Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যেখানে দেখিবে ছাই – অভীক দত্ত

    লেখক এক পাতা গল্প124 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জয়িতার হোয়াটস অ্যাপ

    ।।জয়িতার হোয়াটস অ্যাপ।।

    -হাই।

    -হাই।

    -থ্যাঙ্কস হোয়াটস অ্যাপ নাম্বার দেওয়ার জন্য।

    -ইউ আর লাকি হুহ। কাউকে দিই না আমি। মানে নাম্বার।

    -হা হা হা। তাহলে সত্যিই লাকি। আমাকেই দিলে। মানে নাম্বার।

    -(হাসির ইমোজি) তবে মানতেই হবে তুমি ভাল বাজাও।

    -হ্যাঁ আমি ভালই বাজাই।

    -ঈশ (বাদরের দু হাত দিয়ে মুখ ঢাকা ইমোজি)। আমি গীটারের কথা বললাম।

    -আমিও তো গীটার বাজানোর কথাই বললাম। তুমি কী ভাবলে?

    -(মুখ অন্য দিকে তাকানোর ইমোজি)

    -কী হল? বল কী ভাবলে?

    -কিছু না। লিভ ইট।

    -ওকে। লিভ করলাম। কী করছ?

    -কিছু না। শুয়ে আছি। টায়ার্ড।

    -ওহ। খুব কাজ করলে বুঝি?

    -হ্যাঁ। অফিসে। কল সেন্টার জব। বোঝোই।

    -হু হু।

    -তুমি কী কর?

    -ওই যে, বললাম তো। বাজাই।

    -(মুখ বাকানোর ইমোজি) উফ। বেশি ফাজিল তুমি।

    -এই না, সত্যি। একটা ব্যান্ডে গীটার বাজাই।

    -ওকে।

    -ইমপ্রেস হলে না?

    -না না। এ আবার কী?

    -না মানে ব্যান্ডে গীটার বাজিয়ে কী আর হয়।

    -ধুস। আমি সেসব ভাবিই নি।

    -তা ঠিক। দুদিন তো ফেসবুকে কথা হল জাস্ট। কী আর ভাববে?

    -হু। তুমি খুব বেশি ভাবো নাকি?

    -হ্যাঁ। আমি তো ধুম সিরিজের উদয় চোপড়া স্টাইল ভাবি। বউ, দুই বাচ্চা, ছেলে হলে কী নাম হবে। মেয়ে হলে কী নাম হবে। সব।

    -(দু চোখ দিয়ে জল বেরোনোর ইমো) ঈশ। জঘন্য একেবারে। জঘন্য…

    – (একই ইমো)

    -তুমি এর আগে কত জনের সঙ্গে এসব ভেবেছ?

    -বেশি না। এখনও সেঞ্চুরি হয় নি। তবে মার্কেটের প্রবলেম হল সবাই কমিটেড। তুমি কমিটেড?

    -আমি? না।

    – ঢপ মেরে দিলে?

    – হা হা বিলিভ মি। না।

    -হু। থাক।

    -আচ্ছা। অনেক রাত হল। এখন ঘুমাই।

    -এখন তো বারোটা সবে। এখনই ঘুমাবে?

    -হ্যাঁ। কাল আবার কত কাজ। বেশিক্ষণ জেগে থাকলে গোটা দিনে টায়ার্ড হয়ে থাকি।

    -ওকে। গুড নাইট। কাল কথা হবে।

    -গুড নাইট।

    .

    ২০ সেপ্টেম্বর, সকাল ৮টা ২০ মিনিট

    -গুড মর্নিং জয়িতা।

    -গুড মর্নিং।

    -উঠলে?

    -হ্যাঁ। এই তো জাস্ট।

    -তোমার কথা ভাবছিলাম।

    -উফ। জাস্ট এক রাতে ভাবাভাবিও শুরু করে দিলে?

    – হা হা হা। তা ঠিক। তোমার মধ্যে একটা ব্যাপার আছে। ইউ আর ভেরি কিউট।

    -থ্যাংক ইউ। তবে বেশি মাখন লাগাতে হবে না।

    -ওকে ওকে। লাগাব না।

    -হু। আমি উঠি এখন। ব্রেক ফাস্ট দেবে এখনই। না খেলে মিস।

    -ওকে। রাতে পিং কোর ফিরে। বাই।

    -বাই।

    .

    একই দিন। রাত এগারোটা পনেরো

    -ফিরলে?

    -হ্যাঁ। ডিনার কমপ্লিট।

    -আজ অফিস পার্টি ছিল বুঝি? ফটোগুলো দেখলাম।

    -নাথিং স্পেশাল। একটু হল।

    -মদ খেলে?

    -হ্যাঁ। স্কচ ছিল।

    -ওয়াও। দেখি, মাতাল সেলফি একটা।

    -উম্মম… না প্লিজ…

    -দেখি না প্লিজ।

    -ওকে, ওয়েট…

    -(একটা সেলফি গেল এদিক থেকে)

    -ওয়াও। স্টিল বিউটিফুল। অ্যান্ড…

    -অ্যান্ড কী?

    -ক্লিভেজ দেখা যাচ্ছে। (জিভ বের করা ইমোজি)

    -দেখে নাও। ফ্রি হে।

    -(চোখ থেকে জল বের করা ইমোজি) ইউ আর ভেরি স্মার্ট। ভেরি বিউটিফুল।

    -ন্যুড চাই বুঝি?

    -ছি ছি। কী যে বল।

    -চাইলে দিই না। স্ট্রিক্ট রেস্ট্রিকশনস আছে।

    -রিয়েলি? কে দিয়েছে রেস্ট্রিকশন?

    .

    —একই সময়ে অনীশ পিং করছে—

    -ওই জয়িতা… স্টানিং লাগছিল আজকে। আই রিয়েলি লাইকড ইউ টুডে।

    কোন রিপ্লাই নেই।

    …

    .

    জয়িতা অন্য চ্যাটে রিপ্লাই দিচ্ছে “কেউ দেয় নি। নিজেই নিজেকে দিয়েছি।এসব দেওয়ার জিনিস না”।

    -আমি চাইবও না। নো ইস্যু।

    -ওয়াও। জেন্টল ম্যান।

    —অনীশ আবার পিং—

    -হে জয়িতা। প্লিজ রিপ্লাই। মিসিং ইউ। সেন্ড ন্যুডস প্লিজ।

    …

    জয়িতা অনীশকে কোন রিপ্লাই করে নি। অন্য চ্যাটে ছেলেটাকে লিখেছে “আমি টায়ার্ড আছি। এখন যাচ্ছি, বাই, পরে কথা হবে”।

    অনীশ বেশ কয়েকবার প্লিজ লিখে কাঁদার ইমোজি দিয়েছে।

    .

    ২১শে সেপ্টেম্বর, সকাল সাড়ে আটটা

    -গুড মর্নিং।

    -গুড মর্নিং…

    -কালকে তোমার ছবিটা দেখে সারারাত ঘুমাই নি জানো।

    -(হাসার ইমোশন) সকাল সকাল বাটার মেরো না।

    -আমরা দেখা করতে পারি? উইকেন্ডে?

    -হুউউ, ভাবব।

    .

    একই সময়ে রজত একটা মিম পাঠিয়েছে জয়িতাকে। রুহি একটা মজার ভিডিও পাঠিয়েছে। বেশ কয়েকটা “হাই” এসেছে মেসেজে, জয়িতা কাউকেই রিপ্লাই দেয় নি।

    উপমন্যু একগাদা পাতার চ্যাট হিস্ট্রির প্রিন্ট আউট এখনও পড়তে হবে দেখে একটা হাই তুললেন।

    ছেলেটার নাম আকাশ। ফোন করলেন ছেলেটাকে, একটা রিং হতেই একটা ঘুম জড়ানো গলা ভেসে এল “কে বে?”

    “আমি সি আই ডি থেকে বলছি। আকাশ বলছ?”

    ওপাশ থেকে একগাদা খিস্তি ভেসে এল “বোকাচোদা, সকালে উঠেই প্র্যাংক কল শুরু করে দিয়েছিস? ধরে বাম্বু ভরে দেব”।

    উপমন্যু শান্ত গলায় বললেন “শোন বাবা, তুমি অনেক ছোট আমার থেকে। গালাগাল দিও না। একটা কথা বলি শুধু তোমায়, জয়িতা, যার সঙ্গে রাতে চ্যাট করতে তুমি, সে মার্ডার হয়েছে। তুমি আজ কোথায় দেখা করবে বল, আমি তোমার সঙ্গে দেখা করতে চাই”।

    ওপাশ থেকে কোন শব্দ পাওয়া গেল না। সম্ভবত ফোনটা হাত থেকে পড়ে গেছে আকাশের।

    .

    নিউ আলিপুর।

    বাড়ির নাম “দ্য গ্রীন ল্যান্টার্ন”।

    বাড়ির গেট বন্ধ ছিল। সিকিউরিটিকে পরিচয় দিতে দরজা খুলে দিল।

    অনেকটা বাগান পেরিয়ে গাড়িবারান্দায় গাড়ি পৌঁছতে এক ভদ্রলোক পুলিশের গাড়ি দেখে এগিয়ে এলেন।

    উপমন্যু গাড়ি থেকে নেমে আই কার্ড দেখিয়ে বললেন “অনীশ মুখোপাধ্যায় আছেন?”

    ভদ্রলোক ফোন বের করে কারো সঙ্গে কথা বলে উপমন্যুকে বললেন “ভেতরে আসুন স্যার”।

    উপমন্যু বললেন “আপনি?”

    ভদ্রলোক বললেন “আমার নাম লক্ষণ পাল। আমি শংকরবাবুর সেক্রেটারি”।

    উপমন্যু বললেন “শংকরবাবু আছেন?”

    লক্ষণ বললেন “স্যার এই কিছুক্ষণ আগে ফিরেছেন। বিশ্রাম নিচ্ছেন”।

    উপমন্যু বললেন “অনীশ?”

    লক্ষণ বললেন “আছেন। আপনি বসুন প্লিজ এসে”।

    উপমন্যু বাড়ির ভেতরে গেলেন।

    ড্রয়িং রুমে বসানো হল তাকে। উপমন্যু ঘরটা দেখছিলেন।

    ঘরের দেওয়ালে বিভিন্ন সেলিব্রিটির সঙ্গে শংকর মুখোপাধ্যায়ের ছবি, আসবাবপত্র প্রতিটি অত্যন্ত দামী দেখে বোঝাই যাচ্ছে। ঘরের সর্বত্র বাহুল্যের ছড়াছড়ি।

    অনীশ এল। বেশ লম্বা চেহারা। ফর্সা। চেহারার মধ্যে একটা কাঠিন্য আছে। ঘুমাচ্ছিল সম্ভবত তাই চোখ ফোলা। উপমন্যু অনীশকে মন দিয়ে দেখছিলেন।

    উপমন্যু বললেন “আপনি অনীশ?”

    অনীশ মাথা নাড়ল।

    .

    উপমন্যু বললেন “আপনার খানিকটা সময় নেব”।

    অনীশ অবাক গলায় বলল “আমার? কেন বলুন তো?”

    উপমন্যু হাসিমুখে বললেন “এক যুবতী খুন হয়েছেন। সেই ব্যাপারেই আর কী। আপনি জয়িতা নামে কাউকে চিনতেন?”

    অনীশ উপমন্যুর দিকে কয়েক সেকেন্ড তাকিয়ে বলল “এই নামে অনেককেই চিনি আমি”।

    উপমন্যু তার মোবাইলটা অনীশের দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন “দেখুন একে চেনেন নাকি”।

    অনীশ বেশ কয়েক সেকেন্ড জয়িতার ছবির দিকে তাকিয়ে মোবাইলটা উপমন্যুর দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল “চিনি”।

    উপমন্যু থেমে থেমে বললেন “জয়িতা খুন হয়েছে অনীশ”।

    অনীশ একটু চমকে উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে বলল “ওহ”।

    উপমন্যু বললেন “জয়িতার সঙ্গে আপনার হোয়াটস অ্যাপ চ্যাট আমরা পড়েছি”।

    অনীশ আবার চমকাল। বলল “আমি একটু আসছি। আপনি বসুন”।

    উপমন্যু তীক্ষ্ণ চোখে অনীশের দিকে তাকিয়ে বললেন “বেশ। আমি আছি”।

    সামনে রাখা টেবিলের ওপর খবরের কাগজ রাখা ছিল। উপমন্যু একটা কাগজ নিয়ে পড়তে শুরু করলেন। মিনিট পাঁচেক বাদে একটা ভারিক্কি গলা কানে এল তার “নমস্কার অফিসার”।

    উপমন্যু দেখলেন শংকর মুখোপাধ্যায় এসে দাঁড়িয়েছেন।

    উপমন্যু বললেন “ওহ, হোয়াট আ সারপ্রাইজ। আমি ভাবতেই পারি নি আপনার সঙ্গে দেখা হবে”।

    মাঝারি ঝকঝকে চেহারাটা থেকে ব্যক্তিত্ব ঝলসে পড়ছে। শংকরবাবু উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে বললেন “প্লিজ বসুন অফিসার। আপনাকে কিছু অফার করা হয়েছে?”

    উপমন্যু বসে বললেন “না ইটস ওকে। আপনার সঙ্গে দেখা হয়ে ভাল লাগল শংকরবাবু। বাঙালির ব্যবসা হয় না, এ অপবাদ আপনি ঘুচিয়েছেন”।

    শংকরবাবু সোফায় বসে বললেন “তা ঠিক। তবে কী জানেন তো অফিসার, ব্যবসায় অনেক মানসিক চাপ থাকে। এত চাপ সহ্য করে টিকে থাকাটাও খুব কঠিন কাজ”।

    উপমন্যু বললেন “তা বটে। বাঙালি ভঙ্গুর জাতি। একটু চাপ থাকলেই তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ে। দুয়েকটা উদাহরণ বাদে অবশ্যই। সবাই তো আর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কিংবা শংকর মুখোপাধ্যায় হয় না”।

    শংকরবাবু খুশি হলেন সৌরভের পাশে তার নামটা শুনে। বললেন “অনেক ধন্যবাদ অফিসার। যাই হোক, আপনি লক্ষণের কাছে শুনেছেন হয়ত আমি একটু আগেই ফিরেছি। রেস্ট নিচ্ছিলাম এমন সময় আমার ছেলে অনীশ আমাকে ডেকে বলল আপনি এসেছেন। ওকে একটু ভীতও মনে হল। কী হয়েছে একটু খোলসা করে বলবেন প্লিজ?”

    উপমন্যু বললেন “অনীশের সহপাঠী একটি মেয়ে, জয়িতা নাম। খুন হয়েছে। সে ব্যাপারেই তদন্ত করতে কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি যাতে খুনের ব্যাপারে কিছু কিনারা করা যায়। অনীশের এত ভয় পাওয়ার তো কিছু হয় নি”।

    শংকরবাবু চিন্তিত মুখে উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে বললেন “সর্বনাশ। এই টুকু বয়সের মেয়ে খুন হয়ে গেল? সত্যিই ব্যাপারটা যথেষ্ট বেদনাদায়ক মেয়েটির বাবা মায়ের কাছে। অনীশের মা নেই, আমাকে সর্বক্ষণ ওর ব্যাপারে চিন্তা করতে হয়, খবর নিতে হয় ছেলেটা বখে যাচ্ছে না তো… বুঝতেই পারছেন, দিন কাল ভাল নয়। প্রাচুর্য থাকলে সমস্যা কমার পরিবর্তে বেড়ে যায় আজকের দিনে”।

    উপমন্যু বললেন “একজ্যাক্টলি স্যার। আমিও বুঝেছি অনীশ খানিকটা ভয়ই পেয়েছে। আমি বেসিক কয়েকটা প্রশ্ন করতে পারলেই খুশি হতাম। এর বেশি কিছু নয়”।

    শংকরবাবু গলা বাড়িয়ে ডাকলেন “লক্ষণ?”

    লক্ষণ আশে পাশেই ছিলেন। শংকরবাবুর গলা পাওয়া মাত্র ঘরে প্রবেশ করলেন।

    শংকর বললেন “অনীশকে ডেকে দাও। আর নন্দিনীকে বল স্যারের জন্য… আপনি কফি খাবেন?”

    উপমন্যু বললেন “চিনি ছাড়া”।

    শংকর লক্ষণের দিকে তাকালেন “চিনি ছাড়া কফি। আমাকেও দিতে বল”।

    লক্ষণ ঘর থেকে বেরলেন।

    অনীশ মিনিট খানেকের মধ্যে ঘরে এল।

    শংকর অনীশের দিকে তাকিয়ে বললেন “উনি একটা ব্যাপারে তোমার সঙ্গে কথা বলতে এলেন আর তুমি ভয় পেয়ে আমাকে ডাকতে চলে গেলে?”

    অনীশ খানিকটা চমকে বাবার দিকে তাকাল।

    শংকর কড়া গলায় বললেন “কেউ যদি সৎ হয় তবে তাকে কোন কিছুর আড়ালে থাকতে হয় না। মনে রেখো বিন্দুমাত্র অপরাধ করলেও তোমার বাবা তোমার পাশে থাকবে না, কিন্তু তুমি যদি নির্দোষ হও তবে আর কেউ থাকুক না থাকুক আমি আছি সব সময়। অফিসার যা যা জিজ্ঞেস করবেন তার প্রত্যেকটা উত্তর সঠিক দেবে। আমার আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করবে না। আমি তোমায় কোন রকম সাহায্য করব না মনে রেখ”।

    অনীশ মাথা নীচু করল।

    শংকর উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে বললেন “কফিটা এক সঙ্গে খেয়ে নেওয়া যাক অফিসার। তারপর আপনি ওর থেকে যা যা জানার সব জানতে পারেন। আমি আপনার তদন্তের কাছে কোন রকম বাধা দেব না”।

    উপমন্যু মাথা নিচু করে শংকরকে অভিবাদন জানিয়ে বললেন “বাংলার ঘরে ঘরে আপনার মত বাবা হোক শংকরবাবু”।

    .

    কফি এল একটু পরে। অনীশ মাথা নিচু করে বসে ছিল।

    শংকর কফির কাপ উপমন্যুর দিকে এগিয়ে দিয়ে বললেন “কিছু যদি মনে না করেন অফিসার, আমি জানতে পারি ব্যাপারটা সম্পর্কে?”

    উপমন্যু কফিতে চুমুক দিয়ে বললেন “ক্রাইমের সংজ্ঞা পাল্টাচ্ছে শংকরবাবু। এই কিছুদিন আগেও ক্রাইমে একটা ডাইমেনশন কম ছিল। এখন একটা চমৎকার ডাইমেনশন যুক্ত হয়েছে, ইন্টারনেট। ছেলে মেয়েরা কৈশোরে নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র, সত্যজিত পড়ত, এখন হোয়াটস অ্যাপে জোক পড়ে। মিম তৈরী করে। সেখানে অফেন্সিভ কন্টেন্ট তৈরী করতে পারলে গৌরবান্বিত হয়। কিছুদিন আগেই আমরা একটা ষোল বছরের ছেলেকে ধরেছিলাম, সে ফেসবুকে বিভিন্ন মানুষকে নিয়ে কুরুচিকর মিম বানাতো। ছবি পেলেই হল। মিম তৈরী। যৌন ইঙ্গিতকারী মিম। অনুমতি না নিয়েই সে সব ছবি প্রোফাইল থেকে নেওয়া হত। জিজ্ঞাসাবাদ করায় আমাদের একগাদা বিদেশী নাম বলে বোঝাল এগুলো দোষের কিছু নয়। মানুষ অফেন্ডেড হলেই নাকি তাদের জিত। তারা মনে করে মানুষ যতক্ষণ সহ্য করতে পারছে গোটা ব্যাপারটা, যতক্ষণ মানুষের সহ্যসীমায় পুরো ব্যাপারটা থাকছে ততক্ষণ কোন মজাই নেই। সবটাই অসহ্য করাতেই তাদের জয়। ব্যাপারটা একবারে খারাপও কি বলতে পারি আমরা? এটা পরিবর্তিত মানসিকতা। এই পরিবর্তিত মানসিকতার সঙ্গে এই সমসাময়িক মনস্তত্ত্ব না বুঝতে পারলে সমূহ বিপদ”।

    শংকর অনীশের দিকে তাকিয়ে উপমন্যুকে বললেন “বয়সটা একটা ফ্যাক্টর অফিসার। সব কিছু পেয়ে যাওয়াটাও। বাবার হোটেলে বসে, দু চারটে ইংরেজি টিভি সিরিজ দেখে নিজেকে বড় কিছু মনে করাটা এ প্রজন্মের একটা সমস্যা। ওর বয়সে আমরা রীতিমত মাঠে খেলা দেখতে যেতাম। ইডেন গার্ডেনস ছিল আমাদের শীতকালের স্বর্গ। এখন টি টুয়েন্টি এসেছে, খেলার থেকে জুয়া বেশি। বাই দ্য ওয়ে অনীশ, যে মেয়েটি খুন হয়েছে, তার চাকরির ব্যাপারেই তুমি আমাকে বলেছিলে তাই না?”

    অনীশ সামান্য চমকে বাবার দিকে তাকিয়ে মাথা নাড়ল।

    উপমন্যু অনীশের দিকে তাকিয়ে বললেন “আপনার জয়িতার প্রতি দুর্বলতা ছিল?”

    অনীশ এক মনে পায়ের নখের দিকে তাকিয়েছিল। শংকর কফির কাপ হাতেই উঠে বললেন “আমি ভেতরে গেলাম অফিসার। ওর আমার সামনে সংকোচ হতে পারে কথা বলতে”।

    উপমন্যু উঠে দাঁড়ালেন “সারটেনলি স্যার’।

    শংকর ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেন।

    উপমন্যু অনীশের দিকে তাকিয়ে বললেন “হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটগুলো পড়েছি বুঝতে পেরেছেন আশা করি। গড়পঞ্চকোটে কী হয়েছিল অনীশ যে সে রাতে জয়িতা কলকাতা ফিরে যাওয়ার জেদ ধরে?”

    অনীশ এবার উপমন্যুর দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে রাগী গলায় বলল “আপনি আমাকে ফোন করতে পারতেন। বাবাকে জানানোর কি খুব দরকার ছিল?”

    উপমন্যু বললেন “আপনি যদি দোষী প্রমাণিত হন সেক্ষেত্রেও কি আপনার বাবা না জানলেই আপনি খুশি হবেন?”

    অনীশ বলল “আপনি জানেন না, আমার বাবা আমাকে সব সময় নিচু নজরে দেখে, সবার সামনে ছোট করে। আজ বাবা সুযোগ পেয়ে গেল শুধু আপনার জন্য”।

    উপমন্যু বললেন “বেশ তো, আপনার সুযোগ আছে প্রমাণ করার যে আপনাকে যেমন দেখতে মনে হয় আপনি সেরকম নন। আপনাকে যা যা জিজ্ঞেস করা হবে তার উত্তর ঠিক ঠাক দিন, আপনার বাবাই আপনাকে নিয়ে গর্বিত হবে”।

    অনীশ রাগী চোখে কয়েক সেকেন্ড উপমন্যুর দিকে তাকিয়ে বলল “জয়িতা ওয়াজ আ বিচ। একটা হোর। আপনি খোঁজ নিন। অনেক কিছু জানতে পারবেন ওর সম্পর্কে”।

    উপমন্যু ঠান্ডা মাথায় বললেন “আমি তো জয়িতা সম্পর্কে আপনার অপিনিয়ন চাই নি। আমি জাস্ট জানতে চাইছি গড়পঞ্চকোটে কী হয়েছিল যে কারণে জয়িতা কলকাতায় ফিরে যেতে চায়?”

    অনীশ বড় বড় চোখ করে উপমন্যুর দিকে তাকাল। চারদিকে দেখল। মাথা নিচু করে হাতের আঙুলে শব্দ করতে লাগল।

    উপমন্যু বললেন “ইট ওয়াজ এ ডিল তাই না? তুমি জয়িতাকে চাকরি দেবে তার পরিবর্তে জয়িতা তোমার সঙ্গে শোবে? রাইট?”

    অনীশ টেবিলে রাখা জলের গ্লাস নিয়ে এক নিঃশ্বাসে জল শেষ করে বলল “বললাম তো শি ইজ এ বিচ। সেদিন একবারও বলে নি… পৌঁছে জানাল শি ওয়াজ অলরেডি প্রেগন্যান্ট”।

    উপমন্যু চমকালেন না। শুধু অস্ফূটে বললেন “দিস কেস ইজ গেটিং ফাকিং ইন্টারেস্টিং”।

    .

    হোয়াটস অ্যাপ ইনবক্স- জয়িতা

    .

    রুহিকে করা মেসেজ

    ২৫শে সেপ্টেম্বর সকাল আটটা।

    -ওই। উঠেছিস?

    -বল।

    -একটা হেল্প চাই।

    -বাবাহ। এত ভনিতার কী আছে? বল।

    -ফেঁসে গেছি ইয়ার।

    – (বড় বড় চোখ করা ইমোজি) মানে?

    -প্রেগা নিউজ। পজিটিভ।

    -ফাক। রিয়েলি?

    -হু। জাস্ট চেকড।

    -ফাক ফাক ফাক। দাঁড়া ফোন করছি।

    …

    রাত সাড়ে এগারোটা

    রুহি- কী রে? কিছু হল?

    জয়িতা- না। কাউকে বলিস নি তো?

    -না না পাগল নাকি তুই?

    -ভাল্লাগছে না। কী যে হল!

    -তাকে জানিয়েছিস?

    -না। কী হবে জানিয়ে?

    -তাও ঠিক। টেক কেয়ার রে। চিন্তা করিস না, ওষুধ আছে। শুধু মনটা শক্ত রাখ।

    -বাড়ি যেতে ইচ্ছা করছে খুব।

    -মাকে ফোন কর বরং।

    -ধুস! এত রাতে সব ঘুমিয়ে পড়েছে।

    -ওকে। ঘুমিয়ে পড় তাড়াতাড়ি। দেরী করিস না।

    -হ্যাঁ রে। বাই।

    -বাই।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রেমিক – অভীক দত্ত
    Next Article উপন্যাস সমগ্র ২ – অভীক দত্ত

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }