Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ২৭

    অধ্যায় ২৭

    শুন্য রাস্তায় দু-হাত তুলে আড়মোড়া ভাঙলো শামীম। উদগত হাইটা চেপে রাখতে পরিশ্রম করতে হলো তাকে। ঘাড় ঘুরিয়ে সামান্য পেছনে তাকিয়ে বন্ধুকে দেখলো, মোবাইলে কি যেন টাইপ করতে করতে সিগারেট টানছে মুহিব। শামীমকে ঘুরে তাকাতে দেখে সামান্য হাসলো। গতি বাড়িয়ে তাকে ধরে ফেললো কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে।

    “ইলোরাকে জানিয়ে রাখলাম আমরা কোথায় আছি।” সিগারেটটা বন্ধুর হাতে তুলে দিলো সে, “জায়গাটা আমার কাছে খুব একটা সুবিধের মনে হচ্ছে না।”

    হলদে আলো চারপাশে, তার মধ্যে নিঃসঙ্গ পতাকার মতো দুলছে এক হলুদ ব্যানার।”সুন্দর ও দ্রুত হাতের লেখা, ছবি আঁকা” লেখা একটা বড় হলুদ ব্যানার। রাস্তাঘাটে একটা মানুষও নেই, অথচ রাত খুব বেশি হয়েছে এমন না। সাড়ে বারোটা বাজে। ঢাকা শহরের জন্য এটা তেমন কোনো রাতই নয়। বড় একটা মিষ্টির দোকান কাছেই, তবে বন্ধ। প্রায় সবগুলো দোকানই বন্ধ এদিকে। দূরে একটা মুদির দোকান খোলা দেখা যাচ্ছে। ঢাকার সবখানে যেখানে প্রাণচাঞ্চল্য,পূর্ব নয়াপাড়ায় এমন নিস্তব্ধতা থাকবে কেন?

    “তুই শিওর শামসভাইয়ের বোন এখানে দেখা করতে বলেছিলো?”

    মাথা দোলালো মুহিব, “শতভাগ।”

    “বয়স কেমন মেয়েটার?”

    কাঁধ ঝাঁকালো মুহিব, “আমাদের ব্যাচের

    “এই বয়সী একটা মেয়ে এতো রাতে এমন নির্জন একটা জায়গায় দেখা করতে চেয়েছে? তুই কি ওর সাথে কথা বলেছিস ফোনে? নাকি টেক্সট পেয়ে চলে এসেছিস?”

    সঙ্গির প্রশ্নবাণে কিছুটা বিরক্ত দেখায় মুহিবকে, “আমাকে কি তোর বলদ মনে হয়? কথা হয়েছে। এটা কোনো ফাঁদ না।”

    ওরা আজ সারাদিন যমুনা ফিউচার পার্কে ক্যাম্পেইন করেছে। টাকা ভালোই উঠেছে। একদিনে তিন লাখ তুলে ফেলেছে ওদের বিশ জনের স্বেচ্ছাসেবী দলটা। কর্তৃপক্ষ ওদের একদিনের জন্য ফান্ড রেইজিং পারমিশন দিয়েছিলো, সুযোগটার ব্যবহার তারা সর্বোচ্চভাবে করার চেষ্টা করেছে। রোজ রোজ কাগজের ঠোঙা নিয়ে যমুনা ফিউচার পার্কের চারপাশে এবং ভেতরে ঘোরাফেরা করার অনুমতি মিলবে না। সঙ্গত কারণেই প্রবল ক্লান্তিতে ভেঙে পড়তে চাইছে শরীর। তবে শরীরের নিষেধ না মেনে ওরা এই রাতে এখানে, বিছানায় নয়।

    মুহিবের ফোনে আলো জ্বলে উঠলো। একটা ইনকামিং কল। একবার ডিসপ্লে দেখে কলটা রিসিভ করলো ও, “হ্যালো।”

    “ডানে তাকান।” শিয়ার পরিচিত কণ্ঠটা কানে এলো স্পষ্টভাবে।

    সেদিকে তাকাতেই মেয়েটিকে দেখতে পেলো ওরা। ডানদিকে চলে গেছে একটা সরু গলি। তার মাঝামাঝি কটকটে হলুদ ফতুয়া পরে দাঁড়িয়ে আছে এক নারী অবয়ব। শুন্য রাস্তা, একাকি নারীর ছায়া সব মিলিয়ে কেমন যেন অতিপ্রাকৃত এক আবহ তৈরি করেছে দৃশ্যটি। শামীমের মেরুদণ্ড শিরশির করে উঠলো। মুহিবের অবশ্য কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই, সঙ্গিকে পেছনে ফেলেই এগিয়ে যাচ্ছে সে। অগত্যা লম্বা পায়ে বন্ধুর পাশে চলে এলো শামীমও

    “কাজের কথায় আসি।” ওরা পৌঁছে যেতে যান্ত্রিক কণ্ঠে বলল শিয়া, “আপনাদের তথ্য অনুসারে আমার ভাইকে খুন করেছে যে তার নাম রেদোয়ান, সরকারি ছাত্রদলের পদ অধিষ্ঠিত নেতা। ঠিক কি না?”

    “ঠিক।” নিষ্কম্প কণ্ঠে বলল মুহিব।

    “আপনি কতোভাগ নিশ্চিত?”

    এক সেকেন্ড ভাবলো মুহিব, শেষ মুহূর্তের সিদ্ধান্ত যেন। এ নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই অবশ্য ভেবেছে সে, তবুও দ্বিধাবোধ হলো। সামান্য ঝাঁকালো কাঁধ, যেন পুরোনো কোনো ক্ষতের আড়ষ্টতা কাটিয়ে উঠতে চাইছে।

    “আমি ওখানে ছিলাম।” নিচু গলায় অবশেষে স্বীকার করলো সে, “শামসভাইকে ওরা যখন মেরে ফেললো, আমি ওখানেই ছিলাম। ব্যাপারটা আমি নিজের চোখে ঘটতে দেখেছি।”

    শিয়ার মুখের অভিব্যক্তির পরিবর্তন হলো দেখার মতো। শক্ত কঠিন মুখটা থেকে প্রথমেই সরে গেলো বিশ্বাসের যতো ছাপ। যেন এই মুহূর্তে পৃথিবীর ওপর থেকে বিশ্বাস হারিয়েছে মেয়েটি। পরক্ষণেই জ্বলে উঠলো চোখ, নতুন আগুনে। এই আগুন ক্রোধের।

    ছিটকে সামনে এসে মুহিবের কলার চেপে ধরলো শিয়া, “হোয়াট?”

    তাল হারিয়ে পড়ে যাচ্ছিলো মুহিব, বন্ধুকে সাহায্য করার জন্য চট করে সামনে এগিয়ে এলো শামীম। পরমুহূর্তে যা ঘটলো তা প্রত্যক্ষ করার জন্য ওদের দু’জনের কেউ প্রস্তুত ছিল না।

    মুহিবের কলার ধরে রেখেই বাম পায়ে ভর দিয়ে দাঁড়ালো শিয়া। সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যে বৃত্তাকারে ঘুরিয়ে দিয়েছে ডান পায়ের হিল। নিখুঁত এক বৃত্তচাপ এঁকে শক্ত নর্থসাইড ফ্রস্টি স্নো বুটটা দড়াম করে আছড়ে পড়লো শামীমের বুকে।

    শামীমের প্রথম অনুভূতিটা হলো বায়ুশুন্যতার। এক মুহূর্ত আগেই জীবন ধারণের জন্য অতি প্রয়োজনীয় যে বস্তুটার উপস্থিতি সে টের পায়নি, এই মুহূর্তে তার অভাব প্রচণ্ডভাবে বোধ করতে শুরু করেছে ফুসফুস। সামান্য কিছুক্ষণ পর আসল ব্যাপারটা বুঝতে পারলো সে। আঘাতের প্রচণ্ডতায় ফুসফুস থেকে বেরিয়ে গেছে প্রতিটি কণা বাতাস। তবে উপলব্ধিটা সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই পিঠের কাছে তীক্ষ্ণ এক যন্ত্রণায় চোখে অন্ধকার দেখলো সে। আর কিছু বোঝার আগে লক্ষ্য করলো রাস্তা উঠে এসে ওর হাতের সাথে লেপ্টে গেছে। এতোক্ষণ পর এলো ব্যথাটা। পাজরের কাছ থেকে সুতীক্ষ্ণ এক ব্যথার অনুভূতি যেন সটান উঠে গেলো মস্তিষ্কের দিকে।

    মুহিব কেবল দেখলো শিয়ার ভয়ানক লাথিতে শামীমের শরীরটা খেলনা পুতুলের মতো ছিটকে পেছনের বিল্ডিংয়ের দেওয়ালে পিঠের ওপর ভর দিয়ে বাড়ি খেলো, তারপর ছুঁড়ে মারা কলার খোসার মতোই ধপ করে আছড়ে পড়লো সে রাস্তায়। এর পর নিজেকে শুন্যে আবিষ্কার করলো সে। ভাতৃহত্যার শিকার মেয়েটি দু-হাতে তার কলার ধরে একরকম ছুঁড়ে মেরেছে তাকে! আর কিছু ভাবার সময় হলো না, নিজেকেও শামীমের মতো রাস্তায় আবিষ্কার করলো সে। চোখের সামনে পরিস্কার দেখতে পেলো হেঁটে চলা পিঁপড়েদের একটা লাইন আস্ত মানুষের পতনের সঙ্গে এলোমেলো হয়ে গেছে। ছোটাছুটি করে তারা লাইনে ফিরে আসার চেষ্টা করছে।

    মুখ তোলার চেষ্টা করার সঙ্গে সঙ্গে মাথার তালুতে ধাতব কিছুর স্পর্ষ টের পেলো সে। ঝুঁকিটা নিয়ে ওপরে তাকালো মুহিব।

    শ্যামা সুন্দরি মেয়েটির নাকের ফুটো দুটো চোখে পড়ার মতো ফুলে উঠেছে। শরীরের সবটুকু শক্তি খাটিয়ে শ্বাস নিচ্ছে সে। দুই দুইজন যুবককে মার্শাল আর্টের সাহায্যে শুইয়ে ফেলার ক্লান্তিতে, না প্রবল ক্রোধে? হাতের দিকে চোখ পড়তে মুহিব উত্তরটা পেয়ে গেলো, পরিশ্রম এর পেছনে দায়ি নয়। নাক বোঁচা কুৎসিত চেহারার এক রিভলভারটা সরাসরি ওর কপালে চেপে বসেছে। শিয়ার আঙুলগুলো শক্ত হচ্ছে ট্রিগারের ওপর।

    চোখ বন্ধ করে ফেললো মুহিব। আশ্চর্যের বিষয়, জীবনের শেষ মুহূর্তে স্মৃতিগুলো সব চোখের সামনে ভেসে উঠলো না তার। পাঁপড়ি নেমে আসতে চোখে পড়লো কেবল সেই চিরায়ত অন্ধকার, যে কোনো সময় চোখ বন্ধ করলে যেমনটা দেখা যায়।

    শুধুই অন্ধকার।

    *

    রেলক্রসিং ধরে একটু ভেতরে রেললাইনের ওপর বসে আছে ওরা দু’জন। শামীম পাঁজরের ওপর ধরে আছে আইসিক্রিমের একটা বাটি। মুহিব এখনও কপাল ডলছে। ওখানেই শক্ত করে চেপে বসেছিলো রিভলভারের নল।

    ওদের সামনে লাইন থেকে সামান্য নিচে এক পায়ের ওপর ভর দিয়ে অন্য পা একশ মিটার স্প্রিন্টের প্রস্তুতির মতো করে সামনে বাড়িয়ে রাখা মেয়েটির দিকেই বিস্মিত দৃষ্টি। টাইট জিন্স আর নর্থসাইড বুটে সুগঠিত পাজোড়া এই অন্ধকারেও ফুটে উঠেছে অন্যরকম আকর্ষণ নিয়ে। রিভলভারটা এখন দেখা যাচ্ছে না। কোথাও লুকিয়ে ফেলেছে হয়তো, মেয়েদের লুকানোর অনেক জায়গা থাকে।

    “এখন আমরা কি করবো?” দীর্ঘ নীরবতাটা ভাঙলো মুহিব।

    “খানকির পোলারে খুন করে ফেলবো!” চিবিয়ে চিবিয়ে বলল শিয়া, “আমি আগেও আপনাকে বলেছিলাম, কারা কাজটা করেছে তা জানতে পারলে আমাকে সঙ্গে সঙ্গে জানাবেন। আমার আদালতের জন্য বসে থাকার ইচ্ছে নেই। নাকি ঐ মোটা মাথাটা দিয়ে এতোটুকু বুঝতে পারেননি?”

    মুহিব এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারলো না। এখনও ওর মোটা মাথাটা ঝিম ঝিম করছে। সেদিন এই মেয়েকে ফোন করে রেদোয়ানের নাম বলে দেওয়া কতোটা যুক্তিপূর্ণ কাজ হয়েছে তা ভেবে দেখলো। একদমই যুক্তিসঙ্গত হয়নি।

    “কাজটা ওরা কেন করেছে? আমার ভাই কি ক্ষতি করেছিলো তাদের?” এবার শামীমের দিকে তাকিয়ে প্রশ্নটা করলো মেয়েটা।

    মাথা নাড়লো শামীম। কথা বলার ইচ্ছে থাকলেও শক্তি পাচ্ছে না। বুক চিনচিন করছে। পাঁজড়ের একটা হাড়ে হলেও চিড় ধরেছে হয়তো। এরকম আঘাতের পর চিড় ধরার অধিকার পাঁজরের হাড় রাখে।

    “আমরা জানি না এখনও।” শামীমের মাথা নড়ানোর অনুবাদ ভাষায় করলো মুহিব।

    “ফাক ইউ!” ধমকে উঠলো শিয়া, “বালটা ছিঁড়েছো এতোদিন ওখানে বসে? একটা মার্ডারের উইটনেস হয়েছো, সেইটার পেছনের কারণটাও বের করতে পারো নাই!”

    “আমরা চেষ্টা করছি…”

    “বালটা করছো!” আরেকবার ধমকে উঠলো শিয়া।

    মাথা নিচু করে স্বল্পপরিচিত মেয়েটির গালাগাল হজম করলো মুহিব।”কারণটা আমাকে জানা লাগবে।” ক্লান্ত ভঙ্গিতে ওদের পাশে রেল লাইনের পাশে বসে পড়তে পড়তে বলল শিয়া, “আমাকে জানতেই হবে।”

    এবার মাথা দোলালো শামীম। সম্মতিসূচক ইঙ্গিত। তার দিকে ফিরেও তাকালো না মেয়েটা। মুহিব কপালের ঘাম মুছলো কেবল।

    “আমি আপনাদের ইউনিভার্সিটিতে আসছি। এই সপ্তাহেই আসছি।” শিয়ার গলা এখন অনেকটাই নরোম। তুমি থেকে আপনিতে উঠে এসেছে সম্বোধন। সম্ভবত প্রত্যক্ষদর্শী হওয়ার কারণে একটা হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে না পারার যৌক্তিকতাটা তার মগজে এতোক্ষণে ঢুকেছে।

    “আপনি কষ্ট করে আসবেন তার দরকার পড়বে না। আমরা কারণটা বের করবো।” থেমে থেমে উচ্চারণ করে শামীম বলল।

    “আমার কি দরকার আর কি দরকার না তা নিয়ে জ্ঞান দেবেন না। এরকম লোক আমার খুব অপছন্দের। আপনাদের ক্যাম্পাসে যাওয়াটা আমার খুবই দরকার। আমার ভাইয়ের সাথে কি ঘটেছে তার তলা খুঁড়ে আমি বের করে আনবো। এই কাজ আমি এক মাসের মধ্যেই করে দেখাবো।”

    শিয়ার কথার প্রতিবাদ করার সাহস উপস্থিত শ্রোতামণ্ডলীর মধ্যে কারোই ছিল না।

    “যে নাম্বারে ফোন করে ঐ কথাটা বলতে বলেছিলেন সেটাই কি রেদোয়ানের নাম্বার? “

    মাথা নিচু করেই উত্তর দিলো মুহিব, “না, তার বন্ধু তোফায়েলের, রেদোয়ান যে কাজটার সাথে জড়িত তা সে জানে।”

    “গুড। রেদোয়ানের নাম্বারটা সেভ করা আছে? থাকলে এখনই দেবেন।” মোবাইল বের করলো মেয়েটা

    আইসক্রিমের বাটি নামিয়ে রেখে নিজের ফোন অন করে নাম্বারটা বলল শামীম।

    “গ্রেট। ঐ কথাটার অর্থ কি ছিল?”

    মুহিব চোখ তুলে তাকাতে পারছে না, “রেদোয়ান ওটা বলেছিলো ক্রাইম সিনে।”

    অবিশ্বাসের দৃষ্টি নিয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকলো শিয়া, “আর আপনি আমাকে সেই বাক্যটা বলতে বাধ্য করেছেন?”

    ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়ালো মুহিব। একটু হেঁটে গিয়ে শিয়ার মুখোমুখি থামলো।

    “আপনার জন্য কাজটা কঠিন হবে আমি জানি। কিন্তু সত্যটা বের করতে হলে আপনার সহযোগিতা আমাদের দরকার। আপনিও জানেন সত্যটা জানা আপনার ব্যক্তিগত কারণে কতোটা প্রয়োজন। এই কাজে আমরা বেশি মানুষ নিয়ে নামতে পারবো না। পুরো ব্যাপারটা জানে কেবল চারজন মানুষ।”

    “আরেকজন কে?”

    “আমাদের এক বান্ধবি।”

    “তাকে দিয়েও আপনারা ফোন করাতে পারতেন। আপনাদের আইডেন্টিটি ফাঁস হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকতো না। আমাকে কেন ব্যবহার করলেন?”

    “প্রথমত, আমার মনে হয়েছে আপনি আমাদের কাজটার সঙ্গে জড়িয়ে থাকতে চাইবেন। আপনাকে ছাড়াই যদি আমরা সবটা করে ফেলি, মানসিক শান্তি পাবেন না। তাই আপনার জন্য সুইটেবল কাজগুলো আপনাকেই করতে দেবো।”

    মুখ বাঁকালো, “হাল্কা পাতলা কাজগুলো, তাই তো? যেমন একজন মাদারচোতকে ফোন করে একটা বাক্য উচ্চারণ করে ফোন রেখে দেওয়া। যাকগে, প্রথমত দিয়ে কারণ ব্যাখ্যা যখন করেছেন, দ্বিতীয়ত কি?”

    “দ্বিতীয়ত,” ঢোক গিললো মুহিব, “আমাদের বান্ধবি খুনির বন্ধু তোফায়েলের গার্লফ্রেন্ড। তার গলা সে অবশ্যই চিনে ফেলবে।”

    মুহিবের পায়ে লাথি মারতে গিয়েও নিজেকে সংবরণ করলো শিয়া, “ইউ ফাকস! তোমাদের সাথে তোফায়েলের সম্পর্ক দেখি খুবই কাছের। আমার সাথে তোমরা দেখা করতে আসো কোন সাহসে!”

    আইসক্রিমের বাটিটা ফেলে দিয়ে বন্ধুর পাশে দাঁড়ালো শামীমও, “কারণ, আমরা চাইছি এখন তোফায়েলের কাছে ঘেঁষতে। ইলোরা খুব বেশি জানে না। তোফায়েলের জড়িত থাকার ব্যাপারটা তাকে আমরা একেবারেই জানতে দেইনি। কারণ, হারামজাদার সাথে আমাদের যোগাযোগের একটা চ্যানেল থাকলে পরে কাজে আসতে পারে। সেই চ্যানেল হলো আমাদের বান্ধবি। একটু থেমে যোগ করলো সে, “আপনি কি বুঝতে পারছেন, শামসভাইয়ের কেসটা আমরা কতোটা গুরুত্ব দিয়ে দেখছি? আমাদের প্রিয় একজন মানুষকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করছি এখানে আমরা।”

    “এক মুহূর্ত ওদের দুইজনের দিকেই তাকিয়ে থাকলো শিয়া। তারপর লাইন ছেড়ে উঠে দাঁড়ালো সে-ও। রাস্তার দিকে হেঁটে চললো কোনো কথা না বলে। বোকার মতো তার পেছন পেছন হাঁটতে হলো দুই বন্ধুকে।

    রাস্তায় উঠে এসে একবার থামলো সে, বুকে হাত বেঁধে ওদের দিকে ফিরলো।

    “আমরা এখন বিদায় নেবো। কয়েকদিনের মধ্যেই আপনাকে আমি ফোন দিচ্ছি।” মুহিবকে উদ্দেশ্য করে বলল শিয়া, “আপনাদের শহরে যাচ্ছি আমি 1 তার আগ পর্যন্ত, ফোন কলের দরকার পড়লে জানাবেন।”

    “আমাদের আরও কিছু বিষয় নিয়ে কথা বলা দরকার ছিল।” তাড়াতাড়ি বলল শামীম, “হারামজাদাদের আমরা ব্ল্যাকমেইল করতে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে একটা নিশ্ছিদ্র প্ল্যানের দরকার আছে। আমরা বসতাম, তবে ভাবলাম আপনাকে নিয়ে বসাটা উচিত। সেজন্যই মূলতঃ আজকে দেখা করার সময় আমাকে নিয়ে এসেছে মুহিব।”

    বাঁ হাতের মাঝের আঙুলটা তুলে ওদের দেখিয়ে দিলো শিয়া, “আপনাদের খেলাধূলোর মাঝে আমি নেই। কি বালছালের পরিকল্পনা করতে চান তা নিজেরা সারুন। আমি যখন আসবো তখন আপনাদের ড্রাইভিং সিট থেকে নামিয়ে দেবো। আমার নিজস্ব কিছু পরিকল্পনা আছে। আমার মনে হয় না ব্ল্যাকমেইলের টোপ ফেলে আপনারা কিছু উদ্ধার করতে পারবেন। ওসব বাদ দিন।”

    এই মুহূর্তে নৈরাশ্যবাদীর এক মূর্তমান প্রতিমা যেন মৃত শামসের ছোটোবোন। শামীম কিছু একটা বলতে চাইছিলো, তবে তাকে চোখের ইশারায় নিষেধ করে দিলো মুহিব। আজকে একদিনের জন্য যথেষ্ট ধাক্কা দেওয়া হয়েছে মেয়েটাকে। এ নিয়ে পরে কথা বললে ভালো কিছু আসতে পারে, তবে এখন গুঁতোগুঁতি করলে ক্ষতি ছাড়া লাভের সম্ভাবনা কম

    শিয়া এরই মধ্যে উল্টোদিকে হাঁটতে শুরু করেছে। একটা হ্যান্ডশেক নয়, বিদায় সম্ভাষণ নয়। ওদের ওপর প্রচণ্ড রেগে আছে মেয়েটি, খুব সম্ভব। ফেরার সময় চুপচাপ হাঁটলো ওরাও। মাঝে মাঝে বুক ডলছে শামীম।

    মেইন রোডে উঠে মুহিব বলল, “এবার মনে পড়েছে। পূর্ব নয়াপাড়া রেল ক্রসিং।”

    “সেখানে কি?” বিভ্রান্ত হয়ে গেলো শামীম।

    “আমরা ওখানেই ছিলাম একটু আগে। ওদিকটা রাতে বেশ চুপচাপ হয়ে যায়। হন্টেড মিথ আছে ঐ রেলক্রসিং নিয়ে। রাতে নাকি কোন অশরীরি নারীমূর্তি দেখা যায় সেখানে।”

    “থাক। আর নারীমূর্তি দেখে কাজ নাই।” গোমড়া মুখে বলল শামীম পাঁজর ডলছে এখনও। হেসে ফেললো মুহিব।

    “মেয়েটাকে জাজ করিস না। আমি যদি শুনতাম আমার ভাইকে জবাই করার সময় কাছেই কেউ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছিলো, ওকে বাঁচানোর কোনো চেষ্টা করছিলো না, তাকে হয়তো মেরেই ফেলতাম। এধরণের তথ্য হজম করা খুব কঠিন হওয়া স্বাভাবিক। আমি বা আমরা অনুভব করতে পারবো না রে। আমাদের তো কেউ খুন হয়ে যায়নি।”

    “শামসভাই আমাদের ক্যাম্পাসেরই বড়ভাই।” মনে করিয়ে দিলো শামীম

    “কিন্তু পরিবারের কেউ তো না।”

    মুহিব কি বোঝাতে চেয়েছে তা ধরতে পারলো শামীম, “তা ঠিক।“

    বন্ধুর একটা হাত নিজের কাঁধের ওপর তুলে নিলো মুহিব, “আমার ওপর ভর চাপিয়ে দে খানিকটা। তোর পাঁজর মনে হয় ফেটেছে। কালকে এক্সরে করতে হবে।”

    অন্য সময়ের মতো প্রতিবাদ করলো না শামীম। ব্যথায় এখনও চোখে অন্ধকার দেখছে সে। বিড়বিড় করে বলল, “যাই বলিস না কেন, লাথিটা বেড়ে কষেছে। কপাল খারাপ যে এখানে ভিক্টিম আমি নিজেই। দর্শনীয় এক লাথি ছিল মনে হলো।”

    এক মুহূর্ত পর শুন্য রাস্তা কাঁপিয়ে হাহা করে হেসে উঠলো ওরা দুইজনই। সিটি কর্পোরেশনের এক মহিলা রাস্তা ঝাড়ু দিচ্ছিলো। ওদের হাসির শব্দে বিরক্ত হলো খুব। মাতাল ভেবেই ঘাঁটালো না খুব সম্ভব।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }