Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে যেখানে যায় – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প181 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    যে যেখানে যায় – ২

    ২

    বসন্ত বলে ইদানীং আর কিছু নেই। রোদে ফেব্রুয়ারির শেষ থেকেই লঙ্কার ঝাঁঝ আর ঘাম। সেই সঙ্গে হাঁসফাঁস করো। প্রাণ বেরিয়ে যায় একেবারে। মধুক্ষরা মুখার্জি যশোধরা ব্যানার্জিকে বললেন—কী রে, মার্চ এপ্রিল কি এখানেই পচব আমরা? শহর তো নয় এ যেন সাহারা—কালাহারি। এইবেলা ব্যবস্থা না করলে এপ্রিলের শেষে বেরোনো যাবে?

    কর্তার ইচ্ছায় কর্ম! যশো হাত উলটে বললেন।

    মানে? তুই বলতে চাইছিস সুহৃৎদা তোর কথায় ওঠেবসে না!

    দ্যাখ মধু, তুই খুব ভাল করেই জানিস আমার কথায় কেউ ওঠেবসে না। শুধু তোর সুহৃৎদা কেন? সুহৃৎদার ছেলে, ছেলের মাসি, মাসির মেয়ে, সেই মেয়ের বাবা কারও ওপর যশোধরা বাঁড়ুজ্যের কোনও ইনফ্লুয়েন্স নেই।

    তাই বলে তুই এই স্কোয়াডে আমাকেও ইনক্লুড করবি?

    তো কী? তুই—ই বল না, তুই আমার একটা কথা শুনিস, রাখিস? তোকে বলেছিলুম হকি না খেলে নাচ প্র্যাকটিস কর, করেছিলি?

    বলিস কী রে? সে যে আমার ১৩/১৪ বছর বয়সের কথা! সেই কথা এখন তুলছিস!

    যশোধরা এসব কানেই নিলেন না, বললেন—তোর কাছ থেকে একটা, একটা মাত্র তিলের নাড়ু চেয়েছিলুম আর আমসত্ত্বর ছেঁড়া কোণ, দিয়েছিলি?

    মধু হাঁ করে দিদির অভিমানাহত থমথমে মুখের দিকে চেয়ে থাকেন। কেননা দিদি আরও পিছিয়ে গেছে।

    আমার পিচকিরিটা কাজ করছিল না। তোরটা একবার মাত্র চেয়েছিলুম, ব্যাঙাদাকে রং স্প্রে করব বলে, ধার শুধু, কয়েক সেকেন্ডের জন্যে। ব্যাঙাদা পাস করে গেল, মুখ তুলে আমাদের যথারীতি ভেঙিয়ে গেল—’এই যে দুষ্টু সরস্বতী, এইবারে ছিলি খুলেছে। বাঁদুরে রংটা কে মাখালে? তার বেশ রসজ্ঞান আছে দেখছি!’ তোর মনে না থাকতে পারে, আমার মনে দগদগে হয়ে জেগে আছে। শুধু একটি পিচকারি—ব্যাটাকে নাইয়ে দিতুম—দিলি না।

    সে তো ভালই হয়েছে রে! তখন ব্যাঙাদাকে পিচকিরি আবির গুলাল ছোড়ার কী মানে হত বল তো!—এতক্ষণে ভাষা খুঁজে পায় মধুক্ষরা—মানে হত ব্যাঙাদার প্রেমপত্তরের উত্তর দেওয়া। ব্যস লেগে যেত তাক ধুম ধুম, তুই ব্যাঙাদার সঙ্গে গঙ্গার হাওয়া খেতে যাচ্ছিস, ভাবতে পারছিস দিদি?

    যশো কোমরে আঁচল গুঁজে নেয়—মানে? মানে? প্রেমপত্তর আবির গুলাল, গঙ্গার ধারে হাওয়া খাওয়া—এ সব কী? মাথায় এল কী করে?

    ব্যাঙাদার ওই সব চ্যাটাং চ্যটাং কথার আসল মানে যে পিরিত সে তো আমি তখনই বুঝতুম। তুইও নিশ্চয় বুঝতিস। তোর নিশ্চয় ব্যাঙাদের সঙ্গে ভিড়ে যাবার মতলব ছিল না! কী রে কিছু বলছিস না যে বড়?

    যশোধরা ফোঁস করে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলে বললেন—তুই যে বরাবর আমার শত্রুতা করে যাচ্ছিস তা টের পেয়েও কেন যে পেলুম না এটাই বিস্ময়।

    মানে?

    দেখ, আমি বুঝতে পারিনি, পারিনি, তুই আমাকে বোঝাতে পারতিস ব্যাঙাদার প্রেমের কথাটা।

    বুঝে কী করতিস?

    সান্ত্বনা। সান্ত্বনা পুরস্কার। তোর তখন এক বাইরে ঘর ভরতি প্রেমিক। আমারও একটা আছে—চ্যাঙা হোক ব্যাঙা হোক, এই সান্ত্বনা। আর কী! যশো বিয়ের পিঁড়িতে বসছে অথচ পাড়া বেপাড়ায় কারও বুক ফেটে যাচ্ছে না, কেউ সন্ন্যাসী হওয়ার কথা ভাবছে না, এ যে কত বড় কলঙ্ক একটা মেয়ের পক্ষে তা তুই ভাবতে পারছিস! আমার সে জোর কই, কনফিডেন্স কই যে, তোর সুহৃৎদাকে ওঠাব বসাব?

    কলঙ্ক কীসের? কার কেচ্ছা হচ্ছে! বলতে বলতে এই সময়ে পাবলো ঢুকল।—কে আমার বাবাকে ওঠবোস করাতে চায়!

    তোর মাসি—বলে যশোধরা বন্দ্যোপাধ্যায় সরে পড়লেন।

    বছর দশ বয়স থেকে পাবলো বাড়ির ব্যাপারে উদাসীন হয়ে গেছে। বাবা কোথায় গেছে, মা কী করছে, কার মন খারাপ, কেন কার মন ভাল তাই—ই বা কেন…এ সব পাবলো ভাবে না। বাড়িটাতে সে পরম আরামে বাস করে, চমৎকার খাওয়া—দাওয়া করে। এদিকে বাবা—মা ওদিকে মাসি—মেসো যে সামনে পড়ে তার সঙ্গেই কথাবার্তা বলে। কেউ দেখলে বা দু’দিন বাস করলে বুঝবে না যে পাবলো আলগা হয়ে বাড়ির বোঁটাটিতে ঝুলছে। কিন্তু প্রকৃত সংবাদ হল এই যে, পাবলোর একটি বিশাল বন্ধুকুল আছে। তার মনপ্রাণ সেই বন্ধুদের কাছেই গচ্ছিত আছে। বাড়িতে সে যা বলে তা হল কাজের কথা—পাজামাটা কোথায়? জিনসটা কাচতে দিয়েছে কে? বারবার বলেছি না আমার জিনিসে হাত দেবে না! বাঃ আজ পরোটা মাংস? চমৎকার মেনু করেছ মাম্মি। তোমার হবে। হ্যাঁ বাবা, পড়াশোনা ভাল হচ্ছে। কিন্তু এগুলো ওই কথার পিঠে কথা। আসল গুরুত্বপূর্ণ কথাবার্তার জন্যে আছে রোহন, পঙ্কজ, আমন, উন্নীতা, বল্লী ইত্যাদি ইত্যাদি। তার মাসতুতো বোন সম্পৃক্তা বা শম্পিও এই বন্ধুকুলের মধ্যে পড়ে। আছে ফুটবলার আরমান, এবং পরিধির কাছে যারা ঘোরাফেরা করছে তাদের মধ্যে রয়েছে মধুবন।

    স্কুলের পর পাবলো বাড়িতে একবার ঢুঁ মেরেছে প্রধানত একটু চান করে নেবার জন্যে। এবং গৌণত নিয়মরক্ষার জন্যে। তার মা যশোধরা ভীষণ রক্ষণশীল, ঘোর নিয়মবাদী। ছেলে বিকেলবেলায় বাড়িতে না ঢুকলে মায়ের ফিটটিট হতে পারে, আর তা যদি না হয় তো পাবলোরই ফিটটা হবে, কেননা মা পাবলোকে খেতে শুতে চান করতে তিষ্ঠোতে দেবে না। বকেই যাবে, বকেই যাবে। পাবলো অশান্তি পছন্দ করে না। সে বিদ্রোহী। কিন্তু নীরব গোত্রের।

    মধুমাসি অমনি সাতখানা করে বলতে বসল—দেখ না দিদিকে বকছিলুম ঠান্ডা কোথাও ঘুরে আসি, তা তোরা সবাই, ইনক্লুডিং সুহৃৎদা যে দিদির কত অবাধ্য সেই পুঁটলি খুলে বসল। এই গরমে টেকা যায়, তুই—ই বল।

    পাবলো হাঁ করে মাসির দিকে কিছুক্ষণ তাকিয়ে বলল—আচ্ছা মাসি, তোমার ওজন তো বেশি নয়!

    আমার ওজন? ওজনের কথা উঠছে কেন?

    না, ধরো ঊনষাট—ষাট ওজন এমন কিছু বেশি নয়। তাই না?

    অ্যাঁ?

    তোমার তার বেশি হবে না। অবশ্য ঊনআশি—টাশি হবে।

    মোটেই না। দিদি বড়জোড় পঁচাত্তর হবে। বাজে বকিসনি।

    কথাটা তা না। কথাটা হচ্ছে চর্বির লেপ যার গায়ে যত বেশি তার গরমও তত বেশি। এখন মাসি, তোমাদের এই পিতৃভবনের কথা ধরো। এটিতে কুড়ি ইঞ্চির দেয়াল। পনেরো ফুটের হাইট। গরম তোমাদের লাগে কী করে? রোদ তো দাঁত ফোটাতে পারছে না তোমাদের বাড়ির ইনসাইডে। সন্ধেবেলা পেল্লাই পেল্লাই জানলাগুলো খুলে দিলে দক্ষিণ সমুদ্দুরের হাওয়া হু হু করে বয়ে যেতে থাকে। যাবে পঙ্কজদের বাড়িতে?

    কে পঙ্কজ? তার বাড়ি আমি যেতে যাব কেন? আচ্ছা তো!

    উঃ, যেতে বলছি না। কমপেয়ার করছি। ওদের টপ ফ্লোরের ফ্ল্যাটে এসি চলছে গদাম গদাম করে, কিন্তু নো ঠান্ডা, নো রিলিফ। পঙ্কজের মা একখানা মসলিনের না কীসের সি—থ্রু নাইটি পরে ঘোরেন।

    পাবলো! অসভ্যতা হচ্ছে!

    বা রে, অসভ্যতাটা কি আমি করছি? ভেবে দেখতে গেলে পঙ্কজের মাকেও দোষী করা যায় না। তাঁকেও তো টিকতে হবে রে বাবা! আমাদের মতো তো আর শর্টস পরে, খালি গায়ে বসে থাকতে পারেন না! পারেন? কিন্তু তোমাদের কেস আলাদা। এইরকম ন্যাচার‍্যালি এয়ার কন্ডিশনড আর্কিটেকচার এখন অর বেশি নেই। তা—ও তোমাদের যখন এত গরম হচ্ছে, মনে হচ্ছে প্রবলেমটা অন্য কোথাও। প্রেশার মাপিয়েছ?

    চুপ কর।

    আহা রাগ করো কেন? মেসোর কি আরও টাকা হয়েছে?

    ভাল হবে না বলছি পাবলো।

    কী আশ্চর্য। আমি মাওবাদী নই যে, মেসোর টাকায় আপত্তি করব। গরমটা টাকার কি না সেটাই বুঝতে কথাটা তোমায় জিজ্ঞেস করলুম।

    পাবলো আর দাঁড়াল না। তিন লাফে দোতলার সিঁড়ি টপকে বাথরুমের দিকে রওনা দিল।

    আর্কিটেকচারের সঙ্গে সঙ্গে এই বাড়ির মেজাজমর্জি সাজসজ্জা সবই জমিদারি। বাথরুমটাই একখানা ঘরের মতো। তাতে পেল্লায় এক বাথটব। অনেক দিনের পুরনো। প্রচুর যত্ন সত্ত্বেও তাতে সামান্য একটু হলদেটে ভাব এসেছে, কিছু কিছু চিড় খাওয়া জায়গার ওপর পট্টি লাগানো হয়েছে। কিন্তু তাতে কী! বাথটবটাতে পাবলো তার পাঁচ ফুট আট ইঞ্চি লম্বাই ছড়িয়ে আরামসে চান করে আর চান করে।

    পাবলিক প্রসিকিউটরকে সংক্ষেপে কী বলে? পি পি। কিন্তু পি পি—র প্রচলিত মানে হচ্ছে পাবলো—পঙ্কজ। জুটিটি অবিচ্ছেদ্য বলে বিখ্যাত। কিন্তু ইদানীং এদের মধ্যে একটা ডিফারেন্স দেখা যাচ্ছে। পঙ্কজের ইচ্ছে সে স্টেটস—এ যাবে। পাবলো স্টেটসকে ঘৃণা করে। কেন? বুশ—এর জন্যে? ইরাক—আফগানিস্তানের ওপর বুশী হামলার জন্যে? না। একেবারেই না। কে কোথায় কার ওপর হামলা করছে সে সব নিয়ে ঘেন্না—পিত্তি থাকলে তো আর এ—পৃথিবীতে টেকা যাবে না। গুড বাই জানিয়ে বেহেস্ত—জাহান্নম যে—দিকে হোক কেটে পড়তে হবে। আসলে বড্ড কমন, ভালগার হয়ে গেছে। তবে কি পাবলো অস্ট্রেলিয়া যেতে চায়? আজকাল লোকে খুব অস্ট্রেলিয়া যাচ্ছে। হাজার হাজার ডলার খরচ করে ক্যানবেরা সিডনির ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যাচ্ছে। আর ফিরছে না। অস্ট্রেলিয়া পৃথিবীর তৃতীয় মেল্টিং স্পট হতে যাচ্ছে। প্রথমটা রবীন্দ্রনাথ নামে গুরুদেব ভদ্রলোকটি দাগিয়ে গিয়েছিলেন—’শক হুন দল পাঠান মোগল এক দেহে হল লীন।’ দ্বিতীয়টি অবশ্যই আমেরিকা। বিশ্বসুদ্ধু সায়েন্টিস্ট জড়ো করে অ্যাটম বোমা বানাল, বলল আমেরিকার উদভাবন। ভাল বাবা কর। তৃতীয় মেল্টিং স্পট হতে চলেছে অস্ট্রেলিয়া। একরের পর একর খালি জমি পড়ে রয়েছে সেখানে। ভারত স্বাধীন হবার পর দলে দলে অ্যাংলো ইন্ডিয়ানরা অস্ট্রেলিয়া পাড়ি দেন, বিকল্প হোম।

    আর এখন অস্ট্রেলিয়া তার খালি জমি, চাষবাস, খামার—টামার, ক্রিকেট—টিকেট, বিশ্ববিদ্যালয়—টয় নিয়ে ডাক পাঠাচ্ছে দিকে দিকে। এসো, এসো আমাকে ধনী করো, যেমন করেছ আমেরিকাকে। লোকে যাচ্ছেও, খুশিতে যাচ্ছে। খুশিতে থেকে যাচ্ছে। কিন্তু পাবলো অস্ট্রেলিয়াতেও যেতে চায় না। উঃ পাবলো যে কী চায়! সে ম্যানেজমেন্ট পড়বে না। ডাক্তার হবে না। ইঞ্জিনিয়ার হবে না। আর্টিস্ট হবে না। তবে পাবলো কী হতে চায়! পঙ্কজ ধুধুরিয়ার আইকন হচ্ছে বিল গেটস। সে আই টি—তে যাবে, ছুঁচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোবে। প্রথমে বি পি—ও জয়েন করবে একটা কেননা তার এগ্রিগেট রেজাল্ট তেমন সুবিধের হচ্ছে না। সে যাই হোক সে ক্রমে ক্রমে ঊধের্ব উঠবে, বিজনেস প্রসেস আউটসোর্সিংয়ের জন্যে যা যা থাকা দরকার পঙ্কজ ধুধুরিয়ার সে সবই আছে। স্মার্টনেস, চটপট চিটিরপিটির কথা বলবার ক্ষমতা, অ্যালার্টনেস যাকে বলে। কম্পিউটারের বেসিকস তো সে কবেই জেনে গেছে। সে বি এস সি—টা করবে, তার পরে বি পি ও, তার পরে সিলিকন ভ্যালি স্ট্রেট। বাড়িতে গোড়ায় গোড়ায় টাকা পাঠাবে। তারপর প্রথমে ভাইকে তারপরে বাবা—মাকে ওখানে নিয়ে গিয়ে ফেলবে। এবং যদি ম্যানেজ করতে পারে তো নিয়ে যাবে বল্লীকে বল্লী ধুধুরিয়া করে। মুশকিল হচ্ছে বল্লী ঠাকুর হচ্ছে অতি ধুরন্ধর মেয়ে। পঙ্কজ যদি চলে ডালে ডালে তো বল্লী চলে পাতায় পাতায়। এবং বল্লী ঠাকুরকে ন্যাশন্যালিস্ট পোকায় কেটেছে। বল্লী মনে করে, সে না থাকলে ভারতবর্ষকে আর দেখবার কেউ থাকবে না। তাই সে স্টেটস অস্ট্রেলিয়া তো কোন ছার, হাতের কাছে মায়ানমার কি চায়না পর্যন্ত যেতে চায় না।

    এখন বন্ধু মহলে পি—পি বলতে যেমন পঙ্কজ পাবলো বোঝায় তেমন পি বি এক্স বলতে টেলিফোনের প্রাইভেট বক্স এক্সচেঞ্জ বোঝায় না। বোঝায় বল্লী কমন ফ্যাক্টর কিন্তু পি—টি কোন পি? পাবলো? না পঙ্কজ? সেইজন্যেই শেষে এক্সটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। কোন পি সেটা পি—রাও জানে না, বল্লীও জানে কি না সন্দেহ আছে। এই নিয়ে একটা সূক্ষ্ম টেনশন যে তাদের মধ্যে নেই তা নয়। কিন্তু কোনও মনোমালিন্য এখনও নেই।

    পাবলোর কম্পিউটার—সম্পর্কিত চাকরির ওপর ভীষণ ঘেন্না। প্রচুর মাল ছাড়ে কোম্পানিগুলো তারপর তোমাকে স্রেফ কিনে নেয়। কারও ক্রীতদাস হবার সাধ পাবলোর নেই। তার বাবা সুহৃৎ বন্দ্যোপাধ্যায় তার খাটুনিটা খেটে দিচ্ছেন, বাবার এক ছেলে সে, আর্থিক দিক থেকে যাকে বলে সাউন্ড। টাকার জন্যে দাসত্ব করার মতো গাঁইয়ামি করবার পাত্র পাবলো নয়। তবে সে কী করবে? ক’দিন পরই আই এস সি পরীক্ষা। তার মধ্যেই ঠিক করে ফেলতে হবে। বাবা জিজ্ঞেস করছে, মধুবন পর্যন্ত জিজ্ঞেস করছে।

    কী রে পাবলো, কী ঠিক করছিস?

    কোনও একটা নির্দিষ্ট দিন থেকে পাবলোর মাসতুতো বোন মধুবন কেমন একটু তেতো, তির্যক, বিদ্রূপাত্মক হয়ে উঠেছে। এটা একটা ডেফিনিট চেঞ্জ। কেননা মধুবন চিরকাল পাবলোর খুব বন্ধু। মধুবন পাবলোর মায়েরও খুব বন্ধু। হেন জিনিস নেই পৃথিবীতে যা মধুবন আজ অবদি পাবলোর সঙ্গে ভাগ করে নেয়নি। সে চকলেট—ফুচকাই বলো, আর মধুবনের নিগূঢ় প্রেমাকাঙ্ক্ষা, তার নিদারুণ ডিপ্রেশন সে মোটা বলে কেউ তাকে সিরিয়াসলি নেবে না…ইত্যাদি ইত্যাদি সে পাবলোর সঙ্গে যত সহজে আলোচনা করে, শম্পির সঙ্গেও ততটা নয়। যদিও পাবলো মোটেই তার গোপন কথাবার্তার ভাগ মধুবনকে দেয় না। যাই হোক, যে—মধুবন সব সময়েই তার নিজস্ব বন্ধু হয়ে টিকে ছিল, সেই মধুবন হঠাৎ কেমন খামখেয়ালিনী তিক্তা হয়ে উঠেছে।

    কী রে পাবলো, কিছু যে বলছিস না! ভ্যারেন্ডা ভাজবি নাকি?

    কেন। তুই জেনে কী করবি? তোর এত কৌতূহল কেন?

    বাঃ চিরকাল সব আমাকে বলে এসেছিস, হঠাৎ এখন মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট স্টেপটা বলছিস না।

    বেশ তো তুই বল না তুই কী করছিস।

    আমি তো ভাই বহুত দিন আগে থেকেই বলে দিয়েছি সায়েন্সই পড়ি আর যাই করি শেষ পর্যন্ত আমি ইংলিশ হনস নিয়ে পড়ব, মাস্টার্স করব, তারপর ড্যাংডেঙিয়ে কলেজে পড়াব। মধুবনদি। মধুবনদি, ম্যাডাম, ম্যাডাম বলে ছাত্র—ছাত্রীগুলো ঘিরে ধরবে। এই আমার অ্যাম্বিশন।—হতে পারে ছোটখাটো। কিন্তু আমি জানি আমি কী চাই। তোদের মতো অন্ধকারে ঢিল ছুড়ি না।

    বলে মধুবন বেশ কায়দা মেরে চলে গেল। পাবলো এখন বাথটবে গা ডুবিয়ে ভাবছে, সত্যিই সে কী করবে! ছোট থেকে এত কিছু সে করেছে যে, এখন নিজেকে বাঁশবনে ডোম কানা মনে হচ্ছে।

    পাবলোর দারুণ ড্রয়িংয়ের হাত বুঝলেন আনন্দবাবু। আপনি যদি ওকে একটু…। যশোদা—মা গদগদ। পাবলোকে ‘বসে আঁকো’—ফাঁকোতে না বসালে চলছে না। ফুল আর্টিস্ট কিন্তু নয়, পার্ট টাইম আর্টিস্ট হতে হবে।

    আনন্দ গোস্বামীর কাছে পাবলো আঁকা শিখেছে। ড্রয়িং, স্কেচ, জলরং, তেলরং, ওয়াশ, সবই।

    পাবলোর সুরতালজ্ঞান সাংঘাতিক বুঝলে যশো—সুহৃৎবাবুর উক্তি। কেননা পাবলো সব চলতি হিন্দিবাংলা গান গাঁক গাঁক করে গেয়ে দিত। যত ধাঁই ধপাধাপ টাইপ হবে তত ফুরতি। সুতরাং, তাকে নাচের ক্লাসে ভরতি হতে হল। ক্রিয়েটিভ ডান্স। সেই সঙ্গে গানও। জ্ঞানদা তালুকদারের কাছে। গোটা দশেক রাগ সে ভক্তিভরে শিখেছে। বাড়ি ঢোকা থেকে শুরু করে ঘুমোতে যাবার আগে পর্যন্ত গান গুনগুন করে থাকে। এক—এক সময় এক—একটা গান তাকে পেয়ে বসে। এক সময়ে ছিল ‘কফি হাউসের সেই আড্ডাটা’—মধুবন একদিন বলল—আর য়ু অ্যান ওল্ডি?

    শম্পি বলল—যা বলেছিস! তারপরে সে ধরল ‘ডম ডম ডিগা ডিগা’। মা তাকে শুধু মারতে বাকি রাখত তখন। ‘উফফ পাবলো আমার মাইগ্রেন শুরু হয়ে গেল।’

    তুই একটু থামবি?

    ইদানীং সে গাইছে ‘আশিক বানায়া’।

    ফোটোগ্রাফিতেও দারুণ শখ পাবলোর। পোর্ট্রেট বিশেষ করে। রীতিমতো কালেকশন তার। গোটা তিনেক ক্যামেরা কোডাক, ক্যানন, নাইকন, আলাদা আলাদা লেন্স। ফিল্টার। ডার্করুমের কাজও সে জানে। যেখানে যায়, ক্যামেরাবাবু সঙ্গে যান। ডিজিটাল ক্যামেরায় তার শখ নেই। সে আর্টিস্টিক ছবি তুলতে চায়। ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট পছন্দ করে।

    এত গুণ, এত শখ নিয়েও পাবলো বাথটবের মধ্যে স্রেফ লক্ষ্যহীন ভাবে শুয়ে থাকছে। বেশ কিছু দিন। মায়েরটা তবু পাশ কাটানো যায়।—উফ আগে আই এস সি—র ধাক্কাটা সামলাতে দাও! মাথার মধ্যে সব তালগোল পাকিয়ে আছে বুঝলে মাদার?

    ব্যস মা গলে জল। মাদার ডাকলেই কি মায়ের নিজেকে মাদার টেরিজা মনে হয়, না গোর্কির মাদার, কে জানে কিন্তু মাদার ডাকে মা খুশি হয়ে যায়—এক্কেবারে পাবলোর পরীক্ষিত সত্য।

    বাবাকে পাশ কাটানো অত সোজা নয়। রোববারের মধ্যাহ্নভোজন পর্যন্ত মোটামুটি এড়িয়ে থাকা গেল, তারপর চটি চটাস চটাস করতে করতে সুহৃৎ ব্যানার্জি ঘরের ভেতর ঢুকে আসবেন—পাবলো খাবি না! চল!

    ভাত ভেঙেই প্রথম প্রশ্ন—শরীর স্বাস্থ্যটা ঠিক রাখছ তো? ওজন বাড়িয়ে যাওয়াটা কোনও কাজের কথা নয়।

    মাতৃদেবীর ঝংকার সঙ্গে সঙ্গে—কেন ওজন বেশি বলে কোন কাজটা আমি হালকা করে করছি? তোমার অসুবিধে হচ্ছে কোনও?

    আমাদের নয়। তোমার, অসুবিধেটা তোমার, এই সিম্পল কথাটা না বুঝলে তাকে বলে সিম্পলটন।

    থাইরয়েড টেস্ট করাও। বারবার তো বলছি আমার হাইপোথাইরয়েড হয়েছে। চোখের পাতা পড়ে যাচ্ছে। ক্লান্ত লাগে সব সময়ে তা জানো?

    ফোন রয়েছে, তুলে দিয়ে জাস্ট একটা কল দাও না অরূপ ল্যাবরেটারিতে।

    কেন? আমার অসুখে আমি করব কেন? তোমাদের অসুখের বেলা তো তখন আমাকেই সব করতে হয়। ডাক্তার ডাকা, ওষুধ খাওয়ানো, পথ্য করা—আমার বেলা কেন আলাদা হবে! আমি কাউকে ফোন করব না। চুপচাপ মোটা হতে হতে একদিন ফটাস করে পটল তুলব। তখন দু’হাত তুলে নেচো।

    মা হাঁসফাঁস করতে করতে চলে গেল।

    ব্যস সুহৃৎ ব্যানার্জির মনোযোগ ছেলে থেকে স্ত্রীর দিকে ঘুরে গেল।—এ হে হে, এটা তো আমার মনে হয়নি। ডাক্তারের কাছেও নিয়ে যাওয়া হয়নি। থাইরয়েডটা—এহে হে…বাবার প্রবল বিবেক দংশন হচ্ছে দেখে পাবলো বলে, ডাক্তার না হলেও হাফ—ডাক্তার দেখেছেন।

    হাফ ডাক্তার? বাবার চোখ গোল হয়ে যায়—হাফ ডক্টারস আর ভেরি ভেরি ডেঞ্জারাস পাবুল।

    না বাবা। ওই মধুবনের জিম মাস্টার। তাঁর সঙ্গে তো মায়ের খুব ভাব। বিকেলবেলা হাঁটতে তো উনিই মাকে পাঠিয়েছেন। উনিই বলেছেন ডায়েট মানতে হবে।

    তা তোর মা কি মানছে না?

    পাবলো কাঁধ নাচাল—আমি কী করে বলব। সারাদিন থাকি? একা বাড়ি। কোথাও কেউ নেই। মা কী করছে না করছে, আইসক্রিম খাচ্ছে না রসগোল্লা খাচ্ছে কে দেখতে যাচ্ছে!

    তা তুই থাকিস না—ই বা কেন? বাবা মাছভাজা খেতে খেতে নিষ্পাপ চোখে জিজ্ঞেস করে।

    বোঝো। একটা আঠারো বছরের ছেলে। সে নাকি মা আইসক্রিম খাচ্ছে কি না নজরদারি করবার জন্যে বাড়ি বসে থাকবে। পারেও বটে এরা।

    তুমি থাকো না কেন?

    আমি? সুহৃৎবাবুর মাছভাজা খাওয়া বন্ধ হয়ে গেল।—আমি? হো হো হো! না ভাল বলেছিস পাবুল। আমি, অ্যাঁ?

    কতক্ষণ বাবার এই ‘আমি আমি’ বিস্ময় চলবে কে জানে তাই পাবলো বলল—আমার কলেজ নেই? কোচিং নেই? খেলা নেই?

    বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডার কথাটা কেয়ারফুলি বাদ দিয়ে গেলি, কেমন?—বাবা চশমার ফাঁক দিয়ে তার দিকে তাকাল।

    ওটা হল অকুপেশন্যাল হ্যাজার্ড। থাকবেই বাবা।

    কী বললি? কী হ্যাজার্ড? অকুপেশন্যাল? বলি তোর অকুপেশনটা কী?

    স্টুডেন্ট। পড়াশোনা, কলেজ করা—ছবি আঁকা, গান—নাচ, তালিম, সব জায়গায় গোছা গোছা বন্ধু। ও তুমি আটকাতে পারবে না, আমিও পারব না। উঠি বাবা, অনেক কাজ হ্যাঁ?

    না না, উঠিস না। হাত ধুয়ে এসে টেলিফোন বুকটা দে, আমার সেলফোনটা টেবিলে আছে এনে দে। এইখানে আমার পাশটিতে দাঁড়িয়ে অরূপ ল্যাবে ফোন কর।

    অগত্যা পাবলোকে তাই করতে হয়।

    ফোন করে নিয়ে পাবলো বলে—বাবা, জিজ্ঞেস করছে কী টেস্ট?

    থাইরয়েড।

    থাইরয়েডের কী জিজ্ঞেস করছে।

    ওই সব টি এইট এস, টি এইচ ওয়ান টু থ্রি যা আছে সব।

    বাবা, ডক্টরের নামটা চাইছে ওরা।

    বাবা বললেন,—ডক্টর সুহৃৎ ব্যানার্জি বল।

    নির্বিকার মুখে নামটা বলে ফোন অফ করে দিয়ে পাবলো বললে, বাবা, তোমার বিরুদ্ধে এবার কিন্তু কেস হবে।

    কেন? আমি কি ডক্টর নই!

    তুমি ডক্টর অফ সায়েন্স, ওরা মেডিক্যাল ডক্টর চাইছে।

    সে তো বটেই। কিন্তু আমার হল কাজটা চটপট হয়ে যাওয়া নিয়ে কথা, এবং মিথ্যে না বলা নিয়ে কথা—বলে বাবা ‘যশো যশো ইটস ডান, তোমার স্বামী তোমার থাইরয়েড টেস্টের ব্যবস্থা করে দিয়েছে, আর রাগঝাল করে থেকো না। একটু খাওয়া—দাওয়া করো।’—বলতে বলতে চলে গেল।

    এই বলছে খায় কি না নজর রাখিস। আবার এই বলছে একটু খাওয়া—দাওয়া করো—এই মা—বাবা জাতীয় লোকগুলোকে পাবলো আজও বুঝে উঠতে পারল না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরাধানগর – বাণী বসু
    Next Article মেয়েলি আড্ডার হালচাল – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }