Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প197 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বাঙলাদেশ রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও স্বীকৃতি প্রসঙ্গে

    বাঙলাদেশের বামপন্থী রাজনৈতিক মহলের একটি বিশেষ অংশে বাঙলাদেশকে একটি পৃথক ও স্বতন্ত্র রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির প্রশ্নে একটা নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গী প্রথম থেকেই দেখা যাচ্ছে। এই অস্বীকৃতির জন্য তাঁরা নিজেদের দলকে পূর্ব বাঙলার (যা ভৌগোলিক দিক দিয়ে এ অঞ্চলের স্বাভাবিক নাম) অথবা বাঙলাদেশের একটি দল হিসেবে পরিচয় না দিয়ে এখনো পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের একটি দল হিসেবেই তার পরিচয় দিচ্ছেন।

    বাঙলাদেশের একটি দল হিসেবে তাঁরা নিজেদের পরিচয় না দেওয়ার কারণ তাঁদের মতে বাঙলাদেশ রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছে সামাজিক সাম্রাজ্যবাদী ভারতীয় সম্প্রসারণবাদী এবং মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী চক্রান্তের ফলে এবং সেই সমস্ত বৈদেশিক শক্তিসমূহের স্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশ্যে। পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর এই ভূখণ্ড ভারতের তদারকীতে সোভিয়েত সামাজিক সাম্রাজ্যবাদীদের উপনিবেশে পরিণত হয়েছে এবং এই তথাকথিত রাষ্ট্রের কোন স্বাধীনতা অথবা সার্বভৌমত্ব নেই।

    বাঙলাদেশ একটি সার্বভৌম অথবা তাঁবেদার রাষ্ট্র, স্বাধীন রাষ্ট্র অথবা পুতুল রাষ্ট্র, এসব নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক অনেকে করতে পারেন, এবং বাস্তবক্ষেত্রে অনেকেই তা করছেন। কিন্তু এই তর্কের সাথে রাষ্ট্র হিসেবে বাঙলাদেশের অস্তিত্বের প্রশ্নটিকে জড়িত করার কোন যুক্তিসম্মত কারণ আছে কি না সেটা দেখা দরকার।

    বিশ্বপরিসরে সাম্রাজ্যবাদের উত্থান এবং আধিপত্য সম্প্রসারণের পরিণতিতে আধা- ঔপনিবেশিক অথবা নয়া ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রগুলির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব কিছুতেই সম্ভব নয়। শুধু তাই নয়, মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের শক্তি এবং আধিপত্য বৃদ্ধি ও বিস্তারের সাথে সাথে অন্যান্য পুঁজিবাদী ও পিছিয়ে পড়া সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলিও তাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব পরিপূর্ণভাবে রক্ষা করতে বর্তমান যুগে আর সক্ষম হচ্ছে না। সাম্রাজ্যবাদ তার লগ্নীপুঁজির মাধ্যমে এমনভাবে দেশে দেশে তার শোষণ ও আধিপত্যের জাল বিস্তার করে যে, সেই জাল ছিন্ন করে সার্বভৌম শক্তি হিসেবে উপরোক্ত ধরনের রাষ্ট্রগুলি দ্বারা কোন স্বাধীন পদক্ষেপ কোন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারেই গ্রহণ করা সম্ভব হয় না।

    কিন্তু আধা-ঔপনিবেশিক, নয়া-ঔপনিবেশিক এবং পিছিয়ে পড়া পুঁজিবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্রগুলি নিজেদের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষার ক্ষেত্রে কমবেশী অসমর্থ হলেও পুঁজিবাদী, সাম্রাজ্যবাদী, সম্প্রসারণবাদী, সামাজিক-সাম্রাজ্যবাদী অথবা সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলি রাষ্ট্র হিসেবে তাদের কারোর অস্তিত্বকে অস্বীকার করে না।

     

     

    অবশ্য ক্ষেত্র বিশেষে দেখা যায় যে, কোন কোন রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে কোন কোন রাষ্ট্র স্বীকার করে না। উদাহরণস্বরূপ, সোভিয়েত ইউনিয়নকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ফ্রান্স ইত্যাদি বহুদিন স্বীকৃতি দেয়নি। মিশর, ইরাক, সিরিয়া, সৌদি আরব, পাকিস্তান, আলজিরিয়া, চীন ইত্যাদি ইসরাইল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি আজ পর্যন্ত দেয়নি। চীনকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয়নি এবং শেষ পর্যন্ত তার জাতিসংঘভুক্তির বিরোধিতা করেছে। চীন, আলবেনিয়া ইত্যাদি এখনো বাঙলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। এই সব অস্বীকৃতির প্রকৃত অর্থ এবং তাৎপর্য কি?

    এই অস্বীকৃতির প্রকৃত অর্থ হলো, বিভিন্ন কারণে এক বা একাধিক রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য কোন বিশেষ রাষ্ট্রকে উচ্ছেদের চেষ্টা এবং সেই হিসেবে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকৃতি অথবা সেই রাষ্ট্র এক বা একাধিক শর্ত পালন না করা পর্যন্ত তার সাথে সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকৃ তি। উভয় ক্ষেত্রেই এই আন্তর্জাতিক অস্বীকৃতির অর্থ কোন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রীয় বাস্তবতাকে অস্বীকার করা নয়। কারণ যার বাস্তবতাকে অস্বীকার করা হয় তাকে উচ্ছেদের অথবা তাকে কতকগুলি শর্তপালন করতে বাধ্য করানোর প্রশ্ন ওঠে না।

    সে প্রশ্ন ওঠে না বলেই এ ধরনের কোন নোতুন রাষ্ট্রকে যে-সমস্ত রাষ্ট্র স্বীকৃতি দেয় না তারা হয় তার স্বপ্রদত্ত নামেই তাকে উল্লেখ করে অথবা সেই দেশের পূর্ব নামে তাকে উল্লেখ করে।

     

     

    বাঙলাদেশ রাষ্ট্র সম্পর্কে আলোচনা করতে গিয়েই বর্তমান আলোচনার অবতারণা করা হয়েছে। এজন্যে বাঙলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে চীনের অস্বীকৃতির প্রসঙ্গটি এক্ষেত্রে উল্লেখ করা দরকার।

    চীন স্পষ্টতঃই পাকিস্তানকে বিভক্ত করার বিরোধী ছিলো। কিন্তু পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পূর্ব পাকিস্তানে বাঙলাদেশ নামে একটি নোতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এই নবগঠিত রাষ্ট্রের প্রতি চীনের দৃষ্টিভঙ্গি কী দাঁড়ালো? তারা এই রাষ্ট্রের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে অস্বীকৃতি জানালো ঠিক, কিন্তু তারা কি এই রাষ্ট্রের বাস্তবতা এবং অস্তিত্বকে অস্বীকার করলো? না, সেটা তারা করেনি। তারা বাঙলাদেশকে বাঙলাদেশ নামেই উল্লেখ করেছে এবং যুদ্ধবন্দী সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রস্তাব কার্যকর করার জন্যে বাঙলাদেশের ওপর চাপ দিচ্ছে। বাঙলাদেশ জাতিসংঘের উপরোক্ত প্রস্তাব অনুযায়ী কাজ করলেই চীন তার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে বাঙলাদেশকে স্বীকৃতি দেবে অর্থাৎ এই রাষ্ট্রের সাথে কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য সম্পর্ক যথারীতি স্থাপন করবে।

    কোন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অথবা অস্বীকৃতির প্রশ্ন এইভাবে আলোচনাকালে একটি বিষয় ভালোভাবে উপলব্ধি করা দরকার। সে বিষয়টি হলো এই যে, একটি রাষ্ট্র কর্তৃক অন্য একটি রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়া অথবা না দেওয়ার প্রশ্নটির সাথে সেই রাষ্ট্রের অন্তর্গত কোন রাজনৈতিক দল কর্তৃক রাষ্ট্রটিকে স্বীকৃতি দেওয়া না দেওয়ার প্রশ্নের কোন সম্পর্কই বাস্তবত অথবা তত্ত্বগত কোন হিসেবেই থাকতে পারে না।

     

     

    বর্তমান বিশ্বপরিস্থিতিতে সাম্রাজ্যবাদের অবস্থানের জন্য জাতিসংঘভুক্ত অধিকাংশ রাষ্ট্রের কোন স্বাধীনতা অথবা সার্বভৌমত্ব প্রকৃত অর্থে নেই। এই রাষ্ট্রগুলি নয়া ঔপনিবেশিক এবং বিভিন্নভাবে সাম্রাজ্যবাদ কবলিত রাষ্ট্র হিসেবে কোন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েই স্বাধীনভাবে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কিন্তু সেটা না পারলেও রাষ্ট্র হিসেবে তাদের একটা পৃথক এবং স্বতন্ত্র সত্তা আছে এবং আইনগতভাবে তাদের একটা আন্তর্জাতিক মর্যাদাও আছে। তৃতীয় বিশ্ব বলতে যে রাষ্ট্রগুলিকে বোঝায় সেগুলি মোটামুটিভাবে এই ধরনেরই রাষ্ট্র। তারা মোটামুটিভাবে সাম্রাজ্যবাদী আধিপত্যের অধীন এবং অনেক ক্ষেত্রে সেই আধিপত্যের বাইরে বেরিয়ে আসার প্রয়াসী। এই ধরনের যে কোন দেশে কমিউনিস্ট পার্টি রাষ্ট্রের সামন্ততান্ত্রিক ও মুৎসুদ্দী চরিত্র পরিবর্তন করে সেখানে শ্রমিক শ্রেণীর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালায় এবং সেই হিসেবে রাষ্ট্রশক্তির সাথে তাদের সংঘর্ষও বাধে। কিন্তু এই সংষর্ঘ সত্ত্বেও যে রাষ্ট্রের মধ্যে তারা বাস করে এবং যে রাষ্ট্র তারা পরিবর্তন, এমন কি উচ্ছেদ করতে চায় তার অস্তিত্বকে তারা অস্বীকার করে না। কারণ, রাষ্ট্রকে গণবিরোধী, শোষণমূলক, শত্রু ইত্যাদি আখ্যা দেওয়া এক কথা এবং তার অস্তিত্বকে অস্বীকার করা আর এক কথা। যার অস্তিত্বই নেই, যা অবাস্তব তা অলীক এবং যা অলীক তাকে গণবিরোধী, শোষণমূলক অথবা শত্রু কোন আখ্যাই দেওয়া চলে না। তার বিরুদ্ধে কোন সংগ্রামই করা চলে না।

     

     

    এখানে স্বীকৃতির প্রশ্ন বিবেচনা করতে গিয়ে রাষ্ট্রের বাস্তবতার স্বীকৃতি এবং গণতান্ত্রিক, স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে তার স্বীকৃতি এই দুইকে বস্তুতঃপক্ষে গুলিয়ে ফেলা হয়। এইভাবে দুটি পৃথক বিষয়কে তত্ত্বগতভাবে গুলিয়ে ফেলার জন্য চিন্তার মধ্যে বাস্তবতার পরিবর্তে কল্পনার প্রভাব বৃদ্ধি পায়।

    লেনিন তাঁর ‘রাষ্ট্র ও বিপ্লব’ নামক বিখ্যাত গ্রন্থে রাষ্ট্রের অর্থ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মার্কসকে উল্লেখ করে লিখেছেন, “According to Marx the state is an organ of class rule, an organ for the oppression of one class by another; it is the creation of ‘order’, which legalises and perpetuates this oppression by moderating conflict between the classes.”

    অর্থাৎ মার্কসের মতে রাষ্ট্র হচ্ছে শ্রেণী শাসনের একটি যন্ত্র, একটি শ্রেণী কর্তৃক অপর একটি শ্রেণীর ওপর নিপীড়নের যন্ত্র, এটা এমন একটা ব্যবস্থা সৃষ্টি করে যে ব্যবস্থা শ্রেণীসমূহের মধ্যে সংঘর্ষকে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রেখে এই নিপীড়নকে আইনসঙ্গত এবং স্থায়িত্বদান করে!

     

     

    রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে লেনিন বলেন, “Two instituions most characteristic of this state machine are the bureaucracy and the standing army. In thier works, Marx and Engles repeatelly show that the bourgeoisie are connected with these institutions by thousands of thread”

    অর্থাৎ এই রাষ্ট্রযন্ত্রের দুটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, আমলাতন্ত্র এবং নিয়মিত সৈন্যবাহিনী। মার্কস এবং এঙ্গেলস নিজেদের রচনায় বারংবার দেখিয়েছেন যে, এই দুই ধরনের সংস্থার সাথে বুর্জোয়ারা সহস্র সূত্রে সম্পর্কিত থাকে।

    মার্কস, এঙ্গেলস ও লেনিন রাষ্ট্রের যে-সমস্ত বৈশিষ্ট্যগুলি ওপরে উল্লেখ করেছেন সে অনুসারে বাঙলাদেশ কি একটি রাষ্ট্র নয়? এখানে কি শ্রেণী শোষণ ও শ্রেণী দ্বন্দ্ব নেই? শোষক-শাসক শ্রেণীর নিজস্ব আইন ব্যবস্থা নেই? এখানে কি আমলাতন্ত্র ও নিয়মিত সৈন্যবাহিনী নেই, এ সবই যদি থাকে তাহলে বাঙলাদেশ কি একটি রাষ্ট্র নয়? এবং তা যদি হয় তবে তাকে অস্বীকার করতে যাওয়ার অর্থ কী?

     

     

    যাঁরা এই রাষ্ট্রকে রাষ্ট্র হিসেবে অস্বীকার করছেন, তাঁরা স্বভাবতঃই এই রাষ্ট্রের পরিবর্তন অথবা উচ্ছেদ চান। কিন্তু রাষ্ট্র পরিবর্তন অথবা উচ্ছেদ করে শ্রমিক শ্রেণীর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের সাথে এই রাষ্ট্রের বাস্তবতাকে অস্বীকার করার বিন্দুমাত্র কোন তাত্ত্বিক অথবা বাস্তব প্রয়োজন আছে কি? মোটেই নেই। উপরন্তু রাষ্ট্রকে পরিবর্তন এবং উচ্ছেদ করার কথা যে সমস্ত দল অথবা যে বিশেষ দল চিন্তা করবেন তাঁদেরকে এই রাষ্ট্রের বাস্তবতা স্বীকার করতেই হবে। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রের চরিত্র সম্পর্কে মতভেদ থাকলেও এই রাষ্ট্রকে যাঁরা টিকিয়ে রাখতে চান তাঁরা যেভাবে এর অস্তিত্ব ও বাস্তবতাকে স্বীকার করেন ঠিক সেইভাবেই তাকে স্বীকার করতে হবে।

    মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে যাঁরা রাষ্ট্র পরিবর্তন চান এবং যাঁরা তত্ত্বগতভাবে বাঙলাদেশকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন না তাঁরাও এই স্বীকৃতি বাস্তবক্ষেত্রে দিচ্ছেন। কারণ এই রাষ্ট্রের দ্বারা সংগঠিত শোষণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে তাঁরা কথা বলছেন এবং এই শোষণ ব্যবস্থা উচ্ছেদের জন্যে বিপ্লবের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিবর্তনের আহ্বানও তাঁরা জনগণের কাছে দিচ্ছেন। অর্থাৎ কার্যক্ষেত্রে তাঁরাও বাঙলাদেশ রাষ্ট্রের বাস্তবতাকে স্বীকার না করে পারছেন না।

    কিন্তু কার্যক্ষেত্রে এই স্বীকৃতি সত্ত্বেও তাঁরা বাঙলাদেশ রাষ্ট্রকে বাঙলাদেশ নামে অভিহিত করতে চাইছেন না এবং এই অনিচ্ছাকে একটা তত্ত্বগত পোশাক পরানোর অনেক চেষ্টা করছেন। এইসব প্রচেষ্টা যে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী তত্ত্বের সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন এক ধরনের অপচেষ্টা তাতে কোন সন্দেহ নেই। এই অপচেষ্টা যাঁরা করছেন তাঁদের মধ্যে অনেকেই সততা ও নিষ্ঠার সাথে এ কাজ করছেন এবং বিভ্রান্ত হচ্ছেন। কাজেই শেষ পর্যন্ত অন্যান্য অনেকের মতো তাঁদেরও এই ভ্রান্তির অবসান ঘটবে এটা আশা করাই সঙ্গত।

     

     

    যে সমস্ত তাত্ত্বিকরা বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে বাঙলাদেশ নামে অভিহিত করতে চাইছেন না, তাঁরা কী নামে একে চিহ্নিত করছেন? কী নাম ধরে একে উল্লেখ করছেন? নিজেদের দলকে অবশ্য এখনো তাঁরা একটি ‘পূর্ব পাকিস্তানী’ দল হিসেবে ঘোষণা করছেন। কিন্তু এই রাষ্ট্র? এর নাম কি পূর্ব পাকিস্তান? তাঁরা কি এখন নিজেদের কাজ-কর্মের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলে পূর্ব পাকিস্তান রাষ্ট্রের পরিবর্তন চাইছেন?

    নিশ্চয়ই না। তাঁরা প্রকৃতপক্ষে চাইছেন এই বাঙলাদেশ রাষ্ট্রকেই পরিবর্তন করতে। তা যদি চান তাহলে এই রাষ্ট্রকে বাঙলাদেশ নামে ডাকতে, তাকে সেই হিসেবে স্বীকার করতে মার্কসবাদী-লেনিনবাদী হিসেবে তাঁদের অসুবিধা কোথায়?

    বাস্তব পরিস্থিতিকে অস্বীকার করে নানান তাত্ত্বিক বিড়ম্বনা সৃষ্টির ফলে রাষ্ট্র কাকে বলে সে কথাটিই তাঁরা ভুলে গেছেন। সেজন্য মার্কস-এঙ্গেলস-লেনিন রাষ্ট্র সম্পর্কে যা বলেছেন সে- সব কথা গ্রাহ্য করারও কোন প্রয়োজন তাঁরা বোধ করছেন না। কাজেই তত্ত্বের ব্যাপারে সম্পূর্ণ স্বাধীন হয়ে গিয়ে তাঁরা এখনো পর্যন্ত বাঙলাদেশকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে বৃটিশ সাম্রাজ্যবাদের সৃষ্ট একটি রাষ্ট্রের নামে (যে নাম এখান থেকে ১৯৭১ সালে বাস্তবক্ষেত্রে ঘুচে গেছে) দক্ষিণ এশিয়ার এই অঞ্চলকে এখনো পর্যন্ত আখ্যায়িত করে চলেছেন।

     

     

    শুধু তাই নয়, তাঁরা মুক্তিযুদ্ধের যে তত্ত্ব খাড়া করেছেন সে তত্ত্বের দ্বারা পরিচালিত হয়ে বাঙলাদেশে বিপ্লব ঘটালে সেই বিপ্লবোত্তর রাষ্ট্র একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে, শ্রমিক শ্রেণীর একটি রাষ্ট্র হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠার কোন চেষ্টা করবে না। সে রাষ্ট্র পাকিস্তানের (পূর্ববর্তী পশ্চিম পাকিস্তানের) সাথে আবার মিলিত হবে। অর্থাৎ শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে বিপ্লব ঘটিয়ে এ দেশের জনগণকে তাঁরা একটি সামন্ত-বুর্জোয়া রাষ্ট্রের পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে দেবেন! এই উন্মাদ তাত্ত্বিক বক্তব্য এবং রাজনৈতিক লক্ষ্যের যাঁরা বিরোধী তাঁদেরকে এঁরা ‘জাতীয়তাবাদী’ আখ্যা দিয়ে নিশ্চিন্ত আছেন। কিন্তু চীন বাঙলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর তাঁদের এই নিশ্চিন্তভাব যে দূরীভূত হবে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

    ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেমন রাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও তেমনি। নাম ধরতে হলে জন্মদাতাদের দেওয়া নামই ধরা উচিত। সব দেশের বিপ্লবীরাই তাই করেছেন। কাজেই এই নাম না ধরার মধ্যে আত্যন্তিকভাবে বৈপ্লবিক কিছু নেই। উপরন্তু তাত্ত্বিক বিড়ম্বনা আছে। এই তাত্ত্বিক বিড়ম্বনা অন্য কোন কারণে না হলেও জনগণের স্বার্থে পরিত্যাগ করা দরকার। যাঁরা তা না করবেন তাঁদের দ্বারা এদেশে শ্রমিক শ্রেণীর শাসন কায়েমের বিন্দুমাত্র কোন সম্ভাবনা নেই।

    বঙ্গবার্তা
    ১৬ই ডিসেম্বর, ১৯৭৩

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }