Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প197 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের তাৎপর্য

    ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের যুদ্ধরত পাকিস্তানী বাহিনী ভারতীয় বাহিনীর অধিনায়কের কাছে আত্মসমর্পণ করে।

    এই আত্মসমর্পণের মাধ্যমে পূর্ব বাঙলার মাটিতে পাকিস্তান রাষ্ট্র উচ্ছেদ হয়ে বাঙলাদেশ নামে একটি নোতুন রাষ্ট্র স্থাপিত হয়।

    আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব এবং তাদের সরকার অবশ্য দাবী করেন যে, বাঙলাদেশ রাষ্ট্র নাকি ১৯৭১-এর ২৬শে মার্চের এক ঘোষণার মাধ্যমে পূর্বেই স্থাপিত হয়েছিলো এবং তার পরবর্তী পর্যায়ে এদেশে যে গৃহযুদ্ধ শুরু হয় সেই যুদ্ধে ১৯৭১-এর ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী পরাজিত ও বাঙলাদেশ বাহিনী জয়যুক্ত হয়। এজন্যেই ১৬ই ডিসেম্বর বাঙলাদেশ রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা দিবস নয়, তা হলো এদেশে বাঙলাদেশের সাথে পাকিস্তানের গৃহযুদ্ধের অবসান দিবস এবং সেই হিসেবে বিজয় দিবস।

    সরকার ঘোষিত এই বিজয় দিবসে অবশ্য যে জিনিসটির সব থেকে লক্ষণীয় ব্যাপার ছিলো তা হলো এই যে, পাকিস্তানী বাহিনী ১৬ই ডিসেম্বরে আত্মসমর্পণ করেছিলো ভারতীয় বাহিনীর কাছে, বাঙলাদেশ বাহিনী অথবা তাদের তথাকথিত যৌথ কমান্ডের কাছে নয়। আত্মসমর্পণের দলিলে তাই স্বাক্ষর পড়েছিলো জগজিৎ সিং এবং নিয়াজীর। তাতে বাঙলাদেশের অধিনায়ক জেনারেল ওসমানীর স্বাক্ষরের কোন প্রশ্ন ওঠেনি, বস্তুতঃপক্ষে জেনারেল ওসমানী ‘শত্রুমুক্ত’ বাঙলাদেশের মাটিতে পদার্পণ করেছিলেন ১৬ই ডিসেম্বরের বেশ কয়েকদিন পর।

    শুধু যে বাঙলাদেশ বাহিনীর অধিনায়কই দেশে ফিরতে দেরী করেছিলেন তাই নয়। বাঙলাদেশ সরকারের তৎকালীন সহ-সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং তার মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবর্গের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনও যথেষ্ট বিলম্বিত হয়েছিল। ভারতীয় বাহিনী ঢাকা শহর এবং সারা বাঙলাদেশের ওপর পাকিস্তানীদের পরিবর্তে নিজেদের কর্তৃত্ব ভালোভাবে স্থাপন করার পর ভারতীয় সরকারের তত্ত্বাবধানেই বাঙলাদেশ সরকারের কেন্দ্র কলকাতা থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করা হয়।

    বাঙলাদেশের ‘স্বাধীনতা’ অর্জনের ক্ষেত্রেও ১৬ই ডিসেম্বরের সামরিক বিজয় প্রসঙ্গে ভারতীয় সরকার এবং ভারতীয় বাহিনীর এই ভূমিকাকে মনে রাখলে এই দিবসটির তাৎপর্য যথার্থভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব হবে।

     

     

    ১৬ই ডিসেম্বর জনগণের এক বিরাট অংশ মনে করেছিলেন যে, পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে তাঁদেরও বিজয় সূচিত হয়েছিলো, এ দেশের মাটিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো শোষণহীন এক জনগণের শাসন। এজন্যে ১৬ই ডিসেম্বর ও তার পরবর্তী দিনগুলোকে উৎসবমুখর করে তুলতে তাঁদের কোন গাফিলতি অথবা চেষ্টার ত্রুটি ছিলো না। ঢাকা নগরী এবং দেশের অন্যান্য স্থানে ভারতীয় বাহিনী ও ভারত-ফেরত আওয়ামী লীগ-ওয়ালাদেরকে যে সংবর্ধনা তাঁরা সে সময় জানিয়েছিলেন সে সংবর্ধনা প্রকৃতপক্ষে যে- কোন দেশের মুক্তিদাতাদেরই প্রাপ্য।

    কিন্তু পাকিস্তানী বাহিনীর নির্মম নির্যাতন নিপীড়ন ও অবিরাম সন্ত্রাসের মুখে জনগণ যাদেরকে মুক্তিদাতা মনে করে আলিঙ্গন করেছিলেন তারা যে তাদের প্রকৃত মুক্তিদাতা নয়, একথা উপলব্ধি করতে জনগণের তেমন বেশী সময় লাগেনি। ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণকে নিজেদের বিজয়, নিজেদের আর্থিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক মুক্তির একটা নিশ্চিত পদচিহ্ন হিসেবে যাঁরা মনে করেছিলেন, তাঁরা যখন দেখলেন তাঁদের ‘মুক্তিদাতাদেরকে’ দালাল শায়েস্তা করার অজুহাতে অবাঙালীদের ব্যক্তিগত সম্পত্তির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়তে, বাড়ী-গাড়ী, ভূ-সম্পত্তি, দোকানপাট, আসবাবপত্র, কলকারখানা ইত্যাদি দখল করে নিজেদের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করতে, লাইসেন্স-পারমিটের ফাটকাবাজীর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য আকাশচুম্বী করতে, তখন তাঁরা উপলব্ধি করতে শুরু করলেন যে, ১৬ই ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকার যে সামরিক বিজয়ের কথা বলছেন, সে বিজয় জনগণের বিজয় নয়। সে বিজয় ব্যক্তিগত সম্পত্তি অর্জন আকাঙ্ক্ষায় উন্মত্ত এক শ্রেণীর নোতুন শোষকদের রাজনৈতিক বিজয়।

     

     

    পাকিস্তানী আমলে পূর্ব বাঙলা নামে পরিচিত দক্ষিণ এশিয়ার এই ভূ-খণ্ডে যে শোষণ কায়েম ছিলো সে শোষণকে ঔপনিবেশিক শোষণ অর্থাৎ পাকিস্তানী ঔপনিবেশবাদীদের শোষণ বলে অনেক মহল, বিশেষত আওয়ামী লীগ মহল থেকে, অহরহ আগেও প্রচার করা হতো এবং এখনো হয়। কিন্তু পূর্বোক্ত সেই শোষণকে ঐ ভাবে আখ্যায়িত করলে যে মূল শক্তিগুলি দ্বারা এদেশের জনগণ শোষিত এবং নির্যাতিত হচ্ছিলেন তার চরিত্র কিছুতেই ধরা পড়ে না। এর দ্বারা প্রকৃত শোষকদের সম্পর্কে জনগণের মধ্যেও একটা বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়। শুধু তাই নয়, এই ধরনের বক্তব্যের দ্বারা বর্তমান বাঙলাদেশে শোষক শ্রেণীর নোতুনভাবে সংগঠিত শোষণের কাঠামোটিও যথার্থভাবে ধরা পড়ে না।

    আসলে পাকিস্তানী আমলে জনগণ শোষিত হতেন ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত শত্রু, পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের বুর্জোয়া শ্রেণী এবং মার্কিনসহ অন্যান্য সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বারা। দেশীয় বুর্জোয়াদের মধ্যে অবাঙালী বুর্জোয়ারাই প্রধান ছিলো এবং পাকিস্তান সরকারের মধ্যে তাদেরই বিপুল প্রাধান্য ছিলো। এই অবাঙালীদের মূল অবস্থানও আবার ছিলো পশ্চিম পাকিস্তানে। বুর্জোয়া শ্রেণী হিসেবে পাকিস্তানী আমলে বাঙালী এবং অবাঙালী বুর্জোয়াদের মধ্যে একদিকে যেমন একটা সুগভীর সহযোগিতা ছিলো (বিশেষতঃ অপেক্ষাকৃত বড়ো বাঙালী বুর্জোয়াদের সাথে) অন্যদিকে তেমনি তাদের মধ্যে একটা রেষারেষিও ছিলো। একদিকে যেমন এই বাঙালী বুর্জোয়াদের নিজেদের শ্রেণী-স্বার্থে অবাঙালী-বুর্জোয়াদের সাথে সম্পর্ক রাখতে হতো, অন্যদিকে তেমনি সেই সম্পর্ক ছিন্ন করার একটা প্রবণতাও তাদের মধ্যে বর্তমান ছিলো। এই প্রবণতার চরিত্রকে বুঝতে হলে বাঙালী এবং অবাঙালী বুর্জোয়াদের চরিত্র এবং তার সাথে সাম্রাজ্যবাদীদের সম্পর্ককে ভালোভাবে বুঝতে হবে।

     

     

    বর্তমান যুগে কোন আধা সামন্তবাদী নয়া ঔপনিবেশিক দেশের বুর্জোয়ারাই প্রকৃত অর্থে স্বাধীন নয়। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বে বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদের অবস্থানের জন্যে এই সমস্ত দেশগুলো একদিকে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে যেমন সাম্রাজ্যবাদীদের ওপর নির্ভরশীল, তেমনি অন্যদিকে তারা রাজনৈতিক দিক দিয়ে প্রকৃতপক্ষে পরাধীন। পাকিস্তানের বুর্জোয়ারাও সেদিক থেকে ব্যতিক্রম ছিলো না। শুধু তাই নয়, এ বিষয়ে বাঙালী অথবা অবাঙালী বুর্জোয়াদের মধ্যেও কোন পার্থক্য ছিলো না।

    অপেক্ষাকৃত প্রভাবশালী এবং সেই হিসেবে বড়ো তরফের অংশীদার হিসেবে পাকিস্তানে অবাঙালীদের (যাদের মূল অবস্থান পশ্চিম পাকিস্তানে ছিলো) সাথেই সাম্রাজ্যবাদের একটা অধিকতর সরাসরি এবং প্রত্যক্ষ সম্পর্ক ছিলো। এটাই অন্যতম কারণ যার জন্যে ১৯৭১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলো পাকিস্তানের স্বপক্ষে দাঁড়াতে তৎকালীন অবস্থার চাপে বাধ্য হয়েছিলো। বাঙালীদের তেমন কোন ব্যাপক অথবা প্রত্যক্ষ যোগাযোগ সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে স্থাপিত হয়নি। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে, তারা সেই ধরনের কোন সম্পর্ক স্থাপনের বিরোধী ছিলো। মোটেই তা নয়। উপরন্তু তাদের আকাঙ্ক্ষা ছিলো অবাঙালীদের ডিঙিয়ে অথবা বাদ দিয়ে সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে নিজেদের সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করা, নিজেদেরকে আরও দ্রুতভাবে সম্প্রসারিত ও সমৃদ্ধ করা। অবাঙালী বুর্জোয়াদের সাথে সহযোগিতা সত্ত্বেও এই আকাঙ্ক্ষা বাঙালী বুর্জোয়াদের মনে জাগ্রত করেছিলো ‘স্বাধীনতার স্পৃহা।

     

     

    এই অঞ্চলের জনগণ দুই দশকেরও বেশী সময় পাকিস্তানী আমলের শাসন-শোষণের দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার ফলে তাঁদের মধ্যেও মুক্তির আকাঙ্ক্ষা প্রবল হচ্ছিলো। ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত শক্তি, বুর্জোয়া শ্রেণী ও সাম্রাজ্যবাদের শোষণমুক্ত হয়ে এই অঞ্চলে একটি শোষণমুক্ত সমাজের চিন্তা তাঁরাও করছিলেন।

    স্বাধীনতার নামে জনগণের এই আকাঙ্ক্ষাকে বাঙালী বুর্জোয়া শ্রেণী কিভাবে সুকৌশলে নিজেদের শ্রেণী-স্বার্থ উদ্ধারের কাজে ব্যবহার করেছিলো সেটা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পর্যন্ত জনগণের কাছে স্পষ্ট না হলেও পরবর্তী পর্যায়ে ধীরে ধীরে তা স্পষ্ট হতে শুরু করলো। জনগণের চিন্তার মোড় এইভাবে ঘুরতে লাগলো একমাত্র তখনই যখন তাঁরা নোতুন শাসকশ্রেণীর চেহারা অনেকখানি স্পষ্টভাবে দেখতে পেলেন এবং তাদের শাসন- শোষণের নির্মমতাকে যখন তাঁরা নিজেদের জীবনে প্রত্যক্ষ করলেন।

    সাম্রাজ্যবাদের প্রত্যক্ষ দালাল হওয়ার আকাঙ্ক্ষাসম্পন্ন বাঙালী বুর্জোয়া শ্ৰেণী প্ৰকৃতপক্ষে বুর্জোয়া শ্রেণী হিসেবে সংগঠিত ছিলো না। তারা ছিলো অসংগঠিত এবং দুর্বল। এক্ষেত্রে যে জিনিসটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল তা হলো তাদের উপরোক্ত আকাঙ্ক্ষা চরিতার্থের জন্যে তারা অবাঙালী বুর্জোয়াদের সাথে তাদের সংঘর্ষকে একটা উঁচু পর্যায়ে তোলে এবং সমগ্র বাঙালী জাতির প্রতিনিধিত্ব করছে এই আওয়াজ উঠিয়ে পাকিস্তানী শোষণের দ্বারা নির্যাতিত কৃষক ও শ্রমিক, নিম্নমধ্যবিত্ত জনগণকে তাদের শ্রেণীগত আত্মপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের দিকে আকর্ষণ করে।

     

     

    কিন্তু বুর্জোয়া শ্রেণী জনগণকে এইভাবে আকর্ষণ করলেই জনগণ তাদের পতাকাতলে অনিবার্যভাবে সমবেত হন না। সেটা ঘটে একটা বিশেষ অবস্থায়। সে অবস্থাটি হচ্ছে একটি সঠিক

    নেতৃত্বসম্পন্ন ও সঠিক নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত শ্রমিক শ্রেণীর পার্টি কমিউনিস্ট পার্টির অভাব। বাঙলাদেশেও এই অভাবের জন্যে জনগণের সংগ্রামের ক্ষেত্রে শ্রমিক শ্রেণীর কোন নেতৃত্বসূচক উদ্যোগ ও ভূমিকা সম্ভব হলো না এবং তার ফলে সংগ্রামের শপথে উদ্দীপ্ত কৃষক-শ্রমিক-মধ্যবিত্ত জনগণ শ্রমিক-শ্রেণীর পতাকার পরিবর্তে বুর্জোয়া শ্রেণীর পতাকাতলে সমবেত হয়ে এদেশে শোষণ এবং শোষণমূলক শাসনকে নোতুনভাবে সংগঠিত করার পথই পরোক্ষভাবে প্রশস্ত করলেন।

    এ ক্ষেত্রে সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ এবং ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের ভূমিকাটি উল্লেখযোগ্য। বাঙালী বুর্জোয়াদের নেতৃত্বাধীন এই সংগ্রামে তারা জড়িয়ে পড়লো এবং তার সাথে একাত্ম ঘোষণা করলো এজন্যে যে, পূর্বে এই অঞ্চলে তাদের কোন স্থান ছিলো না। এই সংগ্রামের মাধ্যমে এদেশে তাদের ও একটা বিরাট স্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিলো এবং সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব রূপদান করতেই তারা এগিয়ে এলো। এইভাবে বাঙালী বুর্জোয়াদের সাথে সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদীদের স্বার্থ এক ঐক্যসূত্রে গ্রথিত হলো। তারা হলো পরস্পরের বন্ধু। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সাময়িকভাবে বাঙালী-অবাঙালী বুর্জোয়াদের এই সংঘর্ষে অবাঙালীদের পক্ষ নিতে বাধ্য হলেও তারা এর মধ্যে নিজেদের কোন স্থায়ী ক্ষতি দেখলো না। কারণ বাঙালী বুর্জোয়াদের সাথে তাদের সম্পর্ক ছিলো এবং তাদের মৌলিক-চরিত্র সম্পর্কেও তারা ছিলো যথেষ্ট সচেতন। সাময়িকভাবে পিছিয়ে গেলেও এই চরিত্রের কথা স্মরণ রেখে তাই তারা বাঙালী বুর্জোয়াদের এই আত্মপ্রতিষ্ঠার সংগ্রামের মধ্যে নিজেদের মৌলিক স্বার্থহানির কোন সম্ভাবনা দেখলো না। উপরন্ত তাদেরকে ‘হাত করার ব্যাপারটিকে অল্প সময় সাপেক্ষ মনে করে নানান কল- কাঠি শুরু থেকেই নাড়তে শুরু করলো।

     

     

    ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত স্বার্থের ভূমিকা ১৯৭১ সালের যুদ্ধে অন্যান্যের তুলনায় অনেক নগণ্য ছিলো। তবে পাকিস্তানী বুর্জোয়াদের মতে বাঙালী বুর্জোয়াদেরও ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত শক্তির সাথে সম্পর্ক উভয়ের শ্রেণীগত কারণেই স্থাপিত হলো এবং এদেশে বাঙলাদেশ রাষ্ট্র স্থাপিত হওয়ার পর পূর্বের মতোই শুরু হলো ক্ষয়িষ্ণু সামন্ত শক্তি, বুর্জোয়া শ্রেণী ও বৈদেশিক শক্তিসমূহের (প্রধানতঃ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের) নির্যাতনমূলক শাসন এবং শোষণ।

    কাজেই পাকিস্তানের পরিবর্তে দক্ষিণ এশিয়ার ভূখণ্ডে বাঙলাদেশ রাষ্ট্র স্থাপিত হওয়ার পর পূর্বের মতোই সব কিছু বহাল থাকলো। যে পরিবর্তনটুকু ঘটলো তার অর্থ দেশীয় বুর্জোয়া শ্রেণীর মধ্যে অবাঙালীদের পরিবর্তে বাঙালীদের আধিপত্য এবং মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রায় একক প্রভুত্বের পরিবর্তে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ, সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদ ও ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের মধ্যে প্রভুত্বের ভাগাভাগি।

    এটাই হলো, ১৬ই ডিসেম্বরের বিজয় দিবসের প্রকৃত তাৎপর্য।

     

     

    গণকণ্ঠ
    ১৭ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }