Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প245 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. আমাকে কিছু করতে হলো না

    আমাকে কিছু করতে হলো না, মেমসাহেব আমার একটা অ্যাটাচির মধ্যে দুদিনের প্রয়োজনীয় সব কিছু ভরে নিয়েছিল। আমি দু’একবার এটা ওটা নেবার কথা বলেছিলাম। ও বলেছিল, তুমি চুপ করে তো।

    আমি চুপ করেছিলাম। রাত্রে আমেদাবাদ মেল ধরে পরদিন ভােরবেলায় জয়পুর পৌঁছলাম।

    ট্ৰেনে?

    ট্রেনের কথা কি লিখব? সেকেণ্ড ক্লাসে গিয়েছিলাম। কম্পার্টমেন্টে আরো প্যাসেঞ্জার ছিলেন। অনেক কিছুই তো ইচ্ছা করেছিল। কিন্তু…। তবে দুজনে এক কোণায় বসে অনেক রাত পৰ্যন্ত গল্প করেছিলাম। মেমসাহেবকে শুতে বলেছিলাম। কিন্তু রাজী হয় নি। ও বলেছিল, তুমি শোও। আমি তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছি।

    না, না, তা হয় না।

    কেন হবে না?

    তুমি জেগে থাকবে। আর আমি ঘুমাব?

    আগে তুমি একটু ঘুমিয়ে নাও। পরে আমি ঘুমাব।

    আমার ঘুমুতে ইচ্ছা করছিল না। তাই বললাম, তাছাড়া এইটুকু জায়গায় কি ঘুমান যায়?

    এইত আমি সরে বসছি। তুমি আমার কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে পড়া।

    আমার হাসি পেল।

    হাসছ কেন?

    হাসতে হাসতেই আমি জবাব দিলাম, রেলের এই কম্পার্টমেন্টেও কি তুমি আমাকে আদর করবে?

    ও রেগে গেল। বেশ করব। একশবার করব। আমি কি পরপুরুষকে আদর করছি?

    মেমসাহেব একটু সরে বসল। আমি ওর কোলে মাথা রেখে শুয়ে পড়লাম।

    ও আমার মাথায় মুখে হাত দিয়ে আদর করে ঘুম পাড়াবার চেষ্টা শুরু করল। কয়েক মিনিট বাদে মুখটা আমার মুখের পর এনে জিজ্ঞাসা করল, কি ঘুমুচ্ছ?

    ঘুমুবে না?

    কেন?

    এত সুখে, এত আনন্দে ঘুম আসে না।

    এবার মেমসাহেব হাসল। জিজ্ঞাসা করল, সত্যি ভাল লাগছে?

    খুব ভাল লাগছে।

    ও চুপ করে যায়। কিছু পরে ও আবার হুমঢ়ি খেয়ে আমার মুখের পর পড়ল। বললে, একটা কথা বলব?

    বল।

    তুমি রোজ এমনি করে আমার কোলের পর মাথা রেখে শোবে, আর আমি তোমাকে ঘুম পাড়িয়ে দেব।

    কেন?

    কেন আবার? আমার ইচ্ছা করে, ভাল লাগে।।

    আমি কোন উত্তর দিলাম না। ওর কোলের মধ্যে মুখ গুঁজে দিয়ে হাসছিলাম।

    মেমসাহেব দু’হাত দিয়ে আমার মুখটা নিজের দিকে ঘুরিয়ে নিয়ে বললো, হাসছ কেন?

     

     

    এমনি।

    না, তুমি অমন করে হাসবে না!

    বেশ।

    মেমসাহেব। আবার আমার মাথায় মুখে হাত বুলিয়ে দিতে লাগল। আমার ভীষণ ভাল লাগছিল যে সত্যি সত্যিই আমি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম।

    ঘুম ভেঙেছিল একেবারে তোরবেলায়। ঘড়িতে দেখলাম সাড়ে চারটে। মেমসাহেবও ঘুমুচ্ছিল। দুহাতে আমার মুখটা জড়িয়ে ধরে মাথাটা হেলান দিয়ে বসে বসেই ঘুমুচ্ছিল। ভীষণ লজ্জা, ভীষণ কষ্ট লাগল। আমি উঠে বসতেই ওর ঘুম ভেঙে গেল। আমি কিছু বলবার আগেই ও জিজ্ঞাসা করল, উঠলে যে?

    আমি ওর প্রশ্নের জবাব না দিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, কটা বাজে জান?

    কটা?

    সাড়ে চারটে।

    তাই বুঝি।

    তুমি সারা রাত্রি এইভাবে বসে বসেই কাটালে?

    ঐ আবছা আলোতেই আমি দেখতে পেলাম একটু হাসিতে মেমসাহেবের মুখটা উজ্জল হয়েছিল। বললে, তাতে কি হলো।

    আমি রেগে বললাম, তাতে কি হলো? সারা রাত্রি আমি মজা করে শুয়ে রইলাম আর তুমি বসে বসে কাটিয়ে দিলে?

    শান্ত স্নিগ্ধ মেমসাহেব আমার মুখে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললে, রাগ করছ, কেন? বিশ্বাস কর, আমার একটুও কষ্ট হয় নি।

    আমি উপহাস করে বললাম, না, না, কষ্ট হবে কেন? বড্ড আরামে ঘুমিয়েছি।

    আবার সেই মিষ্টি হাসি, স্নিগ্ধ শান্ত কণ্ঠ। আরাম না হলেও আনন্দ তো পেয়েছি।

    জান দোলাবৌদি, পোড়াকপালী এমনি করে ভালবেসে আমার সর্বনাশ করেছে।

    জয়পুরে গিয়ে কি করেছিল জান? হোটেলে গিয়ে স্নান করে ব্রেকফাস্ট খাবার পর আমি বললাম, কাপড়-চোপড় পালটে নাও।

    কেন?

    কেন আবার? ঘুরতে বেরুবা।

    কোথায় আবার ঘুরবে?

    জয়পুর এসে সবাই যেখানে ঘুরতে যায়।

    ও বললে, আমি তো অম্বর প্যালেস বা হাওয়া মহল দেখতে আসিনি।

    তবে জয়পুর এলে কেন?

    কেন আবার? তোমাকে নিয়ে বেড়াতে এলাম। এতদিন ধরে পরিশ্রম করছি। তাই একটু বিশ্রাম পাবে বলে জয়পুর এলাম।

    আমি বললাম, দিল্লীতেই তো বিশ্রাম করতে পারতাম।

    ভাবলাম আমার সঙ্গে একটু বাইরে গেলে আরো ভাল লাগবে, তাই এলাম।

    লনের এক কোণায় একটা গাছের ছায়ায় বসে বসে। সারা সকাল কাটিয়ে দিলাম। আমরা।

    ওগো তুমি যখন গাড়ি কিনবে তখন প্ৰত্যেক উইক-এণ্ডে আমরা বাইরে বেরুব। কেমন?

    আঙুল দিয়ে নিজের দিকে দেখিয়ে বললাম, আমি গাড়ি কিনব?

    তবে কি আমি কিনব?

    তুমি কি পাগল হয়েছ?

    কেন তুমি বুঝি গাড়ি কিনবে না?

    দূর পাগল। আমি গাড়ি কেনার টাকা পাব কোথায়?

    ও যেন সত্যি একটু রেগে গেল। তুমি কথায় কথায়, আমায় পাগল পাগল বলবে না তো।

    পাগলের মত কথা বললেও পাগল বলব না?

    ভ্রূ কুঁচকে ও প্ৰায় চীৎকার করে বললে, না।

    একটু পরে আবার বললে, গাড়ি কেনবার কথা বলায় পাগলামি কি হলো?

    আমি একটা সিগারেট ধরিয়ে ওর মুখে ধুঁয়া ছেড়ে বললাম, কিচ্ছু না।

    আশ্চৰ্য আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ও বললে, দেখ না এক বছরের মধ্যে তোমার গাড়ি হবে।

    তুমি জান?

    একশ বার জানি।

    একটু পরে আবার কি বললো জান? মেমসাহেব আমার গা ঘোষে বসে আমার কাঁধের ’পর মাথা রেখে আধো-আধো স্বরে বললে, ওগো, তুমি আমাকে ড্রাইভিং শিখিয়ে দেবে?

    ও তখন বোয়িং সেভেন-জিরো-সেভেনের চাইতেও অনেক বেশী গতিতে উপরে উঠছিল। সুতরাং আমি অযথা বাধা দেবার ব্যর্থ চেষ্টা না করে বললাম, নিশ্চয়ই।

    মনে মনে আমার হাসি পাচ্ছিল। কিন্তু অনেক চেষ্টায় সে হাসি চেপে রেখে বেশ স্বাভাবিক হয়ে জানতে চাইলাম, কি গাড়ি কিনতে চাও?

    আমার প্রশ্নে ও খুব খুশি হলো। হাসিতে মুখটা ভরে গেল। টান টানা চোখ দু’টো যেন আরো বড় হলো। বললে, তোমার কোন গাড়ি পছন্দ?

    ওকে সন্তুষ্ট করবার জন্য বললাম, গাড়ি কিনলে তো তোমার পছন্দ মতই কিনব।

    ও মনে মনে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত করে রেখেছিল। তাইতো মুহুর্তের মধ্যে উত্তর দিল, স্ট্যাণ্ডার্ড হেরল্ড।

    তোমার বুঝি স্ট্যাণ্ডার্ড হেরল্ড খুব পছন্দ, আমি জানতে চাইলাম।

    গাড়িটা দেখতেও ভাল, তাছাড়া…

    ।মেমসাহেব এগুতে গিয়ে একটু থামল। তাই আমি জিজ্ঞাসা করলাম, তাছাড়া কি?

    হাসি হাসি মুখে ও উত্তর দিল, ঐ গাড়িটা যে টু-ডোর। তাতে কি হলো? যেন মহা বোকামি করেই ঐ প্রশ্নটা করেছিলাম, ও বললো, বাঃ, তাতে কি হলো?

    খুব সিরিয়াস হয়ে বললে, বাচ্চাদের নিয়ে ঐ গাড়িতে যাওয়ায় কত সুবিধা জান? হঠাৎ দরজা খুলে পড়ে যাবার কোন ভয় নেই, তা জান?

    মেমসাহেবের কল্পনার বোয়িং সেভেন-জিরো-সেভেন তখন চল্লিশ হাজার ফুট উপরে উড়ছে। তাছাড়া প্ৰায় সাড়ে পাঁচশ-ছাঁ শো মাইল স্পীডে ছুটে চলেছিল। আমি সেই উড়ো জাহাজের কো-পাইলট হয়েও ওকে পালামের মাটিতে নামাতে পারলাম না। মনে মনে কষ্ট হলো। তাছাড়া আগামী দিনের ওর স্বপ্ন হয়ত আমারও ভাল লেগেছিল। মুখে শুধু বললাম, হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক বলেছ।

    দুপুর বেলা লাঞ্চের পর দুজনে শুয়ে শুয়ে আরো কত গল্প শুনলাম।…

    ওগো, খোকনের খুব ইচ্ছা একবার তোমার কাছে আসে।

    আমি বললাম, পাঠিয়ে দিও না।।

    না, না, এখন না। আগে আমাদের সংসার হোক, তারপর আসবে।

    আমি জানতে চাইলাম, আচ্ছা মেমসাহেব, তুমি খোকনকে খুব ভালবাস, তাই না?

    মেমসাহেব বললে, কি করব বল? কাকাবাবুকে তো আমরা কোনদিনই ভাড়াটে ভাবি না। কাকিমা বেঁচে থাকলে হয়ত অতি–মেলামেশা ভাব হতো না। তাছাড়া কাকাবাবু অফিস আর টিউশনি নিয়ে প্রায় সারাদিনই বাড়ির বাইরে। তাই আমরা ছাড়া খোকনকে কে দেখবে বলো?

    আমি বললাম, তাতো বুঝলাম। কিন্তু তুমি খোকনকে একটু বেশী ভালবাস।

    পাশ ফিরে শুয়ে আমাকে আর একটু কাছে টেনে নিয়ে ও বললে, কেন তোমার হিংসা হয়?

    আমি উত্তর দিলাম, আমার হিংসা হবে কেন?

    আমিও একটু পাশ ফিরে শুলাম। বললাম, গতবার খোকন যখন ম্যাট্রিক পরীক্ষা দিল, তখন তুমি কি কাণ্ডটাই না করলে?

    করব না? আমরা ছাড়া ওর কে আছে বল?

    আমরা, আমরা বলছি কেন? বল আমি ছাড়া কে করবে?

    ও কোন উত্তর দিল না। শুধু হাসল। একটু পরে আমার মুখে হাত বুলিয়ে দিতে দিতে বললে, আমি বাড়ির মধ্যে সব চাইতে ছোট। কেউ আমাকে দিদি বলে ডাকে না। ছোটবেলা–থেকেই আমার একটা ভাই এর শখ।….

    তাই বুঝি?

    কি যেন ভেবে ও হাসল। জিজ্ঞাসা করলাম, হাসছ কেন? ছোটবেলার একটা কথা মনে হলো। কি কথা?

    মেমসাহেব। আবার হাসল। বললে, ছোটবেলায় একটা ভাই দেবার জন্য আমি মাকে খুব বিরক্ত করতাম।

    আমি হাসলাম।

    হাসতে হাসতেই ও বললে, সত্যি বলছি, অনেকদিন পৰ্যন্ত একটা ভাই দেবার জন্য মাকে বিরক্ত করেছি। আর আমি যেই ভাই এর কথা বলতাম সঙ্গে সঙ্গে দিদিরা চলে যেত। আর মা আমাকে বকুনি দিয়ে ভাগিয়ে দিতেন।

    তাই বুঝি তুমি খোকনকে এত তালবাস?

    অনেকটা তাই। তাছাড়া খোকন ছেলেটাও ভাল আর আমাকেও ভীষণ ভালবাসে।

    সেকথা সত্যি।

    ও চট করে আমার ঠোঁটে একটু ভালবাসার স্পর্শ দিয়ে বললো, থ্যাঙ্ক ইউ।

    পরে আবার মেমসাহেব বলেছিল, সকাল বেলায় ধুতি পাঞ্জাবি পরে খোকন যখন কলেজে যায়, তখন আমার ভীষণ ভাল লাগে।

    লাগবেই তো। নিজে হাতে নিজের স্নেহ দিয়ে যাকে এত বড় করেছ, সেই ছেলে বড় হলে, তাল হলে, নিশ্চয়ই ভাল লাগবে।

    একটু থামি, একটু হাসি। ও জিজ্ঞাসা করল, আবার হাসছ কেন?

    এমনি।

    এমনি কেন?

    আবার হাসলাম, আবার বললাম, এমনি।

    মেমসাহেব পীড়াপীড়ি শুরু করে দিল। এমনি কেন হাসছ বল না।

    হাসতে হাসতেই আমি বললাম, বলব?

    বলো।

    আবার হাসলাম। বললাম, সত্যি বলব?

    মেমসাহেব কনুই এর ভর দিয়ে আমার মুখের ওপর হুমডি খেয়ে বললে, বলছি তো বল না।

    দু’হাত দিয়ে ওর মুখটা টেনে নিয়ে কানে কানে জিজ্ঞাসা করলাম, আমাদের খোকন কবে হবে?

    মেমসাহেবও আমার কানে কানে বললে, তুমি যেদিন চাইবে?

    সিওর?

    সিওর।

    ওকে জড়িয়ে ধরে আদর করে বললাম, থ্যাঙ্ক ইউ ভেরী মাছ।

    ও হাসতে হাসতে উত্তর দিল, নট অ্যাট অল! ইট ইউল বী মাই প্লেজার।

    আর ইউ সিওর ম্যাডাম?

    ইয়েস স্যার, আই এ্যাম সিওর।

    এই কথার পর দুজনেরই যেন কি হলো। কি যেন সব দুষ্টুমি বুদ্ধির ঝড় উঠল। দুজনেরই মাথায়। সেদিন দুপুরে ঐ শান্ত স্নিগ্ধ মেমসাহেব যে কি কাণ্ডটাই করল। পরে আমি বলেছিলাম, জান মেমসাহেব, তোমাকে দেখে বুঝা যায় না তোমার মধ্যে এত দুষ্টুমি বুদ্ধি লুকিয়ে আছে।

    ও পাশ ফিরে মুখ ঘুরিয়ে শুয়ে বললে, বাজে বকো না।

    পরের দিন ভোরবেলায় এলাম সিলিসের। লেকের ধারে পাহাড়ের পর এককালের রাজপ্ৰাসাদ এখন সরকারী পান্থশালা। দোতলার ম্যানেজারের খাতায় নাম ধাম লিখে ঘরের চাবি নিয়ে তিন-তলার ছাদে এসে দাঁড়াতেই মেমসাহেব লেক আর পাহাড় দেখে মুগ্ধ হলো। বললো, চমৎকার।

    মাথায় ঘোমটা, কপালে বিরাট সিদুরের টিপ, চোখে সানগ্লাস দিয়ে মেমসাহেবকে এই পরিবেশে আমার যেন আরো হাজার হাজার গুণ ভাল লাগল। আমি বললাম, সত্যি চমৎকার।

    তা আমার দিকে তাকিয়ে বলছি কেন?

    এই লেক, পাহাড় আর এই রাজপ্রাসাদের চাইতেও তোমাকে বেশী ভাল লাগছে।

    আমার প্রশংসা গ্ৰাহ না করে ও ছাদের চারপাশ ঘুরে ঘুরে লোক আর পাহাড় দেখছিল। ইতিমধ্যে ছাদের ওপাশ থেকে অকস্মাৎ এক সদ্য বিবাহিতা মহিলা মেমসাহেবের কাছে এসে জিজ্ঞাসা করলেন, আপনারা বাঙালী?

    ও একবার ঘাড় বেঁকিয়ে সানগ্রাসের মধ্য দিয়ে আমাকে দেখে নিয়ে বললো, হ্যাঁ। একটু থেমে জানতে চাইল, আপনি?

    ভদ্রমহিলা বত্ৰিশ পাটি দাঁত বার করে বললেন, আমরাও বাঙালী।

    আমি মনে মনে বললাম, এখানেও কি একটু নিশ্চিন্তে থাকতে পারব না?

    ভদ্রমহিলা থামলেন না। আবার প্রশ্ন করলেন, কোথায় থাকেন আপনারা?

    মেমসাহেব অস্বস্তিবোধ করলেও ভদ্রমহিলার আগ্রহের তৃষ্ণা না মিটিয়ে আসতে পারছিল না। বল্লো, দিল্লী।

    দিল্লীতে? কোথায়? লোদী কলোনী?

    না, ওয়েস্টার্ন কোটে।

    আপনার স্বামী কি গভর্ণমেণ্টে আছেন?

    না, উনি জার্নালিস্ট।

    বেয়ারা ঘরের দরজা খুলে অ্যাটাচিটা রেখে দিল। আমি এবার ডাক দিলাম, শোন।

    মেমসাহেব মাথার ঘোমটাটা একটু টেনে বললে, এখন আসি। পরে দেখা হবে।

    আমরা আজ বিকেলেই আজমীঢ় চলে যাব।

    আজই? মেমসাহেব মনে মনে দুঃখ পাবার ভান করল।

    ও ঘরের দরজায় আসতেই আমি বললাম, তুমি ওকে বলো এক্ষুনি বিদায় নিতে।

    সানগ্লাসটা খুলতে খুলতে ও বললে, আঃ, শুনতে পাবেন। মেমসাহেব চুল খুলতে বসল। আমি বাথরুমে ঢুকলাম। স্নান সেরে বেরিয়ে আসতেই ও আমাকে বললে, তুমি সাবান, তোয়ালে নিয়ে যাওনি?

    বাথরুমেই তো ছিল। ওতো হোটেলের  তাতে কি হলো? কাচান তোয়ালে নতুন সাবান ব্যবহার করলে কি হয়েছে?

    কিছু হোক। আর নাই হোক, আমার তোয়ালে-সাবান থাকতে তুমি কেন হোটেলের জিনিস ব্যবহার করবে?

    মেমসাহেবও স্নান সেরে নিল। বেয়ারাকে ডেকে বললাম,

    নাস্তা লে অ্যাও।

    ব্রেকফাস্ট খেয়ে সোফায় এসে বসলাম দুজনে। মেমসাহেবকে বললাম, একটা গান শোনাও।

    চারিদিকে লোক’জন ঘোরাঘুরি করছে। এখন নয়, সন্ধ্যাবেলায় পাহাড়ের পাশ দিয়ে লেকের ধারে বেড়াতে বেড়াতে তোমাকে অনেক গান শোনাব।

    সেদিন সারাদিন মেমসাহেবের গলার রবীন্দ্ৰসঙ্গীত শোনা হয় নি। সত্য। কিন্তু ভবিষ্যৎ জীবনের সঙ্গীত রচনা করেছিলাম দুজনে।… ওগো, এর পর তোমার আর কিছু আয় বাড়লেই তুমি একটা থ্রি-রুম ফ্ল্যাট নেবে।

    এখনই ফ্ল্যাট নিয়ে কি হবে?

    দুজনেই আস্তে আস্তে সংসারের সবকিছু সাজিয়ে গুছিয়ে নেব।

    তাছাড়া থ্রি-রুম ফ্লাট নিয়ে কি হবে? একটা ঘরের একটা ছোট্ট ইউনিট হলেই তো যথেষ্ট।

    ‘না, না, তা হয় না। একটা ঘরের ফ্ল্যাটে আমাদের দুজনেরই তো হাত-পা ছড়িয়ে থাকা অসম্ভব।

    দুজন ছাড়া তিনজন পাচ্ছি কোথায়?

    এবার মেমসাহেবের সব গাম্ভীৰ্য উধাও হয়ে গেল। হাসতে হাসতে বললে, তোমার মত ডাকাতের সঙ্গে সংসার করতে শুরু করলে দুজন থেকে তিনজন, তিনজন থেকে চারজন পাঁচজন হতেও সময় লাগবে না।

    ওর কথা শুনে আমি স্তম্ভিত না হয়ে পারলাম না। অবাক বিস্ময়ে আমি ওর দিকে চেয়ে রইলাম।

    আমন হাঁ করে কি দেখছ?

    তোমাকে।

    আমাকে?

    মাথা নেড়ে বললাম, হুঁ, তোমাকে।

    আমাকে কোনদিন দেখনি?

    ওর দিকে চেয়ে চেয়েই বললাম, দেখেছি।

    এবার মেমসাহেবও একটু অবাক হয়ে আমার দিকে চাইল। তবে অমন করে আমার দিকে চেয়ে চেয়ে কি দেখছি?

    আমি দু’হাত দিয়ে ওর মুখখান তুলে ধরে বললাম, জান মেমসাহেব, তুমি নিশ্চয়ই সুখী সার্থক স্ত্রী হবে। কিন্তু সন্তানের জননী হিসাবে বোধহয় তোমার তুলনা হবে না।

    মেমসাহেব প্ৰথমে ধীরে ধীরে দৃষ্টিটিা নামিয়ে নিল। তারপর আলতো করে মাথাটা আমার বুকের পর রাখল। দু’টো আঙুল দিয়ে পাঞ্জাবির বোতামটা ঘুরাতে ঘুরাতে বললে, আমার যে ছেলেমেয়ের ভীষণ শখ। রাস্তা-ঘাটে ফুটফুটে সুন্দর বাচ্চা দেখলেই মনে হয়…

    যদি তোমার হতো, তাই না?

    মেমসাহেব আমার কথায় সম্মতি জানিয়ে মাথা নেড়ে হাসিল।

    তারপর আস্তে আস্তে ওর মুখটা আমার কোলের মধ্যে লুকিয়ে ফেলল। আমার মনে হলো কি যেন লজ্জায় বলতে পারছে না। জিজ্ঞাসা করলাম, কিছু বলবো?

    মুখটা লুকিয়ে রেখেই আস্তে আস্তে বললে, তোমার ইচ্ছা! করে না?

    আমি হোসে ফেললাম। জান মেমসাহেব, স্বপ্ন দেখতে বড় ভয় হয়।

    আমার কোলের মধ্যে লুকিয়ে রাখা মুখটা ঘুরিয়ে আমার দিকে চাইল। বললে, কোন ভয় হয়?

    জীবনে চলতে গিয়ে বারবার পিছনে পড়ে গেছি। তাইতো ভবিষ্যতের কথা ভাবতে, ভবিষ্যৎ জীবনের স্বপ্ন দেখতে ভয় হয়।

    ও হাত দিয়ে আমার মুখটা চেপে ধরে বললে, না, না, ভয়ের কথা বলে না। ভয় কি? একটু আতঙ্কে, একটু দ্বিধাগ্ৰস্ত হয়ে জানতে চাইল, আমি কি তোমার হবে না?

    এবার আমি ওর মুখটা চেপে ধরে বললাম, ছি, ছি, ওসব আজেবাজে কথা ভাবছ কেন? তুমি তো আমারই।

    ওর মুখে তখনও বেশ চিন্তার ছাপ। বললো, সে তো জানি কিন্তু তবুও তুমি ভয় পাচ্ছি কেন?

    আমি দু’হাত দিয়ে ওকে বুকের মধ্যে তুলে নিলাম। সাস্তুনা জানালাম, কিছু ভয় করো না। তোমার স্বপ্ন, তোমার ভালবাসা কোনদিন ব্যর্থ হতে পারে না।

    একটু ব্যাকুলতা মেশানো স্বরে বললে, সত্যি বলছ?

    একশ’বার বলছি। যদি বিধাতার ইচ্ছা না হতো তাহলে কি ঐ আশ্চৰ্য ভাবে আমাদের দেখা হতো? নাকি এমনি করে আজ আমরা সিলিসের লেকের পাড়ে মিলতে পারতাম?

    আমারও তো তাই মনে হয়। যদি ভগবানের কোন নির্দেশ, কোন ইঙ্গিত না থাকত। তাহলে সত্যি আমরা কোনদিন মিলতে পারতাম।

    তবে এত ঘাবড়ে যাচ্ছে কেন?

    অনুযোগের সুরে মেমসাহেব বললে, তুমিই তো ঘাবড়ে দিচ্ছ।

    ঘাবড়ে দিচ্ছি না, সতর্ক করে দিচ্ছি।

    দু’ আঙুল দিয়ে আমার গালটা চেপে ধরে বললে, কি আমার সতর্ক করার ছিরি!

    দোলাবৌদি, সেই অরণ্য আর পর্বতের কোলে যে দুটি দিন কাটিয়েছিলাম, তা আমার জীবনের মহা স্মরণীয় দিন। এত আপনার করে, এত নিবিড় করে মেমসাহেবের এত ভালবাসা আমি এর আগে কোনদিন পাইনি। ঐ দুটি দিন প্রতিটি মুহূর্ত মেমসাহেবের ভালবাসা আর উষ্ণ সান্নিধ্য উপভোগ করেছিলাম। আমি। তাইতো তৃতীয় কোন ব্যক্তির সাহচর্যে আসতে মন চায় নি।

    মেমসাহেব বলেছিল, অনেক বেলা হলো। চলো লাঞ্চ খেয়ে আসি।

    আমি সোজা জানিয়ে দিয়েছিলাম, আমি ঘর ছেড়ে বেরুচ্ছি না।

    তবে?

    তবে আবার কি? বেয়ারাকে ডেকে বলা ঘরে খাবার দিয়ে যেতে।

    আমি অতীত দিনের রাজপ্রাসাদের রাজকুমারের শয়নকক্ষে মহারাজার মত শুয়ে রইলাম। ও বেল বাজিয়ে বেয়ারাকে ডেকে বললে, সাহাবকা তবিয়ত আচ্ছা নেই হ্যায়। মেহেরবানি কারকে খানা ইধারই লে-আনা।

    জো হুকুম মেমসাব।

    ঘরে খাবার এসেছিল। সেন্টার টেবিলে খাবার-দাবার সাজিয়ে ও ডাক দিয়েছিল, এসে খেতে এসে।

    বড় সোফায় দুজনে পাশাপাশি বসে খেয়েছিলাম। খেতে। খেতে এক টুকরো নরম মাংস আমার মুখে তুলে দিয়ে বলেছিল, এই নাও খেয়ে নাও।

    তুমি খাও না।

    আমি দিচ্ছি, তুমি খাও না।

    মাংসের টুকরোটা খাবার সময় ওরা দু’টো আঙুলে কামড় দিয়ে বললাম, তোমাকেও খেয়ে ফেলি।

    হাসতে হাসতে বললে, আমাকে কি খেতে বাকি রেখেছ?

    খেয়ে-দোয়ে ও একটা চাদর গায় দিয়ে পাশ ফিরে শুয়ে পড়ল। সতর্ক করে দিল, এখন চুপটি করে ঘুমোও, একটুও বিরক্ত করবে না।

    সত্যি?

    সত্যি নয়ত কি মিথ্যে?

    আমি একটু ওর কাছে এগিয়ে গিয়ে বললাম, বিরক্ত না করে। যদি তোমাকে সুখী করি?

    আমাকে হাত দিয়ে একটা ধাক্কা দিয়ে হেসে বললে, দূর থেকে সুখী করে।

    অনেক দূরে সরে যাব?

    হ্যাঁ, যাও।

    তই কি হয়? তোমার কষ্ট হবে।

    বুড়ো আঙুলটা দেখিয়ে বললে, কলা হবে। দেখি কেমন যেতে পার!

    মেমসাহেব জানত ও পাশ ফিরে শুয়ে থাকতে পারবে না, আমিও দূরে সরে থাকব না। ওর মনের কথা আমি জানতাম, আমার মনের কথাও ও জানত। তবুও হয়ত একটু বেশি আদর, একটু বেশি ভালবাসা পাবার জন্য ও এমনি দুষ্টুমি করতে ভালবাসত। আমারও মন্দ লগত না।

    পরের দিন সারা গেস্টহাউস ফাঁকা হয়েছিল। শুধু আমরা দুজন্ম আর দোতলায় এক বৃদ্ধ দম্পতি ছাড়া আর কোন গেস্ট ছিল না।

    সন্ধ্যাবেলায় আমরা দুজনে লেকের ধার দিয়ে পাহাড় আর অরণ্যের মধ্যে কত ঘুরে বেড়িয়েছিলাম। মেমসাহেব কত গান শুনিয়েছিল। রাত্রে ফিরে এসে ছাতের কোণে লেকের মিষ্টি হাওয়ায় বসে বসে দুজনে ডিনার খেলাম। তারপর লাইটগুলো অফ করে দিয়ে বিরাট মুক্ত আকাশের তলায় বসে রইলাম। আমরা দুজনে। আকাশের তারাগুলো মিট-মিট করে জ্বললেও সেদিন ঐ আবছা অন্ধকারে আমাদের দুজনের মনের আকাশ পূর্ণিমার আলোয় ভরে গিয়েছিল।

    আশপাশে দুনিয়ার আর কোন জনপ্ৰাণী ছিল না। মনে হয়েছিল। শুধু আমরা দুজনেই যেন এই বিশ্বব্ৰহ্মাণ্ডের মালিক। ভগবান যেন আমাদের মুখ চেয়ে, আমাদের শান্তির জন্য আর সবাইকে ছুটি দিয়েছিলেন এই পৃথিবী থেকে অন্য কোথাও একটু ঘুরে আসতে।

    জনারণ্যের বাইরেও এর আগে কয়েকবার মেমসাহেবকে কাছে পেয়েছি কিন্তু এমন করে কাছে পাইনি। এত পূর্ণ, পরিপূর্ণ সম্পূর্ণভাবে আগে পাইনি।

    মেমসাহেব, ভুলে যাবে নাতো এই রাত্রির কথা?

    বোতল বোতল ভালবাসার হুইস্কি খেয়ে মেমসাহেবের এমন নেশা হয়েছিল যে কথা বলার ক্ষমতাও ছিল না। তাইতো শুধু মাথা নেড়ে বললে, না।

    কোনওদিন না?

    না।

    যদি কোনদিন তুমি আমার থেকে অনেক দূরে চলে যাও—

    তোমার এই ভালবাসা আর এই স্মৃতি বুকে নিয়ে কোথায় যাব বলে?

    তবুও মানুষের অদৃষ্টের কথা তো বলা যায় না।

    জিভ দিয়ে ঠোঁটটা একটু ভিজিয়ে নিল, দু’টো দাঁত দিয়ে এ ঠোঁটের কোনাটা একটু কামড়ে নিল মেমসাহেব। তারপর বললো, তোমার এই ভালবাসা পাবার পর আর একজনের সঙ্গে সারাজীবন ধরে ভালবাসার অভিনয় করতে আমি পারব না।

    একটু থামল। আমাকে আর একটু কাছে টেনে নিল। একটু বেশি শক্ত কয়ে জড়িয়ে ধরে বললে, তাছাড়া তোমার জীবনটা সর্বনাশ করে আর এক’জনকে আবার ঠকাব কেন? একটু জোর গলায় বলে উঠল, না, না, আমি তা কোনদিন পারব না।।

    আমিও যেন কেমন হয়ে গিয়েছিলাম। আমিও বেশ জোর করে ওকে জড়িয়ে ধরলাম। একটু যেন ভেজা গলায় বলেছিলাম, সত্যি বলছি মেমসাহেব, ভগবানের কাছে কায়মনোবাক্যে প্রার্থনা করি সে দুর্দিন যেন কোনদিন না আসে। কিন্তু যদি কোনদিনূ, আসে, সেদিন আমি আর বাঁচিব না। হয় উন্মাদ হবো নয়ত তোমার স্মৃতি বুকে নিয়েই এই লেকের জলে চিরকালের জন্য ডুব দেব।

    ও তাড়াতাড়ি আমার মুখটা চেপে ধরল। বললে, ছি, ছি, ওকথা মুখে আনে না। এই তোমার বুকে হাত দিয়ে বলছি আমি তোমাকে ছেড়ে কোথাও যাব না।

    একটু থেমে, আমাকে একটু আদর করে মেমসাহেব। আবার বলেছিল, আমি যেতে চাইলেই তুমি আমাকে যেতে দেবে কেন? আমি না তোমার স্ত্রী? তোমার মনে কোন দ্বিধা, কোন চিন্তা থাকলে আজ এই রাত্তিরেই তুমি আমার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে দাও, হাতে শাঁখা পরিয়ে দাও। আমি সেই শাঁখা-সিঁদুর পরেই কলকাতা ফিরে যাব।

    মেমসাহেবের কথায় আমার মন থেকে অবিশ্বাসের ছোট্ট ছোট্ট টুকরো টুকরো মেঘগুলো পর্যন্ত কোথায় যেন মিলিয়ে গেল। আমার মুখটা হাসিতে ঝলমল করে উঠল। বললাম, না, না, আমার মনে কোন দ্বিধা নেই। তুমি যদি আমার না হতে তাহলে কি আমন। হাসিমুখে তোমার সমস্ত সম্পদ, সব ঐশ্বৰ্য আর ভালবাসা এমন। করে দিতে?

    কথায় কথায় অনেক রাত হয়ে গিয়েছিল। হাতে ঘড়ি ছিল কিন্তু দেখার মনোবৃত্তি কারুরই ছিল না। ঘরে এসে আর মেমসাহেব পােশ ফিরে শুয়ে দূরে থাকেনি। এত আপন, এত নিবিড়, এত ঘনিষ্ঠ হয়েছিল সে রাত্রে যে সে কাহিনী লেখা সম্ভব নয়। শুধু জেনে রাখা আমাদের দুটি মন, দুটি প্ৰাণ, দুটি আত্মা আর আশাআকাঙ্ক্ষার, স্বপ্ন-সাধনা সব একাকার হয়ে মিশে গিয়েছিল। সে চিরস্মরণীয় রাত্রে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article শী – হেনরি রাইডার হ্যাগার্ড

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেয়সী – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }