Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেট্রোপলিটন মন মধ্যবিত্ত বিদ্রোহ – বিনয় ঘোষ

    বিনয় ঘোষ এক পাতা গল্প349 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    স্বনামধন্যদের সমাজ

    স্বনামধন্যদের সমাজ

    They are celebrated because they are displayed as celebrities… their very image is dependent upon publicity… –C. Wright Mills

    ডাস্টবিনের আবর্জনাস্তূপ থেকে সেদিন বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রের একখানি ছেঁড়া পাতা হাওয়ায় উড়ে এসে পায়ে জড়িয়ে গেল। পা ছাড়াতে গিয়ে হঠাৎ একটা দু—কলম হেডিং—এর উপর নজর পড়ল—’বাংলার সংস্কৃতি—সংকট : সভাপতি শ্রীভজহরি মণ্ডলের ভাষণ’। কাগজে ছাপা ছবিতে মণ্ডলমশায়ের রোম্বাসের মতো ভারিক্কি মুখখানা ময়লার ছাপ লেগে একেবারে অস্পষ্ট হয়ে গেছে, চেনা যায় না। পথে চলতে চলতে চেষ্টা করেও মনে পড়ল না, এ মুখ কোথাও দেখেছি কি না। অবশ্য আমার পক্ষে না—দেখাই স্বাভাবিক, কারণ সাহিত্যসভা বা সংস্কৃতির আসরে উপস্থিত থাকা আমার কাছে ফ্যাসিস্ট নির্যাতন সহ্য করার চেয়েও মারাত্মক মনে হয়। বস্তুত কোনো বক্তৃতা—সভা আমার ধাতে সয় না। কাজেই সংবাদপত্রের ছবিতে অস্পষ্ট ভজহরি মণ্ডলের মুখ আমার স্মৃতিপটে স্পষ্ট না হয়ে ওঠারই কথা। তা না উঠলেও এইটুকু বুঝলাম যে তিনি কলকাতার ‘সিলেব্রিটি’ বা স্বনামধন্যদের মধ্যে একজন।

    বর্তমানকালে স্বনামধন্য তাঁরা যাঁদের নাম দিনের পর দিন ধ্বনিত—প্রতিধ্বনিত হয় সংবাদপত্রে, বেতারে এবং জনসংযোগের নানা রকমের আধুনিক প্রচারযন্ত্রে। প্রথমে মহানগরের সংঘ, ক্লাব, পার্টি, মণ্ডলী প্রভৃতি থেকে নামটির মৃদুধ্বনি উঠতে থাকে, তারপর ধীরে ধীরে সেই ধ্বনির প্রতিধ্বনি চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে, অবশেষে সেই ধ্বনিতরঙ্গ মহানগরের সীমানা ছাড়িয়ে দেশের দূর প্রান্ত পর্যন্ত পৌঁছোয় প্রচারযন্ত্রের মাধ্যমে। একালের প্রচারযন্ত্রের এমনই মাহাত্ম্য যে, যে—কোনো অপরিচিত অজ্ঞাতকুলশীল তৃতীয় পুরুষ রাতারাতি তার কৃপায় স্বনামধন্য হতে পারেন। সংবাদপত্রে যদি ঘন ঘন সাত দিন তাঁর নাম মুদ্রিত হয়, বেতারের হাওয়াযন্ত্রে সেই নাম ধ্বনিত হয়, সংবাদচিত্রে সেই মুখ প্রদর্শিত হয়, এবং কয়েকটি জনসভায় তাঁর কম্বুকণ্ঠের ভাষণ মাইকযন্ত্রে নিনাদিত হয়, তাহলে রাস্তার রামের পক্ষেও দশরথনন্দন রামচন্দ্রর চেয়ে বেশি গুণবান ও স্বনামধন্য হয়ে ওঠা কঠিন হয় না। তারপর যেখানে তিনি যাবেন সেখানে লাউডস্পিকার যাবে, ক্যামেরা কাঁধে ফোটোগ্রাফাররা তাঁর পশ্চাদ্ধাবন করবে, অটোগ্রাফ—হান্টাররা ঘিরে ধরবে এবং সমস্ত প্রচারযন্ত্র মিলে এমন একটা ‘ইমেজ’ তাঁর তৈরি করে দেবে, যা দেখে রাস্তার রাম বা ভজহরি মণ্ডল নার্সিসাসের প্রতিবিম্বের চেয়েও অবাক হয়ে যাবেন। আধুনিক স্বনামধন্যতার প্রতিরূপ তৈরির ব্যাপারটা কতকটা হাততালির মতো। হাততালি সর্বদাই একটি—দুটি হাত থেকে আরম্ভ হয়, তারপর বহু হাতের তালিতরঙ্গের বিস্ফোরণ হয় প্রচণ্ড ধ্বনিতে। স্বনামখ্যাতিরও ক্রমবিস্তারের গতি অনুরূপ, হাততালিসদৃশ।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    ডিকশনারি
    অনলাইন বুকস্টোর
    বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Library
    অনলাইনে বই

     

    মানবসভ্যতার আদিকাল থেকে কিছুকাল আগে পর্যন্ত—খুব বেশি হলে তিনশো বছরের বেশি নয়—স্বনামধন্যতার কোনো সমস্যা ছিল না সমাজে। আজকাল খ্যাতি বলতে যা বোঝায় তার কোনো অস্তিত্বই ছিল না তখন। ক্ষমতা ও প্রভাব—প্রতিপত্তি ঈশ্বরপ্রদত্ত গুণ বলে স্বীকৃত হত এবং সেই গুণ যাঁদের থাকত তাঁদের মর্ত্যলোকের মানুষ বলেই মনে করা হত না, ঈশ্বরের অবতার বলে মনে করা হত। যেমন প্রাচীন ও মধ্যযুগের শাসকরা, রাজারাজড়ারা। শাসকগোষ্ঠীর বাইরে যাঁরা তাঁদের ক্ষমতার প্রতিনিধিত্ব করতেন, তাঁদের প্রভাব—প্রতিপত্তি থাকলেও, তা এত সাময়িক ও রাজারাজড়াদের খেয়াল—মর্জিনির্ভর ছিল যে কোনো খ্যাতির বিভ্রম ব্যক্তিসত্তাকে বেষ্টন করে রচিত হওয়া সম্ভবই ছিল না। বর্তমানে যাঁদের ‘এলিট’ বলা হয়, সেই ‘এলিট’ শ্রেণিও সেকালে খ্যাতির প্রাঙ্গণ থেকে অনেক দূরে থেকে নিজেদের সামাজিক কর্তব্য পালন করতেন, সমাজের জনমানসে তাঁদের ব্যক্তিত্বের কোনো প্রতিরূপ নিবদ্ধ করার কোনো প্রচেষ্টাই তাঁদের ছিল না। সমাজের পরিবেশ তখন অন্যরকম ছিল এবং প্রচার ও বিজ্ঞাপনের আধুনিক কলাকৌশল তখন উদ্ভাবিত হয়নি। কাজেই আত্মপ্রচারের কোনো উদ্ভট ইচ্ছা (সেকালের বিচারে উদ্ভটই বলতে হয়) যদি তখন কারও মনে নিভৃতে জেগে থাক, তাহলে নিরুপায় অবস্থায় অঙ্কুরেই তার বিনাশ হয়েছে। স্বনামখ্যাতি সম্বন্ধে অচেতনতার উল্লেখ্য দৃষ্টান্ত হল প্রাচীন ও মধ্যযুগের শিল্পীরা। প্রাচীন ও মধ্যযুগের শিল্পকলা—স্থাপত্য—ভাস্কর্যের যে বিস্ময়কর নিদর্শন দেশে দেশে দেখা যায়, তার স্রষ্টা শিল্পীদের কোনো পরিচয় বিশেষ পাওয়া যায় না, মাত্র কয়েকজন রাজসভার শিল্পী বা রাজপ্রসাদজীবী শিল্পী ছাড়া। আর যে বিপুল লোকসাহিত্য, লোকশিল্প ও লোকসংগীতের নিদর্শন জনসমাজে আজও ব্যাপক প্রেরণার উৎসরূপ, তারও স্রষ্টা—রচয়িতাদের নামগোত্র আজও আমাদের জানা নেই। সমাজের যৌথ প্রতিমাই (‘কালেকটিভ ইমেজ’) তখন মানুষের কাছে ব্যক্তিপ্রতিমার চেয়ে অধিকতর বাস্তব সত্য ছিল এবং সমস্ত সত্যকে আচ্ছন্ন করে ছিল শাসকদের ঈশ্বর—প্রতিনিধিত্বের বা অবতারত্বের সত্য, যার মধ্যে সমাজের সমস্ত ব্যক্তির সত্তা নিমজ্জিত। ব্যক্তিপ্রতিমার উৎকট প্রকাশেচ্ছা অথবা স্বনামধন্য বা ‘সিলেব্রিটি’ হওয়ার উদগ্র বাসনা তাই তখন লোকের মনে জাগত না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    কৌতুক সংগ্রহ
    Library
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কৌতুক বই
    গল্প, কবিতা

     

    ব্যক্তিসত্তা ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ হয়েছে ধনতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার অভ্যুদয়কালে। যদিও ধনতান্ত্রিক সমাজের প্রাথমিক মডেল গড়ে উঠেছে চতুর্দশ—পঞ্চদশ শতকের ইউরোপে এবং যাকে ‘রেনেসাঁস’ বা নবজাগরণ বলা হয় তার সূচনা হয়েছে তখন, তাহলেও ধনতন্ত্রের ঐতিহাসিক অগ্রগতি অষ্টাদশ শতক থেকেই আরম্ভ হয় এবং তার প্রকৃত স্বরূপ উদ্ঘাটিত হয় ঊনবিংশ শতকে। অষ্টাদশ শতকে জনসনের যুগের কফি হাউস—ট্যাভার্নের কলগুঞ্জনের মধ্যে কিছুটা মধ্যযুগীয় যূথচেতনার রেশ ছিল, ছোট ছোট গোষ্ঠী ছাড়িয়ে ব্যক্তির মধ্যে সেই চেতনার বিস্তার তখনও বিশেষ হয়নি। অবশ্য খাতির প্রাঙ্গণে ব্যক্তিবিশেষদের আনাগোনা তখন থেকেই শুরু হয়েছে বলা যায়। তারপর ঊনবিংশ শতকে ধনতন্ত্রের অবাধ অগ্রগতি ও তার সাম্রাজ্যবাদী বেশ ধারণের সময় সামাজিক জীবনে আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রয়াস রীতিমতো তীব্র হয়ে ওঠে। ইংল্যান্ড ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশের অজ্ঞাতকুশীলরা এই সময় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার দুঃসাহসিক অভিযানে বলবুদ্ধি প্রয়োগে কৃতিত্ব দেখিয়ে ইতিহাসে স্মরণীয় কীর্তিমান ও খ্যাতিমান ব্যক্তিরূপে প্রতিষ্ঠিত হন। এদিকে আর্থিক জীবনে ফ্রি মার্কেট, অবাধ বাণিজ্য ও প্রতিযোগিতায় সাফল্যলাভ সামাজিক জীবনে প্রতিষ্ঠার শ্রেষ্ঠ সোপান বলে গণ্য হয়। ব্যক্তিগত জীবনেও আত্মপ্রতিষ্ঠার প্রতিযোগিতা প্রখর হয়ে ওঠে। কিন্তু ঊনবিংশ শতকেও এই আত্মপ্রতিষ্ঠার মানদণ্ডগুলি অনেকটা সুনির্দিষ্ট ছিল, যেমন বিত্ত ও বিদ্যা। বিংশ শতকে, বিশেষ করে গত পঁচিশ—তিরিশ বছরের মধ্যে, যন্ত্রোন্নত ধনতান্ত্রিক সমাজের বাহ্যরূপের এমন বৈপ্লবিক পরিবর্তন হয়েছে এবং প্রচারযন্ত্র ও প্রচারকলার প্রভাব এত বেড়েছে যে ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠার কোনো মানদণ্ডই নির্দেশ করা এখন প্রায় অসম্ভব। আগেকার বিত্ত ও বিদ্যার মানদণ্ডগুলি যে বর্তমানে অচল হয়ে গেছে তা নয়, এখনও ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠা বা খ্যাতির দিক দিয়ে তাদের মূল্য আছে। কিন্তু বর্তমানকালের পাবলিসিটি বা প্রচারমূল্যের কাছে অন্য সবকিছুর মূল্য—ব্যক্তিগত গুণ বা প্রতিভা, এমনকী বহুদিনের শক্তিশালী মানদণ্ড ‘অর্থ’ পর্যন্ত বলা চলে। এখন নামটাই হয় বিখ্যাত, প্রচারযন্ত্রের পুনরাবৃত্তির ফলে, ব্যক্তি কী তা বিচার্য নয়। প্রচারযন্ত্র যখন কোনো কারণে বিকল ও স্তব্ধ হয়ে যায়, তখন সেই নামটাও আবার অসংখ্য নামের বিশাল নৈঃশব্দ্যের মধ্যে বিলীন হয়ে যায়; একদা—স্বনামধন্য ব্যক্তি অগণিত অজ্ঞাতকুলশীলের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যান। তখন কোনো মহানগরের বিশাল কোনো জনতার মধ্যে যদি কেউ তাঁকে দেখতে পেয়ে চিনতে পারেন, তাহলে তিনি হয়তো পাশের লোকটির কানে কানে বলেন, ‘ওই লোকটি কে জানেন? উনি ভজহরি মণ্ডল, ১৯৪২—৪৩—এ প্রায় প্রত্যহ যাঁর নাম খবরের কাগজে বেরুত।’ এই হল বর্তমানের স্বনামধন্য। অর্থাৎ ‘স্বনামধন্য’ এমন কতকগুলি নাম যা কেবল প্রচারধ্বনির জন্য ধন্য এবং সেই প্রচারধ্বনি নীরব হয়ে গেলে তাঁদের পক্ষে স্বনামধন্যতাও বজায় রাখা কঠিন। স্বনামধ্বনি যাঁর যত বেশি তিনি তত বেশি স্বনামধন্য, শুধু ধ্বনির জন্যই ধন্য।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    লাইব্রেরি
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বই
    বইয়ের
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    ইংরেজদের আগমনের পর কলকাতার নাগরিক সমাজে যে নতুন অভিজাত গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠা হয়, অর্থাৎ যাঁরা স্বনামধন্য হন, তাঁরা প্রধানত নানা উপায়ে উপার্জিত অর্থের জোরেই প্রতিষ্ঠা অর্জন করেন। ভারত সরকারের পররাষ্ট্র বিভাগের ১৮৩৯ সালের কাগজপত্রে তাঁদের নাম—পরিবারের একটি তালিকা পাওয়া যায়। কলকাতার বিভিন্ন অঞ্চলে তাঁদের নাম—পরিবারের সংখ্যা এই :

    বাগবাজার ৬ শোভাবাজার ৬

    শ্যামবাজার ৪ নিমতলা ২

    জোড়াবাগান ১ সিমলা ৩

    গরানহাটা ১ জোড়াসাঁকো ৩

    পাথুরিয়াঘাটা ১৮ বড়বাজার ১১

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    ডিজিটাল বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    PDF বই

     

    মেছুয়াবাজার ১ চোরবাগান ৪

    কলুটোলা ৬ পটলডাঙ্গা ১

    বহুবাজার ৩ মলঙ্গা ৩

    জানবাজার ৪ খিদিরপুর ২

    কাশীপুর ৩ ভবানীপুর ২

    এই ৮৪টি পরিবারে মোট প্রায় ১০০ জন উনিশ শতকের প্রথম ভাগে কলকাতা শহরে স্বনামধন্য ছিলেন। আমেরিকার মেট্রোপলিটন ৪০০—র মতো আমরা এই একশোজনকে বাংলার ‘মেট্রোপলিটন ১০০’ বলতে পারি। এঁরা প্রতিষ্ঠা অর্জন করেন অর্থের বা বিত্তের জোরে, মধ্যযুগের কুলকৌলীন্য বেশ কিছুটা নস্যাৎ করে দিয়ে। কী প্রকারে অর্থ উপার্জন করেন? সেই দীর্ঘ রোমাঞ্চকর ইতিহাস আবৃত্তির অবকাশ নেই এখানে। সংক্ষেপে ভবানীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষায় বলা যায় :

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    নতুন বই
    বই ডাউনলোড
    বই
    লেখকের বই
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    ইংরাজ কোম্পানি বাহাদুরের অধিক ধনী হওনের অনেক পন্থা করিয়াছেন এই কলিকাতা নামক মহানগর আধুনিক কাল্পনিক বাবুদিগের পিতা কিম্বা জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা আসিয়া স্বর্ণকার বর্ণকার কর্মকার চর্মকার চটকার মঠকার বেতনোভুক হইয়া কিম্বা রাজের সাজের কাঠের ঘাটের খাটের মঠের ইটের সরদারি চৌকিদারী জুয়াচুরি পোদ্দারি করিয়া… কিঞ্চিৎ অর্থসঙ্গতি করিয়া কোম্পানির কাগজ কিম্বা জমিদারি ক্রয়াধীন বহুতর দিবসাবসানে অধিকতর ধনাঢ্য হইয়াছেন ইহারা অখণ্ড দোর্দণ্ড প্রতাপান্বিত…

    নববাবুবিলাস (১৮২২—২৩)

    ‘ইংরাজ কোম্পানি বাহাদুরের অধিক ধনী হওনের অনেক পন্থা’ অবলম্বন করে কলকাতা শহরে যাঁরা ‘অধিকতর ধনাঢ্য’ হয়েছিলেন, নাগরিক সমাজে তখন তাঁরাই ছিলেন ‘অখণ্ড দোর্দণ্ড প্রতাপান্বিত’। তাঁরাই হলেন আমাদের বাংলার স্বনামধন্যদের আদিপুরুষ, আধুনিক যুগের প্রথম ‘সিলেব্রিটি’র দল। তাঁরা যেসব মোসাহেব ও পণ্ডিত পরিবেষ্টিত হয়ে থাকতেন, তাঁরাই ছিলেন তখন তাঁদের নামমাহাত্ম্যের প্রচারক, সংবাদপত্রের প্রচার তখন বড় একটা ছিল না, খুব সামান্য ছিল, ধর্তব্যের মধ্যে নয়। তাঁরা ছিলেন ‘ভিজুয়াল পাবলিসিটি’র বস্তু, অন্য কোনো যান্ত্রিক প্রচারের সাহায্যে তাঁরা স্বনামধন্য হননি। ‘দরিদ্রনারায়ণ’—এর সেবায়, পুত্রকন্যার বিবাহে, পিতৃমাতৃশ্রাদ্ধে, দেবদেউল প্রতিষ্ঠায় লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে তাঁরা স্বনামধন্যতা অর্জন করেছেন। তাঁদের স্বর্ণযুগ উনিশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ থেকে অস্তগামী হল, যখন আধুনিক শিক্ষার প্রচলনের ফলে বিত্তের সঙ্গে বিদ্যা ও কৃতিত্ব আত্মপ্রতিষ্ঠার মান হিসাবে মিশে গেল এবং তার সঙ্গে সংবাদপত্রের প্রচারকার্য আরম্ভ হল। স্বনামধন্যতার প্রতিযোগিতা বাড়ল সমাজে, তার প্রচারক্ষেত্র প্রসারিত হল সংবাদপত্রের মাধ্যমে। কিন্তু তথাপি খ্যাতি ও আত্মপ্রতিষ্ঠার এই পন্থা—প্রতিযোগিতার একটা সুবিন্যস্ত প্যাটার্ন ছিল এবং একটা যুক্তি বা বুদ্ধি—বিবেচনার গণ্ডির মধ্যে টেনে এনে তার বিচার করাও সম্ভব হত। কিন্তু দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর সমাজ ও ব্যক্তিজীবনের অনেক ক্ষেত্রেই যেমন অপ্রত্যাশিত বিপর্যয় ঘটেছে, আত্মপ্রতিষ্ঠা ও খ্যাতির ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠার পন্থা—প্রতিযোগিতার প্রচলিত প্যাটার্ন গত একপুরুষকালের মধ্যে ভেঙে একেবারে চুরমার হয়ে গেছে। মানুষের শ্রদ্ধা—ভক্তি—ভালোবাসার মনোভঙ্গিরও দ্রুত পরিবর্তন হচ্ছে। সকলের অগোচরে অতিদ্রুত একটা সামাজিক বিপ্লব হয়ে গেছে টেকনোলজিক্যাল অগ্রগতির জন্য। এত দ্রুত পরিবর্তন হয়েছে ও হচ্ছে যে তার পায়ের চিহ্ন পর্যন্ত আমাদের চেতনার তটে পড়েনি, তাই আমরা পরিবর্তনের রূপ দেখে বিহ্বল হয়ে যাই, যুক্তি বা বুদ্ধির কোনো গণ্ডির মধ্যে খুঁজে পাই না। অর্থনৈতিক উৎপাদনক্ষেত্রের ব্যাপক যন্ত্রীকরণের মতো, কম্পিউটার অটোমেশনের মতো, মানুষের সমাজের ও জীবনের সামগ্রিক যন্ত্রীকরণ হয়েছে আজ। মানুষের জীবন হয়েছে অটোমেশনের মডেল, তার হৃদয়, বুদ্ধি, যুক্তি সবই আজ কম্পিউটারের নামান্তর মাত্র। আজকের দিনে তাই যাঁরা এই যান্ত্রিক সমাজের সকল রকমের প্রচারযন্ত্রের মাধ্যমে ‘স্বনামধ্বনি’র সুযোগ পান, তাঁরাই যন্ত্রতুল্য মানুষের যান্ত্রিক বুদ্ধিযুক্তি জয় করে অতি সহজে ‘স্বনামধন্য’ হতে পারেন।

     

    আরও দেখুন
    লাইব্রেরি
    ই-বই পড়ুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    রেসিপি বই
    বইয়ের
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা বই
    লেখকের বই
    বই

     

    আধুনিক যন্ত্রীকৃত সমাজের শ্রেষ্ঠ দৃষ্টান্ত আমেরিকান সমাজ। বিজ্ঞান ও টেকনোলজির আশ্চর্য উন্নতির ফলে আমেরিকায় ভোগ্যপণ্যের প্রাচুর্য ও বৈচিত্র্য এত বেড়েছে যে মানুষ যেন সেখানে আজ অফুরন্ত অনির্বাণ উপভোগের ওয়ান্ডারল্যান্ডের অধিবাসী। সমাজবিজ্ঞানীরা আজকের আমেরিকানদের কনজিউমারল্যান্ডের বেবি (শিশু) বলেছেন। এই তাজ্জব দেশ ধনতান্ত্রিক ব্যবস্থার অধীন হওয়া সত্ত্বেও অর্থ ও ভোগেচ্ছার মোহে অন্ধ হয়ে মানুষ আজ সেখানে শোষণ—পীড়ন—দাসত্বের যন্ত্রণা পর্যন্ত কিছুটা ভুলে গেছে। একচেটিয়া ধনতন্ত্রের অথবা আধুনিক কর্পোরেট ব্যুরোক্রাটিক ধনতন্ত্রের কাঠামোর মধ্যে এই পণ্যপ্রাচুর্যের প্রথম ফল হয়েছে প্রতিযোগিতার জন্য বৈচিত্র্য, অনন্ত বৈচিত্র্য বলা চলে—যেমন হাজার রকমের হিটার ফ্রিজিডেয়ার কুকার রেডিয়ো টেলিভিশন অটোমোবিল কসমেটিক ইত্যাদি। বৈচিত্র্যজনিত প্রতিযোগিতায় মুনাফাসহ মাল বিক্রির তাগিদে আজ আমেরিকান সমাজে বিজ্ঞাপন বা প্রচারের মাহাত্ম্য ও গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। বিজ্ঞাপন আজ শুধু বিশেষরূপে জ্ঞাপন নয়, প্রচারকলা (অ্যাড—আর্ট) বিশেষ, এবং সমস্ত শিল্পকলার মধ্যে শ্রেষ্ঠ কলা প্রচারকলা। বড় বড় শক্তিমান শিল্পীরাও আজ হাজার হাজার ডলার বেতনে প্রচারকলার সাধনায় নিযুক্ত। ১৯৬৬ সালে আমেরিকার ব্যবসায়ীরা বিজ্ঞাপনের জন্য দু—হাজার কোটি ডলার (১৬ হাজার কোটি টাকা) খরচ করেন। ভারতবর্ষের মতো অর্ধোন্নত দেশের একটা বড় রকমের উন্নয়ন পরিকল্পনা এই টাকায় সার্থক হতে পারে। কীজন্য এই বিজ্ঞাপন? ক্রেতাদের মন ভুলিয়ে ফুসলিয়ে মাল বিক্রির জন্য এবং চটকদার মোড়ক, প্যাকেজ ও লেবেলের সাহায্যে। মাল যা—ই হোক, তাতে কিছু আসে—যায় না, বিক্রি নির্ভর করে মোড়কের আকর্ষণ, প্যাকেজের ডিজাইন ও লেবেলের চমকের উপর। মাল যদি বাজারের শ্রেষ্ঠ মাল হয়, কিন্তু তার মোড়ক ও প্যাকেজ যদি চিত্তাকর্ষক না হয়, তাহলে তা বিকোবার কোনো সম্ভাবনা নেই। বর্তমান যুগের বিজ্ঞাপনের এই ইতিহাস সবিস্তারে বর্ণনা করলে একালের শ্রেষ্ঠ এপিক উপন্যাস রচনা করা যায় এবং যে উপন্যাস যে—কোনো বিকৃত কামোদ উপন্যাসের চেয়েও আকর্ষণীয় হতে পারে। * আপাতত তাই বিজ্ঞাপন বা প্রচার প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে আমরা ‘স্বনামধন্য’র প্রসঙ্গে ফিরে আসছি। কিন্তু বিজ্ঞাপন প্রসঙ্গ এক্ষেত্রে অবান্তর নয়। ‘পাবলিসিটি’র সঙ্গে আধুনিক ‘সিলেব্রিটি’র সম্পর্ক এত ঘনিষ্ঠ যে বিজ্ঞাপন—প্রসঙ্গের এটুকু অবতারণা না করে উপায় নেই। এই বিজ্ঞাপন ও প্রচারসর্বস্ব সমাজের কথা ভাবলে মনে হয় যেন বর্তমান সমাজ একটা বিশাল ‘সেলসরুম’ ছাড়া কিচ্ছু নয়, যেখানে প্রত্যেকেই ‘সেলসম্যান’ :

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গল্প, কবিতা
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF বই
    PDF
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই পড়ুন

     

    The salesman’s world has now become everybody’s world, and… everybody has become a salesman…– C Wright Mills

    এই সেলসম্যানের সমাজে স্বনামধন্যতা নির্ভর করে সেলসম্যানশিপের কৃতিত্বের উপর। হরির দশরকম গুণ আছে, কিন্তু সে ভালো সেলসম্যান নয়, কাজেই বাজারে সে বেশি দামে বিকোল না, ‘সিলেব্রিটি’ হল না, অথচ এ রকমের গুণ নিয়ে ভজহরি ভালো সেলসম্যান বলে—অর্থাৎ সুযোগ্য আত্মবিক্রেতা বলে—খবরের কাগজে ডবল—কলম হেডিং—এও স্থান পেল এবং স্বনামধন্যও হয়ে গেল। বর্তমান যুগে বিদ্যার ক্ষেত্রে এই মোড়ক—লেবেল—প্যাকেজের মাহাত্ম্য যেরকম প্রকট, এরকম বোধহয় আর কোনো ক্ষেত্রেই নয়। সত্যিকার পণ্ডিত ও বিদ্বান ব্যক্তি যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের আকর্ষণীয় ডিগ্রির প্যাকেজ—লেবেলে ভূষিত না হন, তাহলে বিদ্বৎসমাজ বা সাধারণ সমাজে তাঁর যোগ্য সমাদার দুষ্প্রাপ্য ব্যাপার। অথচ আজকের সমাজে প্রচুর অর্ধশিক্ষিত লোক কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ম্যানিপুলেটেড’ ডিগ্রির প্যাকেজ—লেবেলের জোরে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে সমাজ—রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রভুত্ব করেছেন দেখা যায়। আজকের তরুণ বিদ্রোহ ও ছাত্র বিদ্রোহ প্রধানত বিদ্যার এই সেলসম্যানশিপ ও প্যাকেজ—মাহাত্ম্যের বিরুদ্ধে পরিচালিত এবং পাঠ্য বিষয় পরীক্ষা শিক্ষক—অধ্যাপক—উপাচার্যের প্রতি তাদের অশ্রদ্ধা ও অবজ্ঞা প্রদর্শনের একটা বড় কারণও তা—ই। ফ্রান্সের কোঅন—বাঁদিত থেকে আরম্ভ করে পৃথিবীর সমস্ত দেশের তরুণ ছাত্রনেতাদের উক্তি, বিবৃতি ও রচনা থেকে তা পরিষ্কার—বোঝা যায়। কে না জানে যে বাইরের সমাজের যাবতীয় দুর্নীতি, নৈতিক অবনতি, পরস্পর—পিঠ—চুলকানি, স্বজনপোষকতা প্রভৃতি ব্যাধির উপসর্গ (বয়োজ্যেষ্ঠদের) আজকের বিদ্যায়তনে ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যধিক প্রকট হয়ে উঠেছে। সরকারি তদন্ত কমিশন কিছুদিন আগে (১৯৬৭) বিহারের বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্টে বলেছেন—

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    Library
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা কৌতুক বই
    ডিজিটাল বই
    Books
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    পিডিএফ

     

    …things are really unspeakably bad in Bihar University, The rot has run deep, very deep… It is no longer a University.

    যেমন বিহারে, তেমনি অন্যান্য প্রদেশে, এবং শুধু এ দেশের প্রদেশে নয়, পৃথিবীর সর্বত্র। সরকারি তদন্ত কমিশন এমন কথাও বলেছেন, ভাগলপুর বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে, যে টাকা দিলে যে—কোনো ডিগ্রি পাওয়া যায়, যেরকম ডিগ্রি সেরকম টাকার পরিমাণ। বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যায়তন নাম এরকম একটি পচাগলা বিকৃত শব—প্রতিষ্ঠানকে যদি সমাজের ভবিষ্যতের মানুষ, অর্থাৎ তরুণরা, উচ্ছেদ করার জন্য আন্দোলন করে, তাহলে তার বাইরের রূপ যতই উচ্ছৃঙ্খল মনে হোক, কেবল অভিসম্পাত বর্ষণ করে তা বন্ধ করা যাবে না। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের শোচনীয় অবনতি ও পচন যেমন সত্য, তেমনি তার বিরুদ্ধে ছাত্র বিদ্রোহটাও নির্মম বাস্তব সত্য। কোনো সত্যই কেবল হাহুতাশ, কপাল—চাপড়ানি ও কটুবাক্য দিয়ে অপসারিত করা যাবে না।

    আগে বলেছি যে আধুনিক যুগে স্বনামধন্যতার দুটি বড় সোপান হল—বিত্ত ও বিদ্যা। বিত্তের অখণ্ড প্রতিপত্তি যতদিন মার্কেটতুল্য সমাজে থাকবে, ততদিন বিত্তবানেরও প্রতিপত্তি থাকবে, কেউ খণ্ডাতে পারবে না। যদিও বিত্তবানের রূপ আজ অনেক বদলে গেছে, যেমন শিল্প মালিক ও তাঁর ম্যানেজার বা প্রধান কর্মসচিব উভয়েই বিত্তবান—একজন মালিক ও অন্যজন তাঁর অধীন কর্মী—কিন্তু তাহলেও প্রত্যক্ষ প্রতিপত্তি ম্যানেজার বা কর্মসচিবের অনেক বেশি (যদিও মালিকের তুলনায় তাঁদের বিত্ত অনেক কম) এবং স্বনামধন্য বর্তমান সমাজে ম্যানেজার ও কর্মসচিব, তাঁদের মালিকরা নন। বিদ্যা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি হয়েছে যে—কোনো ভোগ্যপণ্য বা বিক্রয়পণ্যের মতো চটকদার প্যাকেজ—লেবেলসর্বস্ব। কাজেই বিদ্বানদের সিলেব্রিটিও এ যুগে ডিগ্রি নামক প্যাকেজ—ডিজাইন ও লেবেল প্রচারের উপর নির্ভরশীল। তাহলে দেখা যাচ্ছে, সবার উপরে মানুষ নয়, তার গুণ চরিত্র প্রতিভা নিষ্ঠা কিছুই নয়, প্যাকেজ—লেবেল—ট্রেডমার্ক ও প্রচারই বড় সত্য, এবং যাঁর প্যাকেজের ডিজাইন চিত্তাকর্ষক, যার প্রচারের ধ্বনি বেশি, তিনিই বর্তমান সমাজে সবচেয়ে বেশি স্বনামধন্য। সারবস্তু বা পদার্থ কিছুই নয়, লেবেলটাই মহাসত্য, যেমন ভোগ্যপণ্যের বাজারে, তেমনি বিদ্যাপণ্যের বাজারে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাইশে শ্রাবণ
    লেখকের বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    নতুন বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বুকস্টোর

     

    যন্ত্রীকৃত সমাজ, বহুজনতন্ত্র (‘মাস ডেমোক্রাসি’), অর্ধশিক্ষিতের বিপুল বন্যা (শিক্ষামানের শোচনীয় অবনতির জন্য), ভোটতান্ত্রিক রাজনীতির যান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ এবং যান্ত্রিক আমোদপ্রমোদ ও অবসর বিনোদন ইত্যাদির ফলে ব্যক্তিমুখী আকর্ষণও যান্ত্রিক উত্তেজনাশ্রিত হয়ে উঠেছে। আমেরিকান সমাজে আজ যাঁরা এক নম্বরের স্বনামধন্য তাঁরা হলেন (রাইট মিল্স)—

    Movie Stars

    Broadway Actors

    Sportsmen

    Crooners

    Dinner Show Clowns

     

    আরও দেখুন
    PDF
    বাইশে শ্রাবণ
    ডিকশনারি
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    কলকাতা—দিল্লির সমাজের সঙ্গে কোনো পার্থক্য আছে কি? একেবারেই নেই। কিছুদিন আগে কোনো চিত্রতারকাকে কলকাতার পৌরসভা থেকে অভিনন্দিত করার আয়োজন করা হয়, কিন্তু সভা প্রায় পণ্ড হয়ে যায় দর্শনাকাঙ্ক্ষী মুগ্ধ ভক্তদের উন্মত্ত আচরণে। সংবাদপত্রে ডবল—কলম হেডিং—এ খবর দেওয়া হয়।

    FANS GO WILD AT CIVIC RECEPTION

    আরও কিছুদিন পরে যখন চিত্রতারকারা রাইটারস’ বিল্ডিংস—এ তাঁদের আরজি পেশ করতে যান তখন সেখানকার কর্মীদের (যাঁরা প্রগতিশীল বামপন্থী রাজনীতিসচেতন বলে শোনা যায়) কলরবে ও ছুটোছুটিতে মহাকরণ কেঁপে ওঠে।

    FILM STARS’ ENTRY CREATES

    CHOAS IN WRITERS’ BUIDINGS

    সংবাদপত্রের ডবল—কলম হেডিং। নিউ ইয়র্ক ও কলকাতা—দিল্লির মধ্যে আজ আর স্বনামধন্যতা ও জনপ্রিয়তার কোনো তফাত নেই। চিত্রতারকা যেমন খেলোয়াড়ও তেমনি শ্রেষ্ঠ আকর্ষণীয় ব্যক্তি, তার প্রমাণ খেলার মাঠ থেকে খেলোয়াড়দের হোটেল পর্যন্ত সবসময় পাওয়া যায়। হোটেলের ক্রুনার ও ক্লাউনরাও তাঁদের জগতে বেশ স্বনামধন্য, কাগজের বিজ্ঞাপনে ও হোটেলের হলঘরে মাইকের প্রচারে তাঁদের ‘সিলেব্রিটি’ তৈরি করা হয়। সাহিত্যক্ষেত্রে সিনেমা—পত্রিকা ও দৈনিক সংবাদপত্র সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং বর্তমান সাহিত্যের গতিপ্রকৃতির প্রধান নিয়ন্ত্রক। লোকরুচি তাঁরাই তৈরি করেন। কাজেই বর্তমানকালে সম্পাদক, সাংবাদিক ও রিপোর্টারই সাহিত্যজগতের শ্রেষ্ঠ স্বনামধন্য ব্যক্তি। জনসংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার তাঁদের আয়ত্তে, তাঁরা ইচ্ছা করলে শিবকে বাঁদর এবং বাঁদরকে শিব করতে পারেন, হয়কে নয় এবং নয়কে হয়ও করতে পারেন। এ যুগের খবরের কাগজ সাধারণের কাছে বেদ—বাইবেলের মতো। কাজেই সকল শ্রেণির লোককে—বিশেষ করে যাঁরা স্বনামধন্য হতে চান—সাংবাদিকদের তোষামোদ করতে হয়, যদি একটু আত্মপ্রচারের সুযোগ পাওয়া যায়—এবং তার ফলে সাংবাদিকরা অটোমেডিকালি স্বনামধন্য হয়ে যান। এ ছাড়া, রাজনৈতিক নেতারা স্বনামধন্যদের মধ্যে শীর্যস্থানীয়, তালি ও ধ্বনির জোয়ারে এত সহজে তাঁরা স্বনামধন্যতার তরঙ্গশীর্ষে উঠতে পারেন, যা সমাজের আর কোনো শ্রেণির লোকের পক্ষে সম্ভব নয়। রাজনৈতিক নেতাদের বাদ দিলে, আধুনিক আমেরিকান সমাজে, বিভিন্ন গোষ্ঠীর স্বনামধন্যদের শতকরা হার এইরকম দাঁড়ায় (রাইট মিলস)—

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা বই
    পিডিএফ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই

     

    ক. সিনেমা, রেডিয়ো, প্রমোদ, স্পোর্টস, সাংবাদিকতা : শতকরা ৩০ জন

    খ. বনেদি ধনী, কিন্তু নতুন কৃতিত্বের অধিকারী : শতকরা ১২ জন

    গ. প্রতিষ্ঠানের এগজিকিউটিভ, ম্যানেজার, সরকারি

    উচ্চপদের কর্মী, অল্পসংখ্যক বিজ্ঞানী, ডাক্তার, শিক্ষাবিদ : শতকরা ৫৮ জন

    আমাদের দেশের সমাজ এখনও আমেরিকার মতো সম্পূর্ণ যন্ত্রীকৃত ও অর্থোন্নত হয়নি, কাজেই স্বনামধন্যদের শ্রেণিগত শতকরা হারের কিছু তারতম্য এখানে হবে, কিন্তু প্যাটার্ন বা বিন্যাস একই রকমের, এবং সেটাই বড় কথা।

    ‘সিলেব্রিটি’ বা স্বনামধন্যতার দুর্বার গতি আজ রাজনৈতিক নেতা, চিত্রতারকা, খেলোয়াড়, ক্রুনার—ক্লাউন ও ভজহরি মণ্ডলদের দিকে। বিজ্ঞানী শিল্পী সাহিত্যিক দার্শনিক পণ্ডিত এঁরা আজ স্বনামধন্যদের সমাজে উপেক্ষিত প্রলেটারিয়েট শ্রেণিভুক্ত, অর্থাৎ সর্বনিম্নস্তরভুক্ত। একটি দৃশ্য কলকাতা শহরে স্বচক্ষে একদিন দেখেছি যা আজও ভুলতে পারিনি। কলকাতার একটি বড় হোটেলে আমাদের দেশের ও বিদেশের কয়েকজন বিখ্যাত (স্বনামধন্য নন) বিজ্ঞানী এসেছিলেন বোধহয় বিজ্ঞান কংগ্রেস উপলক্ষে। সেই সময় কয়েকজন ক্রিকেট খেলোয়াড় ও একজন চিত্রতারকাও সেই হোটেলে ছিলেন। হোটেলের সামনে বিরাট জনতা, ঠেলাঠেলি—হুড়োহুড়ি, খেলোয়াড়রা ও চিত্রতারকারা বেরুবেন, তাঁদের দর্শনের জন্য। এমন সময় বৈজ্ঞানিকরাও তাঁদের কর্মোপলক্ষে বেরিয়ে আসছিলেন, ঠেলাঠেলির ধাক্কায় তাঁরা ফুটপাতে পড়ে যান, একজন বৃদ্ধ বিজ্ঞানী রীতিমতো আহত হন। তাঁকে চ্যাংদোলা করে হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ ভ্যান এসে কাঁদুনে গ্যাস ছেড়ে চিত্রতারকা ও খেলোয়াড়দের বহির্গমনের পথ মুক্ত করে দেন। যান্ত্রিক বহুজনসমাজে এই হল সিলেব্রিটির স্বরূপ।

    তাই ভাবছিলাম, আজকের কলকাতার রাজপথে, চৌরঙ্গির উপর দিয়ে যদি আইনস্টাইন—রাসেল অথবা রামমোহন—বিদ্যাসাগর বা বঙ্কিমচন্দ্র হেঁটে যেতেন, তাহলে কী দৃশ্য আমরা দেখতাম! মহানগরের রাজপথের কিছু যাযাবর কুকুর, ভ্রাম্যমাণ ষাঁড় ও ফুটপাতের ভিখিরি তাঁদের পেছন পেছন যাচ্ছে, এ ছাড়া আর একটি লোকও নেই। কারণ তাঁরা চিত্রতারকা, খেলোয়াড়, রাজনৈতিক নেতা অথবা ভজহরি মণ্ডলের মতো স্বনামধন্য নন।

    ……

    * এই গ্রন্থের বিজ্ঞাপন ও মন’ প্রবন্ধ দ্রষ্টব্য।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রবন্ধ সংগ্রহ – বিনয় ঘোষ
    Next Article বিদ্রোহী ডিরোজিও – বিনয় ঘোষ

    Related Articles

    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ২ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    জনসভার সাহিত্য – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার বিদ্বৎসমাজ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাংলার সামাজিক ইতিহাসের ধারা – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    কলকাতা শহরের ইতিবৃত্ত ১ – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    বিনয় ঘোষ

    বাদশাহী আমল – বিনয় ঘোষ

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }