Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৈমনসিংহ-গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    দীনেশচন্দ্র সেন এক পাতা গল্প290 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দেওয়ান ভাবনা – চন্দ্রাবতী

    দেওয়ান ভাবনা

    চন্দ্রাবতী প্রণীত

    ( ১ )

    ছয়না বচ্ছরের[১] সুনাইগো ইরামতী[২] জ্বলে।
    হাসিয়া খেলিয়া উঠে সুনাইগো আপন মায়ের কোলে॥
    সাতনা বচ্ছরের সুনাইগো মুখে মধুর হাসি।
    মায়ের কোলে উঠে সুনাইগো পুন্নিমার[৩] শশী॥
    আটনা বছরের সুনাইগো ঝাইরা[৪] বান্ধে চুল।
    মুখেতে ফুট্যাছে সুনাইর গো শতেক পদদ্মফুল॥
    নয়না বচ্ছরের সুনাইগো নবীন কিশোরী।
    গিরের[৫] পরদীম্[৬] সুনাই সুনাইগো আঙ্গিনা পশরি[৭]॥
    দশনা বচ্ছরের সুনাইগো দশে শূন্য পড়ে।
    বিধাতা হইল বাদীগো পড়ল বিষম ফেরে॥

    শুন শুন পূর্ব্বকথাগো দুঃখের বিবরণ।
    দশ বচ্ছর কালেগো বাপের অকাল মরণ॥
    বাপ নাই ভাই সুনাইগো একেলা জননী।
    কর্ম্মদোষে হইলা সুনাইগো জনম দুঃখিনী॥

    পারাত[৮] নাই পরতিবাসীরে[৯] একলা থাকে ঘরে।
    অভাগী মায়ের দুঃখুগো জল্যা পুড়্যা মরে॥
    বিরক্ষ[১০] মইরা[১১] গেলে যেমুন[১২] গো ঝুইরা[১৩] পড়ে লতা।
    লতা যদি শুক্যা[১৪] গেলগো ঝরে পুষ্প পাতা॥
    অভাগী মায়ের দুষ্কু[১৫] গো সুনাই অন্তরে বুঝিল।
    চক্ষের জলেতে সুনাইরগো বুক ভিজ্যা গেল॥
    অঙ্গেতে বসন নাইগো সুনাইর দুষ্কের নাই সীমা।
    দীঘলাটী[১৬] আছে সুনাইরগো মায়ের ভাই মামা॥
    কারে লইয়া থাকবাম মাওগো একলা শূন্য ঘরে।
    তাহেত[১৭] সুন্দর কন্যাগো ভাব্যা চিন্তা মরে॥

    দশ বচ্ছর গিয়া সুনাইগো এগরতে পড়ে।
    কন্যার যৈবন[১৮] দেখ্যাগো ভাব্যা চিন্তা মরে॥
    এতেক সুন্দর কন্যাগো তাহেত যুবতী।
    কেবা বিয়া দিব কন্যারগো কেবা করে গতি[১৯]॥
    ভাবিয়া চিন্তিয়া মায়েগো কোন কাম করে।
    আশ্রয় মাগিতে গেলগো ভাইয়ের গোচরে॥১—৩০

    ( ২ )

    গেরাম[২০] ভাড়ুক ঠাকুরগো যজমানি বাউন[২১]।
    এইখানে[২২] কইবাম আমিগো তাহার বিবারণ॥
    ঘরে নাই পুত্র কন্যাগো কেবল সুনাইর মামী।
    ভাটুক ঠাকুরের বেবসা[২৩] গো কেবল যজমানি॥
    সন্ধ্যাবেলা সুনাইর মাওগো শুনাইরে লইয়া।
    আপন ভাইয়ের বাড়ীত দাখিল হইল গিয়া॥
    “শুন শুন পরাণের ভাইওরে[২৪] কি কইবাম তোমারে।
    দৈবের দুর্গতি আমারগো কপালের ফেরে॥
    কে দেয় সুনাইর বিয়াগো কন্যা হইল বড়।
    ভাব্যা চিন্ত্যা আইলাম দাদাগো এইযে তোমার ঘর॥”

    পুত্র কন্যা নাই ঠাকুরগো একলা মদন[২৫]।
    সুনাইরে পাইয়া হইলগো সানন্দিত মন॥
    মামার বাড়ীত থাকে সুনাইরে মায়ের সঙ্গেতে।
    ভাইয়ে বইনে যুক্তি করেগো সুনাইর বিয়া দিতে॥
    পরম সুন্দরী সুনাইগো দীঘর মাথার চুল।
    মুখেতে ফুট্যাছে সুনাইরগো শতেক চম্পার ফুল॥
    মামায়ত দিয়াছে কিন্যারে পাছা[২৬] নীলাম্বরী।
    জল ভরিতে যায় সুনাইগো কাঙ্কেতে[২৭] গাগরী॥

    নদীর পারে কেওয়া বনরে ফুটল কেওয়া ফুল।
    তার গন্ধে উইরা করে ভমরারা[২৮] রুল[২৯]॥
    কাঙ্কেতে গাগরী সুনাইরগো পৈরনে[৩০] নীলাম্বরী।
    পন্থেতে মানুষ চাইয়া থাকেগো সুনাইরে না[৩১] হেরি॥
    অঙ্গের লাবণি সুনাইরগো বাইয়া পড়ে ভূমে।[৩২]
    বার বছরের কন্যাগো পইড়াছে যৈবনে॥
    আষাঢ়মাসে দীঘলা পান্‌সীরে নয়া জলে ভাসে।
    সেহি মত সোনাইর যৈবন খেলায় বাতাসে॥
    কোথাতনে[৩৩] আইছে কন্যাগো পরম সুন্দরী।
    পাড়ায় লোকে কানাকানিগো সোনাইরে না হেরি॥
    কাজল মেঘে সাজল[৩৪] হাসিরে বিজুলীর ঝলা।
    আন্ধাইর ঘরে থাকলে সোনাইগো আন্ধাইর ঘর উজালা১—৩০



    (৩)

    গাঁথ গাঁথ সুন্দর কন্যালো মালতীর মালা।
    ঝইরা পড়ছে সোনার বকুল গো ঐনা গাছের তলা॥
    তোমার বিয়ার ঘটক আইছে লো কালুকা বিহানে[৩৫]।
    কেমন করে দিব বিয়াগো ভাবে মনে মনে॥

    বর্‌মা[৩৬] যে লেখ্যাছে[৩৭] কলমরে[৩৮] কপালে তোমার।
    ভাবিয়া চিন্তিয়া মার দেখে অন্ধকার॥
    এইতনা ঘটক ফির‍্যা গেলগো পছন্দ না হয়।
    চাদের সমান কন্যাগো বর যে কালা[৩৯] হয়॥

    এই ঘটক ফির‍্যা গেলরে আর ঘটক আইল।
    সোনাইর বিয়া দিতে মায়ের গো মন না উঠিল॥
    যেমন সুন্দর কইন্যা গো তেমন না আইল বর।
    তার মধ্যে থাকব জামাইর বারবাংলার ঘর॥
    সোনার কার্ত্তিক অইব জামাই গো যেমন চান্দের ছটা।
    কুলে শীলে বংশে ভালা গো জমিদারের বেটা॥
    যতেক সম্বন্ধ আইন গো সোনাইর মায়ে নাই সে বাসে[৪০]।
    এহি মতে আইল ঘটক পরতি মাসে মাসে॥১—১৬

    ( 8 )

    ইকরের করমর[৪১] মাকড়ের রে আঁশ।
    এইনা বির্‌ক্ষে সোনার ফুল গো কুটে বারমাস॥
    বার মাসের বার ফুলরে ফুট্যা থাকে ডালে।
    এই পন্থে আইসে নাগর পরতি[৪২] সন্ধ্যাকালে॥
    হাতেতে খাগরের[৪৩] শর জুলুঙ্গা[৪৪] লইয়া।
    পালা ঢুপি[৪৫] সঙ্গে নাগর আইসে পন্থ দিয়া॥

    দেখিতে সোনার নাগর গো চান্দের সমান।
    সুবর্ণ কার্ত্তিক যেমন গো হাতে ধনুরবান॥
    ওইনা পন্থ দিয়া নাগর গো আনাগোনা করে।
    সোনাইরে দেখিল নাগর আইনা গাঙ্গের ধারে॥

    গাঙ্গের পারে কেওয়া পুষ্প গন্ধেতে হাইল[৪৬]।
    মাধবের সঙ্গে সোনাইর গো পরথম দেখা হইল॥
    “কোথায় থাকে সুন্দর নাগররে কোথায় বাড়ীঘর।
    মনের কথা কই বা কারে কে দেয় উত্তর॥
    চারি চক্ষু এক অইলরে পরাণ কাইড়া[৪৭] লইল।
    কোন্ দৈবে মনের মানুষরে[৪৮] আন্যা দেখাইল।
    কোন্ বা দেশে থাকে ভমরারে কোন্ বাগানে বৈসে।
    কোন্ বা ফুলের মধু খাইতেরে ভমরা উইড়া আইসে॥
    উইড়া উইড়া আইসে ভমররে ফির‍্যা ফির‍্যা যায়।
    কোন্ বা ফুলের মধুর আশায়রে ঘুরিয়া বেড়ায়॥
    ধরতাম যদি পারতাম[৪৯] ভমরারে রাইতের নিশাকালে[৫০]।
    কেশেতে বান্ধিয়া তোমায় রাখতাম খোপার ফুলে॥
    খাইতে দিতাম ফুলের মধু বইতে[৫১] দিতাম পিড়ি।
    শুইতে দিতাম শীতল পাটী সঙ্গে যাইতাম উড়ি॥
    পক্ষী হইলে সোনার বন্ধুরে রাখিতাম পিঞ্জরে।
    পুষ্প হইলে প্রাণের বন্ধুরে খোঁপায় রাখতাম তোরে॥
    কাজল হইলে রাখতাম বন্ধুরে নয়ান[৫২] ভরিয়া।
    তোমার সঙ্গে যাইতাম বন্ধুরে দেশান্তরী[৫৩] হইয়া॥”

    “কি কর সুন্দর কন্যাগো একেলা নিরালা।
    কার লাগিয়া গাথ কন্যা আইজের[৫৪] পুষ্পমালা॥
    কালি[৫৫] দিছলাম[৫৬] পত্রলো ঐ না[৫৭] পদ্মের পাতে।
    কোন্ জনে লেখ্যাছে পত্রলে। কিৰা লেখা তাতে॥”

    পত্র পাইয়া কন্যাগো পড়ে সাবধানে।
    মাধবে লেখ্যাছে পত্রগো পড়ে মনে মনে॥
    একবার দুইবার তিনবার পড়ে।
    পত্র না পড়িতে কন্যারগো দুই আঁখি ঝরে॥

    পরথমে লেখ্যাছে পত্রেগো মাধব সুন্দর।
    “দেখ্যাছি সুন্দরী কন্যা ঘরে একেশ্বর[৫৮]॥
    গাঙ্গের পারে হিজল গাছ লো চিড়ল চিড়ল[৫৯] পাতা।
    জলের ঘাটে যাইও কন্যাগো কইবাম মনের কথা॥
    গাঙ্গের পারে আছে কন্যা কেওয়া পুষ্পের বন।
    নিরাল। বসিয়া করবাম গো প্রেম আলাপন॥
    তোমার লাগিয়া কন্যা হইলাম যে পাগলা।
    তুমি আমার মুখের মধু গলার পুষ্পমালা॥
    বাপের আছে ধন-দৌলত কন্যাগো লাখের জমিদারী[৬০]।
    তোমারে দিয়াম[৬১] কন্যাগো অগ্নিপাটের শাড়ী॥
    বাড়ীর আগে ফুলবাগিচা লাল আর নীলা[৬২]।
    ফুল তুইল্যা দিবাম কন্যাগো তুমি গাঁইথ্যো[৬৩] মালা॥
    বাড়ীর পাছে বান্ধা[৬৪] ঘাট আছে পুষ্করিণী।
    তুমি কন্যা জলে যাইতেগো সঙ্গে যাইবাম আমি॥

    ভরিতে না পার কন্যা ভইরা দিবাম কোলে।
    তোমারে লইয়া কন্যা সাঁতার দিবাম জলে॥
    বাহুতে পরাইয়া দিবাম বাজুবন্ধ তার[৬৫]।
    হীরামতি দিয়া দিবাম তোমার গলার হার॥
    বাপের বাড়ীতে আছেগো জলটুঙ্গীর ঘর[৬৬]।
    সেই ঘরে বসিয়া তুমি করিবা পশর॥
    বাড়ীর মধ্যে আছে কন্যা কামটঙ্গীর[৬৭] বাসা।
    রাইতের নিশি তথায় বসি খেলাইবাম পাশা॥
    গলায় গাঁথিয়া দিবাম জোনাকীর মালা।
    বাসরে শিখাইবাম কন্যা তোমায় রতিকলা॥
    বাগানের বাছা ফুলে বান্ধ্যা দিবাম চুল।
    টোনা[৬৮] ভর‍্যা তুইল্যা আনবাম মালতীর ফুল॥
    মন দিবাম দৌলত দ্বিাম আর দিবাম পরাণ।
    খুসী মনে করলো কন্যা মোরে যৌবন দান॥”



    উত্তর

    “শুনরে পরাণের বন্ধু শুন দিয়া মন।
    বিয়া নাই সে হইল মোর পরথম যৈবন॥
    মা ও মাতুল মোর আছে তারা ঘরে।
    ৰাছিয়া নিছিয়া বিয়া দিব ভালা বরে॥
    ফুল হইয়া ফুটিতাম বন্ধুরে যদি কেওয়াবনে।
    নিতি নিতি হইত বন্ধু দেখা তোমার সনে॥
    তুমি যদি হইতেরে বন্ধু আসমানের চান[৬৯]।
    রাত্র নিশা চাইয়া থাকতাম খুলিয়া নয়ান॥

    তুমি যদি হইতেরে বন্ধু ঐ সে নদীর পানি।
    তোমারে চাহিয়া দিতাম তাপিত পরাণি॥
    একেত অবলা নারী ঘরে বন্দী রই।
    দারুণ দুঃখের জ্বালা কেমনে রইয়া[৭০] সই॥
    যেদিন দেখ্যাছি তোমায় ঐ না জলের ঘাটে।
    সেই দিন হইতে পাগলা মন ফিরে বাটে ঘাটে॥
    মায়েরে না কইতে পারি আপন মনের কথা।
    অবলা যে নারী আমি মনে রইল ব্যথা॥
    কইও কইও সল্লার কাছে তোমার মনের কথা।
    কতদিনে পূরব আশা যাইব দারুণ ব্যথা॥
    কতদিনে তোমার সঙ্গে হইব মিলন।
    দূরের পানে[৭১] চাইয়া কন্যা লিখিল লিখন॥”

    চন্দন ফুলের[৭২] মালা তার পত্রখানি।
    দুতীর অঞ্চলে বান্ধ্যা কন্যা দিল যে মেলানি[৭৩]॥
    পত্র না লইয়া সল্লা হইল বিদায়।
    পরথম যৈবন লইয়া কন্যা করে হায় হায়॥১-৮৮

    ( 8 )

    দারুণ দুর্জন্যা[৭৪] বাঘরারে কোন্ কাম করে।
    খবর কইল গিয়া ভাবনার গোচরে॥
    বইয়া আছে দেওয়ান ভাবনা বারবাংলার ঘরে।
    এমন সময় বাঘরা গিয়া জানাইল তারে॥
    “পরগণা মহালে আছে পরম সুন্দরী।
    তাটুক বামুনের কন্যা যেমন হুর[৭৫] পরী॥
    বার বচ্ছরের কন্যা তেরতে উতরে[৭৬]।
    এমন সুন্দর কন্যা নাই কার ঘরে॥

    বিয়। না হইয়াছে কন্যার বিয়ার বাকি আছে।
    তুমি যদি কর সাদি আন্যা দিবাম পাছে[৭৭]॥”

    কথা শুন্যা দেওয়ান ভাবনা কোন্ কাম করিল।
    বাঘরারে মাপিয়া কাঠায় যত ধন দিল॥



    “শুন শুন ভাটুক ঠাকুর কই যে তোমারে।
    এক যে সুন্দরী কন্যা আছে তোমার ঘরে॥
    জল বাইছেতে দেওয়ান ভাবনা দেখ্যাছে তাহারে।
    সেই দিন হইতে দেওয়ান ভাবনা পাগল হইয়া ঘুরে॥
    তার কাছে তোমার কন্যা যদি দেওগো সাদী।
    ঘরের যত নিকার বিবি সকল হইবে বাঁদী॥
    বাড়ীর আগে দিয়া দিব চৌকোণ পুষ্কণী[৭৮]।
    সানেতে বান্ধিয়া দিব ঘাটের সিঁড়ি খানি॥
    বাউন্ন[৭৯] পুরা জমি দিব লেখ্যা লাখেরাজ।
    দেওয়ানের কথায় তুমি কর এই কাজ॥”

    একেত ভাটুক ঠাকুর যজমান্যা বামুন।
    সেইত আবার পাইল জমির লোভন[৮০]॥
    সম্মতি জানাইল ভাটুক দুর্জন্যা বাঘরায়।
    জাতি মাইরা[৮১] বিয়া দিব মনেতে গুছায়॥
    মায়ে না জানিল কথা না জানে কন্যায়।
    কানাকানি হানাহানি শব্দে শুনা যায়[৮২]॥১-২৮

    ( ৫ )


    “শুন শুন সল্লা দুতী কহিরে তোমারে।
    পত্র লইয়া যাও তুমি বন্ধুর গোচরে॥

    আজি সন্ধ্যাকালে দুতী মোরে লইয়া যায়।
    সন্ধ্যার তারা নিব্যা[৮৩] গেলে না দেখি উপায়॥
    দুর্জন দুষ্মন মামা দুষমনি করিয়া।
    দেওয়ান ভাবনার কাছে মোরে দিবে আজি বিয়া॥
    এই কথা বাহিয়া আইস বন্ধুর গোচরে।
    সন্ধ্যাবেলা এথা হইতে লইয়া যায় মোরে॥”

    পত্র লইয়া দুতী তরিত[৮৪] করিল গমন।
    মাধবের নগরে গিয়া দিল দরশন॥
    পত্রেতে সকল কথা মাধবরে কহিয়া।
    আর বার ফিবে দূতী কিবা পত্র লইয়া॥



    “কালি যে দেখ্যাছি আমি অতি দুঃস্বপন।
    জলের ঘাটে যাইতে দূতী নাহি চলে মন॥
    বাঁও[৮৫] আঁখি ঝরে মোর তরাসে কাঁপে বুক।
    আজি কেন ঘন ঘন শুকাইছে মুখ॥
    খাল্যা[৮৬] কলসী কাখে তুলিতে না পারি।
    কিব। জানি হইল মোরে কহ শীঘ্র করি॥
    যাইতে জলের ঘাটে নাহি চলে পাও।
    শুকনা ডালেতে বস্যা কাগায়[৮৭] করে রাও[৮৮]॥
    জলের ঘাটে যাইতে মোরে করিছে বারণ।
    হাঁচি টিক্‌টিকি আর যত অলক্ষণ॥
    জলে না যাইবাম আমি থাকি মায়ের কাছে।
    কি জানি কপালে মোর কত দুঃখু আছে॥”

    “শুন শুন দূতী আরে শুন কই তোমারে।
    জলের ঘাটে না গেলে ন। পাইবাম প্রাণ-বন্ধুরে॥

    কি জানি পরাণের বন্ধু যাইব[৮৯] চলিয়া।
    আর না পরাণের বন্ধু আসিব[৯০] ফিরিয়া॥”

    এই না ভাবিয়া কন্যা যা থাকে কপালে।
    খাল্যা কলসী কন্যা তুলিল কাঁকালে[৯১]॥
    আগে যায় সল্লা দূতী পাছেতে সোনাই।
    দৈবের নিবন্ধ কথা সভারে জানাই॥
    বান্ধা আছে পানসী নাও কেওয়া বনের ধারে।
    সোনাইরে ধরিয়া লইল দেওয়ান ভাবনার চরে॥



    “কইও কইও কইও দূতী কইও মায়ের আগে।
    আমারে যে লইয়া যায় দেওয়ান ভাবনার চরে॥
    (ভাবনায় লইয়া যায়রে।)
    ‘কইও কইও কইও দূতী কইও মামীর আগে।
    আমার কাঁখের কলসী পইড়া (রৈলা) অইনা নদীর ঘাটে॥
    (ভাবনায় লইয়া যায়রে॥)
    “কইও কইও কইও দুতী দুষ্মন মামার ঠায়।
    বাউন্ন পুরা জমি লইয়া মুখে বস্যা খায়॥
    কইও কইও কইও দুতী প্রাণ-বন্ধুর আগে।
    বন্ধুরে জানাইও সুনাইরে খাইছে ভাবনা-বাঘে॥
    সাক্ষী হইয়ো চান্দ-সূরুয দিবস-রজনী।
    বন্ধুর লাগাল পাইলে কইয়ো দুখের কাহিনী॥।
    উইড়া যাওরে বনের পংখী নজর বহু দূরে।
    বন্দেরে[৯২] কহিয়ো সুনাই লইয়া গেছে চোরে॥
    গাঙ্গের পারের হিজল গাছ শুন আমার কথা।
    প্রাণ-বন্ধুরে লাগাল পাইলে কইও যত কথা॥

    দেওয়ান ভাবনা, ১৮৪ পৃঃ
    গাঙ্গের পারে কেওরা ফুল ফুট্যা রইছে ডালে।
    দুষ্কের কথা কইও মোর বন্ধুর লাগাল পাইলে॥
    সাক্ষী হইয়ো নদী নালা আর পশুপংখী।
    আভাগী[৯৩] সুনাইরে দিল কাল বিধাতা ফাঁকি॥
    সত্যযুগের বায়ু সাক্ষী আরত সাক্ষী নাই।
    বন্ধুর আগে কইও তোমার মইরাছে সুনাই।
    কি করিলাম দুষ্কের কপাল কেন বা আইলাম জলে।
    সেই কারণে যজ্ঞের ঘির্‌ত[৯৪] খাইল চণ্ডালে॥
    আগে যদি জানতাম দুষ্কুরে এই ছিল কপালে।
    কাঙ্খের কলসী গলাত[৯৫] বান্ধ্যা ডুব্যা মরতাম জলে॥”

    (ভাবনায় লইয়া যায়রে।)

    “আসিব বলিয়া বন্ধু না আসিল কেরে[৯৬]।
    না জানি পরাণের বন্ধু পড়িল কি ফেরে॥
    না আইল না আইল বন্ধু ক্ষতি নাই সে তাতে।
    না জানি বিপদে বন্ধু পড়িল কি পথে॥
    বিষম নদীর ঢেউরে অলছতলছ[৯৭] পানি।
    কি জানি পন্থেতে বন্ধুর ডুবছে নাও[৯৮] খানি॥
    উইড়া যাওরে বনের পাংখী খবর দিও তারে।
    তোমার সুনাই লইয়া যায় দেওয়ান ভাবনার ঘরে॥

    (ভাবনায় লইয়া যায়রে।)

    সুন্দর দেখিয়া ভাবনায় লইয়া যায়রে।
    লইয়া যায় লইয়া যায় লইয়া যায়রে॥”



    “কেবা যাওরে নদী দিয়া বাইয়া পানসী নাও।
    কার ঘরের যুবতী নারী ধইরা লইয়া যাও॥
    কিসের লাগ্যা কান্দ কন্যা পানসীতে বসিয়া।”
    নৌকা হইতে মাধব তারে কয় ডাক দিয়া॥
    মাধবের ডাক যখন সুনাই শুনিল।
    ডাক ছারিয়া[৯৯] কন্যা তখন কান্দিতে লাগিল॥
    জলের উপর হইল রণ নিশির আমলে[১০০]।
    কোথা রইল দাড়ী মাঝি পইরা মরে জলে॥১-৭৬

    (৬)

    কিসের বাদ্য বাজে আজি নগরে নগরে।
    আইল আনন্দে গেরাম খানি তোলপাড় করে॥
    তুল্যা আন বনের ফুল আঞ্চল ভরিয়া।
    মাধবের সাথে আইজ সুনাইর বিয়া॥
    পুরবাসী নারী দেয় মঙ্গল জুকার[১০১]।
    বাসর সাজাইতে কেউ গাঁথে পুষ্পহার॥
    জল ভরে পুরনারী নদীর ঘাটে গিয়া।
    সুনাইর সঙ্গে হইল আইজ মাধবের বিয়া॥১-৮

    (৭)



    “কি কর মাধব তুমি গিরেতে বসিয়া।
    তোমার বাপে দেওয়ান ভাবনায় নিয়াছে বান্ধিয়া॥”

    এই কথা শুনিয়া মাধব কোন কাম করে।
    ভাওল্যা[১০২] সাজাইয়া গেল দেওয়ান ভাবনার ঘরে॥
    একেলা ঘরেতে সুনাই কেবল সঙ্গে দাসী।
    এইখানে, শুনিরো সুনাইর বারমাসী॥

    আষাঢ় মাসেতে নদীর কুলে কুলে পানি।
    বাপেরে আনিতে মাধব সাজায় পানসীখানি॥
    একেলা ঘরেতে রইল সুনাই যুবতী।
    সুনাই কান্দিয়া কয় শুন সল্লা দুতী॥

    আষাঢ় মাস গেল দূতী এইনা আশার আশে।
    কোথায় গিয়া পরাণের বন্ধু রইলা বৈদেশে[১০৩]॥
    শায়ন[১০৪] মাসেতে দুতী পূজিলা মনসা।
    সেইতে না পুরিলগো আমার মনের আশা॥
    ভাদ্র মাসেতে দূতী গাছে পাকন[১০৫] তাল।
    ভাবিয়া চিন্তিয়া দূতীরে (সুনাইর) গেল যৈবন কাল॥
    আশ্বিন মাসেতে দূতী দুর্গাপূজা দেশে।
    না আইলা প্রাণের বন্ধু দূর্গামায় পূজিতে॥
    কার্ত্তিক মাসেতে দূতী শুকায় নদীর পানি।
    আসিবে পরাণের বন্ধু মনে অনুমানি॥
    আইলনারে পরাণের বন্ধু কার্ত্তিক মাস যায়।
    বাইরে কান্দে দাস দাসী ঘরে কান্দে মায়॥
    আঘন[১০৬] মাসেতে দূতী শীতের কুয়াসা।
    পরাণ-বন্ধু বৈদেশে রইল না মিটিল আশা॥
    পৌষ মাসে পোষা আন্ধি[১০৭] অঙ্গকাপে শীতে।
    একেলা শর্য্যায় শুইয়া বন্ধু বৈদেশেতে॥

    পৌষ গেল মাঘরে গেল ফাল্গুন আইল।
    বসন্তে যৌবন-জ্বালা দ্বিগুণ বাড়িল॥
    কি বুঝিবা আরে দূতী কাল বসন্তের জ্বালা।
    যার ঘরেতে নাই সে পতি যৈবতী[১০৮] একেলা॥
    চৈত[১০৯] মাসেতে দূতী বহিছে চৈতালী[১১০]।
    দেশে না আসিন বন্ধু হইলাম পাগলী॥
    চৈত মাস যায় দূতী বচ্ছর হইল শেষ।
    একদিন না বান্ধিলাম আভাগীর চিকণ কেশ॥
    একদিন বাগিচায় ফুল না লইলাম তুলিয়া।
    মধুর যৈবন গত হইল ভাবিয়া চিন্তিয়া॥
    গায়েতে পড়িল – – -যৈবন হইল কালি।
    কোন কুঞ্জে বিরাজ করে আমার বনমালী॥
    জ্যেষ্ঠ মাসেতে দূতী গাছে পাকনা আম।
    কপাল বাইয়া পড়ে কন্যার জ্যৈষ্ঠমাস্যা[১১১] ঘাম॥
    তালের পাতা লইয়া বাতাস করে যত দাসী।
    বাতাসে কি শীতল হয় মন যার উদাসী॥



    (৯)

    সুনাইর শ্বশুর দেশে আইল ফিরিয়া।
    বধুর কাছে কয় কথা কান্দিয়া কান্দিয়া॥
    “তুমিত প্রাণের বন্ধু কহি যে তোমারে।
    এক পুত্র আছিল মোর বংশের দুয়ারে॥
    সেও পুত্র হারা হইলাম কপালের দোষে।
    তোমার লাগ্যা দেওয়ান ভাবনা মোরে অপবশে॥

    আমারে বান্ধিয়া নিন ভাবনার সহরে।
    মাধবে পাইয়া দেওয়ান ছাইরা দিল মোরে॥
    শুন বধূ তুমি যদি কিরপা[১১২] নাইসে কর।
    অকালেতে পুত্র আমার যাইব যমের ঘর॥
    দুরন্ত দুর্জন ভাবনা পরতিজ্ঞা[১১৩] যে করে।
    তোমারে পাইলে ছাইরা দিব মাধবেরে॥
    বংশের নিদান পুত্র এক বিনে নাই।
    তোমারে ছাড়িয়া যদি পরাণের পুত্র পাই॥”

    এই কথা শুনিয়া সুনাইর চউখে[১১৪] আইসে পানি।
    আউল[১১৫] কেশ বান্ধ্যা কন্যা মুছে চউখের পানি॥
    ভাওয়ালিয়া সাজাইতে কইল আপন শ্বশুরে।
    পতি উদ্ধারিতে কন্যা যায় ভাবনার সরে[১১৬]॥
    সঙ্গে লইল জড়ের[১১৭] লাড়ু কটরায় ভরিয়া।
    দেওয়ান ভাবনার সরে কন্যা দাখিল হইল গিয়া॥
    খবর পাইয়া দেওয়ান ভাবনা কোন্ কাম করে।
    সুনাইরে দেখিতে আইল ভাওল্যা উপরে॥
    সুনাইরে দেখিয়া ভাবনা হইল অজ্ঞান।
    দেখিতে যৈবতী কন্যা পূর্ণিমার চান॥



    “শুন শুন দেওয়ান ভাবনা কহি যে তোমারে।
    প্রাণের বন্ধু বন্দী কইরা রাখছ তোমার ঘরে॥
    আমি যে আইছিগো দেওয়ান এই যে তোমার ঘরে।
    এই কথা না জানাইও প্রাণের বন্ধুরে॥
    শুন শুন দেওয়ান ভাবনা আমার মাথার কিরা[১১৮]।
    না কয় যেন আমার কথা যতেক খবইরা[১১৯]॥

    আমার বন্ধুরে আগে করিবা খালাস।
    তবে সে মিটাইবাম আমি তোমার মনের আশ॥”



    বন্দী খানায় বন্দী মাধব বুকেতে পাথর।
    হাতে পায়ে আছে তার লোহার শিকল॥
    যেই ভাওয়ালিয়া লইয়া সুনাই আসিল।
    সেই ভাওয়ালিয়ায় দেওয়ান মাধবেরে দিল॥
    মুক্তি পাইয়া মাধব আরে যায় নিজ দেশে।
    সুনাইর কি হইল দশা শুন অবশেষে॥



    নিশি রাইত মেঘে আন্ধা[১২০] আসমানে নাই তারা।
    বারবাংলার ঘরে সুনাই চৌদিকে পাহাড়া॥
    মায়ের পায়ে করে সুনাই কোটি নমস্কার।
    উদ্দিশে[১২১] বিদায় মাগে করি হাহাকার॥
    তার পরে স্মরিল কন্যা মাধবের মুখ।
    আন্ধাইরে পাইল কন্যা মনে বড় সুখ॥
    সোয়ামির[১২২] পদে জানায় শতেক ভকতি।
    তার পরে স্মরে কন্যা দুর্গা ভগবতী॥
    আসমান কালা জমীনরে কালা কাল নিশা[১২৩] যামিনী।
    বিষের কটরা খুলে কন্যা জনম দুঃখিনী॥
    শিশুকালে বাপ মইল[১২৪] এতেক নাইরে মনে।
    সেইত দুঃখের কথা আইজ পড়িল মনে॥

    নিশি রাইতে দেওয়ান ভাবনা আইন বাংলা ঘরে।
    আইসা দেখে পইড়া সুনাই পালঙ্ক উপরে॥

    বিষেতে অবশ অঙ্গ বদন হইল কালা।
    অঙ্গেতে হইয়াছে কন্যার গরলের জ্বালা॥

    না দেখল অভাগী মাওরে আপন বন্ধুজনে।
    কোথায় রইল প্রাণের বন্ধু আইজ এই নিদানে॥
    কোথায় রইল শাউরী[১২৫] কোথায় সল্লা দূতী।
    নিদান কালে কাছে নাইসে রইল প্রাণের পতি॥
    দুর্জন দুষমন ভাবনার আশা না পুরিল।
    প্রাণ-বন্ধুরে বাঁচাইতে সুনাই পরাণে মরিল॥১-৬০

    .

    টীকা

    1.  বচ্ছরের=বৎসর।
    2.  ইরামতী=হীরা-মতি।
    3.  পুন্নিমা=পূর্ণিমা।
    4.  ঝাইরা=ঝারিয়া, চুল ঝারিরা বন্ধন করে।
    5.  গিরের=ঘরের, গৃহের অপভ্রংশ।
    6.  পরদীম্= প্রদীপ।
    7.  পশরি=আলোকিত করিয়া।
    8.  পারাত=পাড়ায়।
    9.  পরতিবাসী = প্রতিবাসী, প্রতিবেশী।
    10.  বিরক্ষ=বৃক্ষ।
    11.  মইরা=মরিয়া।
    12.  যেমুন=যেমন। (পূর্ব্ব ময়মনসিংহ ও শ্রীহট্টবাসীরা ‘যেমন’ কে যেমুন কহিয়া থাকে।)
    13.  ঝুইরা = ঝরিয়া। (ঝুইরা ঝুরিয়ার অপভ্রংশ। ‘ঝরিয়া মরা’—কথ্য ও লেখ্য ভাষায় ব্যবহৃত হইয়া আসিতেছে।)
    14.  শুক্যা=শুকাইয়া।
    15.  দুষ্কু=দুঃখ। (দুঃখ শব্দচীকে পূর্ব্ব ময়মনসিংহ ও তৎপার্শ্ব বর্ত্তী অন্যান্য স্থানবাসীর মধ্যে ভদ্রলোকেরা দুঃখু ও নিম্নশ্রেণীস্থ লোকেরা দুস্কু বলে।)
    16.  দীঘলাটি = দীঘল হাটি, একটা গ্রামের নাম।
    17.  তাহেত = ইহাই।
    18.  যৈবন-যৌবন।
    19.  গতি=কুল-কিনারা করিয়া দেওয়া।
    20.  গেরাম=গ্রাম, এখানে গ্রাম্য অর্থ বোধক।
    21.  যজমানি বাউন=যজমানি অর্থাৎ যজন-যাজনাদি করা যাহার ব্যবসায়; বাউন=ব্রাহ্মণ।
    22.  এইখানে=এখানে।
    23.  বেবসা=ব্যবসায়।
    24.  ভাইওরে=ভাইরে।
    25.  একলা মদন=স্বাধীন। একেলা। যাহার কোন অভাব-অনটন-প্রযুক্ত পরমুখাপেক্ষী হইতে হয় না এবং তজন্যই সুখে-স্বচ্ছলে নিজ ইচ্ছামত চলাফেরা করিতে পারে। গ্রাম্য কথায় তেমন ব্যক্তিকে বলা হয় “একলা মদন বুড়্যা বেড়ায়।”
    26.  পাছা=পাছা পেড়ে।
    27.  কাঙ্কেতে=কাঁখেতে; কক্ষের অপভ্রংশ।
    28.  ভমরারা=ভ্রমরগণ।
    29.  রুল=রোল, গুঞ্জন।
    30.  পৈরনে=পরিধানে।
    31.  “না” এখানে নিষেধ সূচক নহে। এই সম্বন্ধে Introduction দ্রষ্টব্য।
    32.  অঙ্গের লাবণি—ভূমে=এই পদটীর ভাব জ্ঞানদাসের “চল চল চল অঙ্গের লাবণি অবনী কহিয়া যায়” পদটীতে পাওয়া যায়।
    33.  কোথাতনে=কোথা হইতে।
    34.  সাজল=সজ্‌জিত, সুন্দর। বোধহয়, কাজলের সঙ্গে মিল রাখিবার জন্য “সাজল” করা হইয়াছে।
    35.  কালুকা বিহানে=গতকল্য প্রভাতে।
    36.  বর্‌মা=ব্রহ্মা।
    37.  লেখ্যাছে=লিখিয়াছে।
    38.  কলমরে=কলমের দ্বারা। তোমার কপালে ব্রহ্মার কলম যাহা লিখিয়াছে তাহার কোন ব্যত্যয় হইতে পারে না।
    39.  কালা=কালো, কৃষ্ণবর্ণ, বধির অর্থে নহে।
    40.  বাসে=পছন্দ করে।
    41.  ইকরের করমর=ইকর এক প্রকার ক্ষুদ্র গাছ; ইহার অত্যন্ত ঘনভাবে থাকে এবং বাতাস বহিলে আন্দোলিত হইয়া কড়মড় শব্দ করে।
    42.  পরতি=প্রতি, প্রত্যেক।
    43.  খাগর=খাগড়া নামক এক প্রকার ছোট গাছ, ইহা বিলাতী Reed জাতীয়।
    44.  জুলুঙ্গা=ঝোলা, থলে।
    45.  পালা ঢুপি=পোষা ঘুঘু। ইহাদের দ্বারা বন্য ঘুঘুকে শিকার করা হইয়া থাকে।
    46.  হাইল=ভরপুর।
    47.  কাইড়া=কাড়িয়া।
    48.  মানুষরে=মানুষকে।
    49.  ধরতাম যদি পারতাম=আমি যদি ধরিতে পারিতাম।
    50.  রাইতের নিশাকালে=গভীর রাত্রে!
    51.  বইতে=বসিতে।
    52.  নয়ান=নয়নের অপভ্রংশ। বৈষ্ণব কবিতায় ‘নয়ন’ নয়ান উভয়েরই ব্যবহার আছে। ‘নয়ন না তিরপিত ভেল’; পক্ষান্তরে ‘হেরিব যেদিন আপন নয়ানে, তার সনে মোর কথা’।
    53.  দেশান্তরী-খলে দেখার প্রয়োগ।
    54.  আইজের=অদ্যকার।
    55.  কালি=(গত) কল্য।
    56.  দিছলাম=দিয়াছিলাম।
    57.  ঐ না=ঐ যে।
    58.  একেশ্বর=একেলা।
    59.  চিড়ল=(গ্রাম্য কথ্য ভাষার ব্যবহার)=মধ্যে চির খাওয়া ও বড়।
    60.  লাখের জমিদারী =লক্ষ টাকা আয়ের জমিদারী। মনসা-মঙ্গলে এই ভাবে “লক্ষের বিজনী”র ব্যবহার পাওয়া যায়।
    61.  দিয়াম=দিব (ভবিষ্যৎ কাল)।
    62.  লাল আর নীলা=লাল ও নীল বর্ণের পুষ্পবিশিষ্ট।
    63.  গাঁইথ্যো=গেঁথো; গাঁথিয়ো।
    64.  বান্ধা=বাঁধানো।
    65.  বাজুবন্ধ তার=বাজু (পূর্ব্বকালে বাহুতে সোণার তাড় অলঙ্কারস্বরূপ ব্যবহৃত হইত)।
    66.  জলটুঙ্গীর ঘর=ধনী, বিলাসী ব্যক্তিরা পুষ্করিণীর মধ্যে এক প্রকার বিশ্রাম ও আমোদাগার নির্ম্মান করাইরা গ্রীষ্মকালে সেখানে শ্রমবিনোদন ও আমোদ-প্রমোদ করিয়া থাকেন।
    67.  কামটঙ্গী=বৈঠকখানাঘর (Drawing Room)।
    68.  টোনা=বস্ত্রাঞ্চল। অদ্যাপি এই শব্দটী পূর্ব্ব ময়মনসিংহ ও শ্রীহট্টে পূর্ব্বোক্ত অর্থে ব্যবহৃত হয়।
    69.  চান=চাঁদ।
    70.  রইয়া=রহিয়া।
    71.  পানে=দিকে। দূরের পানে,=দূর ভবিষ্যতের দিকে।
    72.  চন্দন ফুল=চন্দন এবং ফুলের মালার সহিত পত্রখানি।
    73.  মেলানি=ভেট।
    74.  দুর্জন্যা=দুর্জন; অবজ্ঞাসূচক অর্থে দুর্জন শব্দের রূপান্তর “দুর্জন্যা ব্যবহৃত হইরা থাকে।”
    75.  হুর=মুসলমানী শব্দ, হুরী পরীর শ্রেণীবিশেষ।
    76.  উতরে=পৌঁছে।
    77.  পাছে=পশ্চাতে, পরে।
    78.  পুষ্কণী=পুষ্করিণী।
    79.  বাউন্ন=বায়ান, (৫২)।
    80.  লোভন=লোভজনক।
    81.  মাইরা=মারিয়া, নষ্ট করিয়া।
    82.  শব্দে শুনা যায়=‘জনরথ’।
    83.  নিব্যা=নিবিয়া।
    84.  তরিত=শীঘ্র।
    85.  বাঁও=বাম।
    86.  খাল্যা=খালি।
    87.  কাগায়=কাকে।
    88.  রাও=শব্দ; (পশ্চিম বঙ্গের ‘রা’)।
    89.  যাইব=যাইবে।
    90.  আসিব=আসিবে।
    91.  কাঁকাল=কক্ষ, কাঁখ।
    92.  বন্দেরে=বন্ধুকে।
    93.  আভাগী= ভাগ্যহীনা; অভাগী।
    94.  ঘির্‌ত=ঘৃত।
    95.  গলাত=গলায় ৭মী বিভক্তি।
    96.  কেরে=কেনে। (কোথারও “কিয়েরে,” পূর্ব্ববঙ্গের গ্রাম্য ভাষায় অদ্যাপি প্রচলিত)
    97.  অলছতলছ=উচ্ছল, আলু থালু, উদ্দাম।
    98.  নাও=নৌকা।
    99.  ডাক ছারিয়া=উচ্চৈঃস্বরে।
    100.  নিশির আমলে=রাত্রিকালে। আমল=সময়।
    101.  জুকার=সম্ভবতঃ এই শব্দটা ‘জয়জয়কারের’ অপভ্রংশ; পূর্ব্ববঙ্গে উলু (ধ্বনি) কে ‘জুকার’ বা ‘জোকার’ বলা হয়।
    102.  ভাওল্যা=ভাওয়ালিয়া; পূর্ব্ববঙ্গের বড়লোকদের ব্যবহারের এক প্রকার বৃহৎ সথের নৌকা। তত্রত্য অঞ্চলে ইহার ব্যবহার খুব প্রচলিত।
    103.  বৈদেশে=‘বিদেশের অপব্যবহার’। Cf. নৈরাশ=নিরাশ।
    104.  শায়ন=(শাওন); শ্রাবণের অপভ্রংশ।
    105.  পাকন=পাকা, পক্ক
    106.  আঘন= অগ্রহায়ণ।
    107.  পোষা আন্ধি=পৌষের ঘন কুয়াশা জনিত অন্ধকার।
    108.  যৈবতী=‘যুবতী’র অপব্যবহার। বৈদেশ, নৈরাশ, যৈবন প্রভৃতি শব্দের ন্যায়।
    109.  চৈত=চৈত্র মাস।
    110.  চৈতালী=বসন্তকালীন বায়ু।
    111.  জ্যৈষ্ঠমাস্যআ=জ্যৈষ্ঠমাসের।
    112.  কিরপা=কৃপা।
    113.  পরতিজ্ঞা=প্রতিজ্ঞা।
    114.  চউখে=চোখে।
    115.  আউল=এলোমেলো।
    116.  সরে=সহরে।
    117.  জড়ের=বিষের।
    118.  কিরা=দিব্য।
    119.  খবইরা=সংবাদ-দাতা।
    120.  আন্ধা=অন্ধকার।
    121.  উদ্দিশে=উদ্দেশে।
    122.  সোয়ামী=স্বামী।
    123.  ‘নিশা’ এখানে ‘যামিনীর’ বিশেষণ রূপে ব্যবহৃত হইয়াছে এবং গভীর এই অর্থ জ্ঞাপক। Cf. নিশা—রাইত।
    124.  মইল=মরিল।
    125.  শাউরী=শাশুরী।
    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্যামাপ্রসাদ : বঙ্গবিভাগ ও পশ্চিমবঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সিংহ
    Next Article পুর্ব্ববঙ্গ গীতিকা (চতুর্থ খণ্ড, দ্বিতীয় সংখ্যা) – দীনেশচন্দ্র সেন সম্পাদিত

    Related Articles

    দীনেশচন্দ্র সেন

    পদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    মৈমনসিংহ গীতিকা – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৈদিক ভারত – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বঙ্গভাষা ও সাহিত্য -১ম খণ্ড – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    বৃহৎ বঙ্গ – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    দীনেশচন্দ্র সেন

    সতী – দীনেশচন্দ্র সেন

    August 26, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }