Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মোহানা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প440 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কেয়ামত

    পিউ এসে জিজ্ঞেস করে গেল—‘কাকিমণি তুমি বিকেলে কখন বাড়ি ফিরছ?’ তখন সবে প্রথম গ্রাস ভাত মুখে তুলেছি। আমার সিসটেমটা একটু অদ্ভুত। আগে খাওয়া, পরে চান। রান্না-টান্না সেরে ছেলেকে স্কুলের ভাত দিয়ে, ছেলের বাবাকে অফিসের ভাত দিয়ে, নিজে খেয়ে নিই, তারপরে রান্নাঘর, যাকে বলে হেঁশেল, তুলে গুছিয়ে আর যেখানে যা বাকি আছে করে, তবে চানে ঢুকি। হপ্তায় দু দিন অর্থাৎ শনি-রবিবার ছাড়া চুল ভিজোই না, যেমন বেণী তেমনি থাকে। ভালো করে মাথা ছাড়া স্নান, তারপর একেবারে তৈরি হয়ে বেরোই। স্বাস্থ্যসম্মত নয় জানি, কিন্তু এ ছাড়া আমার উপায়ও নেই। সকালের খাওয়ার চেয়েও সকালের চানটা আমার কাছে জরুরি বেশি। পিউকে বললুম—‘পাঁচটার মধ্যে। কেন?’

    পিউ বলল—‘মা জিগগেস করেছিল। আচ্ছা আমার স্কুলের দেরি হয়ে যাবে, যাই কাকিমণি।’ পিউ একছুট্টে চলে গেল।

    পিউ আমার প্রতিবেশীর মেয়ে। দু-চারটে বাড়ি পরে থাকে। পিউয়ের বাবা মস্ত অ্যাডভোকেট। চারতলা বাড়ি। আধুনিক কেতার যৌথ পরিবার। পিউয়ের ঠাকুর্দা-ঠাকুমা, বাবা-মা থাকেন প্রথম দু তলায়। ওপর দিকে তার দুই কাকা-কাকিমা। ভিন্ন হাঁড়ি। কিন্তু একই বাড়িতে বাস। বাবা-মা থাকতেই পিউয়ের বাবা সব ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। ফলে যৌথ পরিবার-জনিত অশান্তি ওদের বাড়িতে খুব কম। বরং পিউ কাকা-কাকিদের কাছ থেকে যথেষ্ট স্নেহ ভালোবাসা পায়। আসলে পিউ বলতে গেলে ওদের বাড়ির একমাত্র মেয়ে। ওর এক কাকা এখনও নিঃসন্তান, অন্য কাকার দুই ছেলে, পিউয়ের নিজের দিদিও বেশ বড়। ওর থেকে চোদ্দ পনের বছরের বড়, তার বিয়ে হয়ে গেছে অনেকদিন। তার মেয়ে তো বলতে গেলে পিউয়ের ভক্ত শিষ্যা গোছের। কাজেই পিউ খুব আহ্লাদি। পিউয়ের ফ্রক ড্রেস ইত্যাদি হয় ডজন হিসেবে। জন্মদিনের উপহারে একটা পুরো শোকেস ভরে গেছে। পুজোর সময় পিউ এত রকমের জামা কাপড় পায় যে ইচ্ছে করলে বোধহয় ঘণ্টায় ঘণ্টায় বেশবদল করতে পারে। মেয়েটাকে দেখতেও বেশ সুন্দর। ফর্সা। গোল বাচ্চা-বাচ্চা মুখ। আধুনিক ফ্যাশনে বয়-কাট করা চুল। বড় বড় চোখ। ফুলো ফুলো ঠোঁট। দেখলেই ভালো লাগে। পিউ অজস্র কথা বলে। নেচে নেচে চলে। চলার মধ্যে ভারী সুন্দর একটা ছন্দ আছে। আধা-খেলোয়াড়ি, আধা-নাচিয়ে ছন্দ। নাচ শেখে বলে নয়, এমনিতেই মেয়েটার এমনি চটপটে ছন্দোময় চলাফেরা। অনেক সময়ে পিউ যখন রাস্তা দিয়ে নাচের স্কুলে, কি যোগের স্কুলে, কি আঁকার স্কুলে যায়, আমি জানলায় চোখ পেতে রাখি। রাস্তাময় খানা-খোঁদল। এখানে একটা ইঁট, ওখানে একটা আধলা। বর্ষার জল ছোট ছোট গর্তে ভরে আছে। পিউ ছোট্ট একটা ফড়িং-এর মতো লাফ দিয়ে একটা গর্ত পার হল, আরেকটা, আরেকটা, কাহারবা কিংবা ঝাঁপতালের ছন্দে। আমার স্বামী তিলক বলে—‘কী ব্যাপার? তুমি এতক্ষণ ধরে জানলায় দাঁড়িয়ে কী দেখছ বলো তো? ভালুক-নাচ বা বাঁদর খেলার ডুগডুগি শুনিনি তো?’

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    নতুন বই
    বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বইয়ের
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    PDF
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম

     

    আমি ওর ইয়ার্কি অগ্রাহ্য করে বলি—‘দেখবে এসো না, পিউ কী সুন্দর যাচ্ছে।’

    তিলকবাবুর মুখ হাঁ হয়ে যায়। —‘পিউ কি সুন্দর যাচ্ছে? নাঃ মাথাটা একেবারেই খারাপ দেখছি।’

    তা কী করব, আমার সৌন্দর্য বড় ভালো লাগে। কথার সৌন্দর্য, চলার সৌন্দর্য। আমাদের বাড়ির কোণের জানলায় দাঁড়ালে ট্রাম-রাস্তা দেখা যায়। আমি ট্রামের ছন্দও দেখি। ট্রাম, বাস, গাড়ি যখন নিজস্ব চালে চলবার সুযোগ পায়, তখন আমি যদি বাড়ি থাকি তো অবকাশ করে নিই দেখব বলে। যা কিছু গতিময়, আনন্দময়, প্রাণময় তা-ই আমার ভালো লাগে। আর সে হিসেবে, একটা চোদ্দ বছরের ফুটফুটে মেয়ে যে নাকি পৃথিবীতে এসে থেকে অনাদর, অভাব, অপ্রাপ্তি কাকে বলে জানেনি, যার জীবনের ছন্দ চলার ছন্দের সঙ্গে হুবহু মিশে গেছে তার টুকটুকে পায়ে প্রজাপতির মতো গোষ্পদ পেরোনো যে আমার দারুণ ভালো লাগবে এ তো জানা কথাই।

    পিউ অবশ্য একটু পাকা। অনুমান হয় ওর মা-কাকিমা-ঠাকুমারা ওর সামনেই সব কথা বলেন। তাই পিউ কিছুটা ওর ঠাকুমার মতো, কিছুটা ওর মার মতো, কিছুটা ওর কাকিদের মতো, এমনকি ওর বাবা কাকা ঠাকুর্দাদার মতোও কথা শিখেছে। কিন্তু ও বোকা নয়। আর ওর পাকামিটাও একরকম নতুন স্বাদের ছেলেমানুষি। যেমন, ও আমাদের বাড়িতে ঢুকেই হয়ত বলবে——‘ও কাকিমণিগো। আজকে কি সব্বোনাশ হয়েছে শোনো একবার।’ কিংবা বলবে, ‘যার ভালো তার সব কি ভালো হতে হয় কাকিমণি! আমাদের নতুন টিচার সঙ্ঘমিত্রাদি! যেমনি দেখতে, তেমনি পড়ান, তেমনি গান করেন, তেমনি সুন্দর আচার-ব্যবহার। কি নম্র।’ পিউ যে সব সময়েই এই রকম বড়দের ভঙ্গিতে কথা বলে তা নয়। তবে মাঝে মাঝেই তার কথাবার্তায় এই সব আর্ষ প্রয়োগ ঢুকে পড়ে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    PDF
    বাংলা বই
    লেখকের বই
    লাইব্রেরি
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাইশে শ্রাবণ

     

    বিকেলে আমি বাড়ি ফেরার একটু পরেই পিউয়ের মা মিসেস সরকার এসে ঢুকলেন। মুখ পান-জর্দায় ভর্তি। সেসব সামলাতে সামলাতে বললেন, ‘আজ শুককুরবার, আজ আর ছাড়ছি না। কাল ছুটি, পরশু ছুটি। তরশুও হয়ত বিদ্যাসাগরের জন্যে ছুটি হয়ে যেতে পারে। মৃত্যুর শতবর্ষ পূর্ণ হল, না?’

    আমি হেসে বললুম: ‘ছাড়ছেন না কেন সেটাই বলুন আগে?’

    ‘আজ সারা রাতের প্রোগ্রাম। সাত-সাতখানা ক্যাসেট এসেছে। পরপর চলবে। পান সিগারেট চা কফি স্ন্যাকস সব আমার। আপনাদের খালি কমপ্যানি দিতে হবে। কর্তা না যান, গিন্নিকে যেতেই হবে।’

    ওরে বাবা! সারাদিন ধরে গাধার খাটুনি, খাতা দেখতে হয় পাহাড় প্রমাণ। প্রতিদিন। যে কটা পয়সা রোজগার করি আমার মালিকরা তার প্রতিটি উশুল করে নেন। রাত্রে বিছানায় পড়ি আর ঘুমসাগরে তলিয়ে যাই। কে কী, কেন কবে কোথায় কিছু খেয়াল থাকে না। যদি আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করে তুমি কী সবচেয়ে ভালোবাসো? আমি নির্দ্বিধায় বলব ঘুম। কিন্তু অ্যাডভোকেট গিন্নি নতুন ভিসিপি কিনেছেন। টিভি একটা পাল্টে আরেকটা এনেছেন, তার রং নাকি চোখ জুড়িয়ে দ্যায়। প্রতিবেশীরাই যদি না দেখল, বাছা-বাছা প্রতিবেশী অবশ্য, তবে আর এসবের দাম কি? ওঁদের বাড়ি থেকে অষ্টপ্রহরই ভেসে আসে হরেক কিসিমের গান বাজনা, স্টিরিয়োয় উদ্দাম। প্রথম প্রথম খুব ভালো লাগত, আমার ছেলে কিচলু তো সেঁটে থাকত আগে আগে। ‘—মা, আমাদেরও একটা স্টিরিয়ো কেনো না!’

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    Books
    লেখকের বই
    বইয়ের
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    PDF
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বই

     

    কিচলুর বাবা বলত, ‘হ্যাঁ ভূতের ভয়ে চড়লেম গাছে, ভূত বলে তোরে পেলেম কাছে। দূরে দূরেই অস্থির হয়ে যাচ্ছি। এবার তুই ঘরের মধ্যে গানের বন্যা বইয়ে দে।’

    আমি বলি—‘তুই স্কুল পেরিয়ে কলেজে ওঠ, দোব।’

    কিচলুর মুখ কাঁচুমাচু হয়ে যায়। তার স্কুল পেরোতে এখনও অনেক দেরি। কিচলু মিউজিক সিসটেমের বদলে দাবা-বোর্ড পায়, খুব শৌখিন। খেলতে খেলতে বাপ-ছেলের হুঁশ থাকে না। জানলা-পথে গাঁক গাঁক করে কিছু নকল কিশোরকুমার ভেসে আসে। ভালো জিনিস ভালো। কিন্তু কম কম। মাত্রা বেশি হয়ে গেলে খুব ভালো জিনিসের বেলাও যেন মনে হয় ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি।

    কিন্তু মিসেস সরকার ভিসিপি উদ্বোধন করবেন, না গেলে রাগ করবেন। মিসেস সরকারের আর কি! ধনী বাপের একমাত্র মেয়ে। শরৎচন্দ্রের ভাষায় এক পুঁটলি টাকা নিয়ে শ্বশুরঘরে এসেছেন। এখন তো বোধহয় বাবা-মা গত। সবই ওঁর। জীবনে কোনদিন কুটো ভেঙে দুখানা করতে হয়নি। এখনও ওঁর বাপের বাড়ির বুড়ি আয়ি ওঁকে দুধ নিয়ে সাধাসাধি করে। উনি বারান্দায় বসে বসে রাস্তা দেখেন, একটা খুদে ছেলে ওঁর পা টিপে দেয়। বুড়ি আয়ি দুধ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। সেই দুধের রং ওঁর গা থেকে ফেটে পড়ে। ক্রমশই এতো মোটা হয়ে পড়ছেন যে ভয় হয় হার্টের ব্যামো-ট্যামো না ধরে। আমাকে বলেন—‘পিউদের যোগ-স্কুলে ভর্তি হবো? নাকি বলুন তো!’ আমার ইচ্ছে হয় বলি—‘তার আগে একটু নড়ে বসুন দিদি।’ টাকা আছে বলে আমার নড়া-চড়াগুলোও অন্য লোকে করে দেবে এ কেমন কথা! তা হলে জীবনটাও অন্য কেউ বেঁচে দিলে হয়!

     

    আরও দেখুন
    ডিকশনারি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বই ডাউনলোড
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইনে বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের তালিকা

     

    উদ্বোধন বেশ জমজমাটিই হল। ওদের বাড়ির সবাই তো আছে, মায় পুঁচকে পা-টেপার ছেলে, খুদে ফরমাসের মেয়ে পর্যন্ত। কুটুম্বরাও আছেন। পিউয়ের দিদি, তার একরত্তি মেয়ে, শাশুড়ি, পাড়ার কেউ কেউ, ওঁদের কাছে-পিঠের আত্মীয়স্বজন। পিউয়ের কাকিমা সকলকে কফি আর ডালমুট পরিবেশন করল। কিন্তু আমার আবার এত লোকজন সহ্য হয় না। অসোয়াস্তি লাগতে থাকে। প্রথম ছবিটি দেখেই তো আমার চক্ষু চড়ক গাছ। পিউ পাশেই বসেছিল, দেখলুম ‘মুগ্ধ নয়ান, পেতে আছি কান’ গোছের অবস্থা। একবার আমার হাতটা টিপে বলল, ‘কাকিমণি কী সুন্দর না?’ দুটোর পরে আমি আস্তে আস্তে উঠে এলুম। মিসেস সরকার একবার গাল কাত করে বললেন, ‘ও কী! চললেন যে?’ মৃদুস্বরে বললুম—‘বড্ড ঘুম পেয়েছে, আর থাকতে পারছি না।’

    আমরা মানে আমি, আমার স্বামী তিলক একটু সেকেলে। সব কিছু আমরা কিচলুকে সঙ্গে নিয়ে বসে দেখতে পারি না। সব কিছু কিচলু দেখুক, শুনুক সেটাও চাই না। এ ব্যাপারে আমার স্বামীর, আমার, আমাদের নিকটজনদের সম্পূর্ণ ঐকমত্য আছে। সেহেতু আমাদের দেখা শোনাগুলোও খানিকটা কিচলুর স্ট্যান্ডার্ডের হয়ে গেছে। কিন্তু মিসেস সরকার করেছেন কি? অতগুলি অত বয়সের লোক জড়ো করে কী দেখাচ্ছেন? নিজের না হয় করবার কিছু নেই। তাই বলে…। আমাকে আবার আশ্বাস দিয়েছিলেন, যত রাত হবে ততই নাকি এ-মার্কা ছবি দেখাবেন।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কৌতুক বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    আমি আর যাই না। কিন্তু প্রতি শনিবার পিউদের বাড়ি ভিডিও ক্যাসেট চলতে থাকে। তার বাইরেও দেখি পিউয়ের মা গাড়ি নিয়ে মেয়ে নিয়ে সিনেমা যাচ্ছেন।

    ‘কোথায় যাচ্ছেন অঞ্জলিদি?’

    ‘দূর আপনাকে বলবো কেন?’ অঞ্জলিদি ঠোঁট ফোলান। তার পরেই হেসে বলেন, ‘ববি এসেছে, দেখে আসি।’

    আমি আশ্চর্য হয়ে বলি, ‘এই যে সেদিন বাড়ি বসে দেখলেন?’

    ‘হলে বসে বড় পর্দায় দেখার মজা আলাদা, আপনি বুঝবেন না।’

    পিউ কানের রিং দুলিয়ে বলে—‘হ্যাঁ কাকিমণি, মা ববি কোথাও এলে দেখবেই, সে যেখানেই হোক, যতদূরেই হোক, যত অখাদ্য হলেই হোক।’

    মিসেস সরকার ধরাপড়া মুখে হেসে বললেন—‘এই কিশোর-প্রেমের ছবিগুলো দেখতে আমার দুর্দান্ত লাগে জানেন মিসেস মিত্র। একটাও বাদ দিই না, ববি, জুলি, এক দুজেকে লিয়ে, চাঁদনি, কেয়ামত সে কেয়ামত তক…।’

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বুকস্টোর
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইনে বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই পড়ুন
    PDF বই
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    পিউ বলল—‘ববি মা কতবার দেখেছো যেন? ছত্রিশ বার না? আর কিউ এস কিউ টি পনের বার। প্রত্যেকবার চারটে করে রুমাল ভেজাবে মা, জানো কাকিমণি!’

    ‘হ্যাঁ, তোকে বলেছে।’ মিসেস সরকার লজ্জা পেয়ে যান। তারপরেই গাড়িখানা হুশ, করে চলে যায়।

    মায়ের এই অত্যধিক সিনেমা-প্রীতির জন্য প্রায়ই পিউয়ের নাচের ক্লাস, যোগ-ব্যায়ামের ক্লাস কামাই হয়ে যায়। অথচ মেয়েটার মধ্যে সত্যি ক্ষমতা আছে। যোগনিদ্রা, উত্থিত পদ্মাসন, আকর্ণ ধনুরাসন সব শক্ত শক্ত আসন এত সুন্দর করে যে চেয়ে দেখতে ইচ্ছে করে। আর নাচ তো ওর স্বভাবের অঙ্গ। সরকার বাড়ির প্রধান ব্যক্তি মনে হয় মিসেস সরকার। তাঁকে কেন্দ্র করেই সংসারখানা ঘোরে। তাঁর সিনেমা দেখার ইচ্ছে হলে, একলা-একলা যেতে ভালো লাগে না বলে বেশির ভাগই পিউকে এমনি সঙ্গী হতে হয়। পিউ নিজেও অবশ্য কম যায় না। তার স্কুল, যোগ-স্কুল, নাচ-স্কুল মিলিয়ে অনেক বন্ধু-বান্ধব আছে, তাদের জুটিয়ে নিয়ে ও-ও প্রায়ই দেখি সিনেমা দেখতে কি অন্য কিছু হুজুগে চলেছে। পিউয়ের প্রায় সর্বক্ষণের সঙ্গী হয় গৌতম নয় টুলটুল। প্রথমটি যোগ-স্কুলের, দ্বিতীয়টি পড়ার স্কুলের। এ ছাড়াও অন্যেরা থাকে। কিন্তু এ-দুজন ওর সঙ্গে অবিচ্ছেদ্য। দুজনেই পিউয়ের থেকে বয়সে বড়, কিন্তু ভীষণ বন্ধু।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বুক শেল্ফ

     

    একদিন হাসতে হাসতে গল্পচ্ছলে মিসেস সরকারকে বলেছিলুম, ‘আচ্ছা মিসেস সরকার, ছেলেমেয়েদের নিয়ে, এমন কি পুঁচকে বা বড় কাজের লোক নিয়ে সবরকম ফিল্‌ম দেখতে আপনার অসোয়াস্তি হয় না?’

    মিসেস সরকার মুখ টিপে হেসে বলেন, ‘কী ভাবেন কি ওদের? অ্যাাঁ? আপনার আমার চেয়ে ওস্তাদ ওরা, বুঝলেন?’

    ‘পিউকে নিয়ে অত ফিল্‌ম আপনি না দেখলে পারেন, মিসেস সরকার, ওর পড়াশোনার ক্ষতি হয়।’

    ‘আহা-হা-হা, ও নিজে যেন দেখে না, রাজ্যির বন্ধু-বান্ধব জুটিয়ে রাতদিন দেখছে, আমার সঙ্গে দেখলেই যত দোষ!’ পিউয়ের মা তাঁর লিপস্টিক মাখা ঠোঁট দুখানা অভ্যাসমতো ফোলান।

    আমি সুযোগ পেয়ে যাই—‘আচ্ছা অঞ্জলিদি, এই যে ও এত বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মেশে, এখান-ওখান ইচ্ছেমতো যায়, এতে আপনার কোনও ভয় হয় না? আপনি এগুলো হতে দ্যান? একটু রেসট্রিকশন…।’

    আমার মুখের কথা কেড়ে নিয়ে উনি বলেন—‘আপনি কোথায় আছেন মিসেস মিত্র, মানে কোন যুগে?’

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    গল্প, কবিতা
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই ডাউনলোড
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    আমি কিছু বলি না। উনিই বলেন আবার ‘আপনি বোধহয় গত শতাব্দীতে পড়ে আছেন ভাই, কিছু মনে করবেন না। এখন ফ্রি মিক্সিং-এর যুগ। তা ছাড়া ওদের স্বাধীনতা দিতে হবে। স্বাধীনতা না দিয়ে ঘরের কোণে পুতুপুতু করে রেখে, দাবা খেলে আর ট্যাঁকে করে মিউজিয়াম-টিয়াম দেখিয়ে ছেলে মানুষ করবেন ভেবেছেন? পিউয়ের বাবা কি বলেন জানেন? ‘মেয়ে যা চায় দাও, যা চায় দাও। ভগবানের ইচ্ছেয় অভাব তো কিছু নেই।’ আসলে কি জানেন, অঙ্ক ইংরিজির দিদিমণিরা বড্ড কড়া হয়।’ বলে হেসে ফেললেন মিসেস সরকার।

    আমার কথার জবাব দেওয়া হল, আমাকে বেশ করে যাকে বলে ‘ঠোকা’ হল, আমি ছেলে মানুষ করতে পারবো না এই মর্মে সতর্কীকরণ করা হল, নিজেদের ঐশ্বর্য এবং আধুনিকতার ফিরিস্তি হল, কাজেই শেষ পর্যন্ত মিসেস সরকার আপাদমস্তক সন্তুষ্ট হয়েই বিদায় নিলেন।

    মমতা, আসক্তি এসব ভালো জিনিস নয়। বিশেষত যে আমার ধরা-ছোঁয়ার বাইরে তার ওপর। কিন্তু আমি যে পিউকে, পিউদের ছন্দকে কখন নিজের অজান্তে ভালবেসে ফেলেছি! তিলককে দেখো কী সুন্দর নিজের ঘরের জানলার ধারে বসে একমনে সিগারেট টেনে যাচ্ছে। নিজের ছেলেটি আর বউটি ছাড়া বিশ্বসংসার চেনে না। —‘কে রে? পিউ? কে পিউ? অ! পি-উ! তাই বল! শাড়ি পরে তোকে যে চেনাই যাচ্ছে না।’ এই হল তিলক, সরকারি আপিসের অফ্‌সর।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    PDF বই
    বাংলা অডিওবুক
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    পিডিএফ

     

    ‘রে রে? পিউ এলি নাকি? বাঃ বাঃ কী সুন্দর শাড়ি পরেছিস! রোজ-রোজ তাই বলে পরিস না। তুই যেমন ছোট্ট আছিস, ছোট্ট থাক!’

    ‘বারে কাকিমণি আমি বুঝি চিরকালই ছোট্ট থাকব? জানো আমার ষোল বছর বয়স হল!’

    ‘তাই বুঝি? ষো—লো? বলিস কি? এ যে বুড়ি দিদিমা হয়ে গেলি? ষো—লো?’—এই হল তিলকের বউ, মানে আমি, মানে অঙ্ক ইংরিজির দিদিমণি।

    আমি আসক্ত, আমার মমত্ববোধ এসেছে পিউয়ের সম্পর্কে তাই আমার মাথার ভেতরে কে বসে বসে সাইরেন বাজায়। আমি চকিত হয়ে শুনি। ওই পিউ যাচ্ছে, সঙ্গে টুলটুল, সঙ্গে গৌতম।

    বাদল শেষের এক অপরাহ্ণবেলায় পিউয়ের মা মিসেস অঞ্জলি সরকার এসে আমার বসার ঘরের চৌকিতে ঝাঁপিয়ে পড়লেন। গলগল করে ঘাম বেরোচ্ছে। পাউডার ফুটে উঠেছে। চোখে আতঙ্ক।

     

    আরও দেখুন
    বই
    ডিকশনারি
    PDF
    বই ডাউনলোড
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই

     

    আমি বললুম, ‘কি হল? কি হয়েছে? একটু শরবৎ করে আনি।’

    —‘শরবৎ-টরবৎ থাক, মিসেস মিত্র, সর্বনাশ হয়েছে। আপনিই ভরসা।’

    বিপদে শ্রীমধুসূদন শরণ জানি। আমি কিভাবে মিসেস সরকারের বিপদবারণ বিপত্তারণ হতে পারি বুঝলুম না।

    ‘পিউ ওর ছোট কাকিমাকে কী বলেছে জানেন?’

    —‘কী?’

    —‘ও নাকি গৌতমকে ভালো ওঃ ভালোবাসে, বিয়ে করবে, উঃ বাবারি।’

    —আমি বললুম, ‘ছেলেমানুষ বলছে, বলতে দিন না।’

    ‘না না। ও বলছে ও ছেলেমানুষ নয়। ওর সঙ্গে গৌতমের এক্ষুনি বিয়ে দিতে হবে।’

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা কৌতুক বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা বই
    গল্প, কবিতা
    ডিজিটাল বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    ‘সে কি? ওর তো এখনো আঠার হয়নি?’

    ‘আরে ওর দিদির তো পনেরয় বিয়ে দিয়েছিল ওর বাবা। ও বলছে ওসব আইন আছে আইন থাক, ওর সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গৌতমের বিয়ে দিতে হবে। নমিতা, আমি আঠারয় কেন ষোলতেও বিয়ে দিতে রাজি আছি, সে আমরা নিজে দেখে শুনে পছন্দ হলেই দেবো। তাই বলে গৌতম?’

    গৌতম ছেলেটি পিউদের যোগ স্কুলের বন্ধু। ওর চেয়ে বড়। কুড়ি একুশ হবে। কি পড়াশুনো করে জানি না। চাকরি-বাকরির স্তরে এখনও ওঠেনি যদ্দূর জানি। খুব সুদেহী। যোগব্যায়াম যারা করে, তারা জামা না খুললে তো দেখা যায় না তারা এত সুন্দর! আমি একবার গৌতমকে টিভি-তে দেখেছিলুম। অল বেঙ্গল যোগকুমার হয়েছিল। কিছু যোগাসনও করে দেখিয়েছিল। ভিকট্রিস্ট্যান্ডের ওপর যখন দাঁড়িয়েছিল তখন মনে হচ্ছিল কোনও গ্রীক ভাস্কর্য প্রাণ পেয়েছে। সেবারও তিলককে ডেকেছিলুম—‘দেখে যাও, দেখে যাও কী সুন্দর।’ মহা অনিচ্ছায় দাবা-বোর্ড ছেড়ে উঠে এসে তিলক একটু দেখল তারপর বলল, ‘তুমি রেগ পার্ককে দেখেছো?’

    ‘কে সে?’

    ‘এক সময়ের মিঃ ইউনিভার্স। কোন বছর মনে করতে পারছি না।’

    ‘আমি কি করে দেখব?’

    ‘তার কাছে দাঁড়াতে পারে না।’

    এই সব লোকের সঙ্গে কথা চলে? মোট কথা গৌতম একটি কালো অ্যাপলো। পিউ এখন একটা ষোল বছরের প্রাণবন্ত সুন্দর মেয়ে। পিউয়ের দোষ নেই।

    মিসেস সরকার বললেন, ‘কিছু বলুন মিসেস মিত্র? কিছু তো বলুন?’ অসতর্ক মুহূর্তে উনি আমাকে নাম ধরে তুমি করে ডেকে ফেলেছিলেন। এখন আবার ফর্ম্যালিটির খোলসে ঢুকে পড়েছেন।

    বললুম, ‘গৌতম কী বলছে? তার বাড়ির লোক?’

    ‘গৌতম কী বলছে তার বাড়ির লোক কী বলতে পারে এসব অবান্তর কথা আমি ভাবছি নাকি? গৌতম তো একটা রাস্তার ছেলে। ওর বাবা কি করে জানি না। ছোটখাটো কিছু বোধহয়। আমাদের কত বড় বংশ বলুন তো। এসব কথা চিন্তা করা যায়?’

    ‘আমি জানতে চাইছিলুম গৌতমও কি পিউকে বিয়ে করতে এতটাই আগ্রহী? ওর বাড়ির লোকে কিভাবে জিনিসটা নিতে পারেন?’

    ‘ওই ছোঁড়াই তো যোগের নাম করে ছেলেমানুষ মেয়েটাকে ভুলিয়েছে। ওরই তো দোষ। কি সব কম্পুটার-টার শেখে। এক কড়ার মুরোদ নেই। শিববাবুদের একতলায় ভাড়া থাকে। ও-ই তো যত নষ্টের গোড়া।’

    গৌতমকে যতবার দেখেছি আমার ওকে খুব ভদ্র, সরল এবং সহজ মনে হয়েছে। মিসেস সরকার বললেন—‘পিউকে আপনার কাছে পাঠিয়ে দেবো। খুব কাকিমণি কাকিমণি করে। আপনি ওকে একটু বুঝিয়ে বলুন মিসেস মিত্র। প্লী-জ।’

    মিসেস সরকার চলে গেলেন।

    পিউ, এল। শনিবার দুপুরবেলায়। আমি চুল শ্যাম্পু করে পাখার তলায় শুকোচ্ছিলুম। বেল বাজল। খুলে দেখি পিউ। সবুজ রঙের একটা চুড়িদার পরা পিউ। কিন্তু পিউয়ের মুখে হাসি নেই। চোখ দুটো ভারাক্রান্ত। মুখে একটা বিস্ময়ের ভাব। বললুম—‘পিউ আয়।’

    পিউ ঢুকতে ঢুকতে বলল—‘মা তোমাকে সব বলেছে কাকিমণি, না?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তুমিও কি আমাকে বকবে? মারবে?’

    ‘কি বলছিস পিউ?’

    পিউ তার কামিজটা তুলে পিঠ দেখাল। একটা কালশিটে দাগ মেরুদণ্ড বরাবর। কোমরের ওপরের খানিকটা অংশ ফুলে উঠেছে। আমি শিউরে বললুম, ‘একি?’

    পিউ বললে, ‘কাকিমা জুতো দিয়ে পিটিয়েছে, আমি নাকি বংশের মুখে চুন কালি লেপেছি। আর মা একটা স্টীলের জলসুদ্ধ ঘটি ছুঁড়ে মেরেছিল। মুখে কিছু বলেনি।

    আমি তাড়াতাড়ি ওকে ঘরে নিয়ে গিয়ে ওষুধ বার করছি, পিউ বলল,—‘কাকিমণি, ওষুধ দিয়ে আমার মনের কালশিটে সারাতে পারবে? আমার মনের ইনফ্ল্যামেশন, ব্যথা কমাতে পারবে?’

    পিউ বরাবরই পাকা-পাকা কথা কয়। আজ আমি অবাক হয়ে গেলুম। শুধু কথা নয়, কথার ধরনে। পিউ বলল—‘কাকিমণি, আসলে ওষুধ দিয়ে তুমি তোমার মনের ঘাটা সারাতে চাইছ। আমারটা নিয়ে তোমার মাথাব্যথা নেই।’

    বললুম, ‘পিউ, কী বলছিস, ভালো করে বল আমি বুঝতে পারছি না।’

    ‘কাকিমণি, সবাই আমাকে ভালোবাসছে এই ধারণাটাকে ভালোবাসে। ওষুধ দিলে ভালোবাসার সেই ধারণাটা তোমাদের শান্ত হবে। নিজেকে তোমরা বোঝাবে পিউয়ের পিঠে ব্যথা করছিল, আমি তো ওষুধ দিয়েছি। আমি তো আমার কর্তব্য করেছি। আচ্ছা কাকিমণি, মা কেন গৌতমের সঙ্গে আমার বিয়ে দিতে চাইছে না?’

    পিউ আমার মুখের দিকে বড় বড় চোখ মেলে চাইল। চোখে না-বোঝার বিপুল বিস্ময়।

    ‘কেন বলো তো? আমি ভেবেছিলুম মা-ই আগে অ্যাপ্রুভ করবে, কাকিমারা ঠাকুমা তারপরে। সবশেষে বাবা আর দাদু।’

    ‘তুই কেন এমন ভেবেছিলি পিউ?’

    ‘মানুষের হাব-ভাব পছন্দ-অপছন্দ দেখে একটা ধারণা হয় না? এতদিন ধরে আমি আমার বাড়ির লোকদের একটুও বুঝতে পারিনি, এটা কি করে হয় কাকিমণি! ছোটকাকিমা, যে নিজের মেয়ে নেই বলে, অর্ধেক গয়না আমাকে দিয়ে দিয়েছে সেই ছোটকাকিমা, আমার এতটুকু জ্বর হলে যে সারাক্ষণ জলপাটি নিয়ে বসে থাকে সেই ছোটকাকিমা আমায় জুতো মারল!’

    আমি কী বলব? কী করে বলব? অথচ বলতেই হবে। নইলে আমার চোখের সামনে এই সুন্দর ফুলটা শুকিয়ে যাবে। বললুম—‘পিউ, মানুষ অনেক সময়ে ভালোবেসেও মারে, শাসন করে, উল্টো আচরণ করে, তার মানে এই নয় যে তোর মা-কাকিমা তোকে ভালোবাসেন না।’

    পিউ বলল, ‘জুতোতে অনেক সময়ে কাঁটা উঠে থাকে। ফুটলে শিওর ধনুষ্টঙ্কার। কাকি তো একবারও দেখল না আমার পিঠে কাঁটা ফুটেছে কি না, কাকি শাসন করছে বলে মা তো তেড়ে এল না! মা শাসন করছে বলে কাকিও তো তেড়ে এল না কাকিমণি! ওরা কি তা হলে অন্য কোনও পিউকে ভালোবাসে? যাকে আমি চিনি না?’

    আমি বললুম, ‘পিউ তুই গৌতমকে বিয়ে করতে চাইছিস। বেশ তো, তোর বয়সটা হোক, গৌতম পাশ-টাশ করে চাকরি করুক। তারপর বিয়ে করবি। তাড়া করছিস কেন?’

    তখন পিউ বড় অদ্ভুত কথা বলল। বলল, ‘কাকিমণি আমার মায়ের, মানে দাদুর অনেক লাখ টাকার সম্পত্তি। সমস্ত আমাদের দু বোনের নামে। এ আমি ছোট্ট থেকে শুনে আসছি। আজকালকার যা দিনকাল তাতে গৌতমের মতো সাধারণ ছেলের দাঁড়ানোর বলতে গেলে কোনও সম্ভাবনা নেই। আমার অনেক টাকা আছে, গৌতমের খাটবার শক্তি আছে, ইচ্ছে আছে। এই টাকাটা দিয়ে যদি একটা কম্পুটার সেন্টার খোলা যায়, তা হলেই গৌতম দাঁড়িয়ে যাবে। আমাদের কোনও অভাব থাকবে না। ব্যাপারটা যত তাড়াতাড়ি হয়, ততই ভাল না?’ মনে মনে বললুম, ‘সর্বনাশ’। মুখে বললুম—‘আইডিয়াটা কার? গৌতমের?’

    পিউ বলল, ‘গৌতমের তো বটেই। ও শো করে করে এখন টাকা জমাচ্ছে। তবে ও আমার টাকার কথা জানে না। আমি কিছু বলিনি। একেবারে অবাক করে দোব।’

    স্বস্তির নিশ্বাস ফেললুম। পিউ বলল—‘কাকিমণি সব্বাইকেই ডাক্তার, এঞ্জিনিয়ার, প্রোফেসর বিয়ে করতে হবে কেন? গৌতমকে আমি প্রাণের চেয়েও ভালোবাসি। গৌতমও আমাকে প্রাণের চেয়েও ভালোবাসে…’ বলতে বলতে এতক্ষণে পিউ কেঁদে ফেলল। তারপর বলল, ‘কাকিমণি, তুমি মা-দের একটু বোঝাও। গৌতমকে ছাড়া আমি বাঁচব না।’

    পিউ পিউয়ের মা দুজনেই আমাকে বলে গেল অপর পক্ষকে বোঝাতে। ওদের বাড়ি আমি পারতপক্ষে যাই না। গেলুম। মিসেস সরকার বললেন, ‘বুঝিয়েছেন? আশার কিছু আছে?’

    বললুম, ‘আঠার বছর বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করতে ও বোধহয় রাজি হয়ে যাবে। তবে বিয়ে গৌতমকেই করবে। আর মিসেস সরকার, ছেলেটি তো ভালোই। বয়স খুব অল্প, এখন থেকেই তো বলা যায় না ভবিষ্যতে কে কী দাঁড়াবে। অত সুন্দর স্বাস্থ্য, সুন্দর চেহারা, খাটিয়ে, বুদ্ধিমান, মানুষ হিসেবে ভালো, বাকিটুকু তো ওকে আপনারাই গড়েপিটে নিতে পারেন। পিউয়ের যখন এত পছন্দ!’

    ‘কী বললেন?’ প্রায় বাঘিনীর মতো গর্জন করে উঠলেন মিসেস সরকার। ‘আপনাকে কেউ গৌতমের হয়ে সালিশি করতে ডাকেনি মিসেস মিত্র। আপনি আর বংশমর্যাদার কী বুঝবেন, আপনাকে কিছু বলাই আমার ভুল হয়েছিল।’

    আস্তে আস্তে পিউয়ের বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসেছি। সত্যি কী ভুল! আমি নিম্ন মধ্যবিত্ত বাড়ির মেয়ে। আমি, আমার মা, আমার বোন, বাড়ির সবাই চাকরি করতুম, পড়াশোনা করতুম। আমার মা আমার সঙ্গে স্কুল ফাইনাল, বি. এ., এম. এ. পাশ করেছেন, এখনও তিনি একটা স্কুলের অ্যাসিস্ট্যান্ট হেড-মিসট্রেস। আমার ছোট বোন বেসরকারি ফার্মে স্টেনো টাইপিস্টের কাজ করে, আমি স্কুলে পড়াই, আমার শ্বশুরবাড়িও এমনি। কারুর কস্মিনকালেও কোনও জমিজমা, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া টাকাকড়ি ছিল না। যে যেমন পেয়েছে লেখাপড়া করেছে, কোনও না কোনও ভদ্র চাকরিতে ঢুকে গেছে। বংশমর্যাদা তখনই হয় যখন অন্যের জমানো টাকা-পয়সা খরচ করবার অধিকার বর্তায়।

    আমি আর পিউদের বাড়ি যাইনি। কিন্তু আমি মহা ভুল করেছিলাম। পিউ ঠিকই বলেছিল—আমরা আসলে ভালোবাসি না। ভালবাসি এই অহঙ্কারটা করতে ভালোবাসি। টুলটুল একদিন আতঙ্কিত মুখে এসে বলল, ‘নমিতাদি, পিউকে ওরা ঘরে বন্ধ করে রেখেছে। বেরোতে দেয় না। ও খাচ্ছে না। ওর বাবা বলেছে, তেমন অবস্থা হলে স্যালাইন দেওয়া হবে।’

    একদিন গৌতম স্বয়ং এল, কাতরগলায় বলল, ‘নমিতাদি আপনি পিউকে বাঁচান, আমি কথা দিচ্ছি আমি চলে যাবো, অনেক দূরে চলে যাবো। ওর বাবা, কাকারা ওর ওপর অকথ্য অত্যাচার করছেন। চুলের মুঠি ধরে মেঝেয় ফেলে, বুট দিয়ে—উঃ’ গৌতম কেঁদে ফেলল। আমি কোনরকমে চোখের জল চেপে কঠোর গলায় বললুম, ‘গৌতম, তোমার তো কুড়ি একুশ বছর বয়স হয়েছে, কিছু বোঝো। বড়লোকের মেয়ের সঙ্গে প্রেম করার সময়ে এসব মনে ছিল না?’

    গৌতম ধরাগলায় মুখ নিচু করে বলল—‘বিশ্বাস করুন নমিতাদি, কিভাবে ইনভলভড হয়ে গেলুম আমি জানি না। অনেকবার নিজেকে সরিয়ে নেবার চেষ্টা করেছি। পারিনি। কিন্তু এই পরিস্থিতি যে হতে পারে, ওঁরা যে পিউকে এমনিভাবে মারবেন, অত্যাচার করবেন তা আমার স্বপ্নেও জানা ছিল না। ওঁরা এত লিবার‍্যাল। মেলামেশা করা, ছবি-টবি দেখা, কোনও ব্যাপারেই তো ওঁদের কনজারভেটিভ বলে মনে হয়নি। তা ছাড়া পিউকে ওঁরা এত ভালোবাসেন!’

    ওই একটা কথাতেই এসেই সব ঠেকে যাচ্ছে। ভালোবাসা। ভালোবাসা কী? আমি তিলককে সব বললুম, অনুরোধ করলুম—‘চলো, আমরা দুজনে মিলে যাই। তা হলে হয়ত একটু ওজন দেবে।’

    তিলক বলল, ‘খেপেছো? অযাচিত উপদেশ দিতে মহাজনরা বারণ করে গেছেন। জানো না? পরের ব্যাপারে নাক গলানোর অভ্যেসটা তোমার বিপজ্জনক। ওটা বন্ধ করো। ওরা শুধু অপমান করে পথ দেখিয়ে দেবে, পানু সরকারকে আমি খুব ভালো করে চিনি।’

    আমার বুকের মধ্যেটা ফাটতে লাগল। আমি মাথা কুটতে লাগলুম। কিন্তু আমার অহঙ্কার, আমার স্বামী, আর মহাজনবাক্য আমায় যেতে দিল না। অনেক রাত্তিরে যেন শুনলুম—পিউ ডাকছে, ‘কাকিমণি, কাকিমণি, দরজা খোলো’, সর্বাঙ্গে কালশিটে পড়া আলুথালু পিউ, মুখটা এমন ফুলেছে যে চেনা যায় না। ছুটে গিয়ে দরজা খুলে দিয়ে বুকের মধ্যে টেনে নিলুম—‘আয়, পিউ, আয় মা, আমি তোর সব ব্যথা সারিয়ে দেবো।’ তারপরেই ঘুম ভেঙে গেল। তিলক আমাকে ঝাঁকাচ্ছে। —‘ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বাচ্চা মেয়ের মতো—কাঁদছো কেন? আচ্ছা তো!’

    তখনও ঘুমের ঘোর যায়নি। কী করে তিলককে বোঝাই। মানুষের বয়স বাড়ে, তার অনুভূতির বয়স সব সময়ে বাড়ে না। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে ঘুমোতে লাগলুম।

    ভোররাতে সত্যিকার দরজা ঠেলাঠেলিতে সবাইকার ঘুম ভেঙে গেল। আমার বাড়ি, তার পাশের বাড়ি, তার পাশের বাড়ি, গোটা পাড়া। গোটা পাড়া ভেঙে পড়েছে উনচল্লিশ নম্বরের দরজায়। পিউ জ্বলছে। সে বন্ধ ছিল। দফায় দফায় তার প্রিয়জনেরা থার্ড ডিগ্রি প্রয়োগ করেছে। কিল, চড়, লাথি; চোরের ঠ্যাঙানি, বাড়ির একমাত্র প্রিয়তম মেয়েটির ওপর। যতক্ষণ না তার নরম শরীরে মনে কালশিটের দাগ পড়ে যায়, যতক্ষণ না থেঁতলে যায় তার এতদিনের আদরে গড়া জীবন্ত মনটা, যতক্ষণ না সে মৃত্যু ছাড়া আর কিছুতে পরিত্রাণ দেখতে না পায়। সে কখনও কখনও বাথরুমে যাবার জন্য ছাড়া পেত, কখন কেরোসিন জোগাড় করে রেখেছে, কেউ জানে না, হয়ত তেমন করে জানবার চেষ্টাও করেনি। তার পরে পরিত্রাণ নেই দেখতে পেয়ে বুঝতে পেরে পিউ এখন জ্বলে যাচ্ছে।

    দরজা বন্ধ। জানলা দিয়ে ঘরের ভেতরে লকলকে শিখা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কোনও আওয়াজ নয়। দরজা জানলা ভেঙে যখন ভেতরে পৌঁছনো গেল, যখন দমকলের ঘণ্টা সমস্ত পাড়া চকিত করে ছুটে এল তখন পিউ একটা শুকনো কালো কাঠকয়লার লম্বাটে টুকরো মতো হয়ে গেছে।

    পিউয়ের মা কাকিমা অজ্ঞান হয়ে গেছে আতঙ্কে। বাবা কাকারা ছোটাছুটি করছে। ছেলেগুলোকে পাশের বাড়ি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এমন সময়ে শুনতে পেলুম গৌতমও জ্বলছে। বাঃ কেমন সুন্দর পরিসমাপ্তি। দি এন্ড।

    এই নমিতাদি শুনেছিলুম কপাল ঠুকতে ঠুকতে নিজের মাথাটাই ভেঙে ফেলেছিলেন। স্বামী তিলকনাথ মিত্রকে তিনি কাছে ঘেঁসতে দিচ্ছিলেন না। ছেলে এসে—মায়ের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে তিনি অবশেষে রক্তাক্ত মাথায় অজ্ঞান হয়ে যান।

    গল্প নয়। এটা সত্য ঘটনা। এই সমাজ যখন তার একচক্ষু ভোগসর্বস্বতার আগুনে ছোট ছোট নিস্পাপ কিশোর-কিশোরীদের এমনি করে পুড়িয়ে মারে তখন কোনও গল্পকার তাঁর শিল্পকৃতির গজদন্তমিনারে বসে ফর্ম আগে না বিষয় আগে এই চিরন্তন নান্দনিক তর্কে নিজেকে নিযুক্ত রাখতে পারেন না। তাঁকে তখন উপন্যাস, ছোটগল্প, রম্যরচনা, কবিতা সমস্ত লণ্ডভণ্ড করে পাগলের মতো ছুটে বেরিয়ে আসতে হবেই। পিউরা যে জ্বলছে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযখন চাঁদ এবং – বাণী বসু
    Next Article খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }