Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেয়েলি আড্ডার হালচাল – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প192 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মেয়েলি আড্ডার হালচাল – ১৩

    কেন এই অকমান?

    কিন্তু সুমিতার কী হল? মালবিকাদিরই বা কী খবর? কাজলও জানে না, আমিও জানি না, শিল্পীও জানে না।

    মালবিকাদির বাড়িতে শরিকে শরিকে আবার বিবাদ শুরু হয়েছে। মালবিকাদিকে কেউ ফোন করলেই কেটে দিচ্ছে। শ্যামপুকুরের সমিতিতে কোনও ফোনই নেই। সুমিতাদের বাড়ি ঝিনঝিন করে ফোন বেজে যাচ্ছে। কেউ ধরছে না। অর্থাৎ হয় বাড়িসুদ্ধ সবাই হাওয়া খেতে গেছে, নয় ফোন খারাপ। ফলস রিং হচ্ছে। সুমিতার কলেজের নম্বর টিপতে খালি একটা হেঁড়ে মতো মেয়ে-গলা বলে ‘ইয়ে নাম্বার মওজুদ নহী হ্যায়।’

    ঘন ঘোর বর্ষা। রাস্তায় যখন তখন হাঁটু জল জমে যাচ্ছে। আমার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। সারা দিন খালি শেফালির মুখ। খুন্তি হাতে কেষ্ট ঠাকুরের মতো বেঁকে দাঁড়াবে দরজার পাশকাঠে ঠেস দিয়ে। ‘ইস বউদি, আজকে আমার হয়েছিল আর কী। অ্যাকসিডেন থেকে ঠাকুর বাঁচিয়েছেন। একটা মুখপোড়া তিন ঠেঙে অটো একেবারে ধড়ধড় করে মুখের সামনে।’

    রোজই ওকে অ্যাকসিডেন থেকে ঠাকুর বাঁচান। হাঁটুর পেছনে আঁচড়, গোড়ালিতে ফোঁড়া, কনুইয়ে নুনছাল উঠে যাওয়া এর কোনওটা না কোনওটা ওর নিত্যদিন হবে। আমাকে তার বিশদ বিবরণ শুনতে হবে। দেখবার হলে দেখতে হবে, ওষুধ দিতে হবে। মানে ওষুধ বাতলাতে হবে, কিন্তু সে ওষুধ শেফালি ছোঁবে না। যদি আমি কোনও সাধারণ অ্যান্টি-সেপটিক মলমের নাম করি, টিউব দিই, শেফালি ঈষৎ মুখ বেঁকিয়ে বলবে ‘এ তো তুমি শীতকালে মুখে মাখো গো। এতে কী আর হবে?’ যদি বলি ‘মোড়ের ওষুধের দোকান থেকে ইনজেকশন নিয়ে আয় লিখে দিচ্ছি।’ ও বলবে ‘ডাক্তার দেখল না, বদ্যি এল না, তোমার কথায় অমনি ফুঁড়িয়ে আসব অত বোকা তুমি আমায় পাওনি।’

    বেশ কিছুক্ষণ ভ্যাজর ভ্যাজর করার পর ‘অ্যাল’ বলে এত্তখানি জিভ কেটে বলবে—‘ও মা, তোমার ডিসটাব হচ্ছে। তুমি তো লিখছ’ আমার ধারণা আমি লিখছি কি না দেখতেই ও আসে। পাহারাঅলা। বিধুভূষণবাবুই ওকে টিকটিকি লাগিয়েছেন কি না কে জানে!

    কাজলের কাছে প্রস্তাব দিই—‘এক দিন জয় মা বলে বেরিয়ে পড়া যাক’—মালবিকাদির সমিতিতে এক দিন, সেটা হাতের কাছে, কোনও ব্যাপার নয়, আরেক দিন সুমিতার কলেজে সেটা দক্ষিণ শহরতলিতে, গুরুতর ব্যাপার।

    মালবিকাদির মহিলা সমিতিতে গেলে আমার একইসঙ্গে মন খারাপ এবং মন ভাল হয়ে যায়। ভাল হয় কেন না, এতগুলি মেয়ে প্রতিকূল পরিবেশ কাটিয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছে, আর্থিক স্বাধীনতার সুযোগ পাচ্ছে। এ তো খুবই আনন্দের কথা। মন খারাপ হয় এই জন্যে যে মানুষের জীবন তো শুধু দুটি অন্ন খুঁটি খাবার জন্যে নয়। খাবার যোগাড়ের লড়াইয়েই এদের জীবন শেষ হয়ে গেল। এমনই অবস্থা এত দিন পরেও আমাদের দেশের যে জীবনে বাঁচার প্রথম ধাপটা টপকাবার প্রাণান্ত চেষ্টাতেই এখনও আমাদের সব চেষ্টা শেষ। কী রকম বিমর্ষ লাগে এখানে এলে। সেই জন্যে চট করে আসি না।

    মালবিকাদি বলে ‘তোরা কী জানিস তো? এসকেপিস্ট। কোনও সত্যিকার প্রবলেমের সামনে কক্ষণো দাঁড়াবি না। ওই মধ্যবিত্ত সমাজে কে মা বাবাকে দেখল না, কোন শাশুড়ি বউকে দেখতে পারল না, কী ভাবে নোংরা ঝগড়া ঝাঁটি করে অথবা না করে স্বামী-স্ত্রীর বিবাহ-বিচ্ছেদ হয়ে গেল, তারপর ছেলেমেয়েগুলোকে নিয়ে টানাটানি, হেনস্থা—এই তোদের গল্পের বিষয়। কিম্বা তোরা বসে থাকবি গজদন্ত মিনারে সেখানে একাকিত্ব, বিচ্ছিন্নতাবোধ, পরকীয়া, বড় জোর সাম্যবাদীদের অসম আচরণ, ফান্ডামেন্টালিস্টদের ধাপ্পাবাজির স্যাটায়ার লিখবি। হোপলেস তোরা হোপলেস।’

    মালবিকাদির ধারণা সত্যিকারের লেখার যোগ্য ইতিহাস তৈরি হচ্ছে, গল্প নাটক তৈরি হচ্ছে একমাত্র তার মহিলাসমিতিতে। যদিও আমাকে প্লট দিতে সে বিন্দুমাত্র আগ্রহী নয়।

    বিন্দুদি আমাদের অভ্যর্থনা জানাল। বিন্দু নাম আমি শরৎচন্দ্রে আর হিন্দি সিনেমা ছাড়া এই মালবিকা মহিলা-সমিতিতেই একমাত্র দেখছি শুনছি। তা সে যাই হোক বিন্দুদির সুগোল মুখ, বড়ি খোঁপা এবং গোটা শরীরের একটা সুবর্তুল ডৌল থাকার জন্য নামটা খুব জুতসই লাগে।

    ঘড় ঘড় ঘড় ঘড় করে অন্তত গোটা পনেরো সেলাইমেশিন চলছে। লং ক্লথ, পপলিনের শাদা ঝলকাচ্ছে। মেয়েদের এক হাত সেলাইয়ের কাপড় চাপাকলের ও ধারে টেনে ধরে আছে। আর এক হাত এ ধারে টেনে ধরে আছে। মুখ তুলে ওরা হাসছে আবার সেলাইয়ে মুখ ফেরাচ্ছে। প্রথম ঘর ছেড়ে আমরা দ্বিতীয় ঘরে যাই। এটাই বিন্দুদির অর্থাৎ কার্যনির্বাহী সম্পাদকের ঘর। এখানে ছুঁচের কাজ হচ্ছে।

    ‘অ্যাই একদম মুখ তুলবি না, প্রতিটি ফোঁড় সমান হওয়া চাই।’ বিন্দুদি প্রথমেই ধমক মারে।

    তা সে যদি বুনো ওল হয় তো তার বাঘা তেঁতুলও আছে। একটি বেশ পোড়-খাওয়া চেহারার মেয়ে বলল—‘তা যদি বলো বিন্দুদিদি তো তুম্মো তোমার হিসেবের খেরো থেকে মুখ তুলো না। মালুদিদি বলে দিয়েছে এখানে আমরা সবাই সমান? বলেনি কো? স্বামীজিও তো বলে গিয়েছেন—দরিদ্দ ভারতবাসী চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই। তা আমরা তো চাঁড়ালও নই বাপু।’

    কথা কোথা থেকে কোথায় চলে এল। কাজল ফিসফিস করে বলল—‘রোজ ক্লাস বসিয়ে স্বামীজী রবীন্দ্রনাথ এই সব পাঠ হয় এখানে, বুঝলি তো? এখন উগরোচ্ছে। একটা কবিতার সাবসট্যান্স করে এসেছে, যে কবিতাই আসুক সেই একটাই চালাচ্ছে।’

    আমিও ফিসফিস করে বলি—‘আসল কথা অ্যাপ্লিকেশন, প্রয়োগ। এই প্রয়োগটা মালবিকাদি শেখাতে পারছে না, বুঝলি?’

    আমাদের সব ফিসফিসুনিই অবশ্য মাঠে মারা গেল, কারণ আমাদের সমালোচনার লক্ষ্য মালবিকাদি-ই অনুপস্থিত।

    ‘সমিতির কাজ দেখতে এয়েছেন, না দিদির কাছে? কিছু কিনবেন?’ বিন্দুদি ‘চাঁড়ালও নই বাপু’—মহিলাকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে আমাদের জিজ্ঞেস করল।

    এখন সমিতির কাজ দেখতে আসিনি, সমিতির কর্মরত মেয়েদের সামনে বলাটা কেমন রূঢ় লাগে। কিছু কিনব কি না এটার উত্তর শোনবার জন্যেও নিশ্চয়ই মেয়েরা মুখিয়ে আছে। মালবিকাদিরও একটা মান-সম্মান আছে, তার বন্ধুদেরও স্বভাবতই মান-সম্মান আছে। কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে কাজলা ঠোঁট-কাটার মতো বলল— ‘আমাদের কিছু কেনবার নেই, বিন্দুদি, আগেরগুলোই এখনও তোলা আছে তবে এসেছি যখন…’

    বিন্দুদি চোখ গোল-গোল করে বলল— ‘ও মা, আপনারা এয়েছেন এই আমাদের কত ভাগ্যি। জিনিস কিনতে হবে— এমন কোনও কড়ার আছে না কি? — তা ছাড়া আমাদের বেশির ভাগ জিনিসই তো অর্ডার সাপ্লাইয়ের জিনিস— ছোঁয়া যাবে নাকো। ধরুন, পাজামা, পাঞ্জাবি, সায়া, নাইট-ফ্রক, টেপ-জামা, হাউস-কোট, অ্যাপ্রন, বাত-রোব, ঝোলা ব্যাগ। … তবে শৌখিন যদি দেখতে চান…’

    এইটেই বিন্দুদির কায়দা। জেনেশুনেও আমরা ফাঁদে পড়ি। কাজল দু হাজার দিয়ে একটা কাচের কাজ করা সিল্ক কিনে ফেলে। আসল দাম আড়াই। কিন্তু আমাদের জন্যে দুই। পেয়েবল হোয়েনেবল। ইনস্টলমেন্ট তার ওপর। আমি একটা অ্যাপলিকে আর ফ্যাব্রিক পেন্টিংয়ে চমৎকার খাদির ঝোলা ব্যাগ পেয়ে যাই, ভেতরে দুটো খাপ, সব লাইনিং দেওয়া। যেন আমার পাণ্ডুলিপি বইবার জন্যেই মাপ দিয়ে তৈরি হয়েছে। এ-ও দুশো আসল দাম, আমাদের জন্য দেড়শো, পেয়েবল হোয়েনেবল। ইনস্টলমেন্ট।

    ‘এটা টু মাচ হয়ে যাচ্ছে রে রঞ্জু।’ কাজলা বিবেক-পীড়িত কণ্ঠে বলে— ‘দেড়শোটা টাকা— আবার বাকি রাখবি?’

    ‘তাতে কী হয়েছে?’ বিন্দুদি যথাসম্ভব মিষ্টি হেসে বলে— ‘ও দু হাজারও যা দুশোও তা। কাস্টমার হল গিয়ে কাস্টমার। তার সুবিধে-অসুবিধেগুলোই আমরা আগে দেখি।’

    লজ্জায় অবনত ও বিবেকপীড়িত হয়ে আমি একশো টাকা বার করে দিই। পঞ্চাশ রইল। কাজলা একটি পয়সা ঠেকাল না। দুজনের বিবেকের জ্বালা আমি একাই মেটালাম।

    বেরিয়ে এসে সে কথা বলতে, কাজলা ব্যাগ নাচিয়ে বলল— ‘গজবে যাবি না? আধো আঁধারে আধা-আধুরি বসে বসে একটু আইসক্রিম, একটু কোল্ড কফি, সামান্য কিছু স্ন্যাকস, সঙ্গে আড্ডা, রেস্ত আমার কাছে।’

    ‘গজব’-এ ঢুকতে যাচ্ছি, মনে পড়ল— এই যাঃ, মালবিকাদির কথা তো জিজ্ঞেস করা হল না?

    ‘অবভিয়াসলি নেই, ওখানে। কী আর জিজ্ঞাসা করব?’

    দু’জনে দু’জনের সঙ্গে কথা বলতে বলতে বিভোর হয়ে ‘গজবে’র সিঁড়ি বেয়ে চাতালে উঠেছি। দুপুরবেলা ফাঁকা টেবিল সব, দেখি শেষের টেবিলে আমাদের দিকে মুখ করে বসে স্বয়ং মালবিকা সান্যাল। সামনে আমাদের দিকে পেছন একটি ভদ্রলোক। পেছন থেকেও আমি চিনতে পেরেছি শুভম। কত ছবি দেখিয়েছে সুমিতা। দুজনে মুখ নিচু করে কেমন ঘনিষ্ঠভাবে ফিসফিস করে কথা বলছে। হায় সুমিতা। হায় তোর প্রেম, তোর বিশ্বাস-অবিশ্বাস, হায় সুযোগ। সুযোগের অসৎ ব্যবহার। সুমিতা, তুই জিতে গিয়ে হেরে গেলি ভাই।

    যথাসম্ভব আওয়াজ না করে, ওদের দিকে পেছন করে আলতোভাবে বসি।

    ‘কিছু অর্ডার দিবি অ্যাট অল?’ — কাজলা ভারী-ভারী গলায় বলল।

    ‘এসেছি যখন। উঠে যেতে তো আর পারি না’— আমার গলাও ভারী।

    ‘ওরা লাঞ্চ খাচ্ছে। ঘড়িতে দুটো বেজে সাড়ে সাত মি., এখন লাঞ্চ খাওয়া হচ্ছে!’— কাজলা।

    ‘অনেক ডিশ নিয়েছে। মোগলাই মনে হচ্ছে। কেশর জাফরানের গন্ধ পাচ্ছি।’—আমি।

    ‘পারেও মালবিকাদিটা। এই সাঙ্ঘাতিক গরমে! ঘাড় ভাঙবি বলে এই ভ্যাপসায় মোগলাই?’ — কাজল।

    ‘তুই তো জানিস না, মালবিকাদিদের বাড়িশুদ্ধ খুব খাইয়ে। ওর বাবা ঝুড়ি করে ফিশফ্রাই খেতেন। মাত্র সাতের জন্য লেডিকেনির সেঞ্চুরি করতে পারেননি, পুরো খাওয়ার পর তো? সেঞ্চুরি মিস হল বলে জীবনে আর কোনওদিন লেডিকেনি ছোঁননি।’— আমি।

    ‘শ্বশুরবাড়ি গিয়ে তা হলে মালবিকাদির খুব অসুবিধে হয়েছিল বল? আমার পিসশাশুড়িই যখন আমার খাওয়া দেখে বলেছিলেন—‘নতুন বউয়ের খাউন্তি দাউন্তি ভাল, তখন ..” কাজল।

    ‘না রে সেদিক থেকে মালবিকাদির ভাগ্য ভাল। খাওয়ার বন্ধুর ছেলের সঙ্গেই তো মেয়ের বিয়ে দিলেন মালবিকাদির বাবা।’— আমি। ‘খাওয়ার বন্ধু আবার কী? এক গেলাসের ইয়ার বল’— কাজল শোধরাল।

    ‘এক পাতে তো স্বামী-স্ত্রী আর ছোট্টছোট্ট ভাইবোনরা ছাড়া অপর আর কেউ খায় না— নইলে টাইফয়েডের পরে ডাক্তার জাওলা মাছের ঝোল ভাত পথ্য দিয়েছিলেন। ঝোল খেলেন কই মাছের, এক জামবাটি— দু কুড়ি কই। ডাক্তারবাবু সেই গল্প মালবিকাদির বাবাকে বলেন। তাইতেই মেসোমশাই লাফিয়ে উঠলেন— এই বাড়িতেই মেয়ের বিয়ে দেব, তা হলে খাওয়ার কষ্ট হবে না।’— আমি বিশদভাবে মালবিকাদির বিয়ের গল্প বলি।

    ‘এত খেয়েও মালবিকাদিটা স্লিম থাকে কী করে বল তো!’ কাজল ক্ষুব্ধ।

    ‘অনেকের অমন হয়। গাছেরও খায় তলারও কুড়োয়,— ভাগ্য!’ আমিও ভাগ্যের একচোখোমিতে বিষণ্ণ।

    পিঠে আঙুলের টোকা পড়ল। অবভিয়াসলি মালবিকাদি। এতক্ষণ ধরে তো আর ইনকগনিটো থাকতে পারি না। এতক্ষণেও যদি না চেনে তা হলে বলতে হবে ইচ্ছে করে চিনছে না।

    ঘাড় ফিরিয়ে দেখি— মালবিকাদি নয়। শুভম। সুমিতার সেই বিশ্বাসঘাতক জাহাজি বর।

    ‘আপনি বোধহয় রঞ্জুদি, উনি কাজলদি!— মালবিকাদি ডাকতে বললেন। পিঠে টোকা মারার জন্যে দুঃখিত। মালবিকাদি বললেন— ওইভাবে ডাকতে।’

    ‘মালবিকাদি বললেন আর অমনি আপনি অজানা-অচেনা ভদ্রমহিলার পিঠে টোকা দিলেন?’— কাজলা মার-মার করে উঠেছে।

    ‘আমি আপত্তি করেছিলাম, কিন্তু মালবিকাদি বললেন— এ আঙুল আপনারা মালবিকাদিরই আঙুল বলে ধরে নেবেন। ন্যাচার‍্যালি টোকাও তাঁর আঙুল যাঁর।’

    ‘অদ্ভুত লজিক তো!’— আমি চেয়ার ঠেলে উঠে দাঁড়িয়ে বলি।

    ‘কী বলছ, বলো!’— মালবিকাদির টেবিলের দিকে এগিয়ে গিয়ে বলি।

    ‘দূরে বসে ফিসফিস করার মানে কী?’— মালবিকাদি দাবি করে ‘না চেনার ভান করার মানেই বা কী?’

    কী জানি ফিসফিস কে করছে? না চেনার ভানই বা করছে কে?’— আমিও কম যাই না।

    ‘শেষ পর্যন্ত তোদের ডাকতে পাঠালুম শুধু এই জন্যে যে দেখে যা মালবিকা সান্যাল যখন খায় বুক ফুলিয়ে খায়। কাউকে ভয় পায় না। খাবার চ্যালেঞ্জ তো তোরাই দিয়েছিলি। মালবিকা সে চ্যালেঞ্জ নিয়েছে।’

    আমি ভালই বুঝতে পারি মালবিকাদি কিছু কিঞ্চিৎ রহস্য ভাষায় কথা বলছে যাতে আমরা এক রকম বুঝি, শুভম আরেক রকম বোঝে।

    শুভম বললে— ‘এইটে তোমার মহত্তম গুণ মালবিকাদি। খাওয়া নিয়ে টিপিক্যাল মেয়েদের মতো ন্যাকামি করো না। আসুন না, আপনারা এখানেই বসুন না।’

    ‘আপনাদের টেবিলে আর জায়গা কই? খাদ্যখাদ্যে ভরে ফেলেছেন তো!’

    মালবিকাদি আবার দ্ব্যর্থক ভাষায় বলে— ‘এই শুভ, খবরদার ওদের ডাকিস না, এটা তোর আমার আফেয়ার, ওরা ওদেরটা খাক।’

    শুভম বলে— ‘এ ছি ছি ছি, মালবিকাদি এটা ঠিক হচ্ছে না, এই প্রথম আলাপ হল?’

    ‘তুই প্রথম দেখে থাকতে পারিস, আমি খুব কাছ থেকে বহু বার দেখেছি, আর দেখবার সাধ নেই। এরা মনে এক, মুখে এক। আর তোর যদি ভদ্রতা করবার ইচ্ছে জাগে তো তুই যা, গিয়ে ওদের সঙ্গে পকোড়া মাকোড়া খেতে যা। আমি একাই দু প্লেট বিরিয়ানি সাবড়াব আজ, মদন চাটুজ্জের মেয়ে আমি, সাধন সান্ন্যালের বউমা।’

    মালবিকা সান্যালের সেই ‘রণং দেহি’ ‘কুছ পরোয়া নেই’ মূর্তির সামনে থেকে পত্রপাঠ পলায়ন করা ছাড়া আর কী-ই বা করতে পারি। খুব রেগেছে। শুভম হাতজোড় করে বলল— ‘আমার ছুটি ফুরিয়ে এল। যাবার আগে আর এক দিন আপনাদের সঙ্গে দেখা হবে আশা করি।’

    ফেরবার সময়ে কাজল আবার আটকে দিল। উত্তেজিত গলায় বলতে লাগল— ‘আমাদের এত অপমান করার কারণটা মালবিকাদির কী বলে তোর মনে হয়?’

    ‘সত্যি! অপমান বলে অপমান, কোথাকার কে শুভম তাকে কি না বলল— ওই ভদ্রমহিলার পিঠে আঙুলের টোকা দিয়ে এসো,— আঙুল, টোকা সবই নাকি প্রতিনিধিমূলক। শুভমের আঙুল ইকোয়ালস মালবিকাদির আঙুল। সুতরাং শুভমের আঙুলের টোকা ইকুয়ালস মালবিকাদির আঙুলের টোকা। জানিস এই টোকা কী সাংঘাতিক জিনিস! আকাশবাণীতে সংস্কৃতি-সম্পর্কিত কোনও অনুষ্ঠানে প্রযোজক মশাই আমার দিদিকে, অঞ্জনাদিদি রে? স্পিচ স্টার্ট করার জন্য হাতে আঙুলের টোকা দিয়ে জানান দিয়েছিলেন। আমার দিদি প্রযোজককে চড় মেরে রেডিয়ো স্টেশন থেকে চলে আসেন। যারা দিদির স্পিচ শোনবার জন্যে বসে ছিল তারা সবাই চড়ের আওয়াজ শুনতে পায়। সেই দিদির বোন আমার পিঠে কিনা আঙুলের টোকা?’

    ‘টোকা না খোঁচা না হাত বুলোনো তুই-ই ভাল বলতে পারবি।’

    কাজল ব্যাপারটাকে জটিল করে দেবার চেষ্টা করে।

    ‘ইট ওয়াজ পিওর টোকা’— আমি আমার জায়গায় অনড় থাকি।

    ‘তা সে যাক। কেন এই অপমান?’

    ‘হ্যাঁ কেন এই অকমান?’

    সন্দিগ্ধ দৃষ্টি তো আমার দিকে তাকিয়ে কাজল বললে— ‘অকমানটা আবার কী?’

    ‘তোর মানে তোদের গোপালের থেকে শিখেছি।’

    ভীষণ বিরক্ত হয়ে কাজল বললে— ‘আমাদের মধ্যে আবার সেই চ্যাংকাটাকে আনার তোর দরকার কী? ওর নাম করিসনি আমার কাছে। মুড অফ হয়ে যায় আমার।’

    কাজলদের বৈঠকখানায় এখন কেউ নেই। অনীক দরজা খুলে দিল। আমরা বৈঠকখানায় বসলাম। কিছুক্ষণ পর অনীকই আমাদের চা দিয়ে গেল। বিস্কুট।

    ‘আর কিছু লাগবে মাসি? পান? বিড়ি-সিগারেট?’

    ‘যা যা ফক্কড়, এখান থেকে যা এখন’— কাজল তেড়ে উঠল।

    ‘যাচ্ছি, যাচ্ছি,’ অনীক তাড়াতাড়ি ওপরে পালায়।

    ‘তোর কী মনে হয়?’— চায়ে চুমুক দিয়ে কাজল বলল।

    ‘এটা ধরা পড়ে যাওয়ার রাগ, আবার কী?’

    ‘কিন্তু আমরাই তো সর্বসমক্ষে বাজি ধরেছি। সবাই তো সবাইকে ফ্রি হ্যান্ড দিয়েছি। রেস্তোরাঁর বিল চেয়েছি। সিনেমার টিকিট চেয়েছি। ধরা পড়ে যাওয়ার কোনও কোয়েশ্চন নেই।’

    ‘ঠিকই তো।’ আমি বলি, ‘কিন্তু ভেবে দ্যাখ কাজলা এই যে অবজেকটিভ কোরিলেটিভটা গোলমেলে মনে হচ্ছে তারই জন্যে অন্তত মালবিকাদির এই হামবড়াইকে ডিকনস্ট্রাক্ট করা দরকার।’

    ‘মানে? পাশ করেছিস তো ফিলসফি নিয়ে। অতশত লিটর‍্যারি জার্গন হাঁকড়াচ্ছিস কেন? আমি তোর বিদ্যে জানি না মনে করেছিস?’— কাজল একেবারে মারমুখী। বাংলার মাস্টারমশাইয়ের বউ বলে ও আমাদের মধ্যে একটা বিশেষ গুরুস্থান দাবি করে থাকে— এ অধিকার ও সহজে ছাড়বে বলে মনে হয় না।

    আমি বলি— ‘ব্যাপার যত গভীর, ততই তোকে ফিলসফিতে যেতে হবে বুঝলি!’

    ‘ফিলসফি তা হলে হল গিয়ে ডুবুরির পোশাক?’

    ‘তা সে যাই হোক, আমার ওপর গুরুগিরি না করে আগে সব ভেঙে ফেল, ভেঙে ফ্যাল।’

    ‘যা বাবা! কী ভাঙব? এই চারটি বেতের চেয়ার আর ওই একটি ফুলদানি তো আমার সম্বল।’

    ‘উফফ।’ আমি আরও অধৈর্য, আরও গভীর গলায় বলি— ‘মালবিকাদির কথাবার্তা, ব্যবহার সব ভেঙে ফ্যাল। ভেঙে ভেঙে ভেতর থেকে বিপরীত মানে টেনে টেনে বার কর।’

    ‘যেমন।’

    ‘যেমন—“তুই।” ’

    ‘যাব্বাবা যেমন “আমি”?’

    ‘দ্যাখ আমি বলি— ‘মন্টুর মাস্টারে’র মন্টুর মতো করিসনি। যথেষ্ট বয়স হয়েছে।’

    ‘আর কত হেঁয়ালি করবি? মন্টুর মাস্টারটা কে? মন্টুই বা কে?’

    ‘শিব্রামের মন্টুকে মনে নেই? মাস্টারমশাইদের ঘায়েল করে ছেড়ে দিত? সেই মন্টুকে টিউটর শেখালেন “আই” মানে “আমি”, শিখেছ? মন্টু বলল শিখেছি মাস্টারমশাই “আই” মানে মাস্টারমশাই।’

    ‘ওঃ হো, মনে পড়েছে, তার পরে সেই ছারপোকা?’

    ‘মনে পড়েছে তা হলে? আমি থেকে মালবিকাদির “তুই” ব্যবহার বিশ্লেষণ করতে বলছি।’

    ‘ও হো হো, শুভমকে “তুই” বলছিল, না?

    ‘ধরতে পেরেছিস? এখন এটা একটা আই-ওয়শ কি না বল। প্রথমে বল— তুই দিয়ে প্রেম হয়?’

    ‘কেন হবে না?’ কাজলা বলল— ‘আমাদের সময়ে বাংলা অনার্সকে তো আমরা বৃন্দাবন গার্ডনস বলতুম। মনে নেই। কলেজে দোলখেলা প্রথমে ওরাই শুরু করে, তা জানিস? তুই-ই তো বলতো সবাই সবাইকে। তার থেকেই তো দোলা আর সমীরের প্রেম বিয়ে পর্যন্ত এগিয়ে গেল। ওটা কোনও ব্যাপার নয়। আর আজকাল তো আকছার হচ্ছে। যেন এক ঢং।’

    ‘কেমন একটা ছোটভাই, পিঠ-চাপড়ানো পিঠ-চাপড়ানো ভাব দেখাচ্ছিল না?’

    ‘ছোটভাই না আরও কিছু! ভেড়ু। মালবিকাদি আঙুল দিয়ে ভদ্রমহিলার পিঠে খোঁচা মারতে বলল। সেও অমনি! বোগাস! মালবিকাদি শ্ৰীমতী কামাখ্যা এবং শুভম— শ্রীমান ভেড়ু।’

    ‘আচ্ছা আমরা এত রেগে যাচ্ছি কেন বল তো কাজলা। সত্যিই তো এই রকমই তো কনট্রাক্ট ছিল আমাদের?’

    ‘হোক না কন্ট্র্যাক্ট? সেই সঙ্গে এই আন্ডারস্ট্যান্ডিংও ছিল আমরা সবাই ভদ্রলোক। স্টাডি করতে হলে ফিসফিস করতে হবে? এই তো চন্দন আমাকে কত গাড়ি চড়াল, কত খাওয়ালো, একটা বালুচরি পর্যন্ত কিনে দিল, কেউ বলতে পারবে দিনের পর দিন উধাও হয়ে দুজনে মুখোমুখি হয়ে ফিসফিস করেছি! এই ধর না কেন তুই। ন দশ দিন তো থেকে এলি এক বাড়িতে, একদিনও কি একা একা শালবনে গিয়েছিলি? একদিনও কি একা একা বসে তার মুখে জীবনানন্দ শুনেছিস?— মালবিকাদিরটা সাবোতাজ।’

    আমি ক্ষীণ স্বরে বললুম— ‘তাই?’

    খুব মনমরা হয়ে বাড়ি ফিরে এলাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযে যেখানে যায় – বাণী বসু
    Next Article বৃত্তের বাইরে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }