Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুগলবন্দী – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প102 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যুগলবন্দী – পরিচ্ছেদ ৪

    ০৪.

    সেই—সেই রাত্রির পর থেকেই বিপাশা রাত্রে ঘুমোয় না। সারাটা রাত জেগে থাকে। আর প্রায়ই ঘুম থেকে উঠে সোজা সিঁড়ি বেয়ে অনন্য ছাতে চলে যায়-বিপাশা তখন ওর পিছনে পিছনে গিয়ে ধরে আনে। মাঝপথেও অনন্যকে ফিরিয়ে অনাবার চেষ্টা করেছে বিপাশা, কিন্তু পারেনিমত্ত হাতীর শক্তিতে যেন ঐ সময়টা বলীয়ান হয়ে ওঠে অনন্য—ঐ সময়টা অনন্যর কোন জ্ঞানই থাকে না যেন।

    সেই থেকেই রাত জাগার অভ্যাস করেছিল বিপাশা। দিনে ঘুমোয় এবং রাত্রে জেগে থাকে। বিপাশা সর্বক্ষণ দুটি চক্ষু মেলে। প্রথম প্রথম অসুবিধা হত—এখন আর হয় না। শেষরাত্রির। দিকে ঘুমায় বিপাশা।

    স্বামীর দিকে আবার তাকাল বিপাশা। মনটা যেন তার কি এক মমতায় আপ্লুত হয়ে ওঠে। ঘুমোচ্ছে—গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন অনন্য। পাখার হাওয়ায় মাথার চুলগুলো কপালের ওপর এসে পড়ছে। গভীর স্নেহে বিপাশা অনন্যর ললাটে একটি চুম্বন দিল—আলতো ফাঁক দুটি ওষ্ঠ ওর ললাট স্পর্শ করে। অনন্য জানে না যে বিপাশা ইদানীং সারাটা রাত জেগে অতন্দ্র দৃষ্টিতে তারই দিকে তাকিয়ে থাকে। ঘরের যে দরজাটা দক্ষিণের ব্যালকনির সঙ্গে সংযুক্ত সে দরজাটা খুলে রাখলে চমৎকার হাওয়া আসে ঘরে কিন্তু খুলে রাখে না বিপাশা দরজাটা—ঐ অনন্যর জন্যই। ঘড়ির দিকে তাকাল বিপাশা, রাত সাড়ে এগারোটা। দুটো বাজতে এখনও অনেক দেরি।

    রাত দুটোর আগে অনন্যর ঘুম ভাঙবে না। বিপাশা বালকনির দরজাটা খুলে ব্যালকনিতে পা দিল। বিরাট একটা মাধবীলতার ঝাড় নিচ থেকে একেবারে ব্যালকনিতে এসে পড়েছে লতিয়ে।

    ব্যালকনিতে পা দিতেই মৃদু একটা ফুলের সুবাস বিপাশার নাসারন্ধ্রে এসে ঝাপটা দেয়। সেই সঙ্গে এক ঝলক দক্ষিণের বাতাস যেন ওর সর্বাঙ্গে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ক্লান্ত দৃষ্টি তুলে বিপাশা তাকালো গেটের বাইরে রাস্তাটার দিকে।

    মধ্যে মধ্যে রাত্রির ক্লান্ত মুহূর্তগুলি কাটাবার জন্য যখনই ও এসে ঐ ব্যালকনিতে দাঁড়ায়রাত্রির ঐ রাস্তাটার দিকে তাকিয়ে থাকে।

    গাড়ির চলাচল কমে যায়।

    আজ ডাঃ দাশগুপ্তর কথাগুলো বিপাশার আবার মনে পড়ে। ডাঃ দাশগুপ্ত কেন ঐ প্রশ্নটা। করলেন—তারা বিবাহিত জীবনে সুখী কিনা। কেন মনে হল তার ঐ কথাটা? সত্যিই তো তাদের মত সুখী দম্পতিতার তো মনে হয় খুব কমই আছে। আরও জিজ্ঞাসা করছিলেন, ওদের বিবাহের আগে পরস্পরের মধ্যে আলাপ ছিল কিনা!

    ওর বাবা নিবারণ চক্রবর্তীর অবিশ্যি এ বিবাহে খুব একটা মত ছিল না এবং সেটা তিনি প্রকাশও করেছিলেন তার কাছে, অনন্য তাকে বিবাহ-প্রস্তাব করবার পর। বলেছিলেন, খুকী, অনন্য আজ বলছিল সে তোকে বিবাহ করতে চায়—

    তুমি কি বললে?

    হ্যাঁ  বা না কিছুই বলিনি। বলেছি—

    কি বলেছ?

    দুটো দিন ভাববার সময় চাই।

    কেন ওকথা বললে?

    আমার মনটা কেন জানি ঠিক পুরোপুরি সায় দিচ্ছে না মা এই বিবাহে।

    কেন বাবা?

    অনন্যর মাথার গোলমাল আছে, তা ছাড়া তার বাপেরও শুনেছি মাথায় বেশ ছি ছিল—

    বাবা!

    জেনেশুনে একটা পাগলের গুষ্ঠিতে—

    অনন্য কিন্তু সম্পূর্ণ স্বাভাবিক—তুমি অমত কোরো না বাবা।

    তুই সুখী হবি?

    হ্যাঁ  বাবা। রজতশুভ্র ছেলেটি—

    না, বিয়ে করলে আমি অনন্যকেই করব—আর কাউকে নয়।

    নিবারণ চক্রবর্তী অতঃপর আর অমত করেন নি। রজতশুভ্র-রজতশুভ্রর কথা আজ আবার মনে পড়ছে।

    ছেলে হিসাবে রজতশুভ্র হয়ত অনন্যর চাইতে খারাপ ছিল না, বরং কোন কোন দিক ববেচনা করলে অনেক ভালই ছিল।

    রজতশুভ্রকে বিপাশা পছন্দও করত। অনন্যর সঙ্গে আলাপ হবার অনেক আগে থাকতেই রজতশুভ্রর সঙ্গে বিপাশার আলাপ ছিল। একই পাড়ায় কাছাকাছি বাড়ি থাকায় আসা-যাওয়াও ফিল অনেক বেশী তাদের বাড়িতে রজতশুভ্রর।

    অনন্য তাদের গৃহে প্রথম আসার দিনটি মনে পড়ল বিপাশার। তার বাবা সলিসিটার নিবারণ চক্রবর্তী ছিলেন অনিন্দ্য বক্সীর যাবতীয় ব্যবসা ও আইন সংক্রান্ত ব্যাপারে পরামর্শদাতা। অনিন্দ্য বক্সীকে রাঁচীতে রেখে আসার বোধ হয় বছর খানেক পরে একদিন কতকগুলো আইন সংক্রান্ত ব্যাপারে পরামর্শ নেবার জন্যই অনন্য এসেছিল তাদের গৃহে। অনন্যকে সেইদিন সে প্রথম দেখে। অনন্য আর তার বাবা তার ঘরে বসে যখন কথাবার্তা বলছিলেন–কি একটা কাজে বিপাশা তার বাবার ঢুকতেই অনন্য তার দিকে তাকাল।

    নিবারণ চক্রবর্তী প্রথমটা বুঝতে পারেন নি, কি একটা কথার জবাব না পেয়ে অনন্যর দিকে তাকাতেই নিবারণ চক্রবর্তী দেখতে পেলেন বিপাশাকে। নিবারণ চক্রবর্তী বললেন, অনন্য, এ আমার মেয়ে বিপাশা। ডিগ্রী কোর্সে থার্ড ইয়ারে পড়ে সামনের বার পরীক্ষা দেবে। খুকী, ওকে তুই দেখিস নি কখনও। আমার যে বন্ধুর কথা তোকে কতদিন বলেছি—অনিন্দ্য বক্সী, তারই ছেলে—একমাত্র ছেলে অনন্য বক্সী।

    অনন্য তখনও বিপাশার দিকে চেয়ে ছিল।

    পরে একদিন কথায় কথায় অনন্য বলেছিল, উভয়ের মধ্যে আলাপটা জমে ওঠার পর বিপাশার একটি প্রশ্নের জবাবে।

    বিপাশা বলেছিল, আচ্ছা প্রথম দিন অমন নির্লজ্জের মত বাবার সামনেই আমার মুখের দিকে চেয়েছিলে কেন?

    চেয়ে থাকব না—আমার প্রথম আবিষ্কার!

    সে আবার কি? বিপাশা বলেছিল।

    জান বিপাশা, তোমাকে দেখার আগে অনেক মেয়েকে দেখেছি—আলাপও হয়েছে, কিন্তু সেদিন তোমাকে দেখামাত্রই যেন মনে হয়েছিল–

    কি মনে হয়েছিল?

    এই সেই—আমার জীবনপাত্র যার আবির্ভাবে পূর্ণ হয়ে উঠবে, ধন্য হবে। এতদিনে তার দেখা পেলাম।

    তাই বুঝি?

    হ্যাঁ বিপাশা, আমার সমস্ত অন্তরাত্মা যেন বার বার সেদিন আমাকে বলতে লাগল, ও আমার ও আমার—ওকে না পেলে আমার সব মিথ্যা। আচ্ছা বিপাশা–

    কি?

    তোমার কিছুই মনে হয়নি—প্রথম দিন আমাকে দেখে?

    না।

    কিছুই মনে হয়নি?

    তোমার দুচোখের মুগ্ধ দৃষ্টি কেবল—

    আর কিছু না? সেই মুগ্ধ দৃষ্টির মধ্যে আর কিছু তুমি খুঁজে পাওনি?

    বলতে পারেনি সেদিন বিপাশা এবং কেবল সেইদিনই কেন পরবর্তী কালেও কখনও বলতে পারেনি—তারও মন বলেছিল, কোথায় ছিলে এতদিন তুমি, আসোনি কেন? কেন এত দেরি করে এলে?

    বিপাশা সেই প্রথম দিনে প্রথম দর্শনেই অনন্যকে ভালবেসেছিল।

    অনন্য, তোমাকে আমি সেই প্রথম দেখার দিন থেকেই ভালবেসেছিলাম, বিপাশা বলেছিল। অনন্য খুব ঘন ঘন তাদের বাড়িতে আসত না, মধ্যে মধ্যে আসত আর আসত যখন তার বাবা নিবারণ চক্রবর্তী বাড়িতে থাকতেন না।

    অনন্য যে তাদের বাড়িতে আসে রজতশুভ্রর দৃষ্টি এড়ায় নি এবং একদিন ও আর অনন্য যখন বসে গল্প করছে, হঠাৎ এসে ঘরে ঢুকল রজতশুভ্র। সন্ধ্যা নামছে, আলো নিভে আসছে, বাইরে দরজার গোড়ায় রজতশুভ্রর গলা শোনা গেল, বিপাশা! ডেকেই রজতশুভ্র ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল।

    বিপাশা তাড়াতাড়ি উঠে সুইচ টিপে ঘরের আলোটা জ্বেলে দেয়।

    এঁকে তো চিনতে পারছি না! রজতশুভ্রর প্রশ্নের মধ্যে যেন একটা অসংশয়ের দাবি স্পষ্ট হয়ে ওঠে, চেয়ে আছে রজতশুভ্র অনন্যর দিকে।

    ও অনন্য—অনন্য বক্সী!

    দেখিনি তো ওকে আগে এ বাড়িতে কখনও?

    বাবার বন্ধুর ছেলে–

    হুঁ। বিপাশা, তোমার সঙ্গে আমার একটা কথা ছিল, রজতশুভ্র বললে।

    বল না কি কথা–

    রজত বিপাশার মুখের দিকে একবার তাকাল, তারপর বললে, ঠিক আছে, কাল সকালে একবার আমাদের বাড়িতে আসবে?

    কাল সকালে কলেজ-ফাংশনের রিহার্সেল আছে–সময় হবে না। বিপাশা বললে।

    কখন বেরুবে? রজতশুভ্রর প্রশ্ন।

    সকাল আটটায়। বিপাশা বললে।

    আচ্ছা চলি। রজতশুভ্র ঘর থেকে বের হয়ে গেল।

    অনন্য বললে, তোমাদের কলেজের ফাংশন কবে বিপাশা?

    সামনের শনিবার, বিপাশা বললে।

    আমায় নিমন্ত্রণ করবে না?

    তুমি যদি আমার অভিনয় দেখে হাসো? বিপাশা মৃদু হেসে বললে।

    অভিনয় করকে তুমি?

    হ্যাঁ, অভিজ্ঞানশকুন্তলম নাটক—

    তুমি নিশ্চয়ই শকুন্তলা!

    কি করে বুঝলে?

    বিপাশার প্রশ্নের জবাব না দিয়ে অনন্য বললে, আমাকে কিন্তু একটা কার্ড দিয়ে আর টিকিট যদি হয় তো টিকিট কাটব।

    টিকিট কাটতে হবে না। কার্ড দেব তোমাকে আমি।

    অনন্য উঠে পড়ে। বললে, আজ চলি।

    অনন্য কিন্তু রজত সম্পর্কে একটা কথাও জিজ্ঞাসা করেনি। রজতশুভ্র কিন্তু করেছিল দিন দুই পরেই দেখা হতে, খুব বড়লোকের ছেলে বুঝি!

    কে? কার কথা বলছ?

    ঐ যে অনন্য বক্সী না কে!

    তা ঠিক জানি না, তবে শুনেছি ওর ঠাকুর্দা খুব বড় একজন ব্যারিস্টার ছিলেন, প্রচুর ইনকাম। ছিল তার, বালিগঞ্জ সারকুলার রোডে বিরাট বাড়ি।

    প্রায়ই যাও সেখানে—তাই না?

    এখনও যাইনি। শান্ত গলায় বললে বিপাশা।

    কেন, অনন্য বক্সী যাবার কথা বলেননি তোমাকে?

    না।

    যাক শোন, একটা কথা কয়েকদিন থেকেই তোমাকে বলব বলব ভাবছিলাম—

    কি কথা?

    আমাদের ব্যাপারটা এবারে পাকা করে ফেলতে চাই। আমি আর্মিতে জয়েন করছি, তাই ব্যাপারটা–

    আমাদের ব্যাপার!

    হ্যাঁ, বিয়ের ব্যাপারটা–

    বিয়ে!

    তুমি যেন আকাশ থেকে পড়লে বিপাশা?

    কতকটা তাই–

    কয়েকটা মুহূর্ত চুপ করে থেকে রজতশুভ্র বললে, যাক গে, এখন মাটিতে পা দিলে—এবার। জবাব দাও আমার কথাটার

    কিসের জবাব—কোন কথার?

    তোমার বাবার সঙ্গে ভাবছি দেখা করে বলব, কিন্তু তার আগে তোমারও জানা দরকার, তাই

    না–

    বিপাশা!

    হ্যাঁ, বিয়ের কথা আমি এখনও ভাবিনি রজত!

    তাইনা আমাকে বিয়ে করতে তোমার অমত?

    রজত, ওসব কথা থাক। কথাটা এখানেই থামিয়ে দেবার চেষ্টা করে বিপাশা।

    বিপাশা, কথাটা আমার জানা আজ দরকার।

    তোমাকে বিয়ে করার কথা আমি ভাবতেই পারছি না।

    ভাবতেই পারছ না কেন, জিজ্ঞাসা করতে পারি কি?

    কেন আবার কিভাবতে পারছি না তাই বললাম—

    অনন্য বক্সীকেই তাহলে তুমি বিয়ে করবে?

    ওসব কথা আমাদের মধ্যে কখনও হয়নি আজ পর্যন্ত।

    আমি কি তোমার অযোগ্য?

    সেকথাও আমি বলিনি—

    তবে?

    রজত, আমার যা বলার ছিল আমি বলেছি—আর কিছুই আমার বলবার নেই।

    কিন্তু আমি কথাটা মন থেকে মুছে ফেলতে পারব না!

    রজত, বন্ধুর মত এখানে আসতে পার তো এস, না হলে–

    না হলে?

    এস না।

    তুমি বোধ হয় ভুল করলে বিপাশা—

    ভাববার সময় তুমিও পাবে—আমিও পাব–কাজেই কার ভুল সেটা ধরা পড়বেই একদিন!

    বেশ।

    অতঃপর রজতশুভ্র চলে গিয়েছিল। পনেরো দিন আর আসেনি।

    এবং ঐ পনেরো দিনে বিপাশার একবারও রজতশুভ্রর কথা মনে হয়নি।

    দেখা হল আরও মাসখানেক পরে।

    সেদিনটা আরও বিপাশার বিশেষ করে মনে আছে এই জন্য যে ঠিক ঐদিনই সন্ধ্যার কিছু আগে এসে অনন্য বলেছিল, একটা কথা বলব ভাবছি বিপাশা তোমাকে কয়েকদিন থেকেই–

    বিপাশা কয়েকটা মুহূর্ত অনন্যর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপরই মৃদু হেবে বলে, কি কথা?

    অনন্য ইতিপূর্বে যা কোন দিনই করেনি, ওর কাছেও খুব ঘনিষ্ঠ হয়ে আসেনি এবং স্পর্শও করেনি—তাই করল। ও যে সোফাটায় বসেছিল অনন্য ঠিক তার পাশেই সোফাটার উপর এসে ওর একখানা হাত নিজের হাতের মধ্যে তুলে নিয়ে মৃদু কোমল কণ্ঠে বললে, কথাটা কিন্তু কিছু নতুন নয় বিপাশা।

    নতুন নয়!

    না, বহু পুরাতন এবং বহুবার ইতিপূর্বে বহু পুরুষ বহু নারীর সামনে উচ্চারণ করেছে কথাটা–

    অনন্যর কথার ধরন ঐরকমই ছিল।

    মৃদু হেসে বিপাশা বললে, তবু শুনি সেই বহু পুরাতন কথাটাই না হয়!

    তোমাকে আমি ভালবাসি—

    তাই বুঝি! তা কবে থেকে বুঝলে? পালটা হেসে বিপাশা প্রশ্ন করে।

    কোন নির্দিষ্ট দিনে নয়—

    তবে?

    দিনে দিনে বুঝেছি, সমস্ত হৃদয় দিয়ে আমার বুঝেছি, আচ্ছা বিপাশা, তুমি?

    কি, আমি?

    তুমিও কি—

    সেটা আজও যদি বুঝতে না পেরে থাক তাহলে আমার মুখের কথাটা শুনেই কি আর বুঝতে পারবে?

    যাক, নিশ্চিন্ত হলাম।

    ভয় ছিল বুঝি?

    না ভয় নয়—

    তবে?

    একটা ভীরু সংশয় ছিল—

    এখন আর নেই তো?

    না, আর সেইজন্যেই সাহস করে এতদিন তোমার কাছে উচ্চারণ করতে গিয়েও উচ্চারণ করতে পারিনি।

    অনন্য বিপাশার আঙুলগুলো নিজের আঙুলের মধ্যে নিয়ে খেলা করছিল—বিপাশা বলল, কিন্তু বাবাকে কথাটা জানাতে হবে তো–

    তা তো হবেই, আর আশঙ্কা সেখানেও একটা আছে—

    আশঙ্কা!

    হ্যাঁ, নিবারণ কাকা যদি না বলেন?

    তা বললেই বা—

    সত্যিই বলছ বিপাশা?

    হুঁ।

    আজ তাহলে আমি চলি।

    অনন্য বিপাশার হাতের মুঠোয় মৃদু একটা চাপ দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে গিয়েছিল। বিপাশা কিন্তু যেমন বসেছিল তেমনিই সোফাটার উপর বসে রইল, এবং কতক্ষণ যে ঐভাবে বসে ছিল তার খেয়াল নেই, হঠাৎ রজতশুভ্রর কণ্ঠস্বরে তার চমক ভাঙল—যাক, একাই আছ তাহলে? আমি ভেবেছিলাম হয়ত–

    এতদিন যে আসনি রজত! বিপাশা বললে।

    বাঃ, সেদিন বলে গেলাম না—তোমাকে ভাববার সময় দিয়ে যাচ্ছি! রজতশুভ্র এসে সোফায় বিপাশার পাশে বসল, তারপর, মতি স্থির করেছ তো?

    মতি স্থির আমার অনেক দিন আগেই হয়ে গিয়েছে–

    অনেক দিন–কবে?

    অনেক দিন আগে।

    তাহলে কালই আমি তোমার বাবার কাছে কথাটা বলি? পরশু আমি ট্রেনিংয়ে যাচ্ছি—ফিরব। দুমাস বাদে, তারপর–

    তুমি আর্মিতে জয়েন করলে?

    হ্যাঁ কমিশনড অফিসার—সেকেন্ড লেফটেনান্ট হয়ে।

    তা আর্মিতে গেলে কেন?

    আর্মিতে ঢোকবার আমার বরাবরের ইচ্ছা তুমি তো জানতে বিপাশা। ওসব কথা থাক তাহলে কালই তোমার বাবাকে বলতে বলি কথাটা আমার বাবাকে?

    আমার জবাব তো সেদিনই তোমাকে দিয়ে দিয়েছি আমি—

    সে মত তোমার তাহলে এখনও বদলায়নি?

    না।

    অনন্য বক্সীকেই তাহলে তুমি বিয়ে করছ?

    হ্যাঁ।

    বিয়ের দিনটাও বোধ হয় ঠিক হয়ে গিয়েছে।

    এখনও হয়নি।

    একটা কথা বোধ হয় তুমি জান না—অনন্য বক্সীর বাবা পাগল, রাঁচির পাগলা গারদে আজ অনেক বছর ধরে আছেন।

    জানি।

    জান?

    হ্যাঁ, অনন্যই তা আমায় বলেছে—

    লোকে কি বলে জান?

    লোকে তো লোকের সম্পর্কে অনেক কথাই বলে—সব শুনতে গেলে কি চলে?

    অনন্য বক্সীর মায়ের কিসে মৃত্যু হয়েছিল বোধ হয় তুমি জান না—

    জানব না কেন? একটা দুর্ঘটনায়—

    সে দুর্ঘটনাটা হচ্ছে—ওর বাবা ওর মাকে হত্যা করেছিল!

    না, না, এ মিথ্যে কথা–

    অনন্য বক্সীকেই জিজ্ঞাসা করে দেখো কথাটা সত্যি কি মিথ্যে! যাক গে আমি যাচ্ছি, আর যাবার আগে একটা কথা বলে যাই—আমি তোমাকে ভুলতে পারব না। আর অন্যের অঙ্কশায়িনী তুমি হলেও প্রতি মুহূর্তে আমার মনে পড়বে—অন্য এক পুরুষ জোর করে তোমার ওপর বলাৎকার করছে, তোমাকে রেপ করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসামনে সমুদ্র নীল – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৭ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }