Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুক্তিবাদীর চোখে রাম ও রামায়ণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    লেখক এক পাতা গল্প462 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৭. লক্ষ্মণ : কর্তব্যনিষ্ঠ, ক্রোধী, বলশালী, অকুতোভয় এবং স্পষ্টবক্তা

    লক্ষ্মণ রামের বৈমাত্রেয় ভ্রাতা ও তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী। অযোধ্যার রাজা দশরথের কনিষ্ঠা মহিষী সুমিত্রার দুই যমজ পুত্র হলেন লক্ষ্মণ ও শত্রুঘ্ন। মূল রামায়ণে লক্ষ্মণের মাতা সুমিত্রার কোনো পিতৃপরিচয় উল্লেখ করেননি কবি। কিন্তু মহাকবি কালিদাস বলেছেন সুমিত্রা মগধের মেয়ে। আবার কৃত্তিবাস বলেছেন সিংহলে সুমিত্রার বাপের বাড়ি।

    লক্ষ্মণ রামের অত্যন্ত অনুগত ছিলেন। বিশ্বামিত্র রাক্ষসবধের জন্য রামকে আমন্ত্রণ জানালে লক্ষ্মণ তাঁর সঙ্গী হন। পরবর্তীকালে তিনি রামকে পিতার আদেশের বিরুদ্ধে বনগমনে না-যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু রাম বনবাসে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অটল থাকলে, লক্ষ্মণও তাঁর সঙ্গে বনে যান। বনবাসকালে তিনি একাধারে রামের ভাই, বন্ধু ও সহায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন। লঙ্কার যুদ্ধে তিনি রাবণের পুত্র মেঘনাদ সহ আর অনেক বীরপুরুষদের হত্যা করেছিলেন। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর ‘মেঘনাদবধ কাব্যে’র ষষ্ঠ সর্গে বলেছেন, লক্ষ্মণের হাতে অন্যায় যুদ্ধে মৃত্যু ঘটে অসমসাহসী বীর মেঘনাদের। মায়াদেবীর আনুকূল্যে এবং রাবণের অনুজ বিভীষণের সহায়তায়, লক্ষ্মণ শত শত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে প্রবেশে সমর্থ হয়। কপট লক্ষ্মণ নিরস্ত্র মেঘনাদের কাছে যুদ্ধ প্রার্থনা করলে মেঘনাদ বিস্ময় প্রকাশ করে। শত শত প্রহরীর চোখ ফাঁকি দিয়ে নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষ্মণের অনুপ্রবেশ যে মায়াবলে সম্পন্ন হয়েছে, বুঝতে বিলম্ব ঘটে না তার। ইতোমধ্যে লক্ষ্মণ তলোয়ার কোশমুক্ত করলে মেঘনাদ যুদ্ধসাজ গ্রহণের জন্য সময় প্রার্থনা করে লক্ষ্মণের কাছে। কিন্তু লক্ষ্মণ তাকে সময় এবং সুযোগ না দিয়ে আক্রমণ করে। লক্ষ্মণের মেঘনাদবধ প্রসঙ্গে অন্য কবিরা ‘তস্কর’ কাপুরুষ’ শিরোপা দিলেও, বাল্মীকির রামায়ণে এর কোনো সমর্থন পাওয়া যায় না। বাল্মীকির রামায়ণে লক্ষ্মণ রীতিমতো বীরত্ব প্রদর্শন করে মেঘনাদ সহ অসংখ্য বীরপুরুষদের হত্যা করেছেন বাহুবলেই এবং রণক্ষেত্রেই। অর্থাৎ নিকুম্ভিলা যজ্ঞাগারে লক্ষ্মণ নিরস্ত্র অসহায় মেঘনাদকে চোরের মতো হত্যা করেছেন, একথা সত্য নয়–এটা কাহিনি কষ্টকল্পনা। লক্ষ্মণ মেঘনাদকে হত্যা করেছেন বানরসৈন্য ও রাক্ষসসৈন্যের সঙ্গে সংগ্রামে এক দ্বৈত শরযুদ্ধে।

    মেঘনাদের এমন বর ছিল যে, যে ব্যক্তি ১৪ বছর না খেয়ে, না ঘুমিয়ে ব্রহ্মচর্য পালন করবেন তিনি শুধু মেঘনাদকে বধ করতে পারবেন। বনবাসের সময় ১৪ বছর শ্রীরামের ভ্রাতা লক্ষণ এই মহা কঠিন কার্য ও শক্তি অর্জন করেন। লক্ষ্মণ ১৪ বছর না খেয়ে না ঘুমিয়ে ছিলেন কোন্ দুঃখে! অরণ্যে প্রবেশের পর লক্ষ্মণ জানতেন বউদি সীতাকে রাবণ অপহরণ করবেন? যদি জানতেন তবে কেন সীতাকে একা অরক্ষিত রেখে রামের আর্ত চীৎকার শুনে গভীর অরণ্যে প্রবেশ করলেন? ‘লক্ষ্মণের গণ্ডি’ একটি পরিকল্পিত প্রক্ষিপ্ত, মনগড়া। বাল্মীকির রামায়ণে এমন ঘটনার উল্লেখ নেই। নারীর স্বাধীনতা এবং সীমাবদ্ধতাকে নির্দিষ্ট করে দিতেই পুরুষতান্ত্রিক সংযোজন।

    সীতাকে অপহরণের ফলে তাঁকে লঙ্কায় যেতে হবে এবং মেঘনাদকে হত্যা করতে হবে জানতেন? রামের ১৪ বনবাস হলে তাঁর সঙ্গে লক্ষ্মণের বেরিয়ে আসাটা কি সেই কারণে? কোথায়, এমন আভাস তো বাল্মীকি সহ অন্য কবিরা রামায়ণে দেননি! মেঘনাদকে হত্যা করতেই যদি ১৪ বছর না-খেয়ে না-ঘুমিয়ে থাকতে হয়, তাহলে এত ছলনা আর চালাকির কী ছিল? মেঘনাদের মৃত্যু যখন ১৪ বছর না-খেয়ে না-ঘুমিয়ে থাকা ব্যক্তির। হাতেই নিশ্চিত, তবে কেন কাপুরুষের মতো নিরস্ত্র মেঘনাদকে না-মেরে সশস্ত্র মেঘনাদকে বীরের মতো লক্ষ্মণ হত্যা করেননি। এর আগে তিন তিনবার মেঘনাদের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধ করে লক্ষ্মণ পরাজিতও হয়েছিল, লক্ষ্মণ জয়ী হল তখনই যখন মেঘনাদ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত নয়, সমরসজ্জায় সজ্জিত নয়। তাছাড়া ১৪ বছর না-খেয়ে না-ঘুমিয়ে লক্ষ্মণ কী করতেন? দাদা-বউদিকে পাহারা দিতেন? ভাই না-খেয়ে না-ঘুমিয়ে থাকতেন, আর দাদা বউদি স্বার্থপরের মতো নিশ্চিন্তে ঘুমোতেন কীভাবে? অভুক্ত ভাইয়ের সামনে মুখে কীভাবে খাবার তুলতেন তাঁরা? উত্তর নেই।

    লক্ষ্মণের স্ত্রী ঊর্মিলা ছিলেন মিথিলারাজ জনক এবং রানি সুনয়নার মেয়ে, অর্থাৎ সীতার বোন। লক্ষ্মণ জানান, রামের ১৪ বছর বনবাসের কথা। এবং এও জানান তিনিও রাম সীতার সঙ্গে বনবাসে যাবেন। ঊর্মিলা যখন লক্ষ্মণের কাছ থেকে রামের ১৪ বছর বনবাসের কথা জানতে পারেন এবং এও জানতে পরেন যে তিনিও রাম ও সীতার সঙ্গে বনবাসে যাবেন। তখন এই কথা শুনে নিজের মনকে যতটা সম্ভব শান্ত রাখেন ঊর্মিলা। অবিচলিত থাকেন স্বামীর সামনে। জানিয়ে দেন, তাঁরও উচিত স্বামী লক্ষ্মণের পথ অনুসরণ করা। কিন্তু তিনি তা করবেন না। কারণ তিনি গেলে লক্ষ্মণ সেভাবে মন দিয়ে রাম-সীতার সেবা করতে পারবেন না। লক্ষ্মণ যাতে দাদা-বৌদির সেবা করতে পারেন, সেজন্য স্ত্রী ঊর্মিলা অযোধ্যাতেই থেকে যান।

    শুধু তাই নয়। নিদ্রাদেবীর কাছে তিনি প্রার্থনা করেন, যাতে এই ১৪ বছর, লক্ষ্মণের সব ঘুম তাঁকে দিয়ে দেন দেবী। এবং বনবাসে গিয়ে অতন্দ্র প্রহরীর হয়ে থাকতে পারেন রামানুজ লক্ষ্মণ। সেই প্রার্থনা মঞ্জুর হয়। রাম লক্ষ্মণ-সীতার বনবাসের ১৪ বছর বা ৫১১০ দিন ঘুমিয়ে ছিলেন ঊর্মিলা। এবং লক্ষ্মণ ছিলেন রাম-সীতার সেবায় নিবেদিত। ৫১১০ দিন লক্ষ্মণের না-ঘুমোনোর ব্যাপারটা না-হয় মেনে নেওয়া গেল গল্পের খাতিরে, কিন্তু না-খেয়ে থাকার ব্যাপারটা! কৃত্তিবাস আর রঙ্গনাথের রামায়ণেই এসব আষাঢ়ে গপ্পো পাওয়া যায়। বাল্মীকির রামায়ণে এসব অবাস্তব গাঁজাখুরি গপ্পো নেই। আসলে বাল্মীকি-পরবর্তী কবিরা আষাঢ়ে গপ্পো ফাঁদতে গিয়ে সব গুলিয়ে ফেলেছেন, মেলাতে পারেননি। অসংলগ্নতার কথা মাথায় রাখেননি। এইসব অর্বাচীন বিদগ্ধ কবিদের কারণেই রামায়ণ আজ বিতর্কের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    লক্ষ্মণ প্রসঙ্গে সাহিত্যসম্রাট ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর ‘রামায়ণের সমালোচনা’ নিবন্ধে লিখেছেন–

    “হিন্দুস্বভাবের জঘন্যতার লক্ষ্মণ আর একটি উদাহরণ। তাহার চরিত্র এরূপে চিত্রিত হইয়াছে যে তদ্বারা লক্ষ্মণকে কর্মক্ষম বোধ হয়। অন্যজাতীয় হইলে সে একজন বড় লোক হইতে পারি, কিন্তু তাহার এক দিনের জন্যও সে দিকে মন যায় নাই। সে কেবল রামের পিছু পিছু বেড়াইল, আপনার উন্নতির কোন চেষ্টা করিল না। ইহা কেবল ভারতবর্ষীয়দিগের স্বভাবসিদ্ধ নিশ্চেষ্টতার ফল।”

    লক্ষ্মণ স্পষ্টবক্তা। কাউকে তিনি উচিত কথা বলতে ছাড়েননি। অপ্রিয় হলেও সত্য কথা উচ্চকণ্ঠে বলতে পারতেন। সে রামই হোক কিংবা দশরথ–কেউই বাদ যাননি। হ্যাঁ, রামও বাদ যাননি। যুক্তিবাদী লক্ষ্মণ তাই প্রণম্য। বিমাতা কৈকেয়ীর বর চাওয়ার প্রসঙ্গটি অস্বীকার করে যুক্তিবাদী লক্ষ্মণ বলেছেন–

    “যদি বর প্রসঙ্গ সত্য হইত, অভিষেক আরম্ভের পূর্বেই কেন তাহার সূচনা না হইল?”

    লক্ষ্মণ বুঝেছিলেন রাম ষড়যন্ত্রের শিকার। এই ষড়যন্ত্রের নেপথ্য কারিগর আর্যদেবতারাই। তাই তিনি রামকে বলেন–

    “আপনি অনায়াসেই দৈবকে প্রত্যাখ্যান করিতে পারেন, তবে কি নিমিত্ত … দৈবের প্রশংসা করিতেছেন। … এই জঘন্য ব্যাপার আমার কিছুতেই সহ্য হইতেছে না। . আপনি যে ধর্মের মর্ম অনুধাবন করিয়া মুগ্ধ হইতেছেন, যাহার প্রভাবে আপনার মতদ্বৈধ উপস্থিত হইয়াছে, আমি সেই ধর্মকেই দ্বেষ করি।”

    পিতা দশরথকে বলেছেন, মেনিমুখো’। বলেছেন–বুড়ো বয়সে খোকা হয়েছেন–“পুনর্বাল্যমুপেয়ুষঃ”। বুড়ো বয়সে ভীমরতি হয়েছে–“বিপরীতশ্চ বৃদ্ধশ্চ স্ত্রিয়ো বাক্যবশং গতঃ”। রামের বনবাসযাত্রাকাল চূড়ান্ত হলে দশরথের উদ্দেশেও লক্ষ্মণ বলেছেন–“মহারাজ বৃদ্ধ হইয়াছেন, তিনি বিষয়াসক্ত কামার্ত ও স্ত্রৈণ, সুতরাং স্ত্রীলোকমন্ত্রণায় তিনি কি না বলিবেন।” এখানেই শেষ নয়, ক্রোধী লক্ষ্মণ এ সময় রামের উদ্দেশে বলেছেন–“আর্য, আপনার এই নির্বাসন-সংবাদ না হইতেই আপনি আমার সাহায্যে সমস্ত রাজ্য হস্তগত করুন। … যে ব্যক্তি ভরতের পক্ষে, যে তাহার হিতাভিলাষ করিয়া থাকে, আমি আজ তাহাদের সকলকেই বিনষ্ট করিব। অধিক আর কী কহিব, পিতা কৈকেয়ীর প্রতি সন্তুষ্ট হইয়া তাঁহারই উৎসাহে যদি আমাদিগের বিপক্ষতা করেন, তবে তাহাকেও সংহার করিতে হইবে। আপনার ও আমার সহিত শত্রুতা করিয়া অদ্য কেহই ভরতকে রাজ্যদান করিতে পারিবে না।” লক্ষ্মণ পিতার উদ্দেশে বলেছেন–“হনিষ্যে পিতরং বৃদ্ধং কৈকয্যাসক্তমানসম্। কৃপণঞ্চ স্থিতং বাল্যে বৃদ্ধভাবেন গর্হিতম।” অতএব পিতাকে হত্যার করার ব্যাপারে লক্ষ্মণের কোনোরূপ দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল না।

    শুধু পিতা দশরথ ও দাদা রামকে নয়, বউদি সীতাকেও তুলোধুনো করতে ছাড়েননি লক্ষ্মণ। পঞ্চবটি বনে রামের চিন্তায় উদ্বিগ্ন সীতা যখন লক্ষ্মণকে বারবার অনুরোধ করছিলেন এবং তাঁর প্রতি লোভ এই অপবাদ দেন, তখন লক্ষ্মণ বলেছিলেন–“ধিক্ ত্বা অদ্য বিনশ্যন্তীং যন্মামেবং বিশঙ্কসে। স্ত্রীত্বাদ দুষ্টস্বভাবেন।” অর্থাৎ এইসব সন্দেহ করছ! তবে মরো তুমি। স্ত্রীলোক তো, আর কী হবে! ভরতও বাদ যাননি। চতুরঙ্গ সৈন্যবাহিনি নিয়ে ভরত চিত্রকুটে পৌঁছেলে লক্ষ্মণ গর্জে উঠে রামকে উদ্দেশ্য করে বললেন–“যাহার নিমিত্ত আপনি রাজ্যচ্যুত হইলেন, এক্ষণে সেই শত্ৰু উপস্থিত হইয়াছে। সে আমাদের বধ্য, তাহাকে বধ করিতে আমি কিছুমাত্র দোষ দেখি না। … এক্ষণে আপনি ওই দুষ্টকে বধ করিয়া সমগ্র পৃথিবী শাসন করুন। আর বসুমতী মহাপাপ হইতে বিমুক্ত হউন। … আমি নিশ্চয় কহিতেছি, ভরতকে সসৈন্যে নিহত করিয়া অদ্য শর-কামুকের ঋণ পরিশোধ করিব।”–“ভরতস্য বধে দোষং নাহং পশ্যামি রাঘব”।

    অন্যায়ের বিরুদ্ধে লক্ষ্মণ সবসময়ই মারমুখী। এরপর ঝাড়লেন সুগ্রীবকে। সুগ্রীবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন রাম। শর্ত একে অপরের বউ ফিরিয়ে দেওয়া হবে, উপরন্তু সুগ্রীব পাবে হৃতরাজ্য। সেই সূত্রেই বন্ধুত্ব। সেই শর্তেই রাম অন্যায়ভাবে বালীতে আড়াল থেকে হত্যা করেছিলেন। না-হলে আর্য হয়ে কোনোমতে অনার্যদের সঙ্গে পিতলা করতে যেতেন না। সেই সুগ্রীব কিনা ভাইকে হত্যা করিয়ে ভাইয়ের স্ত্রীকে ভোগদখল করে, নিজ স্ত্রীকে ফিরে পেয়ে, তদুপরি হৃতরাজ্য ফিরে পেয়ে মাসের মাস নিশ্চিন্তে আছেন! রাম ছেড়ে দিলেও লক্ষ্মণ ছাড়বেন কেন! তাঁর তো মাটি দিয়ে গড়া হৃদয় নয়! তিনি যে লৌহহৃদয়ের অধিকারী। বালীবধের পর চার মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেছে, সীতার অনুসন্ধানে তদন্ত একচুলও নড়েনি। রাজ্য ও রমণীভোগে মাতোয়ারা হয়ে আছেন সুগ্রীব। সুগ্রীবের মহামন্ত্রী হনুমানের অনুরোধে সৈন্যসংগ্রহের আদেশ দিয়েই সুগ্রীব তাঁর কাজ শেষ করে অন্তঃপুরে ঢুকে পড়েন। আর কোনো উদ্যোগই তিনি নেননি। উল্কণ্ঠিত রামকে লক্ষ্মণ জানিয়ে দেন, প্রয়োজনে–“সুগ্রীবকে হত্যা করে বালীপুত্র অঙ্গদকে রাজা করে তাঁর সাহায্য নিয়ে জানকীর খোঁজ করব।” বলেছেন–“মিথ্যাবাদীকে বিনাশ করিব। এক্ষণে বালীর পুত্র অঙ্গদ বানরগণকে লইয়া জানকীর অন্বেষণ করুন।” অঙ্গদকে দিয়ে মধ্যস্থতা করার পর যখন সুগ্রীবের হুঁশ আসে না, তখন লক্ষ্মণ নিজেই পৌঁছে যান। সুগ্রীবের অন্তঃপুরে। রক্তচক্ষু লক্ষ্মণ ধনুকের টঙ্কার শুনিয়ে দিলেন সুগ্রীবকে, সেই টঙ্কার শুনে সুগ্রীবের গলা মুখ শুকিয়ে উঠল। লক্ষ্মণকে কামবশে বিবশ করার জন্য নৃত্যরত গণিকা ও পরমাসুন্দরী তারাকে লেলিয়ে দিলেন। কিন্ত লক্ষ্মণকে কামবাণে বিদ্ধ করা অত সহজ কাজ নয়। উলটে লক্ষ্মণ আরও ক্রুব্ধ হলেন। ঘাবড়ে গিয়ে সুগ্রীব জানালেন, আগামী দশদিনের মধ্যেই সৈন্য সংগ্রহের কাজ শেষ যাবে। সৈন্য সংগ্রহই নয়, সৈন্যবাহিনীদের হুশিয়ারিও দিলেন–“একমাস পূর্ণ হইলে আসিও, নচেৎ বধদণ্ড বহিতে হবে।” লক্ষ্মণ তেড়ে না-গেলে অকৃজ্ঞ সুগ্রীব কিছুতেই কর্তব্য পালন করতেন না। শেষপর্যন্ত কর্তব্যে নয়, লক্ষ্মণের নিশিত শরে বিদ্ধ হয়ে মৃত্যুভয়ে রামচন্দ্রকে সাহায্য করেছেন।

    লক্ষ্মণের কাছে রাম ছিলেন একাধারে যেমন পিতার মতো, তেমনই প্রভু-ভাই-বন্ধুও। রামের অনুপস্থিতিতে লক্ষ্মণ সুগ্রীবকে রাম সম্পর্কে বলেছিলেন–“আমি এই কৃতজ্ঞ বহুদর্শী গুণগ্রামে বশীভূত হইয়া, দাসত্ব স্বীকার করিয়া আছি।” আর বলবেন নাই-বা কেন–বনবাসজীবনের একেবারে গোড়ার দিকে এই লক্ষ্মণই যে রামকে নিজের মনের কথা বলে দিয়েছেন–“জল হইতে মৎস্য উদ্ধৃত হইলে যেমন জীবিত থাকিতে পারে না, সেইরূপ আপনার বিয়োগে আমরা ক্ষণকালও প্রাণধারণ করিতে পারিব না। আপনাকে পরিত্যাগ করিয়া পিতা, মাতা, ভ্রাতা ও স্বর্গই-বা কী, কিছুই অভিলাষ করি না।” সেই লক্ষ্মণ অন্যায়ের প্রতিবাদ করার সময় বদলে যেতে একদণ্ডও সময় নেন না। রামের তীব্র ভাষা শুনে যখন সীতা যখন অপমানিত হচ্ছেন এবং সীতা যখন অগ্নিতে আত্মাহুতি দেবেন বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেন, লক্ষ্মণ আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। লক্ষ্মণ রামের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রোষপূর্ণ চোখে রামের দিকে দৃষ্টিক্ষেপণ করেছেন। লক্ষ্মণ রীতিমতো রামের সিদ্ধান্ত ও আচরণে রামের উপর রুষ্ট হয়েছিলেন। এই কারণে লক্ষ্মণকে চরম শাস্তিও পেতে হয়েছিল। চির অনুগত লক্ষ্মণের সঙ্গে রামের সম্পর্কে গভীর ফাটল দেখাল। এখানেই শেষ হয় না। ছল করে রাজা রাম অযোধ্যা থেকে লক্ষ্মণকে বহিষ্কার করে দেন। এই লক্ষ্মণ বর্জন এবং পরিণতির ঘটনা পূর্বে বিস্তারিত উল্লেখ করেছি। অনিচ্ছাসত্ত্বেও লক্ষ্মণকে দুটি অপ্রীতিকর কাজ করতে হয়েছিল–(১) সীতার অগ্নিপরীক্ষার জন্য চিতা সাজানো এবং (২) সীতাকে একাকী জঙ্গলে রেখে আসা। লক্ষ্মণ জানতেন না কী কারণে সীতাকে জঙ্গলে রেখে আসতে হল, লক্ষ্মণ জানতেন না সীতা আসন্নপ্রসবা। যখন জেনেছেন তখন তিনি হাউহাউ করে কেঁদেছেন। গহীন অরণ্যে সীতাকে রেখে ফিরে আসার সময় বারবার পিছন ফিরে দেখছিলেন–“মুহুর্মুহু পরাবৃত্য দৃষ্টা সীতামনাথবৎ”। শুধু দেখলেনই না, দেখলেন বাল্মীকির আশ্রম পর্যন্ত সীতা নিরাপদে পৌঁছোলেন কি না–“দৃষ্টা, তু মৈথিলীং সীতামাশ্রমে সম্প্রবেশিতা”।

    যাই হোক, বনবাসের শেষে রাম অযোধ্যার রাজা হলে লক্ষ্মণ তাঁর মন্ত্রী নিযুক্ত হন। অরণ্যে যত হত্যাকাণ্ড সব লক্ষ্মণের দ্বারাই সাধন হয়েছিল, যা একজন দেহরক্ষীরা কাজ। রামের সামনে লক্ষ্মণই বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যুদ্ধ করেছেন, এভাবে রামকে সুরক্ষা দিয়েছেন যতদিন পেরেছেন। প্রতিজ্ঞাভঙ্গের অপরাধে রাম তাঁকে পরিত্যাগ করলে, তিনি সরযূ (বালিয়ার কাছে ছেটি-সরযূ নদী গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়েছে। এই সরযূকেই তমসা বলা হত।) নদীর জলে মৃত্যুবরণ করেন। কথিত আছে, লখনউ শহরটি (বর্তমান উত্তরপ্রদেশ রাজ্যের রাজধানী)। লক্ষ্মণ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

    লক্ষণের দুই ছেলে অঙ্গদ ও চন্দ্রকেতু। প্রথম জন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কারুপদ রাজ্য এবং চন্দ্রকেতু প্রতিষ্ঠা করেন মালব প্রদেশের চন্দ্ৰকান্তি নগর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশিখণ্ডী খণ্ড – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article লিঙ্গপুরাণ – অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }