Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রঙ্কিণীর রাজ্যপাট এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন

    August 30, 2025

    আনা ফ্রাঙ্ক-এর ডায়েরি

    August 30, 2025

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    August 30, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • 🔖
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    Subscribe
    সাইন ইন
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে গল্পের শেষ নেই – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায় এক পাতা গল্প182 Mins Read0

    এপিঠ-ওপিঠ

    সত্যিই ভারি আশ্চর্য সভ্যতা এই ধনতন্ত্র। এর যা কীর্তি তার পাশে পুরোনো পৃথিবীর সপ্তমাশ্চর্যও বুঝি ম্লান হয়ে যায়। আজকালকার বিরাট বিরাট কলকারখানাগুলোর কথা ভেবে দেখো। কোথায় লাগে মিশরের পিরামিড আর ব্যাবিলনের প্রাসাদ? চোখের নিমেষে কী রকম রাশি রাশি জিনিস তৈরি হবার ধুম— কাপড়চোপড়, খাবারদাবার থেকে শুরু করে হাওয়া-গাড়ি হাউই জাহাজ পর্যন্ত কতোই না! রূপকথায় শোনা কোনো অতিবড়ো ডাকসাইটে দৈত্যও কি এমন চোখের নিমেষে এতো রাশি রাশি জিনিস তৈরি করতে পারতো? তার মানে, আগেকারকালের মানুষ পৃথিবীকে যতোখানি জয় করবার কথা কল্পনাও করতে পারে নি। এ-কালের মানুষ সত্যিসত্যিই তার চাইতে অনেক বেশি জয় করতে শিখেছে।

    তবু, এতো গৌরবের উলটো পিঠেই একটা করুণ পরাজয়ের কাহিনী। পৃথিবীকে মানুষ অতোখানি জয় করলো, তবুও মানুষের কপাল থেকে দুঃখ আর অভাবের চিহ্ন মুছলো না। সাধারণ মানুষের কথাটা একবার ভেবে দেখো। যারা খেতে-খামারে মাথার ঘাম পায়ে ফেলছে, কলকারখানায় গায়ের রক্ত জল করছে— তাদের কথা। সাধারণ মানুষ বলতে, বেশির ভাগ মানুষ বলতে, তো তারাই। অথচ তাদের কপালে যে-দুর্ভোগ সেই দুর্ভোগই থেকে গেলো। এতো ঐশ্বর্যের অংশীদার হওয়া তো দূরের কথা, দুবেলা হয়তো পেট ভরে খাবারই জোটে না, পরনে জোটে না আস্ত কাপড়, জোটে না মাথা গোঁজবার ঘর। তার মানে, নেহাত যেটুকু না হলে কোনোমতে জান বাঁচে না শুধু ততোটুকু জিনিসই তাদের কপালে।

    ধনতন্ত্রের তাই দুটো দিক: একদিকে যেমন আশ্চর্য সম্পদ আর একদিকে তেমনই নির্মম হাহাকার। এ যেন এক তাজব ব্যাপার! আসলে কিন্তু তাজব ব্যাপার নয়। ধনতন্তরের যুগে এমনটা না হয়ে উপায়ই নেই। কেন, তাই দেখা যাক।

    মানুষ অনেক অনেক জিনিস তৈরি করতে শিখেছে। কিন্তু হাওয়ায় ফুঁ দিয়ে তো আর জিনিস তৈরি হয় না। কাপড় তৈরি করতে গেলে তাত কিংবা কাপড়ের মিল লাগে, হাওয়া-গাড়ি তৈরি করতে গেলে লাগে বিরাট কারখানা। তাত কিংবা কাপড়ের মিল, কিংবা হাওয়া-গাড়ি তৈরি করবার কারখানা, কিংবা ওই ধরনের যেসব ব্যাপার তাকে বলে উৎপাদনের উপায়। কেননা এগুলো ছাড়া উৎপাদন হয় না। উৎপাদন মানে হলো নতুন জিনিস তৈরি করা।

    এখন ধনতন্তরের সময় থেকে হলো কি, ওই উৎপাদনের উপায়গুলো সম্বন্ধে একটা নতুন ব্যাপার দেখা দিলো। যারা মেহনত করে উৎপাদন করছে তারা আর ওই উৎপাদনের উপায়গুলোর মালিক নয়। মালিক হলো অন্য লোক। আগে কিন্তু যখন কারিগররা কিছু তৈরি করতো তখন এ-রকম নয়। তখন পর্যন্ত যে তাতি তারই তাত, যে কামার তারই কামারশাল। কিন্তু ধনতন্তরের যুগে একটা কারখানার কথা ভেবে দেখো। কারখানায় যারা গতির খাটাচ্ছে কারখানাটা কি তাদের? নিশ্চয়ই নয়; তারা তো নেহাত দিন-মজুরের দল। গতির খাটাবার জন্যে দিন গেলে তারা মজুরি পায়। কিন্তু ওই পর্যন্তই।

    মালিক আসলে অন্য লোক। সে নিজে গতির খাটায় না, নগদ চুকিয়ে অন্য লোককে খাটিয়ে নেয়। তাছাড়া মোট মানুষের তুলনায় এই মালিকের সংখ্যা নেহাতই নগণ্য : হয়তো তিনজনে মিলে একটা কারখানা ফেঁদেছে, অথচ সেখানে মেহনত করছে তিন হাজার দিনমজুর। মালিকদের সম্বন্ধে আরো একটা কথা মনে রাখা দরকার। সেটাই সবচেয়ে জরুরী কথা। তাদের কাছে একমাত্ৰ উদ্দেশ্য হলো এই সব কলকারখানা থেকে নগদ টাকা লাভ করা। লাভের আশা ছাড়া আর কিসের আশায় তারা অমন কলকারখানা ফাঁদতে যাবে বলো? আর উৎপাদনের উপায়গুলোর যারা মালিক তাদের উদ্দেশ্য অনুসারেই তো সমস্ত কিছু উৎপাদন হবে। তাই ধনতন্তরের যুগে যেখানেই যা কিছু তৈরি হোক না কেন সর্বত্রই ওই এক উদ্দেশ্য : লাভ, মুনাফা ! তার মানে মানুষের অভাব দূর করা নয়।

    ধরো, বিরাট একটা কারখানায় কাপড় তৈরি হচ্ছে। কিন্তু কেন? উদ্দেশ্যটা কী? দেশের সাধারণ মানুষ ওই কাপড় পরে বাঁচবে বলে? মোটেই তা নয়। তাহলে? কারখানাটার যে মালিক তার লাভ হবে। সেইজন্যেই তো কাপড় তৈরি। মালিক তাই হিসেব করে দেখবে, কেমনভাবে কাপড় তৈরি হলে তার লাভ সবচেয়ে বেশি। আর কারখানাটার মালিক তো সে-ই, তাই এখানে তার হিসেবমতোই কাপড় তৈরি হতে বাধ্য। যেমন ধরো, দেশের লোক মোটা কাপড়ের অভাবে খুবই কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু মালিক হয়তো হিসেব করে দেখলো কারখানায় মোটা কাপড় তৈরি করে দেশের লোকের কাছে বেচবার চেয়ে যদি খুব শৌখিন কাপড় তৈরি করে বিদেশে রপ্তানি করা যায় তাহলে লাভ অনেক বেশি। কারখানাতে তাহলে রপ্তানির জন্যে শৌখিন কাপড়ই তৈরি হবে না কি? কিংবা ধরো, বাজারে কাপড় নেই, হু-হু করে আগুনের মতো কাপড়ের দর বাড়ছে। তাতে মালিকের ভীষণ লাভ। আর ভীষণ লাভ বলেই মালিক ঠিক করলো, কারখানায় কাপড় তৈরির হার টার উপর রাশ টানা। আগে হয়তো দিনে হাজার গজ কাপড় তৈরি হচ্ছিলো, মালিক ঠিক করলো এখন থেকে দিনে মাত্র সাতশো গজ কাপড় তৈরি হবে। তাহলে, বাজারে কাপড়ের আমদানি আরো কমে যাবে, কাপড়ের দর আরো চড়বে, মালিকের লাভ আরো বাড়বে। কিন্তু তাতে যে দেশের লোকের দুঃখের আর অবধি থাকবে না! মালিক বলবো; তা আমি কী জানি? দেশের লোক যদি কারখানার মালিক হতো তাহলে কিসে তাদের ভালো হয় এই হিসেব অনুসারেই কারখানা চলতো ! কিন্তু কারখানার আসল মালিক হলুম আমি। লাভ করতে চাই বলেই তো আমি কারখানা খুলেছি। তাই আমার কারখানা এমনভাবে চলবে যাতে আমার লাভ সবচেয়ে বেশি।

    মুনাফার খাতিরে উৎপাদন। দেশে যা-কিছু তৈরি হবে তা শুধু মালিকদের লাভের অঙ্কটা বাড়াবার জন্যেই। আর যদি তাই হয় তাহলে দেশের সাধারণ লোকের পক্ষে খুব গরিব হয়ে থাকতেই হবে। এ তো খুব সোজা হিসেব। হিসেবটা দেখো।

    কারখানার মালিক যদি লাভ করতে চায় তাহলে তো কারখানায় মালপত্তরগুলো তৈরি করতে হবে খুব সস্তায় আর সেগুলো বাজারে ছাড়তে হবে চড়া দরে। সস্তায় মালপত্তর তৈরী করবার কায়দাটা কী? কাঁচা মাল সস্তায় কেনা আর মজুরদের কম মজুরি দেওয়া। তার মানেই কিন্তু দেশের বেশির ভাগ লোককে খুব গরিব করে রাখা। কেননা, সাধারণ মানুষ বলতে, দেশের বেশির ভাগ মানুষ বলতে তো কৃষক আর মজুরই। কাঁচা মাল তো বেশির ভাগই কৃষকদের কাছ থেকে কেনা। তাই সস্তায় কাঁচা মাল কেনা মানেই কৃষকদের গরিব করে রাখা। আর মজুরি কম পেলে মজুররা তো গরিব হয়ে থাকবেই।

    ধরো, একটা কাপড়ের কারখানা। সস্তায় কাপড় তৈরি করতে হলে সস্তায় তুলো কেনা চাই। কিন্তু সস্তায় তুলো কেনা মানেই যারা তুলোর চাষ দিচ্ছে সেই কৃষকদের কম পয়সা দেওয়া। তার মানে, গরিব করে রাখা। কিংবা শুধু কারখানায় যারা গতির খাটাচ্ছে তাদের দিনমজুরি বাবদ দেদার টাকা দেওয়া গেলো, তাহলেই কি সস্তায় কাপড় তৈরি হবে? নিশ্চয়ই নয়। তাই যতোটুকু না দিলে মজুররা জানে বাঁচে না। তাদের দিনমজুরি বাবদ শুধু ততোটুকুই। তাই লাভের আশায় কাপড় তৈরি করতে গেলে দেশের বেশির ভাগ লোককে গরিব করে রাখতেই হবে। তারপর তৈরি মালগুলো বাজারে ছাড়বার সময় হিসেব করে দেখতে হবে কতো চড়া দরে ছাড়া যায়। যতো চড়া দর ততোই তো লাভ বেশি। আর ওই চড়া দরে বাধ্য হয়ে বাজার থেকে জিনিস কিনতে হয় বলেই দেশের লোকের অবস্থা আরো সঙ্গীন হয়ে ওঠে।

    ধনতন্তরের যুগে সিপাই-শান্তরী আইন-আদালত সবই মালিকদলের হাতের মুঠোয়। তাই তারা নানান রকম কায়দা-কানুন করতে পারে। আর অতো রকম কায়দা-কানুন করতে পারে বলেই দেশের বেশির ভাগ মানুষকে অমন দীন-দরিদ্র করে রেখে নিজেরা দারুণ বড়োলোক হতে পারে।

    এই হলো ধনতন্তরের চেহারা। একদিকে মাত্র মুষ্টিমেয় মালিকের দল, তাদের অগাধ টাকা, অসীম প্রতিপত্তি। আর একদিকে দেশের সাধারণ মানুষ। তাদের কপালে শুধু ততোটুকুই যতোটুকু না হলে নেহাত জান বাঁচানো দায়।

    ধনতত্তরের তাই দুটো দিক। একদিকে দেখা যায়, মানুষের উৎপাদন-শক্তি কী অসম্ভব বেড়ে গিয়েছে, পৃথিবীর কাছ থেকে আদায় করতে শিখেছে কী অতুল ঐশ্বর্য। আর একদিকে দেখা যায় দেশের অসংখ্য সাধারণ মানুষ যেন অভাবের মহাসমুদূরে ভাসছে।

    ঐশ্বর্যের উলটো পিঠেই দারুণ অভাব। শুধু মুনাফার খাতিরেই যদি উৎপাদন হয় তাহলে এমনটা না হয়ে উপায় নেই।

    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    Next Article ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    Related Articles

    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    পৃথিবীর ইতিহাস – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    ফ্রয়েড প্রসঙ্গে – দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    লোকায়ত দর্শন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

    August 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Demo
    Most Popular

    রঙ্কিণীর রাজ্যপাট এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন

    August 30, 2025

    অনুরাধা

    January 4, 2025

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    রঙ্কিণীর রাজ্যপাট এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন

    August 30, 2025

    অনুরাধা

    January 4, 2025

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025
    Our Picks

    রঙ্কিণীর রাজ্যপাট এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন

    August 30, 2025

    আনা ফ্রাঙ্ক-এর ডায়েরি

    August 30, 2025

    আগাথা ক্রিস্টি রচনা সমগ্র ১ (অনুবাদ : নচিকেতা ঘোষ)

    August 30, 2025
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2025 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    Sign In or Register

    Welcome Back!

    Login below or Register Now.

    Lost password?

    Register Now!

    Already registered? Login.

    A password will be e-mailed to you.