Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প197 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আওয়ামী লীগের জাতীয়করণ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে

    বাঙলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সমাজতন্ত্রে উত্তরণের ‘প্রথম পদক্ষেপ’ হিসেবে শিল্প, ব্যাংক, বীমা ইত্যাদি জাতীয়করণের যে নীতি ঘোষণা করেছেন, সে নীতিকে কাড়া-নাকাড়া বাজিয়ে বাঙলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফ্ফর গ্রুপ) এবং তাদের অধীনস্থ অন্যান্য ছাত্র ও শ্রমিক সংস্থা নির্দ্বিধায় সমর্থন জানিয়েছিলো। সে সমর্থন এই সমস্ত আওয়ামী লীগ বশংবদ সংগঠনগুলি প্রত্যাহার করে নিয়েছে একথা বললে ভুল হবে। কিন্তু সমর্থন প্রত্যাহার না করলেও আওয়ামী লীগের জাতীয়করণ পরিকল্পনা যে সমাজতন্ত্রে উত্তরণের পথে কোন মহাপদক্ষেপ নয় একথা তাদের পক্ষেও অস্বীকার করা আজ মুশকিল হয়ে পড়েছে। তারাও আজ একথা উপলব্ধি করছে যে, আওয়ামী লীগের নির্ভেজাল চাটুকার হিসেবে এদেশের রাজনীতিতে মূল বিস্তার করা তাদের দ্বারা আর সম্ভব নয়। সীমিতভাবে তাদের বিরোধিতা করা নিজেদের রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যে তারা আজ কিছুটা প্রয়োজন মনে করছে এবং এই প্রয়োজনের তাগিদে তারা অন্যান্য বিষয় থেকে সরকারের জাতীয়করণ পরিকল্পনার সমালোচনার দিকেই যৎসামান্য নজর দিয়েছে।

    এক্ষেত্রে সরকারের এই বশংবদ দলগুলির উল্লেখ করার উদ্দেশ্য জাতীয়করণ নীতি সম্পর্কে তাদের বক্তব্য আলোচনা নয়। এর উদ্দেশ্য হলো এটা দেখানো যে, জাতীয়করণ পরিকল্পনার সত্যিকার চরিত্র আজ জনগণের কাছে এতখানি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, চাটুকারদের পক্ষেও এ বিষয়ে সম্পূর্ণ উদাসীন থাকা আর সম্ভব হচ্ছে না। ঔদাসীন্য কাটিয়ে এরা আজ যে কথাগুলি বলার চেষ্টা করছে সেগুলি সম্পর্কে পূর্বেই আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি। সে সময়ে এই দলগুলি আমাদের সমালোচনার কঠোর সমালোচনা করতে এগিয়ে এসেছে এবং পারিষদীয় কায়দায় বাবুদেরকে বাঁচিয়ে শতগুণ উৎসাহে অনেক কিছু বলেছে।

    এখন প্রশ্ন হলো মাত্র কয়েকমাস পর উপরোক্ত দলগুলির আশাবাদ আজ অস্বস্তিতে পরিণত হলো কেন? এই ‘কেন’র জবাব পাওয়ার জন্য আওয়ামী লীগের জাতীয়করণ পরিকল্পনা সম্পর্কে কতকগুলি কথা বিশেষভাবে বিবেচনা করতে হবে।

    প্রথমেই বোঝা দরকার যে, কোন কিছুকে রাষ্ট্রায়ত্ত করার নামই সমাজতন্ত্র নয়। রাষ্ট্র নিজে যতক্ষণ পর্যন্ত না এক বিশেষ চরিত্র পরিগ্রহ করছে, শ্রেণীশোষণের অবসান ঘটিয়ে তা শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্বে সংগঠিত হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত সমাজতন্ত্রের কথা বলা শঠতা ও বাচালতা ব্যতীত আর কিছুই নয়। এজন্যে শিল্প, বাণিজ্য, ব্যাংক, বীমা ইত্যাদি জাতীয়করণ কখনো সমাজতন্ত্রের পথে প্রথম পদক্ষেপ হতে পারে না। সমাজতন্ত্রের পথে প্রথম সঠিক পদক্ষেপ হলো শ্রেণী-সংগ্রামের মাধ্যমে এবং শ্রমিকশ্রেণীর নেতৃত্বে সামন্তবুর্জোয়া রাষ্ট্রের পরিবর্তে শ্রমিক-কৃষক-মধ্যবিত্ত জনগণের রাষ্ট্র কায়েম করা। শ্রমিকশ্রেণীর নিজের হাতে রাষ্ট্রের নেতৃত্ব না আসা পর্যন্ত কোন কিছু রাষ্ট্রায়ত্তকরণের অর্থ সমাজতন্ত্রের পথে পদক্ষেপ নয়, উপরন্তু তা হলো সমাজতন্ত্রে উত্তরণের প্রথম পদক্ষেপ– সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার থেকে জনগণের দৃষ্টিকে সরিয়ে রাখার অপচেষ্টা।

     

     

    বর্তমানে আওয়ামী লীগ সরকারের জাতীয়করণ নীতি যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে সে পরিস্থিতির মধ্যে তাই বিস্ময়কর কিছু নেই। তা অত্যন্ত প্রত্যাশিত এবং স্বাভাবিক। কারণ যে রাষ্ট্র আজ বিভিন্ন শিল্প, বাণিজ্য ও আর্থিক সংস্থাগুলি জাতীয়করণ করেছে সে রাষ্ট্রের নেতৃত্বে শ্রমিক-কৃষক শ্রেণী নেই, আছে সামন্ত-বুর্জোয়া শ্রেণী। কাজেই তাদের নিজেদের দ্বারা রচিত যে-কোন নীতির মতো এই জাতীয়করণ নীতি তাদের নিজেদের শ্রেণীস্বার্থেই বিশেষভাবে পরিচালিত হওয়ার কথা এবং যা হওয়ার কথা প্রকৃতপক্ষে তাই হচ্ছে। সমাজতন্ত্রে উত্তরণের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে যে জাতীয়করণ নীতি ঘোষিত হয়েছিলো যে নীতি আজ জনগণের কোন উপকারে আসেনি, উপরন্তু তাদের স্বার্থের বিরুদ্ধেই পরিচালিত হয়েছে।

    এই সাধারণ মন্তব্যের পর এবার বর্তমান সরকারের জাতীয়করণ নীতির কতকগুলি বিশেষ দিক সম্পর্কে খুব সংক্ষেপে উল্লেখ করা যাক।

    প্রথমেই যে বিষয়টি এক্ষেত্রে চোখে পড়ার মতো তা হলো সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের প্রতি সরকারের নির্লজ্জ পক্ষপাতিত্ব। বাঙলাদেশের চা-শিল্পের গরিষ্ঠ স্বার্থ এখনো বৃটিশ চা- বাগান মালিকদের। এই স্বার্থে সরকার কোন আঘাত দেয়নি। সরকারপক্ষীয় কোন কোন ব্যাখ্যাকার বলেছেন যে, চা-শিল্প এখন লোকসানের মুখে। কাজেই তা জাতীয়করণ করার অর্থ লোকসান জাতীয়করণ করা। এজন্যেই সরকার চা-বাগানগুলি জাতীয়করণ না করে পূর্ববর্তী মালিকদেরকেই বহাল রেখেছে। এই যুক্তি যে নিতান্তই শঠতাপূর্ণ তাতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ বিদেশী সম্পত্তি জাতীয়করণের যে-কোন নীতি মূলতঃ রাজনৈতিক, দেশের অর্থনীতিতে বিদেশী শক্তির হস্তক্ষেপ বন্ধ করার ক্ষেত্রে তা হলো এক অপরিহার্য পদক্ষেপ। যে-সমস্ত দেশ সমাজতান্ত্রিক শক্তিসমূহের অর্থাৎ শ্রমিক-কৃষক নেতৃত্বে জাতীয়করণ নীতি গ্রহণ করেছে তারা কোন সময়েই দেশীয় শিল্প জাতীয়করণ করে বিদেশী শিল্প-বাণিজ্য আর্থিক সংস্থাসমূহকে তার আওতার বাইরে রাখেনি। ছোট দেশ কিউবার উদাহরণ এদিক থেকে খুবই উল্লেখযোগ্য।

     

     

    বাঙলাদেশে কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের ওপর কোন আঘাত বর্তমান সরকার দেয়নি। শুধু আঘাত দেয়নি তাই নয়, তাদের স্বার্থে যাতে কোনরকম আঁচড় না লাগে সেদিকে তারা সতর্ক দৃষ্টি দিয়েছে। এজন্যে মার্কিন শিল্প, ব্যাংক, বীমা ইত্যাদি জাতীয়করণের কোন ব্যবস্থা আওয়ামী লীগ সরকারের সমাজতন্ত্র উত্তরণের ‘প্রথম পদক্ষেপ’ জাতীয়করণ নীতির মধ্যে নেওয়া হয়নি। বৃটিশ-মার্কিন স্বার্থ তাই বাঙলাদেশে পাকিস্তান আমলের মতোই নিরাপদ।

    বৃটিশ-মার্কিন স্বার্থের এই নিরাপত্তার কারণ কি এই নয় যে, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার সাম্রাজ্যবাদের অতিশয় বশংবদ? এর অর্থ কি এই নয় যে, বক্তৃতা-বিবৃতিতে বৃটিশ এবং বিশেষতঃ মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ সম্পর্কে যত সমালোচনাই তাঁরা করুন না কেন আসলে তাঁদের গাঁটছড়া এই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলির সাথেই বেদম জোরে বাঁধা?

    এর অর্থ যে অন্য কিছু নয় তার প্রমাণ বাঙলাদেশে মার্কিন-বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদ এবং বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ইত্যাদি তাদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আর্থিক সংস্থাগুলির বর্তমান ভূমিকা। সাম্রাজ্যবাদীদের এই ভূমিকা যে পাকিস্তানী আমলে আমাদের দেশে তাদের ভূমিকা থেকে কোন অংশে জনগণের স্বার্থের পক্ষে বেশী অনুকূল নয় একথা বলাই বাহুল্য। ঋণ এবং তথাকথিত সাহায্যের জালে বাঙলাদেশকে আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে ফেলে আমাদের জনগণকে শোষণ করার যে সুপরিচিত পরিকল্পনা তারা গ্রহণ করেছে, সেই পরিকল্পনাক্ষেত্রে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার হলো তাদের সক্রিয় সহযোগী।

     

     

    জাতীয়করণ প্রসঙ্গে যে দ্বিতীয় জিনিসটি উল্লেখ করা দরকার তা হলো আওয়ামী লীগের ভূমি-নীতি। সরকার ঘোষণা করেছেন যে, পঁচিশ বিঘা পর্যন্ত যাঁদের জমি আছে তাঁদের ভূমি-খাজনা মাফ করা হবে এবং পরিবার প্রতি একশো বিঘার ওপর জমি সরকার নিজের হাতে নিয়ে এসে তা ভূমিহীন ও গরীব কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করবেন। এ ছাড়া কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সরকার সমস্ত কিছু করার প্রতিশ্রুতিও প্রদান করেছেন।

    কিন্তু সরকারের এই সমস্ত নীতি, বক্তব্য এবং প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও কৃষি, অর্থনীতি ও কৃষি- উৎপাদন ক্ষেত্রে আজ কি ঘটছে? এক্ষেত্রে যে আশাপ্রদ কিছুই ঘটছে না তার প্রমাণ আওয়ামী লীগের চাটুকারদের অস্বস্তিসূচক মৃদু চিৎকার। যদি কৃষিক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য সামান্য কিছু পরিবর্তনও আসতো অথবা সে পরিবর্তন আসার কোন আশু সম্ভাবনা থাকতো তা হলে এরা এতটুকু মৃদু চিৎকার করতেও সাহস করতো না। সে সাহস করতে তারা এখন বাধ্য হচ্ছে। কারণ আওয়ামী লীগের ভূমি-নীতি যে কৃষকদের জন্য কোন বড়ো অথবা মৌলিক পরিবর্তন আনতে পারেনি এবং সে পরিবর্তন আনার সম্ভাবনাও সুদূরপরাহত একথা সকলের কাছেই এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। কাজেই চাটুকাররা গা-বাঁচিয়ে বলছে আওয়ামী লীগ সরকারের ভূমি-নীতি খুব ভালো। কিন্তু সঠিকভাবে তাকে কার্যকর করার দিকে কারো নজর নেই। আমাদের কৃষি-সমস্যার যা বর্তমান চরিত্র তাতে পঁচিশ বিঘা জমির খাজনা মাফ, উৎপাদন ব্যবস্থা অথবা কৃষকদের অবস্থার মধ্যে কোন পরিবর্তনই আনতে পারে না। তা ছাড়া ভূমিহীন কৃষক ও বর্গাদারদেরকে এই খাজনা মওকুফের ফায়দা একেবারেই স্পর্শ করে না। তাদেরকে যা কিছুটা স্পর্শ করতে পারে তা হলো সরকারের অতিরিক্ত জমি ভূমিহীনদের মধ্যে বিতরণ। কিন্তু এই অতিরিক্ত জমি সরকার কর্তৃক সংগ্রহের ক্ষেত্রে আজ কি ঘটছে?

     

     

    ১৯৫০ সালে নূরুল আমীন সরকারের মতো এই সরকারও পরিবার প্রতি জমির ঊর্ধ্বতম পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন একশো বিঘা। বাঙলাদেশে জমির পরিমাণ মাথাপিছু এমনিতেই এত কম যে, একশো বিঘা জমি পরিবার প্রতি রাখার অনুমতি দেওয়ার পর যে পরিমাণ জমি সরকারের হাতে আসবে তার দ্বারা ভূমিহীনদের জমির চাহিদা মেটানোর প্রশ্ন ওঠে না। এর দ্বারা ঢাকা, ময়মনসিংহ ইত্যাদির মতো কয়েকটি জেলায় প্রকৃতপক্ষে কোন অতিরিক্ত জমি বিতরণের জন্যে সরকারের হাতে আসার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। কিন্তু সব থেকে বড়ো কথা হলো বর্গাপ্রথা উচ্ছেদ সম্পর্কে সরকারের সুস্পষ্ট নীতি এবং বক্তব্যের অভাব। তাঁরা যে ভূমি-নীতি ঘোষণা করেছেন তার ফলে একদিকে যেমন জমির মালিকেরা নানা প্রকার ফন্দির মাধ্যমে শুধু পরিবারপিছু একশো বিঘা নয়, আরও অনেক বেশী জমি নিজেদের হাতে রাখতে পারবে, তেমনি অন্যদিকে বর্গাপ্রথার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গরীব কৃ ষকদের ওপর নিজেদের সামন্তশোষণও কায়েম রাখতে সক্ষম হবে। এই সামন্ত শোষণের ফলে আবার কায়েম থাকবে মহাজনী শোষণ। এইভাবে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এবং সামন্তবাদের অবশেষ বর্গাদারী ও মহাজনী প্রথার আধিপত্য কৃষকজীবনে বজায় রেখে কৃষকদের শ্রেণীশত্রুরা গ্রামাঞ্চলে নিজেদেরকে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দিক দিয়ে প্রতিষ্ঠিত রাখবে।

     

     

    উপরোক্ত প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এর ফলে অর্থনীতির ক্ষেত্রে উৎপাদন সম্পর্ক মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে এবং উৎপাদন বৃদ্ধি শ্লথগতি হতে বাধ্য। এই অবস্থার ফলে একদিকে যেমন খাদ্য এবং অন্যান্য কৃষি উৎপন্ন দ্রব্যের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন সম্ভব হবে না, তেমনি অন্যদিকে কৃষি-উদ্বৃত্ত শিল্পখাতে নিয়োগ করে শিল্পের উন্নয়নের জন্য বিদেশের, বিশেষতঃ সাম্রাজ্যবাদের শক্তিসমূহের ওপর নির্ভরশীলতাও কমবে না। অর্থাৎ পাকিস্তানী আমলে পূর্ব বাঙলায় সামন্তশক্তি ও সাম্রাজ্যবাদের মধ্যে যে সম্পর্ক ছিলো সে সম্পর্ক বাঙলাদেশেও মোটামুটিভাবে অটুট থাকবে।

    সরকারের ভূমি-নীতির এই দিকটি যত স্পষ্ট হয়ে উঠছে ততই বিরোধী দলসমূহ এ বিষয়ে সোচ্চার হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এমন কি, বাঙলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফ্ফর গ্রুপ) ইত্যাদি আধা-সরকারী দলগুলি পর্যন্ত নিম্নকণ্ঠে সরকারের সমালোচনা না করে পারছে না।

    আমাদের দেশ কৃষিপ্রধান। কাজেই এ দেশের কৃষি-অর্থনীতির মধ্যে যতদিন পর্যন্ত না একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত বাঙলাদেশের অর্থনীতিকে সাম্রাজ্যবাদের কবলমুক্ত করার আস্ফালন হাস্যকর ব্যতীত কিছু নয়। এই হাস্যকর কাজই এখন সরকারীভাবে করা হচ্ছে। একদিকে সামন্তবাদী কৃষি-অর্থনীতিকে মোটামুটি টিকিয়ে রেখে, সাম্রাজ্যবাদের সাথে নানান অলিখিত আঁতাতে আবদ্ধ হয়ে, বর্তমান সরকার নিজের দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে দৃঢ় করছে। অন্যদিকে তারা সামন্তবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে অহরহ ‘সতর্কবাণী’ উচ্চারণ করে জনগণকে সর্বতোভাবে বিভ্রান্ত করার কাজে আত্মনিয়োগ করেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের জাতীয়করণ পরিকল্পনা এবং কর্মসূচীর পর্যালোচনা করলেই তার সত্যিকার চরিত্র উপলব্ধি করা সম্ভব হবে। একমাত্র সেভাবেই বোঝা যাবে জনগণের জীবনের এই ‘মহা পরিকল্পনা’ এবং ‘সমাজতন্ত্রের’ পথে প্রথম পদক্ষেপের প্রকৃত অর্থ কি।

     

     

    এই প্রসঙ্গে তৃতীয় আর একটি বিষয়ের উল্লেখ করা দরকার। এখন প্রায়ই বিভিন্ন মহল থেকে বক্তৃতা-বিবৃতি দিয়ে বলা হচ্ছে যে, সরকার যে সমস্ত শিল্প এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করেছেন সেগুলিকে বানচাল করার ষড়যন্ত্র হচ্ছে। শুধু তাই নয়। এই ষড়যন্ত্রের ফলে ইতিমধ্যেই জাতীয় অর্থনীতি যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং সমাজতন্ত্রে উত্তরণের পদক্ষেপ হিসেবে জাতীয়করণ কর্মসূচী ব্যর্থ হতে চলেছে।

    আওয়ামী লীগের জাতীয়করণ কর্মসূচীর এই পরিণতি যে ঘটবে সেটা পূর্বেই বলেছি। কারণ জাতীয়করণের ফলে যে-সমস্ত শিল্প রাষ্ট্রায়ত্ত হয়েছে সর্বক্ষেত্রে সেগুলি পরিচালনার দায়িত্ব এখন এক শ্রেণীর ব্যক্তি ও আমলাদের হাতে সরকার অর্পণ করেছে যারা সমাজতন্ত্রের ঘোর বিরোধী এবং পুঁজিবাদী ব্যবস্থার ঘোরতর উপাসক। এরা ছাড়া অন্যান্য অনেক সমাজবিরোধী ব্যক্তি এবং শক্তিও আজ উপরোক্ত সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহের সাথে জড়িত। তারা নানাভাবে শিল্প, বাণিজ্য ও উৎপাদনকে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যাহত করছে।

    রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প, বাণিজ্য ইত্যাদিকে উপরোক্ত শক্তিসমূহ স্বভাবতঃই জনগণের স্বার্থে পরিচালনা না করে এমন এক রাষ্ট্রের আয়ত্তাধীন স্বার্থ হিসেবে পরিচালনা করছে যে রাষ্ট্র শ্রমিক, কৃষক, মধ্যবিত্ত জনগণের নয়। এ ব্যবস্থা এমন এক পুঁজিবাদী ব্যবস্থা যেখানে রাষ্ট্রই পুঁজির মালিক এবং রাষ্ট্রের কর্ণধাররাই এই পুঁজির মুনাফাভোগী। সরকারের জাতীয়করণ কর্মসূচীর মুনাফা যে জনগণ আজও পাননি এবং পাওয়ার কোন সম্ভাবনাও তাঁরা দেখছেন না একথা কি এখন কাউকে বেশী করে বোঝানোর প্রয়োজন আছে?

     

     

    আওয়ামী লীগের জাতীয়করণ পরিকল্পনা সম্পর্কে ওপরের আলোচনা থেকে যে জিনিসটি সুস্পষ্ট হচ্ছে তা হলো এই যে, এই পরিকল্পনা বাঙলাদেশ থেকে সামন্তবাদ, সাম্রাজ্যবাদ এবং পুঁজির শোষণকে কমিয়ে আনা অথবা বন্ধ করার মতো কিছুই করেনি। শুধু তাই নয়, এই পরিকল্পনা পূর্বের মতোই আমাদের দেশের জনগণকে সামন্তবাদ, সাম্রাজ্যবাদ এবং পুঁজির শোষণে আষ্টে-পৃষ্ঠে জড়িয়ে রাখারই মহাপরিকল্পনা।

    আমাদের এই বক্তব্য যে কাল্পনিক নয়, বাস্তব অবস্থা এবং সঠিক তথ্যের ওপরেই তা প্রথম থেকেই প্রতিষ্ঠিত, তা এখন প্রমাণিত হচ্ছে। আওয়ামী লীগের জাতীয়করণ কর্মসূচীর যে সমালোচনা আমরা করেছি সেই একই সূত্র ধরে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, গোষ্ঠী এবং ব্যক্তি এখন ধীরে ধীরে সমালোচনায় সোচ্চার হচ্ছেন। এই সমালোচনা যত দানা বাঁধবে, আরও যত তথ্যভিত্তিক হবে, ততই আমাদের দেশের জনগণ বুঝবেন যে, এই কর্মসূচী সমাজতন্ত্রে উত্তরণের প্রথম পদক্ষেপ নয়। এ পদক্ষেপ হলো বাঙলাদেশে শোষকশ্রেণীর শাসনকে আরও সুসংগঠিত করারই এক ব্যাপক এবং সুচতুর কর্মসূচী।

    সাপ্তাহিক স্বাধিকার
    ৩রা সেপ্টেম্বর, ১৯৭২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }