Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুক্তিবাদীর চোখে রাম ও রামায়ণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প462 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫. রামায়ণে অস্ত্র এবং শস্ত্র

    বশিষ্ঠের ‘ধনুর্বেদসংহিতা’ গ্রন্থের ২০৭ টি শ্লোকে প্রাচীনকালের যুদ্ধ সংক্রান্ত নানা বিষয় আলোচিত হয়েছে। ‘ধনুর্বেদ’ শব্দটি প্রাথমিকভাবে ধনুর্বিজ্ঞান বোঝালেও ব্যাপক অর্থে সমস্ত আয়ুধবিদ্যাকে বোঝায়। সেখানে বলা হয়েছে, ধনুর্বেদ শিক্ষার ব্যাপারে ব্রাহ্মণই হবেন শিক্ষাগুরু–“ধনুর্বেদগুরুবিঃ “। বশিষ্ঠ বলেছেন–ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যকে এই বিদ্যাকে শিখতে হবে এবং শূদ্র শিকারের জন্য এবং বিপদের সময় রাজ্যরক্ষার্থে শূদ্রও যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবেন। প্রাচীন ভারতে অস্ত্রবিদ্যায়ে উন্নত ছিল তার প্রমাণ এই গ্রন্থ। আধুনিক বিচারে বশিষ্ঠের ‘ধনুর্বেদসংহিতা’ তেমন উন্নতমানের না-হলেও, প্রাচীন ভারতে সমরবিদ্যা জানার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থের গুরুত্বকে ছোটো করে দেখা যায় না। যাই হোক, সংস্কৃত ভাষায় রচিত এরকম বেশকিছু গ্রন্থে অস্ত্রশস্ত্র এবং অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা আছে। তবে অস্ত্রশস্ত্র যত-না রাজরাজড়ার কাছে ছিল, তার চেয়ে কয়েকশো গুণ বেশি অস্ত্রশস্ত্র ছিল মুনি-ঋষি-ব্রাহ্মণদের কাছে। এঁদের কাছেই ছিল বিশাল অস্ত্রভাণ্ডার। রাজরাজড়াদের প্রয়োজন হলে এঁরাই ভয়ানক ভয়ানক সব অস্ত্রশস্ত্র সরবরাহ করতেন।

    রামায়ণে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড এবং যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য নানাবিধ অস্ত্রশস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে। এইসব আয়ুধের নাম যেমন অর্থবহ, কার্যক্ষমতাও তেমনই ভয়ংকর। আয়ুধ বা যুদ্ধাস্ত্রগুলি নিয়ে এবার একটু খোঁজখবর নেওয়া যেতে পারে। অস্ত্র এবং শস্ত্র এক জিনিস নয়, সম্পূর্ণ পৃথক। অস্ত্র হল ঐশ্বরিক ক্ষমতা, দৈবিক শক্তির বলে যা প্রাপ্ত হত, যা কোনও দেবদেবী কৃপায় বরপ্রাপ্ত হত। এইসব হাতিয়ারের ক্ষমতা ছিল অসীম, শুধু বিপক্ষের মানুষজন কেন, গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডকেও গুঁড়িয়ে দেওয়া যেত বলে গল্পেসল্প পড়েছি। দেবতাদের কৃপায়’ রামও অনেক অস্ত্রলাভ করেছিলেন। কিন্তু সমস্ত অস্ত্রই যে রাম তপস্যাবলে পেয়েছেন, এমন তথ্য কোথাও পাই না। অস্ত্রের জন্য বা অমরত্বের জন্য রামকে তপস্যা-টপস্যা করতে হয়নি। এমনিই সবাই অস্ত্রশস্ত্র গুছিয়ে দিয়েছেন, যেহেতু রাম ক্ষত্রিয়। প্রভাব যাঁর বেশি, তাবেদারদের সংখ্যাও তাঁদের বেশি। অতএব নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র দান করেছেন মুনিঋষি, দেবদেবতারা। কিন্তু রাক্ষস-খোক্ষস, দৈত্যদানোদের দৈব অস্ত্রশস্ত্র কেউ এমনি এমনি দান করেননি, দিতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে তবেই সেইসব অস্ত্রশস্ত্রের অধিকারী হয়েছিলেন তাঁরা। যদিও অস্ত্রের প্রয়োজন এবং ব্যবহার রামকেই বেশি করতে হয়েছিল। কারণ সেই বিরাধ রাক্ষস থেকে রাবণ হত্যা পর্যন্ত প্রচুর হত্যা তাঁকে করতে হয়েছে। তা ছাড়া রামের প্রতিপক্ষরা ছিলেন অসমসাহসী, প্রবল শক্তিমান এবং যথার্থ বীর। এই দুই বীরকে পরাস্ত করতে গিয়ে অনেক সময়ই রাম এবং লক্ষ্মণ উভয়ই পরাস্ত ও বিপর্যস্ত হয়েছেন একাধিকবার। রামের এত ভয়ানক অস্ত্রশস্ত্র থাকা সত্ত্বেও বীরত্ব দ্বারা নয়, অবশেষে চালাকির দ্বারা প্রতিপক্ষ পরাস্ত করা সম্ভব হয়েছে। তদুপরি যুদ্ধক্ষেত্রে বহিঃশক্তি তথা আর্যদেবতাদের কৃপা তো রয়েছেই। শক্তি এবং দৈব অস্ত্র থাকা সত্ত্বেও রামচন্দ্র কিছুতেই রাবণকে কবজা করতে পারেনি, তিনদিন তুমূল যুদ্ধের পরেই রাবণকে হত্যা করতে সমর্থ হয়েছিলেন।

    অস্ত্র কেমন? রামের এরকমই একটা অস্ত্রের ব্যবহারের কথা বলি–একদিন রাম তপোবনে সীতার সঙ্গে বিশ্রম্ভালাপে ব্যস্ত ছিলেন। কিছুক্ষণ পর রাম নিদ্রামগ্ন হলে সীতা রামের মাথা নিজের কোলে নিয়ে বসে থাকলেন। এক কাক, যা কিনা ছদ্মবেশী রাক্ষস! সীতার মাথা বারবার ঠুকরে দিচ্ছে। সীতার শরীরে আঘাত লাগলেও পাছে রামের ঘুম ভেঙে যায়, সেই কারণে তিনি আঘাত সহ্য করছেন। এরকম দাসী-বউই বোধহয় বেশিরভাগ পুরুষ পছন্দ করেন! যাই হোক, হঠাৎ সীতার মাথা থেকে রক্তক্ষরণ হতে থাকে এবং সেই রক্ত গড়িয়ে পড়ে রামের শরীরে। উষ্ণ রক্তের স্পর্শে রামের ঘুম ভেঙে গেল। রাম একমুঠো দূর্বা ঘাস ছিঁড়ে তাঁকে মন্ত্রপূত করে উপরের কাকটির দিকে ছুঁড়ে দিলেন। কাকটির মৃত্যু হল সেই দূর্বার প্রয়োগে, এটাও অস্ত্র বটে। এই অস্ত্র দেবতার কাছ থেকে বর হিসাবে পেয়েছিলেন, যা কিনা অ্যুৎ এবং অকিঞ্চিৎকর রাক্ষসকে হত্যার উদ্দেশ্যে এই অস্ত্রের প্রয়োগ করতে হল! অবশ্য এ ইতিহস বাল্মীকি লেখেননি।

    এবার শস্ত্রের কথায় আসি। শস্ত্র হল লোহা, কাঠ ইত্যাদি পদার্থ জাতীয়। যেমন গদা, ধনুক, তলোয়ার ইত্যাদি, যা দিয়ে সরাসরি আঘাত করা যায় বা হত্যা করা যায় অন্য একজন বা একাধিক ব্যক্তিকে। আধুনিক যুগের যেমন গাদার রাইফেল, একে-৪৭, কালাশনিকভ অ্যাসল্ট, রিভলভার, গ্রেনেড ইত্যাদি সবই শস্ত্র। কিন্তু প্রশ্ন হল, সে যুগের দৈবাস্ত্র কি এখনও কেউ পান তপস্যাবলে? দেবতারা কি বর দেন? পাওয়া যায় অভীষ্ট সিদ্ধির অস্ত্র? পাওয়া যায় বইকি। পুরাণ যুগে সবচেয়ে বেশি দৈবাস্ত্র ও অমরত্বের বর প্রদান করেছেন স্বয়ং অনার্য ‘দেবতা’ শিব। এরপর সেই তালিকায় আছেন যথাক্রমে ব্রহ্মা, বিষ্ণু, ইন্দ্র।

    এ সময়ের শিবের ভূমিকা পালন করছেন আমেরিকা এবং আমেরিকার প্রেসিডেন্টরা। তাঁরা তাঁবেদার দেশগুলিকে ভয়ংকর ভয়ংকর সব অস্ত্রশস্ত্র প্রদান করছেন, সেইসব অস্ত্রশস্ত্রে বলীয়ান হয়ে বিভিন্ন শক্তিশালী দেশ তুলনামূলক দুর্বল দেশের উপর আক্রমণ করছে এবং হত্যালীলা সম্পন্ন করছে। এইসব অস্ত্রশস্ত্র দেবতাদের অস্ত্রের চেয়ে কয়েকশো গুণ বেশি ধ্বংসকারী। এক লিটল বয়’ নামে নিউক্লীয় বোমার আঘাতেই হিরোসিমায় মৃত্যু হয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার নিরীহ সাধারণ মানুষ। নাগাসাকিতে মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার নিরীহ সাধারণ মানুষ, অস্ত্রের নাম ‘ফ্যাট ম্যান’। এমন বিধ্বংসী অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা দেবতাদেরও হয়নি। অতএব আজকের এই মানুষগুলো দেবতাদের চেয়েও ভয়ংকর এবং শক্তিশালী। দেবতারা অত্যাচারী শাসকদের হত্যা করত, মানুষ অসামরিক মানুষদের হত্যা করে। শুধু আমেরিকাই নয়–যুদ্ধাস্ত্র প্রদান করেন ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইটালি, জার্মান–এমনকি ভারতও। অস্ত্র প্রদানের বাজার তৈরি করার সাধনায় ব্রতী থাকেন এরা, সারা বছর। দেশে দেশে শত্রুতা আর যুদ্ধ জিইয়ে রাখেন তাঁরা। এদের ভয়ে সারা বিশ্ব থরথর করে কাঁপছে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কায়। যেমন পুরাণে ব্ৰহ্মা-বিষ্ণু-মহেশ্বরের ভয়ে সবাই থরথর করে কাঁপত। এখন আর অস্ত্র ও শস্ত্রের মধ্যে কোনো তফাত নেই।

    অস্ত্রধারণ করেন যিনি তাঁকে বলা হয় অস্ত্রধারী। রামায়ণ, মহাভারত এবং পুরাণকাহিনিতে প্রচুর অস্ত্রশস্ত্রের ব্যবহার হতে দেখা যায়। এইসব অস্ত্রের নাম, ব্যবহারের রীতিনীতি, ফলাফল সম্বন্ধে অনেক কিছু জানা যায়। বিশ্বামিত্র রামের প্রতি তুষ্ট হয়ে যে অস্ত্রগুলি দিয়েছিলেন সেগুলি হল–বলা, অতিবলা, ধর্মচক্র, কালচক্র, বিষ্ণুচক্র, ইন্দ্রচক্র, ব্রহ্মশির, ঐষিক, ব্রহ্মাস্ত্র, ধর্মপাশ, কালপাশ, বরুণ পাশ, শুষ্ক অশনি, আর্দ্র অশনি, পৈনাক, নারায়ণ, শিখর, বায়ব্য হয়শির, ক্রৌঞ্জ, কঙ্কাল, মুষল, কপাল, শক্তি, খড়গ, গদা, শূল, বজ্র, কিঙ্কিণী, নন্দন, মোহন, প্রস্বাপন, প্রশমণ, বক্ষণ, শোষণ, সন্তাপন, বিলাপন, মাদন, মানব, তামস, সৌমন, সংবর্ত। আরও অনেক নাম-না-জানা অস্ত্র! বিশ্বামিত্রের কি অস্ত্রের কারখানা ছিল আমেরিকার মতো? শুধু বিশ্বামিত্রই নন, অস্ত্র দিয়েছেন অগস্ত্যও। এঁরা তথাকথিত মুনিঋষি হলেও প্রত্যেকেই এক একজন বিপুল অস্ত্রভাণ্ডারের মালিক।

    অনার্যদেবতা শিবের পৃষ্ঠপোষকতায় রাবণ ছিলেন অপ্রতিরোধ্য, অপরাজেয় শক্তিমান। তিনি ছিলেন শিবের ও ব্রহ্মা পদাধিকারীদের একনিষ্ঠ ভক্ত। পুরাণে আছে, অমরত্ব লাভের জন্য শিবের কাছে তপস্যা তথা দরবার করেছেন। শিব যতবারই তাঁকে পরীক্ষা করছেন, রাবণ নিজ মস্তক তরবারির আঘাতে কেটে গুরুর পায়ের কাছে ফেলে দিচ্ছেন। প্রতিবারই শিবের কৃপায় রাবণের মস্তক আবার যথাস্থানে ফিরে যাচ্ছে। এইভাবেই রাবণ দশ মস্তকের অধিকারী হলেন। নাম হলো দশানন। আসল কথা হল, দশানন বা দশ মস্তকের অধিকারী কথাটির মধ্যেই নিহিত রয়েছে রাবণের শক্তি, সামর্থ্যের কথা। জৈন মতে রাবণের ছিল দশমুখ। বাল্মীকির রামায়ণে রাবণের একটাই মাথা, দুটি হাত, দুটি পা।

    রাবণের মৃত্যু হয়েছিল রাম নয়, ইন্দ্রের হাতে। এ ইঙ্গিত রাবণের মৃত্যুর পর মন্দোদরীই দিয়েছেন। পুরাণ বলছে, পরবর্তী জীবনে রাবণ তীর্থঙ্কর হয়ে জন্মগ্রহণ করেন। বাল্মীকির রাবণ শিবের কাছে তপস্যার পর শিব। সন্তুষ্ট হয়ে বর দিতে চাইলে রাবণ অমরত্ব চাইলেন। শিব অমরত্ব দিলেন না। রাবণের নাভির নিচে লুক্কায়িত। রইল অমৃত, যার উপস্থিতিতে রাবণ হলেন অপরাজেয়। অমৃত বিনষ্ট না-করে রাবণকে বধ করা যাবে না। লাভ করলেন অনন্ত শক্তি, যাতে মানুষ ছাড়া দেবকুল, অসুরকুল ইত্যাদি যত কুল আছে, সকলেই তাঁর কাছে পরাজিত হবেন। অবধ্য, অপরাজেয় হবেন রাবণ। আর দিলেন চন্দ্রহাস তরবারি। কিন্তু অকারণে এই শস্ত্রের প্রয়োগে তা কার্যকরী হবে না, পুনরায় ফিরে যাবে দেবতার কাছে। এছাড়াও শিব ও ব্রহ্মা অনেক অস্ত্র দিয়েছিলেন তাঁকে, যা দিয়ে তিনি লাভ করবেন সসাগরা পৃথিবীর আধিপত্য। এই সব অস্ত্রই ব্যবহৃত হয়েছিল লঙ্কার যুদ্ধে। সাধারণের মানুষের প্রতি তাঁর কোনো ভয় ছিল না। মানুষকে তিনি শত্রু বলেই মনে করেন না। তাঁর প্রধান শত্রু ছিলেন দেবকুল এবং অসুরকুল। তাই তিনি কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার কথা ভেবে শিবকে তুষ্ট করতেন। বিভীষণ রাবণের মৃত্যু কীভাবে সম্ভব একথা রামকে জানালে রামচন্দ্র প্রসাভপন অস্ত্র দিয়ে রাবণের অমৃতকে বায়বীয় পদার্থরূপে হাওয়ায় উড়িয়ে দেন।

    ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদ ইন্দ্রলোক জয় করেছিলেন। ইন্দ্রলোক, দেবলোক জয় করা তো সামান্য বীরের কাজ নয়! এহেন মেঘনাদকে পরাজিত এবং হত্যা করার আগে লক্ষ্মণ ও রাম পরাস্তই হয়েছিলেন তাঁর কাছে। একবার নয়, দু-দুইবার। বহিঃশক্তি আর্যদেবতাদের সহায়তা এবং কৌশল অবলম্বন না-করলে সেই যুদ্ধে মেঘনাদকে পরাস্ত করা সহজসাধ্য ছিল না।

    আবার রামায়ণ, মহাভারত এবং পুরাণকাহিনিতে এমন কিছু মন্ত্রও আছে, যা নকি উচ্চারণ করার সঙ্গে সঙ্গে মুহূর্তের মধ্যে চোখের সামনে হাজির হয় শস্ত্র হিসাবে। কখনও-বা সেই শস্ত্রের আঘাতে বিপক্ষের জীবনহানিও হয়ে যায় নিমেষে। আবার কখনও ক্রোধে উন্মত্ত হয়ে সেই সকল অস্ত্রের দ্বারা অহেতুক ক্ষতিসাধনও হয়ে থাকে। আর-একটি প্রসিদ্ধ অস্ত্রের কথাও আমরা জানি, তা হল ‘ব্রহ্মাস্ত্র’। এই অস্ত্রের ব্যবহার ছিল একেবারে শেষ পর্যায়ে। আধুনিক যুগে পরমাণু বোমার মতো। যুদ্ধের শেষ অস্ত্র। এই অস্ত্র ব্যবহারের কিছু বিধিনিষেধও ছিল। বিপক্ষকে কোনওভাবেই পরাস্ত করতে না-পারলে, বিপক্ষের সঙ্গে যুদ্ধে মৃত্যু আসন্ন হলে এবং সমগ্র বাহিনী পরাজয়ের সম্মুখীন হলে তবেই এই অস্ত্র ব্যবহার করা হত। তবে কি এই অস্ত্র ছিল একালের নিউক্লিয়ার বোমা বা পরমাণু অস্ত্র, যার প্রয়োগ সম্বন্ধে আছে অনেক বিধিনিষেধ! হঠকারিতা যে হয় না, তা নয়–সেযুগেও হয়েছে, এযুগে হয়। ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোসিমা ও নাগাসাকির বিরুদ্ধে ব্ৰহ্মাস্ত্র (নিউক্লীয় বোমা) প্রয়োগ করে এমনই হঠকারিতা করেছিল আমেরিকা।

    এছাড়া ছিল ‘যমাস্ত্র’। নাম শুনেই মনে হয় একেবারে ইহলীলা সাঙ্গ করার জন্যই এর ব্যবহার। যম মানেই যে মৃত্যু, শমন। এই অস্ত্রটি মেঘনাদ বিভীষণের প্রতি ব্যবহৃত হয়েছিল। বিভীষণ রাম-লক্ষ্মণদের জানিয়ে দিয়েছেন মেঘনাদকে তাঁদের শক্তি দিয়ে হত্যা করা সহজ কাজ নয়। মেঘনাদ এখন যজ্ঞে বসেছেন এবং যজ্ঞ সম্পন্ন হলে তিনি অমরত্ব লাভ করবেন–কেউ আর তাঁকে পরাস্ত করতে পারবেন না। এদিকে রাম-লক্ষ্মণ মেঘনাদের অস্ত্রপ্রয়োগে যারপরনাই বিপর্যস্ত। লক্ষ্মণকে দু-বার এবং রামচন্দ্রকেও একবার পরাস্ত করেছেন ইন্দ্রজিৎ মেঘনাদ। কোনোপ্রকারে মৃত্যুর কোল থেকে ফিরে এসেছেন রাম-লক্ষ্মণ দুই ভাই। অতএব মেঘনাদের যজ্ঞ পণ্ড করে মেঘনাদকে হত্যা করা যদি আসান হয়, সেই সুযোগ আর হাতছাড়া করা কেন! যজ্ঞ পণ্ড করলেই যদি তিনি আর অমরত্ব লাভ করতে না-পারেন, তাহলে আর দেরি কেন–অতএব শুভস্য শীঘ্রম। লক্ষ্মণ ও বিভীষণ সদলবলে মেঘনাদের যজ্ঞক্ষেত্রে হানা দিলেন। তখনই বিভীষণের বিরুদ্ধে যমাস্ত্রের প্রয়োগ করেছিলেন মেঘনাদ।

    ‘নাগপাশ’ আর-এক ভয়ংকর অস্ত্র। মেঘনাদের কাছে রাম এবং লক্ষ্মণ বারেবারেই পরাস্ত হচ্ছিলেন। মেঘনাদ নাগপাশ অস্ত্রের প্রভাবে রাম এবং লক্ষ্মণকে সর্পবন্ধনে বেঁধে ফেলেছিলেন। পরে গরুড়ের সাহায্যে তাঁরা মুক্ত হন। গরুড় (বিষ্ণুর বাহন বলা হয়) না-থাকলে সেদিন রাম-লক্ষ্মণ মুক্তি অসম্ভব ছিল। বহিঃশক্তি দেবতাদের পক্ষপাতিত্ব না-থাকলে রাম-লক্ষ্মণরা বড়োই অসহায়। আর-একটি ভয়ংকর অস্ত্র হল ‘শক্তি অস্ত্র বা ‘শক্তিশেল। এই অস্ত্র মেঘনাদ প্রয়োগ করেছিলেন লক্ষ্মণের বিরুদ্ধে। একপ্রকার মৃত বলেই ঘোষিত হয়েছিলেন লক্ষ্মণ। হনুমান সঞ্জীবনী’ এনে না-দিলে সেবারেই ‘খবর’ হয়ে যেতেন তাঁরা। এছাড়া সূর্যাস্ত্র, বরুণাস্ত্র, ইন্দ্রাস্ত্র ইত্যাদি অস্ত্র একা মেঘনাদের বিরুদ্ধেই ব্যবহৃত হয়েছিল। এক এক দেবতার এক একরকমের অস্ত্র, তার পাল্লা এবং বীভৎসতাও এক একরকম।

    ইন্দ্রজিৎ বা মেঘনাদ এবং রামচন্দ্র ‘ব্ৰহ্মাস্ত্র’, ‘পাশুপত অস্ত্র’, ‘বৈষ্ণবাস্ত্র’ এই তিনটি অস্ত্রের অস্ত্রধারী বীর ছিলেন। এছাড়াও ছিল ‘গান্ধর্বাস্ত্র’, যা বহু সৈন্যকে একসঙ্গে হত্যা করার মতন ক্ষমতাসম্পন্ন অস্ত্র ছিল। রাম এবং রাবণ এই দুজন শক্তিধর ব্যক্তি ছাড়া আর কোনও বীরেরই এই অস্ত্রচালনা করার ক্ষমতা ছিল না।

    শুধু রামায়ণ নয়, মহাভারতেও আমরা ভয়ানক সব সামরিক পরিচয় পাই। যে ধরনের অস্ত্রশস্ত্র তাঁদের কাছে ছিল, সে ধরনের অস্ত্রশস্ত্রের মারণক্ষমতা ছিল প্রলয়ংকর। মহাভারতের আদি পর্বে অগ্নিদেব বাসুদেবকে ‘সুদর্শন চক্র’ দিয়ে বলছেন–‘এই অস্ত্র শত্রু নিপাত করবে এবং কাজ শেষ হলে তাঁরই হাতে ফিরে আসবে’। সেই বাসুদেব শিশুপালের হাতে যখন প্রায় নিগৃহীত, তখন তিনি সেই সুদর্শন চক্র ব্যবহার করেছিলেন এবং সেই ‘চক্র তাঁহার দেহ হইতে মস্তক বিচ্ছিন্ন করিয়া বাসুদেবের হস্তে ফিরিয়া আসিল’। দুর্দান্ত ক্ষুরধার ব্যুমেরাং! এত বছর আগে ব্যুমেরাং!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }