয়ন করি পরিশ্রান্ত হয়।
    তাহাদের প্রতি তুমি হইবে সদয়।।
    ছায়াপাত অছিলায় পুষ্পাবলী মুখে।
    ক্ষণ পরিচিত হয়ে চলি যাবে সুখে।। (২৮)

    যদিও উত্তর থেকে যেতে হবে ঘুরে।
    তথাপিও যেও মেঘ উজ্জ্বয়িনী পুরে।।
    সৌধের উৎসঙ্গ প্রেমে হয়োনা বিমুখ।
    পুরাঙ্গনা পাশে পাবে লোলাপাঙ্গ সুখ।।
    বিদ্যুদ্দাম স্ফুরিত সে চাহনি চকিত।
    না হেরি নয়নে যেন করোনা বঞ্চিত।। (২৯)

    হেরিবে নির্বিন্ধ্যা নদী। বীচিমালা পরে ;
    মুখর বিহগ সারি অঙ্গবাস ধরে।।
    স্রোতবেগে আলুথালু সে চারু বসন।
    স্খলিত হয়েছে তার নাভি আবরণ।।
    বিভ্রমেতে যেন বালা জানায় প্রণয়।
    নামিও তাহার জলে হবে রসময়।। (৩০)

    বেণীর আকারে ক্ষীণ বহে জলধার।
    তট তরু জীর্ণপত্র পড়ি অনিবার।।
    মনোহর অঙ্গ তার পাণ্ডু রাগ ধরে।
    তোমার বিরহ চিহ্ন প্রকাশিত করে।।
    তটিনীর কৃশদেহে আনিবে জীবন।
    ভাগ্যবান পয়োধর ! তব দরশন।। (৩১)

    অনন্তর অবন্তীতে করিবে হে গতি।
    যেই পুরী কবিকৃত যশে ঋদ্ধিমতী।।
    উদয়ন কথা লয়ে গরিমার ধাম।
    বিশালা শ্রীশালী বলি কি বিশালা নাম।।
    নিজ পুণ্যবলে যারা দিব্যলোকে যায়।
    পুণ্যশেষে আর তথা থাকিতে না পায়।।
    তাই বুঝি খণ্ড চারু করি তার চুরি।
    ধরাধামে বসাইলা উজ্জ্বয়িনী পুরী।। (৩২)

    বিকচ কমল গন্ধ অঙ্গময় মেখে।
    উঠেছে শীতল বায়ু শিপ্রানদী থেকে।।
    প্রভাত সময়ে কিবা ধীরে ধীরে ধায়।
    সারসের মদকল দূরে লয়ে যায়।।
    সুরতান্তে চাটুকার নায়ক যেমন।
    কামিনীর শ্রমহরে করিয়া ব্যজন।।
    সেইরূপ প্রাতে বায়ু করি ঝুর ঝুর।
    করিতেছে নারীদের রতিখেদ দূর।। (৩৩)

    পথশ্রমে ক্লান্ত হয়ে ওহে জলধর।
    পোষণ করিতে যদি চাহ কলেবর।।
    নবীন ললনাগণ উজ্জ্বয়িনী পুরে।
    নানা গন্ধ ধূপদেয় চিকন চিকুরে।।
    গবাক্ষে করিয়া গতি সে ধুম সেবিবে।
    ললিত-বণিতা-পদ-চিহ্ন নিরখিবে।।
    কুসুম সুরভীযুত হর্ম্ম্য সৌধোপর।
    গৃহশিখী প্রীতিভরে হবে নৃত্যপর।। (৩৪)

    চণ্ডেশ্বর নিকেতনে করিলে গমন।
    তব পুণ্যদেহ নিরখিবে শিবগণ।।
    নীলতনু তব, নীলকণ্ঠ-কণ্ঠ-প্রায়।
    প্রভু প্রভা সমাদরে দেখিবে হে তায়।।
    কুবলয় গন্ধে আমোদিত গন্ধবতী।
    জলকেলি করে তথা যতেক যুবতী।।
    সেই সুরভিতে বায়ু একে বিমোহন।
    আরো তাহে গন্ধ গন্ধে কাঁপে কুঞ্জবন।। (৩৫)

    মহাকাল মন্দিরেতে হয়ে উপনীত।
    প্রদোষ অবধি তথা হবে অবস্থিত।।
    প্রদোষে প্রমথপতি আরতির ক্ষণে।
    অতিশয় পরিতোষ প্রাপ্ত পট স্বনে।।
    তোমার গম্ভীর স্বরে হবে অবিকল।
    পাইবে তাহার ফল গর্জ্জন সফল।। (৩৬)

    নৃত্যতাল পদন্যাসে দেবদাসীগণ।
    নিতম্বের চন্দ্রহারে তুলিবে নিক্কণ।।
    রতন মণ্ডিত দণ্ড চামর সুন্দর।
    ঢুলাইয়া সাবলীলে হবে ক্লান্ত-কর।।
    অবশ হাতের নখ-ক্ষত বেদনাতে।
    নব বরষার তব জলবিন্দু পাতে।।
    হইবে পরম তুষ্ট দিবে উপহার।
    মধুকর-শ্রেণী-দীর্ঘ কটাক্ষ-সম্ভার।। (৩৭)

    সান্ধ্যতেজে নবজবা রক্তরাগ শোভা।
    ধরিবে হে কলেবরে অতি মনোলোভা।।
    অনন্তর পশুপতি নৃত্যকালে যবে।
    শত শত বাহু মেলি অভিলাষী হবে।।
    পাইবারে প্রিয় তাঁর আর্দ্র নাগাজিন।
    নিজ দেহ করো মেঘ শিব-বাহুলীন।।
    ভব প্রতি ভক্তি ভঙ্গীযুক্ত তব কায়া।
    হেরিবেন স্তিমিত নয়নে ভবজায়া।। (৩৮)

    যেখানে সঙ্কেত স্থানে রজনী সময়।
    নরপতি পথে যায় ভাবিনী নিচয়।।
    দেখিতে না পায় পথ তিমির ঘটায়।
    দেখাইও দামিনীর কনক ছটায়।।
    বরষিয়ে বারিধারা গুরু গরজনে।
    কাতর করো না সেই বিলাসিনীগণে।। (৩৯)

    সৌধোপরি কপোত বড়ভী শোভা পায়।
    সুপ্ত পারাবত সহ নিদ্রা গিয়ে তায়।।
    প্রভাত সময়ে শীঘ্র করিবে গমন।
    তোমার বিরহে খিন্ন সৌদামিনীগণ।।
    তুমি থাক নানা রসে ব্যস্ত নানা স্থানে।
    হেন রীতি কেমনেতে সবে তারা প্রাণে।।
    বিশেষতঃ বন্ধু কার্য্য করিয়া গ্রহণ।
    বল কেবা অন্যমত করে সুভাজন।। (৪০)

    ঊষায় গৃহেতে ফিরি প্রণয়ির দল।
    মুছাবে খণ্ডিতাননে নয়নের জল।।
    কমলের দল হতে শিশিরের দাগে।
    তুলিবেন ত্বরা আসি তপন সোহাগে।।
    সে সময় রবি তেজে করো না আটক।
    ওহে মেঘ ! কিবা কাজ দ্বেষে অনর্থক।। (৪১)

    তোয় সুধা গম্ভীরার করে ঢল ঢল।
    প্রসন্ন হৃদয় যেন স্বচ্ছ সুবিমল।।
    অভিলাষী ধরিবারে বক্ষে আপনার।
    স্বভাব সুন্দর ছায়া পয়োদ তোমার।।
    তার জলে খেলা করে শফরী চঞ্চল।
    মনোহর কান্তি যেন কুমুদ ধবল।।
    আঁখি ভরি সেই রূপ লয়ে প্রবাহিনী।
    হানিবে কটাক্ষশর মরম দাহিনী।।
    আর কি সংযম সাজে, ওহে জলধর !
    ধরা দিয়ে জয় করো কোমল অন্তর।। (৪২)

    বেতসের শাখা ঝুলে দুই তট ভরি।
    সুনীল বসনা নদী দুই হাত ধরি।।
    নিতম্ব ঢাকিতে করে মৃদু আকর্ষণ।
    বৃথায় প্রয়াস তার থাকে না বসন।।
    বিবসনা জঘনার সে মোহিনী টান।
    পারিবে কি উপেক্ষিতে মেঘ লম্বমান ? (৪৩)

    যাইবে যখন তুমি দেবগিরি ধাম।
    মন্দ মন্দ সমীরণে পাইবে আরাম।।
    বসুধায় গন্ধ জাগে বারি বরিষণে।
    মাতঙ্গে অনিল পান করে গুরু স্বনে।।
    কাননেতে উদুম্বর পরিণত হয়।
    শীতল বাতাস পাকে কিবা রসময়।। (৪৪)

    সদা তথা বিরাজিত স্কন্দদেব রন।
    পুষ্পমেঘী হইবেক করিয়া যতন।।
    আকাশগঙ্গায় স্নান করি সমাপন।
    পুষ্পবৃষ্টি সহ তাঁরে করিবে ভজন।।
    বাসববাহিনী রক্ষা কারণে শঙ্কর।
    সূর্য্যসম জ্যোতির্ময় তেজ ভয়ঙ্কর।।
    হুতাশনে অর্ঘ্যরূপে করি সমর্পণ !
    সৃজিলেন স্কন্দদেব সন্তান আপন।। (৪৫)

    তারপর গুরুগুরু স্বনন্ করিবে।
    অদ্রিগণ শুনি যাহে প্রতিধ্বনি দিবে।।
    পাবকী কলাপী রঙ্গে হবে নৃত্যপর।
    হর-শির-চন্দ্রালোক-ধৌত-দৃষ্টি-ধর।।
    স্খলিত-কলাপ যার শ্রবণ কমলে।
    ধরেন ভবানী যত্নে পুত্রস্নেহে গলে।। (৪৬)

    শরবন-ভব-দেবে আরাধনা সারি।
    চলিবে আকাশ পথে যবে তাড়াতাড়ি।।
    সিদ্ধ মিথুনের দল জলকণা ভয়ে।
    বীণাসহ পলাইবে ত্রস্ত-পদ হয়ে।।
    চর্ম্মণ্বতি নদী হেরি জলস্পর্শ আশে।
    নামিয়া আসিবে মেঘ সেই অবকাশে।।
    রন্তিদেব কীর্ত্তি সেই করিবে প্রণতি।
    সুরভি-তনয়া লহু-মূর্ত্ত-স্রোতস্বতী।। (৪৭)

    শার্ঙ্গপাণি শ্রীবিষ্ণুর ওহে বর্ণ চোর।
    নামিবে জলেতে যবে হয়ে ভক্তিভোর।।
    দূর হতে ব্যোমচারী সে পৃথু সরিতে।
    হেরিবে মুকুতা মালা বসুধার চিতে।।
    সেই সূক্ষ্ম হার মাঝে তব অবস্থান।
    ইন্দ্রনীল মণিসম হবে দৃশ্যমান।। (৪৮)

    নদী ত্যাগি দশপুরে যবে উত্তরিবে।
    মুগ্ধনেত্রে বধূগণ তোমারে হেরিবে।।
    জনে জনে পরিচিতা ভ্রুলতা লীলার।
    চটুল নয়ন পক্ষ্ম তোলে বার বার।।
    শ্বেতক্ষেত্র মাঝে কৃষ্ণ তারকার শোভা।
    কুন্দ কুসুমেতে যেন মুগ্ধ মধুলোভা।।
    কটাক্ষের শরভরা সে ভ্রমর দলে।
    হানিলে উন্মত্তে ছোটে অতি কুতুহলে।।
    দশপুর বধূকুলে হবে দর্শনীয়।
    দর্শক হয়ো না কভু ওহে রমণীয়।। (৪৯)

    ব্রহ্মাবর্ত্ত দেশে মেঘ করি ছায়াদান।
    রণভূমি কুরুক্ষেত্রে করিবে পয়ান।।
    সেখানে কৌরব সনে পাণ্ডবের রণ।
    ক্ষত্রকূল অন্তঃকারী ঘটেছে ভীষণ।।
    প্রফুল্ল কমলদলে বারিধারা প্রায়।
    অর্জ্জুন গাণ্ডীবধন্বা রাজন্যের গায়।।
    শত শত শরক্ষেপ করিল জর্জ্জর।
    হেরিবে সেখানে তার চিহ্ন বহুতর।। (৫০)

    যদিও অসিতবর্ণ তুমি বারিধর।
    সরস্বতী[১] জলে হবে বিমল অন্তর।।
    যার তীরে বান্ধব প্রণয়ে হলধর।
    তপ আচরিল ঘোর ত্যজিয়ে সমর।।
    রেবতীর আঁখি বিভাসিত কাদম্বরী।
    এক চসকেতে পান পরিহার করি।।
    অঞ্জলি ফলকে সেই সরস্বতী নীর।
    পানে কুতুহলী হইলেন হলী বীর।। (৫১)

    পরিহরি ব্রহ্মাবর্ত্ত দেশ অনন্তর
    কনখল[২] দেশে গঙ্গা পাবে পয়োধর।।
    শৈলরাজ অবতীর্ণা জাহ্নবীর বেণী।
    সগর বংশের স্বর্গ সোপানের শ্রেণী।।
    ফেনছলে হাসি হর জটা আকর্ষণে।
    ভ্রুকুটি রচেন সতী সতিনী বদনে।।
    আর নিজ তরল তরঙ্গ রূপ করে
    পরশেন শিব শির শোভী শশধরে।। (৫২)

    জাহ্নবীর নীর যেন স্ফটিক বিমল।
    এই মনে করি পান হেতু সেই জল।।
    নামিয়া পড়িলে তুমি ত্যজিয়া আকাশ।
    সুরেশের গজ সম পাইবে প্রকাশ।।
    অথবা যেখানে নাই যমুনা সঙ্গম।
    সেখানে হইবে সেই শোভা মনোরম।। (৫৩)

    জাহ্নবী জনম স্থান সেই হিমালয়।
    শ্রম দূর যাবে তথা পাইলে উদয়।।
    উপবিষ্ট হেতু তথা কুরঙ্গ নিচয়।
    সুরভিত শিলাতল মৃগমদ ময়।।
    তুষারে তুষার গিরি ধবল উজ্জ্বল।
    তার শৃঙ্গে হবে তব শোভা সুবিমল।।
    যেন বৃষেশের বৃষ বিষাণে খুঁড়িয়ে।
    ধরিয়াছে পঙ্ক রাশি মস্তক জুড়িয়ে।। (৫৪)

    প্রচণ্ড পবনে ঘরষিত শাখা দল।
    তাহাতে সরল বৃক্ষে[৩] উদিত অনল।।
    লাগিয়ে সে হুতাশন চামরী চামরে।
    বিশাল মশাল হেন দিগ্‌দাহ করে।।
    সেই দাবদাহে যদি গিরি হিমালয়।
    ঘোরতর তপ্ত তাপে তপ্ত তনু হয়।।
    সহস্র সহস্র ধারা বরষি তখন।
    নির্ব্বাণ করিও সেই বিষম দহন।।
    সাধুদের সম্পদের এই ত উদ্দেশ।
    হরণ করণে যত বিপন্নের ক্লেশ।। (৫৫)

    তবোদয়ে হিমালয়ে হবে ঘোর রব।
    সে রবে শরভে[৪] হবে মদ সমুদ্ভব।।
    বলদর্পে তোমার লঙ্ঘন অভিলাষ !
    করকা বরষ তুমি প্রকাশিবে হাস।।
    গর্ব্ব খর্ব্ব আর অঙ্গ ভঙ্গ হবে তায়।
    বৃথা আকুঞ্চনে কেনা পরাভব পায়।। (৫৬)

    চন্দ্রচূড় চারু চরণে চিহ্ন রেখা।
    হে নীরদ ! সেই শিলাতলে আছে লেখা।।
    যেই চিহ্ন উপহারে পূজে সিদ্ধগণে।
    প্রদক্ষিণ করো তারে ভক্তি নম্র মনে।।
    হে পদাঙ্ক দরশনে পাপ পরিগত।
    কল্পান্তে শিবত্ব লাভ করে ভক্ত যত।। (৫৭)

    মুরজ[৫] মৃদঙ্গ রবে কিন্নর নিকর।
    ত্রিপুর বিজয় গীত গায় নিরন্তর।।
    কন্দরে যখন তব প্রতিধ্বনি হবে।
    কীচকে পূরিলে বায়ু সুমধুর রবে।।
    সঙ্গীত হইবে যেন ত্রিপুর সম্বাদ ;
    বাজাবে মুরজ বাদ্য তোমার নিনাদ।। (৫৮)

    হিমালয় উপতটে গিরি নদীগণ।
    অতিক্রম করি পরে করিতে গমন।।
    ভৃগুরাম কীর্ত্তি ক্রৌঞ্চরন্ধ্র[৬] শোভা করে।
    সেই রন্ধ্র দিয়া তুমি যাইবে উত্তরে।।
    পরশু আঘাতে হলো সেই পথ প্রকাশ।
    সেই পথ হয়ে যায় মরাল সঙ্কাশ।।
    বলি দমনার্থে যথা বামনের পদ।
    সেরূপ সে পথে তুমি শোভিবে বিষদ।। (৫৯)

    যার মূল শ্লথীভূত দশমুখ করে।[৭]
    উদয় হইবে হেন কৈলাস শিখরে।।
    ত্রিদশ বণিতা বৃন্দ মোহন দর্পণে।
    অতিথি হইও নিরছায়া সমর্পণে।।
    কুমুদ সদৃশ শুভ্র প্রকাশে কৈলাস।
    যেন দশদিশি ভরি শম্ভু অট্টহাস।। (৬০)

    দ্বিরদ রদন নিভ কৈলাস শেখর।
    তুমি তাহে প্রকাশ পাইলে অম্বুধর।।
    তবদেহ যেন স্নিগ্ধ দলিত অঞ্জন।
    একচক্ষে নিরখিবে যতজন গণ।।
    এই মনে করি যেন নীল পট্টবাস।
    হলধর স্কন্ধে শোভা করিল প্রকাশ।। (৬১)

    ভুজঙ্গ বলয় শূন্য পতিকর ধরি।
    ক্রীড়া শৈলোপরে যদি ভ্রমেন শঙ্করী।।
    তাঁর পদ স্পর্শ সুখ প্রাপন কারণ।
    দেহস্থিত বারিবেগ করিয়ে স্তম্ভন।।
    বাঁকাইয়ে নিজ তনু ভক্তি ভঙ্গি ছলে।
    পড়িবে সোপান হয়ে গৌরী পদতলে।। (৬২)

    সুরবালা বালা বিজড়িত হীরাহারে।
    বমন করিবে বারি তাহার প্রহারে।।
    তাহাতে ঘটিবে তব অপরূপ রূপ।
    হবে সে ললনাদলে জলযন্ত্ররূপ।।
    অঙ্গ সঙ্গ হেতু যদি গ্রীষ্ম বোধ হয়।
    গরজিয়ে বালা বৃন্দে দেখাইও ভয়।। (৬৩)

    স্বর্ণ শতদল যুত মানসের জল।
    পান করি বহিবে হে সমীর শীতল।।
    উড়াইয়ে দিও কল্পতরু স্থিত কেতু।
    অনন্তর ঐরাবত প্রীতি বৃদ্ধি হেতু।।
    নীলচেলী সমাসৌম্য শরীর তোমার।
    ক্ষণকাল তার মুখে করিও বিস্তার।।
    ছায়াশূন্য স্ফটিক সদৃশ গিরিবরে।
    হে পয়োদ ! প্রবেশ করিও তার পরে।। (৬৪)

    ————————————
    টীকা
    1. ব্রহ্মাবর্ত্ত দেশে এইক্ষণে সরস্বতী নদী বিলুপ্ত হইয়া গিয়াছে। ফলতঃ ব্রহ্মাবর্ত্তের আধুনিক সময়ের হিন্দুদিগের মধ্যে প্রকৃত সরস্বতী বহুদিন হইল বিলুপ্ত হইয়াছেন। কুরুক্ষেত্রের বর্ত্তমান নাম পানীপথ অর্থাৎ পানীয় পতিত ; ইহাতেই সরস্বতীর এক সময়ে আবির্ভাব ছিল – এমন প্রমাণ প্রাপ্তি হইতেছে।
    2. বর্ত্তমানে কনখল হরিদ্বারের একক্রোশ পূর্ব্বে গঙ্গা ও নীলধারার সংযোগ স্থলে একটি ক্ষুদ্র জনপদ। এক সময়ে কনখলের পরিসর বহু বিস্তৃত ছিল। পৌরাণিক দক্ষযজ্ঞের এই স্থানে অনুষ্ঠান হয়। লিঙ্গ পুরাণের মতে কনখল গঙ্গা ধারার সমীপবর্ত্তী স্থানে অবস্থিত।
    3. সরল বৃক্ষ অতি ঋজুভাবে তুষারাবৃত প্রোচ্চ পর্ব্বত শেখরে জন্মে। ইহার উদ্ভিদ তত্ত্ব ঘটিত নাম Pinus Longifolia. কোন অনভিজ্ঞ বাঙ্গালা কোষকার সরল শব্দে শাল বৃক্ষ লিখিয়াছেন। শালবৃক্ষের সহিত সরল বৃক্ষের কোন বিষয়ে ঐক্য নাই। শাল এবং সরল যে বিভিন্ন প্রকার বৃক্ষ তাহা বাল্মীকি রচিত গঙ্গাস্তোত্রে প্রকাশ পাইতেছে।
    4. মৃগ জাতি বিশেষ।
    5. মুরজ – মৃদঙ্গ ভেদ হইতে পারে। যেহেতু মুরজ ফলা পনস বৃক্ষের নাম। কাঁঠালের আকৃতি মৃদঙ্গ তুল্য।
    6. ক্রৌঞ্চরন্ধ্র – ভারতবর্ষ হইতে তিব্বতে যাইবার অন্যতম পথ। এই গিরিবর্ত্ম অদ্যাপিও বর্ত্তমান আছে।
    7. Quotation from the Ramayana

    —————————
    অনুবাদ : রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

    ⤷
    1 2
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরঘুবংশ – কালিদাস
    Next Article কুমারসম্ভব – কালিদাস

    Related Articles

    কালিদাস

    অভিজ্ঞানশাকুন্তলম্ – কালিদাস

    July 28, 2025
    কালিদাস

    কুমারসম্ভব – কালিদাস

    July 28, 2025
    কালিদাস

    রঘুবংশ – কালিদাস

    July 28, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }