Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    পূর্বকথা- রাত নেমে আসে আমার শরীরের ভেতর

    ।।পূর্বকথা- রাত নেমে আসে আমার শরীরের ভেতর।।

    শনিবার রাত।

    রুহির ফ্ল্যাটে জয়িতা আর আসিফ এসেছে।

    আসিফ সোফার পাশে গীটার দেখে বলল “আরিব্বাস রুহি, তুই গীটার বাজাস, বলিস নি তো একবারও?”

    রুহি লজ্জা পেয়ে বলল “শিখব বলে কিনেছিলাম। এক ব্যান্ডের লীড গীটারিস্ট ক্রাশ ছিল”।

    আসিফ বলল “হু, তারপর?”

    রুহি হাসল “যা হয়, ক্রাশই থাকল। পরে দেখলাম সে ছেলে সবার প্রপোজালই মেনে নিচ্ছে। খুব রাগ টাগ হল”।

    আসিফ গীটারের ব্যাগ থেকে গীটারটা বের করে বাজাতে বাজাতে গেয়ে উঠল “মনে পড়ে রুহি রায়, কবিতায় তোমাকে, একদিন কত করে ডেকেছি”।

    জয়িতা হি হি করে হেসে বলল “ওই দেখ রুহি, আসিফ কী সুন্দর গীটার বাজায়। নে ক্রাশ খেয়ে যা”।

    আসিফ রুহির দিকে তাকিয়ে হাসল। রুহি অন্যদিকে তাকাল।

    জয়িতা অবাক হয়ে একবার আসিফ আরেকবার রুহির দিকে তাকিয়ে বলল “কী ব্যাপার? সামথিং ইজ কুকিং মনে হচ্ছে? আর আমি জানিও না!”

    রুহি জোরে জোরে মাথা নেড়ে বলল “ধুস, কী যে বলিস না তুই? তোর মাথা খারাপ হয়ে গেছে?”

    জয়িতা বলল “মাথা আমার খারাপ হয় নি, আমি যা বুঝছি মাথা তোরই খারাপ হয়েছে। তুই ব্যাপারটা লুকোতে গিয়ে যে ব্লাশ করে ফেলছিস সেটা বুঝতে পারছিস?”

    রুহি বলল “তোরা বস আমি কফি করে আনি”।

    জোর পায়ে রুহি রান্নাঘরে চলে গেল।

    জয়িতা আসিফের দিকে তাকিয়ে বলল “কী ব্যাপার? তোদের লাভ স্টোরি কবে শুরু হল?”

    আসিফ বলল “ধুস, কী যে বলিস। লাভ স্টোরি আবার কী? তেমন কিছুই না”।

    জয়িতা চোখ বড় বড় করে বলল “জাস্ট গুড ফ্রেন্ডস,ব্লা ব্লা ব্লা ব্লা এই সব বলবি তো? বুঝতে পারছি”।

    আসিফ মাথা নাড়ল “সেসব কিছুই না ইয়ার। আর এখন যা সময় এসেছে তাতে এসব ব্যাপার নিয়ে ইয়ার্কি মারিস না প্লিজ। রুহির বাড়ির লোকজন ভীষণ গোঁড়া। ওরা জানলে আমার গর্দান যাবে”।

    জয়িতা সোফায় হেলান দিয়ে বসে বলল “ওহ এই ভয়? এটা কোন ভয় নাকি? নিজেরা কে কী করবি তাতে কেউ মাথা গলাবেই বা কেন? তাছাড়া আমাদের স্টেটে অত ভয়ও নেই”।

    আসিফ হাত তুলল “বলছি তো সেসব কিছুই না। উই আর গুড ফ্রেন্ডস”।

    জয়িতা বলল “সে তো আমরাও ফ্রেন্ডস। তুই আর রুহি যে শুধুই ফ্রেন্ডস তা তো বিশ্বাস করা যাচ্ছে না বাওয়া। আর তুই রাস্তায় যেভাবে আগে আগে হেঁটে এই ফ্ল্যাটে এলি, আমার তখনই সন্দেহ হচ্ছিল তোর ওপর। সত্যি করে বল তো, তুই আগেও এসেছিস না এই ফ্ল্যাটে?” জয়িতা চোখ ছোট ছোট করে আসিফের দিকে তাকাল।

    আসিফ বলল “ওহ, সে তো অফিসে কোন কারণে বেশি রাত হলে গাড়ি চলে গেলে এক আধবার রুহিকে ছেড়ে দিতে এসেছিলাম। তাতে কী হয়? আর কী পুলিশের মত জেরা করছিস বল তো?”

    জয়িতা মাথা নাড়ল, “তা ঠিক, তা ঠিক। আমিই বা কেন বেশি চাপ নিয়ে নিচ্ছি। যাক গে, এই লাভ স্টোরিটা একেবারেই অস্বাভাবিক কিছু না। ইনফ্যাক্ট ব্যাপারটা দাঁড়িয়ে গেলে আমিই খুশি হব। তোরা দুজনেই আমার খুব ভাল বন্ধু। দেখ, যদি সব ঠিক ঠাক হয় তবে আমাকে কিন্তু একটা বড় ট্রিট দিতে হবে”।

    আফিস বলল “সব ঠিক ঠাক হলে তো সবার আগে তোর ট্রিট দেওয়া উচিত মা। অনীশ, দ্য গ্রেট শংকরবাবুর ছেলে, তোকে লাইন মারছে, কত বড় ধামাকা খবর এটা বলত?”

    জয়িতার মুখ কালো হয়ে গেল “অনীশ একটা পারভারট শুয়োরের বাচ্চা। ওর নাম আমার সামনে বলবি না আসিফ। আগেও বলেছি, আবার বলছি”।

    রুহি কফি নিয়ে চলে এসেছিল। টেবিলে ট্রে রেখে বলল “ও তোর বাড়াবাড়ি। অনীশ তো তোরই বয়সী। এই বয়সে আবার পারভারসন আসে নাকি? যদি হয়ও শংকরবাবুর কথা মাথায় রেখে তোর উচিত অনীশকে না রাগানো”।

    জয়িতা ফুঁসে উঠল “কেন? ওকে অত তেল মারার কী আছে? তাছাড়া আমি এই চাকরিটাও করব না। অনীশের বাবার কোম্পানিতে চাকরি করার কোন ইচ্ছা আমার নেই”।

    আসিফ বলল “চাকরি করবি না? তাহলে মাস গেলে এই যে থোক টাকাটা আসছে সেটা বন্ধ হয়ে গেলে কী করবি?”

    জয়িতা বলল “এক্সপেরিয়েন্স গ্যাদার করছি। ক’দিন পরেই লাথ মারব চাকরিটাকে”।

    রুহি জয়িতার হাত ধরে বলল “কেন সব সময়ে এত রেগে থাকিস অনীশের ওপরে। বল না!”

    .

    ।।যেখানে দেখিবে ছাই।।

    সেমিনার রুমটা ছোট, একদিকে ল্যাপটপ, প্রোজেক্টর রাখা।

    কোন প্রেজেন্টেশন দেওয়ার থাকলে সেখানেই দেওয়া হয় বোঝা যাচ্ছে।

    উপমন্যু রুহির দিকে তাকিয়ে বললেন “তোমাদের কাজ খুব হেকটিক তাই না?”

    রুহি বলল “হ্যাঁ, তা একটু”।

    উপমন্যু বললেন “বেশ। এই বয়সটা তো স্ট্রাগল করার জন্যই। যাই হোক, আমাদের তুমি একটু আলো দেখাও তো মা”।

    রুহি অবাক গলায় বলল “বুঝলাম না স্যার কী বলতে চাইলেন”।

    উপমন্যু বললেন “জয়িতার ব্যাপারে। আমরা কোথা থেকে তদন্ত শুরু করব এখনও পুরোটাই অন্ধকারে আছি। মেয়েটার মোবাইল পর্যন্ত রিসেট করা হয়েছে। অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে পুরনো ডেটা বের করতে হবে”।

    রুহি বলল “আপনি আমাকে প্রশ্ন করুন, আমি যতটুকু জানি, নিশ্চয়ই বলব”।

    উপমন্যু বললেন “বেশ। আমার প্রশ্ন খুব বেশি নেই। প্রথমেই বল জয়িতা কেমন মেয়ে ছিল”?

    রুহি একটুও না ভেবে বলল “ভাল মেয়ে ছিল। খুব হেল্পফুল ছিল”।

    উপমন্যু বললেন “বাহ। কেমন হেল্পফুল ছিল একটু এক্সাম্পেল দিয়ে বললে ভাল হয়”।

    রুহি বলল “ঠিক উদাহরণ দিয়ে তো বলা যাবে না স্যার তবে বলতে পারি আমার কোন টাকার দরকার পড়লে আমি চোখ বন্ধ করে জয়িতার কাছে চাইতাম”

    উপমন্যু বললেন “বেশ। ফিনান্সিয়াল হেল্প করত তার মানে। দ্যাটস গুড। আর?”

    রুহি বলল “আমি ওর সঙ্গে অনেক সিক্রেটস শেয়ার করতাম”।

    উপমন্যু বললেন “আর জয়িতা? ও তোমার সঙ্গে কোন রকম সিক্রেটস শেয়ার করত না?”

    রুহির মুখটা এক মুহূর্তের জন্য পাংশু হয়েই আবার স্বাভাবিক হয়ে গেল। সে বলল “সেরকম কিছু না স্যার”।

    উপমন্যু ঘরের চারদিকে তাকালেন। চারটে সিসিটিভি নজর রাখছে তাদের ওপর।

    তিনি রুহির দিকে তাকালেন “আচ্ছা। আমার কার্ড দিয়ে যাব তোমাকে, কিছু বলার থাকলে বলতে পারো”।

    রুহি মাথা নাড়ল।

    উপমন্যু বললেন “বাড়িতে কে কে আছেন তোমার?”

    রুহি বলল “বাবা মা”।

    -বাবা কী করেন?

    -ছোট ব্যবসা আছে।

    -মা?

    -হাউজ ওয়াইফ।

    -তোমাকে কত টাকা বাড়িতে পাঠাতে হয়?

    -অনেকটাই।

    -তোমার কোন বয়ফ্রেন্ড আছে?

    রুহি কয়েক সেকেন্ড উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়াল, “সেরকম কেউ নেই স্যার”।

    উপমন্যু বললেন “বেশ। অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন, উত্তর না দিলেও পারতে। এই অফিসের লোকেদের সঙ্গে জয়িতার কেমন সম্পর্ক ছিল?”

    রুহি বলল “ঠিক ঠাক। আসলে এসেই ডেস্কে বসে কাজ স্টার্ট হয়ে যায় আমাদের, আর কারও সঙ্গে কোন রকম সম্পর্ক বজায় রাখার সময়ের যথেষ্ট অভাব”।

    উপমন্যু বললেন “জয়িতার বাবা মার সঙ্গে তোমার আলাপ হয়েছিল?”

    রুহি দুদিকে মাথা নাড়ল।

    উপমন্যু বললেন “আসিফের ডিউটি কখন?”

    রুহি একটু চমকেই সামলে নিয়ে বলল “নাইট শিফট আছে”।

    উপমন্যু বললেন “শুনলাম জয়িতার সঙ্গে আসিফের খুব ভাল বন্ধুত্ব ছিল। তোমার সঙ্গে কেমন আসিফের সম্পর্ক?”

    রুহি ঘাড় নাড়ল “ভাল স্যার”।

    উপমন্যু বললেন “তোমরা থ্রি মাস্কেটিয়ার্স ছিলে?”

    রুহি মাথা নাড়ল “হ্যাঁ”।

    উপমন্যু বললেন “ভেরি স্যাড। ঘটনার দিন তুমি অফিস এসেছিলে?”

    রুহি বলল “হ্যাঁ। আমি এসেছিলাম। অফিসেই ছিলাম”।

    উপমন্যু বললেন “আসিফ?”

    রুহি বলল “ওর নাইট ছিল”।

    উপমন্যু বললেন “হু। তার মানে জয়িতাকে খুন করে আসিফ ইজিলি নাইট শিফটে ঢুকে পড়তে পারত তাই তো?”

    রুহি চমকে উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে বলল “এ আপনি কী বলছেন স্যার? আসিফ জয়িতার খুব ভাল বন্ধু। ও কেন জয়িতাকে খুন করতে যাবে?”

    উপমন্যু হাত দিয়ে মাছি তাড়াবার ভঙ্গি করে বললেন “ধুস, কী যে বল। বন্ধুদের মধ্যেই তো এসব বেশি হয়। দেখো কোন কিছু হয়েছিল যেটা হয়ত তোমাকে লুকিয়ে চলছিল। তুমি জানতেই পারো নি”।

    রুহি রাগী গলায় বলল “এসব কিছুই হয় নি স্যার। ও এসব করতেই পারে না। জয়িতা ওর শুধুই বন্ধু ছিল”।

    উপমন্যু আগ্রহী গলায় বলল “তাই নাকি? তা তুমি কী করে জানলে? এক বন্ধু জানে আজকাল আরেক বন্ধু কী করছে?”

    রুহি থমথমে মুখে বসে রইল।

    .

    ।।যেখানে দেখিবে ছাই।।

    উপমন্যুর বাড়িতে ফিরতে রাত সাড়ে দশটা হয়ে গেল।

    গাড়ি ছেড়ে দিয়ে গেছিল বাড়িতে।

    বেল বাজালে পিয়ালী দরজা খুলে দিলেন।

    তাকে দেখে বললেন “এত দেরী হল আজ?”

    উপমন্যু জুতো খুলতে খুলতে বললেন “আর দেরী! একটা বিচ্ছিরি কেস পেয়েছি”।

    পিয়ালী শ্বাস ছেড়ে বললেন “কোন কেসটা ভাল আসে? সবক’টাই তো বিচ্ছিরি”।

    উপমন্যু ড্রয়িং রুমের সোফায় বসলেন “একটা মেয়ের মার্ডার করা হয়েছে। একুশ বাইশ বছর বয়স। কল সেন্টারে কাজ করত, পড়াশুনাও করত। বেশ কমপ্লিকেটেড লাগছে ব্যাপারটা। ফোনের ডেটা সযত্নে মুছে দেওয়া হয়েছে। তাতান কোথায়?”

    পিয়ালী বললেন “ঘরে। আর কোথায়? সেই মোবাইল খুট খুট। আর ফাঁক পেলে কত পড়ে ওই জানে”।

    উপমন্যু বললেন “খেয়েছে?”

    পিয়ালী বললেন “হ্যাঁ। ডাকব?”

    উপুমন্যু বললেন “থাক। আমাকে দিয়ে দাও। খেয়ে একটু রেকর্ডিংগুলো শুনি”।

    পিয়ালী বললেন “পা তো ধুয়ে নাও অ্যাটলিস্ট। এভাবে খেতে বসে পড়বে নাকি?”

    উপমন্যু বললেন “ওহ হ্যাঁ।তুমি খাবার দাও”।

    উপমন্যু বাথরুম গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে খাবার টেবিলে বসলেন।

    পিয়ালী রুটি, তরকারি আর মাছ দিলেন। নিজেও খেতে বসলেন।

    উপমন্যু বললেন “রিটায়ার করলে বাঁচি। এই এক কাদা ঘাটতে ঘাটতে অবস্থা খারাপ হয়ে গেল”।

    পিয়ালী বললেন “হু, তুমি নাকি বাঁচবে। তুমি রিটায়ারের পরে আবার যদি কনসালটেন্সী ফার্ম না খুলেছ তাহলে আমার নামে কুকুর পুষো”।

    উপমন্যু হাসলেন “তাই নাকি? তা কী কুকুর পুষব? পাগ? না অ্যালসেশিয়ান? পিয়ালী নামের কুকুর। ভাবতেই কেমন একটা শিহরণ দিয়ে গেল মাইরি”।

    পিয়ালীও হাসলেন, কপট রাগ দেখিয়ে বললেন “থাক, থাক। অনেক হয়েছে। এত রাত করে বাড়িতে এসে আর এভাবে খ্যাপাতে হবে না”।

    তাতান ঘর থেকে বেরিয়ে উপমন্যুকে দেখে বলল “কী কেস? বাবা মার মধ্যে তুমুল প্রেম চলছে মনে হচ্ছে?”

    পিয়ালী রাগী গলায় বললেন “আবার পাকা পাকা কথা তাতান?”

    তাতান হেসে বলল “উফ, মা তুমি এত সিরিয়াস কেন সব সময়?”

    উপমন্যু খেতে খেতে বললেন “তোর মার সিরিয়াস লগ্নে জন্ম জানিস না?”

    পিয়ালী রাগী গলায় বললেন “আমার এসব ইয়ার্কি একদম ভাল লাগে না”।

    উপমন্যু বললেন “মেয়ে বড় হলে তো মায়ের বন্ধু হয়ে যায়। তাতান তোমার বন্ধু তো এখন”।

    তাতান এসে পিয়ালীর গালে আদর করে বলল “মা আমার সব সময় রেগে আছে”।

    পিয়ালী বললেন “তা রাগ করব না? বার বার বলি মোবাইল রেখে পড়তে বস কিছুতেই পড়িস না। কী যে সারাক্ষণ মোবাইলে ঢুকে থাকিস তুইই জানিস”।

    উপমন্যু খেতে খেতে থমকে গিয়ে বললেন “তাতান মোবাইলে কোন অ্যাপটা তুই সব চেয়ে বেশি ঘাটিস?”

    তাতান একটু থতমত খেয়ে গেছিল।

    পিয়ালী বললেন “কী অ্যাপ আবার? সারাক্ষণ তো কী সব গেম খেলে আর টাইপ করে যাচ্ছে। অত টাইপ করলে বই লিখে ফেলত”।

    উপমন্যু পিয়ালীকে হাত তুলে থামিয়ে দিয়ে তাতানের দিকে তাকিয়ে বললেন “বল না কোন অ্যাপ?”

    তাতান বলল “হোয়াটস অ্যাপ। ফেসবুক। কেন?”

    উপমন্যু বললেন “কেউ যদি ফোন রিসেট করে দেয় তাহলে সব ডেটা মুছে যাবে?”

    তাতান বলল “হোয়াটস অ্যাপে ব্যাপ আপ নেওয়া থাকলে সব রিস্টোর করা যায়। ফেসবুকেও যদি সব চ্যাট মুছে না দেওয়া যায় তাহলে সব থাকার কথা। হোয়াটস অ্যাপ অবশ্য সিম দিয়ে আবার ভেরিফাই করাতে হয় রিসেট করার পরে, ফেসবুকে লগ ইন করলেই কার কার সঙ্গে চ্যাট করা হয়েছে সব দেখাবে”।

    উপমন্যু বললেন “আর যদি কেউ ফেসবুকের চ্যাট ডিলিট করে দেয়?”

    তাতান চশমার ফাঁক দিয়ে বাবার দিকে তাকিয়ে বলল “ফেসবুকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। কেন বল তো?”

    উপমন্যু চিন্তিত মুখে মেয়ের দিকে তাকিয়ে বললেন “এক মেয়েকে খুন করে তার ফোন রিসেট করা হয়েছে। আমার সিক্সথ সেন্স বলছে ফোনে এমন কিছু ছিল যেগুলো তাড়াহুড়ো করে সরাতে গিয়ে রিসেট করা হয়েছে”।

    তাতান বলল “রিসেট করেছে? প্যাটার্ন লক বা ফিঙ্গার প্রিন্ট যাই থাক, রিসেট করতে হলে কিন্তু সেগুলো জানতে হবে। আর ফেসবুক হোয়াটস অ্যাপ কেন, ফোনে ফটো থেকে শুরু করে অনেক কিছুই থাকে। রিসেট করার আগে কী ছিল তা জানতে ফোন কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে, তাও জানিনা উদ্ধার হবে নাকি। আর ফোন সিকিউরিটি চেক না করে ফরম্যাট করবে না”।

    উপমন্যু বললেন “অথবা মেয়েটিকে না জানিয়ে ফোন আনলক করতে পেরেছিল খুনী।হু… চিন্তার ব্যাপার”।

    তাতান বলল “কোন মডেল ফোনের?”

    উপমন্যু বলতে যাচ্ছিলেন এমন সময় পিয়ালী রাগী গলায় বললেন “সারাদিন অফিস করে খাওয়ার টেবিলেও এই শুরু করেছ? দয়া করে খেয়ে আমাকে উদ্ধার কর প্লিজ। খেয়ে টেয়ে যা ইচ্ছা কর”।

    উপমন্যু অন্যমনস্কমুখে খেয়ে যেতে লাগলেন।

    .

    রাত এগারোটা পনেরো। উপমন্যু নিজের ঘরে ল্যাপটপ খুলে বসেছেন তার ফোনটা বেজে উঠেই থেমে গেল।

    উপমন্যু দেখলেন একটা মিসড কল।

    কল ব্যাক করলেন নম্বরটাতে। একবার পুরোটা রিং হয়ে কেটে গেল।

    উপমন্যু ভ্রু কুচকালেন। নাম্বারটার দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে ভাবলেন একবার কার নাম্বার জানার জন্য রায়কে পাঠাবেন।

    তার ফোনটা আবার বেজে উঠল। সেই নাম্বার থেকেই ফোনটা আসছে।

    উপমন্যু ধরলেন “হ্যালো”।

    “মিস্টার উপমন্যু বসু বলছেন?” ওপাশের পুরুষ গলাটা একটু সামান্য কাঁপছে।

    উপমন্যু বললেন “বলছি। আপনি কে বলছেন?”

    “স্যার আমি আসিফ বলছি। রুহি আপনাকে ফোন করতে বলল”।

    উপমন্যু বললেন “ওহ, বুঝেছি। তুমি ফোন করে কেটে দিলে কেন? ভয় পাচ্ছিলে নাকি যে পুলিশ ছুলে আঠারো ঘা?”

    ওপাশে একটু থেমে আসিফ বলল “সেরকমই খানিকটা। রুহি একটু ভয় পেয়েছে আসলে। আমাকে বার বার বলছিল আপনাকে ফোন করতে। আমি অফিসে এসে তাই একটু ব্রেক নিয়ে আপনাকে ফোন করছি”।

    উপমন্যু হাসলেন “ঠিক আছে, তুমিও যে ঘাবড়েছ সেটা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এখন নাইট শিফটে আছো, সারারাত তোমাকে জেগে থাকতে হবে, এখন আর বেশি টেনশন দেব না তোমায়। কাল তুমি কখন কীভাবে দেখা করতে পারবে জানাও”।

    আসিফ একটু ভেবে বলল “স্যার আমি ফিরে একটু ঘুমাই। আপনি বললে তার পরের সময়টা দেখা করে নিতে পারি। সকাল দশটা নাগাদ”।

    উপমন্যু বললেন “ওকে। তুমি কোথায় থাকো?”

    আসিফ বলল “কসবায় স্যার”।

    উপমন্যু বললেন “ঠিক আছে। তুমি ফিরে ঘুম থেকে উঠে আমাকে ফোন কোর। আমি কাছা কাছি কোন জায়গায় তোমার সঙ্গে দেখা করে নেব। গুড নাইট”।

    আসিফ বলল “গুড নাইট”।

    উপমন্যু ফোনটা কাটলেন। মাথায় হাত দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ চিন্তিত মুখে তাকিয়ে ফোন করলেন সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে। ওপাশ থেকে ফোন তুলতেই উপমন্যু বললেন “নায়েককে দাও তো। আমি বোস বলছি”।

    একটু অপেক্ষা করতে হল। নায়েক ধরলেন “হ্যাঁ স্যার”।

    উপমন্যু বললেন “ফোনটা থেকে কি কিছু পাওয়া গেল?”

    নায়েক বললেন “হ্যাঁ স্যার। রিকোভারি করা হয়েছে”।

    উপমন্যু বললেন “আমাকে জানালে না কেন?”

    নায়েক বললেন “স্যার এই মিনিট পাঁচেক হল জাস্ট। আমি ভাবলাম আপনি ঘুমিয়ে…”

    উপমন্যু ধমক দিলেন “কোন দুনিয়ায় আমি এত তাড়াতাড়ি ঘুমাই হে? রায় তোমাকে বলে নি যখনই ডেটা পাবে আমাকে জানিয়ে দেবে?”

    উপমন্যুর ঝাড় খেয়ে নায়েক একটু সামলে নিয়ে বললেন “সরি স্যার”।

    উপমন্যু বললেন “হু। বল কী কী উদ্ধার হল”।

    নায়েক বললেন “ফোন মেমোরিতে রাখা বেশ কিছু গ্যালারির ফটো, মেসেজ, উদ্ধার করা গেছে। দুটো সিম ছিল ফোনে। কোনটায় হোয়াটস অ্যাপ ছিল বের করে হোয়াটস অ্যাপ ব্যাক আপ রিস্টোর করা হচ্ছে এখন”।

    উপমন্যু নড়ে চড়ে বসলেন “কতক্ষণ লাগবে সেটা পেতে?”

    নায়েক বললেন “হার্ডলি আর আধ ঘন্টা”।

    উপমন্যু বললেন “ফেসবুক?”

    নায়েক বললেন “পেয়ে যাবেন স্যার সকালের মধ্যে”।

    উপমন্যু বললেন “তোমার প্ল্যান কী? সারারাত থাকছ আজ?”

    নায়েক বললেন “হ্যাঁ স্যার। থেকে যাব আজ। কাল থেকে তিন দিন থাকব না। একটু মন্দারমণি যাব”।

    উপমন্যু বললেন “একটু যাবে কেন? পুরোপুরি যাও, কিন্তু আমাকে অথৈ জলে ভাসিয়ে রেখে যেও না। সব কিছু উদ্ধার করে দিয়ে তবেই যেও”।

    নায়েক বললেন “সে তো নিশ্চয়ই স্যার। ওসব চিন্তা করবেন না”।

    উপমন্যু বললেন “চিন্তা আমি করি না। আমি জানি আমাদের ডিপার্টমেন্ট চাইলে সবই করতে পারে। সমস্যাটা হল ব্যাপারটা পুরোপুরি চাওয়ার ওপর নির্ভর করছে”।

    নায়েক হেসে ফেললেন “কী যে বলেন স্যার। আগের মাসেই একটা বড় ডাকাতি কেস শুধু ফোন ট্রেস করে বের করে দিয়েছি আমরা। একটু সময় দিতে হবে তো। এই ফোনটা উদ্ধার করা এমন কিছুই কঠিন ছিল না। সময় লাগল এই যা”।

    উপমন্যু বললেন “হোয়াটস অ্যাপ ডেটা, ফেসবুক ডেটা অ্যালং উইথ অল ইমেজ ফাইল আমাকে পাঠাবে। যত রাতই হোক। আর শোন, মন্দারমণিতে ফোন অফ করে রাখবে না। আমার আরও দরকার পড়তে পারে”।

    নায়েক বললেন “শিওর স্যার”।

    উপমন্যু ফোনটা রেখে ল্যাপটপে মন দিলেন।

    .

    ১৯ সেপ্টেম্বর, রাত ১১টা ২৯ মিনিট

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেমিক – অভীক দত্ত
    Next Article উপন্যাস সমগ্র ২ – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }