Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প349 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    হিপি-বিটনিক-বিদ্রোহ

    আধুনিক যন্ত্রযুগের সমাজ—সভ্যতার বিকট দানবীয় ব্যাদানের বিরুদ্ধে আজ যাঁরা কতকটা উদ্ভ্রান্ত আউল—বাউলের বেশে অনুচ্চার বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন, তাঁদের বিদ্রোহকে এ যুগের সহজিয়া বিদ্রোহ বলা যায়। তাঁদের বলা হয় ‘হিপ’—জেনারেশন বা ‘বিট’—জেনারেশন। সারা পৃথিবীতে, নিউ ইয়র্ক—লন্ডন থেকে কলকাতা মহানগর পর্যন্ত, তাঁরা হিপি—বিটনিক—বিটল নামে পরিচিত, ইদানীং কলকাতায় ‘হিপি’ নামটাই বেশি জনপ্রিয়। হিপি—দার্শনিকদের মতে, আজকের পৃথিবীতে মানুষের সমাজে ও জীবনে শান্তি নেই, প্রেম নেই, ভালোবাসা নেই, এককথায় হ্যাপিনেস নেই বলে চারদিকের মরুভূমির মধ্যে ওয়েসিসের মতো হিপিনেস গজিয়ে উঠছে। কিন্তু কেন হিপিদের বিদ্রোহ সহজিয়া বিদ্রোহ, এবং হিপিরা সহজিয়া বা সহজপন্থীদের সগোত্র?

    বৌদ্ধ ও বৈষ্ণব সহজিয়ারা ধর্মসাধনে মূলত শাস্ত্রাচার বিরোধী। শাস্ত্রীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধেই তাঁরা বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন। বৈষ্ণব সহজিয়াদের সাধনায় প্রেম ও রস প্রধান আশ্রয় এবং স্বকীয় ও পরকীয় দু—রকম রসের মধ্যে পরকীয় রসের আশ্রয় শ্রেষ্ঠ। নরনারীর সহজ স্বাভাবিক রতিসম্পর্ক যে স্বামী—স্ত্রী—র শাস্ত্রীয় সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এই সত্যই সহজিয়ারা স্বীকার করেন। ভাবাশ্রয় ও প্রেমাশ্রয়ও তাঁদের সাধনার বড় কথা। এ যুগের হিপিদের সঙ্গে বৌদ্ধ—বৈষ্ণব সহজিয়াদের অনেকদিক থেকে মিল আছে। প্রেম—ভালোবাসা হিপি—জীবনের বড় আদর্শ। হিপিদের আস্তানায় ও জমায়েতে ‘লভ’ কথাটা তাই বড় করে ব্যানারে লেখা থাকে। ভাবাশ্রিত হবার জন্য হিপিরা ‘পট’—ধুম (কতকটা গাঁজা—সিদ্ধির মতো), নানা রকমের ড্রাগ ও সুরাপান করেন, সহজিয়ারাও গঞ্জিকা—সিদ্ধিসেবনে অভ্যস্ত। উভয়েরই মতে তা ছাড়া নাকি ‘ভাব’ আসে না এবং ভাবের বায়ুলোকে বিচরণ করা যায় না। সহজিয়ারা সমাজ—পরিবার বর্জন করতেন এবং কোনো বাহ্যাচার বা নীতিবন্ধন মানতেন না। হিপিরাও তা—ই, তাঁরা বর্তমান সমাজ ও পরিবারের বন্ধন ছিন্ন করে যত্রতত্র সহজিয়াদের মতো চলেফিরে বেড়ান। নিজেদের আহার—বিহারে ও মেলামেশায় স্ত্রী—পুরুষ হিপিরাও ভ্রাম্যমাণ বাউলদের মতো কোনো সামাজিক নীতিবন্ধন মানেন না। সহজিয়াদের মতো হিপিরাও গুরুবিশ্বাসী এবং মাথার চুল—দাড়ি পোশাক—পরিচ্ছদের দিক থেকেও তাঁদের বাউলসাদৃশ্য লক্ষণীয়। হিপি বিদ্রোহকে তাই আধুনিক ধনতান্ত্রিক যন্ত্রযুগের সহজিয়া বিদ্রোহ বলা যায়।

    মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, হিপিরা বর্তমান ‘সিক সোসাইটি’ বা ব্যাধিগ্রস্ত সমাজের ব্যারোমিটার। কিছুদিন আগে (জানুয়ারি ১৯৬৯) ডক্টর জন ইগান নামে একজন খ্যাতনামা আমেরিকান মনোবিজ্ঞানী কলকাতা শহরে এসেছিলেন। দলে দলে আজ হিপিরা কেন সুদূর আমেরিকা থেকে, সেখানকার অ্যাফ্লুয়েন্ট বা ভূরিসমাজের ভোগলালসা ও গণিত প্রলোভন ছেড়ে, ভারতের হিমালয় থেকে কলকাতা—হাওড়ার দিকে ধাবমান হচ্ছেন, গুরু মহেশ যোগী থেকে কৃষ্ণপ্রেমিক ভক্তিবেদান্ত ও চিরঞ্জীবের শিষ্যত্ব গ্রহণ করছেন, সেই প্রশ্ন তাঁকে করা হয়। প্রশ্নের উত্তরে বিজ্ঞানী ইগান বলেন যে হিপিরা আজ এক অতীন্দ্রিয় জীবনানুভূতির জন্য লালায়িত এবং ধ্যান—যোগসাধনা ইত্যাদির ভিতর দিয়ে সেই অনুভূতি আস্বাদনের অমরাবতী হল ভারতবর্ষ। কাজেই হিপিরা আজ ভারতাভিমুখী এবং হিমালয়ের গুহাগহ্বর থেকে কলকাতা—হাওড়ার অলিগলি পর্যন্ত তাঁদের বিচরণক্ষেত্র বিস্তৃত। ইগান অবশ্য এ কথাও উল্লেখ করেন যে ভূরিসমাজের ভোগবিলাসিতা ও সুখোচ্ছ্বাসের (ইউফোরিয়া) প্রতি হিপিদের যে বীতরাগ ও অনাসক্তি তা আন্তরিক এবং তার কারণ হল যন্ত্রজর্জর, নিরেট আমলা—অধ্যুষিত সমাজের ব্যক্তিসত্তানাশ, কপটতা ও অত্যুৎকট কৃত্রিমতার বিরুদ্ধেই হিপিদের বিদ্রোহ। আমেরিকার তরুণ ছাত্র বিদ্রোহ ও হিপি বিদ্রোহের সামাজিক উৎস যে কতকটা একই, সে কথাও ইগান ইঙ্গিত করেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    লেখকের বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    গল্প, কবিতা

     

    বিষয়টা ভাববার মতো। অন্তত সমাজ বিষয়ে যাঁরা চিন্তা করেন তাঁরা আজ হিপি—বিটল—বিটনিকদের আন্দোলন—আচরণ যতই বিসদৃশ হোক, তাচ্ছিল্যভরে তাঁদের উপেক্ষা করতে পারেন না। যদি তাঁরা মধ্যবয়সি বা বৃদ্ধদের একটি গোষ্ঠী হতেন, তাহলে এটা না—হয় তাঁদের জীবনের তৃতীয়াশ্রম বানপ্রস্থ অথবা চতুর্থাশ্রম সন্ন্যাসেরই একটা রূপ বলে ব্যাখ্যা করা যেত। কিন্তু হিপিরা অধিকাংশই বয়সে তরুণ বলে তাঁদের বিদ্রোহী ও আপাতোদ্ভট জীবনদর্শন রীতিমতো চিন্তনীয়। মানবসমাজের ইতিহাসে আজ পর্যন্ত কোনোকালে সমাজমঞ্চে এরকম বিচিত্র অভিনয় দেখা যায়নি, যেখানে অভিনেতারা সকলে তরুণ—তরুণী, নাট্যবস্তু চলমান সমাজজীবন এবং সমাজদর্শন পরিবর্জন। এ বিদ্রোহের মৌল প্রকৃতিও অনন্য। তাই যেটা যার কাছে যত কিমাকারই মনে হোক, তার স্বরূপ বোঝার সামাজিক দায়িত্ব অস্বীকার করা যায় না। বেশ পরিষ্কার বোঝা যায়—সারা পৃথিবীব্যাপী ‘ইয়ুথ রিভোল্ট’ বা তরুণ বিদ্রোহ আজ দুটি ভিন্নমুখী ধারায় প্রবাহিত হচ্ছে। একটি ধারা ‘ছাত্র বিদ্রোহ’—যার ভিতর দিয়ে সমাজ এক নতুন ছাত্রশক্তির (যাকে ‘স্টুডেন্ট পাওয়ার’ বলা হয়) অভ্যুদয় হচ্ছে। এটি ‘পজিটিভ’ ধারা। অন্য ধারাটি হল—হিপি—বিটল—বিটনিকদের আত্মান্বেষী আন্দোলনের ধারা—জীবনবিদ্রোহ বলা যায়। এটি ‘নেগেটিভ’ ধারা। সমাজ—রাষ্ট্রজীবনের একই প্রদাহী পরিবেশ এই বিশ্বব্যাপী তরুণ বিদ্রোহের উভয় ধারার উৎস ও ইন্ধন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    লাইব্রেরি
    Library
    লেখকের বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ডিকশনারি
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের তালিকা

     

    হিপ— জেনারেশনের আলোচনায় এই সামাজিক পশ্চাদভূমি মনে রাখা প্রয়োজন। মনে রেখে হিপিদের সঙ্গে আরও একটু ঘনিষ্ঠ পরিচয় করা যাক। ক্যালিফোর্নিয়ায় হিপিদের একটি বিখ্যাত আড্ডায় একবার কোনো কৌতূহলী দর্শক উপস্থিত হন, হিপি—জগৎ সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ জ্ঞানলাভের উদ্দেশ্যে। প্রথমেই তিনি প্রশ্ন করেন: ‘আমার জানতে ইচ্ছে করে, এইভাবে জীবনযাপন করার ও বেঁচে থাকার ব্রত আপনারা গ্রহণ করেছেন কেন?’ দলের ভিতর থেকে একজন এলোকেশী তরুণী হিপি, কণ্ঠমালার গুটি নাড়তে নাড়তে এগিয়ে এসে, ছিমছাম শহুরে ভদ্রলোকটির মুখের দিকে মিনিট দুই নিষ্পলক দৃষ্টি মেলে (হিপনোটাইজ করার ভঙ্গিতে) বলেন, একটু উত্তেজিত সুরে:

    ‘আপনার নিজের দিকে চেয়ে দেখেছেন, কে আপনি? বেশ ভালো করে চেয়ে দেখুন। কোনো মানুষের সঙ্গে সহজভাবে প্রাণ খুলে কথা বলতে পারেন না আপনি, বলতে গেলে দু—তিন পেগ সুরাপান করে নিজের মুখোশটা ফেলে দিতে হয়। কেন হয়? যে—কোনো নীতি, যে—কোনো মানবিক গুণ, কড়ির মূল্যে আপনারা কিনতে পারেন, নারীর নারীত্ব, ব্যবসায়ীর সততা সবই কড়ির স্পর্শে উবে যায়। আপনারা শান্তির কথা, অহিংসার কথা, মানবতার কথা, মানবিক অধিকার ও স্বাধীনতার কথা দিনরাত বেতারে সংবাদপত্রে এবং হাজার হাজার বইতে প্রচার করেন, অথচ ভিয়েতনামের নিরীহ মানুষ হাজারে হাজারে হত্যা করতে আপনাদের সংকোচ হয় না। যন্ত্রের মহিমাকীর্তনে আপনারা পঞ্চমুখ, অহরহ বলছেন যে যন্ত্র দিয়ে এ পৃথিবীকে স্বর্গ বানিয়ে ফেলবেন। কিন্তু তবু কেন আজও এপৃথিবীর অধিকাংশ অসহায় মানুষ নরকযন্ত্রণা ভোগ করছে, লক্ষ লক্ষ মানুষ আত্মহত্যা করছে, খুনোখুনি—মারামারি করছে? মানুষের স্বাভাবিক অধিকার ও মর্যাদা আজও আপনারা গায়ের সাদা—কালো রং দেখে বিচার করেন, অথচ আপনাদের বড় বড় আদর্শের বুলির ধ্বনিতে কানের পরদা ফাটার উপক্রম। বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানী আজ আপনাদের টাকার গোলাম, আপনাদের মুনাফা বিকট হাড়িকাঠে উৎসর্গিত। সেই বিজ্ঞান দিয়ে আজ আপনারা সর্বসংহারক মারণাস্ত্রের পরীক্ষায় পৃথিবীর আলো—জল—বাতাস পর্যন্ত বিষিয়ে তুলছেন, মানুষের অস্তিত্ব পর্যন্ত বিপন্ন করছেন। এই তো আপনাদের সমাজ ও সভ্যতা, এবং এই সভ্যতারই একজন প্রতিমূর্তি আপনি। আপনি কি বলতে চান, আপনার বা আপনাদের কাছ থেকে আমাদের শিখতে হবে—কেমনভাবে বেঁচে থাকতে হয়, এবং কেমনভাবে জীবনযাপন করা উচিত? ‘And you think you’re going to tell us how to live?’

     

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য টিপস
    ডিজিটাল বই
    ই-বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    লাইব্রেরি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    মুক্তকেশী হিপি তরুণীর এই উত্তর শুনলে জ্যঁ পল সার্ত্রের ‘নসিয়া’ গ্রন্থের সেই হতভাগ্য হিউম্যানিস্টের কথা মনে হয়, যে হিউম্যানিস্টের প্রয়োজন আজকের মানুষের ফুরিয়ে গেছে, যে চিরদিনের মতো তাই নির্জনতার রাজ্যে প্রবেশ করেছে—কারণ অকস্মাৎ আজ তার চোখের সামনে সব ভেঙে পড়েছে, সংস্কৃতির সব স্বপ্ন, মানুষের সঙ্গে মানুষের পরিচয় ও প্রীতির সব স্বপ্ন :

    That poor humanist whom men don’t want any more… Now he has entered into solitude–forever. Everything has collapsed at once, his dreams of culture, his dreams of an understanding with mankind.

    হিপিদের এই হতভাগ্য হিউম্যানিস্ট বলা যেতে পারে। আজকের হিংসায় উন্মত্ত পৃথিবীতে অহিংসা, প্রেম—ভালোবাসাই হিপিদের কাম্য। ‘Why can’t everybody live in peace? Then the whole world can be happy Love, that’s what we all need. More love. That’s what we hippies want to give to the world.’

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বইয়ের
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    Books

     

    যন্ত্রযুগের মানুষ হৃদয়ের আবেগ—অনুভূতিকেও যন্ত্রের স্পন্দন মনে করে। মানুষের সঙ্গে মানুষের ভালোবাসার বন্ধন নেই, প্রীতির বন্ধন নেই, অর্থসর্বস্ব পণ্যময় জগতে কেবল টাকার বন্ধন আছে, ‘ক্যাশ নেক্সাস’। ধনিকতন্ত্রের কী—বা মাহাত্ম্য! মানুষের সঙ্গে মানুষের প্রীতি স্থাপন করাই হিপিদের লক্ষ্য। তাই হিপিরা বলেন যে গৌতম বুদ্ধ একজন আদি—অকৃত্রিম হিপি, এবং যিশুখ্রিস্টও একজন হিপিশ্রেষ্ঠ—‘Buddha was one of the original hippies…Jesus was the first hippie you know.’

    বুদ্ধ ও যিশু উভয়েই হিপিদের মতে আদি—অকৃত্রিম হিপি হলেও, খ্রিস্টধর্মের প্রতি হিপিদের আকর্ষণ বিশেষ নেই, তার চেয়ে ভারতীয় বৌদ্ধ ও হিন্দুধর্মের প্রতি আকর্ষণ তাঁদের অনেক বেশি। তাঁরা বলেন যে, খ্রিস্টধর্ম যিশুর কোনো আদর্শ মেনে চলেনি এবং ধর্মের নামে সারা পৃথিবীতে খ্রিস্টানরা যত অধর্ম ও অন্যায় করেছেন, অশান্তি হিংসা—বিদ্বেষ অত্যাচার যুদ্ধবিগ্রহাদির প্রশ্রয় দিয়েছেন, তাতে ক্যাথলিক—প্রোটেস্ট্যান্ট কোনো চার্চের প্রতি তাঁদের শ্রদ্ধাভক্তি হয় না। বরং বৌদ্ধ, হিদু প্রভৃতি ধর্মের নীতি আদর্শ ও আচরণের মধ্যে একটা আন্তর সংগতি আছে এবং তার যোগসাধন ধ্যান—তপস্যা জপ—মন্ত্রাদির মধ্যে আত্মোপলব্ধির ও আত্মশক্তি বিকাশের সুযোগ আছে। তাই হিপিরা এই যোগ—ধ্যান—জপ—মন্ত্রের অনুগামী। তাঁদের বিশেষ কোনো ধর্মমত বলে কিছু নেই, তবে ধর্মাচরণের বাহ্যাড়ম্বরে তাঁরা বিশ্বাসী নন। ধর্মের ভিতর দিয়ে তাঁরা সমাহিত প্রশান্তি চান। কোথাও কোথাও তাঁরা এক নতুন ধরনের চার্চল গড়েছেন আমেরিকায়, যেখানকার যাজকরা বৌদ্ধ শ্রমণ ও হিন্দু যোগীর মতো এবং তাঁদের বলা হয় বু—উ—হু—উ। কিছুই না, শুধু একটা শব্দ, যার ধ্বনি আছে কিন্তু অর্থ নেই, যেমন তাঁরা সূর্যস্তব করেন, সমবেত কণ্ঠে ‘ওঁ’ ধ্বনি করেন এবং অর্থহীন বৌদ্ধ ও হিন্দু মন্ত্র (তান্ত্রিক বীজমন্ত্রের মতো) উচ্চারণ করেন। এতেই নাকি হিপিরা একটা অতীন্দ্রিয় আনন্দের আস্বাদ পান, যা গির্জার গতানুগতিক যিশুর প্রার্থনায় পাওয়া যায় না। ‘আজ আমাদের রুটি খেতে দাও, হে যিশু, লোভের পথে ঠেলে দিয়ো না’—এই প্রার্থনার পাশে ‘ওঁ হ্রীং ক্রীং হুঁ ফট স্বাহা’ মন্ত্রের গভীর অনুরণনের কোনো তুলনাই হয় না। একটি উৎকট নিরেট গদ্য, আর—একটি বাচ্যাতিরিক্ত অপূর্ব ব্যঞ্জনাময় ধ্বনিতরঙ্গ, যেতরঙ্গের উত্থান—পতনের ভিতর দিয়ে নিজ সত্তার গহন অন্তঃস্থল পর্যন্ত তলিয়ে যাওয়া যায়। হিপিরা এইভাবে আত্মসত্তার গহনে ডুবে যেতে চান বলে জপ—তপ—ধ্যান—মন্ত্র ও যোগসাধনের পথ, ধর্মের ক্ষেত্রে, তাঁরা বেছে নিয়েছেন। এই পথেই তাঁদের শ্রেষ্ঠ কাম্য প্রশান্তি।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    গল্প, কবিতা
    বাংলা কৌতুক বই
    বইয়ের
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Books
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার

     

    এই সমাহিত প্রশান্তির যাত্রাপথে হিপিকুলের অন্যতম সহায় হল নেশা। নেশার মধ্যে অ্যালকোহলের পরেই হল মারিজুয়ানা পট—স্মোকিং, কতকটা চরস—গাঁজা—সিদ্ধির মতো এবং তারপর এল—এস—ডি, হেরোইন ও নানা রকমের সব ড্রাগ। পট—স্মোকিং, মনে হয়, ভারতীয় যোগী—সাধুপুরুষদেরই প্রভাব। মারিজুয়ানা ধূমপানের অভ্যাস আমেরিকান হিপিদের মধ্যে এত দ্রুত বিস্তারলাভ করছে যে স্কুলের অল্পবয়স্ক বালক—বালিকারাও ‘থ্রিল’—এর সন্ধানে এইদিক দিয়ে হিপিপন্থী হয়ে উঠেছে। ড্রাগের আকর্ষণও যথেষ্ট। পট—ধূমপান বা ড্রাগসেবন ছাড়া নাকি, হিপিদের মতে, অতীন্দ্রিয় অনুভূতির রাজ্যে বিচরণ করা যায় না। স্যানফ্রান্সিসকোর এক হিপিচক্রাধিপতি মারিজুয়ানা ড্রাগসেবনের গুণ ব্যাখ্যা করেছেন :

    I float up and up and up until I’am miles above the earth. Then I begin to come apart. My fingers leave my hands, my hands leave my wrists, my arms and legs leave my body and I just floooooooat all over the universe.

    মনে হয় যেন আমি উপরে, আরও উপরে, আরও উপরে ভেসে বেড়াচ্ছি, পৃথিবী ছাড়িয়ে অনেক মাইল উপরে। আরও কিছুক্ষণ পরে মনে হয় যেন আমি খণ্ড খণ্ড হয়ে ভেসে যাচ্ছি। আমার আঙুলগুলো হাতের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে যাচ্ছে, হাত দুটো কবজি থেকে আলগা হয়ে যাচ্ছে, হাত—পা সব একে একে দেহের মায়াবন্ধন ছিন্ন করে ফেলছে, এবং আমি কেবল ব্রহ্মাণ্ডের উপর দিয়ে উ—উ—উ—উ—উ—উ—উড়ছি।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বই পড়ুন
    বাংলা কৌতুক বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    PDF বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গ্রন্থাগার
    অনলাইনে বই
    লেখকের বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    খণ্ড খণ্ড দেহ নিয়ে ব্রহ্মাণ্ডের উপর দিয়ে এরকম উড়ে ও ভেসে চলার অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি আজ পর্যন্ত আমেরিকা বা সোভিয়েট রাশিয়ার কোনো নভশ্চরের চন্দ্র গ্রহ অভিযানের পথেও হয়েছে কি না সন্দেহ। যদিও বা হয়ে থাকে, তার জন্য কত হাজার কোটি টাকা যে অপব্যয় হয়েছে তার ঠিক নেই। হয়তো হিপিরা এই অঢেল অপব্যয়ের প্রতিবাদ করে বলতে চান, কত সামান্য খরচে কিছু মারিজুয়ানা অথবা ড্রাগ সেবন করলে চন্দ্রলোক অভিযানের এই অভিনব অভিজ্ঞতা লাভ করা যায়।

    সে যা—ই হোক, পট—স্মোকিং ও ড্রাগ সেবন করে হিপিদের উড়ু—উড়ু ভাবসঞ্চারের প্রয়াস বিশেষ প্রশংসনীয় না হলেও, এ বিষয়ে কোনো সমালোচনা তাঁরা একদম সহ্য করতে পারেন না। কিছু বললেই তাঁরা বলেন, ‘বাইরের সমাজে বার—রেস্তরাঁয় হোটেলে—মোটেলে নাইটক্লাবে ককটেল পার্টিতে এবং এরকম অজস্র আড্ডায় আপনাদের যে পান—ভোজন—নৃত্যের উৎসব চলতে থাকে তাতে যদি কারও কোনো ক্ষতি না হয়, তাহলে আমাদের হিপিদের পট—স্মোকিং ও ড্রাগসেবনের জন্য আপনারা নীতিবাগীশের মতো চোখ রাঙান কেন? আমাদের ক্ষয়ক্ষতির জন্য চিন্তা করতে হবে না, নিজেদের কথা চিন্তা করুন।’ এই মনোভাবের জন্য প্রিস্ট
    মর‍্যালিস্ট বা সাইকোলজিস্ট কারও সমালোচনা বা সমবেদনা হিপিদের উপর একটুও প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। বর্তমান সমাজের মর‍্যালিস্টদের হিপিরা অত্যন্ত অশ্রদ্ধার চোখে দেখেন।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বইয়ের
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    গল্প, কবিতা
    Books
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    বেশভূষায়, নারী—পুরুষের সম্পর্কে, মেলামেশায় ও আচরণে তাঁরা সমাজের কোনো তোয়াক্কা করেন না। কলকাতা, হাওড়া ও শহরতলিতে হিপিদের মধ্যে মধ্যে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়। তাঁদের আস্তানাও কয়েকটা এইসব অঞ্চলে আছে এবং এ দেশি গুরুও আছেন। পুরুষরা আঁটসাঁট ট্রাউজারস বা কাটা জিন পরলেও, অনেক সময় খালি পায়ে চলেন। চুল—দাড়ি অপরিচ্ছন্ন ও এলোমেলো, তার সঙ্গে মালা ও ঘণ্টা থাকে। মেয়ে—হিপিদের চুল বাঁধা থকে না, সোজা করে পিঠের উপর ফেলা থাকে। বেশির ভাগ মেয়ে—হিপি খুব উজ্জ্বল রঙের শাড়ি পরেন, লাল গোলাপি বা গেরুয়া, এবং শাড়ি পরার ভঙ্গিও তাঁদের বিচিত্র, কোমরের অনেক নীচে পর্যন্ত নামিয়ে দেওয়া। এর নাম হয়েছে ‘হিপি—স্টাইল’। আমাদের দেশের কাপড়ের মিল মালিকরা ইদানীং এই হিপি—স্টাইলে শাড়ি পরা মেয়েদের ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন দিতেও আরম্ভ করেছেন। তাতে নাকি শাড়ির কাটতি হয় ভালো এবং হিপি—স্টাইলে শাড়ি—পরা বাইরের মেয়েদের মধ্যেও ‘পপুলার’ হয়। হিপি—মেয়েরাও ‘বিড’ ও ‘বেল’ ব্যবহার করেন। অবিন্যস্ত কেশ সম্বন্ধে কোনো মন্তব্য করলে তাঁরা জবাব দেন, এইটাই স্বাভাবিক। যা স্বাভাবিক ও যেটা স্বভাবধর্ম তা—ই তাঁরা দৈনন্দিন জীবনে বেশভূষার আচার—ব্যবহারে পালন করতে চান। অর্থাৎ প্রকৃতি—বিরোধী কোনো কাজ করতে চান না।

     

    আরও দেখুন
    Library
    পিডিএফ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বইয়ের
    বই ডাউনলোড
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    আমেরিকার বড় বড় শহরে মধ্যে মধ্যে হিপিদেরও মিছিল বেরুতে দেখা যায়। কালো নিগ্রোদের মিছিলের মতো, বিক্ষুব্ধ তরুণ ছাত্রদের মিছিলের মতো, হিপিদের মিছিলও বিদ্রোহী তরুণদের এক রকমের মিছিল। মিছিলে নানা রকমের ব্যানার ও স্লোগান থাকে—

    ‘লিগালাইজ পট’ ছাড়া বোধহয় হিপিদের বর্তমানে আর কোনো সামাজিক বা রাষ্ট্রিক দাবি নেই। বাকি সবই তাঁদের আদর্শের কথা—’জন্ম ও মৃত্যুর হাত থেকে মুক্তি নেই, কাজেই মধ্যের ক—টা দিন আনন্দ করো’, ‘প্রেম—ভালোবাসা’, ‘শান্তি’, ‘অহিংসা’ ও আরও সব ভালো ভালো কথা। বিচিত্র বেশভূষায় সজ্জিত, রুক্ষ চুল—দাড়ি, পরিপার্শ্ব সম্বন্ধে একেবারে উদাসীন, সমাজ সভ্যতার প্রতি আন্তরিক অবজ্ঞা ও অশ্রদ্ধা চোখে মুখে পরিস্ফুট, সমবেত কণ্ঠে ওংকার ধ্বনি হ্রীং ক্রীং হুঁ ফট—এর মতো কোনো তান্ত্রিক বীজমন্ত্রের আড়ষ্ট উচ্চারণগত—এরকম তরুণ—তরুণী দলে দলে যখন আমেরিকার মতো যান্ত্রিক ধনতান্ত্রিক স্বর্গরাজ্যের বড় বড় মহানগরের স্কাইস্ক্রেপার অটোমোবিলের ভিড়ের ভিতর দিয়ে মৌন শোভাযাত্রা করে চলতে থাকে, তখন মনে হয় হাজার হাজার কোটি টাকা মুনাফার মহাযজ্ঞে আহুতি দিয়ে চন্দ্রলোকযাত্রার চেয়ে মর্ত্যলোকের এই বিচিত্র বিদ্রোহী তরুণদের শোভাযাত্রার সামাজিক গুরুত্ব অনেক বেশি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    পিডিএফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    ই-বই পড়ুন
    ডিজিটাল বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের

     

    আর যা—ই হন, তামাশার পাত্র নন হিপিরা। মানবসমাজের ইতিহাসে, এ কথা স্বীকার করতেই হবে, এ একটা অত্যাশ্চর্য বিদ্রোহ—বর্তমানের ঘুণ ধরা ধনতান্ত্রিক পরিবার সমাজ রাষ্ট্র ও যান্ত্রিক জীবনযাত্রার বিরুদ্ধে তরুণদের বিদ্রোহ। তবে ‘নেগেটিভ’ বিদ্রোহ যে তা আগেই বলেছি। সমাজের প্রচলিত নীতিবোধ, মূল্যবোধ, বিচারবোধ—সমস্ত কিছু মূল্যায়নের মানদণ্ডের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ। এ বিদ্রোহের কারণ কী? আগেই বলেছি, যে কারণে পৃথিবীব্যাপী তরুণ ছাত্রসমাজের বিক্ষোভ ও বিদ্রোহ, সেই কারণেই তরুণসমাজের একাংশ হিপি—বিটনিকদের বিদ্রোহ। যে জীর্ণ জরাগ্রস্ত শ্রেণিশোষিত সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বহুকালের অন্যায়—অবিচার বিকার—ব্যভিচার পুঞ্জীভূত হয়ে আছে, তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ।

    ঐতিহাসিক টয়েনবি বলেছেন যে আমেরিকার সমাজ ও জীবনযাত্রার প্রতি হিপিরা হলেন ‘রেড ওয়ানিং লাইট’—এর মতো। ক্যালিফোর্নিয়ার একজন বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী বলেছেন যে আমাদের অসুস্থ ব্যাধিগ্রস্ত সমাজের ব্যারোমিটার হলেন হিপিরা। বয়সে তাঁরা তরুণ তো বটেই, বেশির ভাগই দশের কোঠার মধ্যে। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েরাই বেশি, তবে নিম্নবিত্ত ও উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়ের সংখ্যাও কম নয়। যুদ্ধবিগ্রহ, বিশেষ করে ভিয়েতনামের যুদ্ধ, পারমাণবিক মারণাস্ত্রের পরীক্ষা, পরবর্তী বিশ্বযুদ্ধে সমগ্র মানবজাতি ধ্বংস হয়ে যাবার আশঙ্কা, জাতিবিদ্বেষ—বর্ণবিদ্বেষ, হিংসা, কপটতা ইত্যাদির বিরুদ্ধে হিপিদের বিদ্রোহ। উক্ত সমাজবিজ্ঞানীর ভাষায় হিপিদের সম্বন্ধে বলা যায় :

     

     

    They have rebelled against society and turned away from its hypocrisy, shams and frauds. They are against the organization man, mass society, this computerized world we live in. They are against competition in business.

    এ যুগের শিল্পোন্নত যান্ত্রিক সমাজের স্বরূপ যিনি বৈজ্ঞানিক দার্শনিকের দৃষ্টি দিয়ে ব্যাখ্যা—বিশ্লেষণ করেছেন, এবং যিনি নাকি বর্তমানকালে, ইউরোপের তরুণ বিদ্রোহের অন্যতম আদর্শগুরু বলে স্বীকৃত, সেই হারবার্ট মারকিউসে তাঁর বিখ্যাত ‘ওয়ান ডাইমেনশনাল ম্যান’ গ্রন্থে এই হিপিবিটনিকদের বিদ্রোহের তাৎপর্যের কথা ইঙ্গিত করতে ভোলেননি। পরে লন্ডনে অনুষ্ঠিত প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবীদের একটি সম্মেলনে (কংগ্রেস অন দ্য ডায়েলেকটিকস অফ লিবারেশন, ১৫—৩০ জুলাই ১৯৬৭) হারবার্ট মারকিউসে তরুণ হিপি—বিদ্রোহের তাৎপর্য আরও স্পষ্ট ভাষায় ব্যাখ্যা করে বলেছেন :

    I would like to say my bit about the Hippies. It seems to me a serious phenomenon. If we are talking of the emergence of an instinctual revulsion against the values of the affluent society. I think here is a place where we should look for it.

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    Library
    কৌতুক সংগ্রহ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা সাহিত্য
    বই ডাউনলোড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাইশে শ্রাবণ

     

    পণ্যপ্লাবিত যান্ত্রিক ভূরিসমাজের জীবনবোধ ও মূল্যবোধের বিরুদ্ধে হিপিদের বিদ্রোহকে মারকিউসে ‘সাহজিক বিদ্রোহ’ বলেছেন। আমাদের ভাষায় আমরা হিপিদের সহজপন্থী বলতে পারি এবং তাঁদের বিদ্রোহকে বলা যায় ‘সহজিয়া বিদ্রোহ’।

    জ্যাক কেরুয়াক (বিটনিকদের ‘প্রিন্স’ বলা হয়) তাঁর একটি রচনায় (‘ভিজনস অফ জিরার্ড অ্যান্ড ট্রিসটেস’ ১৯৬৪) প্রশ্ন করছেন : ‘মানুষকে এত দুঃখকষ্ট ভোগ করতে হয় কেন? কেন আমরা আশায় উদ্ভাসিত মানুষের প্রশস্ত ললাট লক্ষ্য করে তপ্ত লৌহশলাকা ছুড়ে মারি?’ উত্তরে একজন বলছেন : ‘জিরার্ড, তুমি ছেলেমানুষ, তাই এখনও জানো না—জীবনটা একটা জঙ্গল, যেখানে মানুষ খাচ্ছে মানুষকে—হয় তুমি খাবে, না—হয় তোমাকে ভাবে, যেমন বেড়াল—ইঁদুর খাচ্ছে, ইঁদুর পোকা খাচ্ছে, পোকা চিল খাচ্ছে, আবার শেষে সেই পোকা মানুষকেও খাচ্ছে।’

    There’s no explaining your way out of the evil of existence–‘In any case, eat or be eaten’–we eat now, later on the worms eat us.

    ‘কেন যে জন্মেছি এবং বেঁচে আছি তা বাস্তবিক ব্যাখ্যা করে বোঝানো যায় না। যেটা বোঝা যায় সেটা হল—হয় তুমি কাউকে খাবে, না—হয় তোমাকে কেউ খাবে, এবং আমাদের এই খাওয়াখাওয়ি শেষ হলে অবশেষে পোকায় খাবে আমাদের।’

    শ্রেণিশোষিত মানবসমাজের এই হিংস্র আরণ্যক মূর্তির বিরুদ্ধে তরুণ হিপিদের বিদ্রোহ। সভ্যতা—সংস্কৃতির নামে কপটতা, শঠতা ও বর্বরতার যে তাণ্ডব পৃথিবীব্যাপী চলেছে, তার বিরুদ্ধে আবেগ—উদবেল তরুণ চিত্তের বিদ্রোহ। ব্যারিকেড, গেরিলা যুদ্ধ, হিংসার বদলে হিংসার বিদ্রোহ হল তরুণসমাজের ‘পজিটিভ’ বিদ্রোহ। হিপি বিদ্রোহ ‘নেগেটিভ’ হলেও একই সামাজিক পরিবেশ থেকে উৎসারিত এক অভিনব সহজিয়া বিদ্রোহ। পৃথিবীব্যাপী তরুণ বিদ্রোহের বিপুল তরঙ্গোচ্ছ্বাসের মধ্যে এই হিপি—বিটনিক—বিদ্রোহকেও একটি তরঙ্গ বলে স্বীকার করতে হয়, যদিও সেই তরঙ্গের মধ্যে আঘাত হানার বা ভাঙনের উদ্দামতা নেই—আছে সহজ পথে, সমস্ত নোঙর—বন্ধনছিন্ন সহজিয়ার বেপরোয়া গতি।

    ১৯৬৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ
    Next Article বিদ্রোহী ডিরোজিও – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }