Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ম্যারেজ রেজিস্টার – নিমাই ভট্টাচার্য

    নিমাই ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প96 Mins Read0
    ⤶

    ৫. সর্দার গুরদীপ সিংএর বাড়ী

    প্রবাল হেসে বললো, সেদিন বিকেলেই উনি আমাদের সর্দার গুরদীপ সিংএর বাড়ী নিয়ে গেলেন আর ওদের বললেন, এরা তোমাদের বেটা-বহুর মতই থাকবে।

    মিঃ সোম শুনেও খুশি হন।

    সত্যি আমরা ও বাড়ীর ছেলে পুত্রবধূ হয়ে গেছি।

    ওখানে কতদিন ছিলে?

    বাণী বললো, এখনও তো ওদের কাছেই থাকি। ওরা কিছুতেই বাসা ভাড়া নিতে দেন না।

    প্রবাল বললো, চাকরি পাবার আগে পর্যন্ত ওরাই আমাদের খাইয়েছেন।

    মিঃ সোম প্রশ্ন করেন, ওরা তোমাদের মাইনে দিতেন না?

    হ্যাঁ, একশ টাকা দিতেন।

    বাণী বললো, এই পরিবারের দেখা না পেলে বোধহয় আমরা বাঁচতে পারতাম না। ওদের ওখানে যাবার মাস দুই পরে হঠাৎ একদিন আমার শরীর খুব খারাপ হলো।

    মিঃ সোম জানতে চাইলেন, তারপর?

    খুব লজ্জা করলেও মাতাজীকে না বলে পারলাম না।…

    খবরটা শুনেই মাতাজী রেগে লাল, এ খবর এতদিন আমাকে বলোনি কেন? এ কথা কেউ লুকিয়ে রাখে?

    মাতাজী ডাক্তারকে খবর দিলেন। ডাক্তারবাবু এলেন। বাণীকে দেখেশুনে ওষুধ দিলেন। যাবার সময় বলে গেলেন, না, চিন্তার কিছু নেই। বাচ্চা ভালই আছে।

    প্রবাল একটু হেসে বললো, এই বাচ্চা হওয়ার ব্যাপারে আমাকে কিছু করতে হয় নি। সবকিছু মাতাজী করেছেন।

    এবার বাণী মিঃ সোমের দিকে তাকিয়ে বললো, আপনি কিভাবে আমাদের সাহায্য করেছেন, সেসব কথা মাতাজীকে বলেছি।…

    সবকিছু?

    হ্যাঁ। মাতাজীকে আমরা সবকিছু বলেছি।…

    ভালই করেছ।

    মাতাজী বার বার করে বলেছেন, আপনাকে একবার জব্বলপুর যেতে।

    মিঃ নোম একটু হাসেন।

    প্রবাল বলে, না, না, হাসির কথা নয়। আপনাকে আসতেই হবে।

    আচ্ছা, সে দেখা যাবে।

    বাণী বললো, আপনি আমাদের বিয়ে দিয়েছেন আর আপনি আমাদের সংসার দেখতে আসবেন না?

    ঠিক বলেছ। তোমাদের সংসার একবার দেখে আসা উচিত। মিঃ নোম একটু থেমে বলেন, ফিরে যাবার আগে একদিন সৌভাগ্য বাবুকে দেখিয়ে নিয়ে যেও।

    বাণী বললো, নিশ্চয়ই আসব।

    দিন আসে, চলে যায়। সবারই জীবনে তাই হয়। মিঃ সোমেরু জীবনও ব্যতিক্রম নয়।

    কেউ কেউ বিয়ের নোটিশ দিতে আসেন, কেউ কেউ আসেন প্রস্তাবিত বিয়ের বিরুদ্ধে আবেদন করতে; আবার কেউ কেউ আসেন বিয়ে করতে। ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের দিন এইভাবেই কাটে।

    ব্যতিক্রমও হয়। হঠাৎ প্রবীর বা সুবীর, সুমিত্রা বা নন্দিতা জুটে যায়। আবার এদের সবাইকে ম্লান করে দেয় ঐ একটা ছোট্ট শিশু তুতুল। ম্যাথুজ-কান্তাম্মাও একটা নতুন সুর। সে সুরের রেশ মন থেকে মুছে যায় না।

    মাঝে মাঝে মিঃ সোম আনমনা হয়ে বসে থাকেন। মনে মনে ভাবেন, কত শত শত মেয়ে-পুরুষ তার কাছে এসেছেন কিন্তু কজন তার মনে রেখাপাত করতে পেরেছেন? না, বেশী না; মাত্র কজন। হঠাৎ আকাশের দিকে তাকাতেই চমকে ওঠেন। অত বড় আকাশে কত হাজার-হাজার লক্ষ লক্ষ তারা আছে কিন্তু সবাই কী মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে?

    না সবাই অনন্য-অনন্যা হতে পারে না।

    না হোক অনন্য-অনন্যা; তবু, মিঃ সোম প্রত্যেকটি ছেলেমেয়েকে মনে করার চেষ্টা করেন। শুক্ল এয়োদশী-চতুর্দশীর আবছা চাঁদের আলোয় হঠাৎ অনেকগুলো ছেলেমেয়ে ওর সামনে ভীড় করে। স্পষ্ট চিনতে না পারলেও অপরিচিত মনে হয় না। উনি এক মনে ওদের দিকে তাকিয়ে থাকেন।

    তারপর হঠাৎ পুর্ণিমার আলোয় ভরে যায় ওর স্মৃতির অরণ্য। সামনের প্রত্যেকটি মূর্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মিঃ সোম বিস্ময়ের সঙ্গে দেখেন, ওরা সবাই শুধু পরিচিত নয়, ওরা সবাই ওর আপনজন, একান্ত প্রিয়জন।

    ওদের প্রত্যেককে ভাললাগে মিঃ সোমের। ওদের প্রত্যেকের সুখ দুঃখের আনন্দ-বেদনার অনুভূতিতে ওর মন ভরে যায়। নিজের মনে মনেই ওদের প্রশ্ন করেন, তোমরা সবাই ভাল আছো তো? তোমরা সবাই সুখী হয়েছে? কি বললে? দুঃখ-কষ্ট? ও কিছু নয়। ও কালবৈশাখী ঝড়ের মত ভয় দেখাবার জন্য হঠাৎ আসে-যায়। তোমরা তত ভালবাসতে জানো; তোমাদের কোন ভয় নেই। ভালবাসার কাছে এ সংসারের সব দুঃখ-কষ্ট হেরে যায়।

    মিঃ সোম একলা থাকলেও কখনো নিঃসঙ্গ থাকেন না। কোন না কোন ছেলেমেয়ে, কোন না কোন ঘটনা সব সময় মনে পড়ে। পড়বেই। পুরানো খাতাপত্তর দেখলে আরো কতজনের কথা মনে পড়ে। মনে পড়ে কত বিচিত্র কাহিনী।

    পুরাণণা দিনের বহু স্মৃতি নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়ে হঠাৎ অচিন্ত্য মুখার্জীর কথা মনে হতেই মিঃ সোম অবাক হয়ে যান। বহু বিচিত্র ছেলেমেয়ের বিয়ে দিয়েছেন কিন্তু এমন অভিজ্ঞতা আর হয় নি। বোধহয় হবেও না।

    .

    নমস্কার।

    নমস্কার।

    আমার নাম অচিন্ত্য মুখার্জী। এবার সে মেয়েটিকে দেখিয়ে বললো, এর নাম প্রিয় ব্যানার্জী।

    এরপর অচিন্ত্য পরিচয় করিয়ে দেয় প্রিয়ার বাবা মুরারীবাবুর সঙ্গে।

    মিঃ সোম জানতে চান, বলুন, আমি কী করতে পারি?

    মুরারীবাবু অত্যন্ত দ্বিধা ও সঙ্কোচের সঙ্গে অচিন্ত্যকে বললেন, যা বলার তুমিই বলল বাবা।

    অচিন্ত্য বিন্দুমাত্র দ্বিধা বা সঙ্কোচ না করে বললো, আমি একজন কেমিক্যাল এঞ্জিনিয়ার। বরোদায় চাকরি করি। ছুটিতে এসে শুনলাম, আমার বাবা-মা প্রিয়ার সঙ্গে আমার বিয়ে ঠিক করেছেন।

    আচ্ছা?

    হ্যাঁ। আশীর্বাদও হয়ে গেছে কিন্তু বাবা-মা আস্তে আস্তে এমন সব দাবি করছেন যা প্রিয়ার বাবার ক্ষমতার বাইরে।

    কী আশ্চর্য!

    অচিন্ত্য হেসে বললো, ছেলেকে যখন এঞ্জিনিয়ারিং পড়িয়েছেন। তখন তা সুদে-আসলে তুলে নেবার অধিকার তাদের আছে বলেই আমার বাবা-মা মনে করেন।

    এবার মুরারীবার মুখ কাচুমাচু করে বললেন, আমি পোর্ট কমিশনারের গরীব কেরানী। যথাসর্বস্ব দিয়ে তিনটি মেয়েকে লেখাপড়া শিখিয়েছি।…..

    মিঃ সোম এবার প্রিয়াকে দেখিয়ে প্রশ্ন করেন, প্রিয়াই কী আপনার বড় মেয়ে?

    এ আমার ছোট মেয়ে। বড় দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে।

    একে কতদূর পড়িয়েছেন?

    বাংলায় এম. এ. পাস করেছে।

    বাঃ।

    এ ছাড়া রবিতীর্থে পাঁচ বছর গান শিখেছে। এবার মুরারীবাবুর মলিন মুখ একটু উজ্জ্বল হয়ে ওঠে। বলেন, রবিতীর্থের এক অনুষ্ঠানে ওকে দেখে ও গান শুনেই তো অচিন্ত্যর মামা-মামী এই বিয়ের সম্বন্ধ করেন।

    তাই নাকি? খুশির হাসি হেসে মিঃ সোম বলেন।

    মুরারীবাবুও হেসে জবাব দেন, হ্যাঁ।

    এবার অচিন্ত্য বললো, আনুষ্ঠানিকভাবেই বৈশাখে আমাদের বিয়ে হবে কিন্তু যদি বাবা-মার জন্য কোন গণ্ডগোল দেখা দেয় তাই মামা-মামীর পরামর্শে আপনার কাছে এসেছি।

    মিঃ সোম সরাসরি প্রশ্ন করেন, আপনারা কী সিভিল ম্যারেজ করতে চান?

    স্পষ্ট জবাব দেয় অচিন্ত্য, হ্যাঁ। একটুও না থেমে সঙ্গে সঙ্গে বলে, আপনার দেওয়া সাটিফিকেটটা পকেটে থাকলে বাবা-মাকে স্পষ্ট বলতে পারব…..

    আজ অনেক দিন পর হঠাৎ অচিন্ত্যর কথা মনে পড়তেই মিঃ সোমের হাসি পায়। ওর দেওয়া একটা সার্টিফিকেটের ভয়ে অচিন্ত্যর বাবা-মা কোন দাবি-দাওয়া না করেই প্রিয়াকে ঘরে এনেছিলেন।

    বিয়ের তৃতীয় বার্ষিকী উৎসব উপলক্ষে প্রিয়া মিঃ সোমকে লিখেছিলেন–আজ আপনাকে মনে না করে পারছি না। আপনার কাছে স্বীকার করতে দ্বিধা নেই যে বেশ একটু অভিমান, একটু আহত মন নিয়েই আমি নতুন জীবন শুরু করি। আমার শ্বশুর-শাশুড়ীর ধারণা হয়েছিল, আমি বা আমাদের পরিবারের কেউ কোনক্রমে তাঁদের একমাত্র পুত্রকে প্রভাবিত করেছি। মামা-মামী দুজনেই ওদের অনেক বুঝিয়েছেন কিন্তু তবু ওরা আমাকে সহজভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি।…

    বিয়ের সপ্তাহখানেক পরেই অচিন্ত্য বরোদায় ফিরে যায়। প্রিয়া কলকাতায় শ্বশুর-শাশুড়ীর কাছে থেকে যায়। সে সময় শাশুড়ী মাঝে মাঝেই নানা কথার পর জিজ্ঞাসা করতেন, তুমি তো আর এখন পর নও; এখন একটা সত্যি কথা বলবে?

    মুরারীবাবু গরীব কেরানী হলেও মেয়েদের সুশিক্ষা দিয়েছিলেন। প্রিয়া কোনদিনই মিথ্যা কথা বলে না। তাই শাশুড়ীর এ ধরনের প্রশ্নে অত্যন্ত দুঃখ পায়, অপমানিত বোধ করে। রাগও হয়। তবু নিজেকে সংযত রেখে বলে, যা ইচ্ছে জিজ্ঞাসা করুন; আমি সব সত্যি বলব।

    বিয়ের আগে কি তোমাদের দুজনের অনেকবার দেখাশুনা হয়েছে?

    প্রথম দিন বাবার সঙ্গে সোমবাবুর বাড়ীর সামনে পৌঁছে দেখি, আপনার ছেলে দাঁড়িয়ে আছে।…..

    সে তো জানি।

    দ্বিতীয় দিন মামা-মামী আমাদের বাড়ী এসে আমাকে নিয়ে সোমবাবুর ওখানে নিয়ে যান।

    এ ছাড়া আর কত দিন দেখা হয়েছে?

    এই দুবার ছাড়া বিয়ের আগে আর আমাদের দেখা হয় নি।

    শাশুড়ী ঠাকরুণ দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলে বলেন, না হলেই ভাল কিন্তু সবার ধারণা তোমার সঙ্গে মেলামেশা করেই আমার ছেলের মাথা ঘুরে রায়।

    প্রিয়া স্তম্ভিত হয় শাশুড়ীর কথা শুনে কিন্তু প্রতিবাদ করে না।

    আরো কত অপমান, কত দুঃখ, কত তিক্ত অভিজ্ঞতা সহ্য করতে হয় প্রিয়াকে।

    প্রিয়া লিখেছে, তারপর আস্তে আস্তে মেঘ কেটে যায়। এখন শ্বশুর-শাশুড়ী আমাকে যে–কি ভালবাসেন, তা না দেখলে বিশ্বাস করা যায় না। আমার শ্বশুর আমার বাবাকে বলেন, বেয়াই মশাই, বহু জন্মের পুণ্যফলের জন্য প্রিয়াকে আমাদের ঘরে আনতে পেরেছি। এ যুগে ওর মত মেয়ে সত্যি দুর্লভ। আমার প্রতি আমার স্বামীর এত বেশী দুর্বলতা যে সে বেশী দিন আমাকে ছেড়ে থাকতে পারে না। তাই বাবা-মার কাছে থাকা বিশেষ হয়ে ওঠে না। শাশুড়ী সবই বুঝতে পারেন। তাই উনি নিজে উদ্যোগী হয়ে বাবা-মাকে দুবার এখানে আনিয়েছেন। আজ আমি সত্যি সুখী। আশা করি আপনাদের শুভেচ্ছায় ও আশীর্বাদে আমাদের আগামী দিনগুলিও আনন্দে ভরে উঠবে।

    এমনি আরো কতজনের কথা ভাবতে ভাবতে বিভোর হয়ে যান মিঃ সোম।

    সেদিন সাবিত্রীর জন্মদিন। ছোটবেলায় মা আশীর্বাদ দিয়ে মুখে পায়েস দিতেন। বিয়ের পর স্বামীর কাছ থেকে একটা নতুন শাড়ী পান, আর কিছু নয়। এবার সুমিত্রার উৎসাহে বেশ ভাল ভাবেই সাবিত্রীর জন্মদিন পালন করা হচ্ছে। প্রবীরবাবু অফিস যান নি। সুমিত্রা আগের দিন চলে এলেও উনি সেদিন ভোরেই এসেছেন। সুবীর ও নন্দিতা আর তুতুলকে নিয়ে খুব সকালেই এসেছে।

    মিঃ সোম হাসতে হাসতে বললেন, উদ্যোগ-আয়োজন দেখে মনে হচ্ছে, আজ সাবিত্রীর বিয়ে।

    সাবিত্রী একটু মুচকি হেসে বললেন, এরা ভালবেসে আমাকে এত সম্মান দিচ্ছে বলে কি তোমার হিংসে হচ্ছে?

    প্রবীরবাবু সঙ্গে সঙ্গে ওদের দুজনের দুখে দুটো কড়া পাকের সন্দেশ গুঁজে দিতেই সব থেমে গেল।

    সুমিত্রা রান্নাঘর থেকে বেরিয়ে এসে বললেন, আমার রান্না প্রায় শেষ। দাদা, স্নান করতে যান।

    সুমিত্রার পরামর্শ উপেক্ষা করার সাহস মিঃ সোমের নেই; তাই দু-পাঁচ মিনিটের মধ্যেই তিনি বাথরুমে ঢুকলেন। তার মিনিট খানেক পরেই কলিংবেল বেজে উঠল।

    প্রবীরবাবু দরজা খুলেই দেখলেন, পঁচিশ-ছাব্বিশ বছরের একটি মেয়ে আর তার ছোট্ট বাচ্ছা।

    মেয়েটির করুণ, ম্লান মুখেও হঠাৎ একটু হাসির রেখা ফুটে উঠল বললো, প্রবীরদা, তুমি?

    প্রবীরবাবু ওর মুখের দিকে একটু ভাল করে তাকিয়েই বললেন, অর্পি, তুই? উনি এক নিঃশ্বাসেই বললেন, তোর বিয়ে হয়েছে, বাচ্চাও হয়েছে?

    অর্পিতা খুব জোরে একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ফেলে বললো, আমার আরো অনেক কিছু হয়েছে।

    প্রবীরবাবু তাড়াতাড়ি ওর বাচ্চাটিকে কোলে তুলে নিয়ে বললেন, আয়, আয়, ভিতরে আয়।

    অর্পিতা ভিতরে আসতেই প্রবীরবাবু সবাইকে ডেকে পরিচয় করিয়ে দিলেন। তারপর অর্পিতাকে আদর করে কাছে টেনে নিয়ে বললেন, আমার ছোটবেলার সব চাইতে প্রিয় বন্ধু দেবব্রতের ছোট বোন। অপি যেদিন হয়, সেদিন আমি আর দের সারা রাত হাসপাতালে কাটিয়েছিলাম।

    হঠাৎ একটা নতুন আনন্দ, উত্তেজনার ঢেউ বয়ে গেল সারা বাড়ীতে।

    একটু পরে প্রবীরকে একটু আলাদা পেয়ে অর্পিতা ফিস ফিস করে জিজ্ঞাসা করল, আচ্ছা প্রবীরদা, এটা মিঃ সোমের বাড়ী না?

    ওর প্রশ্ন শুনেই প্রবীরবাবু যেন চমকে উঠলেন। জিজ্ঞাসা করলেন, তুই কী ওর কাছে এসেছিস?

    হ্যাঁ।

    কেন?

    পরে বলব।

    আমি তো ভেবেছিলাম, তুই আমাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিস।

    আমি ওর কাছেই এসেছি কিন্তু তোমাকে এতদিন পর দেখে খুব ভাল লাগল।

    যাক বৌদির জন্মদিনে এসে ভালই করেছিস।

    না প্রবীরদা, আজ আমি না এলেই বোধ হয় ভাল হতো।

    তোর কথাবার্তাগুলো কেমন যেন বেসুরো লাগছে।

    শুধু কথাবার্তা না, আমার সমস্ত জীবনটাই বেসুরো হয়ে গেছে।

    একটু পরেই অর্পিতা চলে যায়।

    কয়েক দিন পরে অর্পিতা আবার, এলো। মিঃ সোম আদর করে ওকে আর ওর বাচ্চাকে ঘরে নিয়ে গেলেন।

    অর্পিতা চেয়ারে বসেই বলল। দাদা, আজ কিন্তু আমি জরুরী কাজে আপনার কাছে এসেছি।

    বলো দিদি, কী কাজ?

    আজ থেকে চার-পাঁচ বছর আগে নিখিল ঘোষাল বলে কেউ আপনার এখানে বিয়ে করেছে?

    দাঁড়াও, দেখছি।

    মিঃ সোম তালা খুলে আমার খুলে মোটা খাতা বের করে দেখতে শুরু করলেন। বেশ কিছুক্ষণ পরে খাতার উপর দিয়ে চোখ বুলাতে বুলাতেই উনি জিজ্ঞাসা করলেন, দিদি ইনি তোমার কে হন?

    পরে বলব।

    মিঃ সোম আর কোন প্রশ্ন করেন না। আবার মন দিয়ে খাতার পাতায় নানাজনের নাম দেখেন। আরো আধ ঘণ্টা পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরে জিজ্ঞাসা করলেন, দিদি, তিনি অন্য কোন ম্যারেজ রেজিস্ট্রারের কাছে যান নি তো?

    যতদূর জানি তিনি আপনার কাছেই এসেছিলেন।

    দশ-পনের মিনিট পরে মিঃ সোম বললেন, হ্যাঁ, দিদি, পেয়েছি।

    অর্পিতা প্রায় চিৎকার করে উঠল, পেয়েছেন?

    মিঃ সোম মুখ না তুলেই মাথা নাড়লেন।

    উনি তাহলে সত্যি সত্যি বিয়ে করেছেন?

    হ্যাঁ। এবার মিঃ সোম খাতা দেখতে দেখতে বলেন, ঠিক সাড়ে পাঁচ বছর আগে সাতই আগস্ট উনি…

    উনি সুপর্ণাকেই বিয়ে করেছিলেন?

    হ্যাঁ।

    অর্পিতা আপন মনেই বললেন, চমৎকার।

    মিঃ সোম আবার ওকে প্রশ্ন করলেন, দিদি, ইনি তোমার কে?

    ইনি আমার পতিদেবতা।

    তোমার স্বামী?

    অর্পিতা একটু হেসে বললো, হ্যাঁ দাদা, এই মহাপুরুষই আমার স্বামী।

    ক বছর তোমার বিয়ে হয়েছে?

    চার বছর।

    তুমি ঠিক জানো উনি ডিভোর্স না করেই তোমাকে বিয়ে করেছেন?

    অর্পিতা একটু অদ্ভুতভাবে সে বললো, ডিভোর্স! ও ডাইনীর হাত থেকে ওর নিস্তার নেই।

    তোমাদের বিয়ে কিভাবে হয়েছে?

    সম্বন্ধ করে।

    বিয়ের আগে কিছু জানতে না?

    না। অর্পিতা একটু হেসে বললো, এই সৎপাত্রের জন্য আমার বাবাকে সবকিছু বাদ দিয়ে দশ হাজার টাকা নগদ দিতে হয়েছিল।

    কি আশ্চর্য।

    এইটুকু শুনেই আশ্চর্য হচ্ছেন? তাহলে সবকিছু শুনলে তো আপনি মুছ। যাবেন।

    সবকিছু মানে?

    আমার পতিদেবতা রোজ অফিস থেকে ফেরার সময় মহারানীকে সঙ্গে আনেন। ওরা এসেই বেডরুমে লুটিয়ে পড়েন আর আমাকে ওদের জলখাবার, রাতের খাবার মানে সবকিছু সে ঘরে পৌঁছে দিতে হয়।

    ঐ ভদ্রমহিলা কী তোমার ওখানেই থাকেন?

    রোজ সন্ধ্যের পর দু-চার ঘণ্টা কাটান। কোন কোন দিন থেকেও যান।

    মিঃ সোম মুখ নীচু করে থাকেন।

    অর্পিতা বলে, আমার পতিদেবতা আমাকে বাইরে বের করে দিয়ে ঐ ডাইনীকে নিয়ে ফুর্তি করে।

    তুমি আপত্তি করো না?

    না।

    কেন?

    আপত্তি করলে যে শারীরিক অত্যাচার সহ্য করতে হয়, তা আর–

    চুপ করো দিদি।

    একটু চুপ করে থেকে, কাঁদতে কাঁদতে অর্পিতা বললো, আপনি শুনলে অবাক হবেন, লেবার পেন উঠলে আমি ঝিকে নিয়ে নিজে হাসপাতালে গেছি। হাসপাতালে থাকার সময় উনি একদিনও আমাকে বা ছেলেটাকে দেখতে আসেন নি।

    তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকেরা এই জানোয়ারটাকে সায়েস্তা করতে পারেন না?

    শ্বশুর-শাশুড়ী ভাসুর-ননদ কারুর সঙ্গেই ওর কোন সম্পর্ক নেই।

    তোমার বাড়ীর সবাই এসব জানেন?

    কিছু কিছু জানেন কিন্তু সব কথা জানাতে পারি না।

    কেন?

    সব কথা জানলে বাবা আর বাঁচবেন না।

    কিন্তু দিদি, তুমি একা একা এ অত্যাচার কতকাল সহ্য করবে?

    অর্পিতা মাথা নেড়ে বললো, জানি না।

    তুমি ডিভোর্স কর না কেন?

    কী লাভ?

    মিঃ সোম এতকালের অভিজ্ঞ ম্যারেজ অফিসার হয়েও জবাব দিতে পারেন না।

    দাদা, মাসে মাসে কটা টাকা পেলেই কি আমি বাঁচতে পারব? তাও তত স্বেচ্ছায় দেবেন না, জোর করে…

    এখন কি উনি স্বেচ্ছায় তোমাদের খেতে পরতে দিচ্ছেন?

    তা ঠিক, কিন্তু—

    কিন্তু কী?

    দাদা, যদি আবার বিয়ে করতে পারতাম তাহলে হয়ত ডিভোর্স করতাম, কিন্তু তা তো পারব না। অর্পিতা একটু থেমে বললো, স্বামীর সোহাগ পাবার লোভ আর আমার নেই।

    একটু পরেই ঘুমন্ত শিশুটাকে কোলে নিয়ে অর্পিতা উঠে দাঁড়াল।

    একি দিদি, উঠলে কেন? তোমার বৌদিকে আসতে দাও।

    না দাদা, আজ উঠি।

    এখন কোথায় যাবে? বাড়ী?

    অর্পিতা হেসে উঠল। বললো, হ্যাঁ, আমার স্বামীর বাড়ী যাব।

    কেন? তাড়া আছে?

    হ্যাঁ দাদা, খুব তাড়া আছে।

    অর্পিতা বাচ্চাটাকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে নিয়ে প্রায় ঝড়ের বেগে বেরিয়ে গেল।

    মিঃ সোম ওকে বাধা দিলেন না, দিতে পারলেন না। কিন্তু হঠাৎ যেন একটা অমঙ্গলের ইঙ্গিতে উনি ভয়ে কুকড়ে গেলেন।

    পরের দুটো দিন সব কাজই করলেন, তবু মনের মধ্যে অস্বস্তি থেকেই গেল। সাবিত্রী দু-একবার জিজ্ঞাসা করলেন, তোমার কি কিছু হয়েছে?

    না, না, কিছু হয়নি।

    মনে হচ্ছে সব সময় কী যেন ভাবছ।

    মিঃ সোম একটা দীর্ঘনিঃস্বাস ফেলে বললেন, আমি আবার কী ভাবব?

    পরের দিন সকালে খবরের কাগজ হাতে নিয়েই মিঃ সোম চিৎকার করে উঠলেন, সাবি, অর্পিতা আত্মহত্যা করেছে।

    ঐ খবরের কাগজখানা সামনে নিয়েই মিঃ সোম পুরো একটা দিন বোবা হয়ে বসে রইলেন। সাবিত্রী বার বার এলেন কিন্তু কিছুতেই সমবেদনা জানাতে পারলেন না। বিকেলের দিকে প্রবীরবাবু আর সুমিত্রা এলো, কিন্তু তারাও ওর সামনে গিয়ে বোবা হয়ে গেল।

    খবর পেয়ে পরের দিন সকালে সুবীর নন্দিতা আর তুতুলকে নিয়ে হাজির হলো। ওরাও মিঃ সোমকে দেখে ভয়ে সরে এলো। শেষে আস্তে আস্তে এগিয়ে গেল তুতুল। মিঃ সোমের মুখখানা ধরে তুতুল বললো, নতুন দাদু, তুমি আমাকে ট্রামে চড়াবে না?

    মিঃ সোম তুতুলকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললেন, আমি আর ম্যারেজ অফিসারের কাজ করব না। এখন থেকে রোজ আমি তোমাকে নিয়ে ট্রামে চড়ে বেড়াব।

    পরের দিন সকালেই রেজেস্ট্রী করে মিঃ সোম ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দিলেন। তারপর একদিন সরকারী অফিস থেকে সে ইস্তফাপত্র গৃহীত হবার খবরও এলো।

    মিঃ সোম সুমিত্রাকে বললেন, দিদি, তোমাদের মত ভাইবোন, সুবীর-নন্দিতার মত ছেলেমেযে আর তুতুলের মত নাতি পেয়ে বোধহয় মনে মনে আরো লোভ হয়েছিল। তাই অর্পিতা আমাকে চরম শিক্ষা দিয়ে গেল। উনি খুব জোরে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললেন, না দিদি, ভগবান আমাকে অনেক দিয়েছেন। আর আমি কিছু চাই না।

    .

    সেদিন রবিবার। ওরা সবাই এসেছেন। ভিতরের ঘরে চা খেতে খেতে খুব জোর আড্ডা চলছে। হঠাৎ খুব জোরে কলিং বেল বাজতেই নন্দিতা উঠে গেল। ফিরে এসে মিঃ সোমকে বললো, মিঃ ম্যাথুজ এসেছেন।

    ম্যাথুজ।

    মিঃ সোম প্রায় ছুটে বাইরের ঘরে গেলেন। পিছন পিছন ওরা সবাই এলেন। ম্যাথুজ একা আসেন নি, সঙ্গে কান্তামা আর ছেলেও আছে।

    হলো নিঃ সোম। মিঃ ম্যাথুজ ওকে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে বললেন, আমি বলেছিলাম না হনিমুনে গিয়েই কান্তামা প্রেগন্যান্ট হবে?

    ম্যাথুজের কথায় সবাই হো হো করে হেসে উঠলেন।

    ⤶
    1 2 3 4 5
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleথ্রি এএম – নিক পিরোগ
    Next Article চেকপোস্ট – নিমাই ভট্টাচার্য

    Related Articles

    নিমাই ভট্টাচার্য

    মেমসাহেব – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    এ-ডি-সি – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    আকাশ-ভরা সূর্য-তারা – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    ডিপ্লোম্যাট – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রিয়বরেষু – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    নিমাই ভট্টাচার্য

    প্রেমের গল্প – নিমাই ভট্টাচার্য

    September 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }