Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ম্যালিস – কিয়েগো হিগাশিনো

    ইশরাক অর্ণব এক পাতা গল্প280 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায় ৮ – অতীত (তৃতীয় পর্ব) : কিয়োচিরো কাগার গল্প

    আমার বিশ্বাস, আমি এমন সবার সাথেই দেখা করেছি যারা ওসামু নোনোগুচি ও কুনিহিকো হিদাকার অতীতের ব্যাপারে কিছু না কিছু জানাতে পারবে, বিশেষ করে ওদের মিডল-স্কুলে পড়াকালীন সময়ের ব্যাপারে। আমি নিশ্চিত, আরও অনেকেরই খোঁজ পাইনি, কিন্তু যা পেয়েছি আমার মনে হয় আপাতত ওটুকুই যথেষ্ট। যদিও সকল এভিডেন্স ও সাক্ষ্য পুরো ব্যাপারটাকে বিশাল এক ধাঁধার অসংখ্য টুকরায় পরিণত করেছে।

    সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছে হিদাকা ও নোনোগুচির মিডল-স্কুল জীবনে হওয়া ওই বুলিয়িংয়ের ঘটনাগুলো। আর এটাই ব্যাখ্যা করে ওদের ভবিষ্যত সম্পর্ককে। ওই ঘটনাগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করার পর টের পেলাম গল্পের বাকি অংশ মিলে যাচ্ছে। এখন একটা ব্যাপার নিশ্চিত, এই বিভ্রান্তিকর অতীত ইতিহাসটুকু না বুঝলে হিদাকার মৃত্যুর দিন কী ঘটেছিল সেটা বোঝা প্রায় অসম্ভব।

    ***

    বুলিয়িংয়ের ব্যাপারে কিছুটা হলেও ধারণা আছে আমার, যদিও প্ৰত্যক্ষভাবে নয় (ভিক্টিম বা নির্যাতনকারীর সম্পর্কে, অন্তত একটু হলেও এদের ব্যাপারে অবগত)। আমার অভিজ্ঞতা পরোক্ষ। দশ বছর আগে মিডল-স্কুলের হোমরুম টিচার থাকাকালীন নবম গ্রেডের দায়িত্বে ছিলাম আমি। প্ৰথম সেমিস্টারের শেষের দিকে প্রথমবারের মত বুলিয়িংয়ের আভাস নজরে আসে। সেমিস্টার শেষের পরীক্ষা থেকেই পাই প্রথম সূত্র। ইংলিশ শিক্ষকের মতে, হোমরুমের পাঁচজন ছাত্র একটা প্রশ্নের উত্তর একইভাবে ভুল করেছিল।

    ওই ইংলিশ টিচারকে ঠাণ্ডা মাথার একজন বিবেচক লোক হিসেবেই জানতাম। কখনোই তাকে কোনো ব্যাপারে রাগ বা বিরক্তি প্রকাশ করতে দেখিনি।

    “এটাকে একপ্রকার নকল-ই বলা চলে। এরা সবাই ক্লাসরুমের পিছে একইসাথে বসে পরীক্ষা দিয়েছে। ওদের সাথে গিয়ে কথা বলতে পারতাম, কিন্তু ভাবলাম প্রথমে তোমার সাথে আলাপ করি।”

    কয়েকমুহূর্ত বিবেচনা করে তাকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপারটা আমি খতিয়ে দেখব কি না?যদি সত্যি নকল হয়ে থাকে, তবে সেটা শুধু ইংলিশ ক্লাসেই সীমাবদ্ধ নয়।

    “দ্রুত ব্যবস্থা নাও,” বলে সে। “একবার ওদেরকে ছাড় দিলে বাকিরাও পেয়ে বসবে।“

    তার কথাটা গুরুত্বের সাথেই নিই আমি।

    বাকি শিক্ষকদের কাছে যাই আমি, যাদের সাবজেক্ট ওই ছাত্রগুলোর ছিল, ওদের জিজ্ঞাসা করি পরীক্ষার খাতায় সন্দেহজনক কিছু নজরে পড়েছে নাকি। আমি যে বিষয়টা পড়াতাম: সামাজিক বিজ্ঞান ও ভূগোল—সেটার টেস্টের খাতাও আরেকবার চেক করি।

    কেবল ওই পাঁচজনের উত্তরপত্রেই কিছু মিল ছিল। কম্পোজিশন, সায়েন্স ও আমার সাবজেক্টে আর কোনো ছাত্রের নকলের কোনো আলামত পাইনি।

    বিজ্ঞান শিক্ষকের মতামত:

    “ওরা বোকা নয়। ধরা পড়ে যাবে, এমন কিছু করবে না ওরা। বাচ্চারাও মাথা খাটালে ধূর্ত হতে পারে।”

    কিন্তু গণিতে কাজ করল না ওদের চালাকি।

    গণিত শিক্ষকের মতামত:

    “কোনো ছাত্র প্রথম বা দ্বিতীয় বর্ষে অংক না বুঝলে তৃতীয় বর্ষে সাধারণত কিছুই ধরতে পারে না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো টেস্টের আগে আমি বুঝতে পারি কে কোন প্রশ্নটার উত্তর করতে পারবে। যেমন আমি জানি সর্বশেষ টেস্টে শেষ উপপাদ্যের প্রমানটা করা ইয়ামাওকার ক্ষমতার বাইরে। তার উত্তরটা দেখো : ‘A, D, E, F’ কিন্তু সঠিক উত্তর হল : A, D, E, F I ছেলেটা অন্যের খাতা দেখে লিখেছে নিশ্চিত, আর ডেল্টার স্থানে A বসিয়েছে।”

    একজন গণিতবিদের কাছ থেকে এমন যুক্তিই আশা করা যায়।

    স্পষ্টতই এই পরিস্থিতিতে আশাবাদী হওয়ার কোনো কারণ নেই। কিন্তু এই বিষয়ে আমার প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে বিবেচনা করতে হত। স্কুলের বাচ্চাদের হাতেনাতে না ধরে নকলের জন্য শাস্তি দেয়া স্কুল পলিসির বাইরে। তবুও ছাত্রদের নকল করার বিষয়টা আমাদের চোখে পড়েছে এটা ওদের জানানো আমাদের কর্তব্য। সোজা কথায় সাবধান করতে হবে ওদেরকে। তো একদিন ক্লাস শেষে জড়িত ছাত্রদের সাবধান হয়ে যেতে বললাম।

    প্রথমে জানালাম, নকলের অভিযোগে সন্দেহ করা হচ্ছে ওদেরকে। এরপর বলি সন্দেহের পেছনের কারণ—ইংলিশ পরীক্ষায় একই রকম ভুল করেছে ওরা সবাই।

    “তোমাদের কি বলার মত কিছু আছে?” জিজ্ঞেস করি আমি।

    কেউই কোনো জবাব দেয় না। ইয়ামাওকার দিকে ইঙ্গিত করে জিজ্ঞেস করি এরপর।

    মাথা নাড়ে সে, “আমি নকল করিনি।”

    এরপর একে একে প্রত্যেককেই জিজ্ঞেস করি, সবাই-ই অস্বীকার করে। প্রমাণ ছাড়া কিছুই করার নেই আমার। কিন্তু নিশ্চিত ওরা মিথ্যে বলছিল।

    কথা বলার সময় নিচু ছিল সবার মাথা, কিন্তু মেইনো নামের একজনের চোখ লাল হয়ে গিয়েছিল আমি কথা শেষ করার সময়। ছাত্রদের অবস্থা ও আগের বছরের রেজাল্টের ওপর ভিত্তি করে আমি অনেকটাই নিশ্চিত ছিলাম এই ছেলেটার খাতা-ই বাকিদের নকলের উৎস। স্কুলের নিয়ম অনুযায়ী, যে নিজের খাতা দেখিয়ে অন্যদের নকল করতে দেবে সে-ও বাকিদের মতই দোষী। ওই রাতে মেইনোর মায়ের কল পাই আমি। মহিলা জানায়, তার ছেলে উদ্ভট আচরণ করছে, স্কুলে কিছু ঘটেছে কি না। নকলের ঘটনাটা তাকে বলি, ফোনের অপরপ্রান্ত থেকে শুনতে পাই দীর্ঘশ্বাস।

    “আমার সন্দেহ আপনার ছেলেই বাকিদেরকে তার উত্তরপত্র দেখিয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এটাও অপরাধ। যাইহোক, আমাদের হাতে নিরেট প্রমাণ নেই বলে এবার কিছু করছি না। ওই পাঁচজনকে এবার সাবধান করেই ছেড়ে দিচ্ছি। আপনার ছেলে কী রকম উদ্ভট আচরণ করছে বললেন?”

    “পোশাকে কাদামাখা অবস্থায় বাসায় এসেছে ও,” কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলে ওই মহিলা। “এরপর ঘরে দরজা লাগিয়ে বসে আছে, এখনো বের হয়নি। ওর চেহারার দিকে একঝলক তাকিয়েছিলাম। চেহারা ফুলে আছে, মিস্টার কাগা। আমার মনে হয়, আহত হয়েছে ও, রক্তও ঝরেছে।”

    পরেরদিন অসুস্থতার কারণে স্কুলে আসেনি মেইনো। একদিন পর সে স্কুলে এলে লক্ষ করলাম তার একটা চোখের ওপর কাটা দাগ। ফোলা মুখ আর কালশিটে দেখেই বোঝা যাচ্ছিল কেউ পিটিয়েছে তাকে। কার কাজ হতে পারে এটা আমার ধারণা ছিল।

    ঠিক তখনই বুঝতে পারি যারা মেইনোর খাতা নকল করেছিল ওরা তার বন্ধু নয়। জোর করে তার খাতা দেখে লেখে ওরা। খাতায় ভুল ছিল বলে এভাবে ওকে শাস্তি দিয়েছে। আমি জানতাম না, এই নকলের ঘটনার আগে থেকেই স্কুলে বুলিং চলত নাকি পরে শুরু হয়েছে।

    এরপরই গ্রীষ্মকালীন ছুটি শুরু হয়ে যায়, কী বাজে টাইমিং ছুটি শুরু হওয়ার! যখনই ভাবলাম ব্যবস্থা নেবো তখনই ওদেরকে আর পেলাম না ছুটির কারণে। ভেবেছিলাম ছুটি শেষ হলে ওদেরকে ধরব। কিন্তু পারিনি, ব্যস্ত হয়ে পড়ি। পরবর্তি বছরে আমার ছাত্ররা যেন ভালো হাইস্কুলে ভর্তি হতে পারে এজন্য ওদেরকে নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। স্কুলের প্রসপেক্টাস সংগ্রহ, রিকমেন্ডেশন তৈরি, ফর্ম পূরণ আরও কত কাজ। কিন্তু এগুলো কেবলই অজুহাত। এরইমধ্যে ইয়ামাওকা ও তার বন্ধুরা প্রায় দশ হাজার ইয়েনের মত ছিনিয়ে নেয় মেইনোর কাছ থেকে। একজন স্কুলবালকের জন্য টাকার অঙ্কটা বেশ বড়ই। আরও বড় কথা হল দিনে দিনে ওদের মাস্তানি, জোরজবস্তি, হেনস্তা বাড়তেই থাকল। ব্যস্ততার কারণে এসব ব্যাপারে পরে জানতে পারলাম। দ্বিতীয় সেমিস্টারের শুরুর দিকে মেইনোর নিম্নগামী গ্রেড আর বখাটে ছেলেগুলোর মাস্তানি উভয়ের ব্যাপারেই অবগত হলাম। প্রতিদিনই কাউকে না কাউকে হেনস্তা করত ওরা। খারাপ হয়ে উঠছিল পরিস্থিতি। কিন্তু কতটা খারাপ সেটা আমার কল্পনারও বাইরে। পরে জানতে পারি, মেইনোর মাথার চুলের আড়ালে ছিল ছয়টারও বেশি সিগারেটের ছ্যাকার দাগ

    আমার কয়েকজনের কলিগের মতে কয়েকদিন পরেই যেহেতু এরা গ্র্যাজুয়েট হয়ে স্কুল ছাড়বে সেহেতু এই বুলিংয়ের ব্যাপারটা এড়িয়ে যাওয়াই উত্তম। অপর কথায় গ্র্যাজুয়েশনকেই এই সমস্যার সমাধান ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আমার মতে এটা কোনো সমাধান নয়। আমি শিক্ষক হিসেবেও তুলনামূলক নতুন ছিলাম। ওই বছরই প্রথমবারের মত সিনিয়র ক্লাসের হোমরুমে নিয়োগ দেয়া হয় আমাকে। চাইতাম না, আমার অধীনে থাকার কারণে কোনো ছাত্র আফসোস করুক।

    প্রথমে মেইনোর সাথে কথা বলার সিদ্ধান্ত নিই, জানতে চাই এই হয়রানীর শুরুটা কিভাবে আর এযাবৎ কী ঘটেছে।

    কথা বলতে রাজি হয় না মেইনো। ভয় পাচ্ছিল, কথা বললে যদি বুলিয়িং বেড়ে যায়। ওর কপাল দিয়ে বেয়ে পড়া ঘাম আর কাঁপতে থাকা আঙুল দেখে বুঝতে পারি ছেলেটা আতঙ্কিত। মেইনোর আত্মবিশ্বাস কিভাবে বাড়ানো যায় সেটা ভাবি। কেন্ডো চর্চা আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর ভালো উপায় হতে পারে বলে মনে হয়েছিল আমার। সেসময় স্কুলের কেন্ডো ক্লাবের দায়িত্বে ছিলাম আমি। অনেক ভীতু ছেলেকেও এই খেলাটা খেলে সাহসী হয়ে উঠতে দেখেছি।

    বছরের মাঝামাঝি হওয়ায় কেন্ডো ক্লাবে নতুন সদস্য নেয়া হচ্ছিল না, এজন্য প্রত্যেকদিন সকালে স্কুল শুরুর আগে মেইনোকে ব্যক্তিগতভাবে চর্চা করাতে থাকি আমি। আমি কি করার চেষ্টা করছি সেটা বোঝার মত যথেষ্ট বিচক্ষণ ছিল মেইনো। কেন্ডোর নিয়মগুলো বেশ ভালোই রপ্ত করছিল সে, কিন্তু তার আগ্রহ ছিল অন্য কিছুতে : ছুরি নিক্ষেপ।

    ছুরি নিক্ষেপের খেলাটা আমি শেখাতাম খেলোয়াড়দের মনযোগ বাড়ানোর জন্য। খেলাটা ছিল সহজ : দেয়ালের তাতামির দিকে লক্ষ্য করে ছুরিটা নিক্ষেপ করা। মাঝেমধ্যে চোখ বন্ধ করে এমনকি উল্টো ঘুরেও লক্ষ্যভেদ করতে পারতাম আমি। এই খেলাটাতে অধিক মনযোগের দরকার হত। চারপাশে সবকিছুর ওপর সজাগ থেকে লক্ষ্য ও ছুরির দিকেই নিবদ্ধ করতে হত সকল মনযোগ। দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য জিমে কেউ আসার আগেই এই অনুশীলনটা করতাম আমি। কিন্তু একদিন আগেভাগেই চলে এসে আমাকে এই অনুশীলন করতে দেখে মেইনো। আমাকে বলে, এই খেলাটা চেষ্টা করতে চায় সেও। কোনো ছাত্রের হাতে ধারালো অস্ত্র দেয়া স্কুলের নিয়মনীতির বহির্ভূত ছিল। এজন্য আমি রাজি হইনি। কিন্তু আমার অনুশীলন দেখতে দিতাম তাকে। নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে, মনযোগ দিয়ে আমার চর্চা লক্ষ করত। একদিন এই খেলার ট্রিকের ব্যাপারে আমার কাছে জানতে চায় সে।

    “শুধু বিশ্বাস রাখতে হবে, তোমার দ্বারা এটা করা সম্ভব,” তাকে বলি আমি।

    এর কয়েকদিন পরেই বখাটেদের নেতা ইয়ামাওকা অ্যাপেন্ডিসাইটের কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়। যেহেতু বুলিংয়ের বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার পক্ষে ছিলাম না আমি, সেহেতু এই ঘটনাটিকে মেইনোর মন থেকে ইয়ামাওকার ভয় অপসারণের সুযোগ হিসেবে দেখলাম।

    ওকে বললাম প্রতিদিনের ক্লাসনোট কপি করে হাসপাতালে পাঠাতে। চোখে জল নিয়ে কাজটা করতে রাজি হল না ও। কিন্তু আমি শুনলাম না আমি চাইনি হতাশা নিয়ে গ্র্যাজুয়েট হোক ছেলেটা।

    জানি না হাসপাতালে কি হচ্ছিল। তবে আমার মনে হয় মেইনো হাসপাতালে গিয়ে চুপিচুপি নোট রেখে চলে আসত। সম্ভবত ওদের দুজনের দেখাও হয়নি হাসপাতালে। আমার অবশ্য কিচ্ছু যায় আসে না। মনে হয়েছিল, ইয়ামাওকা যতই মেইনোর কাছে ঋণী হবে ততই আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠবে মেইনো। এটুকুই যথেষ্ট।

    ইয়ামাওকা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলে জানতে পারি যেমনটা ভেবেছিলাম ঠিক তেমনটাই হয়েছে। কয়েকজন ছাত্রকে জিজ্ঞেস করি ওই বখাটেদের গ্যাং আর মেইনোর মধ্যকার অবস্থা সম্পর্কে। ওরা জানায়, পুরোপুরি থেমে গিয়েছে বুলিয়িং। ছেলেরা মিথ্যেও বলে থাকতে পারে, তবে মেইনোকে আগের থেকে আনন্দিত দেখাত। আমার মনে হয় সব হয়ত ঠিক হয়ে গিয়েছে।

    গ্র্যাজুয়েশনের পর টের পাই কতটা ভুল ছিল আমার ধারণা।

    গ্র্যাজুয়েশনের দিন আমি খুব খুশি ছিলাম। আমার ছাত্ররা সব হাইস্কুলে পা রাখবে, নিজের সাথে করে কোনো সমস্যাও নিয়ে যাচ্ছে না ওরা এটা ভেবে। এই সাফল্যের জন্য নিজেকেও একটু আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছিল। ভেবেছিলাম, অন্তত পেশা নির্বাচনে ভুল করিনি আমি।

    ঠিক ওই রাতেই পুলিশের কাছ থেকে একটা ফোনকল পাই। জুভেনাইল অ্যাফেয়ার্সের দায়িত্বে থাকা অফিসার এমন কিছু বলে যা শুনে রক্তে ভয়ের শীতল স্রোত বয়ে যায়। অস্ত্রসমেত গ্রেফতার করা হয়েছে মেইনোকে, মারামারির অভিযোগে।

    প্রথমে মনে হয়েছিল ভুল হয়েছে অফিসারের। এর উল্টোটাই হওয়ার কথা নয়?

    জানা যায় দুজনেই আহত। গ্রেফতারের সময় ছেড়া ছিল মেইনোর কাপড়। ফুলে ছিল চেহারা, আর পুরো শরীরে কালশিটে।

    বিদায় অনুষ্ঠানের পর ইয়ামাওকা ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা মেইনোকে একা পেয়ে ইচ্ছামত পিটায়। মিস্টার কাগা নামক এক শিক্ষকের কড়া নজরে থাকার কারণে এতদিন কিছু করেনি ওরা। কিন্তু আমার নজরের বাইরে যেতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে মেইনোর ওপর। পিটিয়ে পাল্টে দেয় ওর চেহারা।

    জানি না মার খাওয়ার পর কতক্ষণ ওভাবে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল মেইনো। কিন্তু উঠে দাঁড়িয়েই প্রথমে জিমের কেন্ডো রুমে চলে যায় ও। ওখানে গিয়ে আমার লকার ভেঙে বের করে থ্রোয়িং নাইফ।

    মেইনো জানত ইয়ামাওকাকে কোথায় পাওয়া যাবে, কেননা ওখানে গিয়েই ওদের চাঁদাবাজির টাকাটা ওকে বারবার দিয়ে আসতে হত। আড্ডাখানায় ইয়ামাওকাকে পেয়ে আর ইতস্তত করেনি মেইনো। তার কাছে গিয়ে বারবার ছুরি চালাতে থাকে ও। আড্ডাখানার মালিক কল করে পুলিশকে। পুলিশ এসে দেখে ওখানেই দাঁড়িয়ে আছে মেইনো, তখনো ওর হাতে আমার ছুরি।

    তখনই পুলিশ স্টেশনে যাই আমি, কিন্তু আমার সাথে দেখা করতে রাজি হয়নি মেইনো। পরে শুনেছি সুস্থ হয়ে গিয়েছে ইয়ামাওকা, আঘাত গুরুতর ছিল না।

    পরেরদিন কেসের দায়িত্বরত অফিসার আমাকে বলে, “জানেন মেইনো ওই জায়গায় ছেলেটাকে ছুরি মারার পর মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত ছিল। বাকি ছেলেদের জিজ্ঞেস করি, কেন ওরা প্রথমে মেইনোকে মেরেছে। ওরা বলে, ওদের নাকি তাকে পছন্দ নয়। কেন পছন্দ নয় জিজ্ঞেস করার পর কী বলেছে, জানেন?

    “এমনিই।”

    ব্যাপারটা আমাকে চরমভাবে হতাশ করে।

    এরপর ইয়ামাওকা বা মেইনো কারোর সাথেই আর কথা বলিনি আমি। ঘটনার কয়েকদিন পর মেইনোর মা আমাকে জানায়, আমিই ‘দুনিয়ার একমাত্র ব্যক্তি যার সাথে কখনোই দেখা করতে চায় না মেইনো।

    এপ্রিল মাসে স্কুলের নতুন বর্ষ শুরু হয়। আর ক্লাসরুমে ফিরে যাইনি আমি। একপ্রকার পালিয়েই বেঁচেছি। আজ পর্যন্ত আমার বিশ্বাস, এটাই আমার জীবনের সবথেকে জঘন্য ব্যর্থতা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসব ভুতুড়ে – ইশতিয়াক হাসান
    Next Article নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    Related Articles

    ইশরাক অর্ণব

    রিং – কোজি সুজুকি

    July 11, 2025
    ইশরাক অর্ণব

    নিউকামার – কেইগো হিগাশিনো

    July 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }