Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মোহানা – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প440 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্রমিতার সঙ্গে

    (১)

    আমি প্রমিতাকে বিয়ে করেছি। আশ্চর্য! বিয়ে করে ফেলেছি আমি, প্রমিতাকে। এইমাত্র রেজিস্ট্রি অফিস থেকে আসছি। অনুষ্ঠান করে বিয়ে-থা প্রমিতা পছন্দ করে না। আমিও না। মাথায় টোপর, গলায় মালা, কপালে চন্দন-টন্দন পরে বর সাজলে কিরকম বর্বর দেখাবে কল্পনা করতেও আমাদের হাসি পায়। যাই হোক, আনুষ্ঠানিক বিয়ে আর পুরুত-নাপিত-এয়ো না হলেও রিসেপশন হবে। গ্রেট ইস্টার্ন বা রিৎজের মতো কায়দার জায়গায় না হলেও সোমনাথ হলে হবে। আমার বন্ধুবান্ধব, প্রমিতার বন্ধুবান্ধব, আমাদের কমন ফ্রেন্ডস্, আমার আত্মীয়স্বজন, প্রমিতার আত্মীয়স্বজন—সব্বাই আসবে। জাঁকজমক কিছু কম হবে না। খালি প্রমিতা বলে দিয়েছে ও কনে-টনে সেজে ডেকোরেটরের সাজানো সিংহাসনে পটের পুতুলটি হয়ে বসতে-টসতে পারবে না। আমার দেওয়া শকিং পিংক রঙের বালুচরীটি পরে ও আমার পাশে পাশে ঘুরবে। হল থেকে দালান, দালান থেকে প্যাসেজ, প্যাসেজ থেকে আবার হলে। আমি আর প্রমি। প্রমি আর আমি। সবাই দেখতে পাবে। কিছুদিন আগেও যারা অবিশ্বাস করেছিল তারাও দেখতে পাবে ভালো করেই, এবং আশা করি বিশ্বাস করতে বাধ্য হবে ব্যাপারটা। জানি না, ঠিক বলতে পারি না, তবে ছোট্ট একটু কাঁটা তাদের অনেকেরই বুকের মধ্যে বোধ হয় হুলের মতো ফুটবে। জ্বালা-জ্বালা করবে সেখানটায়। তো আমি কি করতে পারি! আমি তো বরাবরই বলে এসেছি আমি প্রমিতাকে বিয়ে করব। প্রমিতা আমাকে বিয়ে করবে।

    দুজনে গাড়িতে উঠলাম। আমার মা-বাবা নেই। দিদি আর জামাইবাবু। প্রমিতারও মা-বাবা নেই। দাদা-বৌদিদি। এই ক’জন মিলে কোয়ালিটিতে গিয়ে সামান্য একটু সেলিব্রেট করা গেল। তারপর আবার গাড়ি। এবার আমরা আমাদের নতুন কেনা সল্ট লেকের ফ্ল্যাটে যাবো। সেখানে গত ছ মাস ধরে সব দেখেশুনে কেনা-কাটা হয়েছে প্রমিতা বলে গেছে। আমি কিনে কিনে গেছি। আমি বলে বলে গেছি, প্রমিতা কিনে কিনে গেছে। আলমারি, সুটকেস, খাবার টেবিল, সোফা-কৌচ, বাসন-পত্র, গ্যাস-স্টোভ, ফ্রিজ, বইয়ের আলমারি, র‍্যাক, কালীঘাটের পট, দক্ষিণ ভারতের নটরাজ, পেপার ম্যাশের বুদ্ধ। সব আমার সারা জীবনের সঞ্চয় থেকে কেনা। আমি বরাবর অল্প খরচে, হিসেবী মানুষ। বন্ধুরা বলে কৃপণ। এখন তারা দেখুক আমি কি করেছি, কি কিনেছি প্রমিতার জন্যে। কোথাও কিপটেমি করেছি কি না। আর দু-চার দিন পর যে রিসেপশন দেওয়া হবে, যেখানে মোগ্‌লাই বিরিয়ানি থেকে ভায়া স্মোক্‌ৰ্ড হিলসা, চিকেন বাটার মসালা, কাশ্মীরী গ্ৰীল্‌ড্‌ মাট্‌ন, ফিশ তন্দুরি হয়ে পেস্তা চকোলেট আইসক্রিমে মসৃণভাবে পৌঁছে যাবার আয়োজন হয়েছে, সেখানেই বা কোনও কিপটেমি দেখানো হয়েছে কিনা। আরে বাবা! খরচ করো বললেই কি করা যায়। ওদের মতো প্যাকেট প্যাকেট সিগ্রেট উড়িয়ে, বোতল বোতল হুইস্কি গড়িয়ে, যখন-তখন ট্যাকসি, যখন-তখন হোটেল-বার-রেস্তোরাঁ! ছিঃ। সত্যিকার খরচ করবার সময় আসতে দাও, নিশ্চয় করব, নির্দ্বিধায় করব, যেমন এখন!

     

     

    পেশায় আমি গবেষক। আর প্রমিতা? প্রমিতারও একটা পেশা আছে। অবশ্য সেটাকে পেশা না বলে নেশা বলাই ভালো। প্রমিতার আগে লেখার বাতিক ছিল। সেই বাতিকের ফলেই আজ ও লেখিকা। নবতম, বিস্ময়কর, সাড়া-জাগানো লেখিকা। মাত্র তেত্রিশ বছর বয়সে আমাদের দেশের সমস্ত পুরনো কনভেনশন ভেঙে যুবতী প্রমিতা, রাতারাতি অ্যাকাডেমি পুরস্কার পেলো, বিশেষ করে বারাঙ্গনাদের নিয়ে লেখা ওর দুর্ধর্ষ উপন্যাস ‘নগরীর নটী’র জন্যে।

    পুরস্কার বিতরণী সভার অনুষ্ঠানে আমিও উপস্থিত ছিলাম। দেখলাম প্রমিতা ইলেকট্রিক ব্লু শাড়ি গায়ে জড়িয়ে স্মার্টলি এগিয়ে গেল। গোল্ড ফ্রেমের চশমায় বিদ্যুৎ ঝলকালো। তীক্ষ্ণ নাক, তীক্ষ্ণ চিবুক, চোখের কোণা থেকেও যেন তীক্ষ্ণতা বর্শার ছোট ছোট ফলার মতো চতুর্দিকে ছিটকে ছিটকে যাচ্ছে। প্রতিটি স্টেপে জিনিয়াসের স্বাক্ষর। যেভাবে পায়ে পায়ে স্টেজে এগিয়ে গেল, হাই-পাওয়ার চশমা, সামান্য হোঁচট খেয়ে যেভাবে সামলে নিলো, রাজ্যপালের হাত থেকে নম্র, সম্ভ্রান্ত, তীক্ষ্ণ হাসি হেসে পুরস্কারটা নিলো, মাথা সামান্য ঝুঁকিয়ে বাও করল। অদ্ভুত। এরকম আমি আর দেখিনি। কেউ দেখেছে বলেও জানি না।

     

     

    সেই প্রমিতাকে নিয়ে নিজের ঘরে চলেছি। সুখের বাসায়, ভালোবাসায়। আমি অবশ্য সংস্কৃত জানি না। তবু ওই শ্লোকটা শুনে মুখস্থ হয়ে গেছে। মধু বাতা ঋতায়তে মধু ক্ষরন্তি সিন্ধবঃ। আমি অতশত জানি না। কিন্তু প্রমিতা সব জানে। ওর বইয়ের ফরমাশ মেটাতে মেটাতে আমি পাগল হয়ে গেছি। পাগল মানে অবশ্য মোটেই পাগল নয়, মাতাল-মাতাল পাগল, সুধায় মাতাল, আনন্দে পাগল। কতো যে ডিক্‌শনারী, এনসাইক্লোপিডিয়া, পুরাণ, কাব্য সংকলন, উপন্যাস, ছোট গল্প সংগ্রহ, কতো যে দর্শন, শাস্ত্র সমালোচনাগ্রন্থ ওর সংগ্রহে ছিল এবং যোগাড় করল তার সীমাসংখ্যা নেই। সে এক এলাহি ব্যাপার। প্রমিতা বলেছে, আমিও নাকি ওর একখণ্ড চলন্ত এনসাইক্লোপিডিয়া। বিজ্ঞানের প্রয়োজনীয় খুঁটিনাটি ও আমার কাছ থেকে বুঝে নেবে। নিচ্ছেও। ফিজিক্স অ্যাসট্রোনমি, অ্যানাটমি। ব্ল্যাকহোলের বৃত্তান্ত শুনে সেদিন বলছিল, ‘কাঞ্চন আমার নতুন, সম্ভবত সব চেয়ে অ্যামবিশাস উপন্যাস হবে তোমার এই কৃষ্ণ গহ্বরের ওপর। নাম দিচ্ছি “অ্যান্ড্রোমিডা।” একটা পুরো গ্যালাক্সি জোড়া বিশাল সভ্যতার ধ্বংসের শেষ দিন। অদ্ভুত! কি কল্পনাশক্তি! কি দুর্ধর্ষ দৃষ্টি। বাপরে বাপ। ছাপোষা বিজ্ঞানের মাস্টার আমি। কাজই বা কি আমার অত কথায়। বললেই হল স্ত্রৈণ, নিজের স্ত্রীর ঢাক নিজেই পেটাচ্ছে। বললেই হল! চিনি তো সব্বাইকেই।

     

     

    গাড়িটা থামতে দুজনে নামলাম। প্রথমে আমি, দরজা খুলে একপাশে দাঁড়ালাম, তারপর রক্তাম্বরা প্রমিতা। বাকি চারজন আগেই নেমে গেছেন, বলে গেছেন—‘আমাদের যাবার দরকার নেই। আমাদের কাজ আগেই সেরে রেখেছি।’

    দরজার তালা খুলে ভেতরে ঢুকলাম। দোতলার ফ্ল্যাট, দক্ষিণ খোলা। সামনে ডিনার-টেবিলের ওপর একটি ভারি সুন্দর আধারে একটি ভারি সুন্দর বাতি জ্বলছে। সাদায়-মেরুনে-হলুদে-গোলাপিতে ঢেউ তোলা তোলা একটি ফুট দেড়েক ভেনাস। শোবার ঘরের দরজা খুলতেই রাশি রাশি দস্যি ছেলের মতো আমাদের গায়ে, মুখে, মাথায় ঝাঁপিয়ে পড়ল ফুলের গন্ধ। দেখলাম বিছানা ভর্তি খালি ফুল, ফুল আর ফুল। রজনীগন্ধা, বকুল, গন্ধরাজ, যুঁই, চাঁপা, বেল। আমাদের সবুজ শয্যা একেবারে বাগান হয়ে আছে। ড্রেসিং টেবিলের ফুলদানে আবার মস্ত বড় একটা কেতকী। মরি! মরি! কী গন্ধই ছড়াচ্ছে!

    প্রমিতা দরজায় পা দিয়েই স্থির হয়ে গিয়েছিল। চোখে একটা অদ্ভুত দৃষ্টি। মুখে একটা অদ্ভুত হাসি। বলল—‘কাঞ্চন দেখো, আমার গায়ে কাঁটা দিচ্ছে!’

     

     

    আমি বললাম, ‘সত্যিই! নিশ্চয় যখন আমরা নীচে গাড়িতে ওয়েট করছিলাম তখনই কোন ফাঁকে দিদি আর বউদিদি এই কাণ্ড করেছেন! কিন্তু কী সুন্দর কাণ্ড!’

    প্রমিতা আমার দিকে অলৌকিক দৃষ্টিতে চাইল। ওর হাতে একটা মস্ত ব্যাগ। চট করে তার ভেতর থেকে একটা মোটা ডায়েরি আর একটা পাতলা কলম বার হয়ে এলো। খাটের রাশি রাশি ছড়ানো ফুলের পাপড়ির ওপর আরো একটি ফুল খুব সম্ভব ম্যাগনোলিয়ার (যদিও আমি এ ফুল দেখিনি) মতো বসে পড়ে বলল, ‘কাঞ্চন, অদ্ভুত একটা প্লট মাথায় এসে গেল হঠাৎ। মাল্টি-কালার্ড ভেনাস দ্যাখো অর্ধেক পুড়ে গলে আছে, হাত আগেই গেছে, আজ ওর মাথাও গেল, তবু ও আছে, ও থাকবে। ঘরে ঢুকতেই দ্যাখো ফুলের গন্ধ কিভাবে আমাদের আক্রমণ করল। তোমার ওই মন্তব্যটা—কি সুন্দর কাণ্ড—রেমিনিসেন্ট অফ দা রামায়ণ! সমস্তই অদ্ভুত! লিখে ফেলি হাঁ?’

    মিষ্টি হাসল প্রমিতা। হাসলে ওর ঠোঁটের কোণাদুটো কিরকম মোচড় খেয়ে ওপর দিকে বেঁকে যায়। কোনও লেখিকা যে এরকম হাসি হাসতে পারে তাও আমি এই প্রথম দেখলাম। কিন্তু আজকে আমি স্বামী, আমি প্রভু। ডায়েরির ওপর হাত চাপা দিয়ে হাসতে হাসতে বললাম, ‘কিন্তু প্রমি, আজ আমাদের বাসর-কাম-ফুলশয্যার রাত। জীবনে কোনদিন আর ফিরে আসবে না। আজকের প্লটটা না-হয় দু-চার লাইনে সিনপ্‌সিস করে রাখো। পরে হবে।’

     

     

    প্রমিতা ঘাড় নেড়ে বলল, ‘য়ু আর রাইট দেয়ার কাঞ্চন, অ্যাজ য়ু অলওয়েজ আর। আমি একটা সিনপ্‌সিসই করে রাখি বরং।’

    নতুন বালিশ বুকে নিয়ে উপুড় হয়ে পড়ল প্রমিতা। শন শন করে চলতে থাকল কলম। পিঁপড়ের মতো খুদে-খুদে অক্ষর ঝরঝর করে বেরিয়ে আসতে লাগল জাপানি পাইলটের সূচীমুখ দিয়ে। প্রমিতার লাল-লাল ঠোঁট দুটো মাঝে মাঝে নড়ে উঠছে। বোধহয় গল্পের পাত্র-পাত্রীদের সঙ্গে ও-ও সংলাপ বলছে, বলে বলে বলাচ্ছে তাদের।

    লিখতে লিখতে প্রমিতার পা থেকে লাল-শাড়ি উঠে গেল খানিকটা। লালের পাশে আরও ফর্সা দেখাচ্ছে গোল গোল পায়ের গোছ। কাঁধ থেকে আঁচল খসে পড়ল। মণিবন্ধে মোটা সোনার বালা, কাঁপছে। সোনার হাতে সোনার কাঁকন, কে কার অলঙ্কার সত্যিই বলা মুশকিল। বাইরে খালপাড় থেকে হুতোমপ্যাঁচা ডাকতে লাগল। কম্পিত, স্বেদাক্ত, রোমাঞ্চিত কলেবরে প্রায় সমস্ত রাত প্রমিতার সিনপ্‌সিস শেষ হওয়ার প্রতীক্ষায় বসে রইলাম। ঠিক ভোরের পাখি ডাকার মুহুর্তে ঘুমে রক্তাভ চোখ মেলে অনেক দূরের পথিকের মতো আমার দিকে চাইল প্রমিতা। তারপর তার হাত নুয়ে পড়ল, কলম খসে পড়ল আঙুল থেকে, ডায়েরির পাতা ভোরের হাওয়ায় ফরফর করে উড়তে লাগল। বালিশের ওপর কাত হয়ে কত্তকালের ঘুম ঘুমোতে লাগল বেচারি প্রমিতা।

     

     

    রিসেপশনে আমায় অভিনন্দন জানাল অনেকেই। ওকে তো কেউ জানাল না! বউকে কংগ্র্যাচুলেট করাটা কি শিষ্টাচারসম্মত নয়? ঠিক মনে না করলেও আমার সামান্য খারাপ লাগল। জিনিয়াস না হতে পারি, কিন্তু নিজ মুখেই বলছি, আর কে-ই বা বলছে, থার্মোডাইনামিক্‌স্‌-এর সেকেন্ড ল’-এর ওপর আমার থিসিস কিন্তু খুব প্রশংসা পেয়েছিল। গাইড হিসেবেও আমার দুর্দান্ত সুনাম। উচ্চারণে একটু বাঙাল টান আছে বলে ছাত্র-ছাত্রীরা প্রথম প্রথম আড়ালে একটু হাসাহাসি করে। আমি ওসব পাত্তা দিই না। তার পরেই স্যার, স্যার, স্যার। আমার দেওয়া একটা স্কীমের ওপর এখন একটা ফুল ব্যাচ রিসার্চ করছে। জিনিয়াস নই, কিন্তু আমি পরিশ্রমী, সৎ, উদার, কর্তব্যপরায়ণ, নেশা করি না, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন করি, সচ্চরিত্র। চেহারা? আমি ফর্সা নই, কালো, জেট ব্ল্যাক। প্রমিতা বলে পুরুষমানুষ ফর্সা হলেই তার অর্ধেক চার্ম নষ্ট। ওর উপন্যাসের হিরোরা সব কালো, সাইড-হিরোরা কেউ কেউ ফর্সা। পুষ্ট, সযত্নলালিত একজোড়া মিলিটারি গোঁফ আছে আমার। মাথার চুল ক্লোজ-ক্রপ। আমি পুরোপুরি একটি হী-ম্যান। তবে? প্রমিতাকে কংগ্র্যাচুলেট করতে এদের বাধা কোথায়?

     

     

    খেয়ে সবাই ধন্য ধন্য করতে লাগল। এই বাজারে সব চেয়ে দামী কেটারারের সব চেয়ে দামী মেনু। ধন্য ধন্য করবে এ আর বেশি কথা কি? এ আমার উপছে-পড়া আনন্দের প্রকাশ। পঞ্চাশ টাকা প্লেট না ষাট টাকা এসব নিয়ে মাথা ঘামাইনি।

    পেস্তা-আইসক্রিম মুখে নিয়ে আমার দিকে চুপিচুপি একবার চাইল প্রমিতা। ওর স্পেশ্যাল ফেভারিট। মুখে দিলেই গলে যায়। ও বলে ফুলের সৌরভের মতন দেহ-মন সব একসঙ্গে ভরে দেয়। এখন ওর চোখে-মুখে সেই স্নিগ্ধ সুগন্ধের আবেশ। আইসক্রিমের মতো একটা নিতান্ত জৈব খাদ্যবস্তু মানুষের জিহ্বা অর্থাৎ একটি কর্মেন্দ্রিয়র আশ্রয়কে স্পর্শ এবং তুষ্ট করবার পর কি করে যে আত্মায় প্রবেশ করতে পারে তা এক প্রমিতাকে দেখেই বুঝেছি। ও বলে সাহিত্যের মধ্যে যেমন কবিতা, খাদ্যের মধ্যে তেমন আইসক্রিম।

    আমাদের সংক্ষিপ্ত সংসারে রান্না-বান্নার জন্য ষণ্ডা-গণ্ডা চেহারার একটি মহিলা কর্মী রেখে দিয়েছি। নাম শিবু। অন্যান্য ফাই-ফরমাস খাটবার জন্য আছে একটা হিন্দুস্তানী বাচ্চা। নাম মুন্না। ইনস্টিট্যুট থেকে ফিরতে প্রথম দিন শিবু বললে, ‘কি জলখাবার দেবো গো বাবু?’

     

     

    —‘কেন বউদিদি নেই?’

    —‘ছিলেন তো সারা দুপুর। বিকেলের দিকে একটা ফোন এলো। ভীষণ ব্যস্ত হয়ে চলে গেলেন। কিছু তো বলে গেলেন না!’

    আমি বললাম, ‘যা হয় করো!’

    তা শিবু যত্ন, করেই দিলে। চিঁড়ে-ভাজা, তার সঙ্গে কুচো কুচো আলুভাজা, বাদামভাজা, মরিচগুঁড়ো, সঙ্গে কফি। খেয়ে একটা তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছি, শিবু আবার এসে দাঁড়াল—‘রাত্তিরে কি হবে গো বাবু?’

    —‘যাচ্চলে, আমি তার কি জানি?’

     

     

    —‘বউদি তো কিছু বলে গেলেন না!’

    —‘তোমার যা প্রাণ চায় করো।’

    —‘আপনি কী খান রাত্তিরে?’

    আমি? ভাবতে লাগলাম তাই তো কী খাই? কী খাই রাত্তিরে? খাওয়া-দাওয়া নিয়ে তো কোনদিন মাথা ঘামাইনি! মেসের ঠাকুর ব্যাটা যেদিন যা ছাই-পাঁশ ধরে দিত, তাই-ই খেয়ে এসেছি। ভেবেচিন্তে বললাম, ‘রুটি বানাও। বেগুনভাজা বানাও। আর কি? সকালের মাছ আর আছে?’

    —‘না তো বাবু, সে তো সকালেই সব খেয়ে নিলেন!’

     

     

    —‘তা হলে?’ ‘আলু-ফালুর চচ্চড়ি বানাও তা হলে?’

    শিবু ওই একদিনই জিজ্ঞেস করেছিল। তাইতেই আমার দৌড়, প্রমিতার দৌড় বুঝে ফেলেছে। আর জিজ্ঞেস করে না। নিজেই বাজার করে, নিজেই রান্না করে, নিজেই দেয় থোয়, মুন্নাটাকেও কাজে লাগায়।

    কিন্তু প্রমিতার সেদিন ফিরতে রাত প্রায় নটা হল। ভীষণ উত্তেজিত। পাবলিশার ফোন করেছিল। অমুক ফিলম-ডিরেক্টর ডেকেছে। ‘নগরীর নটী’ ছবি হবে। সেই সব কথাবার্তা আলোচনা হতে হতেই এতো রাত।

    ফিলম ডিরেক্টর শুনে আমি ঘাবড়ে গিয়ে বললাম, ‘এর পর এসব জায়গায় একলা একলা একদম যেও না প্রমি, আমাকে সঙ্গে নিয়ে যেও।’

    প্রমিতা হাসল। সেই ঠোঁটের কানা-তোলা অদ্ভুত হাসি।

     

     

    —‘নিশ্চয়ই! কিন্তু এরকম বিনা নোটিসে তলব এলে? তখন?’ বলতে বলতে প্রমিতা আমার গলা জড়িয়ে ধরে চুমু খেলো। রাত্রে কিছু খেলো না। ফিলম ডিরেক্টর অনেক খাইয়েছে। খিদে নেই। একাই খেলাম। আমি খেলাম, শিবু খেলো, মুন্না খেলো। মুন্না প্রমিতার ভাগটাও খেয়ে নিল। ব্যাটার পেট ইল্যাসটিকের মতো, বাড়ালেই বাড়ে।

    রবিবার। বেড়াতে যাবো ঠিক করি। সারা সপ্তাহ খালি কাজ আর কাজ আর কাজ। শনিবারেও তো রেহাই নেই আমার। এক দঙ্গল ছেলের সঙ্গে মুখ গুঁজে পড়ে থাকতে হয় ল্যাবরেটরিতে। ট্রামে বাসে ঝুলতে ঝুলতে বাড়ি ফেরা। খোলা হাওয়ার সাধ্য কি আমাদের ছোঁয়। ভিকটোরিয়া মেমোরিয়্যালের বাগানটি বেশ। ঘুরে ঘুরে বেড়াই। কতো পুরনো স্মৃতি। বেশি পুরনোও তো নয়। ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত হয়ে জলের ধারে বসি। জলের মধ্যে প্রমিতার ছায়া, ভাঙছে চুরছে আধুনিক ভাস্কর্যের মতো। পাশে আমার ছায়া, কাঁপছে। অন্ধকার ঘন হয়। বেশ সুগন্ধি অন্ধকার। আমি ওর ডান হাতটা মুঠোর মধ্যে তুলে নিই। প্রমিতা শিউরে ওঠে।

    —‘কি হলো?’

    —প্রমিতার দুই ভ্রূর মাঝে খুব ছোট্ট একটা রেখা উঠেই মিলিয়ে যায়।

    —‘কিছু না। কনসেনট্রেশানটা নষ্ট হয়ে গেল।’

    খুব অপ্রস্তুত হয়ে পড়ি। তারপর দুজনে আবার বেড়াতে থাকি। দক্ষিণ থেকে উত্তরে। উত্তর থেকে পুবে, পুব থেকে পশ্চিমে। প্রমিতা খুব অস্থির। ছটফট করতে করতে বেড়াচ্ছে। আমি ওর অবস্থাটা ঠিকই বুঝি। খুব দুঃখিত গলায় বলি—‘আয়্যাম সরি প্রমি।’ ও আবার ভয়ানক শিউরে ওঠে—‘কাঞ্চন, ওই তোমার বড্ড দোষ, বড্ড অসময়ে কথা বলো। চিন্তাটাকে সবে গুছিয়ে এনেছিলুম। দিলে তো সব এলোমেলো করে!’

    প্রমিতা ঘোরে ফেরে ওর মাথার মধ্যে পুষ্পবৃষ্টির মতো ধ্বনি বৃষ্টি হয়, শব্দ-বৃষ্টি হয়। আইডিয়া-বৃষ্টি হয়। এক হিসেবে অসম্ভব টেনশন বেচারির।

    দিন যায়। রাত হয়। ভোর আসে। কাজ করি। বাড়ি ফিরি। দুটি মুখ দেখি এসে। নতুন কাটানো শিলের মতো শিবুর মুখখানা, নোড়ার মতো লম্বা মুন্নার মাথাটা। শিবু রাঁধে, মুন্না বাড়ে। খাই-দাই। মাঝরাতে ঘুম ভাঙে। হাত বাড়াই। পাশে প্রমি। হাতটা আস্তে নামিয়ে দেয় ও। ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে হাসে—‘আজ সারাদিন ধরে পড়েছি, কাঞ্চন, মাথা টনটন, সারা বিকেল গল্পের জট ছাড়িয়েছি, সারা সন্ধে লিখেছি, হাত কনকন! কি ঘুম পাচ্ছে। কি ঘুম! কি ঘুম! ঘুমের মধ্যে অসহায়ের মতো তলিয়ে যেতে থাকে প্রমিতা।

    (২)

    বছর ঘুরে গেছে। আবার এসেছে সেই দিন। সেই বৈশাখী পূর্ণিমা। সকাল থেকে ছুটোছুটি করে বাজার করেছি। বাগদা-চিংড়ি, মুরগী, খুঁজে পেতে ভেড়ির ভেটকি। অসময়ের ফুলকপি, কড়াইশুঁটি, কাজুবাদাম, কিসমিস। আর মস্ত বড় স্ল্যাব চকোলেট আইসক্রিম। কিনে আগে থেকে ফ্রিজে ভরে রেখেছি। দশ জনে খেতে পারে এতো বড়। কি জানি হয়ত প্রমিতা মাছ-টাছ সরিয়ে রেখে দেবে, মুরগী ছোঁবে না, পোলাও ঠেলে দেবে। বলবে—‘আজ আমায় আইসক্রিম দাও। সুদ্ধু আইসক্রিম।’ তাই অনেকটা কিনেছি। সারাদিন ধরে একটু একটু করে যত খুশি খাক না প্রমিতা।

    আজ কাউকে ডাকিনি। কাউকে না। আমাদের দুজনের ছোট্ট সংসারে বড্ড ভিড়। আমার বন্ধুবান্ধব, প্রমিতার বন্ধুবান্ধব, প্রায় রোজ। পাবলিশার, উঠতি লেখক, পড়তি লেখক, গুণমুগ্ধ, আজকাল আবার ফিলমের হিরো-হিরোইনরাও কিছু কিছু আসতে লেগেছে। একটা সন্ধেও দুজনে একা হতে পাই না। হয় ওরা আসে, নয় আমাদের যেতে হয়। আজকে তাই কাউকে বলিনি। স্বার্থপরতা? না। একালষেঁড়েমি? না। আজকের দিনটা শুধু আমাদের। গভীর গোপন বিজন নীরব। আজ আর কেউ না।

    শিবু এক্সপার্ট লোক। রান্না সেরে ফেলেছে। তার আজ খুব আনন্দ। বউদিদি হাত লাগিয়েছে। দাদাবাবু বাজার করেছে। চড়ুইভাতি হচ্ছে যেন। মুন্নাটা আহ্লাদে চরকির মতো পাক খাচ্ছে। ভালো ভালো রান্নার খোশবাই ছেড়েছে। পেট ভরে রাজকীয় খাদ্যাখাদ্য খাবে, ব্যাটা যেন হাওয়ায় উড়ছে।

    একটা। বেল বাজল। দরজা খুলে দিতে আমিই এগোলাম। প্রথমে ঢুকলেন ‘নগরীর নটী’র প্রোডিউসার মিঃ বনশিলাল বাজোরিয়া। পেছনে অদ্ভুত চেহারার এক যুবক। বিরাট লম্বা। আমার থেকে অন্তত দেড় হাত উঁচু। মাথার ওপর যেন বোম্বাই সামোসা শোভা পাচ্ছে। ঠোঁট দুটোতে কি লিপস্টিক লাগিয়েছে? আঙুলগুলো কি রে বাবা। যেন রসে টুপটুপ করছে। আমার মুখ হাঁ। বনশিলাল আমার ভ্যাবাচ্যাকা ভাব দেখে খুব খুশি হয়ে বললেন, ‘বোম্বে থেকে সাজ্জাদ আজাদীকেই নিয়ে আসলুম। বুঝলেন কি না মিঃ মুকার্জী। ও ওরূপকুমার-টুমারকে দিয়ে ‘নোগোরের নটী’র হিরো হোবে না।’

    ওরা ভেতরে ঢুকল। কিন্তু বাইরে ও কিসের গোলমাল? পেছনে ও কি? দেখি পিলপিল পিলপিল করে কাতারে কাতারে আসছে মানুষ। পাড়া-বেপাড়া দূরপাড়া যেখানে যত ছেলে-মেয়ে, যুবা-যুবী, এমনকি প্রৌঢ়-প্রৌঢ়া ছিল, কোথা থেকে টের পেয়েছে জানি না, সব বিনা অনুমতিতে, বিনা দ্বিধায়, গর্জন করতে করতে আমার সাতশ পঞ্চাশ বর্গফুটের ছোট্ট ফ্ল্যাটটায় ঢুকে পড়তে লাগল। সাজ্জাদ আজাদী! সাজ্জাদ আজাদী! সাজ্জাদ! সাজ্জাদ! শেষকালে শুধু হাজার হাজার ভিমরুলের গর্জনের মতো একটা সজ্‌জ্‌জ্‌জ্‌ আওয়াজ শোনা যেতে লাগল। প্রতি মিনিটে সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে। ওরা ঢুকে পড়ছে আমার প্যাসেজে, ডাইনিং স্পেসে, শোবার ঘরে, বারান্দায়, পড়ার ঘরে। ঠেলাঠেলি করছে, মারামারি করছে, খিস্তি করছে। প্রথমে হাতজোড় করে বাইরে যেতে বললাম। তারপর বেগতিক দেখে হাত পা চালালাম। মুন্না, শিবু, আমি আর বনশিলাল। কিল, চড়, ঘুষি, লাথি। সাজ্জাদ বাথরুমে ঢুকে পড়ল, প্রমিতা স্টোরে। বনশিলাল ঘুষি চালাতে চালাতে চেঁচাতে লাগলেন—‘হাপনার তো একটা বোন্দুক ভি আছে মিঃ মুকার্জী, লিয়ে আসুন, লিয়ে আসুন জলদি।’ একটা লিকলিকে রোগা মেয়ে হঠাৎ মেঝের ওপর সটান শুয়ে পড়ে খুব সরু গলায় চিৎকার করতে লাগল—‘আমার ওপর দিয়ে একবার হেঁটে যাক সাজ্জাদ, মাত্র একবার, যেমন ‘রাত কি চিঁড়িয়া’য় অঞ্জ্‌নার ওপর দিয়ে হেঁটেছিল…’ সাজ্জাদ হাঁটল না। কিন্তু আরও অনেকে হাঁটল, দৌড়োলো। তারপর? ফোন, হাসপাতাল, থানা, অ্যাম্বুলেন্স, পুলিশ, দমকল…।

    সব শেষ করে ঝামেলা চুকিয়ে যখন বনশিলাল, প্রমিতা আর সাজ্জাদ নামে ফিলম স্টারটিকে নিয়ে খেতে বসতে পারলাম তখন রাত্তির দশটা। ঠেলাঠেলি আর মারামারিতে আমার ঠোঁটটা কেটে ফুলে উঠেছে। সারা ফ্ল্যাটে ভাঙা ফার্নিচার আর কাচের টুকরো ছড়ানো। কাদায় কাদা। শোবার ঘরে বিছানার ওপর পর্যন্ত রাশি রাশি কাদামাখা পায়ের ছাপ। শিবু আর মুন্না মিলে যতদূর সম্ভব পরিষ্কার করেছে। আমরাও হাত লাগিয়েছি। বিবাহবার্ষিকীর খাদ্যাখাদ্যগুলোর সদ্ব্যবহারই হল। আইসক্রিমটা ভাগ্যিস বেশি করে এনেছিলাম। মিঃ বাজোরিয়া আবার ভেজিটেরিয়ান তো! তিনিই খেলেন বেশি। বাইরে পুলিশভ্যান অপেক্ষা করছিল। ওদের এসকর্ট করে নিয়ে গেল।

    এখন রাত বারোটা। পড়ার ঘরে ডিভানের ওপর কাত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে প্রমিতা। বাড়ি নিঝ্‌ঝুম। সারাদিনের হল্লার পর যেন অস্বাভাবিক লাগছে এই নীরবতা। বাড়িটা যেন হানাবাড়ি। আমি একটা চেয়ারে একা বসে আছি। ভূতের মতো। সিগারেট ধরালাম। নেশা নেই। খাই না সাধারণত। এটা বনশিলাল ফেলে গেছেন। এক্সপার্ট স্মোকারদের মতো ধোঁয়া ছাড়ছি, ধোঁয়া গিলছি। গলাটা বেশ গরম গরম, তেতো-তেতো লাগছে। ধোঁয়ার রিং ছুঁড়ে যাচ্ছি ওপর দিকে। নীল নীল রিং। একটার পর একটা। একটার পর একটা। স্প্রিং-এর মতো পাকিয়ে পাকিয়ে ওপরে উঠে যাচ্ছে রিংগুলো। আহ্ কি আরাম। নিচের ঠোঁটটা সবরি কলার মতো ফুলে উঠেছে। গা-গতর ব্যথা। মদ্যজাতীয় কিছু একটা পেলে হত। সাজ্জাদ একটা চ্যাপটা বোতল ফেলে গেছে। হিপ পকেটে ছিল। সে কি বস্তু জানি না। একটু বরফজল মিশিয়ে খেলাম কয়েক ঢোঁক। শিবু ঘুমোচ্ছে। মুন্না ঘুমোচ্ছে। প্রমিতা ঘুমোচ্ছে। খালি আমিই প্যাঁট-প্যাঁট করে জেগে আছি। চোখে ঘুম, মাথায় ঘুম নেই। বোতলটার অর্ধেকও শেষ করতে পারলাম না। কড়া জিনিস। ভালোও। বোধহয় জার্মান-টার্মান হবে। এবার মাথাটা হালকা হয়ে আসছে। চিন্তা করতে পারছি পরিষ্কার, আলমারির ভেতর থেকে কিছু টাকা বার করলাম। ওভারনাইট ব্যাগটা। শার্ট, প্যান্ট, গেঞ্জি, রুমাল। দু-একখানা বই আর ফাইল। ব্যাগের ভেতর সব ঠেসে ঠেসে পুরলাম। চাবির থলোটা টেবিলের ওপর রাখলাম প্রমিতার সামনে। চিঠি-চাপাটি কিছু লিখব না কি? নাহ্‌। দরকার নেই। বেচারি প্রমি! হয়ত আমার অনুপস্থিতি টেরই পাবে না। আজ যা তুলকালাম হল তারপর কাল থেকে ওর একটা উপন্যাস শুরু করাই সম্ভব। বেচারি! কিন্তু আমিই বা কি করি! কিই বা করার আছে আমার! ছাপোষা বিজ্ঞানের মাস্টার বই তো নই!

    এইবার আমি আস্তে আস্তে বেরিয়ে যাচ্ছি। বাড়ি ঘর দোর, কিছু কিছু অভগ্ন আসবাব, বাসন-কোশন, টাকাকড়ি, শিবু, মুন্না, পাবলিশার, বনশিলাল, সাজ্জাদ সব রইল। আশা করি অসুবিধে হবে না বেচারির। পা টিপে টিপে বেরিয়ে এসেছি। কারো ঘুম না ভেঙে যায়। দরজাটা আস্তে টেনে দিয়েছি। ভোর হয়ে এসেছে। ফুরফুর করে ভারি সুন্দর একটা গা-জুড়োনো হাওয়া দিচ্ছে। আ-হ্!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleযখন চাঁদ এবং – বাণী বসু
    Next Article খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    যখন চাঁদ এবং – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }