Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুগলবন্দী – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত এক পাতা গল্প102 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যুগলবন্দী – পরিচ্ছেদ ৯

    ০৯.

    সকালবেলা—বেলা তখন সোয়া আটটা হবে। কিরীটী ঐদিনকার সংবাদপত্রের পাতা ওলটাতে ওলটাতে দ্বিতীয় কাপ চায়ের আস্বাদ গ্রহণ করছিল, পাশে বসে সুব্রত। জংলী এসে বললে, মল্লিক সাহেব এসেছেন।

    কে? সুদর্শন? যা নিয়ে আয়।

    একটু পরে জংলীর পিছনে পিছনে এসে ঘরে প্রবেশ করল সুদর্শন।

    আরে এস, এস ভায়া—তারপর বল কি খবর, অনেক দিন পরে এলে।

    সুদর্শন বসতে বসতে বললে, আপনি তো দাদা আজকাল বড় একটা কারও সঙ্গে দেখাই করেন না শুনতে পাই।

    কিরীটী মৃদু মৃদু হাসে।

    সুদর্শন বললে, তাই অযথা বিরক্ত করতে আসি না।

    বুঝতে পারছি, তা সাবিত্রীর খবর কি?

    সে যথারীতি সংসার আর ছেলে নিয়ে আছে—সামনের বছরে ছেলেকে ভর্তি করতে হবে, কোথায় কেমন করে ভর্তি করবে সেটাই এখন তার সর্বক্ষণের চিন্তা।

    হ্যাঁ—আজকাল ছেলেমেয়েদের পড়ানো যা একটা প্রবলেম হয়েছে। তা তোমার হঠাৎ আগমনের হেতুটা কি বল?

    দিনপাঁচেক আগে একটা নিউজ বের হয়েছে কাগজে, দেখেছেন কিনা জানি না। পার্ক স্ট্রীটের একটা ম্যানসননীলাকাশ নাম, তার চারতলার ফ্ল্যাট থেকে–

    মনে পড়ছে না, তা কি সুইসাইড বুঝি—

    তাহলে তো গণ্ডগোল মিটেই যেত।

    সুদর্শন সংক্ষেপে ব্যাপারটা বলে গেল কিরীটীকে। সব শোনার পর কিরীটী বললে, তাহলে তোমার ধারণা—ব্যাপারটার মধ্যে কোন ফাউল প্লে আছে।

    হ্যাঁ—আমার মনে হচ্ছে, ওটা আদৌ সুইসাইড নয়—

    হোমিসাইড!

    হ্যাঁ—আমার মনে হয়, রজতবাবুকে ঐ কালো কর্ডের ফাঁস গলায় দিয়ে হত্যা করে ব্যালকনি থেকে নীচে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

    হুঁ। তা তোমাদের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট কি বলছে? মৃত্যুর কারণ কি বলছে রিপোর্টে?

    গোলমালটা তো দাদা সেখানেই।

    কি রকম!

    ময়নাতদন্তের রিপোর্টে বলছে—ফ্রাকচার অফ দি বেস-স্কালই নাকি মৃত্যুর কারণ—কজ অব ডেথ।

    আর ঐ গলার ফাঁসটা?

    বলছে তাদের মতে, ঐ সরু কৰ্ডটা গলায় চেপে বসলেও সেটা নাকি মৃত্যুর কারণ নয়–কারণ–

    কি?

    কোন অ্যাসফেসিয়ার চিহ্ন নাকি পাওয়া যায়নি মৃতদেহে।

    কিরীটী বললে, তা কেসটা যে একটা মার্ডার—গলার ঐ কালো কর্ডের ফসটি ছাড়া আর কোন যুক্তি তোমার আছে কি?

    উপর থেকে নীচে ঝাঁপিয়ে পড়লে দেহের ইনজুরি আরও বেশী থাকত অর্থাৎ যে রকম পাওয়া যেত তাও পাওয়া যায়নি। আর চারপাশে রক্তও বেশী থাকত।

    হুঁ। আর কিছু—

    তারপর ধরুন দাদা, মৃত্যু ঘটেছে, রিপোর্ট বলছে, রাত সাড়ে দশটা থেকে রাত সাড়ে এগারোটার মধ্যে কোন এক সময়ে। এবং তাই যদি হয় তো ঐ সময় ঐ অত বড় ফ্ল্যাটবাড়িটার মধ্যে কেউ কি এমন জেগে ছিল না যারা একটা মানুষের দেহ অত উঁচু থেকে নীচে পড়লে যে শব্দটা হওয়া স্বাভাবিক সেই রকম একটা শব্দ শুনতে পেত না! অথচ আমি ঐ ফ্ল্যাটবাড়ির প্রত্যেককে জিজ্ঞাসা করে দেখেছি, সেরকম কোন শব্দ কেউ শুনতে পায়নি। ব্যাপারটা কি বেশ একটু সন্দেহজনক নয়?

    তা তো ঠিকই।

    ধরেই নিলাম না হয়, আবার সুদর্শন বলতে লাগল, ব্যাপারটা একটা সুইসাইড—কিন্তু লোকটা হঠাৎ দুতিন দিনের ছুটি নিয়ে এসে নীলাকাশের চারতলার ফ্ল্যাট থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে সুইসাইড করতে গেল কেন? সরিবাবু ও তার বোন বকুল দেবীর স্টেটমেন্ট থেকে জানা যায়, বিবাহের দিন ঠিক করবার জন্যই সে আম্বালা থেকে এসেছিল—সেক্ষেত্রে বকুল দেবীর সঙ্গে দেখা হবার আগেই এমন কি ঘটে গেল যাতে করে তাকে ঐভাবে আত্মহত্যা করতে হল শেষ পর্যন্ত!

    সুদর্শন থামে না। বলে চলে, অনন্য বক্সী ও তার স্ত্রী বিপাশা দেবীর কথাটা তো ভুললে চলবে না—রজতবাবুর সঙ্গে একসময় বিপাশার ঘনিষ্ঠতা ছিল—এক পাড়ায় পাশাপাশিই বলতে গেলে বাড়িতে ওরা থাকত। আচমকা অনন্য বক্সী ওদের মাঝখানে এসে পড়ায় সব ওলটপালট হয়ে গেল—অনন্য বক্সীর সঙ্গেই শেষ পর্যন্ত বিপাশার বিয়ে হয়ে গেল।

    তুমি বলতে চাও, সেখানেও কোন গোলমাল থাকতে পারে—

    পারে না কি! আপনিই বলুন!

    খবর নিয়েছিলে এবারে কলকাতায় আসার পর বিপাশা ও রজতবাবুর মধ্যে দেখাসাক্ষাৎ হয়েছিল কিনা? কিরীটী বললে।

    না—এখনও খবর নিইনি।

    কেন নিলে না?

    আমি এখনও অনুসন্ধান চালাবার মত কোন একটা নির্দিষ্ট পথ খুঁজে পাইনি। আর সেই কারণেই আপনার কাছে ছুটে এসেছি–

    কিরীটী একটু চুপ করে থেকে বললে, সুদর্শন, তোমার মুখ থেকে কেসটা সম্পর্কে যতটুকু শুনলাম তাতে আমার মনে হচ্ছে সমস্ত ব্যাপারটার মধ্যে একটা ফাউল প্লে থাকা হয়ত বিচিত্র নয়। তুমি আপাতত এক কাজ কর।

    বলুন দাদা–সাগ্রহে কিরীটীর মুখের দিকে তাকাল সুদর্শন।

    তোমরা জানতে পেরেছ শনিবার সকালে রজতবাবু কলকাতায় এসেছিলেন এবং এসে উঠেছিলেন তাঁর বন্ধু সরিৎবাবুর নীলাকাশের চারতলায় ১৪নং খালি ফ্ল্যাটে এবং আরও জানা গেছে একমাত্র সরিৎবাবুর ভৃত্য পঞ্চানন—ঐ পঞ্চাননের কাছ থেকে এবং তার সঙ্গেই কেবল রজতবাবুর দেখা হয়েছিল—খোঁজ করে দেখ—আর কারও সঙ্গে তার মৃত্যুর আগে পর্যন্ত অর্থাৎ ঐ দিন সকাল থেকে রাত সাড়ে দশটা পর্যন্ত ঐ ১৩১৪ ঘণ্টা সময়ের মধ্যে দেখাসাক্ষাৎ : হয়েছিল কিনা, অবশ্যই তার পরিচিতদের মধ্যে কারও। আচ্ছা পঞ্চানন তো সন্ধ্যার কিছু আগে ছুটি নিয়ে যায় রাত্রের মত—তাই না?

    হ্যাঁ-রজতবাবু তাকে রাত্রের মত ছুটি দিয়ে দিয়েছিলেন।

    এমনও তো হতে পারে সুদর্শন, সে ছুটি হয়তো রজতবাবু ইচ্ছা করেই দিয়েছিলেন পঞ্চাননকে–মানে কোন বিশেষ কারণে পঞ্চাননের ঐ সময়টা ফ্ল্যাটে উপস্থিতি চান নি বলেই সন্ধ্যা থেকে রাত দশটা সাড়ে দশটা পর্যন্ত। আরও একটা খবর তোমায় জানতে হবে, নীলাকাশে আসার পর রজতবাবু বের হয়েছিলেন কিনা আর বের হলে কতক্ষণের জন্য বের হয়েছিলেন—পঞ্চাননকে কি বলে গেছেন কোথায় যাচ্ছেন বা কিছু। এবং ঐ সময়ের মধ্যে অর্থাৎ যতক্ষণ ফ্ল্যাটে ছিলেন এবং পঞ্চাননও ছিল—কেউ রজতবাবুর সঙ্গে ফ্ল্যাটে দেখা করতে এসেছিল কিনা। কথাটা তো তুমি পঞ্চাননকে প্রশ্ন করেও জানতে পার।

    তা পারি।

    হ্যাঁ মনে রেখো পঞ্চানন is a very important clue এই রহস্যের ব্যাপারে। তাকে sidetrack করে যেয়ো না। কারণ একমাত্র ঐ পঞ্চাননই তোমাকে বলতে পারবে—ঐদিন সকাল থেকে ঐ ফ্ল্যাটে আসার পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত অর্থাৎ যতক্ষণ পঞ্চানন ফ্ল্যাটে ছিল—ঐ সময়ে রজতবাবুর detail movements ও activities সম্পর্কে। ওটা জানা তোমার একান্তভাবেই দরকার। সেই সঙ্গে আরও একটা কাজ তোমাকে করতে হবে–

    কি দাদা–বলুন?

    অনন্য বক্সী ও তার স্ত্রী বিপাশা দেবীর সঙ্গে দেখা করে তারা ওর এবার কলকাতায় আসা সম্পর্কে কিছু জানেন কিনা সেটাও তোমার জানা দরকার।

    অতঃপর তখনকার মত সুদর্শন বিদায় নিল।

    সুব্রত এতক্ষণ একটা কথাও বলেনি। এবারে বললে, আচ্ছা কিরীটী, এমনও তো হতে পারে—সরিৎবাবু যে স্টেটমেন্ট দিয়েছেন তা সব নয়—

    কি রকম?

    মানে সরিৎবাবু যা বলেছেন তার বন্ধু সম্পর্কে সেটা সব নয়-বন্ধু যখন, তখন আবার অনেক কিছুই হয়ত রজবাবু সম্পর্কে জানেন তিনি—জানাটাও স্বাভাবিক এবং ব্যাপারটা তারই ওখানে ঘটেছে বলে হয়ত অনেক কিছু বলেন নি–চেপে গেছেন অনেক কথা।

    কথাটা তোর হয়ত মিথ্যা নয় সুব্রত—কথাটা আমার মনে হয় নি—তুই সুদর্শনকে বললি কেন! আমার মাথার মধ্যেকার গ্রে সেলগুলো সত্যিই বোধ হয় বয়সের দরুন অ্যাট্রফি করে গেছে। নচেৎ–

    না—কিরীটী রায় এখনও কিরীটী রায়–casually ব্যাপারটা আলোচনা করছিলি বলেই হয়ত এতক্ষণ কথাটা তোর মনে হয়নি–

    কৃষ্ণা এসে ঐসময় ঘরে ঢুকল। বললে, সুদর্শনবাবু এসেছেন?

    হ্যাঁ, এসেছিল। এইমাত্র চলে গেল।

    তা হঠাৎ এতদিন পরে!

    সুব্রতই বললে, বেচারা একটা জটিল মামলায় জড়িয়ে পড়েছে।

    খুনোখুনির কোন ব্যাপার নিশ্চয়ই!

    সুব্রত হাসতে হাসতে বললে, অবিশ্যি সুদর্শনের ধারণা তাই।

    কি রকম?

    এক ভদ্রলোক চারতলা থেকে নীচে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন—তার তদন্ত করতে গিয়ে সুদর্শনের ধারণা হয়েছে—ওটা তা নয়—একটা মার্ডার। হত্যা!

    শকুনের দৃষ্টি সব সময় ভাগাড়ের দিকে, কৃষ্ণা বললে।

    তুমি কি মনে কর কৃষ্ণা, কিরীটী মৃদু হেসে বললে, পুলিশ কেবল খুন-ডাকাতি খুঁজেই বেড়ায়!

    তা ছাড়া কি? যত সব নৃশংস ব্যাপার!

    না কৃষ্ণা, ওরা সদাসতর্ক চোখ মেলে আছে বলেই সমাজের আর দশজন নিশ্চিন্ত হয়ে আছে, ওরা যে সোসাইটির কত বড় উপকার করে

    বুঝেছি আর ওদের গুণকীর্তন গাইতে হবে না! সুদর্শন তোমাকে সক্রিয় করে গেছে। তা ঘটনাটা সত্যি কি বল তো সুব্রত?

    সুব্রত তখন সংক্ষেপে ঐদিনকার সকালবেলার আলোচনার সারাংশটা বিবৃত করে গেল। সব শুনে কৃষ্ণা বললে, সুদর্শন বোধ হয় ঠিকই অনুমান করেছে।

    তোমারও ধারণা তাহলে—

    হ্যাঁ খুন—পরিষ্কার মার্ডার। দুটি পুরুষ-দুটি নারী। গণ্ডগোেল ঐ চার মূর্তিকে নিয়েই।

    কি রকম? সুব্রত শুধালে।

    রজতশুভ্র, অনন্য বক্সী–বিপাশা আর বকুল। কি গো, তুমি যে একেবারে চুপচাপ? কিরীটীর মুখের দিকে তাকিয়ে বললে কৃষ্ণা।

    ভাবছি—

    কি, শুনি?

    পুরুষ না নারী?

    নারী কখনই নয়–

    তা হলে তো তোমার মতে ঐ অনন্য বক্সীই রজতশুভ্রর গলায় ফাঁস দিয়ে চারতলার ব্যালকনি থেকে ঠেলে ফেলে দিয়েছে।

    আমি কি তাই বলছি! আমি বলেছি কেবল গোলমালটা ঐখানেই—

    কিন্তু তাই যদি হয়ে থাকে–অর্থাৎ যদি অনন্য বক্সীই হয়—তার রয়েছে স্ট্রং অ্যালিবাই— বালিগঞ্জ সারকুলার রোড আর পার্ক স্ট্রীটে যেমন যথেষ্ট ব্যবধান—তেমনি সে ব্যবধান অতিক্রম করে গেলেও সরিৎবাবুর ফ্ল্যাটে অত রাত্রে আকস্মিক প্রবেশ নিশ্চয়ই রজতশুভ্র (যদি অবিশ্যি তাই হয়ে থাকে) নিশ্চয়ই ভাল চোখে দেখেননি—হৃষ্টমনেও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারেন নি।

    কেন শুনি? কৃষ্ণার প্রশ্ন।

    বুঝলে না—পরস্পর তো পরস্পরের প্রেমের রাইভ্যাল ছিলেন!

    কৃষ্ণা বললে, তাই হয়তো একটা ড়ুয়েল লড়ে গেছেন দুজনে সেই রাত্রে ঐ ফ্ল্যাটে—

    সুব্রত বললে, ফলে একজনের মৃত্যু।

    কৃষ্ণা ঝাঝিয়ে ওঠে, কেন–হতে পারে না?

    পারবে না কেন, পারে পারে কিন্তু একটা কথা ভুলে যাচ্ছ রজতশুভ্র ছিলেন একজন আর্মি অফিসার। আগ্নেয়াস্ত্র নিশ্চয়ই কিছু একটা তাঁর কাছে ছিল—সেক্ষেত্রে কিরীটী বললে, দেখ তুমি যাই বল—

    কৃষ্ণা বললে, অনন্য বক্সীর উপরে আমার সন্দেহ হচ্ছে—

    অর্থাৎ তাহলে এই দাঁড়াচ্ছে, কিরীটী বললে, অনন্য বক্সীর মনের মধ্যে তার স্ত্রী বিপাশা দেবীর প্রণয়ীর সম্পর্কে একটা দ্বন্দ্ব ছিল। সে দ্বন্দ্বটা ধূমায়িত হতে হতে পর্বতের আকার ধারণ করেছিল—অ্যারাবিয়ান নাইটের সেই গল্প, কলসীর থেকে ধোঁয়া বেরুতে বেরতে এক দৈত্যের আকার ধারণ করেছিল–

    কৃষ্ণা হেসে ফেলে।

    হাসছ কি–কিছুই বিচিত্র নয়। মানুষের মন না মতি। তোমার ইঙ্গিতটা সত্যিই রীতিমত তাৎপর্যপূর্ণ। কিন্তু আপাতত এক পেয়ালা কফি হলে মন্দ হত না।

    সকাল থেকে ক’কাপ হয়েছে জান?

    এত ভোলা মন নয় আমার—এবারে হলে হবে পঞ্চম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসামনে সমুদ্র নীল – নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    Next Article কিরীটী অমনিবাস ৭ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    Related Articles

    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ১২ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৩ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    কিরীটী অমনিবাস ৪ – নীহাররঞ্জন গুপ্ত

    September 8, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }