Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প197 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাতীয় রাজনীতি ক্ষেত্রে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ভূমিকা

    ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ আনুষ্ঠানিকভাবে সাম্প্রদায়িক চরিত্র পরিবর্তন করে আওয়ামী লীগ নাম ধারণ করার পর পূর্ব পাকিস্তানের কমিউনিস্ট পার্টি তার মধ্যে অনুপ্রবেশের সিদ্ধান্ত নেয় এবং বহুসংখ্যক নেতৃস্থানীয় কমিউনিস্ট কর্মী আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। তখনকার দিনে কমিউনিস্ট পার্টি বেআইনী থাকার ফলে প্রকাশ্য কাজের সুবিধা হবে এবং সেই কাজের মাধ্যমে পার্টি রাজনীতি ও সংগঠনকে জনপ্রিয় ও জোরদার করতে পারবেন মনে করেই তাঁরা সেই সিদ্ধান্ত নেন। কমিউনিস্টরা আওয়ামী লীগে কাজ শুরু করার পর থেকে আওয়ামী লীগের বামপন্থী অংশ নিঃসন্দেহে অনেকখানি শক্তিশালী হয়। এর থেকে কমিউনিস্টদের ধারণা হয় যে, আওয়ামী লীগের কাঠামোর মধ্যেই তাঁরা নিজেদের ঘরোয়া ও বৈদেশিক নীতি অনেকখানি কার্যকর করতে পারবেন। এ জাতীয় একটা উদ্দেশ্যের মধ্যে দোষের কিছু ছিলো না কিন্তু তবু এ কথা অনস্বীকার্য যে আওয়ামী লীগের মতো একটি পেটি বুর্জোয়া সংগঠনের মধ্যে নিজেদের নীতিকে কতখানি এবং কতদূর পর্যন্ত কার্যকর করা সম্ভব সে বিষয়ে তাঁদের তেমন কোন ধারণা থাকেনি। এই ধারণার অভাবের জন্যে একদিকে তাঁরা আওয়ামী লীগের ওপর মাত্রাতিরিক্ত ভরসা রেখে নিজেদের পার্টি সংগঠনকে নানা দিক দিয়ে দুর্বল করে রাখলেন, অন্যদিকে এমন কতকগুলি কর্মসূচী আওয়ামী লীগের মধ্যে তাঁরা এগিয়ে নিতে চাইলেন যেগুলিকে হজম করা সেই সংগঠনের সোহরাওয়ার্দী, আতাউর রহমান, শেখ মুজিবের নেতৃত্বাধীন অংশের পক্ষে কিছুতেই সম্ভব হলো না। মওলানা ভাসানী সে সময়ে মোটামুটিভাবে আওয়ামী লীগের বামপন্থী মহলের সাথে ছিলেন এবং সেই হিসেবে কমিউনিস্টরা মনে করেছিলেন যে মওলানার মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের কর্মসূচীকে কার্যকর করবেন।

    আওয়ামী লীগের মধ্যে বাম ও দক্ষিণপন্থীদের এই দ্বন্দ্ব চরম আকার ধারণ করে ১৯৫৭ সালে অনুষ্ঠিত কাগমারী সম্মেলনে। এই সম্মেলনে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতির ওপর একটি প্রস্তাব বামপন্থী মহলের পক্ষ থেকে উত্থাপন করা হয়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিব, আতাউর রহমান খান প্রমুখ দক্ষিণপন্থী নেতারা ভয়ানকভাবে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেন। এর ফলে তা গরিষ্ঠ ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়।

    কমিউনিস্টরা এর থেকে ধারণা করে যে আওয়ামী লীগ প্রতিক্রিয়াশীল হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তার কাঠামোর মধ্যে তাঁদের বামপন্থী রাজনীতি এগিয়ে নেওয়া আর সম্ভব নয়। এ ধারণা নিঃসন্দেহে সঠিক ছিলো। কিন্তু তার থেকে তাঁরা যে সিদ্ধান্ত করলেন তাতে তাঁদের পূর্ববর্তী ভুলেরই পুনরাবৃত্তি ঘটলো।

     

     

    আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে এসে কমিউনিস্টরা মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে এবং আওয়ামী লীগের অপেক্ষাকৃত প্রগতিশীল অংশকে নিয়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি নামে একটি নোতুন পেটি বুর্জোয়া সংগঠন গঠন করলেন। তাঁরা মনে করলেন যে মোটামুটিভাবে তাঁদের নিজেদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি পেটি বুর্জোয়া পার্টিকে তাঁরা একটি যথার্থ জাতীয় রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলে একদিকে গণতান্ত্রিক শক্তিসমূহকে জোরদার করবেন এবং অন্যদিকে পার্টি সংগঠনকেও এগিয়ে নিতে সক্ষম হবেন।

    এ কাজ করতে গিয়ে কমিউনিস্টরা একটি মারাত্মক তত্ত্বগত এবং কৌশলগত ভুল করলেন। ভুলটি হলো শ্রমিক শ্রেণীর পার্টি কর্তৃক একটি পেটি বুর্জোয়া রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃ ত্ব দিতে যাওয়া। শ্রমিক শ্রেণীর পার্টির নেতৃত্ব পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর কবলে পড়লে যেমন তার মধ্যে সংশোধনবাদের রাজত্ব কায়েম হয়, তেমনি পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর কোন সংগঠন শ্রমিকশ্রেণীর পার্টির হুকুমবরদার হলে পেটি বুর্জোয়া সংগঠন হিসেবে তা কখনো যথাযথভাবে বিকাশ লাভ করতে পারে না। একথা শুধু শ্রমিকশ্রেণী ও পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর পক্ষেই প্রযোজ্য নয়। সব শ্রেণী সম্পর্কেই তা সত্য। কারণ প্রত্যেক শ্রেণীরই কতকগুলি নির্দিষ্ট স্বার্থ থাকে এবং তাদের সেই স্বার্থসমূহের দ্বারাই তারা মূলতঃ পরিচালিত হয়। এ জন্যে প্রত্যেক শ্রেণীরই মৌলিক রাজনৈতিক চরিত্র এবং অবস্থান স্বতন্ত্র হতে বাধ্য। এই স্বাতন্ত্র্যকে স্বীকার করে প্রত্যেক শ্রেণীর রাজনীতি যদি সংগঠিত হয় তা হলেই তার দ্বারা সেই শ্রেণীর বিশেষ শ্রেণীগত স্বার্থ অগ্রসর হয়, অন্যথায় হয় না। আবার যে রাজনীতি সেই বিশেষ স্বার্থের প্রতি উদাসীন থাকে সে রাজনীতিও কখনো যথার্থভাবে সেই শ্রেণীর বিকাশ সাধন করতে পারে না।

     

     

    ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি এবং তার পৃষ্ঠপোষক কমিউনিস্ট পার্টির পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও একথা প্রযোজ্য। ১৯৫৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যাবে যে তার মধ্যে কমিউনিস্টদের সাংগঠনিক, তত্ত্বগত ও কর্মসূচীগত প্রভাবের ফলে তারা পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর পার্টি হিসেবে অনেক ক্ষেত্রে নিজেদের শ্রেণী-চরিত্র উত্তীর্ণ হয়ে অনেক অগ্রসর ধ্বনি তুলেছে সত্য কিন্তু সেই সব ধ্বনির মাধ্যমে তারা জাতীয় রাজনীতিতে পেটি বুর্জোয়ার এক নম্বর পার্টি হিসেবে প্রতিষ্ঠা অর্জন করতে পারেনি। অন্যদিকে, একটি পেটি বুর্জোয়া পার্টিকে নিজেদের প্রভাবাধীন রাখার প্রাণপণ প্রচেষ্টায় নিযুক্ত থাকার ফলে কমিউনিস্টরা নিজেদের শক্তির এক বিরাট অংশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির পেছনে খরচ করেছেন এবং তার ফলে নিজেদের পার্টিকে অগ্রসর করার কাজ তাদের দ্বারা বহুলভাবে অবহেলিত হয়েছে।

    ১৯৬৯-এর ব্যাপক গণআন্দোলনের সময়েই মার্কসবাদী-লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি সর্বপ্রথম তাঁদের পার্টির সাথে ন্যাপের (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির) সম্পর্কের এই দিকটির বিষয়ে সচেতন হন এবং পরিশেষে ১৯৭০ সালে তার সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্কচ্ছেদ করেন।

     

     

    কিন্তু এই সম্পর্কচ্ছেদ যে সময়ে ঘটলো তখন পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর পার্টি হিসেবে ন্যাপের পক্ষে কোন অগ্রণী ভূমিকা পালন আর সম্ভব ছিলো না। আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যেই এই শ্রেণীকে এমনভাবে সংগঠিত করেছিলো যে সেই পর্যায়ে ন্যাপের অন্তর্ভুক্ত পেটি বুর্জোয়াদের পক্ষে তাদেরকে সেখান থেকে বের করে আনার কোন সম্ভাবনা থাকেনি। এর পরিণতিতে ন্যাপ একদিকে কমিউনিস্টদের থেকে এবং অন্যদিকে পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর রাজনীতির মূল ধারা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে বাধ্যতাবশতঃ শেষ পর্যন্ত ১৯৭০ এর নির্বাচন বর্জন করে বস্তুতঃপক্ষে নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়লো।

    ন্যাপের এই পরিণতি দেশের পক্ষে খুব ক্ষতিকরই হয়েছিলো। এই ক্ষতির কারণ মূলতঃ ন্যাপের জন্মবৃত্তান্তের মধ্যেই নিহিত। ১৯৫৭ সালে ন্যাপ গঠনের সময় আওয়ামী লীগের সমগ্র প্রগতিশীল অংশকেই ভাঙ্গিয়ে আনা হয়েছিলো। এর ফলে আওয়ামী লীগের মধ্যে সেই সময় থেকেই দক্ষিণপন্থী প্রভাব প্রায় সার্বভৌম হয়ে ওঠে। শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী এবং পরে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ঘরোয়া ও বৈদেশিক নীতির ক্ষেত্রে দক্ষিণপন্থী নীতি অনুসরণ করেন এবং তার ফলে আওয়ামী লীগ মোটামুটিভাবে সাম্রাজ্যবাদের মুখাপেক্ষী এদেশের উঠতি মুৎসুদ্দী বুর্জোয়াদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে ক্রমশঃ জোরদার হতে থাকে। পশ্চিম পাকিস্তান ভিত্তিক আমলা মুৎসুদ্দী শ্রেণীর শোষণের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তারা কতকগুলি কৌশলগত ধ্বনি তোলে। এই ধ্বনিগুলি পূর্ব বাঙলায় সমগ্র জনগণের ওপর পাকিস্তান সরকারের জাতীয় নির্যাতনের স্বরূপকে ঠিক মতো তুলে না ধরলেও তার মাধ্যমে পশ্চিম পাকিস্তান কেন্দ্রিক শোষক শ্রেণীর বিরুদ্ধে জনমত সংগঠিত হতে থাকে। অন্যদিকে কমিউনিস্টদের প্রভাবে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যের প্রশ্ন, এমন কি জাতীয় নির্যাতনের প্রশ্নটিকে পর্যন্ত ন্যাপ উচিতমতো এবং জোরালোভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরতে অক্ষম হয়। এর ফলে কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী-লেনিনবাদী) এবং ন্যাপ দুই- ই জনগণ থেকে অনেকাংশে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। জাতীয় নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের এই অক্ষমতার ফলে বাঙালী উঠতি মুৎসুদ্দী শ্রেণীর নির্যাতনের প্রকৃত শ্রেণী-চরিত্রের বিষয়ে জনগণকে সচেতন না করে সেই আন্দোলনকে সংকীর্ণ জাতীয়তাবাদী খাতে পরিচালনা করলো। পূর্ববাঙলার ওপর পাকিস্তানের জাতীয় নির্যাতনের অবসানের পর আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন বর্তমান বাঙলাদেশ সরকারের নানান কর্মসূচী এবং সেগুলি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে সেগুলির দিকে তাকালেই কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক কোন পেটি বুর্জোয়া রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃত্ব দিতে যাওয়ার প্রচেষ্টা এবং একটি পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর প্রগতিশীল অংশ কর্তৃক তার যথার্থ ভূমিকা পালন না করে নিজেদের দলীয় রাজনীতির ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক নেতৃত্ব স্বীকার করে নেওয়ার পরিণতি সুস্পষ্ট হবে।

     

     

    সামন্তবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও বৃহৎ পুঁজির বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রতিরোধকারী শ্রেণীর ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্বের ভূমিকাকে একটি পেটি বুর্জোয়া পার্টির নেতৃত্বের ভূমিকার সাথে জড়িয়ে ফেলার ভ্রান্তি যদি না ঘটতো তাহলে কমিউনিস্ট পার্টি ও ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি পারস্পরিক সৌভ্রাতৃত্ব বজায় রেখেই সাধারণ শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই পরিচালনা করতে সক্ষম হতো এবং সে লড়াইকে সত্যিকার একটা গণতান্ত্রিক চরিত্র দিতে পারতো। পূর্ব বাঙলার রাজনীতি ক্ষেত্রে বাঙলাদেশ স্থাপনের পূর্ব পর্যন্ত যে তা হয়নি বাঙলাদেশের বর্তমান অবস্থাই তার সব থেকে বড়ো প্রমাণ।

    এ তো গেলো পুরাতন ভুল-ভ্রান্তির কথা। বর্তমান বাঙলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি কোন্ ভূমিকা পালন করবে? ন্যাপ একটা পেটি বুর্জোয়া পার্টি হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতে আজ কোন্ ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে? আদি ন্যাপের যে অংশটি বাঙলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাথে ১৯৫৭ সালের গাঁটছড়া এখনো বেঁধে আছে তাদের বিষয়ে এখানে আলোচনার বিশেষ কিছু নেই। মস্কো প্রভাবিত বাঙলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি যে সংস্কারবাদী ও শোধনবাদী নীতির ভিত্তিতে আজ পরিচালিত হচ্ছে তাতে ন্যাপের সাথে তার রাজনীতিগত পার্থক্য দিন দিন কমে আসছে এবং এই ব্যবধান শেষ পর্যন্ত কতকগুলি তাত্ত্বিক বচনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে। সেই হিসেবে এরা কোন শ্রেণীর রাজনীতিকেই সঠিকভাবে এগিয়ে নিতে ভবিষ্যতে সক্ষম হবে না।

     

     

    কিন্তু মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি? তার ভবিষ্যৎ কি? জাতীয় রাজনীতিক্ষেত্রে তার অবস্থান আজ কোথায়? এ প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ এবং এর বিচার ও পর্যালোচনা প্রয়োজন।

    ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির এই অংশ ১৯৭০ সাল পর্যন্ত মার্কসবাদী-লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টি কর্তৃক প্রভাবিত ছিলো। মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্ব সত্ত্বেও তারাই বস্তুতঃপক্ষে ন্যাপের মৌলিক নীতি ও কর্মসূচী নির্ধারণ করতো। কিন্তু এখন এই ন্যাপের মধ্যে কোন সত্যিকার কমিউনিস্ট অনুপ্রবেশের সম্ভাবনা আর নেই। পেটি বুর্জোয়া শ্রেণীর কোন রাজনৈতিক সংগঠনে অনুপ্রবেশের মাধ্যমে যে কমিউনিস্ট পার্টিকে শক্তিশালী করা চলে না, এই রাজনৈতিক শিক্ষাই তার মূল কারণ। তার অর্থ অবশ্য এই নয় যে বিভিন্ন কমিউনিস্ট পার্টির নামে পরিচিতি সকল গ্রুপ সেই রাজনৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করেছে অথবা কমিউনিস্ট নামে পরিচিত ব্যক্তিরা নিজেদের সুবিধাবাদী স্বার্থ ও সংসদীয় আকাঙ্ক্ষা পূর্ণ ও চরিতার্থ করার জন্যে ন্যাপের মধ্যে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছে। এ অনুপ্রবেশ তারা অবশ্যই করতে পারে এবং করছে। এর দ্বারা তারা যদি ন্যাপের মধ্যে নিজেদের অন্য গ্রুপগত সত্তা ক্রমশঃ হারিয়ে ফেলে তাহলে তাতে ন্যাপের কোন ক্ষতি নাই; উপরন্তু ন্যাপ তার দ্বারা শক্তিশালী হতে পারে। কিন্তু একটি অথবা একাধিক রাজনৈতিক দল যদি ন্যাপের মধ্যে নিজেদের উপদলীয় প্রভাব বিস্তার করতে লিপ্ত হয় তা হলে তার পরিণতি ন্যাপের জন্য মোটেই ভালো হবে না। অর্থাৎ তার ফলে ন্যাপ জাতীয় রাজনীতিতে একটি স্বতন্ত্র পেটি বুর্জোয়া দল হিসেবে তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারবে না; একটি গণতান্ত্রিক সংগঠন হিসেবে তার উপযুক্ত বিকাশও সাধিত হবে না। উপরন্তু নানান উপদলীয় দ্বন্দ্ব ও চক্রান্তের খপ্পরে পড়ে ক্রমাগত অবক্ষয়ের মাধ্যমে তা শেষ পর্যন্ত নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

     

     

    ন্যাপের যা বর্তমান অবস্থা তাতে মওলানা ভাসানীই এই দলের সর্বেসর্বা, তাঁর ওপরেই এই সংগঠন সর্বতোভাবে নির্ভরশীল। এই ভিত্তির ওপর কোন রাজনৈতিক দল কখনো দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারে না। কাজেই পেটি বুর্জোয়া সংগঠন হিসেবে বর্তমান বাঙলাদেশে ন্যাপকে তার শ্রেণী-স্বার্থ সম্পর্কে সচেতন হতে হবে এবং শ্রমিক-শ্রেণী ও কৃষক সমাজের স্বার্থের সাথে তার নির্দিষ্ট স্বার্থের যোগটি উপলব্ধি করে একদিকে নিজেদের পার্টিকে একটি স্বতন্ত্র পার্টি হিসেবে গড়ে তুলতে হবে এবং অন্যদিকে সাম্রাজ্যবাদ, সামন্তবাদ ও আমলা মুৎসুদ্দী পুঁজির বিরুদ্ধে ব্যাপক গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ক্ষেত্রে কমিউনিস্ট শক্তিসমূহের সাথে হাত মেলাতে হবে। একথা তাদেরকে বুঝতে হবে যে, একদিকে যেমন পার্টিগতভাবে কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বাধীনে তাদের কোন স্বকীয় বিকাশ সম্ভব নয়, তেমনি অন্যদিকে কমিউনিস্টদের প্রতি শত্রুতা করেও তাদের ব্যাপক গণতান্ত্রিক সংগ্রামের সাফল্যের কোন সম্ভাবনা নেই। পরস্পরের স্বার্থের পার্থক্য এবং ঐক্য সম্পর্কে যথাযথ উপলব্ধির দ্বারাই এক্ষেত্রে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির কর্মসূচী ও মৈত্রী নীতি নির্ধারিত হওয়া দরকার।

    একটি বিষয়ে এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ করা না হলে বর্তমান পরিপ্রেক্ষিতে ন্যাপের রাজনৈতিক অবস্থান ও তার সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আমরা জানি যে আওয়ামী লীগের মধ্যে দক্ষিণপন্থী প্রভাব সত্ত্বেও বামপন্থী মহলের নানান বিচ্যুতি এবং ভুল-ভ্রান্তির ফলে ১৯৬৯ সালের পরবর্তী পর্যায়ে বিশেষতঃ ১৯৭১-এর ২৫শে মার্চের সামরিক আক্রমণের পর থেকে অসংখ্য গণতান্ত্রিক ও দেশপ্রেমিক ছাত্র ও রাজনৈতিক কর্ম শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বের আওতায় এসে পড়ে। আওয়ামী লীগের এই অংশ আজ প্রায় সম্পূর্ণভাবে শেখ মুজিব ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে চলে গেছে এবং অদূর ভবিষ্যতে এই প্রক্রিয়া আরও দ্রুতগতিতে চলে আওয়ামী লীগকে পুরোপুরিভাবে জনগণের শ্রেণীশত্রুদের একটি রাজনৈতিক দলে পরিণত করবে। আওয়ামী লীগ থেকে বেরিয়ে আসা অংশটি হয়তো ইতিমধ্যেই নিজেদেরকে অপ্রকাশ্যে একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে সংগঠিত করেছে। তা না করে থাকলেও ভবিষ্যতে তাদেরকে সেটা করতেই হবে। ছাত্রলীগের রব-সিরাজ গ্রুপের ভাঙ্গন পরিণতিতে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দলের জন্ম দান করতে বাধ্য এবং বাঙলাদেশের কমিউনিস্ট পরিচালিত ন্যাপ নয়, এই নোতুন পার্টিই বাঙলাদেশের রাজনীতিক্ষেত্রে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক সংগঠন।

     

     

    নিকট ভবিষ্যতের বাঙলাদেশে কোন রাজনৈতিক সংগঠনই সাম্প্রদায়িক ভিত্তিতে অথবা নিজেদের নীতি, প্রচারণা অথবা কর্মসূচীর মধ্যে সাম্প্রদায়িকতার রেশ বজায় রেখে বেশী দূর অগ্রসর হতে পারবে না। এ বিষয়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি যদি এখন থেকে সচেতন না থাকে তা হলে তার মধ্যে ভারতবিরোধিতার আড়ালে অনেক সাম্প্রদায়িক শক্তি এসে জড়ো হবে। ন্যাপ যদি এ অবস্থা কাটিয়ে উঠে শুধু কোন কোন ক্ষেত্রে মৌখিকভাবে নয়, নীতিগত ও কর্মসূচীগতভাবে সাম্প্রদায়িকতার বিরোধীতার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে এগিয়ে না আসে তাহলে বাঙলাদেশের একটি পেটি বুর্জোয়া সংগঠন হিসেবে তার বিকাশ লাভ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা অর্জনের কোন সম্ভাবনা নেই।

    মোট কথা, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি যদি একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে সাম্প্রদায়িকতা থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত হয়ে এবং কমিউনিস্ট শক্তিসমূহের সাথে মৈত্রী বন্ধনে আবদ্ধ থেকে সামন্তবাদ, আমলা মুৎসুদ্দী পুঁজি ও সাম্রাজ্যবাদ-বিরোধী একটি সুনির্দিষ্ট কর্মসূচীর ভিত্তিতে অগ্রসর হয় একমাত্র তাহলেই তা জাতীয় রাজনীতি ক্ষেত্রে প্রভাবশালী হবে, অন্যথায় নয়।

     

     

    সাপ্তাহিক স্বাধিকার
    ২৪শে সেপ্টেম্বর ও ১লা অক্টোবর, ১৯৭২

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর
    Next Article বাঙলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের সমস্যা – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }