Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মোহানা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প440 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পরভৃৎ

    কুল্লে দেড়খানা ঘর। এক চিলতে বারান্দা, ধুলো বাঁচাতে টিনের আড়াল দেওয়া। রাস্তার একেবারে ওপরে তো! একফালি রান্নাঘর। দেয়াল থেকে আস্তর খসছে দিনভর রাতভর, সে নতুন চুন করালেও খসে। মিস্তিরি বলে নোনা ধরেছে কি না বাবু, গঙ্গার এতো কাছে! তা ছাড়াও বাড়ি যে করেছিল সেই কনট্রাকটর বাজে মাল দিয়েছিল। ইঁট বদলালে তবে যদি কিছু হয়। যা অসম্ভব সুতরাং তা অসম্ভবই। সারা দিন রাত যখন তখনই গেল গেল রব।

    ‘ওগো শীগগীরই এসো।’

    ‘কি ব্যাপার? কি হল?’

    ‘ভাতের হাঁড়িতে পড়ে গেল।’

    ‘ভাতের হাঁড়িতে পড়ে গেল, বাঃ চমৎকার, আমি তবে না খেয়ে আপিস যাই!’

    কাঁচুমাচু মুখ এবার আস্তে আস্তে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ‘কবে থেকে যে বলছি ওপরটা ফেঁপেছে ভেঙে দাও, ভেঙে দিয়ে যাও, শুনেছো?’

    ‘এরকম যখন এখন-তখন অবস্থা হয়ে আছে তখন রান্নাগুলো ঢাকা দিয়ে করতে পারো তো!’

    ‘ফ্যান উথলোচ্ছে, ঢাকা দেবো? তুমিই রান্নাটা করো তা হলে।’

    ‘হ্যাঁ ওইটেই বাকি আছে।’

    এক খাবলা তেল মাথায় চড়িয়ে গামছা কাঁধে বাবু তারাপদ সেন মহাশয় লম্বা লম্বা পায়ে বাথরুমের গোঁসা ঘরের দিকে চলে যেতে থাকেন। সেদিকে আড়চোখে তাকিয়ে ভাতের হাঁড়ি থেকে লম্বা লম্বা চুনের শক্ত ফালি তুলে ফেলতে থাকেন মিসেস রমলা সেন। হাঁড়ি নামিয়ে টাটকা গরম জল বসান, গরম জল ভাতে ফেলে এবার ফ্যান গালতে থাকেন, ‘যা বালি ভেসে ভেসে বেরিয়ে যা, যা বাবা চুন এতে করে জল ঢেলেছি বেরিয়ে যা।’

    পিঁড়ি পেতে তারাপদবাবু বসলে ধবধবে ভাত ধরে দিয়ে, মাছের ঝোল সাঁৎলাতে ভীষণ ব্যস্ত হয়ে পড়েন গিন্নি।

    তারাপদবাবু বলেন, “বাঃ ভাতগুলো আজ বেশ চুনকাম হয়েছে। ফর্সা কাচা ভাত খাবার কপাল আজ আমার। খেয়ে দেয়ে মাঝ-আপিসে মেডিক্যাল কলেজ হয়ে নিমতলা।’

     

    আরও দেখুন
    বই ডাউনলোড
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    Books
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের তালিকা
    Library

     

    সাঁৎলানো ঝোলে জিরে-ফোড়নের সুগন্ধ ভাসছে। বাটি পাতের পাশে বসিয়ে দিয়ে মিসেস বললেন, ‘অ্যামবুলেন্সটা বাড়ি ঘুরিয়ে নিয়ে যেতে বোলো। তোমাকে যদি যেতে হয় তো আমাকেও হবে।’

    এই সমস্ত নিত্য-নৈমিত্তিক নাটকের অনেকটাই মঞ্জু জানে না। তার ভোরের কলেজ। ফিরতে বেশির ভাগ দিনই এগার সাড়ে এগার। তার অনেক আগেই বাপ খেয়ে দেয়ে পগার পার। খেতে বসে মা-মেয়ে, বেলা একটা। মঞ্জু বলে, ‘মা, আমার ভাত আলাদা কেন?’

    ‘গোপালের মা চাইল কিনা, খানিকটা দিয়ে দিয়েছি, একটু কম পড়ে গেছে তাই।’

    ‘গোপালের মা চাইল? কোন দিন তো চায় না? কই দেখি, ওই তো হাঁড়িতে যথেষ্ট ভাত!’

    ‘ওটা রাতের জন্যে রেখে দিয়েছি। তুই যে বাসমতী ভালোবাসিস!’

    ‘একবার বলছো গোপালের মা চাইল, একবার বলছো রাতের জন্যে রেখে দিয়েছো। আবার বলছ, আমি বাসমতী ভালোবাসি। কোনটা সত্যি গো মা!’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    ই-বই পড়ুন
    বুক শেল্ফ
    অনলাইনে বই
    বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    Library
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    ‘সবগুলো সত্যি!’ মা ঝংকার দিয়ে ওঠে, ‘নে এখন খা তো!’

    নিজের পাত থেকে এক খাবলা মায়ের পাতে তুলে দিয়ে মঞ্জু বলে, ‘তা হলে দুজনে মিলেমিশে খাই।’

    হাঁ-হাঁ করে নিজের পাত ঢাকে রমলা-মা। আসলে সেই যে সেন মহাশয় টুকে দিয়ে গেছেন আপিস হয়ে মেডিক্যাল কলেজ, মেডিক্যাল কলেজ হয়ে নিমতলা! চুনপড়া ভাত কিছুতেই মেয়েকে ধরে দিতে পারেনি। যদি কিছু হয়! নিজেদের বেলায় ঝুঁকি নেওয়া যায়। নিতে হচ্ছে। ছোট সংসার, দুজনেরই হিসেব-বাতিক পরিচ্ছন্নতা-বাতিক। তাই চলছে। এটা নেই সেটা নেই প্রকট হচ্ছে না, নইলে কি যে হত বলা যায় না। কিন্তু মেয়ে একমাত্র মেয়ে, তার বেলা হিসেব শিথিল, পরিচ্ছন্নতার বাতিক আরও কড়া। মঞ্জু বুঝতে পারে কোথাও একটা গোলমাল হয়েছে। কিন্তু কিসের গোলমাল ধরতে পারে না। তার মাথায় এখন সলিড জোমেট্রি ঘুরছে। সে কোনমতে খেয়ে উঠে পড়ে।

    মা হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। তার এখন হেঁশেল তোলা, কাপড় মেলা ঘর-গুছোনো হাজারো কাজ বাকি। সব করে সে একটু নিশ্চিন্তে জিরোতে চায়। মঞ্জু এখন খেয়ে দেয়ে একটু বিশ্রাম করুক, ঘুমিয়ে নিক, নইলে চোখের তলায় কালি পড়বে। মুখ চুপসে যাবে। তার চেয়ে তার মা বেশি বিউটি-কনশাস। এই বেসম মাখ, মুখে সাবান দিসনি, এই ঝামা দিয়ে পা ঘসে ফেল। এই চুল আঁচড়া, একশো বার গুনে গুনে চিরুনি চালাবি। হপ্তায় দুবার করে মাথা ঘষ। রিঠের জল করে রেখেছি। কেশুত, মহাভৃঙ্গরাজ, আমলা দিয়ে তেল করা আছে। মাখ্‌।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই পড়ুন
    ডিজিটাল বই
    ডিকশনারি
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাইশে শ্রাবণ
    স্বাস্থ্য টিপস
    অনলাইনে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    —‘উঃ, এতো তুমি জানলে কোথায় মা?’

    —‘একটু চোখ কান মেলে থাকলে তুইও জানতে পারতিস!’

    —‘তা নিজে করো না।’

    নিজের মাথার পাতলা চুলের বিনুনিটাকে দু-একবার চাপড়ে রমলা-মা বলে, ‘ধুর!’ আড়চোখে মেয়ের পিঠ ভর্তি ঢেউখেলানো কেশ কলাপের দিকে চায়, মসৃণ কাঞ্চনবর্ণ মুখশ্রীর দিকে চায়, ফোটা ফুলের মতো আঙুলের গোছার দিকে চায়, চোখ দিয়ে স্নেহ গর্ব গলতে থাকে, মনে মনে বলে—‘আমার কি ওই রকম!’

    মেয়ে যখন বাড়ি থাকে না, কোচিঙে যায় কি কোনও বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে যায়, স্বামী-স্ত্রীতে গোপন সভা বসে অনেক সময়। রমলা বলে, ‘সত্যি, ও ওরকম হল কি করে বলো তো!’

    রোগা বুক ফুলিয়ে তারাপদ বলে, ‘হুঁ হুঁ বাবা। এ শর্মার যৌবনের চেহারাটা ভুলে যাচ্ছো!’

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    স্বাস্থ্য টিপস
    PDF
    লাইব্রেরি
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বুক শেল্ফ
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    মুখ বেঁকিয়ে রমলা বলে, ‘আহা হা হা, কী চেহারা, কী চেহারা। দিদিরা সব বললে রাজপুত্তুর বর এসেছে! দেখে আয়। তা চুপি চুপি বারান্দা দিয়ে দেখি, খ্যাংরা কাঠির মাথায় আলুর দম।’

    —‘আর রংটা? রংটা?’ হাঁ হাঁ করে ওঠেন তারাপদ।

    —‘এখন কেউ বলবে? এখানে কালো ছোপ, ওখানে কালো ছোপ।’

    —‘আহা ছিল তো!’

    —‘ঠিক আছে, ঠিক আছে, রঙ যেন ছিল, কিন্তু সরস্বতীর মতো অমন মুখশ্রী!’

    —‘সরস্বতী নয়, সরস্বতী নয়, মেরিলিন মনরো!’

    —‘নিজের মেয়ের সঙ্গে ওই সব মুখপুড়ি হতচ্ছাড়িদের তুলনা করতে লজ্জা করে না?’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বই পড়ুন
    ডিজিটাল বই
    লাইব্রেরি
    উপন্যাস সংগ্রহ
    নতুন বই
    বইয়ের

     

    —‘ফ্যাক্‌ট ইজ ফ্যাক্‌ট। যে দেখে সেই বলে, চোখ দুটো অবিকল মেরিলিন মনরোর মতো, ইয়ংরা বলছে, কুচোরা বলেছে, আমি বললেই দোষ হয়ে গেল?’

    —জ্বলজ্বলে চোখে সেনমহাশয় বলতে থাকেন—‘মেরিলিনের মতো চোখ বলেই তো আর ও মেরিলিন হয়ে যাচ্ছে না? ইকনমিক্স অনার্স নিয়ে পাস করতে যাচ্ছে। এম. এ. পড়বে, এম. বি. এ. পড়বে। বিজনেস এগজিকিউটিভ হয়ে ঢুকবে ইয়াব্বড় কোম্পানিতে, তখন এই বাড়ির ইট শুধু পাল্টে ফেলব। দোতলা তুলব। ম্যাগাজিন দেখে ঘর সাজাবো। তুমি গোলাপি রঙের হাউস কোট পরে এ-ঘর ও-ঘর করবে।’

    —‘আহা হা হা, গোলাপি রঙের হাউস কোট পরে এ-ঘর ও-ঘর করবে! অল্প বয়সে পর্যন্ত কোনদিন যে কালো বলে গোলাপি লাল পরতে দিলে না? এখন মাথায় টাক, হাতে পায়ে শির জেগেছে, এখন গোলাপি হাউস-কোট। তুমি পরো গে যাও!’

    বলেই রমলা স্বামীকে গোলাপি হাউস-কোট পরা কল্পনা করে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গল্প, কবিতা
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    কৌতুক সংগ্রহ
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    অনলাইনে বই

     

    স্বামী-স্ত্রী মিলে দুটি সমকেন্দ্রিক বৃত্ত তৈরি করেছে। কেন্দ্র হল মঞ্জু। মঞ্জুকে ঘিরে দুজনে পাক খাচ্ছে। ভাত- রুটি, মাছ-মাংস, ফল দুধ, সুষম খাদ্য, ব্যায়াম গান, রূপচর্চা, পোশাক-পরিচ্ছদ—মা। বই খাতা, রাত হলে কোচিং থেকে গানের ক্লাস থেকে, বন্ধুর বাড়ির নিমন্ত্রণ থেকে নিয়ে আসা, অনেক সময়ে দিয়ে আসা, কেনা-কাটি, ছোটাছুটি, ডাক্তার-বদ্যি-বাবা। ছোট বৃত্ত বড় বৃত্ত কেন্দ্রবিন্দুটিকে ঘিরে পাক খাচ্ছে। পাক খাচ্ছে মহা আনন্দে। ক্লান্তি নেই, বিরক্তি নেই। সবটাই যেন ভারি আনন্দের। সৃষ্টির আনন্দ, তৈরি করার আনন্দ। আরও আনন্দ এই জন্য যে পরিশ্রমের ফলাফলটা হাতে হাতে পাওয়া যায়। মায়ের যত্নে মঞ্জু আপাদমস্তক সুছন্দ, সুচারু, সু-স্বাস্থ্যবতী। গালে তার লালের আভা। চোখের দৃষ্টি স্বচ্ছ, পরিষ্কার। বন্ধুর বাড়ি বিয়ের নিমন্ত্রণে যাবার সময়ে মা তার একখানা বিয়ের সময়কার সাদা টিসু বেনারসী বার করে দেয়, মাথায় সাদা চন্দ্রমল্লিকা, গলায় ঝুটো মুক্তোর লম্বা হার। মার মার কাট কাট পড়ে যায়। মঞ্জু বাড়ি ফিরে এসে বিরক্ত মুখে বলে—‘মা প্লীজ, তুমি আর আমাকে এতো সাজিও না।’

    মা বলে, ‘এর থেকে কম সাজ আর কিসে হয় আমি তো জানি না খুকু!’

    সত্যিই! মেয়ে মালাটা তুলে পরখ করে, শাড়ির আঁচলটা ঘুরিয়ে দেখে, তারপর হেসে ফেলে। তারপর বলে—‘মা তোমার রুচিটা দারুণ, এতো আর্টিস্টিক এতো আধুনিক! সায়ন্তনীর মা তো কলেজের প্রোফেসর, উনি বলছিলেন সাদা পরেছিস কেন! অথচ…’

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    PDF
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই
    গল্প, কবিতা
    পিডিএফ

     

    —‘বল, থামলি কেন?’

    মঞ্জু লজ্জা পেয়ে যায়। মা জোর করে, ‘বলই না কি বলবি।’

    —‘কী আর বলব, সব চোখ আমার দিকে, কনেকে কেউ দেখছে না। সবাই আমাকে। আসলে তোমার পছন্দটা…।’

    রমলা বলে, ‘তোকে কিন্তু আমরা পছন্দ করে আনিনি খুকু।’

    —‘ধ্যার, কি যে বলো!’

    —‘না রে, সত্যিই একেক সময় সন্দেহ হয়, হাসপাতালে বদল হয়ে আসিসনি তো!’

    মঞ্জু মাকে জড়িয়ে ধরে, চোখ ভর্তি জল। —‘মা, এমন করে বললে আমার কেমন ভয় করে, কষ্ট হয় মা!’

    মা মেয়ের গালে চুমো খেয়ে বলে—‘তা না। কখনোই না। তোর চলাফেরার আড়ালে তোর বাবা আর ঠাকুমা উঁকি মারেন। তোর দিদিমার হাতগুলো ছিল এমনি আ-ফোটা পদ্মের মতো। খুকু, আমার মাসী তাঁকে তুই দেখিসনি, তোর চুলগুলো যেন সেই কনে মাসীমার মতো। তুই ঘুরিস ফিরিস, তোর চোখের চাওয়ার ঠোঁটের ভঙ্গিতে নাকের আদলে যেন আমার অনেক দিনের অনেক ভালো লাগা মানুষের স্মৃতি জড়িয়ে আছে। আসলে খুকু, তুই ইচ্ছে হয়ে ছিলি মনের মাঝারে। ভগবান আমার সেই ইচ্ছেকে সম্মান দিয়েছেন। সাধারণত, তো তা দ্যান না!’

     

     

    বাবা বাইরে থেকে ব্যস্ত হয়ে বলে—‘কই, তোমাদের হল? মঞ্জু তোর নোটসগুলো জেরক্স করে এনেছি, আর এই নে তোর মাইক্রো-টিপ পেন।’

    মা বলল—‘ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স?’

    —‘এনেছি গো এনেছি!’

    —‘এনে থাকলে তোমরা খাও। মা খাও, বাবা খাও।’ মঞ্জু খুব রাগ রাগ মুখে বলে। —‘আমার আর ভিটামিনের দরকার নেই।’

    মেয়ের দিকে এক পলক তাকিয়ে তারাপদবাবু বুঝতে পারেন সত্যিই মেয়ে ঠিকই বলেছে। কোনও প্রসাধন ছাড়াই যার গাল ঠোঁট এমন টুকটুক করে, চোখ যার অমন পরিষ্কার জলের মতো স্বচ্ছ, অমন সতেজ চলাফেরা, ভিটামিন তার আপাতত না হলেও চলবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বুক শেল্ফ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বই
    ই-বই পড়ুন

     

    বরং রমলা! কালো ঠিকই। কিন্তু শ্রীময়ী ছিল তো! মোটাসোটা হয়েছে ঠিকই। শরীরে কোনও রোগবালাইও নেই। কিন্তু শ্ৰীটা যেন একদম চলে যাচ্ছে। ভিটামিন কয়েক শিশি খেলে কী…।

    সুদক্ষিণার মা এসেছেন। সুদক্ষিণা মঞ্জুর ঘনিষ্ঠতম বন্ধু। অ্যামবাসাডরটা গলি জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে। সুদক্ষিণা নামল, সুদক্ষিণার মা নামলেন, সুগন্ধে ঘর ভরে গেল। সুদক্ষিণার মা সুজাতা একহাতে সুদক্ষিণাকে মঞ্জুর দিকে ঠেলে দিয়ে আরেক হাতে রমলাকে বেড়ে ধরলেন।

    —‘কি দিদি, বোন কি দিদির বাড়ি আসবে না?’

    —‘ওমা, সে কি, সে কি। নিশ্চয়ই আসবেন। আসুন। আসুন।’

    —‘আপনার চোখ দেখলেই বোঝা যাচ্ছে আপনি একেবারে অবাক হয়ে গেছেন।’

    তা তো রমলা যেতেই পারেন। কলেজে ঢুকে অবধি শুনছেন সুদক্ষিণা, সুদক্ষিণা। —সুদক্ষিণার মাও শুনছেন। আজ নেমন্তন্ন, কাল ডে স্পেন্ড করতে যাবে, মানে সারাদিন থাকবে, খাবে, পড়াশুনো করবে, গলির মোড়ে ছেড়ে দিয়ে যাবে সুদক্ষিণাদের গাড়ি। কিন্তু দুজনকেই এই প্রথম দেখলেন।

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    PDF বই
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গল্প, কবিতা

     

    —‘চা খাবেন তো?’

    —‘নিশ্চয়ই। টা-ও খাব, যদি দ্যান।’

    সুন্দর করে চা করে দিলো রমলা। কৌটো থেকে কুচো নিমকি। খাওয়া-দাওয়া, অনেক সুখদুঃখের গল্প হল।

    সুজাতা বললেন—‘সুখবরটা দিই তা হলে আপনাকে।’

    —‘কিসের সুখবর? মেয়ের বিয়ে নাকি?’

    —‘ঠিক ধরেছেন দিদি, তবে আমার মেয়ে নয়, আপনার।’

    —‘আমার মেয়ের? বিয়ে? খুকু বিয়ে করেছে?’

    —‘স্‌স্‌স্‌, কী থেকে কী ভেবে ফেলছেন, মেয়ে আপনার তেমন নয়।’

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    ডিজিটাল বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড

     

    যাক তবু ভালো, রমলার এমন বুক ঢিপ ঢিপ করছে যে মনে হচ্ছে ঘড়ির আওয়াজের মতো সে শব্দও সবাই শুনতে পাচ্ছে।

    —‘আরে বাবা, আপনার মেয়ে বিয়ে করেনি। করবেও না। আপনি দেবেন। একটা খুব ভালো সম্বন্ধ আছে।’

    স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে রমলা বললো—‘আমরা এখন মেয়ের বিয়ে দোব না ভাই। ও পড়াশোনা করছে, গান শিখছে, করুক, শিখুক, নিজের পায়ে দাঁড়াক। তারপরে ভাবা যাবে। ভালো সম্বন্ধ তো ওর কথা ফোটার বয়স থেকেই আসছে!’

    —‘তা তো আসবেই। মেয়ে আপনার যা সুন্দরী। কিন্তু এখানে তো দিদি না করতে পারছেন না।’

    সুজাতা হাত ব্যাগ খুললেন। একটা অ্যালবাম খুলে রমলার সামনে মেলে ধরলেন, পাতায় পাতায় ছবি।

    ‘এই যে দেখছেন এইটি পাত্র। [রমলা: ভালো চেহারা]। আমার দাদার একমাত্র ছেলে। [রমলা: বাঃ বেশ ভালো]। প্রেসিডেন্টস গোল্ড মেডেল পাওয়া ছেলে। জীবনে কোনদিন সেকেন্ড স্ট্যান্ড করেনি। [রমলা: তা আমার কি]! রঙিন ছবি, চেহারা, রঙ, স্বাস্থ্য সবই ভালো করে দেখে নিন। [রমলা: দেখার দরকার নেই] আপনার অমন সুন্দর মেয়ে, যার তার সঙ্গে তো মানাবে না। [মানাবে না-ই তো] এম আই টি থেকে ডক্টরেট করে ফিরে এসেছে, এখন ব্যাঙ্গালোরে পোস্টেড। [সর্বনাশা] দেশে থাকতে চায় [বাঃ] বাবা, মানে আমার দাদা চার পুরুষে ডাক্তার। কার্ডিওলজিস্ট ডাঃ মণীশ রায়ের নাম শুনেছেন তো! রমলা: ‘শুনিনি, না, না শুনেছি শুনেছি মনে হচ্ছে! দাদার মেয়ে বড়, বিয়ে হয়ে গেছে কানাডায় থাকে। [রমলা: থাকুক গে না।] বউদিও ডাক্তার। [বেশ, বেশ]—কি হল আপনি যে কিছুই বলছেন না! আমি একদফা কাগজপত্র দিয়ে যাচ্ছি, আপনারা খোঁজখবর করুন।’

    কাগজপত্রের সুদৃশ্য ফাইল বার করে সামনে রাখলেন সুজাতা, ‘আমার ভাইপো বলে বলছি না, অমন চরিত্রবান, সোবার ছেলে এ যুগে চট করে পাবেন না।’

    —‘না, না, সে কথা নয়’, রমলা তাড়াতাড়ি বলল—‘আপনার ভাইপো, ভাইয়ের ফ্যামিলি সবই খুব ভালো। কিন্তু আমরা তো এখন ওকে পড়াবো। বিয়ে পরে। নিজের পায়ে দাঁড়াক। রোজগারপাতি করুক।’

    সুজাতা হেসে বললেন—‘কী পড়াবেন ওকে? বি. এসসি? এম. এসসি? পি-এইচ ডি করবে? বাইরে যাবে?—ওঁরা সব করাবেন। ও থাকবে বাড়ির মেয়ের মতো। যতদূর খুশি পড়বে, যত ইচ্ছে গান শিখবে বড় বড় ওস্তাদ রেখে, বাইরে যেতে ইচ্ছে হলে যাবে। যা ইচ্ছে। ওঁরা নিজেরাই আসবেন। এসে আপনাকে বলবেন সব। আসল কথা, দীপঙ্করের বিয়েতে মঞ্জুকে দেখে আমার দাদা বউদির এবং ভাইপো তীর্থঙ্করেরও অসম্ভব পছন্দ হয়ে গেছে। ও যদি চাকরি করতে চায় করবে, কোনও ব্যাপারেই কোনও বাধা নেই।’

    সুজাতারা চলে গেলে রমলা মঞ্জুকে ডাকলেন—‘তুই জানতিস খুকু?’

    মঞ্জু ভারী মুখে বলল—‘একদম না। প্রতি বিয়েবাড়িতেই তো কোথায় থাকো, কী পড়ো, ঠিকানা কী আর বাবা কি করেন প্রশ্নের তোড় আসেই মা। সুদক্ষিণারা এই মতলব নিয়ে—এসেছে আমি ঘুণাক্ষরেও জানি না। আমি এখন পড়ব।’

    —‘ওঁরা খুব ভালোভাবে পড়াবেন, বলছেন।’

    তারাপদ রাত্রে এসে সব শুনে চিন্তিত হয়ে বললেন—‘এমনি একটা রাজসিক সম্বন্ধ, তুমি অমনি না করে দিলে?’

    —‘না করে দিলেই শুনছে কে?’

    মঞ্জু বলল—‘বাবা আমি এখন বিয়ে করব না। পড়ব, চাকরি করব।’

    —‘ওরা তো বলেছেন পড়া, চাকরি করা যা তোর ইচ্ছে তা-ই করতে পারিস।’

    —‘চাকরি মানে, আমি—’, মঞ্জু বাবার মুখের ওপর বলতে পারল না। চাকরি সে করবে বাবা-মাকে সুখে রাখবার জন্যে। মা-বাবারও মনের না-বলা আশা, তারও মনের না-বলা সংকল্প, সে বাবা-মার ছেলের কাজ করবে।

    পরে যখন ডক্টর মণীশ রায় তাঁর স্ত্রী ডক্টর বিজয়া রায়কে নিয়ে এলেন, এবং একটু পরে ভিন্ন একটি বিদেশি গাড়িতে তাঁদের ছেলে তীর্থঙ্কর রায় এসে পৌঁছলো, সেন মহাশয় দম্পতি তাঁদের ভদ্রতায়, কথাবার্তায় মুগ্ধ হয়ে গেলেন। মঞ্জুর সঙ্গে তীর্থঙ্করের বেশ আলাপ হয়ে গেল। বাঙ্গালোরে পড়াশোনার যে কত সুবিধে সেই নিয়ে মঞ্জুর সঙ্গে রীতিমতো আড্ডাই জমে গেল তীর্থঙ্করের। ডাক্তার দম্পতি চেয়ে চেয়ে রমলার মটরশুঁটির কচুরি খেলেন। ভূয়সী তারিফ করে। বললেন—‘আপনাদের মতো সরল, সৎ, আন্তরিক মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক হলে আমরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করব।’

    তারাপদবাবু আস্তে আস্তে বললেন—‘সবই ঠিক ডক্টর রায়। কিন্তু মেয়ের বিয়ের জন্য আমরা যে এখন একেবারেই প্রস্তুত নই।’

    ডক্টর বিজয়া রায় বললেন—‘মেয়ের বিয়ের জন্যে প্রস্তুত হতে হবে কেন আপনাকে বিশেষ ভাবে? এই যুগে? শুনুন দাদা, বিয়ে হবে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে। আপনারা তিনজন আর আমরা তিনজন। তারপর আপনাদের বাড়িতে এসে রমলাদির হাতের মাছের ঝোল ভাত খাবো। দু-এক দিন পর কোনও হল ভাড়া করে কিংবা গ্র্যান্ডে কিংবা তাজবেঙ্গলে রিসেপশন দেওয়া হবে। জয়েন্ট। আপনাদের পক্ষের সবাইকে বলবেন। আমাদের সবাইকে বলা হবে। আর কনের বিয়ের সাজ, এঁদের ফ্যামিলির নিয়ম এঁরাই দ্যান। প্রপিতামহীর আমল থেকে। আমাকেও সাজিয়ে নিয়ে এসেছিলেন। সুজাতাকে জিজ্ঞেস করবেন। সেই সেকালের আমলের ভারী ভারী গয়না ওসব মঞ্জুকে পরাতেই হবে। শাড়িটারই ওজন কী? তা মঞ্জু লম্বা আছে পারবে। আমার যা কষ্ট হয়েছিল! যেমনি রোগা ছিলুম তখন। হাইট তো দেখছেনই!’ বলে বিজয় রায় হাসতে লাগলেন।

    আশ্বিন মাসে বিয়ে হল। রেজিস্ট্রির তো কোনও লগ্ন নেই। বেয়াই বেয়ানকে তাজবেঙ্গলে নিয়ে যাওয়া আসার জন্য আলাদা গাড়ি মোতায়েন রইল। রেজিস্ট্রির জন্য একটি হালকা বেনারসী শাড়ি আর সামান্য কখানা সোনার গয়না যা এতদিন মেয়ের জন্য তুলে রেখে দিয়েছিলেন, তীর্থঙ্করকে একটি ধুতি পাঞ্জাবি, কোলাপুরি চটি ও সোনার আংটি বোতাম দিলেন রমলা আর তারাপদ, আর কোনও কিছুর দরকারই হল না।

    তাজবেঙ্গলে সবাই মিলে ভূরিভোজ করে বেরিয়ে গেলে তারাপদবাবু বললেন—ডক্টর রায়, আমার শেয়ারটা কিন্তু নিতেই হবে।

    ডক্টর রায় হেসে চুপিচুপি বললেন—‘দাদা আপনি সৎ স্বাভাবিক মানুষ, আপনার কি কৃষ্ণবর্ণের টাকা আছে?’

    —‘মানে?’

    —‘আমি ডাক্তার, আমাকে সাদা-কালো দুরকম টাকারই ব্যবস্থা রাখতে হয়। সরকারের ইচ্ছেয়। তাজবেঙ্গলের পার্টি পুরোটা কালো টাকায় হয়ে গেল। আপনার তো কালো নেই, কোত্থেকে দেবেন? আপনার শুভ পবিত্র অর্থ আমি নেবোই বা কেন?’

    নতুন শীত পড়েছে। বিকেলগুলো বড় মলিন, বড় বিষন্ন হয়। আলো জ্বাললেও যেন আলো হয় না। তারাপদ বাড়ি আসতে চিঁড়েগুলো ভেজে ফেলল রমলা। কড়াইশুঁটি, বাদামভাজা দিয়ে মিশিয়ে একটা বড় বাড়িতে রাখল। দুজনের হাতে দু কাপ চা। চুপচাপ, চিঁড়েভাজা চিবোবার কুড়র কুড়ুর শব্দ। সন্ধে ঘন হয়ে আসছে। ঘরে ফেরা পাখির ডাকে কান পাতা দায়। মঞ্জু আর তীর্থঙ্কর গত সপ্তাহে বাঙ্গালোর চলে গেছে। তারাপদ অস্ফুটে একবার বললেন—‘কোথা থেকে ম্যাজিকের মতো কী হয়ে গেল বলো তো?’

    রমলা ঘরের ভেতর দিকে তাকালেন, আড়চোখে রান্নাঘরের দিকে চাইলেন। বারান্দা, ছোট ঘর, কোথাও নেই। সে কোথাও নেই। কোকিল উড়ে গেছে। কাক আর কাকিনী তাদের ভাঙাচোরা বাসায় ফাটা ডিমের টুকরো মাঝখানে নিয়ে মুখোমুখি বসে থাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযখন চাঁদ এবং – বাণী বসু
    Next Article খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }