Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুক্তিবাদীর চোখে রাম ও রামায়ণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প462 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. রামায়ণ কী ইতিহাস, নাকি রূপক?

    যে অবস্থায় আমরা বাল্মীকির রামায়ণ গ্রন্থখানিকে পেয়েছি, সেই অবস্থায় এ গ্রন্থখানিকে ‘নির্জলা ইতিহাস’ শিরোপা দিলে আমার কিঞ্চিৎ আপত্তি আছে। কেননা রামায়ণ যে নিখাদ ইতিহাস এমন অথেনটিক ইতিহাস তো সমসাময়িক ইতিহাসবিদরা লিখে রেখে যাননি। তা ছাড়া বাল্মীকি বা অন্যান্য কবিরাও কিন্তু তাঁদের রচনাকে ইতিহাস বলে দাবি করেননি। রামায়ণের সত্যতা এবং ঐতিহাসিকতা নিয়ে এ পর্যন্ত বহু আলোচনা হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। ভারতীয় সাহিত্যে রাম বিষয়ক নানা বিচিত্র কাহিনি পাওয়া যায়, কিন্তু সেগুলিতে একে অপরের সঙ্গে সামঞ্জস্য না-থাকায় বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে, সত্যতা বিচার কঠিন হয়ে পড়েছে। অনেকের মতে রামায়ণের কাহিনি সত্য নয়, নিছক রূপকমাত্র। আবার কেউ কেউ মনে করেন, বাল্মীকি রামকথার ক্ষীণসূত্র ধরেই গোটা রামায়ণটি রচনা করেছেন।দ্বিতীয় মতটি বেশি গ্রহণযোগ্য। কারণ রামকথায় কোনো সত্য ঘটনার বীজ না-থাকলে এত রূপান্তর চোখে পড়ত না। বাল্মীকির রামায়ণের সূচনাতেও এর ইঙ্গিত আছে। রাম না হতে রামায়ণ’ প্রবাদটি নিছক প্রবাদরই, অতিরঞ্জিত। রাম না-জন্মাতেই রামায়ণ রচিত হয়নি। অযোধ্যার সিংহাসনে রামচন্দ্রের অভিষেকের পরেই রামায়ণ রচিত হয়েছে। বাল্মীকির রামায়ণে সেকথা উল্লেখ আছে–”প্রাপ্তরাজ্যস্য রামস্য বাল্মীকিৰ্ভগবান্ ঋষিঃ।/চকার চরিতং কৃতং বিচিত্রপদমর্থবৎ”। রামায়ণ, মহাভারত যথার্থভাবে জানা না-থাকলে ভারতের ইতিহাস জানা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

    বাল্মীকি ‘ইতিহাস’ উল্লেখ করে রামায়ণ রচনা করেননি ঠিকই, তাই বলে ইতিহাস নয় একথাও জোর গলায় বলা যায় না। রামও বাল্মীকির মনোভূমে উদিত হওয়া সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক চরিত্র নয়। রবীন্দ্রনাথ রামায়ণকে কেবল কাব্য বলেই ছেড়ে দেননি, তিনি পাশাপাশি ইতিহাসও বলেছেন। রবীন্দ্রনাথের ভাষায়–“রামায়ণ মহাভারত কেবলমাত্র মহাকাব্য বলিলে চলিবে না, তাহা ইতিহাসও বটে; ঘটনাবলির ইতিহাস নহে, কারণ সেরূপ ইতিহাস সময় বিশেষকে অবলম্বন করিয়া থাকে। রামায়ণ মহাভারত ভারতবর্ষের চিরকালের ইতিহাস।” বস্তুত ভারতীয়রা সে সময় দর্শন, ভূগোল, গণিত, বিজ্ঞান নিয়ে প্রভূত চর্চা করলেও সাল-তারিখ সহ ইতিহাস চর্চা শুরু করেননি। তবে সাল-তারিখ না-থাকলেও বাল্মীকির রামায়ণে শুরু থেকে শেষপর্যন্ত যেরকমভাবে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভৌগোলিক স্থানের বিবরণ আছে এবং প্রায় সমস্ত ঘটনার তিথি-নক্ষত্রের উল্লেখ আছে, তাতে এ গ্রন্থকে ইতিহাস না-বলে উপায় নেই। রামায়ণে উল্লিখিত বিভিন্ন স্থাপত্য এখনও রক্ষিত আছে। সাল-তারিখ না থাকার কারণে যদি বাল্মীকির রামায়ণকে ইতিহাস বলতে আপত্তি থাকে–তাহলে মেগাস্থিনিস, টলেমি, প্লিনি, সলিনাস, আম্ব্রোসিয়াস, এরিয়ান, স্ট্রাবো প্রমুখের বিবরণগুলিকে ইতিহাস বলা যায় না। এদের যে গ্রন্থগুলি আমাদের ইতিহাসের উপাদান জোগান দেয়, সেখানেও সাল-তারিখ পাওয়া যায় না। বস্তুত খ্রিস্টাব্দ ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর থেকেই নির্দিষ্টভাবে সাল-তারিখের উল্লেখ হতে শুরু করে। তার আগের ঘটনাগুলিকে খ্রিস্টপূর্বাব্দ বলে চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়। রামায়ণ খ্রিস্টাব্দ ব্যবস্থা চালু হওয়ার বহু বহু আগে রচিত। সময়কালটা খেয়াল রাখতে হবে। ভারতীয়রা অনেক অনেক যুগ পরে প্রকৃত ইতিহাস লিখতে করতে শুরু করেন। ভারতের প্রাচীন ইতিহাস যেটুকু জানতে পারি সেগুলি সবই বিদেশি পরিব্রাজকদের লেখা থেকে। যেমন–মেগাস্থিনিস, টলেমি, প্লিনি, সলিনাস, আস্ত্রোসিয়াস, এরিয়ান, স্ট্রাবো প্রমুখ। প্রাচীন যুগের ভারতে রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণে গল্পের মাধ্যমে ইতিহাস বর্ণিত হয়েছে। সেসময় এমনই রীতি ছিল। অতএব রামায়ণকে নিছক এক কবিকল্পনাপ্রসূত কাহিনি ভাবলে মস্ত বড়ো ভুল হয়ে যাবে।

    অপরদিকে বাল্মীকির রামায়ণ প্রসঙ্গে শ্রীপ্রবোধচন্দ্র সেন লিখেছেন–“রামায়ণ হচ্ছে প্রত্যক্ষতঃ কবিকল্পনার সৃষ্টি, তৎকাল প্রচলিত কাহিনী ও জনশ্রুতিকে সংকলন করার কোনো প্রত্যক্ষ অভিপ্রায় এই গ্রন্থ রচনার মূলে নেই। বরং কবি সচেতনভাবেই প্রচলিত কাহিনীকে কাব্যসৃষ্টির প্রয়োজনে রূপান্তরিত করে নিয়েছেন। যে কহিনী অবলম্বন করে রামায়ণ কাব্য রচিত সে কাহিনী অবশ্য কবিকল্পনা নয়।” অর্থাৎ ঐতিহাসিক উপন্যাসে যেমন ইতিহাসের যথার্থ অনুসরণ না হলেও তা ইতিহাসের ওপরেই রচিত, রামায়ণও তেমনি অনেকাংশে ঐতিহাসিক কাহিনিকাব্য। তুলনীয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘দেবীচৌধুরানী’, ‘রাজসিংহ’; দ্বৈপায়নের মীরজাফর’, ‘মহারাণা প্রতাপ’, ‘পৃথ্বীরাজ চৌহান’; শ্যামল গঙ্গোপাধ্যায়ের শাহজাদা দারাশুকো’ ইত্যাদি।

    রামায়ণ ব্রাহ্মণ ও ক্ষত্রিয়ের বিরোধের ইতিহাস, রামায়ণ আর্য ও অনার্যের আধিপত্যের ইতিহাস, রামায়ণ শৈবধর্ম ও বৈষ্ণব ধর্মের সংঘাতের ইতিহাস, রামায়ণ উত্তর ভারতের সঙ্গে দক্ষিণ ভারতে রাজ্যবিস্তারের ইতিহাস, রামায়ণ অরণ্যচারীদের সঙ্গে কৃষিজীবীদের বিকাশের ইতিহাস–যেভাবেই দেখা হোক না-কেন ইতিহাস নয় কেন? শুধু রামায়ণ কেন–মহাভারত, পুরাণ সবই কাব্যের মোড়কে ইতিহাস তো বটেই। মানুষের সমীহ আদায়ের জন্য, মানুষকে ভয় দেখানোর জন্য অলৌকিক ঘটনার অবতারণা করা হয়েছে এবং দেবত্ব আরোপ করা হয়েছে। মানুষ যা পারে না, তাই-ই দেবতারা পারে! তাই মহাভারত-রামায়ণে যখনই অতিশক্তি অলৌকিকতার প্রয়োজন হয়েছে তখনই দেবতার ম্যাজিক উত্থাপন হয়েছে। আসলে এর মাধ্যমে ক্ষত্রিয় আর ব্রাহ্মণদের আধিপত্য বিস্তার করেছে। ব্রাহ্মণদের ভয় করতে শুরু করেছে বাকিরা। রামায়ণ যতটা না ইতিহাস, তার চেয়ে বেশি অলৌকিক হয়ে উঠেছে। যুক্তিবাদী সত্যসন্ধানীরা রাজহাঁসের মতো দুধ থেকে জল বাদ দিয়ে পান করতে পারলে লাভবান হবেন। ভক্তি থাক বা না-থাক, রামায়ণ ইতিহাসের আকর হয়েই থাকবে।

    কবি বা লেখক কেউই সমাজের বাইরের সদস্য নয়, সমাজ বহির্ভূত অলৌকিক কেউ নন। তাই যিনিই লিখুন, যখনই লিখুন তাঁর রচনার সমাজের কিছু চিত্র লিপিবদ্ধ হবে এতে আশ্চর্যের কী আছে! ইতিহাসে অলৌকিক বিষয় লিপিবদ্ধ হয় না, অপরদিকে সাহিত্যে অলৌকিকত্ব লিপিবদ্ধ করার অবাধ স্বাধীনতা রয়েছে। কোনো সাহিত্যিকের সাহিত্যে বা কাব্যে অলৌকিকত্ব প্রমাণ করার কোনো দায় নেই। কিন্তু ইতিহাস সে দায় এড়িয়ে যেতে পারে না।

    আমাদের যে ইতিহাস জ্ঞান তার সবই বিদেশি ঐতিহাসিকদের থেকে অর্জন করেছি। প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের কোনো ইতিহাস ভারতীয়রা লিখে উঠতে পারেননি। সেই ইতিহাসটা সম্পূর্ণই অন্ধকারে। মুসলমান আক্রমণের আগে ভারতের বহু ইতিহাস পাওয়া যায় না ভারতীয়রা দর্শন, কাব্য, বিজ্ঞান বিষয়ক ভুরি ভুরি মূল্যবান গ্রন্থ রচনা লিখেছেন, কিন্তু একটিও ইতিহাস লেখেননি। প্রাচীন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে ব্রাহ্মণরাই পণ্ডিত ও উচ্চশিক্ষিত ছিলেন। কিন্তু তাঁরা পরম পিতার ধ্যানেই লিপ্ত থাকতেন। আধ্যাত্মিকতায় বিভোর থাকবেন। এতটাই বিভোর থাকতেন যে, তাঁরা অত্যাবশ্যক ঘটনাগুলি লিপিবদ্ধ করে উঠতে পারেননি। ভারতীয় প্রাচীন ইতিহাস গভীর তমসাচ্ছন্ন ছিল। ম্যাক্রিন্ডল বলেন, গ্রিক ও রোমান গ্রন্থকারের বর্ণনা না-থাকলে তৎকালীন ভারতীয় ইতিহাসের কোনো উপাদানই পাওয়া যেত না। সেলুকাসের দূত মেগাস্থিনিসের ‘ভারতের বিবরণ থেকে আমরা বেশকিছু প্রাচীন তথ্য জানতে পারি। যদিও মেগাস্থিনিসের ইতিহাসে প্রচুর অলৌকিক, উদ্ভট বর্ণনা আছে। সেসব মেগাস্থিনিস কোথায় পেলেন সেটা মেগাস্থিনিসই জানেন। তবে মেগাস্থিনিসের ইতিহাস পাঠ করলেই বোঝা যায়, প্রাচীন যুগে মানুষদের মধ্যে সুপারন্যাচারাল উদ্ভট কাহিনি লেখার সংক্রমণ ছিল। রামায়ণ, মহাভারত, ৩৬টি পুরাণ ইত্যাদি সব কাহিনিই একইভাবে ভয়ানক সংক্রমিত। শুধুমাত্র প্রাচীন যুগেই নয়, মধ্যযুগের অনেকটা সময় পর্যন্ত সুপারন্যাচারাল কাহিনির রমরমা। এমনকি মেগাস্থিনিস, হিউয়েন সাঙ, ফা হিয়েন, ইবনবতুতার গ্রন্থগুলিতে এমনই সব সংখ্য সুপারন্যাচারাল কাহিনি পাওয়া যায়। সেই উর্বর মস্তিষ্কের চাষবাস মানুষ এখনও অন্ধের মতো বিশ্বাস করেন। মেগাস্থিনিস, হিউয়েন সাঙ, ফা-হিয়েন, ইবান বতুতা, আবুল ফজল, বাণভট্ট, কনুন, বিহুন–এঁরা যাঁদের পৃষ্ঠপোষকতায় থাকতেন, তাঁরা তাঁদের প্রভুদেরই গুণগান লিখে গেছেন অতিরঞ্জিত করে।

    যেসব ইতিহাস আর জীবনী নিয়ে আমাদের ইতিহাসজ্ঞান ও ইতিহাসের উপাদান বলে মাথায় করে রেখেছি, সেগুলি মিথ্যাকথন আর অলৌকিকতার সাজানো। প্রাচীন যুগ ও মধ্যযুগের শেষদিক পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত ছিল। হিউয়েন সাঙ তাঁর ভারতভ্রমণ নিয়ে যে গ্রন্থটি লিখেছেন সেখানে কীভাবে অলৌকিকত্ব ও মিথ্যাচার লিপিবদ্ধ হয়েছে, তা একটু দেখে নিতে পারি। হিউয়েন সাঙের ভারত বিবরণ থেকে জানা যায়, হিউয়েন সাঙ ভারতে এলে কামরূপের রাজা ভাস্করবর্মন তিন-তিনবার নিমন্ত্রণ পাঠালেও হিউয়েন তাঁর রাজ্যে যাননি। হিউয়েন সাঙ যাতে তাঁর রাজ্যে যায়, সেজন্য নালন্দার আচার্য শীলভদ্রের কাছে দু-দুবার দূত মারফত সংবাদ পাঠান ভাস্করবর্মন। কিন্তু খুব শীঘ্রই দেশে ফিরে যাবে এই অজুহাতে হিউয়েন সাঙ না-গেলে, ভাস্করবর্মন ক্ষেপে গিয়ে হুমকি দিয়ে পত্র পাঠিয়ে বলেন, যদি হিউয়েন না-আসেন তবে শশাঙ্ক রাজা যেভাবে বৌদ্ধধর্মের নাশ করেন এবং বোধিবৃক্ষ ধ্বংস করেন তিনিও ওইভাবে সেনা ও হাতি পাঠিয়ে নালন্দা মহাবিহার ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবেন। পাঠক বিশ্বাস করব, নাকি যাচাই করব? আসুন, যাচাই করি–এ ঘটনা ব্রাহ্মণ্যধর্ম বা হিন্দুধর্মের বিরুদ্ধে বৌদ্ধধর্মের নির্জলা মিথ্যাচার। প্রথমত, একজন বৌদ্ধ শ্রমণের জন্য ভাস্করবর্মণ নালন্দা মহাবিহারই গুঁড়িয়ে দিতে চাইবেন? ভাস্করবর্মন গবেট নাকি? দ্বিতীয়ত, মহাবিহার নিজের রাজ্যে নয়, সম্রাট হর্ষবর্ধনের রাজ্যে। কেউ অন্য রাজ্যে মহাবিহার ভেঙে দিয়ে যাবে, মামদোবাজি নাকি! এছাড়া ধর্মীয় অলৌকিকত্বে বিশ্বাসী হিউয়েন সাঙ অলৌকিকতার ক্ষেত্রেও কিন্তু কোনোরূপ ত্রুটি রাখেননি তাঁর লেখায়। তিনি যেমন বৌদ্ধ বোধিসত্ব মূর্তি, বুদ্ধমূর্তি, স্তূপ, দেহাবশেষের অলৌকিকত্বের বর্ণনা করেছেন, তেমনই হিন্দু দেবদেবী, বিগ্রহ বা মন্দিরের অলৌকিকত্ব ও মহিমা ব্যক্ত করতে কুণ্ঠিত হননি। তবে পরস্পরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে ধর্ম কোন্ অতলে খসে গিয়েছিল, কীরূপ পসরা সাজিয়েছিল, তা এইসব গ্রন্থে অজস্র উদাহরণ পাওয়া যায়। শুধু হিন্দুধর্মেই নয়, সব ধর্মগ্রন্থগুলিতেই এইসব চরম অলৌকিকতা সমানভাবে বর্ণিত হয়েছে। ভারতীয় তৎকালীন সমাজ তথাকথিত ধর্মীয় পরিবেশে ধর্মের মহিমা ও মাহাত্ম্য বাড়াতে গিয়ে নানা গালগল্পের আষাঢ়ে গোরুর মতো অতিরঞ্জিত করে ইতিহাসকে বিকৃত করে সত্যকে অতলে তলিয়ে দিতে পিছপা হননি কেউ। পুরাণ, রামায়ণ, মহাভারতও এর বাইরে নয়। মনে রাখতে হবে, প্রাচীন যুগে মানুষ ভারত উপমহাদেশকে ভারত নয়, ‘ব্রাহ্মণের দেশ’ বলেই চিনত।

    প্রথম অলৌকিকতামুক্ত ইতিহাস রচিত হয় সম্ভবত ব্রিটিশদের হাত ধরেই। অলৌককতা মুক্ত হলেও মিথ্যাচার অব্যাহতই ছিল। ইংরেজরা ভারতে উপনিবেশ গড়ার পর ব্রিটিশ ইতিহাসবিদরা অলৌকিকতা বর্জন করলেও মিথ্যাচারের পথেই ইতিহাস রচনার ব্রতী হয়েছিলেন। বিশেষ করে উদ্দেশ্যপ্রোণদিতভাবে হিন্দু-মুসলমানের ঘটনা লিপিবদ্ধ করতে গিয়ে মুসলমানদের বিরুদ্ধে ভুড়িভুড়ি মিথ্যাবর্ণন করে সমাজে বিদ্বেষ ছড়িয়েছে। তাঁদের শাসনকার্য নিরঙ্কুশ করতেই ‘ভাগ করো, শাসন করো’ (divided and rule policy) প্রয়োগ হল শুরু থেকেই, জাতিকে দুইভাগে ভাগ করে নির্বিঘ্নে ২০০ বছর টিকেছিল এবং জাতিকে দুইভাগ করেই তাঁরা ভারত ছেড়েছেন। যাই হোক, আমরা কিন্তু সেই মিথ্যাচারগুলি বিশ্বাস করি! সেই যে বিদ্বেষের বীজ বপন করে গেছেন তাঁরা, আজ তা বিষবৃক্ষ।

    ইতিহাস কাকে বলে? ইতিহাসবিদরা বলেন–ইতিহাস সেটাই, যেখানে বিশেষ রাজবংশ বা ঘটনাবলির নামমালা বা যুদ্ধকৌশলের বর্ণনামাত্র। আমি মনে করি না ইতিহাস বলতে এটুকুই বোঝায়। বরং এই তত্ত্বে বলা যায়, এটা ইতিহাসের সংযোগস্থলমাত্র। কিন্তু ইতিহাসের তো এটুকুই ধর্ম হতে পারে না। হলে তা আংশিক হয়, অর্ধ-ইতিহাস হয়। এই ইতিহাস মানুষের কাজে আসে না, যতক্ষণ-না মানবজীবন বা তৎসমষ্টির উত্থাপন, উন্নতি, অবনতি এবং তার পুনরুদয় ও তৎসহ আনুষঙ্গিক বৃত্তিসমূহ যথার্থ প্রতিকৃতি দ্বারা প্রদর্শিত হয়। ততক্ষণ পর্যন্ত ইতিহাসও নয়। অনেকে বলে থাকেন, প্রাচীন ভারতের কোনো ইতিহাস নেই। একথা পুরোপুরি সত্য নয়। কারণ প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের উপাদান রয়েছে রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণগুলিতে। মুনি-ঋষি মহাকবিরা এই কাহিনিগুলিতে গালগপ্পো রচনা করেননি। অলৌকিক ও অ-পার্থিব বর্ণনার সংমিশ্রণে অতিকল্পনার স্বপ্নপূরণে তাঁরা ইতিহাসকেই সংরক্ষণ করে গেছেন। রামায়ণকে কেবল কল্পনা-কাব্য বলে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না। আখ্যানময় ইতিহাসের মধ্য দিয়ে বিজ্ঞানময় ইতিহাসে প্রবেশার্থে সচ্ছল পথস্বরূপ। এইসব রচনায় অ-জাগতিক বর্ণনা উপস্থিত থাকলেও ইতিহাস নয় একথা বলা যায় না। সর্বাঙ্গীণ ইতিহাস নয় ঠিকই। কোন্ প্রাচীন ইতিহাসই-বা সর্বাঙ্গীণ! গ্রিসের প্রাচীন ইতিহাস, মিশরের প্রাচীন ইতিহাস, রোমের প্রাচীন ইতিহাসকে সর্বাঙ্গীণ ইতিহাস বলা যায়? অতিরঞ্জন ও অতিকথন কি নেই? ইউরোপীয়রা যদি ট্রয়ের যুদ্ধকে ইতিহাস পদবাচ্য করে তৃপ্তিসাধন করতে পারে, তবে আমরা কেন রাম-রাবণের যুদ্ধকে, কৌরব-পাণ্ডবের যুদ্ধকে কালনির্ণয়পূর্বক ইতিহাস বলে মেনে নিতে দ্বিধান্বিত হব।

    অতিরঞ্জিত, অতিকথন, অতিশোয়াক্তি, দেবতারোপ, অধ্যাত্মবাদ তথা সুপারন্যাচারাল বিষয়গুলি দূরে সরিয়ে রাখলে রামায়ণের ইতিহাস হয়ে উঠতে বাধা কোথায়? একটু তলিয়ে দেখা যেতে পারে–রামায়ণ মূলত শিববিদ্বেষী আর্যদের (শ্রীরামচন্দ্র) সঙ্গে শিবভক্ত অনার্যদের (রাবণ) বিরোধের ইতিহাস। প্রাবন্ধিক হরপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলছেন–“হরধনুতে জ্যা আরোপণ করতে যে সক্ষম হবে অর্থাৎ শিবভক্ত অনার্যদের প্রতিরোধ করতে সক্ষম ব্যক্তির হস্তেই তিনি নিজ কন্যা তথা এই কৃষিবিদ্যা সমর্পণ করবেন, এটাই ছিল রাজা জনকের সংকল্প।” দক্ষিণ ভারতে শ্রীরামচন্দ্র কৃষিকার্যের বিস্তার করেছেন এমন কোনো কোনো প্রমাণ বাল্মীকি রামায়ণে নেই। ভারতের প্রাচীন ইতিহাসের অনেক উপাদান রামায়ণ, মহাভারতে কখনো রূপক হিসাবে কখনো-বা সরাসরিই পাওয়া যায়। প্রাগৈতিহাসিক, অনৈতিহাসিক সমস্ত লুপ্ত ইতিহাস উদ্ধারের জন্য পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণের উপর নির্ভর করতেই হয়। রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণগুলিতে ভারতের অনেক লুপ্ত ইতিহাস আলোকিত হয়েছে। শুধু রামই নয়, রাম সহ রামায়ণের অন্যান্য চরিত্রগুলিও সমান ঐতিহাসিক। হ্যাঁ, অতিরঞ্জিত হয়েছে কোথাও কোথাও। হতেই পারে, ইতিহাসে অতিরঞ্জন তো হয়ই। ঐতিহাসিক রচিত্র চন্দ্রগুপ্ত, অশোক, আকবর, ঔরঙ্গজেব, বুদ্ধ, মোহম্মদ, জিশু, শাহজাহানের ইতিহাস কি অতিরঞ্জিত হয়নি! এরা যথার্থ ইতিহাস হলে রাম রাবণ-সীতা নয় কেন? বস্তুত বাল্মীকির রামায়ণ (অন্য কোনো রামায়ণ নয়) আর্য সাম্রাজ্যবাদীদের দাক্ষিণাত্যে ও সাগরপারে দক্ষিণী দ্বীপ লঙ্কাবিজয়ের কাব্যরূপ ইতিকথা। এর সঙ্গে অলৌকিক অপার্থিব দেবদেবতাদের কোনো সম্পর্ক নেই। প্রাচীন যুগে রাজা ও পুরোহিত সম্প্রদায়কে জগৎ-স্রষ্টার সমকক্ষ ভাবা হত, ভাবানো হত। তা ইতিকথা আর নির্জলা ইতিহাস হয়ে যায়। সময়ান্তরে অবয়বে জমতে থাকে রূপকথার শ্যাওলা। সেই রীতি অনুসারে ইতিহাসের সঙ্গে রূপকথার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে রামকথার কথকরা পরবর্তীকালে রাজা রামচন্দ্রকে ঈশ্বরের অবতার এবং কালক্রমে স্বয়ং ঈশ্বররূপে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    বাল্মীকি, বেদব্যাসরা তাঁরা তাঁদের মহাকাব্যে কোনো সত্যই গোপন করেননি। গোপন করেছি আমরা, সুবিধাবাদী ধান্ধাবাজেরা। বাল্মীকির রামায়ণকে অবমাননা করে অগ্রাহ্য করে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করে চলেছি। সত্য সামনে এসে পড়লেই মারমুখী। বাল্মীকি, বেদব্যাসরা সত্যকে সত্য, মিথ্যাকে মিথ্যা বলেছেন, ন্যায়কে ন্যায়, অন্যায়কে অন্যায় বলেছেন। ঘোঁট পাকাচ্ছি আমরা, আমরা মানে ভণ্ড ধার্মিকেরা। বেশি ভক্তিরস দেখাতে গিয়ে ইতিহাসকেই অস্বীকার করে ফেলছি, সত্যকে অস্বীকার করছি। প্রাবন্ধিক হিসাবে আমি বলব–মূল সংস্কৃত ভাষায় লেখা বাল্মীকির রামায়ণ পড়ন। সংস্কৃত ভাষা যাঁরা জানেন না, তাঁরা হেমচন্দ্র ভট্টাচার্যের অনূদিত বাংলা ভাষায় রামায়ণ পড়ুন। পণ্ডিতপ্রবর হেমচন্দ্র ভট্টাচার্য মহাশয় তাঁর অনুবাদ গ্রন্থটিতে বাল্মীকি রচিত সংস্কৃত রামায়ণের মূলানুসারী অনুবাদক্রিয়ায় অসাধারণ কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন। একদিকে তিনি যেমন মূল রামায়ণের প্রতিটি তথ্যকে যথাযথভাবে তুলে ধরেছেন বাংলা প্রতিশব্দের মাধ্যমে, তেমনি অপরদিকে মহাকাব্যকে উপমা অলংকার সংবলিত বিরাট রসৈশ্বর্যটিকেও অবিকৃতভাবে পরিবেশন করেছেন। কোথাও ন্যূনতম সংযোজন ও বর্জন করার ধৃষ্টতা দেখাননি। তাঁর অনূদিত রামায়ণ অনেক চিরাচরিত ভুল ধারণারও নিরসন হয়েছে। আমার গ্রন্থের মূল হাতিয়ারই হল হেমচন্দ্র ভট্টাচার্যের রামায়ণ।

    বীরেন্দ্র মিত্র তাঁর ‘রামায়ণে দেবশিবির’ গ্রন্থে স্পষ্ট করে বলেছেন–“ধর্মাধর্মের সঙ্গে নিঃসম্পর্কিত রামকথায় প্রতিভাসিত হয়েছে যে আশ্চর্য পুরাবৃত্ত, সেটি যেমন রাবণের তেমনিই আবার রামচন্দ্রেরও করুণ পরিণতির ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আর্য দেববাহিনী এবং ব্রহ্মাবাদী ব্রাহ্মণদের চরম বিশ্বাসঘাতকতা ও নিষ্ঠুরতা তদানীন্তন ভারতবর্ষে যে ভয়াল এক রাষ্ট্রব্যবস্থার পত্তন করেছিল, উত্তরকাণ্ড সহ বাল্মীকি রামায়ণে তারই পর্বানুক্রমিক চিত্ৰণ অনুসন্ধিৎসু পাঠককে অভিভূত করে। রামায়ণ সম্পর্কিত বিভ্রান্তির মূলে আছে রামস্তুতিমূলক বাজার-চালু রামচরিতগুলি–সাধারণ্যে সেই নবরূপায়িত কল্পিত কাহিনিমালাই রামায়ণ’ নামে প্রচলিত, কিন্তু সেগুলির কোনোটিই প্রকৃত রামকথা নয়, প্রাচীন পুরাবৃত্তের অপব ঘটিয়ে এই স্তবকুসুমাঞ্জলি বিরচিত। ঐ সব গ্রন্থে ইতিহাস অবলুপ্ত হয়েছে উপন্যাসের কথা-আবর্জনার তলায়। রামচন্দ্রের জীবনাবসানের কয়েক সহস্রাব্দ পরে গ্রন্থিত হয় বাল্মীকি রামায়ণ। আবার সেই আদি মহাকাব্য বিরচিত হওয়ারও কয়েক শতক পরে হয়েছিল রামচন্দ্রের অবতারি প্রতিষ্ঠা। তৎপরবর্তী আমলে যথেচ্ছ ভক্তিমূলক প্রক্ষিপ্ত রচনার দ্বারা সম্ভবত মূল রামকথায়ও বিকৃতি ঘটতে শুরু করে। যে আগ্রাসী ব্রাহ্মণরা ক্ষমতা লালসায় অযোধ্যাকে শ্মশান বানিয়ে দীর্ঘকাল রামের পিতৃরাজ্যকে জনশূন্য করে রাখেন, সেই ব্রাহ্মণনেতৃত্বেরই পাহারাদার দুর্বুদ্ধিজীবী মতলবী ব্রাহ্মণ কথকরা পুনরায় রামকে ভগবান বানিয়ে এককালে ব্রাহ্মণ্যশোষণের বনিয়াদটি পাকাঁপোক্ত করে নেন।”

    রামায়ণের ভিতরে ঢোকার আগে স্পষ্ট করে বলে নিতে চাই–কৃত্তিবাস, রঙ্গনাথন, তুলসীদাস রচয়িতাদের ভক্তিরসে ভোবানো রামায়ণ বা রামকথা যথার্থ রামায়ণ নয়। সেইসব রামায়ণ নিয়ে আমার আগ্রহ নেই। আমার আগ্রহ বাল্মীকি বিরচিত রামায়ণেই। হতাশ হবেন না, কোথাও কোথাও আঞ্চলিক অন্য কবিদের রূপকথাগুলি উল্লেখ করেছি তুলনামূলক সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধরার জন্য। ইতিহাসের সন্ধানে আমি বাল্মীকির রামায়ণেই থাকব। বাল্মীকির রামায়ণ কি কিংবদন্তি, না মিথ? বাল্মীকির যে রামায়ণটি আমরা পাই, সেটির সম্পূর্ণ অংশ কিংবদন্তি নয়। আবার সম্পূর্ণ অংশ মিথও নয়। আদি বাল্মীকি বিরচিত অযোধ্যাকাণ্ড থেকে যুদ্ধকাণ্ড এই পাঁচটি কাণ্ড কিংবদন্তি। প্রক্ষিপ্ত রচনা বালকাণ্ড বা আদিকাণ্ড ও উত্তরকাণ্ড দুটিকে আংশিক কিংবদন্তি বলাই যায়। কিংবদন্তি হল সেটাই, যা–(১) এই ধরনের কাহিনিতে মানুষের কর্মকাণ্ড ও শক্তির উপর বেশি আরোপ করা হয়। মানুষ হল কিংবদন্তি কাহিনির কেন্দ্রীয় চরিত্র, এক অসামান্য ব্যক্তিচরিত্র এবং তাঁর কার্যাবলিই কিংবদন্তির বিষয়বস্তু। (২) কিংবদন্তি কাহিনিগুলিতে ঐতিহাসিক, সামাজিক বা সাংস্কৃতিক ভিত্তি থাকে। পুঙ্খানুপুঙ্খ ভৌগোলিক বিবরণ থাকে। কোনো একটি বিশেষ অঞ্চলের সংস্কার, সামাজিক রীতিনীতি, লোকাঁচার, লোকবিশ্বাসের উপর করে গড়ে ওঠে। (৩) সম্পূর্ণ যথার্থ না-হলেও বর্তমান সময়ের ভিত্তিতে কিংবদন্তির ঘটনাগুলির একটি আনুমানিক কালপঞ্জি থাকে। (৪) কিংবদন্তির গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনে সহায়ক উপাদান হিসাবে বিভিন্ন কাল্পনিক উপাদানকে ব্যবহার করা হয়। অপরদিক মিথ হল সেটাই, যা–(১) এই ধরনের কাহিনিতে ঈশ্বর বা দেব-দেবতাদের কর্মকাণ্ড ও শক্তির উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করা হয়। এই কাহিনিগুলিতে অলৌকিক জগতের ঈশ্বর বা দেব-দেবতারাই নায়িকা। (২) মিথের কাহিনিগুলি মূলত ধর্মভিত্তিক, ধর্মীয় বিশ্বাস, ধর্মীয় সংস্কার, ধর্মীয় রীতিনীতি, পুজো-প্রার্থনা, ধর্মোৎসব, উপাচার ইত্যাদির ভিত্তিতে গড়ে ওঠে। (৩) মিথে বর্তমান সময়ের নিরিখে ঘটনাভিত্তিক ধারাবাহিক সময়কালের উল্লেখ বা কালপঞ্জি থাকে না। (৪) মিথে ব্যক্তি বা ঘটনার সঠিক কোনো প্রমাণ বা ঐতিহাসিক ভিত্তি থাকে না। ভিত্তি থাকলেও তা অত্যন্ত দুর্বল হয়। যেমন–হিন্দু পুরাণোক্ত সৃষ্টির পর পৃথিবী একটি কচ্ছপের মাথার উপর অবস্থান করত। কিংবা ক্ষুধার্ত হনুমানের সূর্যকে ফল ভেবে খাওয়ার জন্য লাফ দেওয়া, বাইবেলে নোয়ার কাহিনি, রোমের রোমুলাসের জীবনকাহিনি ইত্যাদি। (৫) মিথের গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পিছনে সহায়ক উপাচার হিসাবে উপমার ব্যাপক করা হয়। কিংবদন্তিতে বাস্তব চরিত্রে কাল্পনিক রূপ পায়, মিথের সব চরিত্রই কাল্পনিক।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }