Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যদ্যপি আমার গুরু – আহমদ ছফা

    লেখক এক পাতা গল্প150 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১২. স্যার অনেক দূরে থাকেন

    স্যার অনেক দূরে থাকেন। আমাদের পক্ষে ঘনঘন যাওয়া সম্ভব হয় না। কাজ-কর্মে ফাঁক পেলে স্যারের বাড়িতে হামলা করি। অনেকদিন থেকে রাজ্জাক স্যার হেলু চাচির বাড়িতে থাকছেন। হেলু চাচি হলেন রাজ্জাক স্যারের ছোট ভাই মরহুম খালেক সাহেবের বেগম। আবুল খায়ের লিটুর মা। কয়েক বছর ধরে তিনি তার অপর পুত্র এবং স্যারসহ আলাদা বাড়িতে থাকছেন। গুলশানের একশো নম্বর রাস্তার তিরিশ নম্বর বাড়িতে তারা সবাই থাকেন। সেবার আমার সঙ্গে তরুণ অর্থনীতিবিদ বিআইডিএস-এর সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. হোসেন জিল্লুর রহমান ছিলেন। তা ছাড়া ছিল একজন তরুণ লেখিকা। নাম সেলিনা শিরিন সিকদার। সে স্যারের ওপর একটি ভিডিও ফিল্ম তৈরি করছে। আমাদের যেতে যেতে অনেক বেলা হয়েছিলো। আমরা একটুখানি ইতস্তত করছিলাম। স্যার মাত্র কদিন আগে সিঙ্গাপুর থেকে ফিরেছেন। চোখের চিকিৎসার জন্য তাকে সেখানে নেয়া হয়েছিলো। স্যার জানতেন তার নানা সময়ের কথাবার্তাগুলো আমি লিখছি। আগে যেটুকু লিখেছি তার কম্পিউটার টাইপ করা অংশ স্যারকে দেখলাম। তিনি এক ঝলক দেখে শিটগুলো সরিয়ে দিয়ে বললেন, যা খুশি লেখবার চান লেখেন।

    আমি প্রশ্ন করলাম, স্যার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তো আপনি অনেকদিন ছিলেন, বলতে গেলে গোটা জীবনটাই কাটিয়ে দিয়েছেন। আপনি নিজে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। একসময়ে তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মধ্যে অনেক নামকরা মানুষ ছিলেন। কোন কোন শিক্ষককে এখন আপনার সবচাইতে উজ্জ্বল মনে হয়।

    স্যার বললেন, আমাগো সময়ে সত্যেন বসু ছিলেন। তিনি ফিজিকসের মানুষ অইলেও অন্যান্য বিষয়ে তার পাণ্ডিত্য আছিল অগাধ। যে-কোনো বিষয়ে তার ব্যাপক পড়াশোনা আছিল। এমন মানুষ আর একটাও দেখা যায় না। সাহিত্যের উপরও তার দখল আছিল খুব। আমরা যখন ভরতি অইছি, তখন হরপ্রসাদ শাস্ত্রী রিটায়ার করছেন। আমরা মোহিতলাল মজুমদাররে পাইছি। মোহিতলালবাবু বড় স্কলার আছিলেন। কিন্তু জিভটা আছিল বড় খারাপ। অকারণে মাইনষেরে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতেন। এস. কে. দে মানে সুশীলকুমার দে আছিলেন, অত্যন্ত উচ্চশ্রেণীর মানুষ হিসাবে এবং স্কলার হিসাবে। তারপর আমার ডাইরেক্ট টিচার আছিলেন অমিয়বাবু। অমিয়বাবু মানে অমিয় দাশগুপ্ত। বরিশালের মানুষ। এইখান থেইক্যা তিনি দিল্লি চইল্যা যান। তার ছাত্রদের মধ্যে কেউ-কেউ নোবেল প্রাইজ পাইবার যোগ্য অইছে। এই যে অমর্ত্য সেনের কথা সকলে কয়, তিনিও ত অমিয়বাবুর ছাত্র। এইরকম আরও অনেক আছেন। বাংলাদেশ হওনের পর একবার তিনি এই দেশে আইছিলেন। জিল্লুরের দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনেগো বিআইডিএস-এর একটা সেমিনার অ্যাটেন্ড করনের লাইগ্যা, তখন আমার এখানে আছিলেন। এইবারও আওনের কথা আছিল। রেহমান সোবহানের মাধ্যমে আমারে খবর দিছিলেন, রাজ্জাকরে কইবেন, এইবারও আমি তার ওইখানেই থাকুম। হে যেন ব্যবস্থা করে। যেদিন আইব তার একদিন আগে হার্টফেল কইর‍্যা … স্যার চুপ করলেন।

    বুঝলাম অমিয়বাবুর এই আকস্মিক মৃত্যু তার মনে খুব লেগেছে। আগেও তাকে নানা মানুষের সঙ্গে আমি অমিয় দাশগুপ্তের ব্যাপারে কথাবার্তা বলতে শুনেছি। আজিজুল হক সাহেবের সঙ্গে আলাপ করতে আমি শুনেছি, এবার অমিয়বাবু যখন ঢাকা আসবেন, অমিয়বাবুকে সম্মানসূচক ডি লিট দেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করবেন।

    আমি আলোচনার মোড় আমাদের সময়ের দিকে ঘুরিয়ে আনলাম। জিগ্‌গেস করলাম, স্যার, ড. আহমদ শরীফকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করেন? স্যার বললেন, শরীফ ত্যারাবাঁকা কথা বেশ কয়। কিন্তু একসময় ত কাম করছে। হি ডিড মেনি থিংস। টেবিলের ওপর প্রফেসর আবদুল হাইয়ের একটা জীবনীগ্রন্থ দেখিয়ে আমাকে জিগ্‌গেস করলেন, আবদুল হাই সম্পর্কে আপনেরা কী ভাবেন?

    আমি জবাব দিলাম, হাই সাহেব আমার শিক্ষক ছিলেন। তাঁর বিষয়ে আমার অনেক মধুর স্মৃতি আছে। শিক্ষক হিসেবে তিনি অত্যন্ত মহৎ ছিলেন। আমি তাঁর সঙ্গে প্রথম দিনের ক্লাসের স্মৃতি হাতড়ে বললাম, তিনি বলতেন পাঁচ ‘ব’তে শিক্ষক। বিনয়, বপু, বাচন, বাৎসল্য ইত্যাদি।

    স্যার বললেন, সাহিত্য পত্রিকা বাইর করতেন অন্যন্ত উচ্চমানের। ঠিক সময়ে পত্রিকা বাইর অয় না দেইখ্যা অনেক রাগারাগি করছি। হাই সাহেবরে অনেক বকছিও।

    বাংলা ডিপার্টমেন্টটা ভালাই চলছিল। এই দুইজন টিচার আইস্যা বেবাক পরিবেশ বরবাদ কইর‍্যা দিল। স্যার একজন মহিলা এবং একজন পুরুষ শিক্ষকের নাম উল্লেখ করলেন। আমি বদরুদ্দীন উমর সম্পর্কে স্যার কী ভাবেন জানতে চাইলাম।

    স্যার বললেন, উমর যদি পূর্ববাংলার ভাষা আন্দোলন এবং তৎকালীন রাজনীতি কেবল এই একটা বইই লিখতেন, তা অইলেই পস্টারিটি তার নাম স্মরণ করার জন্য যথেষ্ট। সে ত আরও অনেক কাম করছে। উমরের একটা ঋজু খাড়া চরিত্র আছে, বিশ্বাস অনুসারে চলবার চেষ্টা করে। আমগো সমাজে এইরকম মানুষ ক’জন আছে।

    তারপর আমি ঐতিহাসিক সালাহউদ্দিন আহমদ সম্পর্কে স্যারের মত জানতে চাইলাম।

    স্যার বললেন, আগাগোড়া ভালা মানুষ। তাঁর বউ খালেদা সালাহউদ্দিন বেশ লেখাপড়া জানেন। তারপর আমি ইংরেজি বিভাগের ড. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন সম্পর্কে জানতে চেয়ে বললাম, স্যার, একটা সময়ে তো সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন আপনার খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সাজ্জাদ সাহেব সম্পর্কে আপনি কী চিন্তা করেন?

    স্যার বললেন, সাজ্জাদারে আমি খুব পছন্দ করতাম। একবার যুনিভার্সিটিতে একটা প্রোভাইস চ্যান্সেলর অ্যাপয়েন্টমেন্ট দিবার কথা অইল। ভাইস চ্যান্সেলর মাহমুদ হোসেন আমারে কইলেন, আপনে তিনটা নাম ঠিক করেন, আমি তিনটা নাম ঠিক করি। আমি যে লিস্ট করছিলাম, তাতে সাজ্জাদের নাম আছিল দুই নম্বরে। পরে মাহমুদ হোসেনের লিস্টের সঙ্গে মিলাইয়া দেখলাম, তিনিও সাজ্জাদরে দুই নম্বরে রাখছেন। মাহমুদ হোসেন সাহেব আমারে জিগাইলেন, সাজ্জাদের ব্যাপারে আমার লগে আপনের মতামত মিইল্যা গেল। আপনে কী কারণে সাজ্জাদরে দুই নম্বরে রাখছেন? আমি কইলাম, পয়লা আপনের মতটা শুনি, তারপরে আমারটা কমু। মাহমুদ সাহেব কইলেন, সাজ্জাদ’স আদার কোয়ালিফিকেশনস আর অলরাইট। বাট হি ল্যাকস চ্যারিটি। যার মনে দয়া নাই তারে উপরে আনা ঠিক নয়। আমি কইলাম, আমিও সাজ্জাদের ব্যাপারে এটজ্যাকলি একই কথা চিন্তা করছিলাম। তারপর থেইক্যা সাজ্জাদের লগে আমার রিলেশন খারাপ অইয়া গেল। এখানে উল্লেখ করা বোধ করি অপ্রাসঙ্গিক হবে না, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন সাহেব ইংরেজিতে যে আত্মজীবনী লিখেছেন, তাতে রাজ্জাক সাহেবের নামে অনেক নালিশ করেছেন।

    সাজ্জাদ হোসেন পর্ব শেষ হওয়ার পর আমি বললাম, স্যার, সৈয়দ আলি আহসান সম্বন্ধে কিছু বলেন।

    স্যার এভাবে শুরু করলেন। সাজ্জাদ অ্যান্ড আলি আহসান, আলি আশরাফ, দে আর কাজিনস। সাজ্জাদ অনার্সে ফাস্ট ক্লাস পাইছিলেন, এম.এ-তে সেকেন্ড ক্লাস। আর আলি আশরাফ অনার্সে ফাস্ট ক্লাস, এম.এ-তে সেকেন্ড ক্লাস। আলি আহসান এম.এ. এবং অনার্স দুইটাতেই সেকেন্ড ক্লাস। তার কনসেপশন খুব ক্লিয়ার আছিল। অ্যাসথেটিকস সেন্স খুব কীন। যে-কোনো বিষয়ে কলম ধরলেই লেখা অইয়া যাইত। আলি আশরাফের লেখার হাত ভোলা আছিল না। ধর্মটর্ম খুব করতেন। তবে আলি আহসানের ব্যাপারে একটা কথা আইল সত্য কথা কদাচিৎ বলতে পারতেন। আমি আলি আহসানরে আত্মজীবনী লেখার পরামর্শ দিছি। কইছি, এখন তা সব সত্য কথা আপনে কাইবার পারবেন না। লেইখ্যা রাইখ্যা যান। আপনের মরণের পর প্রকাশ অইব।

    প্রফেসর রেহমান সোবহানের সঙ্গে রাজ্জাক সাহেবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। এই পণ্ডিত ভদ্রলোকটিকে আমি বিশেষ পছন্দ করি না। স্যারের তাঁর প্রতি অতান্তক অনুরাগের কারণটা কী জানতে চাইলাম।

    স্যার বললেন, মানুষ হিসাবে রেহমান সোবহানের কারও বিরুদ্ধে কোনো খারাপ মন্তব্য করতে শুনি নাই। তার বাপ আছিল কেনিয়ার পাকিস্তান হাই কমিশনার। মরবার আগে ভদ্রলোক আরেকটা বিয়া কইর‍্যা ফেলাইছিল। স্বামীর মরণের পর ঐ ভদ্রমহিলা খুব ভয়ে ভয়ে আছিল। পাছে সৎ ছেলেরা তারে প্রপার্টি থেকে ডিপ্রাইভ করেন। রেহমান আর ফারুক তারা দুই ভাই। ভদ্রমহিলারও একটা বাচ্চা আছিল। রেহমান বিদেশ থেইক্যা আইস্যা করাচিতে যাইয়া ভদ্রমহিলার লগে দেখা কইর‍্যা কইলেন বাবার সম্পত্তি কোথায় কী আছে ইউ নো বেটার দ্যান আই ড়ু। সব আপনের। ভদ্রমহিলারে বাড়িঘর সব দিয়া-থুইয়্যা চইল্যা অইলেন। বাড়িটাও তার অইত না। বউয়ের কারণে অইছে। বউটা রেহমানের চাইতে চালাক-চতুর। আমি অখনও রেহমানের লগে দেখা অইলে ঠাট্টা কইর‍্যা সরস্বতীর বাহন সেই হাঁসের গল্পটা কই। আপনে সেই হাঁসের মতন পানি মিশান দুধের সবটা দুধ খান। আর আপনের বন্ধুর জন্যে থাকে সবটা পানি।

    আমি জানতে চাইলাম, বন্ধুটা কে?

    স্যার বললেন, আছেন একজন।

    কথাবার্তার এই পর্যায়ে স্যার হোসেন জিল্লুরের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করলেন, এখন আপনেগো বিআইডিএস-এর ডিরেকটর কে?

    জিল্লুর জবাব দিলেন, আবু আবদুল্লাহ।

    স্যার জানতে চাইলেন, এখন আবু আবদুল্লাহর বয়স কত অইব? জিল্লুর বললেন, বাহান্ন-তিপ্পান্ন।

    স্যার মনেমনে কী একটা হিসেব করলেন। তারপর আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, আপনে মুসারে চিনেন নিহি।

    আমি বললাম, আমার ক্লাসফ্রেন্ড।

    স্যার বললেন, ভেতরটা এক্কেরে সাদা। কোনো ধরনের জটিলতা নাই। আমার নেক্সট কাজিনের মাইয়ারে বিয়া করছে। সে হিসাবে মুসা আমার রিলেটিভ।

    আলোচনার মোড় ঘুরে দীনেশচন্দ্র সেনে এসে ঠেকলো।

    স্যার বললেন, দীনেশ সেন ওয়াজ রিয়্যালি এ গ্রেট ম্যান। এদিক সেদিক কিছু ব্যাপার আছে—তার পরেও। তার যখন অসুখ অইছিল, চিকিৎসার জন্য ডাক্তার বিধান রায়রে ডাকছিলেন। বিধান রায় ফিস দাবি করছিলেন দুই হাজার টাকা। তার পরিবারের তরফ থেইক্যা বিধান রায়রে জানান অইল দুই হাজার টাকা ফিস দিয়্যা চিকিৎসা করানোর সাধ্য তাগো নাই। তারপরে স্যার নীলরতনরে ডাইক্যা আনলেন। নীলরতন দেখলেন। তার কাছে জানতে চাওয়া অইল কত ফিস দিতে অইব। স্যার নীলরতন কইলেন, বাঙালি জাতির ত দীনেশ সেনের কাছে কিছু ঋণ আছে। ফিসের কথা উঠব কেন?

    স্যার বললেন, দুইজন মানুষের মধ্যে কমপেয়ার কইর‍্যা দেখেন। আমাদেরকে কোনো কথা বলতে না দিয়ে চিত্তরঞ্জন দাশের প্রসঙ্গে চলে এলেন স্যার। তিনি বললেন, বারিণ ঘোষের মানিকতলা বোমা মামলার সময় চিত্তরঞ্জন দৈনিক ফিস নিতেন দুই হাজার টাকা। কোর্টে যাইবার আগে টাকাটা আগাম দিতে অইত। মিঃ জিন্নাহ একমাস ধইর‍্যা তিলকের একটা মামলা করছেন, ফিসের কথা যখন উঠল মিঃ জিন্নাহ কইলেন, আই ক্যান নট ক্লেইম ফিস ফ্রম এ পার্সন হু ইজ নট ফাইটিং ফর হিজ ইনডিভিজুয়াল ইন্টেরেস্ট। তারপর মতিলাল নেহরুর কথায় এলেন। স্যার বললেন মতিলাল উর্দু, ফার্সি এসব খুব ভালা জানতেন। কিন্তু জওহরলাল কোনো ইন্ডিয়ান ভাষা জানতেন না। হিন্দিটা তিনি কইতে পারতে শুধু পড়তে পারতেন না। আমার সব কথা মনে নেই।

    স্যার ভারতবর্ষের অতীত ইতিহাসে চলে এলেন। তিনি বললেন, হিন্দুদের মধ্যে জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস যা অখন আপনেরা দেখবার পান, এইডা প্রাচীন আর্যদের বিশ্বাস আছিল না। আর্যরা জন্মান্তরবাদে বিশ্বাস করলে বেদে উল্লেখ থাকত। বেদে এক্কেরে জন্মান্তরবাদের ছিঁটাফোটাও নই। এইডা তারা পরে ড্রেভিডিয়ানদের কাছ থেইক্যা ইনহেরিট করছে।

    আমি বললাম, বাংলার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কিছু বলেন।

    স্যার বললেন, বাংলার ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আমি আর কী কমু। সে ত আপনেগো উপর। আপনেরা কী করবেন। আমি কেমনে কমু! মিঃ জিন্নাহ্ ত বেঙ্গল আপনেদেরে দিয়া দিছিলেন, আপনেগো চিত্তে সুখ, অইলো না বেঙ্গল পার্টিশন করলেন। মুহম্মদ আলি জিন্নাহর যে বিশেষ উক্তিটির কথা স্যার আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছিলেন, উলপার্টের লেখা জিন্নাহ্ অব পাকিস্তান গ্ৰন্থ থেকে আমি উদ্ধৃত করছি :

    “By the end of April, the Muslim league had a clear majority in the Punjab, and the Nawab of Mamdot demanded Governor jenkins call upon him to form a ministry instead of continuing autocratically to rule under section 93 of the 1935 act. Jinnah finally went to Mount Batten to reiterate that demand, but the viceroy, like his governor, refused to install one party rule in Punjab, fearing it would incite ‘Civil War as threatend by the Sikhs. During this same interview, the viceroy informed Jinnah of Suhrawardy’s recently expressed hope that he might be able to keep a united Bengal on Condition that it joined neither Pakistan, nor Hindustan, I asked Mr. Jinnah straight out what his views were about Bengal United at the price of remaining its out of Pakistan.

    He said without any hesitation, I should be delighted. What is the use of Bengal without Calcutta, they had much better remain united and independent, I am sure they would be on friendly terms with us, I then mentioned that Mr. Suhrawardy had said that if Bengal remained independent and united, they would wish to remain within the Common wealth, Mr. Jinnah replied, of course, just as I indicated to you that Pakistan would wish to remain within the Common wealth,”

    সেই একই বৈঠকটিতে স্যারের কাছে প্রশ্ন করেছিলাম জাতির ভবিষ্যৎ সম্পর্কে তার বলার কিছু আছে কি না। কিছুদিন আগে যখন সাক্ষাৎ করেছিলাম, তিনি জানিয়েছিলেন এই জাতির ভবিষ্যৎ কী চিন্তা করতে পারছেন না। বলেছিলেন, সব থুইয়া আপনেগো দেশের কাম করা উচিত। খবর নিয়ে জানলাম, বদরুদ্দীন উমর সাহেবকেও তিনি একই রকম পরামর্শ দিয়েছেন। আমরা আশা করছিলাম তিনি আমাদের নতুন কোনো পরামর্শ দেবেন। স্যার সেদিক দিয়ে গেলেন না। সম্পূর্ণ একটা নতুন বিষয়ে কথা বলতে আরম্ভ করলেন। দেশ মানে ত দেশের মানুষ। মানুষই অইল গিয়া দেশের আসল শক্তি। মানুষগোরে আপনেরা ডেড ওয়েট কইর‍্যা রাইখ্যা থুইছেন। আমাগো দেশের মানুষের একটা দিকে এমন যোগ্যতা আছে ইন্টারন্যাশনালি যে-কোনো দেশের লগে কমপিট করবার পারে। আমি শিপিং-এর কথা কইতাছি। আপনের বাড়ি ত চাটগাঁ। আপনের ত জাননের কথা, আপনের জেলার মানুষ জাহাজের সেরাং ট্যান্ডেল হিসাবে কীরকম এফিসিয়েন্ট। এন্টায়ার ওয়ার্ল্ডে তাদের ডিমান্ড আছে। সিলেট চাটগাঁর মানুষদের হাতে ত আছিল দায়িত্ব। তারা ত কিছু করবার পারে নাই। সিলেট চাটগাঁর মানুষ শিপিংয়ে অ্যাজ গুড অ্যাজ দ্যা সিটিজেন অভ এনি আদার নেশনস। কিন্তু এই লাইনে ত কেউ দৃষ্টি দেয় নাই। আমি পার্সোনাল এক্সপিরিয়ন্স থেইক্যা কেইবার পারি। একবার আমারে জাহাজে কইর‍্যা বিলাত থেইক্যা ফিরতে অইছিল। সাড়ে তিন মাস লাগছিল। আমার টাকার ক্রাইসিস আছিল। হের লাইগ্যা জাহাজে আমার টিকিট কাটছিলাম। ছোট জাহাজ। মোটে সাড়ে সাত হাজার টন ডিমের খোসার মতন, ঢেউয়ের ঝাপটা যখন লাগে মনে অইত সমুদ্রের তলায় ড়ুইবা গেলাম। আমার খাওনের একটা প্রবলেম দেখা গেল। আর সব প্যাসেঞ্জার আছিলেন সাদা। আমি অগো লগে খাইবার চাইছিলাম না। আমার লাইগ্যা একটা ভিন্ন ব্যবস্থা করা অইল। খালাসি সারেং সব দেখলাম আমাগো দেশের মানুষ। তারা দাবি করলেন, আপনে আমাগো লগে সপ্তাহে একদিন খাইবেন। আমি তাগো লগে খাইতে আরম্ভ করলাম।

    এই আলোচনার পর আচমকা আমি জিগ্‌গেস করে বসলাম, স্যার আপনি তো লন্ডনে হ্যারন্ড লাস্কির ছাত্র ছিলেন।

    স্যার বললেন, হা।

    তিনি ত ইহুদি ছিলেন। ডিসক্রিমেনেট করতেন?

    স্যার মাথা ঝুকিয়ে বললেন, এক্কেরে না এক্কেরে না, কোনোদিনও টের পাই নাই। তিনি আমারে একদিন কইলেন মিঃ রাজ্জাক, তুমি চেষ্টা করলে নেহরুর মত আইতে পারবা। দ্বিতীয়বার যখন এই একই কথা কইলেন, আমি চিন্তা করলাম। এই মনোভাব আর বাড়তে দেওন ঠিক না। আমি তাঁর দৃষ্টি আকর্ষণ কইর‍্যা কইলাম, মিঃ লাস্কি। তিনি কইলেন, ইয়েস মাই বয়। আমি কইলাম, আই ড়ু নট উইশ টু বি ম্যানশনড উইথ মিঃ নেহরু। আই এ্যাম এ মেম্বার অব মুসলিম লীগ অ্যান্ড এ ফলোয়ার অব মিঃ জিন্নাহ। এরপরে আর কিছু কয় নাই। লাঙ্কি নেহরুর খুব ভক্ত আছিল। একদিন ক্লাসে অনেক ছাত্রের মধ্যে বললেন, নো ম্যান ইজ ইনফলিবল, আমার দিকে তাকাইয়া ছোট কইর‍্যা কইলেন নট ইভেন মিঃ জিন্নাহ। সকলে অবাক অইয়া আমার দিকে তাকাইলেন, আমি কইলাম আই হ্যাভ প্রপার্লি আন্ডারস্টুড। মিঃ লাস্কি কমিউনিস্ট পার্টির মেম্বার আছিল। কিন্ত মিঃ চাৰ্চিল ম্যান্ডেস্টার গেলে লাস্কিদের বাড়িতে থাকতেন। তিনি লাস্কি পরিবারের ফ্যামিলি ফ্রেন্ড আছিলেন। কেউ কোনোদিন জানিবারও পারে নাই।

     

    তরুণ বয়সে মানুষের শরীরের কোনো অংশে চোট লাগলে যৌবনে সেটা অনুভব করা যায় না অনেক সময়। বুড়ো হলেই ব্যথাটা ফিরে আসে। মানুষের বিশ্বাস এবং সংস্কার এগুলো বেশি বয়সে নতুন করে জেগে ওঠে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমুক্ত বাতাসের খোঁজে : লস্ট মডেস্টি
    Next Article বাঙালি মুসলমানের মন – আহমদ ছফা

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }