Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প349 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টাকা আর টাকা আর মন

    টাকা আর টাকা আর মন

    মন! মন আবার কী? টাকা ছাড়া মন কী? টাকা ছাড়া আমাদের মন নাই; টাঁকশালে আমাদের মন ভাঙে—গড়ে। বঙ্কিমচন্দ্রর কমলাকান্তর উক্তি। ধনতান্ত্রিক সভ্যতার শ্রেষ্ঠ দান এই মন যা টাঁকশাল ভাঙে—গড়ে।

    টাকা স্বর্গ টাকা ধর্ম টাকাই জপ—তপ—ধ্যান। অটোমোবিল ও স্কাইস্ক্রেপারের যুগে মেট্রোপলিটন মহানগরে আর কোনো টান মানুষকে টানতে পারে না। এককালে মা ছিলেন স্বর্গাদপি গরীয়সী এবং পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম—পিতাই ছিলেন পরম তপস্যার বস্তু। তখন মানুষের টানে মানুষ চলত, গোরুর টানে গাড়ি চলত মাটির পথে। ইট—পাথর—লোহার পথ ছিল না, বাড়িঘর ছিল না, অটোর মতো যন্ত্র মানুষকে প্রচণ্ড বেগে টানত না। মাটির টানে, মানুষের টানে মানুষ চলত। ক্রমে মাটি থেকে দূরে সরে যেতে থাকল মানুষ, মাটি থেকে সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠতে থাকল, কংক্রিটের স্পর্শে মাটির স্পর্শবোধ চলে গেল। গৃহসীমানায় প্রাচীর উঠল, ছোট প্রাচীর, বড় বড় প্রাচীর। বড় বাড়ি ছোট বাড়িকে আড়াল করে দিল। মনের মধ্যেও প্রাচীর উঠল। ইটের উচ্চতার আড়ালে মনও বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। তারপর ‘গ্রামের আলো নিবল। শহরে কৃত্রিম আলো জ্বলল—সে আলোয় সূর্য চন্দ্র নক্ষত্রের সংগীত নেই। প্রতি সূর্যোদয়ে যে প্রণতি ছিল, সূর্যাস্তে যে আরতির প্রদীপ জ্বলত, সে আজ লুপ্ত, ম্লান। শুধু—যে জলাশয়ের জল শুকোলো তা নয়, হৃদয় শুকোলো’ (রবীন্দ্রনাথ)। মন হল একমুখী। লোভ ও স্বার্থের সওয়ার হয়ে অর্থের দিকে ধাবিত হল মন কলকাতা শহরে।

    লোভের টানে, স্বার্থের টানে, অর্থের টানে গ্রাম থেকে শহরমুখী হল মানুষ ও মানুষের মন। সুতানুটির গঙ্গাতীরে কতকগুলি তাঁবু, কুঁড়েঘর ও নৌকো নিয়ে জোব চার্নক যখন প্রায় বন্য যাযাবরের মতো বাস করছিলেন তখন তাঁর সপ্তদশ শতকী কল্পনার দিগন্তেও কলকাতার বর্তমান মেট্রোপলিটন মূর্তি ভেসে ওঠেনি।* চার্নকের মৃত্যু হল ১৬৯৩ সালের জানুয়ারি মাসে। তার পরবর্তী তিন বছরের মধ্যে সুতানুটি টাউনের দ্রুত সমৃদ্ধি দেখে উল্লসিত হয়ে কোম্পানির ডিরেক্টররা ১৬৯৭ সালে লিখলেন : ‘We are glad to hear your Town of Chuttanutee increases so exceedingly’ এবং তার আরও দু—বছর পরে ১৬৯৯ সালে কলকাতার কর্তারা লিখে জানালেন : ‘Chuttanutee very much increased within these 5 years’। সুতানুটির গঙ্গার ঘাটে পদার্পণ করার পর জোব চার্নক জানান—‘endeavouring to bring the trade down from Hughly to Sootanuttee’ (August 1688) এবং অষ্টাদশ শতকের গোড়াতেই ডিরেক্টররা খুশি হয়ে লেখেন : ‘It is enough our Cash feels the benefit’ (26 February 1703)।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতার
    কলকাতায়
    Calcutta
    ক্যালকাটা
    কলকাতা
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই পড়ুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই ডাউনলোড

     

    ‘Our Cash feels’—কথাটি কোম্পানির ডিরেক্টরদের বটে কিন্তু মনে হয় যেন কালের ইতিহাসের মর্ম থেকে উৎসারিত। কে ফিল করে? ক্যাশ। জন্তু নয়, মানুষ নয়—ক্যাশ! নবাবকে নগদ ‘ক্যাশ’ দিয়ে লক্ষ্মীকান্ত মজুমদারের বংশধরদের জমিদারি কলকাতা—গোবিন্দপুর—সুতানুটি কোম্পানি নামে কিনতে হয়েছে, সেই জমিদারি ‘টাউন’ হয়ে গড়ে উঠছে, তার লোকসংখ্যা বাড়ছে, বাণিজ্যের উন্নতি হচ্ছে। কাজেই যে ক্যাশ টাকাটা দিয়ে জমিদারি কেনা হয়েছে সেই টাকাটাই অনুভব করছে যে সে উপকৃত। টাকার যে শুধু চক্রগতি আছে তা নয়, তার অনুভূতি আছে, হৃৎস্পন্দন আছে। টাকার অনুভূতি এবং মানুষের অনুভূতি একাকার হয়ে মিশে গেল। মানবিক ও সামাজিক সম্পর্ক আর্থিক সম্পর্কে পরিণত হল। কলকাতা শহরের পত্তন হল ক্যাশের উপর এবং ক্যাশ নেক্সাস হল সামন্ততান্ত্রিক কলকাতার মানবিক ও সামাজিক সম্পর্ক।

    কোনো বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী লন্ডন শহর সম্বন্ধে বলেছিলেন : ‘London has never acted as England’s heart but often as England’s intellect and always as her moneybag.’ কলকাতা শহর সম্বন্ধেও ঠিক সেই কথা বলা যায়। লন্ডন যেমন কোনোদিন ইংল্যান্ডের হৃদয়ের কাজ করেনি, কেবল তার মননশক্তি ও মনিব্যাগের কাজ করেছে, কলকাতা শহরও তেমনি কোনোদিন বাংলা দেশের হৃদয়ের পরিচয় দেয়নি, তার মননশক্তি ও মনিব্যাগের পরিচয় দিয়েছে। এই হৃদয়হীন অর্থের অন্বেষণ অষ্টাদশ শতকেও কলকাতার ইতিহাস। পঞ্চানন ঠাকুর, ব্ল্যাকডেপুটি গোবিন্দরাম, নবকৃষ্ণ দেব, মদন দত্ত, রামদুলাল দে এবং অন্যান্য দেওয়ান, বেনিয়ান, মুচ্ছুদ্দিরা এই অর্থের লোভে গ্রাম ছেড়ে কলকাতা শহরে এসেছেন অষ্টাদশ শতকে। নিরাপদ জীবনযাত্রা ও নির্লিপ্ত অর্থান্বেষণের সুযোগ কলকাতার মতো আর কোথাও তখন ছিল না। যুগসন্ধির বিশৃঙ্খলার গ্রাম্য জীবন বিপর্যস্ত। ভারতের ও বাংলার রাজদরবারের পরিবেশে স্বার্থের হীন হানাহানি ও চক্রান্ত। বিদেশি বণিকের মানদণ্ড রাজদণ্ডরূপে দেখা দিতে উদ্যত। ইংরেজরা ক্রমে ছোট জমিদার থেকে বড় জমিদার হয়ে উঠছেন এবং ধাপে ধাপে বাণিজ্যের অবাধ স্বাধীনতা লাভ করছেন। তাঁদের সুতানুটির বাণিজ্যকুঠি ধীরে ধীরে বিস্তৃত হচ্ছে। গ্রাম থেকে নগরে রূপ ধারণ করেছে কলকাতা এবং রূপায়ণের প্রথম পর্বে মধ্যযুগের নগরের যাবতীয় ঐতিহাসিক উপাদান নিয়েই তার বিকাশ হয়েছে। নগরের চারদিকে প্রহরী মোতায়েন বেষ্টনী ও গড়খাই, পশ্চিমে নদীতীরে কেল্লা ও তার চারদিকে শত্রুমুখী কামান। কলকাতার বাল্যকালের এই রূপ (‘The original town of Calcutta was at one time at least a fenced city… Every road issuing from the town was secured by a gate’) প্রাচীন মানচিত্র পরিস্ফুট হয়ে ওঠে। অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি প্রায় ক্যাপ্টেন উইলিয়াম হলকুম্ব (১৭৪২—) কলকাতার নির্বিঘ্নতার পরিকল্পনা করেছিলেন কামান ও বেষ্টনী দিয়ে। তিনি তাঁর রিপোর্টে বলেছিলেন যে উত্তর কলকাতায় শেঠদের বাগানের কাছে ছয়টি কামানের ব্যাটারি থাকবে, তার মধ্যে দুটি গঙ্গামুখী ও চারটি উত্তরমুখী। কেল্লা ও কুঠির কাছে থাকবে চারটি কামান, জ্যাকসন ঘাটে তিনটি, জেলখানার কাছে তিনটি, অন্যান্য কয়েকটি রাস্তার মুখে, পুবে ও পশ্চিমে আরও প্রায় দশ—বারোটি কামান বসানো থাকবে। নগরবাসীর মধ্যে প্রবেশপথগুলির সামনে থাকবে দেওয়াল, তারপরে গড়খাই। তা ছাড়া কামানের প্রত্যেকটি ব্যাটারির চারদিকেও পরিখা থাকবে। কলকাতা শহর সাদা ও কালো রঙের মানুষ হিসেবেও ভাগ করা হল—’সাদা বা হোয়াইট টাউন’ এবং ‘কালো বা ব্ল্যাক টাউন’। ব্ল্যাক টাউনের ফটকগুলির চারদিকে দেয়াল থাকবে এবং তার উদ্দেশ্য হল যাতে সাদা—কালোয় না মিশে যায়। সাদা সাদা, কালো কালো। সাদা ‘মাস্টার’, কালো ‘স্লেভ’। সাদা শাসক—শোষক—অভিজাত ও উচ্চশ্রেণির ‘হোমো স্যাপিয়েন্স’ আর কালো ‘নিগার’, ‘নেটিভ’ ও কতকটা যেন ‘অ্যানথ—পয়েড এপ’। সাদা ‘হোমো’ এবং কালো ‘অ্যানথ্র পয়েডার’ কলকাতা শহরে বিভক্ত হয়ে গেল। নতুন কলকাতার নাগরিক সমাজে প্রথম বৈষম্যের দাগ পড়ল চামড়ার রঙের উপর দিয়ে। কলকাতা শহরের দেহ থেকে সে দাগ আজও মেলায়নি।

     

    আরও দেখুন
    Calcutta
    কলকাতায়
    কলকাতার
    কলকাতা
    ক্যালকাটা
    Library
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

     

    শুধু চামড়ার রঙের দাগ নয়, আরও অনেক দাগে কলকাতার নাগরিক দেহ ক্ষতবিক্ষত হল। দাগের উপর দাগ, তার উপর আবার দাগ। প্রত্যেকটি দাগ কলকাতার বয়সবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে গভীর হয়েছে, বিস্ফারিত হয়েছে, যেমন গাছের গায়ে কাটা দাগ হয় তেমনি। সামাজিক বৈষম্যের দাগ। সাদার মধ্যে ‘ক্রিশ্চান টাউন’, তার মধ্যে পর্তুগিজ—আর্মেনিয়ান টাউন, ইংরেজ—ফরাসি—ডাচদের টাউন। টাউন মানে এখানে অঞ্চল। গির্জার ভেদ নয় কেবল, বসতির ভেদ, জীবনের ভেদ এবং সবার উপর চরম সত্যের মতো সামাজিক ভেদ। শ্রেণিগত ভেদ, স্টেটাসগত ভেদ। কলোনিয়াল টাউন কলকাতার ঊর্ধ্বাধ সামাজিক ভেদরেখা একটার পর একটা প্রলম্বিত হতে থাকল। খণ্ডিত নাগরিক সমাজ মৌচাকের রূপ ধারণ করল। রকমটা মধ্যযুগের কারুজীবী নগরের মতো কতকটা। যেমন কুমোরদের জন্য কুমোরটুলি, কলুদের জন্য কলুটোলা, জেলেদের জন্য জেলেপাড়া, ডোমদের জন্য ডোমটুলি, গোয়ালদের জন্য গোয়ালটুলি, বিহারি গোয়ালা বা আহিরদের জন্য আহিরিটোলা, কসাইদের জন্য কসাইটোলা, পটুয়াদের জন্য পটুয়াটোলা, শাঁখারিদের জন্য শাঁখারিটোলা, খুদে ব্যবসায়ী বা ব্যাপারীদের জন্য ব্যাপারীটোলা, কম্বলিদের (যারা কম্বল কেনাবেচা করে) জন্য কম্বলিটোলা, হাড়িদের জন্য হাড়িপাড়া, কাঁসারিদের জন্য কাঁসারিপাড়া, কামারদের জন্য কামারপাড়া, মুসলমানদের জন্য মুসলমানপাড়া, ওড়িয়াদের জন্য ওড়িয়াপাড়া, দরজিদের জন্য দরজিপাড়া, খালাসিদের জন্য খালাসিপাড়া, ধোপাদের জন্য ধোপাপাড়া, তেলিদের জন্য তেলিপাড়া, ছুতোরদের জন্য ছুতোরপাড়া, বেনিয়াদের জন্য বেনিয়াটোলা, যুগিদের জন্য যুগিপাড়া, শিকদারদের জন্য শিকদারপাড়া। এরকম আরও অনেক আঞ্চলিক বিভাগ হল কলকাতা শহরে এবং মধ্যযুগের জাতিবর্ণবিভক্ত সমাজটাকে তুলে এনে নবযুগের নির্মীয়মাণ নগরের স্কন্ধে চাপিয়ে দেওয়া হল। কবিকঙ্কণ মুকুন্দরামের চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতুর নতুন নগরপত্তনের কথা মনে হয়। কবিকঙ্কণের মতো কোনো কবি যদি একালে ‘কলকাতা মঙ্গলকাব্য’ রচনা করতেন, কলকাতার দৈহিক বিকাশ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বিন্যাসের বিষয় নিয়ে, তাহলে তার মাহাত্ম্যও লোকমুখে যথেষ্ট প্রচারিত হত। বৃত্তিগত বর্ণভেদ, জাতিভেদ খণ্ডিত করল কলকাতার দেহ এবং সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার মনও খণ্ডিত হল।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতার
    কলকাতা
    Calcutta
    ক্যালকাটা
    কলকাতায়
    লেখকের বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    ডিকশনারি
    বাংলা বই

     

    তারপর ব্রাহ্মণ কায়স্থ বৈদ্য বণিক তেলি তিলি শুঁড়ি সকলে কাঁধ ঘষাঘষি করে অর্থ উপার্জনের প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হলেন। প্রতিযোগিতার চেহারা আলাদা। নবাব বা জমিদারের স্বেচ্ছাচারিতার ভয় নেই এবং ইংরেজরা যতই নবাবি আদবের অনুকারী হন, এমনকী আচার—আচরণে পর্যন্ত, তাতেও নবাবি আমল আর ইংরেজ আমলের সামাজিক প্রতিবেশের ঐতিহাসিক পার্থক্য উপলব্ধি করতে নগরবাসীদের অসুবিধা হয়নি। নতুন কলকাতা হাওয়ার মধ্যে সেই পার্থক্যের আমেজ রয়েছে এবং তারই মধ্যে নতুন জীবন আস্বাদনের হাতছানি। যুগের সাইনবোর্ডের উপর হাতের ইঙ্গিতে দেখানো কলকাতা শহর। তার উপরে লেখা :

    শহরে যাও—ক ল কা তা য়

    স্বা ধী ন হ বে

    লা ভ বা ন হ বে

    কীসের স্বাধীনতা? লাভ কীসের? জীবন ও জীবিকার স্বাধীনতা এবং টাকায় লাভবান হওয়া। সমাজে এই স্বাধীনতা আগে ছিল না এ দেশের গ্রাম্য সমাজে। কলুটোলা, পটুয়াটোলা প্রভৃতি টোলাটুলি ও পাড়াতে পুরোনো গ্রাম্য সমাজের জীর্ণ কাঠামোটাকে কলকাতার নতুন নাগরিক সমাজে আরোপ করা হল বটে কিন্তু বর্ণগত বৃত্তিবন্ধনের কঠোরতা রইল না, অন্তত শহরের মধ্যে নয়। ক্রমে টাকার মানদণ্ডে যখন নতুন যুগের লোকসমাজে মর্যাদার পরিমাপ হতে থাকল তখন নাগরিক সমাজের ‘অ্যানোনিমিটি’ বা নামগোত্রহীনতার যে বিশিষ্ট রূপ সেটাও পরিস্ফুট হয়ে উঠল। যত সমাজের অজ্ঞাতকুলশীলতা বাড়তে লাগল তত নগরের লোকের পক্ষে সহজ হল কুলবৃত্তিগত বন্ধন ছিন্ন করে বেরিয়ে আসার। বর্ণগত বৃত্তির সংকীর্ণ গর্ত থেকে বেরিয়ে এল মানুষ জীবনের বৃহত্তর বৃত্তের মধ্যে। জীবিকার পথ অনেকটা মুক্ত, জীবনযাত্রাও অনেকটা স্বাধীন। কলুর ছেলে গ্রামে কলু, গ্রাম্য সমাজে তার মর্যাদা নির্দিষ্ট একেবারে বংশানুক্রমে, কিন্তু কলকাতা শহরে সে মোটামুটি একজন মানুষ, তার স্বাতন্ত্র্য আছে, স্বাধীনতা আছে এবং নতুন একটা সামাজিক মর্যাদার স্বাদও সে পেয়েছে, যে মর্যাদার মানদণ্ড বর্ণবৃত্তিগত ততটা নয়, যতটা বিত্তগত। কুল নয়, বর্ণ নয়, টাকাই নতুন নাগরিক মানমর্যাদার বড় মাপকাঠি। এই টাকার ঐন্দ্রজালিক স্পর্শে কলকাতার সমাজের যে রূপান্তর হতে থাকল তার আভাস দিয়েছেন ভবানীচরণ তাঁর ‘নববাবুবিলাস’, রচনায় (১৮২২—২৩) :

     

    আরও দেখুন
    কলকাতায়
    Calcutta
    কলকাতা
    কলকাতার
    ক্যালকাটা
    লাইব্রেরি
    বই
    Books
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ

     

    …ইংরেজ কোম্পানি বাহাদুর অধিক ধনী হওনের অনেক পন্থা করিয়াছেন এই কলিকাতা নামক মহানগর আধুনিক কাল্পনিক বাবুদিগের পিতা কিম্বা জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা আসিয়া স্বর্ণকার কর্মকার বর্ণকার চর্মকার চটকার পটকার মটকার বেতনোপভুক হইয়া কিম্বা রাজের সাজের কাঠের খাটের ঘাটের মাঠের ইটের সরদারি চৌকিদারী জুয়াচুরি পোদ্দারী করিয়া অথবা অগম্যাগমন মিথ্যাবচন পরকীয়রমণীসংঘটনকামি ভাঁড়ামি রাস্তাবন্দ দাস্য দৌত্য গীতবাদ্যতৎপর হইয়া কিম্বা পৌরোহিত্য ভিক্ষাপুর গুরুশিষ্যভাবে কিঞ্চিৎ অর্থসঙ্গতি করিয়া কোম্পানির কাগজ কিম্বা জমিদারি ক্রয়াধীন বহুতর দিবসাবসানে অধিকতর ধনাঢ্য হইয়াছেন…

    ‘বহুতর দিবসাবসানে’ বলতে পুরো অষ্টাদশ শতকটাকে ধরা যেতে পারে। এই শতকের মধ্যে কলকাতার লোকসংখ্যা দশ—বারো হাজার থেকে (১৭১০ সাল) বেড়ে পাঁচ—ছয় লক্ষ পর্যন্ত (১৮০০ সাল) হয়। বৃদ্ধির হার কম নয়। কীসের টানে শহরে এই গ্রামছাড়া জনস্রোত বয়ে এল অনর্গল ধারায়? টাকার টানে। গিরিনির্ঝরের স্রোতের টানের মতো এর প্রাবল্য। বড় বড় বোল্ডার সেই টানে গড়িয়ে চলে, ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় এবং তার শব্দের প্রকম্প চারদিকে বিকীর্ণ হতে থাকে। গোবিন্দরাম, রামদুলাল, মহারাজ নবকৃষ্ণ সকলেই বোল্ডারের মতো গড়াতে থাকেন এবং ভাঙতে থাকেন টাকার টানে। অনেকেই ‘অধিকতর ধনাঢ্য’ হন এবং টাকার উপরে গড়াতে গড়াতে তাঁদের মানবসত্তা ভাঙতে থাকে। ‘বেতনোপভুক’ হয়ে ‘সরদারি চৌকিদারী জুয়াচুরি পোদ্দারি’ করে অথবা ‘অগম্যাগমন মিথ্যাবচন ভাঁড়ামি দাস্য দৌত্য’ করে কোম্পানির কাগজ কিংবা জমিদারি কিনে, হাটবাজার বসিয়ে নিমক পোক্তানের দালালি ও দেওয়ানি—বেনিয়ানি করে যাঁরা ধনাঢ্য হন তাঁরা ক্রমে মন ও বিবেকটাকে বাজারের বিনিময়যোগ্য পণ্যে পরিণত করেন। টাকার কাছে নির্বিকার চিত্তে তাঁরা মনটাকে উৎসর্গ করে দেন। টাকার মন্থনদণ্ডে মন থেকে শুধু বিষ ওঠে, অমৃত নয়। বিবাহে—শ্রাদ্ধে—দোল, দুর্গোৎসবে, আমোদ—প্রমোদে, অনাথ—আতুরসেবায়, পুণ্যকর্মে, দেবালয়—প্রতিষ্ঠায় ধনাঢ্যরা যে অনর্গল অর্থব্যয় করতে কুণ্ঠিত হন না তার কারণ বাইরের লোকসমাজে তাঁরা নিজেদের বদান্যতা ও উদারতা সশব্দে জাহির করতে চান। তার চেয়েও বড় কারণ হল নানাবিধ অসৎ উপায়ে অর্থোপার্জনের ফলে তাঁদের মনের তলায় যে পাপ ও অন্যায়বোধের ময়লা জমে সেই ময়লাটাকে তাঁরা নিষ্কাশন করতে চান সমাজসেবায়, দরিদ্রনারায়ণের সেবায় ও পুণ্যকর্মে অঢেল অর্থব্যয় করে। একশো বছর আগে ‘সোমপ্রকাশ’ পত্রিকা এ বিষয়ে জমিদারদের প্রসঙ্গে লিখেছেন (২০ শ্রাবণ ১২৬৯ সন, আগস্ট ১৮৬২) :

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটা
    Calcutta
    কলকাতার
    কলকাতা
    কলকাতায়
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বই পড়ুন

     

    জমিদারদিগের মধ্যে আর একটি দল হইয়াছে তাঁহারা বড় পাকা লোক। তাঁহারা কুকার্য পরিপাক করিবার উদ্দেশ্যে বাহিরে বিদ্যালয় ও চিকিৎসালয় প্রভৃতি স্থাপন করিয়া থাকেন। আমাদিগের প্রাচীন দলের একটি সম্প্রদায় হইতে তাঁহাদিগের এই শিক্ষাটি হইয়াছে। এই সম্প্রদায় না করেন এমন কুকর্ম নাই, পরদারগমন, উৎকোচ গ্রহণ ও কৃতঘ্নতা করিয়া পরে সর্বস্ব হরণ প্রভৃতি কিছুতেই পরাঙ্মুখ নহেন। তাঁহাদিগের এই সকল কুক্রিয়া জীর্ণ করিবার মহৌষধ আছে। সে ঔষধ এই, গঙ্গাস্থান ও নামাবলী গ্রহণ।

    কলকাতা শহরে যাঁরা নতুন সামাজিক আভিজাত্যের তকমা পেলেন তাঁরা প্রায় সকলেই একশ্রেণির নতুন জমিদার হলেন। গ্রাম্য ভূসম্পত্তির জমিদাররা ‘অ্যাবসেন্টি’ হয়ে নিশ্চিন্ত আলস্যবিলাসে শহরে কালহরণ করতে লাগলেন। ইংরেজ শাসকরা এই জীবনযাত্রার সমস্ত বাধা দূর করে দিলেন ভূমি সংক্রান্ত বিধানে ‘সাবইনফিউডেশন’ বা উপস্বত্ব সৃষ্টির সুব্যবস্থা করে দিয়ে। এই বিধানের ফলে গ্রাম ও শহর একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল। মধ্যে এসে মাথা তুলে দাঁড়াল অভ্রভেদী টাকা। শহর ও গ্রামের মতো দেহ ও মনও বিচ্ছিন্ন হল। এ বিচ্ছেদ আর ঘুচল না কোনোদিন। টাকার অভ্রংলিহ মদগর্ব তা ঘুচতে দিল না। দেখা গেল, ‘এক জায়গায় একদল মানুষ অন্নউৎপাদনের চেষ্টায় নিজের সমস্ত শক্তি নিয়োগ করেছে, আর—এক জায়গায় আর—একদল মানুষ স্বতন্ত্র থেকে সেই অন্নে প্রাণ ধারণ করে। চাঁদের যেমন এক পিঠে অন্ধকার, অন্য পিঠে আলো, এ সেই রকম। এক দিকে দৈন্য মানুষকে পঙ্গু করে রেখেছে—অন্যদিকে ধনের সন্ধান, ধনের অভিমান ভোগবিলাস—সাধনের প্রয়াসে মানুষ উন্মুক্ত। অন্নের উৎপাদন হয় পল্লীতে, আর অর্থের সংগ্রহ চলে নগরে। অর্থ উপার্জনের সুযোগ ও উপকরণ যেখানেই কেন্দ্রীভূত, স্বভাবত সেখানেই আরাম আরোগ্য আমোদ ও শিক্ষার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়ে অপেক্ষাকৃত অল্পসংখ্যক লোককে ঐশ্বর্যের আশ্রয় দান করে। পল্লীতে সেই ভোগের উচ্ছিষ্ট যা—কিছু পৌঁছয়, তা যৎকিঞ্চিৎ। গ্রামে অন্ন উৎপাদন করে বহু লোকে, শহরে অর্থ—উৎপাদন ও ভোগ করে অল্পসংখ্যক মানুষ, অবস্থার এই কৃত্রিমতায় অন্ন ও ধনের পথে মানুষের মধ্যে সকলের চেয়ে প্রকাণ্ড বিচ্ছেদ ঘটেছে।’ (রবীন্দ্রনাথ : ‘উপেক্ষিতা পল্লী’)

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটা
    Calcutta
    কলকাতা
    কলকাতার
    কলকাতায়
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা

     

    টাকার পথে মানুষের সঙ্গে মানুষের এই বিচ্ছেদ ঘটল এবং তার ব্যাদান ক্রমেই বাড়তে লাগল কলকাতার নাগরিক সমাজে। শুধু গ্রামের সঙ্গে আধুনিক শহরের বিচ্ছেদ নয়, এ হল প্রাচীন ও মধ্যযুগের নগরের সঙ্গে আধুনিক শহরের বিচ্ছেদ। গ্রাম জীর্ণশীর্ণ—পরিত্যক্ত হল এবং সেকালের নগরেরও শ্রীসমৃদ্ধি ম্লান হয়ে এল। ঢাকা—মুর্শিদাবাদের মতো নবাবি আমলের রাজধানী শহর, অন্যান্য বাণিজ্যনগর, কারুজীবীনগর, তীর্থনগর সকলের আকর্ষণ স্তিমিত হয়ে এল নতুন কলকাতা শহরের টাকার দুরন্তচক্রগতি ও ঔজ্জ্বল্যের কাছে। সেকালের আমেদাবাদ শহর দেখে রবীন্দ্রনাথের যা মনে হয়েছিল, কলকাতার পাশে ঢাকা মুর্শিদাবাদ দেখেও তাঁর মনে হত :

    এই প্রথম দেখলুম, চলতি ইতিহাস থেমে গিয়েছে, দেখা যাচ্ছে তার পিছনফেরা বড়ো—ঘরোয়ানা। তার সাবেক দিনগুলো যেন যক্ষের ধনের মতো মাটির নিচে পোঁতা। আমার মনের মধ্যে প্রথম আভাস দিয়েছিল ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ গল্পের।

    সে আজ কত শত বৎসরের কথা। নহবতখানায় বাজছে রোশনচৌকি দিনরাত্রে অষ্টপ্রহরের রাগিণীতে। রাস্তায় তালে তালে ঘোড়ার খুরের শব্দ উঠছে, ঘোড়সওয়ার তুর্কি ফৌজের চলছে কুচকাওয়াজ, তাদের বর্শার ফলায় রোদ ঝকঝকিয়ে। বাদশাহি দরবারের চারদিকে চলেছে সর্বনেশে কানাকানি ফুসফাস। অন্দরমহলের খোলা তলোয়ার হাতে হাবসি খোজারা পাহারা দিচ্ছে। বেগমদের হামামে ছুটছে গোলাব—জলের ফোয়ারা, উঠছে বাজুবন্ধ—কাঁকনের ঝনঝনানি। আজ স্থির দাঁড়িয়ে শাহিবাগ, ভুলে—যাওয়া গল্পের মতো—তার চারদিকে কোথাও নেই সেই রং, সেই সব ধ্বনি—শুকনো দিন, রস—ফুরিয়ে—যাওয়া রাত্রি। (রবীন্দ্রনাথ : ‘ছেলেবেলা)

     

    আরও দেখুন
    Calcutta
    কলকাতায়
    কলকাতার
    ক্যালকাটা
    কলকাতা
    বাংলা বই
    PDF বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ই-বই পড়ুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

     

    কলকাতা শহরেও নতুন ইংরেজ বাদশাহদের দরবারে লাটভবনে এর চেয়ে কম জমকালো উৎসব হয়নি। আঠারো—উনিশ শতকের উৎসবের ফোয়ারা ছুটত লাটভবনে। ভারতজয়ের উৎসবই বেশি। একটার পর একটা প্রদেশে ব্রিটিশ সামরিক শক্তির জয়ের উৎসব। উনিশ শতকের গোড়ায় এরকম একটি উৎসবে শুধু যে আতশবাজির খেলা দেখানো হয়েছিল তার বর্ণনা দিচ্ছি (ফেব্রুয়ারি ১৮০৩) : আতশবাজিতে হাতির লড়াই দেখানো হল আকাশে। উপরে বাজি ফাটল তার ভিতর থেকে আগুনের মালায় দুটি হাতি বেরিয়ে এল এবং লড়াই করল। আগুনের একটি আগ্নেয়গিরি থেকে কিছুক্ষণ ধরে আকাশে রংবেরঙের রকেট উদগীরিত হতে থাকল। আবার একটি বাজি ফাটল আকাশে এবং তার ভিতর থেকে আগুনের রেখায় আঁকা দুটি মন্দির ভেসে উঠল চোখের সামনে, ভারতের দেবদেউল। মন্দিরের পাশে একটি বাজির ঝরনা থেকে অজস্র ধারায় আগুনের বিন্দু ঝরতে থাকল এবং বিন্দুগুলি নীল রঙের। অবশেষে সূর্য—চন্দ্র—তারা উদ্ভাসিত হয়ে উঠল বাজির আকাশে এবং তার ভিতর থেকে একটি বৃত্তাকার আগুনের ভূমণ্ডল ঘুরতে ঘুরতে ছিটকে বেরিয়ে এল এবং তার ভিতর থেকে আবার অগ্নিকন্যা বিচ্ছুরিত হতে থাকল। আশ্চর্য হল, আগুনের মধ্যে ফারসি হরফে লেখা : ‘কল্যাণ হোক সকলের’।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতার
    কলকাতা
    ক্যালকাটা
    Calcutta
    কলকাতায়
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    পিডিএফ
    রেসিপি বই
    বাইশে শ্রাবণ

     

    আতশবাজির এই খেলা পুরো উৎসবের অঙ্গবিশেষ এবং এর মধ্যে বাদশাহি আমলের প্রমোদাবশেষ যে বেশ কিছুটা আছে তা বোঝাই যায়। যেমন হাতির লড়াই বাদশাহের কাছে খুবই প্রিয় ও উপভোগ্য ছিল এবং মোগল চিত্রকলায় পর্যন্ত তার বহু নিদর্শন আছে।* এ ছাড়া রকেট, দেবদেউল, ভূমণ্ডল এগুলির মধ্যে বিদেশি সুদক্ষ বাজিকরদের কলাকৌশল দেখানো হয়েছে। তবু ইংরেজদের লাটভবনের অন্দরমহলে খোলা তলোয়ার হাতে খোজাদের দেখা যেত না। তার বদলে দেখা যেত বন্দুকসঙিনধারী প্রহরীদের। তাদের পোশাক অন্যরকম, দাঁড়াবার ভঙ্গি অন্যরকম, যেন যন্ত্রের মানুষ। লাটভবনের অন্দরমহলের বেগমদের হামামে গোলাপজলের ফোয়ারা ছুটত না অথবা বাজুবন্ধ, কাঁকনের ঝনঝনানিও শোনা যেত না। বোঝা যেত যে চলতি ইতিহাস কলকাতার লাটভবনে চলছে কিন্তু শাহিবাগে থেমে গিয়েছে। শাহিবাগ স্থির দাঁড়িয়ে আছে আর লাটভবন বেগের আবেগে অস্থির। শাহিবাগ—আমেদাবাদ, মুর্শিদাবাদ বা ঢাকা যেখানকারই হোক—না কেন—এখন ভুলে যাওয়া গল্পের মতো, কারণ তার সেই রং নেই, ধ্বনি নেই। যেন শুকনো দিন, রস ফুরিয়ে যাওয়া রাত্রি আর লাটভবনের গল্প নতুন, তার রং আছে, ধ্বনি আছে, দিন ও রাত্রি সবসময় সেখানে নতুন যুগজীবনের পদধ্বনি শোনা যাচ্ছে। যন্ত্রবৎ প্রহরীরা সঙিন হাতে পাহারা দিচ্ছে, কামান দিয়ে ঘেরা আছে লাটভবন। শাহিবাগের প্রাণশক্তি নিঃশেষ হয়েছে, তার উৎসব ম্লান হয়ে গিয়েছে। এখন লাটভবনের যুগ এবং তার ইম্পিরিয়াল ঔদ্ধত্যের স্বতঃস্ফূর্ত প্রকাশ হচ্ছে আতশবাজির বিজয়োৎসবে।

     

    আরও দেখুন
    কলকাতায়
    কলকাতা
    ক্যালকাটা
    Calcutta
    কলকাতার
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    গল্প, কবিতা
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের

     

    সাম্রাজ্যলোভী অর্থলোভী বণিকবুদ্ধি ইংরেজ শাসকদের নতুন দম্ভের যুগ এল আর তার সঙ্গে এল অর্থলোভী নির্জীব শাসিতদের নতুন গোলামির যুগ। বণিকের মানদণ্ডই বড়, তার উপরে সতর্ক পাহারা রাজদণ্ড। বণিকের বুদ্ধিই রাজনীতির আদর্শ, সমাজনীতির আদর্শ, শিক্ষানীতির আদর্শ। এই নবযুগ ও আদর্শের অভ্যুদয় হল কলকাতা শহরে। বণিকের স্বার্থবুদ্ধি সংক্রমিত হল কলকাতার জনমনে। স্বার্থ টাকার ও মুনাফার। মানবিক স্বার্থ, সামাজিক স্বার্থ, কোনো স্বার্থই তার চেয়ে বেশি বড় নয়। আগেকার কালেও মোহর ছিল, মুদ্রা ছিল, পয়সা ছিল, কড়ি ছিল। কিন্তু বিনিময়টা প্রধানত ছিল বস্তুর সঙ্গে বস্তুর। পয়সাকড়ি—মোহর—মুদ্রা কালেভদ্রে হাত ঘুরত। হাত ঘোরার ক্ষমতাই তাদের ছিল না, সামান্য একটু ঘুরেফিরে পরম নিশ্চিন্তে সিন্দুকের বা কলসির গহ্বরে গভীর ঘুমে ঘুমিয়ে পড়ত। বর্তমান মুদ্রা তা নয়। তার চক্রগতির শক্তি অফুরন্ত। তার ঘুমিয়ে থাকার সেই সময় নেই। সিন্দুক বা হাঁড়ি—কলসির কন্দরে তাকে ‘হোর্ড’ করা হয় না, ব্যাঙ্কে ‘সেভ’ করা হয় এবং ব্যাঙ্ক বা বিমার ‘সেভিং’ আবার ‘ইনভেস্টমেন্ট’—এর ভিতর দিয়ে ঘুরতে থাকে। টাকার গতির বিরাম নেই। আমার নিষ্ক্রিয় সঞ্চিত টাকা অন্যের হাতে সক্রিয় হয়ে ঘুরতে থাকে, তবেই ব্যাঙ্ক চলে, বিমা চলে, শাসন চলে, শোষণ চলে এবং সমস্ত কিছু টাকার বিনিময়ে মাপাজোখা যায়। সকলকেই একটা ‘কমন মেজর’—এ আনা যায়, কোয়ালিটিকে একনিমেষে কোয়ান্টিটিতে পরিণত করা যায়। অঙ্কের ব্যাপার। সমাজের চারদিকে দাঁড়িপাল্লা, টাকার ওজনে মাপা যায় না এমন কিছু নেই। জর্জ সিমেল বলেছেন : ‘…it asks for the exchange value, it reduces all quality and individuality to the question ‘‘how much’’?’

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটা
    কলকাতায়
    কলকাতার
    Calcutta
    কলকাতা
    বইয়ের তালিকা
    বুক শেল্ফ
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    রেসিপি বই

     

    মানুষের জীবনের সমস্ত উপকরণ, দোষগুণ, মানবিক, পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ক, প্রেম—ভক্তি—স্নেহ—ভালোবাসা, পাপপুণ্য সবই টাকার বিনিময়মূল্যে সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়। সমাজটাই একটা বড় মার্কেটের মতো এবং মার্কেটে যেমন দ্রব্যমূল্যের তালিকা থাকে, বর্তমান সমাজের মার্কেটেও বহুবিধ মনুষ্যের মূল্যতালিকা সর্বদাই তেমনি লটকানো থাকে। জ্ঞানীগুণী—মানী, প্রেমিক—প্রেমিকা, গুরু—শিষ্য, স্বামী—স্ত্রী, পুত্রকন্যা, ভাইবোন, উচ্চশিক্ষিত—মধ্যশিক্ষিত—অল্পশিক্ষিত, পণ্ডিত—মূর্খ সকলের দাম টাকার বিনিময় হিসেবে সমাজের বাজারে টাঙানো আছে। এ টাকা একালের গতিশীল টাকা, সদাজাগ্রত সতত সঞ্চরণশীল টাকা, সেকালের মন্থরগতি জরদগব মোহরমুদ্রা নয়। এই টাকাই কলকাতার টাকা। এই টাকার ভিত্তির উপরেই কলকাতা শহর প্রতিষ্ঠিত। এ টাকার হৃৎস্পন্দন আছে, অনুভূতি আছে, ‘ক্যাশ—ফিলস’। এবং এই গতিশীল টাকার স্পন্দন—অনুরণন—অনুভূতি যত বেড়েছে, ক্যাশের ফিলিং যত গভীর ও ব্যাপক হয়েছে, কলকাতা শহরের মন তত অসাড় ও অবরুদ্ধ হয়েছে এবং কলকাতার ইট—পাথরের নিরেট ছাঁটাকাটা স্থাপত্য সেই মনের রূপ প্রতিবিম্বিত হয়েছে। নাগরিক মন হয়েছে টাকার মতো ক্যালকুলেটিং, ইট—পাথরের মতো কঠিন।

     

    আরও দেখুন
    ক্যালকাটা
    কলকাতার
    কলকাতা
    কলকাতায়
    Calcutta
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    নগরবিজ্ঞানী মামফোর্ড বলেছেন যে আধুনিক জীবনের বিকাশে এই ছন্দ নগরস্থাপত্যের বিভিন্ন পর্বে ধ্বনিত হয়ে উঠেছে। প্রথম পর্বের নাগরিক স্বাধীনতা কতকটা যেন বোজানো চোখ খুলে আলো দেখার মতো। নগরে এলে সকলে স্বাধীন—এই অনুভূতি হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো। সেই আলো দেখাতে হবে, কাজেই স্থাপত্যে তার প্রতীক হল ‘রাউন্ড আর্চ’, গোলাকার খিলান। স্তম্ভের উপর তোরণ, তোরণপথ, তোরণাকৃতি বাঁক। তোরণের ফাঁক দিয়ে আলো দেখা যায়, অনন্ত আকাশ দেখা যায়, দূর দিগন্তের আভাস পাওয়া যায়। তারপর যত জীবনের গতি দ্রুততর হতে থাকে যন্ত্রের বেগে, জীবন যত ‘স্ট্যান্ডার্ডাইজড’ হয় ততই জীবন ও মনের চেহারা মুদ্রিত অক্ষরের মতো একমাপের একধাঁচের ছাঁচে—ঢালা ছাঁটাকাটা হতে থাকে। সেনাবাহিনীতে, আইনকানুনে, টাকাপয়সায়, আমলাতান্ত্রিক শাসনে এই ছাঁচে ঢালা জীবন প্রতিফলিত হয়। শহরের পথঘাট এই সময় বিস্তৃত ও প্রসারিত হয় এবং নগরের ঘরবাড়ির ‘ফাসাদ’ বা মুখটা স্ট্যান্ডার্ডাইজড হয়, বিশ্বভুবন তার মোহিনী রূপ নিয়ে গিল্টপ্ল্যাস্টারে আত্মপ্রকাশ করে। এই প্রকাশের চরম পর্ব হল শহরের প্রাকৃতিক শোভাবর্ধন। প্রকৃতির সঙ্গে শহরের বিচ্ছেদ যখন অনিবার্য হয়ে উঠল তখন স্থাপত্যের চক্রান্ত হল প্রকৃতির পায়ে শিকল দিয়ে শহরের পাথরস্তম্ভে বেঁধে রাখা। শহরে পার্ক উদ্যান হল, পথের ধারে ধারে গাছ বসল, ঝোপঝাড় গজিয়ে তোলা হল। সবটাই হল প্রকৃতিকে জ্যামিতির ছককাটা ডিজাইনে বেঁধে ফেলার চেষ্টা। ঘাসছাঁটা, ঝোপঝাড়ছাঁটা, গাছছাঁটা এবং সেই ছাঁটাঝোপ আর ছাঁটাগাছের ভিতর দিয়ে সোজা বাঁধানো পথ আর তার দু—পাশে একধাঁচের সারবন্দি বাড়ি। শহরের পার্ক—উদ্যানগুলি সবুজ ন্যাকড়ার ফালির মতো অথবা সবুজ কালিতে ছোপানো কাগজের টুকরো। ঝোপের সারি, গাছের সারি যেন সবুজ রঙের দেয়াল। গৃহসীমানার দেয়াল, জেলখানার দেয়াল আর পথের দেয়ালের মধ্যে তফাত শুধু রঙের। এ যেন মামফোর্ডের ভাষায় : ‘the deformation of life in the interest of an external pattern of order…’

    যেন গ্রিক দস্যু প্রকস্টিস শিল্পী র‍্যাফেলের প্রেরণায় উদবুদ্ধ। অষ্টাদশ শতকের শেষদিক থেকে ঊনবিংশ শতকের মধ্যে নগরোন্নয়ন কমিটি, লটারি কমিটি এবং পরে কর্পোরেশনের পরিকল্পনায় কলকাতা শহর স্থাপত্যের এই পর্বগুলি অতিক্রম করে ক্রমে এক বিকৃত ও বিবর্ণ জীবনের বিশ্রী প্রতিমূর্তি হয়ে উঠেছে। তাই বিকৃত ও বিবর্ণ মনের প্রতিচ্ছবি হয়েছে কলকাতা।

    এই তো কলকাতার মনের গড়ন। স্তরিত শিলার মতো এই মনের প্রত্যেকটি স্তরের বিশ্লেষ সম্ভব। ভিত্তিস্তরে টাকা অর্থাৎ ‘ক্যাশ’। ক্যাশের স্পন্দন আছে, গতি আছে, টান আছে প্রবল। মানুষের বুদ্ধি, বিচারবোধ, বিবেক, মনুষ্যত্ব এই টাকার টানে ভেসে যায় এবং টাকা দিয়ে মানুষকে মাপা যায়। টাকা যেমন টাকশালে স্ট্যান্ডার্ডাইজড, মনও ঠিক তেমনি মানুষের স্ট্যান্ডার্ডাইজড মহানগরে। মানবিক, পারিবারিক ও সামাজিক সমস্ত সম্পর্ক টাকার সম্পর্ক। এই ভিত্তিস্তরের পরে ভেদবৈষম্যের স্তর। কলোনিয়াল শহর কলকাতায় প্রথম বৈষম্য শাসক—শাসিতের যা গায়ের চামড়ার রঙের বৈষম্য এবং যা প্রাগৈতিহাসিক বর্বর যুগেও সমাজে অচিন্তনীয় ছিল। তার সঙ্গে এল নতুন যুগের ধনবৈষম্য যা আগেকার বর্ণবৃত্তিগত বৈষম্যের চেয়ে আরও ভয়ংকর। অবশ্য আধুনিক শিক্ষার স্বর্ণকাঠিস্পর্শে সেকালের জাতিবর্ণের বৈষম্যের অবসান হল না বরং শাসকদের কৌশলে শহরেও তা জাঁকিয়ে বসল আর তার সঙ্গে ধনবৈষম্যের বৈকট্য যুক্ত হল। এই দুই বৈষম্যের আঘাতে কলকাতার মন ফেটে চৌচির হয়ে গেল। কলকাতার দৈহিক বিকাশ হল ‘বারোক’ শহরের কিম্ভূতকিমাকার রূপে। গড়নের মধ্যে যান্ত্রিকতা ফুটে উঠল সর্বত্র যেমন বাড়িঘরে, পথেঘাটে, উদ্যানে ও ময়দানে। প্রকৃতিকে খণ্ডছিন্ন বিক্ষিপ্ত করে ছড়িয়ে দিয়েও এই যান্ত্রিকতা ঢাকা গেল না বরং তা আরও বিকৃত ও কুৎসিত হল। কলকাতার জীবনের ব্যাপক বিকৃতি রূপায়িত হল তার দৈহিক স্থাপত্যের মধ্যে। কলকাতার মন হল বিবর্ণ বিকৃত যান্ত্রিক। কলকাতার সমাজ হল এক্সচেঞ্জ—মার্কেট, বিনিময়ের বাজার যেখানে টাকার বিনিময়ে সবকিছু কেনা যায় এবং সবই বিনিময়যোগ্য পণ্য, মানুষ পর্যন্ত। শুধু যে মানুষকেই কেনা যায় তা নয়, মানুষের মনও কেনা যায় টাকার বিনিময়ে। মর্যাদা—খ্যাতি—প্রতিপত্তি এসব সমাজের নিলেমে ডাক দিয়ে উচ্চদামে কেনার বস্তু মাত্র। নিলেমের মাল। খেতাব—উপাধি এসব বাহারে প্যাকেট বা মোড়ক, মালবিকোনোর জন্য। যত পচা মাল তত বেশি তার মোড়কের বাহার। নাগরিক মন যত বিবর্ণ ও বিকৃত হতে থাকে তত তার নিত্যনতুন লেবেল ও মোড়ক বদলায় এবং বোঝা যায় যে লেবেলের তলায় যে মন তা শীতের পাষাণের মতো হিমশীতল, কোনো উত্তাপ নেই তার মধ্যে। তাই কৃত্রিম তাপের জন্য কলকাতার মন সর্বদাই উন্মুখ। তাপ মানে উত্তেজনা, প্রবল থেকে প্রবলতর উত্তেজনা।

    ১৯৬৫

    ……….

    * They live in a wild unsettled condition at Chuttanutee neither fortifyed houses nor godowns, only tents, huts and boats (May 25, 1691),

    * লেখকের ‘বাদশাহী আমল’ গ্রন্থের নতুন সংস্করণ (১৯৭৭) দ্রষ্টব্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ
    Next Article বিদ্রোহী ডিরোজিও – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }