Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ১

    অধ্যায় ১

    সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তিন ধরণের মানুষ দেখা যায়। এক পক্ষ স্রোতের সাথে গা ভাসিয়ে চলে, আরেকপক্ষ চলে স্রোতের বিপরীতে এবং তিন নম্বর শ্রেণি হলো তারা, যারা একরকম গাছপাথর। স্রোত যেদিকেই যাক, তাদের অবস্থানের কোনো পরিবর্তন আশা করা অবান্তর। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাধ্যক্ষকে অনায়াসে তৃতীয় কাতারে দাঁড় করিয়ে দেওয়া যায়। এগুলো মুহিবের বিভাগীয় বন্ধু শামীম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকারে প্রথম সপ্তাহেই শিখিয়ে পড়িয়ে দিয়েছে। শামীমের বড় ভাই ওদের আট বছরের সিনিয়র, এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই পাশ করেছেন। এখন যুক্তরাষ্ট্রের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা করেন। ভদ্রলোক নিদারুণ এক পিএইচডি, অথচ ভাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কটা বন্ধুত্বের। স্বভাবতই অভ্যন্তরীণ বিষয়ে শামীমের জ্ঞান বেশি। মুহিব ওকে একরকম বিনা দ্বিধায় গুরু মেনে নিয়েছে।

    “এক ধরণের খরগোশ দেখবি শিকারীর অবস্থান বুঝে ফেলে সহজে।” শামীম বলেছিলো ওকে, “দুই পা আগায়, তারপর নাকটাকে বাতাসের দিকে তাক করে রাখে এরা। গন্ধ বুঝে পরের দুই পা ফেলে। পিউর খাটাশ!”

    খরগোশ কিভাবে খাটাশ হয় তা মুহিবের জানা ছিল না। সেই তর্কে না গিয়ে জানতে চেয়েছিলো, “তারমানে আমরা পরিস্থিতির গন্ধ নেবো এবং পা ফেলবো?”

    “অবশ্যই। তাহলে দেখবি র‍্যাগও খাবি না, ঝামেলাতেও পড়বি না। ক্যাম্পাসে পলিটিকস খুব। ঝামেলায় পড়লে পার্টি করতেই হবে তোকে।”

    “ঝামেলায় পড়ে যদি পার্টি না করি?”

    শুষ্ক হাসলো শামীম, “মার খেয়ে ছাতু হয়ে যাবি। লাথি মেরে হল থেকে বের করে দেবে তোকে। ভাইয়া জানে এসব, নিজ চোখে দেখেছে।”

    হিসাব মেলেনি অবশ্য মুহিবের, “হলে তো উঠতেই পারিনি আমরা এখনও। বের করবে কি করে?”

    “সারাজীবন তো আর মেসে থাকবি না। হলে সিট খালি হলে উঠতে তো হবেই তোকে। গ্যাঞ্জাম করলে সিটই পাবি না হলে। কোটি কোটি টাকা খরচ করে আর কয়দিন মেসে থাকবি?”

    “তা অবশ্য ঠিক।” সেশনজট এবং রাজনৈতিক সিট দখলের ঐতিহ্য চালু থাকার কারণে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো ছাত্রই আড়াই বছরের আগে হলে সিট পায় না। এসব মুহিবের জানা হয়ে গেছে আগেই। মূল প্রসঙ্গে ফিরে গিয়েছিলো সে, “কিন্তু বাতাস থেকে গন্ধ নেওয়ার সাথে আমাদের ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের গাছ-পাথর হওয়ার সম্পর্ক কি?”

    “শস-স-স!” ঠোঁটের কাছে আঙুল তুলে চারপাশটা দেখে নিলো শামীম, গলা নামিয়েছে, “ক্যাম্পাসের মধ্যে বসে ভিসিকে নিয়ে এভাবে সরাসরি কথা বলবি না কখনও। ঝামেলায় পড়ে যাবি। আর ঝামেলায় পড়লে-”

    “পার্টি করতেই হবে আমাকে।” মুখস্ত হয়ে গেছে মুহিবের।

    “কারেক্ট!” ঘোষণার সুরে বলেছিলো শামীম, “তো, যেটা বলছিলাম। ওই লোকের গাছপাথর হওয়ার সাথে আমাদের সব ধরণের কার্যক্রমেরই সম্পর্ক আছে। একটা উদাহরণ দেই, বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানকে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব দেওয়া আর প্রাক্তন অধিনায়ক খালেদ মাহমুদকে সেই দায়িত্ব দেওয়া কি এক জিনিস?”

    “না।”

    “পার্থক্যটা আমাকে বল্!” রীতিমতো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছিলো শামীম।

    খানিক ভাবতে হয়েছিলো ওকে, “খালেদ মাহমুদ ভদ্রলোক এই দায়িত্ব পেলে সবকিছু বাই দ্য বুক চালানোর চেষ্টা করবেন। সাকিব আল হাসান হয়তো তেমনটা করবেন না।”

    “কাছাকাছি গেছিস। আসল কথা হলো, ভিসির দায়িত্বে যে-ই আসুন না কেন, তিনি চেষ্টা করবেন ব্যকরণ মেনে বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর। কিন্তু ভিসি নিজেই যদি গোঁড়া অনুসারী হয়ে থাকেন–

    “কিসের গোঁড়া অনুসারী?”

    “পূর্বসূরিদের, অবশ্যই। ভিসি যদি নিজেই পূর্বসূরি উপাধ্যক্ষদের চোখ বন্ধ করে অনুসরণ করার মানসিকতা রাখেন, তাহলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ একরকম থাকবে। আর তিনি নতুনকে গ্রহণ করার মতো উদারতা দেখাতে পারলে ক্যাম্পাসের পরিবেশ থাকবে আরেক রকম। পাশের বিশ্ববিদ্যালয়টিকেই দ্যাখ, কি দারুণ প্রগতিশীল ওরা, মুক্তচিন্তার প্রসার ঘটেছে সেখানে। আর আমাদের ক্যাম্পাসের দিকে তাকা। প্রতিবার ভিসি শব্দটা উচ্চারণ করার সময় ফিসফাস করা লাগছে।”

    মুহিব সেদিন কিছু না বুঝেই মাথা দুলিয়েছিলো। সাকিব আল হাসান আর খালেদ মাহমুদ তো দুইজন ক্রিকেটার। ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির আলাপে তাদের রূপক বানানো কেন? শামীমটা যে কি বাজে বকতে পারে!

    দেড় মাস কাটানোর আগেই চোখ ফুটেছিলো ওর। অবাক হয়ে লক্ষ্য করেছিলো ওদের ক্যাম্পাসটা আর কোনো সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো নয়। মুক্তচিন্তার চর্চার জন্য বাংলাদেশের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনাম সারাদেশে থাকলেও এই একটি ক্যাম্পাস ব্যতিক্রম।

    ঘটনাগুলো আস্তে আস্তে চোখে পড়লো মুহিবের। ওদের ব্যাচেরই এক বন্ধু এইচএসসিতে পাওয়া বৃত্তির টাকা তোলার সময় কর্মচারি ঘুষ চেয়ে বসলো। সেই ঘুষের টাকা দিতে অস্বীকার করলো ছেলেটা, ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তর থেকে উপাধ্যক্ষের কক্ষে কয়েকবার ঘুরপাক পর্যন্ত খেলো। লিখিত অভিযোগ করলো, মৌখিকটাও করতে কসুর করলো না। কিন্তু ওর এই ছটফটে অভিযান শেষ হলো নিজের ক্যাম্পাসের সিনিয়র সকল-কাজের-কাজি ভাইয়ের মহার্ঘ বাণীতে, “এইরকম কেস চল্লিশ বছর আগের থেকে হইতাছে। তুমি মিয়া নিজেরে কি ভাবতেছো আমি জানি না ভাই। নতুন আইসাই এলাকার নাক নকশা পাল্টায়া দিবা? বাব্বা!”

    উপাধ্যক্ষের অতি জরুরি কাগজপত্রের মধ্যে একজন শিক্ষা শাখার দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ হারিয়ে গেলো। ছাত্রকল্যাণ অধিদপ্তর ছাত্রদের নানারকম কল্যাণ, যেমন আইডি কার্ড সরবরাহ, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ক্রিকেট দল প্রস্তুতকরণ, আইডি কার্ড হারানোর পর জিডিসহ অন্যান্য ফটোকপি গ্রহণ ইত্যাদিতে ব্যস্ত থাকার কারণে কোন এক সাধারণ মামুলি ছাত্র প্রশাসনের কর্মচারির হাতে দুর্নীতিমূলক কর্মকাণ্ডের শিকার হলো তাতে মনোযোগ দিতে পারলো না।

    শিক্ষকরা সোজাসাপ্টা বলে দিলেন, এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর কথা তাদের নয়। অর্থাৎ চাকরিতে যোগ দেওয়ার সময় ছাত্রদের অন্যায়ের শিকার হতে দেখলে পাশে দাঁড়ানোর কথা তো ওয়ার্কলিস্টের কোথাও লিখিত ছিল না। কেন করবেন তাঁরা? কথাটায় যুক্তি আছে প্রচণ্ডরকম, এর ওপর আর কথা চলে না।

    হতাশায় ডুবে থাকা বন্ধুটির একটি কথা মুহিবের কানে আজীবন লেগে থাকবে, “ভার্সিটি আমাদেরকে নিজেদের লোক বলে স্বীকারই করে না, দোস্ত। যে যার আখের গুছাতে ব্যস্ত এখানে।”

    কেউ কেউ “সবখানেই এমনটা হয়। বুঝো না তোমরা, ভাবো এখানেই হচ্ছে এসব। কোন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসব নেই?” ধরণের সবজান্তা বাণী প্রচার করে বিষয়টা কিছুদিনের মধ্যেই থিতিয়ে আনলো। এরপরই মুহিব লক্ষ্য করলো ‘সবখানে হয় না’ এমন কিছু অসঙ্গতি।

    ওদের সেকশনের ইলোরা মেয়েটা যথেষ্ট আধুনিকা। সিটি কলেজের ছাত্রি, মুহিবের মতোই সরাসরি মফস্বল প্রবাসি। সাইক্লিং দারুণ করে, বাস্কেটবলও খেলে চমৎকার। ক্রিকেটেও ভালো। অথচ, সবার প্রথম ধাক্কাটা এলো এই মানুষটার ওপরই। লেডিস হল একটিই এখানে, সেটাও কায়দা করে মূল ক্যাম্পাস থেকে এতো দূরে বানানো হয়েছে যেন মেয়েরা এই দূরত্ব পাড়ি দিতে দিতেই চিকনী চামেলি হয়ে যায়। মেয়েদের মোটা হওয়া তো কোনো কাজের কথা না, সেজন্যই হয়তো ক্যাম্পাস গেট থেকে বরাবর এক কিলোমিটার দূরে মেয়েদের এই হল। ছোটো ক্যাম্পাস, টিচার্স কোয়ার্টার, ছেলেদের হল, কোনোটাই এক কিলোমিটার দূরে না হলেও মেয়েদের হল তেমন এক দূরত্বেই স্থাপিত। মেদ কমানো থিওরির জন্মটা ওখানেই। মাঝ থেকে রিকশাভাড়া দিতে দিতে ফতুর নারীকূল।

    এতো দীর্ঘ দূরত্ব পাড়ি দেওয়ার জন্য রিকশাভাড়া ঢালার মতো অযৌক্তিক কাজ ইলোরার মতো সাইক্লিস্ট কখনোই করবে না। সে তার সাইকেল নিয়ে নিয়মিত ক্লাসে আসতো, যেতো। তরুণ লেকচারার থেকে বুড়ো প্রফেসর পর্যন্ত চোখ কুঁচকে ইলোরার টাইট জিন্স, টিশার্টের সঙ্গে সাইকেলে ভ্রমণকে লক্ষ্য করতেন। বোমাটা ফাটলো ক্লাসরুমে।

    মুহিবসহ ষাটজন উনিশ বছর বয়সের টিনএজার চোখ বড় বড় করে সেদিন শুনলো একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের আপত্তি।”বাঙালি মেয়ে এবং তাদের আচার-আচরণের সীমা–১০১” নামক কোনো কোর্স ওদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠে ছিল না। তবে সেদিন তারা ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসরের সঙ্গে এমন একটি ক্লাস করতে বাধ্য হলো। মেয়েদের কোন ধরণের জামাকাপড় পরে আসা উচিত না, কোন ধরণের কাজ করা উচিত না তা ওরা আগে তেমন জানতো না। ওই ক্লাসে এ ব্যাপারে শিখতে পারলো বেশ। শিখতে পারলো, ভদ্র ঘরের মেয়েদের আবার ক্রিকেট খেলার বাতিক কি? ক্রিকেট খেলবে পড়াশোনা না জানা মানুষ। সরকারি ভার্সিটিতে চান্স পাওয়া হবু ইঞ্জিনিয়ার মেয়ে ক্রিকেট খেলবে কেন?

    স্যার বেরিয়ে যাওয়ার পর মুহিব আরও ভয়ানক অবাক হলো সহপাঠিদের মধ্যে এই অসভ্য শিক্ষকের বর্বর বক্তব্যকে সমর্থনের বহর দেখে। কি আশ্চর্য! যার যার নিজস্ব মতামত থাকতেই পারে। কিন্তু সেটা কি একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে এসে আলোচনা করার জায়গা?

    ইলোরার চোখে পানি এসে গেছিলো এরকম ছোটোলোকি দেখে। করুণ একটু হেসে শুধু বলেছিলো, “দারুণ এক ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাস করলাম আমরা, যা হোক।”

    এই ঘটনার পর মুহিব প্রথম জানতে পারলো মেয়েদের হল সন্ধ্যা ছয়টার সময় বন্ধ করে দেওয়া হয়। খোলা হয় একেবারে ভোর ছ’টায়। মুরগির খামারের মতো।

    ইলোরাকে অবাক হয়ে প্রশ্ন করেছিলো শামীম, “তোদের বারো ঘণ্টা তালাবন্দি করে রাখে?

    কাঁধ ঝাঁকিয়েছিলো ইলোরা, “রাখেই তো।”

    “রাত দশটায় হল বন্ধ করলেও একটা যৌক্তিক কাজ হতো। সন্ধ্যা ছয়টা! কিভাবে থাকবি চার বছর?”

    “আমাদের আগে চল্লিশ বছর ধরে থাকছে না মেয়েরা?” বাঁকা হাসি হেসে বলেছিলো ইলোরা। এই ক্যাম্পাসে ভুল ত্রুটি শুধরানোর কোনো উপায় নেই। প্রতিটা কথার শেষ কথা ওই একটা লাইন।

    তোমাদের আগে চল্লিশ বছর ধরে হচ্ছে এরকম!

    মেয়েদের মুরগির খোপের মতো বারো ঘণ্টা বন্দি করে রাখার পেছনের কারণটা ধরতে পেরে মুহিব স্রেফ বোকা বনে গিয়েছিলো। প্রশাসন নাকি মেয়েদের নিরাপত্তার জন্য এমনটা করে থাকে। এটা ঠিক, শিক্ষক ও স্টাফদের বখে যাওয়া ছেলেরাও ক্যাম্পাসের মধ্যে থাকে, টিচার্স কোয়ার্টারে তাদেরই বসবাস। সুযোগ পেলে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রিদের টিজও করে বটে। বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলের এক মেয়ের ওরনা ধরে স্টাফের গুণধর পুত্রের টানাহ্যাঁচরার রসালো খবর তো আর কারও অজানা নয়। এই শিক্ষক ও স্টাফদের বীর্যফসল এই সকল বীরপুরুষদের ঠেকিয়ে রাখা তো দূরহ কাজই বটে। সেজন্য আইনের প্রয়োগের দরকার কি? মেয়েদের সন্ধ্যা থেকে বন্দি করে রাখলেই চলে। মশার ভয়ে মশারিতে ঢোকার উদাহরণ দিয়েও একজন বর্ষীয়ান শিক্ষক ক্যাম্পাসে হাসির পাত্র হয়েছেন।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে অন্যায়গুলো কেমন করে শেকড় গজিয়েছে তা বুঝতে এক সেমিস্টারও প্রয়োজন পড়লো না ওদের। ক্যাম্পাসের ভেতরেই ছুরিবিদ্ধ হলো সিভিলের আসাদ। দুষ্কৃতকারীরা তার মোবাইল মানিব্যাগ নিয়ে চম্পট। এই ঘটনাটির জন্য সরাসরি প্রশাসনের গাফলতিকে দায়ি করে ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিক্রেট গ্রুপে পোস্ট লিখলো আসাদের রুমমেট জাহিদ। নিরাপত্তা ব্যবস্থার এমন হেলাফেলার পেছনে স্টাফদের সন্তানদের অপরাধে জড়িয়ে থাকার ব্যাপারটা সবারই চোখে আটকাচ্ছে, রীতিমতো ওপেন সিক্রেটটাই কেউ মুখ ফুটে বলার সাহস করতো না। সাহস দেখিয়েই ফেঁসে গেলো জাহিদ ছেলেটা।

    “সিনিয়র ভাই’রা ক্যাম্পাসের ভেতরে নিজেদের হলে ডেকে আনলো ছেলেটাকে। তারপর ঘণ্টা কয়েক ধরে ওকে খুব ভালোমতো বুঝিয়ে দেওয়া হলো, নাক টিপলে যাদের দুধ বের হয়ে যায়, তাদের মুখে বেশি কথা মানায় না। বন্ধুকে ছুরি মারা হয়েছে, তাতে কি এমন হয়েছে? গত চল্লিশ বছর ধরে এমনটাই চলে আসছে। অতীতে যখন ছুরি মারা হয়েছে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রিরা হাসিমুখে, যাকে বলে বুক চিতিয়ে ছুরি খেয়েছে। এটা নিয়ে হই হট্টগোলের এমন কি আছে এটাই তো স্পষ্ট না। তাছাড়া, স্টাফদের ছেলেরা একটু বীরবীর্য হয়েই থাকে। বিশেষ করে চল্লিশ বছর ধরে যে স্টাফগুলো এখানে কর্মরত, তাদের ছেলেরা তো এই ক্যাম্পাসেই বড় হয়েছে। তাই না? স্থানীয় ছেলেরাই তো তাদের বন্ধু। তোমরা এসেছো চার বছরের জন্য, চার বছর পর চলে যাবে। স্থানীয়দের সাথে ঝামেলার কি আছে? বীরবীর্য এই ছেলেগুলো যদি সুন্দরিদের ওরনা ধরে একটু টানই দেয়, তোমাদের চার বছরের অতিথিদের কাউকে একটা দুটো ছুরি বসিয়েই দেয়, এতো হাঙ্গামার কি আছে? বিদেশি বোতল কেনার জন্য টাকার প্রয়োজন তো হয়, মুফতে কেউ দেয় কি ও জিনিস? এসব নিয়ে এতো হট্টগোলের কি প্রয়োজন ছিল কোনো? ফেসবুকে এসব নিয়ে লেখার দরকারটা কি? এই মুহূর্তে ওই নোংরা পোস্টটা ডিলেট করে দিলেই পারো।

    জাহিদ ফুঁসতে ফুঁসতে বেরিয়ে এসেছিলো ওখান থেকে। হাসপাতালে ছিল মুহিবরা, ছুরিবিদ্ধ আসাদকে সঙ্গ দিচ্ছিলো। পুরো ঘটনা ওদের খুলে বলতেই শামীম শব্দ করে হাসলো, “আরে ‘০৫ ব্যাচের এক শিক্ষক তোর পোস্ট দেখে ক্ষেপে গেছে। লোকাল ছোকরা। নিজে তো টিচার, কিছু বলতে পারে নাই, জুনিয়রদের দিয়ে বলাইলো আরকি। পোস্ট ডিলিট করেছিস?”

    রাগে কথাই বলতে পারলো না জাহিদ। মাথা নড়িয়ে কেবল নিশ্চিত করলো ব্যাপারটা।

    মুহিব মনে করার চেষ্টা করলো, আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্ধু ছুরিকাহত হওয়ার পর ছাত্রছাত্রিরা পথে নামা দূরে থাকুক, ফেসবুকে প্রতিবাদও করতে পারে না। আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে মেয়েরা টাইট জিন্স পরলে সেটা ক্লাস লেকচারের প্রসঙ্গ হয়ে যায়। আর কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন জড়িয়ে থাকা অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বললে ব্যক্তিগত আক্রমণ করা হয়। কিন্তু এমন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশে দেখতে পেলো না সে।

    একদম প্রথম সপ্তাহে শামীম কিভাবে চল্লিশ বছর পুরোনো মানসিকতার একজন উপাধ্যক্ষকে এমন পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ার জন্য দায়ি করেছিলো মনে পড়ে ওর। কিন্তু জানে, এ বিষয়ে আলোচনার কোনো জায়গা নেই।

    কারণ, এখানে যা তারা দেখছে, সবকিছুই চল্লিশ বছর ধরে এভাবেই হয়ে আসছে! আগামি চল্লিশ বছর ধরেও এমনটা হোক, তাই চাইছে সবাই। পরিবর্তন, নতুন কিছু করা এখানে ভয়াবহ অশ্লীল এক শব্দ!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }