Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প29 Mins Read0
    ⤷

    চন্দ্রাবতী (রচয়িতা নয়নচাঁদ ঘোষ)

    [চন্দ্রাবতীকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলীর উপর গীতিকাব্যটি রচনা করেছেন নয়ানচাঁদ ঘোষ, আনুমানিক ২৫০ বছর আগে। নেয়া হয়েছে দীনেশচন্দ্র সেন সংকলিত মৈমনসিংহ গীতিকা থেকে। মোট ৩৫৪টি ছত্র আছে এতে, দীনেশচন্দ্র সেন এগুলোকে ১২টি অঙ্কে ভাগ করেছেন।]

    (১) ফুল তোলা

    “চাইরকোনা পুষ্কুনির পারে চম্পা নাগেশ্বর।
    ডাল ভাঙ্গ পুষ্প তুল কে তুমি নাগর।।”
    “আমার বাড়ী তোমার বাড়ী ঐ না নদীর পার।
    কি কারণে তুল কন্যা মালতীর হার।।”

    “প্রভাতকালে আইলাম আমি পুষ্প তুলিবারে।
    বাপেত করিব পূজা শিবের মন্দিরে।।”

    “বাছ্যা বাছ্যা ফুল তুলে রক্তজবা সারি।
    জয়ানন্দ তুলে ফুল ঐ না সাজি ভরি।।
    জবা তুলে চম্পা তুলে গেন্দা নানাজাতি।
    বাছিয়া বাছিয়া তুলে মল্লিকা-মালতি।।
    তুলিল অপরাজিতা আতসী সুন্দর।
    ফুলতুলা হইল শেষ আনন্দ অন্তর।।
    এক দুই তিন করি ক্রমে দিন যায়।
    সকালসন্ধ্যা ফুল তুলে কেউনা দেখতে পায়।।
    ডাল যে নোয়াইল ধরে জয়ানন্দ সাথী।
    তুলিল মালতী ফুল কন্যা চন্দ্রাবতী।।
    একদিন তুলি ফুল মালা গাঁথি তায়।
    সেইত না মালা দিয়া নাগরে সাজায়।।

    (২) প্রেমলিপি

    পরথমে লিখিল পত্র চন্দ্রার গোচরে।
    পুষ্পপাতে লেখে পত্র আড়াই অক্ষরে।। *
    পত্র লেখে জয়ানন্দ মনের যত কথা।
    “নিতি নিতি তোলা ফুলে তোমার মালা গাঁথা।।
    তোমার গাঁথা মালা লইয়া কন্যা কান্দিলো বিরলে।
    পুষ্পবন অন্ধকার তুমি চল্যা গেলে।।
    কইতে গেলে মনের কথা কইতে না জুরায়।
    সকল কথা তোমার কাছে কইতে কন্যা দায়।।
    আচারি তোমার বাপ ধর্ম্মেকর্ম্মে মতি।
    প্রাণের দোসর তার তুমি চন্দ্রাবতী।।
    মাও নাই বাপ নাই থাকি মামার বাড়ী।
    তোমার কাছে মনের কথা কইতে নাহি পারি।।
    যেদিন দেখ্যাছি কন্যা তোমার চান্দবদন।
    সেইদিন হইয়াছি আমি পাগল যেমন।।
    তোমার মনের কথা আমি জানতে চাই।
    সর্ব্বস্ব বিকাইবাম পায় তোমারে যদি পাই।।
    আজি হইতে ফুলতোলা সাঙ্গ যে করিয়া।
    দেশান্তরি হইব কন্যা বিদায় যে লইয়া।।
    তুমি যদি লেখ পত্র আশায় দেও ভর।
    যোগল পদে হইয়া থাকবাম তোমার কিঙ্কর।।”

    * আড়াই অক্ষর : অতি সংক্ষিপ্ত। আড়াই অক্ষরে মন্ত্রের কথা অনেক প্রাচীন বাঙ্গালা পুঁথিতেই আছে। ময়মনসিংহের গীতি-কাব্যগুলির মধ্যে অনেক জায়গাতেই আড়াই অক্ষরে লিখিত চিঠির কথা পাওয়া যায়।

    (৩) পত্র দেওয়া

    আবে করে ঝিলিমিলি সোনার বরণ ঢাকা।
    প্রভাতকালে আইল অরুণ গায়ে হলুদ মাখা।। *
    হাতেতে ফুলের সাজি কন্যা চন্দ্রাবতী।
    পুষ্প তুলিতে যায় পোথাইয়া রাতি।। **
    আগে তুলে রক্তজবা শিবেরে পূজিতে।
    পরে তুলে মালতীফুল মালা না গাঁথিতে।। ***

    হেনকালে নাগর আরে কোন কাম করে।
    পুষ্পপাতে লইয়া পত্র কন্যার গোচরে।।
    “ফুল তুল ডাল ভাঙ্গ কন্যা আমার কথা ধর।
    পরেত তুলিবা ফুল চম্পা-নাগেশ্বর।।”

    “পুষ্প তোলা হইল শেষ বেলা হইল ভারি।
    পূবেত হইল বেলা দণ্ড তিন চারি।।
    আমারে বিদায় কর না পারি থাকিতে।
    বসিয়া আছেন পিতা শিবেরে পূজিতে।।”

    “আজিত বিদায় লো কন্যা জনমের মত।”
    চন্দ্রার হাতে দিল আরে সেই পুষ্পপাত।।
    পুত্র নাইসে নিয়া কন্যা কোন কাম করে।
    সেইক্ষণ চল্যা গেল আপন বাসরে।।

    * আবে … … … মাখা : অরুণদেবের স্বর্ণ বর্ণ মেঘ ভেদ করে ঝিলমিল করছে। তিনি হলুদ দ্বারা স্নাত হয়ে উদিত হয়েছেন।
    ** পোথাইয়া : পোহাইয়া
    *** “না” অর্থশূন্য হলেও এখানে “হ্যাঁ” অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে মূলত কথাটার উপর জোর দেয়ার জন্য।

    (৪) বংশীর শিবপূজা, কন্যার জন্য বরকামনা

    পুষ্পপাত বান্ধি কন্যা আপন অঞ্চলে।
    দেবের মন্দির কন্যা ধোয় গঙ্গার জলে।।
    সম্মুখে রাখিল কন্যা পূজার আসন।
    ঘসিয়া লইল কন্যা সুগন্ধি চন্দন।।
    পুষ্পপাতে রাখে কন্যা শিবপূজার ফুল।
    আসিয়া বসিল ঠাকুর আসন উপর।।

    পূজা করে বংশীবদন শঙ্করে ভাবিয়া। *
    চিন্তা করে মনে মনে নিজ কন্যার বিয়া।।
    “এত বড় হইল কন্যা না আসিল বর।
    কন্যার মঙ্গল কর অনাদি শঙ্কর।।
    বনফুলে মনফুলে পূজিব তোমায়।
    বর দিয়া পশুপতি ঘুচাও কন্যাদায়।।
    সম্মুখে সুন্দরী কন্যা আমি যে কাঙ্গাল।
    সহায়-সঙ্গতি নাই দরিদ্রের হাল।।”

    এক পুষ্প দিল বাপে শিবের চরণে।
    ঘটক আইবে শীঘ্র বিয়ার কারণে।।
    আর পুষ্প দিল বাপ বড়ঘরের বর।
    “আমার কন্যার স্বামী হউক দেব পুরন্দর।।”
    আর ফুল দিল বাল কুলশীল পাইতে।
    বংশ বড় ভট্টাচার্য্য খ্যাতি রাখিতে।।
    বর মাগে বংশীদার ভূমিতে পড়িয়া।
    “ভাল ঘরে ভাল বরে কন্যার হউক বিয়া।।”

    * বংশীবদন : সম্ভবত বংশীদাসের সম্পূর্ণ নাম ছিল বংশীবদন।

    (৫) চন্দ্রার নির্জ্জনে পত্রপাঠ

    পূজার যোগার দিয়া কন্যা নিরালায় বসিল।
    জয়ানন্দের পুষ্পপাত যতনে খুলিল।।
    পত্র পইড়ে চন্দ্রাবতীর চক্ষে বয়ে পানি।
    কিবা উত্তর দিব কন্যা কিছুই না জানি।।
    আর বর পড়ে পত্র চক্ষে বয় ধারা।
    “এমন কেন হইল মন শুকের পিঞ্জরা।।
    দেখি শুনি সেই ডাল ফুল তুল্যা আনি।
    বয়স হইছে এখন হইলাম অরক্ষীনি।।
    জৈবন আইল দেহে জোয়ারের পানি।
    কেমনে লিখিব পত্র প্রাণের কাহিনী।।
    কিমতে লিখিব পত্র বাপ আছে ঘরে।
    ফুল তুলে জয়ানন্দ ভালবাসি তারে।।
    ছোট হইতে দেখি তারে প্রাণের দোসর।”
    সেই ভাবে লেখে কন্যা পত্রের উত্তর।।
    “ঘরে মোর আছে বাপ আমি কিবা জানি।
    আমি কেমনে দেই উত্তর অবলা কামিনী।।”

    যত না মনের কথা রাখিল গোপনে।
    পত্রখানি লেখে কন্যা অতি সাবধানে।।
    চন্দ্রসূর্য্য সাক্ষী করি মনের দিকে চাইয়া।
    জয়ানন্দ মাগে বর ধর্ম্ম সাক্ষী দিয়া।। *
    শিবের চরণে কন্যা উদ্দেশে করে নতি।
    পত্র পাঠাইয়া দিল কন্যা চন্দ্রাবতী।।
    পুষ্প তুলিতে কন্যা আর নাহি যায়।
    এই মতে সুখে দুঃখে দিন বইয়া যায়।।

    * জয়ানন্দ মাগে বর : জয়ানন্দকে বরস্বরুপ পেতে প্রার্থনা করল।

    (৬) নীরবে হৃদয় দান

    বাড়ীর আগে ফুট্যা রইছে চম্পা-নাগেশ্বর।
    পুষ্প তুলিতে কন্যা আইল একেশ্বর।।
    “তোমারে দেখিব আমি নয়ন ভরিয়া।
    তোমারে লইব আমি হৃদয়ে তুলিয়া।।
    বাড়ীর আগে ফুট্যা আছে মালতী-বকুল।
    আঞ্চল ভরিয়া তুলব তোমার মালার ফুল।।
    বাড়ীর আগে ফুট্যা রইছে রক্তজবা-সারি।
    তোমারে করিব পূজা প্রাণে আশা করি।।
    বাড়ীর আগে ফুট্যা রইছে মল্লিকা-মালতী।
    জন্মে জন্মে পাই যেন তোমার মতন পতি।।
    বাড়ীর আগে ফুট্যা রইছে কেতকী-দুস্তর।
    কি জানি লেখ্যাছে বিধি কপালে আমার।।”
    এইরূপে কান্দে কন্যা নিরালা বসিয়া।
    মন দিয়া শুন কথা চন্দ্রাবতীর বিয়া।।

    (৭) বিবাহের প্রস্তাব ও সম্মতি

    একদিন ত না ঘটক আইল ভট্টাচার্য্যের বাড়ী।
    “তোমার ফহরে আছে কন্যা পরমা সুন্দরী।।
    কুলে শীলে তুমি ঠাকুর চন্দ্রের সমান।
    না দেখি এমন বংশ এথায় বিদ্যমান।।
    বয়স হইল কন্যা রূপে বিদ্যাধরী।
    ভাল বরে দেও বিয়া ঘটকালি করি।।”
    “কেবা বর কিবা ঘর কহ বিবরণ।
    পছন্দ হইলে দিব মনের মতন।।”
    ঘটক কহিল “সুন্ধ্যা” গ্রামে ঘর। *
    চক্রবর্ত্তী বংশে খ্যাতি কুলিনের ঘর।।
    জয়ানন্দ নাম তাঁর কাত্তিক কুমার।
    সুন্দর তোমার কন্যা যোগ্য বর তার।।
    দেখিতে সুন্দর কুমার পড়ুয়া পণ্ডিত।
    নানা শাস্ত্র জানে বর অতি সুপণ্ডিত।।
    সূর্য্যের সমান রূপ বংশের দুলাল।
    সুখেতে থাকিব কন্যা জানি চিরকাল।।
    পশ্চিমাল বাতাসে দেখ শীতে লাগে কাটা।
    এখন ধইরাছে দেখ মধ্যি গাঙ্গে ভাটা।।
    আম আগছে নয়া পাতা ধরিয়াছে বউল।
    এই মাসে বিয়া দিতে নাহি গণ্ডগোল।।

    করকুষ্টি বিচারিয়া সম্বন্ধ মিলায়।
    ভালা বরে কন্যা বিয়া দেওয়া বড় দায়।।
    কুষ্টি বিচারি কৈল “সর্ব্ব সুলক্ষণ।
    বরকন্যার এমন মিল ঘটে কদাচন।। **
    কুষ্টিতে মিলিছে ভাল যখন এই বরে।
    এই বরে কন্যাদান করিব সুস্থরে।।” ***

    * সুন্ধ্যা : সুন্ধা নদীর তীরের গ্রাম
    ** কদাচন : কদাচিৎ
    *** সুস্থরে : নিশ্চয়

    (৮) বিবাহের আয়োজন

    সম্বদ্ধ হইল ঠিক করি লগ্ন স্থির।
    ভাল দিন হইল ঠিক পরে বিবাহের।।
    দক্ষিণের হাওয়া বয় কুকিল করে রা।
    আমের বউলে বস্যা গুঞ্জে ভ্রমরা।।
    নয়া পাতা যত গাছে নয়া লতা ঘিরে।
    ভাল দিন ঠিক হইল শঙ্করের বরে।।
    সেই ত দিনে হইব বিয়া সর্ব্ব সুলক্ষণ।
    পানখিল দিয়া করে বিয়ার আয়োজন।।
    পাড়ার যতেক নারী পান খিলায়।
    যতেক নারীতে মিলি তাঁর গান গায়।।

    জয় জুকার গীত আর বাজে ঢুল।
    উঠানে আকিল কত নানান জাতি ফুল।।
    আধিয়া পুছিয়া সবে পানখিল দিয়া। *
    আয়োজন করে সবে উতযোগ হইয়া।।
    বিবাহের যত কিছু করে আয়োজন।
    যতেক দেবতাগণের করিল পূজন।।
    পূজিল শঙ্করে আগে দেব অনাদি।
    অন্তরে যাহার নাম রাখিয়াছে বাধি।।
    একে একে কৈল পূজা যত দেব আর।
    শ্যামাপূজা একাচূড়া বনদূর্গা মার।।

    আদিবাস হইল শুভ বিয়ার পূর্ব্বদিনে।
    ক্রিয়াকাণ্ড আদি যত হইল সুবিধানে।।
    চুরপানি ভরে সবে উঠিয়া প্রভাতে।
    গীত জুকার যত হইল বিধিমতে।।
    আব্যধিক করে বাপে মণ্ডপে বসিয়া।
    তার মাটি কাটে যন্ত সধবা মিলিয়া।।
    সেই দা মাটিতে ইটা তৈয়ার করিয়া।
    পঞ্চ নারী মিলি দিল তৈল লাল দিয়া।।
    আব্যধিক হইল শেষ জানি এক মতে।
    সোহাগ মাগিল আর মায় বিধিমতে।।

    আগে চলে কন্যার মায় ডালা মাথায় লইয়া।
    তার পাছে কন্যার খুড়ি লোটা হাতে লইয়া।।
    তার পরে যত নারী গীট জুকারে।
    সহাগ মাগিল কত বাড়ী বাড়ী ফিরে।।

    * পানখিল : পানের খিলি। বাংলাদেশে বিয়ের অনুষ্ঠানে পান খাওয়ার প্রচলন প্রাচীনকাল থেকে চলে আসছে।

    (৯) মুসলমান কন্যার সাথে জয়চন্দ্রের ভাব

    পরথমে হইল দেখা সুন্ধা নদীর কূলে।
    জল ভরিতে যায় কন্যা কলসী কাকালে।।
    চলনে খঞ্জন নাচে বলনে কুকিলা।
    জলের ঘাটে গেলে কন্যা জলের ঘাট লালা।
    “কে তুমি সুন্দরী কন্যা জলের ঘাটে যাও।
    আমি অধমের পানে বারেক ফির‍্যা চাও।।
    নিতি নিতি দেখ্যা তোমায় না মিটে পিয়াস।
    প্রাণের কথা কও কন্যা মিটাও মনের আশ।।
    পরকাশ কইরা কইতে নারি মনের ধর।
    তুমি কন্যা এই জগতে প্রাণের দোসর।”

    সরমে মরণ আইল কথা কওয়া দায়।
    জলের ঘাটে গিয়া নাগর উকিজুকি চায়।।
    লিখিয়া রাখিল পত্র ইজল গাছের মূলে।
    এইখানে পড়িব কন্যা নয়ন ফিরাইলে।।
    “সাক্ষী হইও ইজল গাছ নদীর কূলে বাসা। *
    তোমার কাছে কইয়া গেলাম মনের যত আশা।।
    এইখান আসিব কন্যা সুন্দর আকার।
    এই পত্র দেখাইও আমার সমাচার।।
    অন্ধকারের সাক্ষী তোমরা চান্দ আর ভানু।
    এইখানে আসিবে কন্যা সোনার বরণ তনু।।
    সোনার বরণ তনু কন্যা চম্পকবরণী।
    তার কাছে কইও আমার দুঃখের কাহিনী।।
    ফির‍্যা আসে জলের ঢেউ পায়ের কাছে খাড়া।
    এইখান বসিয়া আমি দেখিন পশরা।।”

    ভাবিয়া চিন্তিয়া নাগর যুক্তি স্থির কৈল।
    কালি প্রাতে তুলতে ফুল পুষ্পবনে গেল।।
    যে খান ফুট্যাছে ফুল মালতী-মল্লিকা।
    ফুট্যা আছে টগর-বেলি আর শেফালিকা।।
    হাতেতে ফুলের সাজি কপালে তিলক-ছটা।
    ফুল তুলিতে যায় কুমার মনে বিন্ধ্যা কাঁটা।।

    * ইজল : হিজল গাছ

    (১০) দুঃসংবাদ

    ঢুল বাজে ডাগর বাজে জয়াদি জুকার।
    মালা গাঁথে কুলের নারী মঙ্গল আচার।।
    এমন কালে দৈবেতে করিল কোন কাম।
    পাপেতে ডুবাইল নাগর চৈদ্দ পুরুষের নাম।।
    কি হইল কি হইল কথা নানান জনে কয়।
    এই যে লোকেরা কথা প্রত্যয় না হয়।।
    পুরীতে জুড়িয়া উঠে কান্দনের রোল।
    জাতিনাশ দেখ্যা ঠাকুর হইল উতরুল।।
    “কপালের দোষ, দোষ নহে বিধাতার।
    যে লেখ্যা লেখ্যাছে বিধি কপালের আমার।।
    মুনির হইল মতিভ্রম হাতীর খসে পা।
    ঘাটে আস্যা বিনা ঝড়ে ডুবে সাধুর না।।”
    পাড়া-পড়সি কয় “ঠাকুর কইতে না জুয়ায়।
    কি দিব কন্যার বিয়া ঘটল বিষম দায়।।
    অনাচার কেল জামাই অতি দুরাচার।
    যবনী করিয়া বিয়া জাতি কৈল মার।।”
    শিরেতে পড়িল বাজ মঠের মাথায় ফোড়।
    পুরীর যত বাদ্যভাণ্ড সব হৈল দূর।।
    ধুলায় বসিল ঠাকুর শিরে দিয়ে হাত।
    বিনাদোষে হইল যেন শিরে বজ্রপাত।।

    (১১) চন্দ্রার অবস্থা

    “কি কর লো চন্দ্রাবতী ঘরেতে বসিয়া।”
    সখিগণ কয় কথা নিকটে আসিয়া।।
    শিরে হাত দিয়া সবে জুড়য়ে কান্দন।
    শুনিয়া হইল চন্দ্রা পাথর যেমন।।
    না কান্দে না হাসে চন্দ্রা নাহি বলে বাণী।
    আছিল সুন্দরী কন্যা হইল পাষাণী।।
    মনেতে ঢাকিয়া রাখে মনের আগুনে।
    জানিতে না দেয় কন্যা জল্যা মরে মনে।।

    এক দিন দুই দিন তিন দিন যায়।
    পাতেতে রাখিয়া কন্যা কিছু নাহি খায়।।
    রাত্রিকালে শর-শয্যা বহে চক্ষের পানি।
    বালিশ ভিজিয়া ভিজে নেতের বিছানি।।
    শৈশবের যত কথা আর ফুলতুলা।
    নদীর কূলেতে গিয়ে করে জলখেলা।।
    সেই হাসি সেই কথা সদা পড়ে মনে।
    ঘুমাইলে দেখিব কন্যা তাহারে স্বপনে।।
    নয়নে না আসে নিদ্রা অঘুমে রজনী।
    ভোর হইতে উঠে কন্যা যেমন পাগলিনী।।
    বাপেত বুঝিল তবে কন্যার মনের কথা।
    কন্যার লাগিয়া বাপের হইল মমতা।।
    সম্বন্ধ আসিল বড় নানা দেশ হইতে।
    একে একে বংশীদাস লাগে বিচারিতে।।

    চন্দ্রাবতী বলে “পিতা, মম বাক্য ধর।
    জন্মে না করিব বিয়া রইব আইবর।।
    শিবপূজা করি আমি শিবপদে মতি।
    দুঃখিনীর কথা রাখ কর অনুমতি।।”

    অনুমতি দিয়া পিতা কয় কন্যার স্থানে।
    “শিবপূজা কর আর লেখ রামায়ণে।।”*

    * জয়ানন্দকে ভুলে যেতে চন্দ্রাবতী রামায়ণ লিখেছিলেন, কিন্তু মুদ্রিত হয়নি। এটার পাণ্ডুলিপি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগারে আছে।

    (১২) শেষ

    নির্ম্মাইয়া পাষাণশিলা বানাইলা মন্দির।
    শিবপূজা করে কন্যা মন কর স্থির।।
    অবসরকালে কন্যা লেখে রামায়ণ।
    যাহারে পড়িলে হয় পাপ বিমোচন।।
    জন্মথ থাকিব কন্যা ফুলের কুমারী। *
    একনিষ্ট হইয়া পূজে দেব ত্রিপুরারী।।
    শুধাইলে না কয় কথা মুখে নাহি হাসি।
    একরাত্রে ফুটা ফুল ঝুইরা হইল বাসি।।

    এমন কালেতে শুন হইল কোন কাম।
    যোগাসনে বৈসে কন্যা লইয়া শিবের নাম।।
    বম্‌ বম্‌ ভোলানাথ গাল-বাদ্য করি।
    বিহিত আচারে পূজে দেব ত্রিপুরারী।
    বৈশাখ মাসেতে হয় রবি খরতর।
    গাছেতে পাকিল আম অতি সুবিস্তর।।
    বারতা লইয়া আসে পত্রে ছিল লেখা।
    চন্দ্রাবতী সঙ্গেতে করিতে আইল দেখা।।

    এই পত্রে লিখিয়াছে দুঃখের ভারতী।
    জয়ানন্দ দিছে পত্র শুন চন্দ্রাবতী।
    পত্রে পড়ীল কন্যা সকল বারতা।
    পত্রেতে লেখ্যাছে নাগর মনের দুঃখ কথা।।

    “শুনরে প্রাণের চন্দ্রা তোমারে জানাই।
    মনের আগুনে দেহ পুড়্যা হইছে ছাই।।
    অমৃত ভাবিয়া আমি খাইয়াছি গরল।
    কন্ঠেতে লাগিয়া রইছে কাল-হলাহল।।
    জানিয়া ফুলের মালা কালসাপ গলে।
    মরণে ডাকিয়া আসি আন্যাছি অকালে।।
    তুলসী ছাড়িয়া আমি পূজিলাম সেওরা।
    আপনি মাথায় লইলাম দুঃখের পসরা।।
    জলে বিষ বাতাসে বিষ না দেখি উপায়।
    ক্ষমা কর চন্দ্রাবতী ধরি তোমার পায়।।
    একবার দেখিব তোমায় জন্মশেষ দেখা।
    একবার দেখিব তোমার নয়নভঙ্গি বাঁকা।।
    একবার শুনিব কন্যা মধুরসবাণী।
    নয়নজলে ভিজাইব রাঙ্গা পা দুইখানি।।
    না ছুঁইব না ধরিব দূরে থাক্যা খাড়া।
    পুণ্যমুখ দেখ্যা আমি জুড়াইব অন্তরা।।
    শিশুকালের সঙ্গী তুমি যৈবনকালের মালা।
    তোমারে দেখিতে কন্যা মন হইল উতালা।।
    জলে ডুবি বিষ খাই গলায় দেই দড়ি।
    তিলেক দাড়াইয়া তোমার চান্দমুখ হেরি।।
    ভাল নাহি বাস কন্যা এই পাপিষ্ঠ জনে।
    জন্মের মতন হইলাম বিদায় ধরিয়া চরণে।।
    এই দেখা চক্ষের দেখা এই দেখা শেষ।
    সংসারে নাহিক আমার সুখশান্তির লেশ।।
    একবার দেখিয়া তোমার ছাড়িব সংসার।
    কপালে লেখ্যাছে বিধি মরণ আমার।।”

    পত্র পড়ি চন্দ্রাবতী চক্ষের জলে ভাসে।
    শিশুকালের স্বপ্নের কথা মনের মধ্যে আসে।।
    এক বার দুই বার তিন বার করি।
    পত্র পড়ে চন্দ্রাবতী নিজ নাম স্মরি।।
    নয়নের জলে কন্যার অক্ষর মুছিল।
    এক বার দুই বার পত্র যে পড়িল।।

    “শুন শুন বাপ আগো শুন মোর কথা।
    তুমি সে বুঝিবে আমি দুঃখিনীর ব্যথা।।
    জয়ানন্দ লেখে পত্র আমার গোচরে।
    তিলেকের লাগ্যা চায় দেখিতে আমারে।।”

    “শুন গো প্রাণের কন্যা আমার কথা ধর।
    একমনে পূজ তুমি দেও বিশ্বেশ্বর।।
    অন্য কথা স্থান কন্যা নাহি দিও মনে।
    জীবন মরণ হইল যাহার কারণে।।
    নষ্ট হইল পুজার ফুল ছুঁইল যবনে।
    না লাগে উচ্ছিষ্ট ফল দেবের কারণে।।
    আছিল গঙ্গার জল অপবিত্র হইল।
    বিধাতা সাধিছে বাদ সব নষ্ট হইল।।
    তুমি যা লইছ মাগো সেই কাজ কর।
    অন্য চিন্তা মনে স্থান নাহি দিও আর।।

    পত্র লিখি চন্দ্রাবতী জয়ের গোচরে।
    পুষ্পদূর্ব্বা লইয়া কন্যা পশিল মন্দিরে।
    যোগাসনে বসে কন্যা নয়ন মুদিয়া।
    একমনে করে পূজা ফুলবিল্ব দিয়া।।
    শুকাইল আঁখির জল সর্ব্ব চিন্তা দূরে।
    একমনে পূজে কন্যা অনাদি শঙ্করে।।

    কিসের সংসার কিসের বাস কেবা পিতামাতা।
    পূজিতে তুলিল কন্যা শৈশবের কথা।
    জয়ানন্দ চুলি কন্যা পূজয়ে শঙ্করে।
    একমনে ভাবে কন্যা হর বিশ্বেশ্বরে।
    শান্তিতে আছয়ে কন্যা একনিষ্ঠ হইয়া।
    আসিল পাগল জয়া শিকল ছাড়িয়া।।

    “দ্বার খোল চন্দ্রাবতী তোমারে শুধাই।
    জীবনের শেষ তোমায় একবার দেখ্যা যাই।।
    আর না দেখিব তোমায় নয়ন চাহিয়া।
    দোষ ক্ষমা কর কন্যা শেষ বিদায় দিয়া।।”

    কপাটে আঘাত করে শিরে দিয়া হাত।
    বজ্রের সমান করে বুকেতে নির্ঘাত।।
    যোগাসনে আছে কন্যা সমাধিশয়নে।
    বাহিরের কথা কিছু নাহি পশে কানে।।
    পাগল হইয়া নাগর কোন কাম করে।
    চারিদিকে চাহিয়া দেখে নাহি দেখে কারে।।
    না খোলে মন্দিরের কপাট নাহি কয় কথা।
    মনেতে লাগিল যেমন শক্তিশেলের ব্যথা।।

    পাগল হইল জয়ানন্দ ডাকে উচ্চৈস্বরে।
    “দ্বার খোল চন্দ্রাবতী দেখা দেও আমারে।।
    না ছুঁইব না ধরিব দূরে থাক্যা খাড়া।
    ইহজন্মের মতন কন্যা দেও মোরে সাড়া।।
    দেবপূজার ফুল তুমি গঙ্গার পানি।
    আমি যদি ছুই কন্যা হইবা পাতকিনী।।
    নয়ন ভরে দেখ্যা যাই জন্মশোধ দেখা।
    শৈশবের নয়ান দেখি নয়ানভঙ্গি বাঁকা।।”

    না খোলে মন্দিরের দ্বার মুখে নাহি বাণী।
    ভিতরে আছরে কন্যা যৈবনে যগিনী।।
    চারি দিকে চাইয়া নাগর কিছু নাহি পায়।
    ফুট্যাছে মালতীফুল সামনে দেখতে পায়।।
    পুষ্প না তুলিয়া নাগর কোন কাম করে।
    লিখিল বিদায়পত্র কপাট উপরে।
    “শৈশবকালের সঙ্গী তুমি যৈবনকালের সাথী।
    অপরাধ ক্ষমা কর তুমি চন্দ্রাবতী।।
    পাপিষ্ঠ জানিয়া মোরে না হইলা সম্মত।
    বিদায় মাগি চন্দ্রাবতী জনমের মত।।”

    ধ্যান ভাঙ্গি চন্দ্রাবতী চারিদিকে চায়।
    নির্জন অঙ্গন নাহি কারে দেখতে পায়।।
    খুলিয়া মন্দিরের দ্বার হইল বাহির।
    কপাটে আছিল লেখা পড়ে চন্দ্রাবতী।
    (এই লাইনটি নেই)
    অপবিত্র হইল মন্দির হইল অধোগতি।
    কলসী লইয়া জলের ঘাটে করিল গমন।
    করিতে নদীর জলে স্নানাদি তর্পণ।।
    জলে গেল চন্দ্রাবতী চক্ষে বহে পানি।
    হেনকালে দেখে নদী ধরিছে উজানি।। **
    একেলা জলের ঘাটে সঙ্গে নাহি কেহ।
    জলের উপরে ভাসে জয়ানন্দের দেহ।।

    দেখিতে সুন্দর নাগর চান্দের সমান।
    ঢেউয়ের উপর ভাসে পুন্নুমাসীর চান।।
    আঁখিতে পলক নাহি মুখে নাই সে বাণী।
    পারেতে খাড়াইয়া দেখে উমেদা কামিনী।। ***
    স্বপ্নের হাসি স্বপ্নের কান্দর নয়ান চান্দে গায়।
    নিজের অন্তরের দুষ্কু পরকে বুঝান দায়।।

    * জন্মথ : আজন্ম আইবড়
    ** ধরিছে উজানি : উজান বয়ে চলছে
    *** উমেদা : উন্মত্ত

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন
    Next Article পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    পূর্ব্ববঙ্গ-গীতিকা (দ্বিতীয় খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }