Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মেয়েলি আড্ডার হালচাল – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প192 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মেয়েলি আড্ডার হালচাল – ১৫

    বিকাশকান্তি সান্যাল

    এ নব ও নব ঘুরিয়ে যন্তরটার ফোকাস ঠিক করি। আসছে, আসছে, ফ্রেমের মধ্যে এসে যাচ্ছে, যাচ্ছে নয় যাচ্ছেন একজন ভদ্রলোক, ঘিয়ে রঙের টি-শার্ট পরা। স্পঞ্জের মতো কাপড়টা। পকেটের ওপর ছোট্ট একটা মোটিফ যেন, ওই একই রঙের, সামান্য গাঢ় হতে পারে। চুলগুলো রুপোর তাজের মতো মাথার ওপর শোভা পাচ্ছে। বেশ চৌকো চওড়া মুখটি। ঘন ভুরু, কিন্তু ঝোপের মতন নয়। কপালে গুনে গুনে দুটি আড়াআড়ি দাগ, তাতে একটা ব্যক্তিত্ব, একটা চরিত্র দিয়েছে ভদ্রলোককে। নাকটা খাড়া কিন্তু পাতলা নয়, খানিকটা মোটা, ফটো-ক্রোম্যাটিক লেনসের চশমা পরা, লেনসটা ভারী, মুখের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে। ঠোঁট দুটোও বেশ পুরু। পাতলা ঠোঁটের পুরুষদের কেমন নিষ্ঠুর দেখায়। যেমন বঙ্কিমচন্দ্র। কুন্দকে বিষ খাইয়ে, রোহিণীকে বন্দুক দেগে হত্যা করেন। শৈবলিনীকে নরক দেখান। প্রফুল্লকে দিয়ে বাসন মাজান, যা নরক দর্শনের চেয়ে কোনও অংশে কম খারাপ নয়। পুরু বেশ ঢেউওলা ঠোঁটের অধিবারীরা খুব বর্ণময় ব্যক্তিত্ব হয়ে থাকেন। যেমন সমরেশ বসু। যিনি জ্যোতির্ময় শ্রীচৈতন্য লেখেন, তিনিই গোগোল লেখেন। এক হাতে কালকূট, “কোথায় পাব তারে”র অন্বেষু বাউল আর এক হাতে শেকল ছেঁড়া হাত খুঁজে চলেছেন। ভদ্রলোক আনকোয়ালিফায়েড ডার্ক।

    এই যে কালো তার দেখছি একটা আলাদা মহিমা। যতই দিন যাচ্ছে ততই আমি কেন যেন কালোর ভক্ত হয়ে পড়ছি। কৃষ্ণ কালো, কদম কালো … আমাদের যে ঐতিহাসিক পৌরাণিক প্রেমিক পুরুষ তিনি স্বয়ংই তো কালো। বর্ষার পুঞ্জ মেঘ, দেখো সেও নীল নবঘন, ‘কালো তা সে যতই কালো হোক, দেখেছি তার সাদা চুলের ক্লোক’— বলেছিল কাজল। বসে আছেন। তবুও বোঝা যায় ভদ্রলোক খুব লম্বা। লম্বা ছাড়া নায়ক হয় না। চয়েস যখন রয়েছে তখন বেঁটে নায়ক বাছব কেন? বেশি ঢ্যাঙা হয়ে গেলে চোঙা কি বেল বটম প্যান্ট পরলে অড দেখায় যেমন অমিতাভ বচ্চন, ব্যাপারটা ওঁর কোনও বেশকারের মাথায় আসেনি কেন কে জানে। হয়তো ওই অড এফেক্টাই পাবলিক খেয়েছে। তা সে যাই হোক— বিকাশকান্তি বসে আছেন। ফাইলের পাতায় চোখ, পেছনে পাশে কাচের জানালার ভারী পর্দা একটু একটু সরানো, যা দিয়ে লবণহ্রদের চমৎকার সবুজের দীর্ঘশ্বাস দেখা যায়। সামনের টেবিলে দুটো টেলিফোন— একটা সাদা, একটা কালো, কলমদানিতে সার সার বল পেন, অনেক ফাইল গাদা করা, নিবিষ্ট মনে পড়ছেন, টিক মারছেন, সইসাবুদ করছেন ভদ্রলোক, টেলিফোন বাজল, ইন্টারকম। সাদাটা তুলে নিলেন ভদ্রলোক। ‘সান্যাল’ গম্ভীর গলায় বললেন— এই স্বরটাও খুব জরুরি। স্বর যদি মেঘমন্দ্র না হয় তো তাকে ঠিক প্রাপ্তবয়স্ক পর্যায়ে ভাবা চলে না— যেমন শচীন তেণ্ডুলকর চিরবালক।

    ‘ও, আচ্ছা, আমি একটু ব্যস্ত, ঠিক আছে, এসেছেন যখন চলে আসুন, আসতে দাও রমেন।’

    মিনিট দুই পরে যে ঢুকল তাকে আমি হাড়ে হাড়ে চিনি। আপনারাও চেনেন, অর্থাৎ নামে জানেন, কিন্তু দেখেননি কখনও। এটি সুমিতা। এবং বিকাশকান্তির বিপরীতার্থবোধ। সুমিতা ধবধবে ফরসা, বেঁটে না বলে ছোটখাটো বলা ভাল, নায়িকাও আমি দীঘল দীঘল পছন্দ করি, কিন্তু এ যে সত্যি সুমিতা একেবারে মেপে পাঁচ ফুট। বাড়াব কী করে? ঝুমুর ঝুমুর চুলে পেছন থেকে একটা লম্বা চকচকে গুবরে পোকার মতো ক্লিপ দিয়ে আটকানো, প্রসাধনের সমস্ত আধুনিক নিয়ম পালন-করা লিচু-লিচু মুখ, কাজলপরা ম্যাসকারা মাখা চোখে ইচ্ছে করলেই বালিকার বিস্ময় ফোটাতে পারে, আবার খুব চালাক-চালাক পাজির-পা-ঝাড়া খুনসুটে মেজাজ ফোটাতেও ওর জুড়ি নেই। বেশ টেবো টেবো গাল, দেখলেই টিপে দিতে ইচ্ছে করবে আপনার। ঠোঁটও বেশ ফুলো ফুলো, যেন এক্ষুনি ঠোঁট ফুলোবে, এই সব ভাব— অর্থাৎ আদুরি, পাজি, চালাক অভিমানী, মজাদার—এ সব সুমিতা নিজের মুখে তুলি দিয়ে আঁকতে পারে। অ্যাক্টিং লাইনে গেলে অনেকের ভাত মারতে পারত।

    সুমিতা আজকে একটা হালকা চাঁপা রঙের টাঙাইল শাড়ি পরেছে। তাতে সাদার গোল গোল বুটি। ব্লাউজটাও একেবারে এক রঙের। গলায় চিকচিকে সরু সোনার হার, কানে সোনার বুটি, হাতেও ঝিকমিকে সোনার চুড়ি, গুনে তিনগাছা। যেন জরির সুতোর মতো জড়িয়ে আছে। ঢুকেই সুমিতা একটা হাসি দিল। আত্মবিশ্বাসে উজ্জ্বল, কিন্তু খুব সংযত সংহত হাসি, হাসিটা বোধহয় ওজন দাঁড়িতে মেপে এনেছে।

    বিকাশকান্তি বললেন— ‘বসুন। তারপর?’

    শিল্পী হলে বলত— ‘তার আর পর নেই।’ ওই একটা জবাবই ওর ঠোঁটের গোড়ায় রেডি। কিন্তু সুমিতা অত কাঁচা খেলোয়াড় নয়। সে একটা সুদৃশ্য ফাইল বার করে ফেলে। বলে— ‘প্রজেক্টের সিনপসিসটা আজ দেখবেন? বিকাশকান্তি বলেন— ‘সিনপসিস দেখার কি আমার সময় আছে ম্যাডাম? আপনি মোটামুটি মেইন পয়েন্টগুলো বলে দিন।’

    ‘হাই ইনকাম-গ্রুপের চাকুরেদের, মাইন্ড ইউ সার ব্যবসায়ী নয়, স্যালারিড পার্সনস— এঁদের স্টাডি করছি মোটামুটি। একটা কোয়েশ্চনেয়ার তৈরি করেছি— আপনাকে দিয়ে যাব, আপনি কাইন্ডলি জবাবগুলো দিয়ে দেবেন। বেশির ভাগই ইয়েস, নো কিম্বা চয়েস। ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’

    অল্প একটু হাসি দেখা গেল বিকাশকান্তির মুখে— “আপনি পেপার তৈরি করছেন খুব ভাল, কিন্তু একটা ইয়ংগার এজ-গ্রুপ নিয়ে করলে পারতেন না?’

    ‘দেখুন সার, এখন এঞ্জিনিয়ার ছাড়া অন্য সবার চাকরি পেতে পেতেই আটাশ উনত্রিশ হয়ে যাচ্ছে। বছর চল্লিশের আগে কেউ নিজেকে প্রতিষ্ঠিত ভাবতেই পারছে না। আমি চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ রেখেছি এজ-গ্রুপ।’

    ‘তা হলে হয়েই গেল, আ অ্যাম অন দা রং সাইড অফ ফিফটি।’ বিস্ময়ের চোখটা এবার করল সুমিতা।

    ‘এতো অবাক হচ্ছেন কেন? আমার মাথার দিকে চাইলেই তো বোঝা যায়!’

    ‘ইউ মীন ইট ইজ ন্যাচর‍্যাল?’

    ‘তার মানে?’

    ‘প্লিজ ডোন্ট মাইন্ড, আমি ভেবেছিলাম আপনি আজকালকার ফ্যাশন অনুযায়ী চুল রুপোলি ডাই করেছেন।’

    ‘চুল আবার রুপোলি ডাই করা যায় না কি? ইটস নিউজ টু মী।’

    ‘এই তো আমার একটা প্রশ্নের জবাব আপনি এক রকম দিয়েই দিলেন। সাত নম্বর প্রশ্নটা দেখবেন।’

    ‘দেখে আর কী করব, আমি তো আপনার আওতার বাইরে চলে গেলাম।’

    ‘কেউ বিশ্বাস করবে না মি. সান্যাল, কিন্তু আপনি যখন বলছেন— বিশ্বাস করছি। আমি আমার আওতাটাকে বাড়িয়ে নেব এখন। অসুবিধে নেই। ইনকাম গ্রুপটা জরুরি, এজটা নয়। — আচ্ছা আজ চলি।’

    হাতজোড় করে সুমিতা উঠে দাঁড়ায়।

    ‘শুনুন শুনুন।’ ব্যস্ত হয়ে সান্যাল বলে ওঠেন— ‘আসল কথা আমার এত পেন্ডিং কাজ পড়ে আছে। বাড়িতেও ফাইল নিয়ে যেতে হচ্ছে রোজ। কখন আপনার প্রশ্নপত্র পড়ব?’

    ‘এই কথা?’ সুমিতা এবার খুব সিরিয়াস মুখ করে, ‘আচ্ছা ধরুন, এ সমস্যাটির সমাধান যদি আমি করে দিই।’

    ‘আমার সময় সমস্যার সমাধান আপনি করবেন?’

    ‘সাইকলজির লোক তো আমি।’— এ বার সুমিতা তার সবচেয়ে মুগ্ধকর হাসিটা হাসে।’

    ‘সাইকলজির লোকেরা টাইমও বার করতে পারে?’

    ‘সাইকলজির লোকেরা অনেক কিছুই বার করতে পারে টেনে টেনে।’ সুমিতা জবাব দেয়, ‘আচ্ছা, অফিসের পর আপনি কী করেন?’

    ‘অফিসের পর?’— হো হো করে হেসে ওঠেন বিকাশকান্তি।’ ওই সময়টাকেই আপনি ধরবেন সমস্যার সমাধান করতে? এই আপনার সাইকলজি?’

    আমার সাইকলজি ঠিকই আছে। আপনি বলুন না কী করেন?’

    ‘একটু রিল্যাক্স করি, আর কী করব? যতক্ষণ না জ্যামটা কাটে— একটু স্ট্র্যান্ড ধরে হাওয়া খাই। ধরুন, ফোর্ট উইলিয়মের এন্ডটায় বসলাম, কি সেকেন্ড হুগলি ব্রিজ দিয়ে এক পাক ড্রাইভ করলাম। তারপর বাড়ি ফিরে যাই।’

    গাম্ভীর্যের খোলস খুলে বিকাশকান্তি ব্যক্তিগত জীবনের আশেপাশে ঘোরাফেরা করতে থাকেন।

    সুমিতা খুব কিন্তু কিন্তু করে বলে— ‘ওই রিল্যাক্সেশনের সময়টা আমি যদি দু-চারদিন একটু থাকি আপনার সঙ্গে, আপনার কি খুব আপত্তি হবে? আপনার বিশ্রামের আমি ব্যাঘাত করব না, বরং রিল্যাকসেশনের কতগুলো উপায় আপনাকে শিখিয়ে দেব। আসলে সাইকলজির লোক তো!’– সুমিতা হাসে।

    ‘ঠিক আছে, এক দিন এক্সপেরিমেন্ট করে দেখা যেতে পারে।’ ফাদার জেনকিন্‌সের ভাষায় বিকাশকান্তি ভাঙ্গেন তবু মুচকেন না।

    ‘মেনি থ্যাংকস,’ বিব্রত মুখে সুমিতা বলে, ‘আপনাকে খুব বিরক্ত করছি আমি জানি, কিন্তু এটা ফোর্ড ফাউন্ডেশনের একটা গ্রান্ট থেকে হচ্ছে। ফাঁকি দিয়ে সারা যায়? বলুন!’

    আর বিরক্ত করে না তাঁকে সুমিতা। মুহূর্তে ফর্ম্যালিটির মোড়কে মুড়ে যায়। প্রফেশন্যাল গলায় বলে—‘নমস্কার, থ্যাংকস।’

    ‘তা হলে কাল পাঁচটার সময়ে আসুন’— বিকাশকান্তিই পিছু ডেকে তাকে মনে করিয়ে দ্যান।

    ‘এইখানে? এত দূরে? তার চাইতে আপনি বাই-পাসে পড়ে পার্ক সার্কাস কানেক্টরের ওখানে আসুন। আমি দাঁড়িয়ে থাকব। সাড়ে পাঁচ। ঠিক আছে।’ বলে তাকে বিদায় দিয়েই বিকাশবাবুর কেমন মন খুঁতখুঁত করতে লাগল, তিনি একটা পাবলিক সেক্টর সংস্থার ম্যানেজিং ডাইরেক্টর, বয়সও পঞ্চান্ন হল। এই মেয়েটি তাঁকে যে পরিস্থিতিতে ফেলে গেল তাতে করে তাঁকে অফিসের পর অনেকটা রাস্তা গিয়ে একটি প্রতীক্ষমাণা মহিলা, না না তাঁর স্ত্রী মহিলা। কিন্তু এ মেয়েটি নেহাতই মেয়ে, যাই হোক, প্রতীক্ষমাণা মেয়েকে মিট করতে হবে।

    ‘ইডিয়টিক!’ বলে তিনি ড্রয়ারটা শব্দ করে বন্ধ করলেন। কিন্তু বলা কথা আর ছোঁড়া তীর ফিরিয়ে নেওয়া কি যায়?

    বাড়ি ফিরে মালবিকার সঙ্গে একটু পরামর্শ করলে হত। কত রকম বিপদ হয়েছে আজকাল। মেয়েটি কোনও দলের হয়ে কাজ করছে না তো? তাঁকে কোনও রকম বেকায়দায় ফেলবে না কি? কিন্তু মালবিকাকে কি আর সন্ধেবেলায় বাড়ি পাওয়া যায়! মহিলা সমিতির নাম করে মহিলা অষ্টপ্রহর সংকীর্তন করে বেড়াচ্ছে। বাড়িতে তাকে পাওয়াই যায় না। একটা ছেলেমেয়েও যদি থাকত এতটা বাড় বাড়ত না। এখন তাকে হ্যা হ্যা করে চব্বিশ ঘণ্টা হাসতে আর পান চিবোতে বাধা দিচ্ছে কে? চ্যাটাং চ্যাটাং করে চটি পায়ে গলিয়ে বেরিয়ে গেলেই হল। বাড়ি ফিরে চান-টান করে টিভিটা চালিয়ে দিয়ে একটু আলগা হলেন সান্যাল। প্রত্যেক চ্যানেলে একই নাচ দেখাচ্ছে— শখানেক মাথায় ফেট্টি বাঁধা খালি গা ধুতি মালকোচা পরা ছোকরা আর ডজন দুয়েক লিকপিকে মেয়ে নিজেদের দশ ডবল সাইজের ঘাঘরা পরে নাচছে। কিছুক্ষণ দেখতে দেখতে মেয়েগুলোর জন্যে বড্ড দুঃখু হল বিকাশকান্তির। আহা খেতে পায় না। টাকার অভাবের জন্যে নয়। এই নাচ নাচবার জন্যে, স্রেফ মিনার‍্যাল ওয়াটার আর আপেল খেয়ে থাকে বোধ হয়। ছোকরাগুলোর কিন্তু মজা খুব, যত তাগড়া হবে ততই ভাল, সুতরাং খেয়ে যাও আর মুগুর ভেঁজে যাও, খেয়ে যাও আর মুগুর ভেঁজে যাও। তাঁর বাবার মতো। মেয়েদের এক্সপ্লয়েট করবার কত পদ্ধতিই না বার করেছে পৃথিবী। তিনি এক্সপ্লয়টেড হতে যাচ্ছেন না তো কোনওভাবে। আচ্ছা, মেয়েটি তাঁকে একটা কার্ড দিয়েছিল না? খুঁজে পেতে ব্রীফ কেস থেকে কার্ডটা বার করেন বিকাশকান্তি।

    সুমিতা সরকার—এম এসসি, এম.ফিল, পিএইচ ডি

    রীডার ইন সাইকলজি

    অমুক কলেজ,

    সাইকো-অ্যানালিস্ট

    ফোন— চেম্বার .. এত

    রেসিডেন্ট— এত।

    আচ্ছা, এটা তো অনায়াসেই ভেরিফাই করে নেওয়া যায়। আচ্ছা, এই কলেজের প্রিন্সিপ্যালই তো অশোক লাহিড়ী। তাঁর বন্ধু দীপক ভাদুড়ির ভায়রা। অবিলম্বে দীপককে ফোন করেন বিকাশকান্তি।

    ‘আরে দীপক, আছিস কেমন? করছিস কী?’

    ‘কী আর করব, খাতার পাহাড় সবে হালকা হতে শুরু করেছে, একটু টিভি দেখছি।’

    ‘পারছিস দেখতে?’

    ‘আরে বুঝলে না, মাথা ভোঁতা হয়ে গেছে এখন, একটা ঠ্যালাওয়ালাও যা এক জন দীপক ভাদুড়িও এখন তাই।’

    ‘আচ্ছা দীপক তোমার ভায়রা যেন কোন কলেজের প্রিন্সিপ্যাল?’ নাম বলেন দীপক।

    ‘ভদ্রলোককে আমার একটু দরকার ছিল।’

    ‘হঠাৎ?’

    ‘একটা ইনফর্মেশন নিতাম।’

    ‘কলেজ-সংক্রান্ত কিছু?’

    ‘ধরো তাই।’

    ‘ধরতে হবে কেন? অ্যাডমিশন? পোস্ট খালি? রেজাল্ট?’

    নাঃ দীপকটা ছাড়বে না।

    ‘পোস্টের কথাই জিজ্ঞেস করছিলাম। ওদের কলেজে সাইকলজি আছে?’

    ‘হ্যাঁ অ্যাঁ।’

    ‘পোস্ট খালি আছে কোনও?’

    ‘আমি তো যদ্দুর জানি, না। নরনারায়ণ পাণ্ডে, সীতা মহলানবিশ, সুমিত্রা সরকার, স্পর্শমণি ধিংড়া।’

    বাস আর শোনার দরকার নেই বিকাশকান্তির। কাজ হয়ে গেছে। বলেন—‘নেই তা হলে? আমার এক আত্মীয়র মেয়ে চাকরি চায়।’

    ‘চাকরি চায় তো কলেজ সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞাপনের জবাব দিতে বলো। এমনি এমনি কি আর এ সব চাকরি হয় আজকাল? নেট, স্লেট-এ বসতে বলো—এমপ্যানেলড হোক, আর যদি ওদের ফিফ্‌থ পোস্ট হয়ে থাকে তো বলে দেখতে পারি। কী নাম মেয়েটির?’

    ফোনটা কেটে দিলেন বিকাশকান্তি। আর-একটু হলেই সুমিতা সরকার বলে ফেলেছিলেন।

    তা তো হল। কিন্তু এই সুমিতাই এই সুমিতা কি না, কী করে জানা যাবে? এ প্রশ্নটা বিকাশকান্তির মনে এল আরও একটু পরে। চোর পালালে বুদ্ধি বাড়ে আপ্তবাক্যটি যে কতটা সত্যি তাই ভেবে বিকাশ হাত পা কামড়ান। আচ্ছা, কার্ডে দেওয়া ফোন নম্বরগুলো ট্রাই করলে কেমন হয়!

    প্রথমে চেম্বারেরটা করলেন তিনি। বেজেই যায়, বেজেই যায়। তারপর এক জন খুব ক্যাঁটকেঁটে গলার মহিলা বললেন—‘কাকে চাই? সুমিতা সরকার? সে তো শুধু মঙ্গলবার বসে।’ সে কী? কালই তো মঙ্গলবার! যদি চেম্বারেই বসবে তো সুমিতা আসে কী করে? এইবার ধরেছি—এই মেজাজ নিয়ে তিনি বললেন—‘আচ্ছা ম্যাডাম, ইনি কোন সুমিতা সরকার বলুন তো? কালো করে মোটা করে…’

    ‘ম্যাডান ট্যাডান নয় বাছা, আমি কালীপদর মা। ও মেয়ে খুব ধিঙ্গি, তবে কালো মোটা বললে মিথ্যে বলা হবে। মেমের পারা গোরা। বে হয়ে গেছে কিন্তু।’

    মহিলা ফোন রেখে দ্যান।

    আশ্চর্য! তাঁর গলা কি পাত্রর বাবার মতো শোনাচ্ছে না কি? বিকাশবাবু যারপরনাই বিরক্ত হন। তবে তিনি নিশ্চিন্ত হয়ে যান মোটামুটি। ব্যাপারটা তাঁর মনকে কতখানি অধিকার করে রেখেছে সেটা বোঝা যায় যখন খাবার টেবিলে বসে দু’ হাতে রুটি ছিঁড়তে ছিঁড়তে তিনি বলেন—‘মেয়েটা জেনুইনই।’

    ‘কে জেনুইন?’ মালবিকা অবাক হয়ে বলেন।

    ‘ও সে একটা কেস!’ অন্যমনস্ক হয়ে বিকাশকান্তি জবাব দ্যান।

    ‘কবে থেকে আবার তুমি ডাক্তার উকিল হলে?’

    ‘আজ থেকে?’ বলে বিকাশকান্তি বলে উঠলেন, ‘উকিল কেন? ডাক্তার হলেও হতে পারে!’

    ‘তুমিই তো একটি কেস দেখছি’ মালবিকা রুটি-মাংস নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

    এখন, এঁরা দু’জনেই বিখ্যাত খাইয়ে ফ্যামিলির সন্তান। খাওয়াটা এঁদের কাছে একটা পবিত্র রিচুয়্যালের মতো। খাবার সময়ে এঁরা দু’জনেই তদ্‌গত হয়ে যান। কাজেই আধঘণ্টার মতো সময় বিকাশকান্তি তাঁর দুশ্চিন্তার ব্যাপারটা একেবারে ভুলে যান। এর পরে অফিস থেকে আনা ফাইলে মনোনিবেশ। এ সময়ে কোনও দুশ্চিন্তার প্রবেশ নিষেধ।

    লাইট অফ্‌ফ। যাঃ। কী অদ্ভুত সভ্য-ভব্য লাজুক লাইট রে বাবা! মালবিকা-বিকাশের বেডরুম-সিনের বেলায়, সময় বুঝে অফ্‌ফ হয়ে গেল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযে যেখানে যায় – বাণী বসু
    Next Article বৃত্তের বাইরে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }