Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প349 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মহামৃত্যুর পথে মহানগর

    মহানগর থেকে অনেক দূরে লোকালয়ের বাইরে কোনো তন্ত্রপীঠের নির্জন গ্রাম্য শ্মশানে অমাবস্যার অন্ধকারে চলতে চলতে যখন একটার—পর—একটা শুকনো মাথার খুলি পায়ে ঠোক্কর লেগে গড়িয়ে যায়, তখন একনিমেষে চোখের সামনে হঠাৎ বিদ্যুৎঝলকে পৃথিবীর হাজার হাজার সব জ্যান্ত মহার্ঘ্য মাথা ঝকমক করে ওঠে। সাধারণ মানুষের ঘিলুশুষ্ক মাথা নয়, সোনা দিয়ে বাঁধিয়ে রাখার মতো বড় বড় সব ভারিক্কি মাথা, যার ভিতরে অফুরন্ত বৃদ্ধির গলন্ত ঘিলু অহরহ টগবগ করছে। আন্দামানের আদিম মানুষের মতো তখন অবাক হয়ে ভাবি চন্দ্রলোক অভিযানের পেছনে বৈজ্ঞানিক মাথাগুলোর কথা, পারমাণবিক মারণাস্ত্র নির্মাণে নিমজ্জিত সব মাথা, যুদ্ধ, হত্যা ও সর্বাত্মক নাশকর্মে নিযুক্ত সব মাথা এবং অজস্র মাথা শুষে শুষে ঝুনো নারকেলে পরিণত করছে যে বিরাট রাষ্ট্রযন্ত্র ও অর্থযন্ত্র তার কর্ণধারদের মহামূল্যবান সব মাথা, বাস্তবিক মানুষের মাথার কী বাহাদুরি! ওরাং, গোরিলা, শিম্পাঞ্জিদের বিপুল দেহের তুলনায় মাথা কত ক্ষুদ্র, ঘিলু কত কম। এমনকী—হাতি গন্ডারেরও! কিন্তু দ্বিপদ স্তন্যপায়ী জীব মানুষের মাথা কত বড় এবং ঘিলু কত বেশি। মাথাই মানুষের সব। সবার উপরে মাথা, তারপর মানুষ।

    মানুষ বীর তাই তার মাথা উন্নত। মানুষ উট নয়, মানুষ গোরিলা নয়, মানুষ গন্ডার নয়। গোরিলা, গন্ডার, অজগর, উট প্রভৃতি সমস্ত জন্তুর দোষগুণ মিলিয়ে—মিশিয়ে মানুষ। বিশেষ করে বড় বড় মাথাওয়ালা মানুষ। তাই মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব। উট চলে মরুভূমিতে, মানুষ চলে বড় বড় শহরের রাজপথে, সরীসৃপ চলে জঙ্গলে, মানুষ চলে জেট—বিমানে। বনের হিংস্র বাঘ ‘ম্যানইটার’, মহানগরের সুসভ্য মানুষ ‘ম্যানকিলার’। যে—কোনো হিংস্র জীবের দংশনের পদ্ধতি একরকম, যেমন নখ বা দাঁত দিয়ে আঁচড় বা ছোবল, কিন্তু শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের দংশন ও আক্রমণের বৈচিত্র্য অনন্ত। জন্তুর আঁচড় বা ছোবল দিয়ে যুগপৎ একাধিক জীবকে আঘাত বা হত্যা করা যায় না, কিন্তু মানুষ ন্যাপলাম ও হাইড্রোজেন বোমা দিয়ে নগরের পর নগর ধ্বংস করতে পারে এবং হাজার হাজার মানুষকে স্বচ্ছন্দে হত্যা করতে পারে। তা ছাড়া নৃশংস হত্যার উদাহরণ সভ্য মানবজগৎ থেকে যত দেওয়া যায়, কোনো জীবজগৎ থেকে তার সহস্রাংশের একাংশ দেওয়া যায় না। তার কারণ মানুষের মাথা আছে এবং সেই মাথার কানায় কানায় ভরা বুদ্ধি আছে। অন্য জন্তুর মাথা থাকলেও বুদ্ধি নেই, অন্তত মানুষের মতো বুদ্ধি নেই। মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম তাই ‘বুদ্ধিমান মানুষ’ বা ‘হোমো—স্যাপিয়েন্স’।

    বুদ্ধির উত্তুঙ্গ শিখরে আজ মানুষ পৌঁছেছে। বৈজ্ঞানিক অভিব্যক্তিবাদের একটি মূসূত্র হল—যে দৈহিক হাতিয়ারের জোরে যে যুগে (ভূতাত্ত্বিক যুগ) যে জীবের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়, পরে সেই হাতিয়ারের ক্রমোন্নতির ফলে অত্যুন্নত হাতিয়ারই হয় তার ধ্বংসের কারণ। এইভাবেই জীবজগতে ‘ইভল্যুশন’ বা ক্রমাভিব্যক্তি সম্ভব হয়েছে। বর্তমান ভূতাত্ত্বিক যুগ স্তন্যপায়ী জীবের যুগ এবং সমস্ত স্তন্যপায়ী জীবের মধ্যে শ্রেষ্ঠ হল ‘মানুষ’। মানুষের এই শ্রেষ্ঠত্ব বা প্রাধান্য প্রতিষ্ঠায় সবচেয়ে বড় সহায় হয়েছে ‘বুদ্ধি’। নখ ও দাঁতের মতো বুদ্ধিও দৈহিক হাতিয়ার বিশেষ (কর্পোরিয়াল টুল) কারণ দেহহীন বুদ্ধি বলে কিছু নেই। দৈহিক ক্রমবিকাশের উন্নত স্তরেই মস্তিষ্কের বিকাশের ফলে মানুষের মধ্যে বুদ্ধির আশ্চর্য প্রকাশ হয়েছে। সেই বুদ্ধির অনুশীলন ও ক্রমিক বিকাশের ফলে মানুষ অন্যান্য জীবজন্তুর দেহাবদ্ধ হাতিয়ারের দৃঢ়বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে, দেহাতিরিক্ত পাথুরে হাতিয়ার থেকে আধুনিক নানা রকমের বৈজ্ঞানিক ও যান্ত্রিক হাতিয়ার (নন—কর্পোরিয়াল টুল) তৈরি করতে শিখেছে। আজ মানুষের বুদ্ধির এমন চরম বিকাশ হয়েছে যে, বৈজ্ঞানিক অভিব্যক্তির সূত্রানুসারে সেই বুদ্ধিই বর্তমানে সর্বগ্রাসী সংহারমূর্তিতে সর্বত্র মানুষের সম্মুখীন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    Library
    অনলাইনে বই
    বই
    বাংলা অডিওবুক
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    গল্প, কবিতা
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    অর্থাৎ মানবজাতির অবলুপ্তির অনিবার্যতা আজকের জাগতিক পরিবেশে এত সুপরিস্ফুট যে মানুষের বুদ্ধি যদি দুর্বুদ্ধির বাঁকা পথ ছেড়ে এখনও সহজ সরল পথে চলতে না পারে, তাহলে মানুষের এই শখের সমাজ ও শৌখিন সভ্যতা, এমনকী মানুষের অস্তিত্ব পর্যন্ত, এক ব্যাপক ধ্বংসলীলায় মহাপ্রলয়ের মধ্যে একেবারে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। কিন্তু দুর্বুদ্ধির বাঁকা পথেই আজ মানববুদ্ধির দুরন্ত অভিযান অব্যাহত। এই অভিযানের সবচেয়ে বড় দৃষ্টান্ত চন্দ্রলোকে অভিযান। মনে হয় যেন মানুষের আর কোনো সমাধানযোগ্য সমস্যা নেই এবং প্রকৃত রহস্য কিঞ্চিৎ উদঘাটন করেই যেন বিজ্ঞানের প্রকৃতিজয়ের সমস্ত সাধনাও শেষ হয়ে গেছে। যেন পরাজিত প্রকৃতির সামনে বিজয়ী মানুষ সদম্ভে দাঁড়িয়ে আছে, তার আর কিছু করার নেই। বাস্তবিক আর কী—ই বা করার আছে। পরমাণু বিদীর্ণ করে তার ভিতরের মূলশক্তি আয়ত্ত করা হয়ে গেছে, স্পেসক্রাফট তৈরি করে ঘণ্টায় চব্বিশ হাজার মাইল বেগে ২ লক্ষ ২৫ হাজার মাইল দূরে চন্দ্রলোকে পৌঁছোনো ও পদার্পণ করাও সম্ভব হয়েছে। এমন সব বোমা তৈরি করা সহজসাধ্য হয়েছে যা দিয়ে সমগ্র মানবজাতিকে, তার বহুকালের কীর্তিচিহ্নসহ, নিমেষে নিশ্চিহ্ন করে ফেলা যায়। অ্যাটম বোমা নয় শুধু, রাসায়নিক ও বিষাক্ত বীজাণুর বোমা পর্যন্ত স্তূপাকার মজুত হয়েছে। এ ছাড়া ভোগবিলাসের সামগ্রীর এত বৈচিত্র্য ও প্রাচুর্য আজ সৃষ্টি করা হয়েছে যে পৃথিবীর অন্তত শতকরা দশজন মানুষ আজ রাজার মতো বিলাসিতা করতে না পারলেও অন্তত ছোটখাটো সামন্তের মতো বেশ আরামে ও স্বাচ্ছন্দ্যে থাকতে পারে। অতএব করার আর কিছুই নেই, বিজ্ঞান ও টেকনোলজির সাহায্যে সবই করা হয়ে গেছে। অবশ্য পৃথিবীর অন্তত শতকরা ৭৫ জন লোক আজও বেঁচে থাকার মতো খাদ্য পায় না, অনেকটা জানোয়ারের মতো জীবনধারণ করে, সমাজে চলার মতো সামান্য শিক্ষা পায় না, রোগব্যাধির চিকিৎসা ভূতুড়ে—হাতুড়েদের দিয়েই করায়, বল্কল ছাড়লেও অর্ধাবৃত অবস্থায় দেহরক্ষা করে এবং মাথা গোঁজার আশ্রয় খুঁজে পায় না। কিন্তু তাতে কী? টেকনোলজি ও বিজ্ঞানের মহিমা তাতে ম্লান হয় না।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    Library
    বই
    পিডিএফ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য
    বই পড়ুন
    গল্প, কবিতা
    PDF
    অনলাইনে বই

     

    তবু আজও যখন ভূমিকম্পে নগরের পর নগর ধ্বংস হয়ে যায়, হাজার হাজার প্রাসাদ তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে, লক্ষ লক্ষ মানুষ অসহায় শিশুর মতো (শ্রেষ্ঠ নভশ্চর ও অ্যাটমিক বৈজ্ঞানিক পর্যন্ত) আর্তনাদ করতে থাকে এবং পৃথিবীর শতকোটি ভগবানের নাম করে বাঁচতে চায়, তখন বৈজ্ঞানিক কম্পনযন্ত্রে ভূমিকম্পের এপিসেন্টার কোথায় বা কত দূরে তা জানা গেলেও, পৃথিবী যে কাঁপছে বা টলছে তা থামানো যায় না। নিউক্লিয়ার—বোমা ও স্পেসক্রাফট—এর ল্যাবরেটরিও তখন কাঁপতে থাকে, বড় বড় চেয়ারে বসে বিজ্ঞানীরা কাঁপতে থাকেন, বিশাল বিশাল প্রাসাদের বাসিন্দারা কাঁপতে থাকেন, রাজার সিংহাসন ও ডিকটেটরদের পায়ের তলাও কাঁপতে থাকে। তবু তো প্রকৃতি অনেক উদার, এক—দুই মিনিটের বেশি কাঁপে না। যদি কাঁপত—তাহলে। তাহলে যা—ই হোক—না কেন, বিজ্ঞান বা টেকনোলজির মর্মান্তিক পরাজয় হত। কিন্তু ভূকম্পনের কথা থাক, কয়েকটা খুব সাধারণ সমস্যার কথা বলি।

    ঝড় বা বৃষ্টি কোনোটাই আজও বিজ্ঞানের আয়ত্তে আসেনি। বৃষ্টি হবে কি হবে না, ঝড় হবে কি হবে না, অথবা হলে কত মাইল বেগে হবে, তা অবশ্য হাওয়াবিজ্ঞানীরা বলতে পারেন। বিজ্ঞানের এই পর্যন্ত কৃতিত্ব। তাতে মানুষের অনেকটা উপকার হলেও প্রকৃত উপকার কী হয়েছে তা ভাববার বিষয়। যদি বৃষ্টি না হয় তাহলে আজও পৃথিবীর সমস্ত মানুষ কাতর দৃষ্টিতে আকাশের দিকে চেয়ে থাকে কেন এবং আদিম মানুষের মতো হোমিয়োপ্যাথিক ম্যাজিকের সাহায্যে বৃষ্টি কামনা করে কেন? বৈজ্ঞানিকরা রকেট নিক্ষেপ করে বৃষ্টিপাত অথবা বৃষ্টির মতো জল—সরবরাহ কেন করতে পারেন না? প্রচণ্ড বেগে ঝড় যখন হয়, তখন ঝড়ের বেগ ও গতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলে কত বিপদ থেকে মানুষ মুক্তি পেতে পারে, কিন্তু আজও তা করা সম্ভব হয়নি কেন? বায়ুসংঘর্ষে মেঘনিঃসৃত বিদ্যুতের মধ্যে কত কোটি কোটি ওয়াট বৈদ্যুতিক শক্তি সঞ্চিত থাকে এবং তার অপচয় হয়। সামান্য কয়েকটি বিদ্যুৎ ধরে ফেলতে পারলে পৃথিবীর প্রত্যেক গ্রাম বৈদ্যুতিক আলোয় ঝলমল করে উঠতে পারে এবং অন্ধকারের মানুষ আলোর স্পর্শে নতুন জীবন পেতে পারে। কিন্তু প্রকৃতির বিনামূল্যের বিদ্যুৎকে বন্দি করে আজও ইলেকট্রনিক যুগে বৈজ্ঞানিকদের পক্ষে আলো বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। পৃথিবীর মাত্র এক—চতুর্থাংশ স্থলভাগ, এবং তার অর্ধেক স্থানে এত অত্যধিক ঠান্ডা বা উত্তাপ যে তাতে আবাদ করে ফসল ফলানো যায় না। যখন বিজ্ঞান ও টেকনোলজির এত কীর্তি চতুর্দিকে বিঘোষিত হচ্ছে, তখন পৃথিবীর এই অর্ধেক জায়গাতে ভালো ফসল ফলাতে পারলে আজকের বাড়ন্ত মানুষের খাদ্যসমস্যার সমাধান হয়ে যেত। কিন্তু তা করা হয়নি কেন? এবং তা না করে চন্দ্র ও অন্যান্য গ্রহ—উপগ্রহ পরিদর্শনের জন্য এই বিপুল অর্থের অপচয় করা হচ্ছে কেন? চন্দ্রে অবতরণ করে মহাবীর নভোশ্চরা পৃথিবীতে ফিরে এলে কি পৃথিবীর একজন অভুক্ত মানুষ খেতে পাবে, একটিও নিশুতি রাতের মতো অন্ধকার গ্রামে আলো জ্বলবে, অসংখ্য অশিক্ষিত মানুষের মধ্যে একজন মানুষও কি শিক্ষা পাবে? তা পাবে না, শুধু যান্ত্রিক মানুষ চন্দ্রলোক থেকে ফিরে এলে যন্ত্রদানবরা বাহবা দেবে, কিন্তু প্রকৃত মানুষ যারা তারা হাসবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গল্প, কবিতা
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার
    রেসিপি বই
    নতুন বই
    Books

     

    বিজ্ঞানাচার্য চন্দ্রশেখর বেঙ্কট রমন তাই চন্দ্রলোক অভিযানের এই বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টাকে হাস্যকর পাগলামির চূড়ান্ত নিদর্শন বলে অত্যন্ত দুর্মর ভাষায় সমালোচনা করেছেন (মাদ্রাজ ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে সমাবর্তন ভাষণ, ১৯৬৬)। রমন বলেছেন :

    It is nothing but sheer raving lunacy to spend millions of dollars to shoot men into space and make them walk there. I simply smile with loathing and contempt at this lunacy on the part of mankind.

    বিখ্যাত কসমোলোজিস্ট অধ্যাপক ফ্রেড হয়েল বোম্বাইতে ‘টাটা ইনস্টিটিউট অব ফান্ডামেন্টাল রিসার্চ’ পরিদর্শনকালে চন্দ্রলোকযাত্রা সম্বন্ধে ‘criminal waste of money and a useless kind of activity’ বলে মন্তব্য করেছেন। রমন বলেছেন যে চন্দ্রলোকে কী আছে না—আছে তা দেখবার ইচ্ছা প্রকাশ করা গোলামের চেয়েও অধম একদল বৈজ্ঞানিকের বাগাড়ম্বর ও বুজরুকি ছাড়া কিছু নয়। অবিমিশ্র অবজ্ঞা ও ঘৃণায় রমন বলেছেন, তাঁর সমগ্র সত্তা পর্যন্ত শিউরে ওঠে যখন তিনি শাসকশ্রেণির কেনা—গোলাম এই বৈজ্ঞানিকদের কথা চিন্তা করেন। বিগত ষাট বছরের মধ্যে, রমনের মতে, অগ্রগতির নামে বিজ্ঞানের এরকম দুর্গতি ও দুশমনমূর্তি আর কোনোকালে দেখা যায়নি।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইনে বই
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    নতুন বই
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বুক শেল্ফ

     

    রমনের বক্তব্যের সঙ্গে পৃথিবীর আরও অনেক বিখ্যাত বৈজ্ঞানিক একমত। যাঁরা রাষ্ট্রযন্ত্রের কর্ণধারদের কাছে নিজেদের মগজ ও বিবেক লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে বিকিয়ে দেননি, এরকম স্বাধীনচেতা বৈজ্ঞানিক এখনও বিভিন্ন দেশে যাঁরা আছেন, তাঁরা রমনের উক্তি বর্ণে বর্ণে সমর্থন করেন। চন্দ্রলোকে এক—একটি অভিযানের জন্য যে কোটি কোটি ডলার ও রুবল ব্যয় হয়, তা দিয়ে শত শত গ্রামকে মহানগরে রূপায়িত করা যেতে পারে, লক্ষ লক্ষ অভুক্ত মানুষকে দিনের পর দিন খাওয়ানো যেতে পারে, শতাধিক হাসপাতাল তৈরি করে লক্ষাধিক পীড়িত মানুষের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যেতে পারে, এবং আমেরিকার নিজের দেশের লক্ষ লক্ষ অমানুষ ও আধামানুষদের পরিপূর্ণ মানুষের মতো বাঁচার অধিকার দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু তা না করে চাঁদে যাবার চেষ্টা হল ধনতান্ত্রিক সমাজের জীর্ণ কাঠামোকে অফুরন্ত অপব্যয়ের ভিতর দিয়ে কোনোরকমে বাঁচিয়ে রাখার অপচেষ্টা ছাড়া কিছু নয়। দুঃখ হয় যখন দেখা যায় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েট ইউনিয়নও আমেরিকার সঙ্গে এই বৈজ্ঞানিক বালচাপল্য ও পাগলামির প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়ে কোটি কোটি রুবল অপব্যয় করছে। প্রতিরক্ষার খাতিরে না—হয়, সোভিয়েট রাষ্ট্রের পারমাণবিক মারণাস্ত্র তৈরির যৌক্তিকতা ভাবা যায়, কিন্তু চন্দ্রমুখী অ্যাপোলো—স্পুটনিক—লুনিকের প্রতিযোগিতার কথা বাস্তবিক ভাবা যায় না।

     

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইনে বই
    বই

     

    বিজ্ঞানের কীর্তি অনেক, রীতিমতো তাজ্জবও যে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু আজও যখন আন্দামানি ও অন্যান্য আদিম জনগোষ্ঠীর মতো ঝড়জল বজ্রবিদ্যুৎ অতিবৃষ্টি অনাবৃষ্টি ভূকম্পন প্রভৃতি অনাদিকালের প্রাকৃতিক লীলা মানবশক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে মনে হয়, এবং আদিম দেবতা ও আদিম ম্যাজিকের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া অ্যাটমিক বৈজ্ঞানিকেরও গত্যন্তর থাকে না, তখন কি এ কথা বলা যায় যে বিজ্ঞান ও বিজ্ঞানীর সমস্ত কীর্তি ও কর্তব্য শেষ হয়ে গেছে? তা বলা যায় না।

    যদি সমাজ ও সভ্যতার কথাই বলা যায়, তাহলে আজ প্রায় অনিবার্য আত্মবিলোপের অতল অন্ধকারের সামনে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর অন্তত শতকরা নব্বুইজন মানুষ প্রশ্ন করতে পারে, আহা! সভ্যতার কী অপরূপ মূর্তিই না এতকাল ধরে গড়ে তোলা হয়েছে। কোনো অপরূপ সুন্দরী রমণীর সর্বাঙ্গে যদি বীভৎস দগদগে ঘা থাকে তাহলে তার রূপদর্শনে যে মানসিক প্রতিক্রিয়া হয়, মানুষের এই কয়েক হাজার বছরের সমাজ ও সভ্যতার দিকে চেয়ে দেখলেও তা ছাড়া অন্য কোনো প্রতিক্রিয়া হয় না। ধনতন্ত্রের ‘অ্যাফ্লুয়েন্ট’ সমাজ এবং সমাজতন্ত্রের সর্বার্থসাধক সমাজ, কোনো সমাজেই সত্যিকার ‘মানবিক’ পরিবেশ রচিত হয়নি। ‘মানবিক’ পরিবেশ বলতে এমন পরিবেশের কথা বলছি, যার মধ্যে মানুষ মুক্ত আলো বাতাসের আস্বাদ পেতে পারে, বুকভরা শ্বাসপ্রশ্বাস নিতে পারে, পরস্পরের সঙ্গে প্রাণ খুলে মিশতে পারে ও প্রীতির সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে, জাতি—ভাষা—ধর্ম—বর্ণ প্রভৃতি বহুকালের ব্রহ্মদৈত্যদের কবল থেকে মুক্তি পেতে পারে, নিজের কথা ও বক্তব্য সকলের কাছে নিঃসংকোচে ও নির্ভয়ে বলতে পারে, ইচ্ছামতো শিক্ষা ও জ্ঞানলাভ করতে পারে, খাওয়া—পরা—বসবাসের চিন্তা থেকে মুক্ত হতে পারে এবং সমগ্র সমাজটাকে একটা বৃহৎ পরিবার মনে করে নিজের মেহনত ও বুদ্ধি সকলের কল্যাণের জন্য নিয়োগ করতে পারে। এই ‘মানবিক’ পরিবেশ কোথাও রচনা করা সম্ভব হয়নি। টেকনোক্রাসি ও ব্যুরোক্রাসির অখণ্ড প্রতিপত্তি দুই সমাজেই। এই যন্ত্রতন্ত্র ও আমলাতন্ত্রের নিষ্পেষণে ‘অ্যাফ্লুয়েন্ট’ ধনতান্ত্রিক সমাজ ক্রমেই যেমন একটি বিশাল পাগলাগারদে পরিণত হচ্ছে, ‘সর্বার্থসাধক’ সমাজতান্ত্রিক সমাজও তেমনি পরিণত হচ্ছে বিশাল জেলখানায়। দুই গারদের মধ্যে মানুষ হাঁপাচ্ছে, স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার মতো একটু নির্মল বায়ুসেবনের সুযোগ পাচ্ছে না কোথাও।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইনে বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা কৌতুক বই
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গল্প, কবিতা
    স্বাস্থ্য টিপস
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    প্যাকার্ডের ‘ওয়েস্ট মেকারস অথবা হোয়াইটের ‘অর্গানাইজেশন ম্যান’ সম্বন্ধে কোনো মন্তব্য না করেও আমেরিকার ধনতান্ত্রিক ভূরিসমাজের (অ্যাফ্লুয়েন্ট সোসাইটি) বাহ্য জৌলুষেসর অন্তরালবর্তী বিকট বাস্তব রূপটি সহজেই উদ্ঘাটন করা যায়। টুকরো চলচ্চিত্রের মতো আমেরিকান সমাজজীবনের সামান্য কিছু তথ্যের আলোকসম্পাতে সেই রূপটি উদ্ভাসিত হয়ে উঠতে পারে। অন্য কারও নয়, প্রেসিডেন্ট জনসনের নিজের হিসেবমতোই দেখা যায়, আজও আমেরিকায় কমপক্ষে ৪০ লক্ষ বালক—বালিকা প্রতিদিন প্রায় অনাহারে স্কুলে যায়, ১৮ বছরের কম বয়সের ছেলেমেয়েদের মধ্যে শতকরা অন্তত ১০ জনকে গর্হিত অপরাধের জন্য আদালতে যেতে হয়, প্রত্যেক বছর স্কুলের লেখাপড়া ছাড়তে হয় অন্তত ১০ লক্ষ ছাত্রকে, এবং আরও ১০ লক্ষ ছাত্র মস্তিষ্কের ব্যাধি ও মৃগীরোগে আক্রান্ত হয়। শিশু ও ঢিনএজারদের জীবনের একটি ছবি সম্পূর্ণ ছবির একটি অংশ মাত্র। নিউ ইয়র্ক শহরে প্রতিদিন গড়ে ১৪৯ জন লুণ্ঠিত, ৭৮ জন আক্রান্ত, ৫ জন নারী ধর্ষিত এবং ৩ জন নিহিত হয়। এ ছাড়া ৪৭৫টি চুরি—ডাকাতি হয় প্রতিদিন। আমেরিকার বড় বড় দশটি মহানগরের মধ্যে (যেমন হাউস্টন, টেক্সাস, ব্যালটিমোর, ওয়াশিংটন, শিকাগো প্রভৃতি) নিউ ইয়র্কেই নাকি দৈনিক খুনের সংখ্যা (তিনটি) সবচেয়ে কম। সমস্ত শহরে বাৎসরিক খুনের হিসেব করলে লক্ষের অঙ্ক ছাড়িয়ে যায়, নারীধর্ষণ, লুণ্ঠন, ডাকাতি ইত্যাদির তো কথাই নেই। বিংশ শতাব্দীর গোড়া থেকে (অর্থাৎ প্রকৃতপক্ষে আমেরিকার ধনতান্ত্রিক টেকনোলজিক্যাল উন্নতির সূচনা থেকে) আজ পর্যন্ত আমেরিকায় কেবল আগ্নেয়াস্ত্রের সাহায্যে আত্মহত্যা ও খুনের সংখ্যা হল ৭ লক্ষ ৫০ হাজার। এই সংখ্যা প্রথম মহাযুদ্ধে নিহত আমেরিকানের চোদ্দোগুণ এবং দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে নিহতের তিনগুণ। বর্তমানে প্রতিদিন আমেরিকায় গড়ে ৫০ জন আগ্নেয়াস্ত্রের সাহায্যে নিহত ও খুন হয়, অর্থাৎ প্রতি আধ ঘণ্টায় একটির বেশি। এ ছাড়া আত্মবিস্তৃতির জন্য নেশার বৈচিত্র্য ও বিস্তার প্রত্যহ যে কী হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে আমেরিকায় তা বলা চলে না। অ্যালকোহল তো আছেই, কত রকমের ড্রাগ ও তার সেবনভঙ্গি এবং নেশাখোরদের কত রকমের যে চক্র ও গোষ্ঠী তার ঠিক নেই। সমাজজীবনের অন্যান্য দিকের বিকৃতি—বৈচিত্র্যের সামান্য আভাস দিতে গেলেও প্রায় একটি আধ টন ওজনের রিপোর্ট রচনা করতে হয়। আপাতত তা না করেও শুধু কয়েকটি তথ্যের আলোকে আমেরিকার যান্ত্রিক ভূরিসমাজের যে আসল কঙ্কালটি চোখের সামনে স্পষ্ট হয়ে ভেসে ওঠে, তা আর যা—ই হোক, বিচারের কোনো মানদণ্ডেই সুস্থ সমাজ মনে হয় না। যন্ত্র ও টেকনিক মূল লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে মানুষকে একরঙা মানুষে পরিণত করেছে একদিকে, যে মানুষ শ্রেণিবৈষম্য ও শ্রেণিবিরোধ পর্যন্ত ভুলে গিয়ে আজ কেবল উপভোগ ও প্রলোভনের নেশায় মশগুল, এমনকী নিজের সত্তা সম্বন্ধেও অচৈতন্য—আর অন্যদিকে ক্রমে মানুষকে করেছে খণ্ডিত বিকৃত বীভৎস উন্মার্গ ও আত্মঘাতী।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    PDF বই
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    লাইব্রেরি
    গ্রন্থাগার
    ডিকশনারি
    বই পড়ুন
    নতুন বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    এদিকে প্রায় অর্ধশতাব্দীর সমাজতন্ত্রের প্রয়োগ—পরীক্ষায় সোভিয়েট সমাজ যে স্তরে উত্তীর্ণ হয়েছে, তাতে জঠরাগ্নি ও বেকারত্বের নিবৃত্তি হলেও মানবোচিত চরিত্র ও গুণের বিকাশ হয়নি। অন্যান্য আধুনিক শিল্পোন্নত সমাজের মতো সোভিয়েট সমাজেও আজ যন্ত্রতন্ত্র ও আমলাতন্ত্রের দোর্দণ্ড প্রতাপ এবং সমাজতন্ত্রের পুণ্য নামে তার নিরেট নিশ্ছিদ্রতা অনেক বেশি। আত্মতুষ্ট মানুষ সেখানে যন্ত্রের মতো নির্বিকার। কেবল নির্বিকার নয়, বৈকল্য ও বিকৃতি সোভিয়েট সমাজের মানুষের মধ্যেও দেখা দিচ্ছে। অধ্যাপক জুরি টখাচেভস্কি লিখেছেন (প্রাভদা, ২৯ মার্চ ১৯৬৯) যে ১৯৬৮ সালে শুধু মস্কো শহরে যতগুলি দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে, তার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সুরাপানজনিত মত্ততার জন্য, এবং যতগুলি ডিভোর্স হয়েছে তার প্রায় অর্ধেকের (৪০ শতাংশ) কারণ একই। ব্যক্তিগত—দলগত বিরোধ ও মারামারির ফলে মস্কো শহরে যত খুন ও হত্যাকাণ্ড ঘটেছে (১৯৬৮—তে), তার মধ্যে শতকরা ৮৫টি পানোন্মত্ত অবস্থায় সংঘটিত। মস্কো শহরে যত খুন হয় তার মধ্যে শতকরা ১৮টি খুন করে সমাজবিরোধী লুচ্চা—গুন্ডারা। ১৯৬৬ সালে সুপ্রিম—সোভিয়েট থেকে গুন্ডামি দমনের জন্য একটি জরুরি আইন পাশ করা হয়েছিল দু—বছরের জন্য। কিন্তু তাতে বিশেষ কোনো ফল হয়নি বলে আবার ১৯৬৮ সালে সেটি বলবৎ করা হয়েছে। আশ্চর্য লাগে এই ভেবে যে, যে দেশে বেকার নেই, খাদ্যাভাব নেই, সেই দেশের সমাজে ও মহানগরেও আজ খুন—জখম—হত্যা ও আত্মহত্যার দৃশ্য প্রকট হয়ে উঠেছে, সমাজবিরোধী লুচ্চা গুন্ডাদের প্রতাপ বাড়ছে। কেন এই সব উপসর্গ দেখা দিচ্ছে? লেনিনের রচনাবলি আবৃত্তি করে, অথবা আমেরিকার সঙ্গে চন্দ্রাভিযানের প্রতিযোগিতায় কোটি কোটি রুবল অপব্যয় করে, এই ‘কেন’—র উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। অথচ উত্তর দেওয়া প্রয়োজন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বইয়ের
    PDF
    বইয়ের তালিকা
    বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    Books
    অনলাইনে বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    উত্তর পরিষ্কার। শিল্পোন্নত সমাজের আদর্শভ্রষ্ট বিজ্ঞান টেকনোলজি ও ব্যুরোক্রাসি, ওয়েস্ট—মেকার, স্টেটাস—সিকার (ইকনমিক ও পলিটিক্যাল) ও অর্গানাইজেশন ম্যান—আজ ধনতান্ত্রিক নিউ ইয়র্ক ও সমাজতান্ত্রিক মস্কোর মধ্যে ভৌগোলিক ও আদর্শগত ব্যবধান প্রায় ঘুচিয়ে দিয়েছে। তাই আজ উভয়েরই অপচয়—প্রতিযোগিতা চন্দ্রলোক এবং পৃথিবী ছাড়া অন্যান্য গ্রহ লক্ষ্য করে। যন্ত্রতন্ত্র ও আমলাতন্ত্রের প্রতিপত্তি উভয় সমাজেই সমান, কোথাও ধনতান্ত্রিক গণতন্ত্রের নামে, কোথাও বা সমাজতন্ত্রের নামে। তাই মানসিক প্রতিক্রিয়া দুই সমাজের মানুষের মধ্যেই এক ও অভিন্ন। তা—ই হওয়ার কথা, কারণ মানুষ তো মানুষ এবং মানুষের বায়োলজিক্যাল পরিবর্তন নিশ্চয় ইডিওলজিক্যাল কারণে হয় না।

    চাঁদের কথা বলি। দু—জন লোককে চন্দ্রলোকে পদার্পণ করানোর জন্য আমেরিকার মোট খরচ হয়েছে প্রায় ২৪০০ কোটি ডলার অর্থাৎ ১৯২০০ কোটি ভারতীয় টাকা। এই যন্ত্রবৈজ্ঞানিক ভোজবাজিতে মানুষের ও বিজ্ঞানের কিছু উপকার হবার সম্ভাবনা আছে? তা এখনই বলা সম্ভব নয়, বিজ্ঞানীরা বলেছেন। এখন যেটুকু ভাবা হয়েছে তা হল এই : চন্দ্রলোক থেকে জ্যোতিষীয় পর্যবেক্ষণের সুবিধা হবে অনেক, কারণ সেখানে কোনো অ্যাটমসফেরিক ও অয়নসফেরিক গন্ডগোল থাকবে না। চন্দ্রলোকে একটি জ্যোতিষীয় পর্যবেক্ষণের ঘাঁটি গড়া হবে, আপাতত এই হল বৈজ্ঞানিকদের পরিকল্পনা। কিন্তু তার জন্য খরচ হবে কত? যদি কুড়িজন লোক কাজ করতে পারে এরকম একটি খুব ঘাঁটি গবেষণার জন্য তৈরি করতে হয়, তাহলে তার জন্য বাৎসরিক খরচ হবে প্রায় ১০০ কোটি ডলার, পৃথিবী থেকে জিনিসপত্র ও খাদ্যদ্রব্য বহন করার জন্য খরচ পড়বে প্রতি কিলোগ্রামে ১০ হাজার ডলার এবং লেবার বা মজুরি চন্দ্রলোকে প্রতি ঘণ্টায় লাগবে এক লক্ষ ডলার। তারপর জ্যোতিষীর গবেষণার ফলে পৃথিবীর মানুষের কী লাভ হবে না—হবে তা কিছুই বলা যায় না। তাহলে এই বিরাট অর্থমেধযজ্ঞের কারণ কী এবং এত ঘটা করে তা প্রচার করার উদ্দেশ্যই বা কী?

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই ডাউনলোড
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Library
    লাইব্রেরি

     

    যদি ব্রহ্মাণ্ডের কথা ধরা যায় তাহলে চন্দ্রলোকে পৌঁছোনোও নিতান্ত ছেলেখেলা ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না। পূর্ণিমার রাতে নির্মেঘ আকাশে যে অসংখ্য নক্ষত্র আমরা দেখতে পাই, তার মধ্যে সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি যে নক্ষত্র সেখানে পৌঁছতে বর্তমান অ্যাপোলোর ঘণ্টায় ২৫ হাজার মাইল বেগে কতদিন সময় লাগবে? চন্দ্রলোকে পৌঁছোতে তিন—চার দিন লাগে কিন্তু নিকটতম নক্ষত্রে পৌঁছোতে? ঘণ্টায় ২৫ হাজার মাইল বেগেও কম করে এক লক্ষ বছর লাগবে। যদি ভবিষ্যতে স্পেসক্রাফটের স্পিড আরও বাড়িয়ে দ্বিগুণ করা সম্ভব হয়, তাহলেও ৫০ হাজার বছরের আগে সবচেয়ে কাছের নক্ষত্রে পৌঁছোনো সম্ভব হবে না। অতএব ব্রহ্মাণ্ডের রহস্য ভেদ করার যদি প্রশ্ন ওঠে, তাহলে অ্যাপোলোর চন্দ্রলোকযাত্রা মনে হয় ঠেলাগাড়িতে কলকাতা থেকে বর্ধমানযাত্রার মতো। কাজেই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের রহস্য ভেদের ব্যাপারটা স্পেস গবেষণায় নিযুক্ত বিজ্ঞানীদের বুজরুকি ছাড়া যে কিছু নয় তা বোঝা যায়। আসল রহস্য হল, সামরিক মারণাস্ত্রের গবেষণা নানা রকমের রকেট—নিক্ষেপ থেকে শেষ পর্যন্ত চন্দ্রলোক অভিযানের স্তর পর্যন্ত পৌঁছেছে। ধনতান্ত্রিক ভূরিসমাজে আজ সামরিক মারণাস্ত্র উৎপাদনই মুনাফাভিত্তিক অর্থনৈতিক গড়ন অটুট রাখার একমাত্র উপায়, তা ছাড়া তার ভাঙন ও বৈপ্লবিক পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। অ্যাপোলো এগারো সেই প্রচেষ্টারই সার্থক নিদর্শন। যেমন অ্যাপোলো এগারো ও তার স্যাটার্ন পাঁচ রকেট তৈরির জন্য প্রায় ৫০ লক্ষ যান্ত্রিক কলকবজা লেগেছে এবং তেরো—চোদ্দো হাজার কোম্পানির কারখানায় এইসব কলকবজা তৈরি হয়েছে। এর সঙ্গে আরও নানাবিধ মারণাস্ত্র তৈরির বিপুল সংগঠনের কথা যদি ভাবা যায়, তাহলে বোঝা যাবে যান্ত্রিক ভূরিসমাজে আজ মানুষের বিদ্যাবুদ্ধি, প্রতিভা এবং সাধারণের অর্থ কী বিপুল পরিমাণে শুধু ধ্বংসাত্মক কাজে প্রয়োগ করা হচ্ছে। সমাজ ও মানুষের পার্থিব জীবনের কোনো উন্নতি, কোনো কল্যাণ বা বাসনা—কামনার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই এবং থাকতে পারে না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    অনলাইন বুকস্টোর
    Library
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের
    গল্প, কবিতা
    ই-বই পড়ুন

     

    এই কারণেই বিজ্ঞানাচার্য রমন চন্দ্রলোক ও গ্রহান্তরে যাত্রার বৈজ্ঞানিক প্রচেষ্টাকে চূড়ান্ত অপচেষ্টা ও পাগলামি বলে উল্লেখ করেছেন। বিখ্যাত ঐতিহাসিক ও সমাজবিজ্ঞানীদের মধ্যে টয়েনবি ও লুইস মামফোর্ডও এই বৈজ্ঞানিক কীর্তির কোনো প্রশংসা করতে পারেননি। টয়েনবি বলেছেন :

    In a sense, going to the moon is like building the pyramid or Louis XIV’s palace at Versailles. Sizing up man’s achievement, one would say how amazing, how strange, that this creature is so marvellous in his technology, but in morals and social behaviour, he has stayed practically stationary. This makes technology a menace.

    সমাজবিজ্ঞানী লুইস মামফোর্ড বলেছেন :

    Though many now credulously believe that space travel will open up marvellous new possibilities, there are strong historical grounda for believing rather that this marks the fatal terminus of a process that has from the Pyramid Age on curbed human development. Space exploration itself is strictly a military by-product and without presure from the Pentagon and the Kremlin it would never have found a place in any national budget.

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    নতুন বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বুক শেল্ফ
    Books
    গল্প, কবিতা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    স্বাস্থ্য টিপস

     

    রমন—টয়েনবি—মামফোর্ডের মন্তব্য একসুরে বাঁধা। যাঁরা বাস্তবিকই সমাজচিন্তা ও মানবচিন্তায় মগ্ন, তাঁরা এ ছাড়া অন্য কোনো অভিমত পোষণ করতে পারেন না। মনীষী বার্ট্রান্ড রাসেল ৯৭ বছর বয়সে তাঁর আত্মজীবনীর তৃতীয় খণ্ড সম্প্রতি প্রকাশ করেছেন। তাতে মানবসমাজের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে তিনি গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন যে, যদি তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ হয়—এবং তা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি—তাহলে পারমাণবিক ও রাসায়নিক মারণাস্ত্রের ধ্বংসলীলায় সমগ্র মানবসভ্যতা ও মানবজাতির বিলুপ্তি অবশ্যম্ভাবী। আপাতত সমজ ও রাষ্ট্রের যে রূপ দেখা যাচ্ছে তাতে মহামৃত্যুর এই অবশ্যম্ভাবী পরিণতির বাইরে তিনি কোনো আশার আলোকরেখা দেখতে পাননি।

    কিন্তু যদি বিশ্বযুদ্ধ না—ও হয়, এবং বিজ্ঞানের বর্তমান সমাজবিমুখ গতি ও মারণাস্ত্র উদ্ভাবনের গবেষণা যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে বর্তমান মর্ত্যলোকে মানুষের পরমায়কত্মউ যে কতদিন তা বলা যায় না। বিশ্বরাষ্ট্রসংঘের প্রধান কর্মসচিব ইউ. থান্ট কিছুদিন আগে (জুন ১৯৬৯) ষাট পৃষ্ঠার একটি সংক্ষিপ্ত রিপোর্টে, বিজ্ঞানীরা কীভাবে পৃথিবীর আলো—বাতাস—জল পর্যন্ত বিষিয়ে তুলছেন, সেদিকে আবহাওয়া—বিজ্ঞানীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং তাঁদের বিশ্বসম্মেলনে মিলিত হয়ে আলোচনার জন্য অনুরোধ করেছেন। থান্ট বলেছেন, যান্ত্রিক শিল্পোন্নত দেশে বিপুল আবর্জনা ও অপচয়—পদার্থ (যাকে ‘ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়েস্ট’ বলা হয়), ডি. ডি. টি. পতঙ্গবিষ গ্যাস ধোঁয়া ধাতুমল ইত্যাদি প্রাকৃতিক আবহাওয়া এমনভাবে বিষিয়ে তুলেছে যে, সে সম্বন্ধে রাষ্ট্রনায়ক ও চিন্তাশীল বিজ্ঞানীদের অবিলম্বে অবহিত হওয়া কর্তব্য। এই বিপুল বিষাক্ত আবর্জনা—অপচয় যেভাবে সমুদ্রগর্ভে নিক্ষেপ করা হচ্ছে তাতে অল্পদিনের মধ্যে প্রাকৃতিক আবহাওয়ায় মানুষের বাঁচার মতো ন্যূনতম অক্সিজেনের অভাব ঘটতে পারে। এর সঙ্গে যদি পরীক্ষার জন্য পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের ফলাফলের কথা চিন্তা করা যায়, তাহলে মানুষের ভবিষ্যৎ যে কত ভয়াবহ ও অনিশ্চিত তা সহজেই বোঝা যায়। থান্ট সেই কথা স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন :

    The consquence for the weather and climate of the world are uncertain, but could be catastrophic.

    এই মহাবিপর্যয় ও মহামৃত্যুর পথে আজ যন্ত্রবিজ্ঞান ও যান্ত্রিক বিজ্ঞানীদের অগ্রগতি অপ্রতিরোধ্য মনে হয়। বোধহয় এই পরিণতির হাত থেকে মানুষের মুক্তি নেই। ‘বোধহয়’ বলছি এইজন্য যে মানবিক যুক্তিবুদ্ধির সুস্থ—স্বাভাবিক প্রয়োগের দ্বারা অবশ্যই মানুষের এই মহামৃত্যু এই প্রতিরোধ করা সম্ভব। কিন্তু যে সমাজ—রাষ্ট্রব্যবস্থা আজ বুদ্ধিমান মানুষের শ্রেষ্ঠ শক্তি ‘বুদ্ধি’কে মানুষের সর্বাত্মক সংহারের পথে পরিচালনা করছে, শুধু মুষ্টিমেয় ক্ষমতাবিলাসীর স্বার্থ চরিতার্থতার জন্য, সেই সমাজ ও রাষ্ট্রের বহু পুরোনো জীর্ণ কঙ্কাল পর্যন্ত না বদলাতে পারলে মানুষের মহামৃত্যুর পথে প্রতিরোধ করা কিছুতেই সম্ভব নয়।

    ১৯৬৯

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ
    Next Article বিদ্রোহী ডিরোজিও – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }