Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মৌ – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প107 Mins Read0
    ⤷

    ১-২. হঠাৎ একটা বড় গাড়ি

    মৌ – প্রেমের উপন্যাস – নিমাই ভট্টাচার্য

    ০১.

    হঠাৎ একটা বড় গাড়ি বাড়ির সামনে এসে থামতেই মৌ জানলার সামনে দাঁড়িয়ে নীচের দিকে তাকায়। তারপর ভদ্রলোককে গাড়ি থেকে নামতে দেখেই ও পিছন ফিরে চিৎকার করে, ও মা, শান্তদা এসেছে।

    মৌ তরতর করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতেই দেখে মা দু’হাত দিয়ে শান্তদাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে প্রায় কাঁদতে কাঁদতে বলছেন, এতকাল পরে তোর আমাদের কথা মনে পড়ল?

    ভাল মা, তুমি শুনলে অবাক হবে ক’টা বছর কিভাবে কাটিয়েছি। কেন কী হয়েছিল?

    ঘরের ভিতর থেকে বিমলবাবু গলা চড়িয়ে বলেন, অনু, কার সঙ্গে কথা বলছ?

    মৌ গলা চড়িয়ে বলে, বাবা, শান্তদা এসেছে।

    শান্ত এসেছে?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ।

    শান্ত বলে, ভাল মা, চল, ভাল কাকার কাছে যাই।

    হ্যাঁ, চল।

    ও ঘরে ঢুকেই শান্ত বিমলবাবুকে প্রণাম করে।

    বিমলবাবু দু’হাত দিয়ে ওর মুখখানা ধরে কপালে স্নেহ চুম্বন দিয়ে বলেন, ক’দিন ধরেই তোর আর মৌয়ের ছবিটা দেখতে দেখতেই ভাবছিলাম, এতদিনে তুই কত বড় হয়েছিস, কী করছিস, কোথায় আছিস এইসব আর কি!

    অনুপমা দেবী বলেন, তুই দাদার মৃত্যু সংবাদ জানিয়েছিলি কিন্তু তোর মা কেমন আছে তা তো জানাস নি।

    হ্যাঁ, হ্যাঁ সব বলছি। তার আগে এক কাপ কফি তো খাই।

    হ্যাঁ, বাবা, এখনই দিচ্ছি।

    মৌ বলে, মা তোমরা কথা বল, আমি কফি করে আনছি।

    শান্ত ওর দিকে তাকিয়ে একটু হেসে বলে, ভাল না হলে কিন্তু তুই আমার কাছে মার খাবি।

    এখনও মারামারি করার অভ্যাস যায়নি তোমার?

    তোর সঙ্গে মারামারি আর ঝগড়াঝাটি করেই বড় হয়েছি। সে অভ্যাস কী কখনও যায়?

    মৌ হাসতে হাসতে রান্নাঘরের দিকে পা বাড়ায়।

    মৌ চলে যেতেই শান্ত বলে, এখানে থাকতে থাকতেই আমি আই-আই-এম’ এর এনট্রান্স পরীক্ষা দেবার সপ্তাহখানেক পরই বাবা নাগপুর বদলি হলেন।

    অনুপমা দেবী বলেন, তোরা ওখানে যাবার মাসখানেক পরই তো তোর মায়ের ইউট্রাস রিমুভ করা হয়, তাই না?

    হ্যাঁ, ভাল মা; তবে ওই অপারেশনের পরই মা-র কিছু না কিছু প্রবলেম শুরু হল।

    আমি জানি, এই অপারেশনের পর অনেকেরই অনেক সমস্যা শুরু হয়।

    শান্ত বলে, ভাগ্যক্রমে আমি আই. আই. এম আমেদাবাদে জয়েন করার আগেই মা বেশ ভাল হয়ে গেল।

    মৌ দু’কাপ কফি এনে বাবা আর শান্তকে দেয়।

    কফির কাপে চুমুক দিয়েই শান্ত হাসতে হাসতে বলে, মৌ, তুই তো দারুণ কফি করেছিস।

    আমি তো তোমার মতো অকর্মণ্য না।

    বিমলবাবু একটু হেসে বলেন, ওরে মৌ, যে ছেলে আমেদাবাদ আই. আই. এম থেকে এম. বি. এ করেছে তাকে তুই অকর্মণ্য বলছিস?

    ও এম. বি. এ হয়েছে তো কী হয়েছে? আমিও তো এম. এ পাস করেছি।

    কী যে বলিস তুই!

    শান্ত বলে, ভাল কাকা, মৌ-এর কথা এক কান দিয়ে শুনে আরেক কান দিয়ে বের করে দেবেন।

    মৌ ওকে বলে, তুমি এই ঘর থেকে বেরোও, তারপর তোমাকে দেখাচ্ছি।

    মৌ ওই ঘর থেকে চলে যায়।

    শান্ত, তোর মা-র কথা বল।

    হ্যাঁ, ভাল মা, বলছি।

    বিমলবাবু বলেন, তোর বাবা যখন মারা যান, তখনও কী তুই আই. আই. এম-এর ছাত্র?

    আমি আই. আই. এম থেকে বেরুবার আগেই ক্যাম্পাস ইন্টারভিউ দিয়ে একটা বিখ্যাত ব্রিটিশ ব্যাঙ্কে চাকরি পাই।

    তারপর?

    ওই ব্যাঙ্কে কাজ করতে শুরু করার ঠিক তিন দিন পরই বাবা হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন।

    কী আশ্চর্য!

    জানেন ভাল কাকা, কেন জানি না, আমার মনে হল এই ব্যাঙ্কে কাজ করলে আমার ভাল হবে না। বাবা মারা যাবার পরদিনই আমি ওই ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে দিলাম।

    হ্যাঁ, এইরকম মনে হয় বৈকি।

    অনুপমা দেবী বলেন, এবার তোর মা-র কথা বল।

    হ্যাঁ, ভাল মা, বলছি।

    মুহূর্তের জন্য থেমে শান্ত বলে, বাবা মারা যাবার বছর খানেক পরের কথা। একদিন অফিস থেকে ফিরে দেখি, মা শুয়ে আছে।

    .

    মা, তুমি শুয়ে আছো কেন?.

    আমার পেটে খুব জ্বালা করছে; তাছাড়া দু’বার পটি করতে গিয়ে শুধু রক্ত বেরুলো।

    সেকি?

    হ্যাঁ, তাই তো ভাবছি, পেটে আলসার-টালসার হল কিনা।

    তুমি চিন্তা করো না, আমি এখনই ডাঃ পাতিলকে আসতে বলছি।

    অনুপমা দেবী বলেন, ডাঃ পাতিল ওকে দেখে কী বললেন?

    উনি তিন দিনের ওষুধ দিয়ে বললেন, এই ওষুধে যদি পেটের জ্বালা আর ব্লিডিং বন্ধ না হয় তাহলে আমি ডাঃ কেশকারকে রেফার করব।

    কোন ডাঃ কেশকারের কথা বলছেন? যিনি ক্যান্সার স্পেশালিস্ট নাকি…

    হ্যাঁ, ওই ডাঃ কেশকারকেই রেফার করব।

    তোর মা-র কি ক্যান্সার হয়েছিল?

    হ্যাঁ, মা-র ক্যান্সারই হয়েছিল।

    ইস!

    তবে ভাল মা, একটা অপারেশনের পরই মা-র পেটের জ্বালা চলে যায়। মাকে দেখে কেউ বুঝতেই পারত না মা সর্বনাশা রোগে ভুগছেন।

    ও ঠিক মত খাওয়া-দাওয়া করতে পারত?

    জীবনের শেষ তিন বছর মা শুধু লিকুইড খেতেন।

    তারপর?

    হঠাৎ একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, মা হাউ হাউ করে কাঁদছেন আর বেশ কষ্ট করে বললেন, নিশ্বাস নিতে ভীষণ কষ্ট হচ্ছে আর বুকের ডান দিকে অসহ্য যন্ত্রণা হচ্ছে।

    ডাঃ কেশকারকে খবর দিলি?

    হ্যাঁ, হ্যাঁ, সঙ্গে সঙ্গেই ওকে ফোন করলাম।

    উনি কী বললেন?

    ডাঃ কেশকার খুব গম্ভীর হয়ে বললেন, আর কয়েক মিনিটের মধ্যেই বোধহয় তোমার মা তোমাকে ছেড়ে চলে যাবেন।

    শান্ত একটু উত্তেজিত হয়ে বলে, জানো ভাল মা, ডাঃ কেশকারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে রিসিভার নামিয়ে রাখার পরই..

    না। শান্ত কথাটা শেষ করতে পারে না।

    হঠাৎ সবাই চুপচাপ; কারুর মুখেই কোন কথা নেই।

    একটু পরেই মৌ ও ঘরে এসে বলে, ও মা, খেতে দেবে না? বড্ড খিদে লেগেছে।

    শান্ত সঙ্গে সঙ্গে বলে ভাল, আমিও হোটেল থেকে ব্রেকফাস্ট করে আসি নি।

    হ্যাঁ, চল। তোদের দু’জনকে খেতে দিচ্ছি।

    খেতে খেতেই শান্ত বলে, হ্যাঁরে মৌ, এখন কী করছিস?

    মৌ হাসতে হাসতে বলে, এম. এ. আর রিসার্চ করার পর আমি ভগবান বুদ্ধের উন্নততর বামফ্রন্টের উন্নততর বেকার।

    ওর কথায় শান্ত হো হো করে হেসে ওঠে।

    বিমলবাবু ডাইনিং টেবিলের পাশে দাঁড়িয়ে বলেন, হ্যাঁ, ওর একটা চাকরি হলে বড়ই ভাল হত। গভর্নমেন্ট যেভাবে ইন্টারেস্ট রেট কমিয়েছে, তাতে আমার মতো রিটায়ার্ড লোকেরা সত্যি বিপদে পড়েছে।

    মৌ বলে, শান্তদা, তুমি কোন হোটেলে উঠেছ?

    তাজ বেঙ্গলে।

    তার মানে ইউ আর রিয়েলি এ বিগ বস!

    হঠাৎ আমার পিছনে লাগলি কেন?

    সোজা কথা, আমাকে একটা চাকরি দাও।

    সত্যি চাকরি করবি?

    তবে কী তোমার সঙ্গে ঠাট্টা করছি?

    একটু চুপ করে থাকার পর শান্ত বলে, আমাদের চাকরিতে মাঝেমধ্যে বাইরে যেতে হবে, তাতে কোন আপত্তি নেই তো?

    বাইরে মানে?

    দু’চার মাস অন্তর আমাদের বোম্বের হেড অফিসে আসতে হবে। তাছাড়া তোকে মাসে একবার করে শিলং, গুয়াহাটি, গ্যাংটক, কাঠমাণ্ডু আর থিম্পু যেতে হবে।

    মৌ বেশ উত্তেজিত হয়ে বলে, রিয়েলি?

    তবে কী আমি তোর সঙ্গে ঠাট্টা করছি?

    ওইসব জায়গায় গিয়ে কোথায় থাকব?

    ভাল হোটেলেই থাকবি।

    মাইনে কত পাবো?

    দুতিন শো’র কম হবে না।

    শান্তর কথা শুনে বিমলবাবু আর অনুপমা দেবী হেসে ওঠেন।

    মৌ বলে, অত টাকা মাইনে পেলে আমার মাথা ঘুরে যাবে।

    যাইহোক তুই কী এখন আমার সঙ্গে যাবি?

    তাজ-এ লাঞ্চ খাওয়াবে?

    শুধু লাঞ্চ কেন, তোকে ডিনারও খাওয়াব।

    এবার মৌ দৃষ্টি ঘুরিয়ে বলে, মা, যাব?

    শান্তর সঙ্গে যাবি তা আবার জিজ্ঞেস করার কী আছে।

    মৌ হাসতে হাসতে বলে, শান্তদা একটু দাঁড়াও; একটু সেজেগুজে আসি।

    প্রায় আধঘণ্টা পরে মৌ নীচে নেমে আসতেই শান্ত ওর চোখের পর চোখ রেখে বলে, মাই গড! তোকে কি দারুণ সুন্দর দেখাচ্ছে!

    আমাকে সব সময়ই সুন্দর দেখায়।

    তুই এত অহংকারী?

    অহংকারের কী আছে? যা সত্যি তাই বললাম।

    ভাল মা, ধন্য তোমার মেয়ে, ধন্য তার রূপ!

    .

    ০২.

    সে অনেক দিন আগেকার কথা।

    পুজোর ছুটিতে লক্ষ লক্ষ বাঙালীর মতো ওরাও পুরী গিয়েছেন; উঠেছেন পুরী হোটেলেই। দুপুরে খেতে গিয়েই দেখা গেল, ওই দূরে কোনার দিকে একটা টেবিলই খালি আছে; আর সব টেবিলে আবাসিকরা খাওয়া-দাওয়া করছেন।

    বিমলবাবু বললেন, অনু, চল, ওখানেই বসি।

    একটা অল্পবয়সী ছেলে দুটো গেলাসে জল দিয়ে একটা জলের জাগ রেখে চলে গেল।

    এখানে কী আমরা বসতে পারি?

    বিমলবাবু আর অনুপমা তাকিয়ে দেখেন, প্রায় ওদের বয়সীই এক দম্পতি।

    হ্যাঁ হ্যাঁ বসুন।

    বিমলবাবু একটু হেসেই বলেন।

    ওদের দু’জনের মুখোমুখি বসেই মনিকা দেবী অনুপমা দেবীকে বলেন, আপনারা বোধহয় আমাদের পাশের ঘরেই আছেন, তাই না?

    অনুপমা দেবী কয়েক মুহূর্ত ওর মুখের দিকে তাকিয়েই একটু হেসে বলেন, হ্যাঁ, তাইতো। পাশের বারান্দায় আপনাদের দুজনকেই দেখি।

    আমরাও তো আপনাদের দেখি।

    ওরা চারজনেই না হেসে পারেন না।

    আমি অপূর্ব সরকার আর আমার স্ত্রী মনিকা।

    আমি বিমল চৌধুরী আর আমার স্ত্রী অনুপমা।

    আমরা কলকাতায় থাকি; আপনারা কোথায় থাকেন?

    আমরাও কলকাতায় থাকি।

    এইভাবেই শুরু হল ওদের আলাপ পরিচয়।

    খাওয়া-দাওয়ার পর ডাইনিং হল থেকে বেরিয়েই অপূর্ববাবু বলেন, মিঃ চৌধুরী, কলকাতায় আপনারা কোথায় থাকেন?

    আমরা প্রতাপাদিত্য রোডে থাকি? আপনারা?

    প্রতাপাদিত্য রোড শুনেই চৌধুরী হাসতে শুরু করেন।

    কী হল? হাসছেন কেন?

    আমরাও তো প্রতাপাদিত্য রোডে থাকি। তারপর?

    দুটো বাড়ির নম্বর জানাজানির পর দেখা গেল, ওরা প্রায় সামনা-সামনি বাড়িতে থাকেন।

    অনুপমা দেবী হাসতে হাসতে বলেন, আমরা থাকি দুটো মুখোমুখি বাড়িতে অথচ আমাদের আলাপ হল জগন্নাথ দেবের কৃপায় এই শ্রীক্ষেত্রে।

    হ্যাঁ, ভাই, ঠিক বলেছেন।

    মনিকা দেবী সঙ্গে সঙ্গে বলেন, জগন্নাথ দেবের কৃপায় আমাদের যোগাযোগের ফল বোধহয় ভালই হবে।

    বোধহয় না, নিশ্চয়ই ভাল হবে।

    .

    একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া গল্পগুজব করে ওদের সময় বেশ কেটে যায়।

    কখনো অপূর্ববাবুর ঘরে বসে বিমলবাবু আড্ডা দেন। আবার কখনো অন্য ঘরে অনুপমা দেবী আর মনিকা দেবী গল্প করেন।

    মনিকাদি, তোমরা ক’দিন এখানে থাকবে?

    দশদিন।

    উনি সঙ্গে সঙ্গে প্রশ্ন করেন, তোমরা কদিন কবে?

    আমরা বারো দিন থাকব; তার মানে তোমাদের একদিন পরে কলকাতা পৌঁছব।

    বারো দিনই পুরী থাকবে?

    ইচ্ছা আছে দু’একদিন চিৎকার পাড়ে থাকার।

    অনুপমা দেবী একটু হেসে বলেন, তোমরাও চিল্কা চল; খুব মজা হবে।

    মনিকা দেবী একটু হেসে পেটের উপর হাত রেখে বলেন, সাত মাস; তাই এবার আর বিশেষ ঘুরাঘুরি করব না।

    তাহলে তো তোমার ঘুরাঘুরি করা ঠিক হবে না।

    সামনের বছর আমরা একসঙ্গে এসে খুব ঘুরব।

    হ্যাঁ, ঠিক আছে।

    অনুপমা দেবী না থেমেই বলেন, তুমি যখন যেতে পারবে না, তখন আমরাও এবার চিল্কা যাব না।

    আমার জন্য তোমরা কেন যাবে না? তোমরা ঘুরে এসো।

    এই অবস্থায় তোমাকে ফেলে যেতে পারব না।

    কিন্তু…

    না, না, কোন কিন্তু না। বেশ তো গল্পগুজব করে আমাদের দিনগুলো কাটছে।

    এইভাবেই শুরু হল দুটি পরিবারের ঘনিষ্ঠতা।

    .

    মনিকাদি, তুমি এই শাক আর টক ডাল দিয়ে ভাত খেও; তোমার ভাল লাগবে।

    মনিকা একগাল হেসে বলেন, তুমি কী আজকাল আমার অবস্থা চিন্তা করেই রান্না করছ?

    শুধু তোমার জন্য তো রান্না করিনি; আমরাও তো খাবো।

    এ সে যাইহোক আমাকে কী রোজই তোমার কিছু না কিছু দিতে হবে?

    কী আশ্চর্য! আমি কী রোজ রান্না করি না?

    অনুপমা না থেমেই বলেন, তুমি অত-শত প্রশ্ন করবে না। আমি যখন যা দেব, তোমাকে তা খেতে হবে।

    মনিকা হাসতে হাসতে বলেন, তুমি ভালবেসে দিচ্ছ আর আমি খাব না, তাই কখনো হয়?

    দেখতে দেখতে দুটো মাস কেটে গেল।

    তারপর একদিন মনিকার ছেলে হয়।

    এই ছেলেকে দেখতে ওদের কত আত্মীয়স্বজন আসেন, চলেও যান।

    অনুপমা সংসারের কাজকর্ম রান্নাবান্না নিয়ে সকালে বেশ ব্যস্ত থাকে কিন্তু স্বামী অফিস রওনা হলেই চলে যায় ও বাড়ি।

    ছেলেটাকে আমার কাছে দে তো; ওকে একটু প্রাণভরে আদর করি।

    তুই বোধহয় জলখাবার না খেয়েই এসেছিস?

    এত সকাল সকাল আবার কবে খাই?

    বাজে বকিস না; সওয়া ন’টা বাজে। কেউ জলখাবার কী দশটা-এগারোটায় খায়?

    সে কথা অনুপমার কানেও যায় না। উনি ছেলেকে আদর করতেই ব্যস্ত।

    মনিকা গলা চড়িয়ে বলেন, মালতী আমাকে আর অনুকে খেতে দিবি?

    মালতী রান্নাঘর থেকেই জবাব দেয়, হ্যাঁ, মা, দিচ্ছি।

    একটু পরেই ও ওদের দুজনকে জলখাবার খেতে দেয়।

    নে অনু, শুরু কর।

    আচ্ছা মনিকা, আমাকে কী রোজই তোর সঙ্গে খেতে হবে?

    আমার সঙ্গে খেলে কী তোর জাত যাবে?

    অনুপমা হাসতে হাসতে খেতে শুরু করেন।

    খাওয়া শেষ হতেই অনুপমা বলেন, মনিকা ছেলের তেলটা দে তো; আমি বাবুসোনাকে ভাল করে তেল মাখিয়ে দিই।

    মনিকা তেলের শিশিটা এগিয়ে দিয়ে একটু হেসে বলেন, নে, প্রাণভরে তেল মাখা।

    তুই কী জানিস না, বাচ্চাদের ভালভাবে মালিশ করে তেল না মাখালে ওদের শরীর ভাল হয় না?

    জানব না কেন? তাই বলে তোর মতো ঘণ্টাখানেক ধরে কেউ তার বাচ্চাকে তেল মাখায় না।

    .

    তারপর?

    চাকা ঘুরে যায়। বছর তিনেক পর অনুপমা গর্ভবতী হলেন।

    ভূমিকায় অদল-বদল হল। এবার অনুপমার ভূমিকায় মনিকা, মনিকার ভূমিকায় অনুপমা।

    শোন অনু, এই সুক্তো খাবি, আর এই আচার রেখে গেলাম। মাঝেমধ্যে একটু আচার খেলে ডাল-তরকারী খেতে ভালই লাগবে।

    তুই আগে যে আচার দিয়েছিলি, সেটাও খুব ভাল ছিল।

    মনে হয়, এটাও তোর ভাল লাগবে।

    ছেলেটাকে নিয়ে এলি না কেন?

    ও এখন এত ছটফটে আর দুরন্ত হয়েছে যে ও হয়তো তোর পেটে লাথি-টাথি লাগিয়ে দেবে।

    বাবুসোনা কখনই লাথি-টাথি লাগাবে না; তুই এখনি মালতাঁকে দিয়ে ছেলেটাকে পাঠিয়ে দে।

    সত্যি পাঠাব?

    একশ’বার পাঠাবি।

    অনুপমা একটু হেসে বলেন, ও এলে আমার সময়টা বেশ ভাল কাটবে।

    তারপর একদিন অনুপমা কন্যা সন্তানের মা হলেন।

    .

    এই মেয়ে যখন বছর খানেকের, তখন ওরা আবার একসঙ্গে পুরী গেলেন এক সপ্তাহের জন্য। মহানন্দে এক সপ্তাহ কাটিয়ে হাওড়া স্টেশনে ফিরেই অঘটন। মনিকা দেবী হাতে একটা ব্যাগ নিয়ে প্ল্যাটফর্মে পা দিতেই স্লিপ করে পড়ে গিয়েই বেদনায় বিকট চিৎকার করেন।

    তারপর সোজা উডল্যান্ডস নার্সিংহোম। অর্থপেডিক একবারূরীক্ষা করতেই তার মুখ গম্ভীর হল।

    মিঃ সরকার, আমার মনে হচ্ছে ঊরুর হাড় দু’জায়গায় ফ্র্যাকচার হয়েছে। এক্স-রে রিপোর্ট দেখে অপারেশন করে স্টীলেরড ঢোকাতে হবে বলেই মনে হচ্ছে।

    অর্থপেডিকের সন্দেহই ঠিক ছিল।

    ডাঃ ঘোষ বললেন, কাল সকালেই অপরেশন করব।

    পরের দিন সাড়ে তিন ঘণ্টা ধরে অপারেশন করার পর ও. টি থেকে বেরিয়ে ডাঃ ঘোষ বললেন, অপারেশন ঠিকই হয়েছে, তবে মিসেস সরকারকে তিন মাস বিছানায় শুয়ে থাকতে হবে।

    তিন মাস শুয়ে থাকতে হবে?

    একটা ফরেন বডি হাড়ের মধ্যে ঢুকিয়েছি।

    দু’জায়গার হাড় জোড়া লাগতে ছ’ থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগবে; তাছাড়া স্টীল রড় দুটো ঠিক মতো ফিক্সড হওয়া চাই।

    এর আগে ওর ভাল হবার সম্ভাবনা নেই?

    ওষুধপত্তর ঠিক মতো খাওয়াবেন; গড উইলিং একটু তাড়াতাড়ি কন্ডিসন ইমপ্রুফ করতে পারে। দু’মাস পরে একবার এক্স-রে করে দেখব কি অবস্থা।

    বিকেলে ভিজিটিং আওয়ার্সে অনুপমা ওর ছেলেকে নিয়ে নার্সিংহোমে যায়। বাবুসোনা মাকে এইভাবে শুয়ে থাকতে দেখে অবাক হয়। মনিকা একবার ছেলেকে বুকের উপর নিয়ে আদর করতেই নার্স বলেন, ম্যাডাম, ছেলেকে ফিরিয়ে দিন। সামান্য একটু টান লাগলেই অপারেশনের জায়গার স্টিচ ছিঁড়ে যেতে পারে।

    নে অনু, ছেলেকে ধর।

    হ্যাঁ, অনুপমা ওর ছেলেকে কোলে তুলে নেয়।

    দিন দশেক পর মনিকা অনুপমাকে দেখিয়ে ছেলেকে বলেন, বাবুসোনা, এই মা কেমন?

    মা ভাল, ভাল মা ভাল।

    ব্যস, অনুপমা ওর সারা জীবনের জন্য ভাল মা হয়ে গেল।

    ⤷
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলেটার বক্স – নিমাই ভট্টাচার্য
    Next Article ব্যাচেলার – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }