Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মোহানা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প440 Mins Read0
    ⤶

    শিরিষ

    আমার, তোমার, সবার দেশের মতনই সে এক দেশ ছিল। দেশে নগর ছিল, গ্রাম ছিল, গঞ্জ ছিল, বাজার-হাট-মেলা-মোচ্ছব সবই ছিল। কিন্তু কোনও কিছুরই যেন কোনও ছিরি ছিল না। কেউ গাইলে মনে হত সারাক্ষণই কেন অমন কাক ডাকে গো! কেউ নাচলে মনে হত যেন মামদো-গোভূতে নেত্য করছে। তাল ছটকে যায়, সুর হড়কে যায়, লয় পিছলে যায়। অন্নের স্বাদ খড়ির মতন। আনাজপাতি ভুসকো, জলের মাছ জলেই মরে, দেশ ভরা শুধু ধোঁয়া কালি আঁধার আর আওয়াজ।

    কেউ জানে না সেই মামদো-গোভূতের গাঁক গাঁক আওয়াজের দেশে শিরিষ কোথা থেকে এলো। এ চত্বরের সবচে’ বুড়ো মানুষ, যার নাম নবীনমাধব, সে নাম এখন কেউ জানে না, সবাই ডাকে সাণ্ডেলখুড়ো, সেই খুড়ো যে চোখে দেখে না, কানে শোনে না, কি শীত কি গ্রীষ্ম বাঁদুরে টুপি চড়িয়ে যে খালি কে যায়, কোথায় যায়, বলে সারাবেলা খামোখা হাঁকড়ে হাঁকড়ে ওঠে, সেই নবীনমাধবও না। কেউ যদি একবার জিজ্ঞেস করে—‘শিরিষ ঠাকরুণ কোত্থেকে এলো গো?’ অমনি সে কানের পেছনে হাত দিয়ে সাত বার কোশ্চেন করে শোনে, তারপর ভুরু কুঁচকে সরু চেরা বাঁশের মতো গলায় বলে ওঠে—‘কি জানি বাপু, কেমন করে কখন ঘটে গেল ঘটনাটি।’

    রাস্তার মোড়ে ঘেরা মাঠ, মাঠের ঈশান কোণে ঈশানী এক মহীরুহ বৃক্ষ। তার আগাপাশতলা খালি পাখির বাসা আর পাখির বাসা। সন্ধের ঝোঁকে গাছ ঘিরে কলকলানি ক্রমেই এমন জোরালো হয়ে ওঠে যে মনে হয় পাহাড়ি নদী বইছে, পাগলাঝোরা হয়ে এখুনি পাথর টপকে টপকে নামবে। এই গাছটিতে কখন পাতা ঝরে, কখন পাতা গজায়, কখন কোন পাখি বাসা বাঁধে, ডিম পাড়ে, বাচ্চা ফোটায়, আবার উড়ে যায়, কেউ কি কখনও নজর করে দেখেছে? কেউ দেখেনি। অথচ বৃক্ষ ক্রমেই আরও বলবান, আরও বীর্যবান, আরও আশ্রয়শীল, আরও ছায়াময় হয়ে উঠছে। কেউ জানে না তার ইতিহাসও।

    মাঠের কোণের গোলাপি বাড়িটা কবে শিরিষের পিতৃপুরুষ কিনেছিলেন, কবে শিরিষ অন্য কোথাও জন্মালো, কবে, কেমন করে বড় হল, কেন এখানে সোমত্ত বিধবা (?) চলে এলো, কবে তার বিষাদ যোগ, সাংখ্যযোগ শেষ হয়ে কর্মযোগ শুরু হল, অতশত ইতিবৃত্ত কে-ই বা মনে রেখেছে। নবীনমাধব বলে—‘আমায় শুধিও না বাপু, বলে নিজের জ্বালাতেই মলাম!’ বুড়ো যেন সংসারের ভারি ভুরি বড় গিন্নির মতো পেটের মধ্যে অনেক কথা রাখে ঢাকে।

    শিরিষের ঘরসংসারের বাইরের দিকে একটি দারোয়ান, একটি কোচোয়ান। একটি মালি, আর ভেতরদিকে একটি দাস, একটি দাসী, এবং একটি একমাত্তর কন্যে। এরাই বাড়ির বারমহলে, অন্দরমহলে হাত পা ছড়িয়ে বসবাস করে। অতবড় বিঘের ওপর বাড়ি বাগান! তার দেখ-দেখালি, গোছ-গাছালি সব এরাই রয়ে বসে করে। ছোট্ট টুকটুকে মেয়েটি সাবেক কালের টমটম গাড়ির বাইরে বড় একটা পা দেয় না, টকাটক আসে, টকাটক যায়, এক ঝলকে লোকে শুধু দেখতে পায় ঠাকরুণের কন্যেটি যেন ভরা গ্রীষ্মের চম্পক, কিংবা গন্ধরাজ, সূর্যের সবটুকু সৌরভ শুষে নিয়ে তৈরি হয়েছে। অন্দরের বাগানে সে আপনমনে খেলে বেড়ায়, নেচে বেড়ায়, গেয়ে বেড়ায়, সব একা-একা। নয়তো তার মায়ের সঙ্গে। কিন্তু তার মা শিরিষ ক্রমেই অন্দরমহল থেকে বারমহল, বারমহল থেকে দেউড়ি, বারান্দা থেকে বাগান, বাগান থেকে বড় রাস্তা, দোকান, বাজার, ব্যাঙ্ক ইস্কুল, কলেজ, কেলাব, খেলাধুলো, যোগব্যায়াম, সাঁতার…।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    Library
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    অনলাইনে বই
    বাংলা কৌতুক বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বই ডাউনলোড

     

    জিনিসটার শুরু হয় এইভাবে। পাড়ার বাচ্চা বাচ্চা ছেলেরা চাঁদা চাইতে এসেছিল। সরস্বতীপুজো করবে। দারোয়ান রামখেলাওন তাদের হাঁকিয়ে দেয়। তার বক্তব্য যুক্তিসঙ্গত। পাড়া বেপাড়া যেখানে যোতো সোরোসতী মাঈ আসছে সোবাই কি তার মাকে পুছে পুছে আসছে! পুছে পুছে যদি না আসলো তো ভাগ্‌ ভাগ্‌ হিঁয়াসে। বাচ্চা তো নয়, চুহা এক-একটা। বিল্লি ভি আছে। লেকিন মিলে মিশে আছে, তাইতে কেস বহোৎ খতরনাক হয়ে যাচ্ছে। এই রকম রামখেলাওনি বিশ্লেষণের মাঝমধ্যিখানে একটি চুহাসম বাচ্চা ভেতর বাড়ির দিকে দৌড়ে গিয়ে ‘মাসিমা, মাসিমা, আসতে দিচ্ছে না’ বলে সরু গলায় চেঁচাতে থাকে। শিরিষ তখন সেই মুহূর্তটা নিরানন্দের কেন্দ্রবিন্দুতে মধুতে আটকানো মক্ষীর মতো নিশ্চল ছিল। বাচ্চার মিঠে গলার তীক্ষ্ণ ডাক একেবারে তার বুকের মধ্যে গিয়ে পৌঁছলো, তার মনে হল সে নিজেই বুঝি কাকে কিছুতেই আসতে দিচ্ছে না। সেই কেউ তার দোরের বাইরে ধর্না দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, তার মিষ্টি সরু গলা অনেক আকিঞ্চনে তার কাছে প্রার্থী। সে তার দোতলার পুরনো মার্বেলের ঘর থেকে এক ছুটে সিঁড়ি দিয়ে নামতে লাগল। হঠাৎই যেন তার মরা নদীর সোঁতায় জোয়ার এসেছে। উঠোনের এক দিকে লম্বা চওড়া ইয়া গোঁপ, ইয়া গুল রামখেলাওন, অন্যদিকে অস্বাভাবিক সাদা, ক্ষীণা এক উদাসিনী নারী। মাঝখানে পড়ে বাচ্চাটি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে চেঁচাতে ভুলে গেছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    PDF বই
    ডিকশনারি

     

    শিরিষ বলল—‘চাঁদা নিয়ে কি করবি থোকন?’

    বাচ্চাটি ভ্যাঁক করে কেঁদে ফেলে বলল—‘খাবো।’

    —‘কী খাবি?’ শিরিষের মুখে সামান্য হাসি।

    —‘লুচি আলুর দম’—বাচ্চাটি ফোঁপাতে ফোঁপাতে বলল।

    আরও ছেলে-মেয়ের দল তখন অন্দরমহলে ঢুকে পড়েছে। আস্তে আস্তে প্রকাশ পেলো পাড়ার বড়রা সরস্বতীপুজো করে ঠিকই, কিন্তু সকালের খিচুড়ি-লাবড়া-ভোগ পর্যন্ত বাচ্চাদের অধিকার। সন্ধেবেলায় যে লুচি, আলুর দম, ফুলকপির তরকারি, পায়েস দিয়ে রাজসিক ভোগ হয় সে ভোগের কণামাত্র বাচ্চাদের কাছে পৌঁছয় না। তাই তারা এ বছর প্রতিজ্ঞা করেছে টুলুর বাড়ি কাঠের সরস্বতী আছে, তাই দিয়ে মিন্টুর বাড়ির বাইরের ঘরে পুজো করবে, গণেশের বাবা অবসর সময়ে পুজো-আচ্চা করে থাকেন, তিনিই পুজো সেরে দেবেন এবং চাঁদা তুলে সবাই লুচি আলুর দম খাবে, খাবেই।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বইয়ের
    ডিজিটাল বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা কৌতুক বই
    PDF

     

    —‘কতজন আছিস তোরা?’ শিরিষ নরম গলায় জিজ্ঞেস করল।

    —‘সতেরজন।’

    —‘আমার বাড়ি সরস্বতী পুজো হয়, সন্ধেবেলা তোদের নেমন্তন্ন। প্রসাদ খাবি।’

    রামখেলাওনের মুখ ক্রমশই হাঁ হয়ে যাচ্ছিল।

    সরসোতী পুজো? পুজো-উজো এ কোঠিতে সে কোন দিন দেখেনি।

    কিন্তু ছেলের দল এলো। প্রথমে সসঙ্কোচে, একটি দুটি করে। তারপর বেশ সপ্রতিভভাবে দলে দলে। বড় হলঘরে আসন পেতে সব্বাইকে খাওয়ালো শিরিষ। বালভোজন। সাদা সাদা লুচি, লালচে-হলুদ ফুলকপি, সাদা সবুজ আলু-মটরশুঁটি, টুকটুকে লাল চাটনি, হালকা বাদামি পায়েস। কমলাভোগ, যে যটা পারে।

    বা রে বা! সরস্বতী ঠাকুর কোথায়? পুজো হবে না? কাঁসর ঘণ্টা বাজবে না? ছেলের দল হই-হই করছে। তখন ঘরে ঢুকল সত্যিকারের বাল-সরস্বতী শিরিষের মেয়ে প্রসর্পিতা। সাদা সিল্কের শাড়িতে নীল পদ্ম-পাড়। হাতে তানপুরো। সে সবাইকে নিয়ে গাইবে, নাচবে। সরস্বতীর গান, লক্ষ্মীর গান, দুর্গার গান, আসলে যে যেখানে সব যশো দেহি, দ্বিষো জহি আছে সব্বাইকার গান।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    পিডিএফ
    Books
    অনলাইনে বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার

     

    এইভাবে দিন যায়। একদিকে প্রসর্পিতা গান গায়, অন্যদিকে বাগানের ফুলগুলি সব আহ্লাদ নিয়ে ফুটে ওঠে, গাছ আলো করে। প্রসর্পিতা হাসে। পাখিগুলির মধ্যে কূজনের প্রতিযোগিতা পড়ে যায়, প্রসর্পিতা নাচে তার সঙ্গে সঙ্গত করে বৈশাখ-আশ্বিনের ঝড়, আষাঢ়-ফাগুনের বিষ্টি, সহনর্তকীর ভূমিকায় নেমে পড়ে ফুলো ফুলো ব্যালের পোশাক-পরা সাদা মেঘের দল। শিরিষ প্রথমে ছোট ছেলেদের, তারপর মেয়েদের, তারপর বড় ছেলেদের, তারপর গিন্নিদের মজলিশে যায়। মজলিশের চেহারা পাল্টে যেতে থাকে। কবে যে পাল্টে গেল, কেউ বুঝতেই পারে না। খুব আশ্চর্যের বিষয়, কিন্তু একদম নির্জলা সত্যি কথা যে শিরিষদের পাড়ায় কোনও বাড়িতে দেওয়াল-লিখন নেই। মিছিল যায় না। যে যার সময়মতো কাজে কম্মে যায়, বাড়ি ফিরে আসে। ছেলেমেয়ের দল প্রাণভরে খেলাধুলো করে আঁধার নামলে যে যার মতো বাড়ি যায়। আজান, গ্রন্থসাহেব আর গীতার আয়োজন যারা লাউডস্পিকারে করেছিল তারা আজকাল বড্ড ব্যস্ত। ওই যে মৌলভিসাহেব দাঁড়ি আঁচড়িয়ে, চোখে সুর্মা, কাকে কাকে যেন আজকাল আরবি পড়াচ্ছেন। বলবন্ত সিং-এর দলের এমন রমরমা সূর্য-উনুনের ব্যবসা যে তারা আর কিচ্ছুটির সময় করতে পারে না। গীতা-ভাস্কর নীলমণি পণ্ডিত বাড়িতে টোল খুলেছেন। বহু জায়গা থেকে কথ্য সংস্কৃত শিখতে তাঁর কাছে লোক আসছে। সেই যে একবার নীলু পণ্ডিত সপ্তমী পুজোর শেষাশেষি বৃষ্টি আসতে দেখে বলে ফেলেছিলেন:

     

     

    বৃষ্টি পততি পট পট পট

    মনঃ করোতি ছট ফট ফট

    ছত্রং ধরয় চট পট পট

    তাত মণ্টু ডোন্ট সে নট।

    সেই থেকে ছেলেদের বায়না হল নীলু পণ্ডিতকে এই সহজ সংস্কৃত শেখাতেই হবে। শিরিষের বাড়ির ঠাকুরদালানে তার ব্যবস্থা হল। শিরিষ এখন ছড়িয়ে গেছে সবখানে, সবখানে, সবখানে। সে আর সাদা একখানা খড়ির পুতুলের মতো নেই। কড়ির মতন সাদা কবেকার শঙ্খিনীমালার মুখ তার নেই। শঙ্খমালা এখন কাঞ্চনমালা হয়ে গেছে। ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর পায়ের আলপনা-ছাপ ফেলে শিরিষ এ কাজে সে কাজে নানা কাজে ঘুরে বেড়ায়। অঞ্চলটি আনন্দে গৌরবে সাফল্যে থই থই করে। তার ছটপরবের ঢোল কাঁসি, তার রঙ্গোলিবিহুর নাচ, তার বৈশাখীর আমোদ, তার লক্ষ্মীর পাঁচালি আর ভাদুর গানের মৃদু মধুর সুর গ্রাম-গঞ্জের আবহাওয়াতে গাবগুবাগুবের মতো বাজতেই থাকে, বাজতেই থাকে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বইয়ের তালিকা
    বই
    বই ডাউনলোড
    অনলাইন বুকস্টোর
    ডিকশনারি
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Books
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    এইসব করতে করতে শিরিষের হৃদয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে মধুর মতো গাঢ়, সেই বিষাদসিন্ধুর পরিধি ক্রমেই ছোট হতে থাকে। এক-এক দিন নিশিরাতে ঘুম ভাঙলে শিরিষ ছাতে উঠে যায়। নারকোল গাছের পেছনে একটি বাঁকা চাঁদ ঝুলে থাকে, কালচে আকাশে ফুটফুট করছে তারা। সেদিকে তার সাদা মুখের দ্যুতি তুলে ধরে শিরিষ কোন গোপন গহন অতীতের উদ্দেশে বলে ওঠে—‘তুমি কোথায় আছো হে বঞ্চক, যেখানে যে স্বর্গের ময়ূরসিংহাসনেই থাকো তুমি আর আমার মনের নাগাল পাবে না। তুমি থাকো কঠিন মণিমাণিক্যময় প্রতারক স্বর্গে, আমি এই কঠিন পৃথিবী সবুজে ভরিয়ে ফেলব। সবুজ আরও সবুজ। সবুজের অগ্রভাগে স্বর্ণাভা লাগবে, সুবাস দুলবে বাতাসে, আমি যেখানে যেখানে যাবো, সেইখানে সেইখানে তোমার সোনা মরকতকে লজ্জা দিয়ে পৃথিবীর আপন হৃদয়ের সোনিমা শ্যামলিমা আমার পেছনে পেছনে যাবেই যাবে। বলে শিরিষ হাসতে থাকে। সে কোনও সশব্দ টংকারঅলা চ্যালেঞ্জের হাসি নয়। দিকদিগন্ত শান্তি ও সুষমায় ভরিয়ে তোলা সে এক অদ্ভুত অরোরা বোরিয়ালিস।

    শিরিষ যখন তার মধ্যরাত্রির উদগীথ সেরে এইভাবে নেমে আসে তখন শোবার ঘরে তার হৃদয়ের কাছে চন্দ্রকান্তমণির মেয়েটি ঘুমের ঘোরে হেসে ওঠে। তার কোমল কপালে আলতো পরশ রাখে শিরিষ।

     

    আরও দেখুন
    ডিজিটাল বই
    বই
    লেখকের বই
    বাংলা অডিওবুক
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা সাহিত্য
    বই পড়ুন

     

    —‘তুমি কী স্বপন দেখছো জাদু? তুমি কি আমার মতো ভুবনময় পঙ্কসরোবরে কমল ফোটাবার কাজটি নেবে? তোমাকে আমি শিখিয়ে দিয়ে যাবো ফুল ফোটাবার মন্ত্র। পাখি-হরিণ-কীটপতঙ্গ বশীভূত করার অখণ্ড বাঁশিটি আমি অনেক সাধনায় খুঁজে পেয়েছি, তোমার হাতে তুলে দিয়ে যাবো।

    পাশ ফেরে প্রসর্পিতা। তারপরেই তার চোখের পাতার ভেতরে মণিদুটি কাঁপতে থাকে, মেয়ে ঘুমের ঘোরে ফুঁপিয়ে ওঠে। শিরিষ সন্তর্পণে মেয়ের অফোটা পদ্মের মতো বুকের ওপর থেকে হাত দুটি সরিয়ে রাখে। বুকের ওপর হাত রেখে শুলে পাথর-দত্যি পিষে মারে। —‘মা আমার ঘুমাও, শিয়রে জাগিয়ে রাখলাম ঘিয়ের বাতি, আমার নিঝুম দুটি চোখ, শীতল দুটি হাত রইল তোমার শিথানে। সুখে নিদ্রা যাও মা।’

    মেয়ে শিরিষের সুখ, মেয়ে শিরিষের শান্তি, মেয়ে তার আনন্দ আহ্লাদ, বিস্ময়, রোমাঞ্চ, মেয়ের ভেতর দিয়েই শিরিষ তার ভুবনখানি দেখে। প্রসর্পিতা যদি বলে—‘মা আমি কেন এমন একা?’ শিরিষ বলে—‘আমার ঊর্ধ্ব এবং অধঃ, আকাশ এবং ভূমি, একবার মাত্র একবারই যে ঐকতানে বেজেছিল মা, এমন ঘটনা তো আর দ্বিতীয়বার ঘটে না!’ প্রসর্পিতা যদি বলে, ‘মা, আমার পিতা কে?’ শিরিষ বলে—‘তোমার পিতা পুরুষ, বীজ রোপণ ভিন্ন যার আর অন্য ভূমিকা নেই।’ প্রসর্পিতা তখন বলে—‘মাগো তুমিই কি আমার সব?’ মেয়েকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিয়ে শিরিষ বলে ওঠে—‘আমি তোমার সব কি না জানি না মাগো, কিন্তু তুমি আমার সর্বস্ব।’ সত্যি-সত্যি, মেয়ে হাসছে বলেই তার কোলের কাছে ভিড় করে আসা যাবতীয় শিশু বালক বালিকার হাসি শিরিষের বুকে দোলা দেয়। মেয়ে গায় বলেই, সে তার বাগান, বাগান পেরিয়ে পর-প্রতিবেশীর বাড়ির চুড়োয় দোয়েলের শিস শুনতে পায়, ফিঙের দোল দেখতে পায়, বেনে-বউ গটগটিয়ে হেঁটে গেলে ঝিলিক ঝিলিক হাসে। আর গভীর রাতে পাপিহা তীব্র করুণ স্বরে পিউ কঁহা পিউ কঁহা বলে ডেকে উঠলে কিশোরী মেয়েকে বুকের মধ্যে টেনে নিয়ে মধ্যযৌবনের দ্রুতচ্ছন্দ চঞ্চল হিন্দোলটি সে প্রাণপণে কল্যাণ ঠাটে এনে বাজাতে থাকে।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    Library
    লেখকের বই

     

    ওরা কেউ জানে না এই মৌজা, এই গ্রাম, এই গঞ্জ, এই উপনগর, মহানগর সব স-ব আসলে শিরিষরাই গড়েছে। কারণ গড়ে অনেকে মিলে, কিন্তু মন্ত্রটি কানে দেয় একজন-দুজন। থাকতে পারে রাজ্য, প্রয়োজনের খেয়ালে গড়ে ওঠা, কিন্তু তার বিচিত্র বেসুরে যে সঙ্গতি আনে সেই প্রকৃত রাজ্যপাল। ওরা এ-ও জানে না বন্ধ্যা নিষ্ফলা কপিশ ভূমির এই যে তীব্র সবুজ স্বপন এর পেছনে আছে একটি মানুষের বিষাদের পারে পৌঁছনো গভীর মন্দ্রিত আনন্দ। ওরা এও জানে না এই আনন্দের পেছনে আছে রক্তমাংস নাক চোখ মুখের প্রাণভরা, তৃষাহরা, নয়নের মণি, বুকের কলজে এক কন্যে। শিরিষ নিজেও জানে কি? সে যে এক দিক থেকে আরেক দিক পর্যন্ত একটা সাদা ফুরফুরে প্রজাপতির মতো উড়ে উড়ে বেড়ায়, তার পাখায় এমন বেগ, শরীরে এমন লঘিমা কে দিল, কেমন করে দিল, অতশত বিশ্লেষণে কি তার মন যায়? সে শুধু জানে অনেক মিথ্যের ঝকমকানি তাকে এক সময়ে অন্ধকারের গহনে নিয়ে গিয়েছিল, সেই অন্ধকার সে একা একা পার হয়েছে, এখন তার চোখে মুক্তার লাবণ্যচ্ছটা। তাই সে প্রজাপতি, তার উড়ন্ত পায়ের আঙুলগুলি পরাগের রেণুতে রেণুতে রঞ্জিত হয়ে থাকে, আর সেই রঞ্জন আদিগন্ত ছড়িয়ে গিয়ে অফলা আমগাছটির শীর্ষ শাখাটি পর্যন্ত বউলে বউলে ঝমঝম করতে থাকে। আর, সবাই অতশত জানে না বলেই মানুষের ঠোঁটে ঠোঁটে নামগুলি হাটে হাটে বাটে বাটে ফেরে, যেন তারা প্রশ্বাস নিচ্ছে। নিশ্বাস ফেলছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    নতুন বই
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বুক শেল্ফ

     

    সেদিন বসন্তকালের সন্ধেবেলা। মধুমাধবী সারঙের শেষ মূৰ্ছনার মতো গোধূলিবেলা মিলিয়ে গেল। আকাশ থেকে সাঁঝের কুয়াশা গাছগাছালির অলিতে গলিতে ঝুপঝাপ করে নেমে পড়ছে। শিরিষের বাড়িতে জগদ্দল কটা দু-ঠেঙে গাড়ি এসে থামল। কী তাদের চক্কর! কী-ই বা তাদের গর্জন! গাড়ির থেকে নেমে এলো এক, দো, তিন, চার, পাঁচ, ছে, রামখেলাওন গুনেছিল, মুশকো মুশকো লোক। শান্তিমণি দেখেছিল তাদের হাতে ইস্টিলের বালা, কানে রুপোর মাকড়ি, গলায় সোনার চেন, জামার খোলা বুকের ভেতর দিয়ে দলা দলা রোম দেখলে গা শিউরোয়। রামখেলাওন কবে ছেলেমানুষ আর ভিখারি তাড়াবার দারোয়ানগিরি করত, তাও সে কবেই ভুলে মেরে দিয়েছে। খইনি ডলতে ডলতে তার হাতের তালু ঝুলে পড়ল। ঘড় ঘড় করে গেট খুলে ছ জোড়া বুট সোজা অন্দরবাড়ির দিকে চলে গেল। গট গট গট গট গট গট…।

    —শীর্ষা দেবী আছেন? শীর্ষা দেবী?

    —আপনারা কে? এখানে শীর্ষা দেবী বলে কেউ থাকেন না।

     

    আরও দেখুন
    লেখকের বই
    বুক শেল্ফ
    বই ডাউনলোড
    PDF বই
    বইয়ের তালিকা
    নতুন বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    কৌতুক সংগ্রহ
    Books

     

    —তাহলে শিশির দেবী, শিশিরকণা, শিশিরবালা, কিংবা শিশির মালা…

    শিরিষ চুপ করে রইল।

    —চট্টরাজদাকে চেনেন? মোহিতবরণ চট্টরাজ?

    কে না চেনে? শিরিষ চুপ করে রইল।

    —মোহিদ্দা আপনাকে জানিয়েছেন এবার থেকে আপনি আমাদের নেত্রী। অভয়বিন্দু দাঁকে নেক্স্‌ট্‌ নির্বাচনে কাত করতে হবে।

    শিরিষ গম্ভীর গলায় বলল—আমি এসব বুঝি না।

    —বুঝে নেবেন। মোহিদ্দা বুঝিয়ে দেবেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    লেখকের বই
    নতুন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বই
    গল্প, কবিতা

     

    —আমি এসব দলাদলি করি না।

    —মোহিদ্দা করবেন, আপনি শুধু দাঁড়াবেন।

    —আমি এসব ঘেন্না করি।

    —আপনি ঘেন্না করলে কি হয়, মোহিদ্দা এসব ভালোবাসেন। অট্টহাস্য করে উঠল পাতালবাসী যুবকের দল।

    —‘নির্বাচন আমাদের রুজি, নির্বাচন আমাদের পুঁজি, নির্বাচনকে যে গাল দেয় আমরা তার কপালে স্টেনগান গুঁজি…।

    দু পেয়ে জগদ্দলগুলো রাস্তা কাঁপিয়ে চলে গেল। নবীনমাধব তক সমস্ত মানুষ ক্রমে ক্রমে এসে ভেঙে পড়ল শিরিষের ভেতরবাড়ির আঙনে। কাঁচা-পাকা নানান গলায় শোনা গেল—‘শিরিষমা, শিরিষদিদি, শিরিষ বোন। না করো না মা, না করো না! মোহিতবরণ আর অভয়বিন্দু ও দুজনেই কাঁচাখেকো দেবতা। এ ছাড়লে ও ধরবে, ও ছাড়লে এ ধরবে। আর নিস্তার নেই।’ যারা আরও অভিজ্ঞ, আরও বয়স্ক তারা ডাইনে-বাঁয়ে মাথা নাড়লে—‘কথাটা যত সহজ সোজা শোনাচ্ছে ততটা কখনো নয়, উঁহু, এর ভেতরে কিছু গুহ্য কথা আছে, কিছু ভয়ঙ্কর কথা।’

    সবাই চলে গেলে তখনও সিঁড়ির শেষ ধাপে বসে রয়েছে শিরিষ। চোয়াল দুটি কঠিন, কপালের মধ্যিখানে নীলশিরা দপদপ করছে। চুল যেন রুক্ষ ধূসরবর্ণ।

    ঝড়ের আগের সময়ের মতো থমথমে দিন যায়। এক দুই তিন করে সাত দিন। শিরিষ আস্তে আস্তে আবার কাজকর্ম করছে। রামখেলাওন গেট খুলছে, গেট বন্ধ করছে। সাত দিনের দিন বাড়ি ফিরে শিরিষ দেখল, রামখেলাওন কপাল চাপড়াচ্ছে। শান্তিমণি কেঁদে কেঁদে অজ্ঞান হয়ে গেছে। মোহিতবরণের বিশাল ল্যান্ডরোভার এসে প্রসর্পিতাকে গেটের সামনে থেকে তুলে নিয়ে গেছে। শিরিষ ছুটল চট্টরাজের বাড়ি। গেটের পরে গেট, তারপরে গেট, তারপরে আরও গেট, সব তালাবন্ধ। লোকে বলল চট্টরাজদা হনিমুনে গেছেন। কোথায় কেউ জানে না। শিরিষ ছুটল থানায়, ভারপ্রাপ্ত অফিসার দেখালেন আঠার বছরের মেয়ে স্বেচ্ছায় মোহিতবরণের সঙ্গে চলে গেছে, তলায় স্বাক্ষর। শিরিষ সরোষে বলল ‘এ সই জাল।’ অফিসার বললেন—‘স্ত্রীলোক বড় গোলমাল করে, সামনে থেকে নিয়ে যাও।’ শিরিষ ছুটল অঞ্চলপ্রধানের বাড়ি, তিনি বললেন—‘এ তো তোমার সৌভাগ্য মা। মেয়ে রাজরাণী হয়ে গেল।’ শিরিষ গেল রাজ্যপ্রধানের বাড়ি। অনেক দিনের অনেক ধরনার পর তিনি যখন দেখা দিলেন, বললেন—‘এতো বড় রাজ্য, তাতে এতো প্রদেশ, এতো মহকুমা, এতো জেলা, এতো তার কর্মযজ্ঞ, কোন পাড়াতে কোন মায়ের কোন মেয়ে উচ্ছন্নে গেল সে-ও কি তবে আমায় ব্যক্তিগতভাবে দেখতে হবে?’

    মাঠের কোণের গোলাপি বাড়িটির পলেস্তারা খসে গেছে। ভাঙা গেটের ধারে টুলে বসে রামখেলাওন আর ‘রাম ভজো’ গান ধরে না। বাগানটি বিছুটিতে আক্রান্ত। কেউ জানে না শিরিষ কোথায়। মাঠে ছোট ছেলেমেয়েরা আর বল খেলে না, বড়রা খেলে। সন্ধে হলেই ফিসফাস, হি হি হি, হো হো হো, হিং টিং ছট। সকাল হলে রজনীগন্ধার বাসি মালা, আর খালি বোতল, চাঁটের ঠোঙা আর কাগজের পেলেট, আরও হাজারো অকথ্য নোংরা ঝাঁটাতে ঝাঁটাতে মালি খুশিমনে পকেটের পয়সা বাজায়। যখন-তখনই হাতে সাইকেলের চেন নিয়ে দু ঠেঙে গাড়িতে টহল দিয়ে বেড়ায় রাক্ষুসে যুবকের দল, যাকে হাতের কাছে পায় মেরে উচ্ছন্ন করে দেয়, রাতের আঁধারে ফ্যামিলিকে ফ্যামিলি কাদের চপারে শেষ হয়ে যায়, কেউ জানে না, খালি রক্তগঙ্গায় চুবে হু-হু করে কাঁপতে থাকে। হাটে বাজারে দোকানে রাস্তার মোড়ে বোমা ফাটে, টুকরো টুকরো হয়ে যায় বেসাতি, দোকানঘর, কেনা-বেচা-করতে আসা মানুষজনের দল। নবীনমাধবের আজকাল পক্ষাঘাত। মেয়ে বউগুলি চোখ গোল গোল করে কেচ্ছা শোনে, কার বাড়ির ছেলে…কোন বাড়ির মেয়ে!

    সে বছর বিষ্টি হল না। মাটি জ্বলে গেল, ধানগুলি সব খড়। দিগন্ত পর্যন্ত খাঁ খাঁ খোয়াইয়ের মতো লালচে মাটির দিকে তাকিয়ে রমজান মিঞা আর সুরিন্দর সিং, দুলাল হাজরা আর গোবিন্দ মাঝি হাহাকার করে কপাল চাপড়ালো। কুয়োর জল শুকিয়ে গেছে। শ্যালোয় শুধু চাগাড় মারাই সার। খালতলায় একটুখানি কাদাঘোলা। মাঠের ঈশান কোণের গাছটি এতদিন দাঁড়িয়েছিল, কেউ দেখেনি ঘুণপোকায় তার ভেতর ফোঁপরা হয়ে গেছে। সেই ফোঁপরা গাছটি হঠাৎ একদিন দড়াম করে মাটিতে পড়ে গেল। আর তারপর আরম্ভ হল বিষ্টি, বিষ্টি, বিষ্টি। এক দিন দু দিন তিন দিন, তারপর দিনের পর দিন। গোঁ গোঁ শব্দ শুনে মাঝঘুমের মধ্যে একদিন চকিত হয়ে উঠে বসল মানুষগুলি, অন্ধকারে ভালো ঠাহর হয় না, তবু বোঝা যায় লক্ষ ফণা তুলে ছুটে আসছে হড়পা বান। গরু, বলদ, রাখাল, বাগাল ভাসিয়ে, মাটি খড়ের ঘর দুয়োর ফাঁসিয়ে, পাকা বাড়ির ভিত নাড়িয়ে অবশেষে ডাঙায় জলে একাকার করে সেই সর্বনেশে বন্যা সব ডুবিয়ে দিয়ে চলে গেল। থই থই করে দুলতে লাগল জল শুধু জল আর জল। এ মেরু থেকে ও মেরু পর্যন্ত। কৈলাস থেকে আরারত। সেই প্রলয়পয়োধিজলে একটি নূহর নৌকাও রইল না।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযখন চাঁদ এবং – বাণী বসু
    Next Article খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }