Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ২৮

    অধ্যায় ২৮

    ক্যাম্পাসে ফিরে মুহিব লক্ষ্য করলো চারপাশে একটা থমথমে ভাব বিশ্ববিদ্যালয়গুলো একটা শরীরের মতো। মেইন গেইট থেকে কয়েক পা এগিয়ে গেলেই যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ছাত্র বুঝতে পারে প্রতিষ্ঠানটির শরীর এখন কেমন। আবহাওয়ার পূর্বাভাস কি। যখন আনন্দের কোনো খবর থাকে, তখনও গেট থেকে কয়েক পা ঢুকে পড়লেই সেটা শরীর দিয়ে অনুভব করা যায়। চাপমুক্ত একটা পরিবেশ, যে কোনো নিয়মিত বাসিন্দাই অনুভব করতে পারবেন। তেমন থমথমে পরিবেশটাও ষষ্ঠ ইন্দ্ৰীয় ধরে নেয় খুব দ্রুত। গ্যাঞ্জামের কয়েক ঘণ্টা আগ থেকেই নিয়মিত ছাত্ররা জানে আজকে একটা কিছু হবে।

    অ্যাড বিল্ডিংয়ের কাছে ইন্দ্রের সঙ্গে দেখা হয়ে গেলো। এই ছেলেটা স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের কাছে তাদের গর্ব, তবে শিক্ষকরা দ্বিমত প্রকাশ করবেন। এই বয়সেই নিজের পোষা রোবট বানিয়ে ফেলেছে ইন্দ্ৰ। ভর্তি হওয়ার পর পর স্টেট ইউনিভার্সিটির বিশাল খেলার মাঠে তাকে কোয়াড কপ্টার ওড়ানোর চেষ্টা করতে দেখেছিলো মুহিব, সেই থেকে ইন্দ্রের সাথে পরিচয়। রাতদিন সে নতুন কিছু বানানোয় ব্যস্ত থাকে। যেন আরেকজন টমাস আলভা এডিসন।

    “উঠলো কেমন?” কাছে এসে জানতে চাইলো ইন্দ্র, “যমুনা ফিউচার আর বসুন্ধরায় না গেলি?”

    “সাড়ে চার লাখ।” হাতে হাত মেলালো মুহিব, “খুব একটা খারাপ না। মোট কালেকশন ত্রিশ লাখের কাছে চলে এসেছে। আর মাত্র ষাট লাখ। হয়ে যাবে আশা করি।”

    মাথা দোলালো ইন্দ্ৰ, ওরা দু’জনই জানে ষাট লাখ ‘দেখতে দেখতে’ উঠে যাওয়ার মতো পরিমাণ না। চুপচাপ হাঁটলো কিছুক্ষণ। কয়েকবার আড়চোখে তাকালো মুহিবের দিকে, যেন একটা কিছু বলতে চাইছে কিন্তু বলতে পারছে না।

    “কি? কিছু বলবি?” অবশেষে নিজেই প্রশ্ন করলো মুহিব।

    “গত মাসের রবোটিক্স কম্পিটিশনটার কথা মনে আছে? গ্রিন ব্রেইন?” মাথা দোলালো মুহিব। বেশ বড় একটা কম্পিটিশন ছিল ওটা। প্রথম পুরষ্কার ছিল এক লাখ টাকার। ইন্দ্র অবশ্য প্রথম হতে পারেনি। প্রথম পুরষ্কারটি পেয়েছেন ‘০৯-এর সাদলি ভাই। তবে দ্বিতীয় হয়েছিলো সে, দ্বিতীয় পুরষ্কার পঞ্চাশ হাজার টাকার। ইন্দ্রর ব্যাপারটা মুহিবের মনে আছে, কারণ সেদিন ফলাফল ঘোষণার পর ওরা সবাই তাকে চেপে ধরেছিলো ‘ট্রিট’ দেওয়া জন্য।

    “মনে থাকবে না কেন? তুই তো ব্যাটা কম্পিটিশন কুপিয়েই লাখপতি।”

    “গতকাল আমাদের টাকাটা দেওয়ার কথা ছিল। আমরা গেলাম। সাদলি ভাইকে ধরায় দিলো পাঁচ হাজার টাকা। আমার খামে ছিল আড়াই হাজার।”

    রাস্তাতেই দাঁড়িয়ে গেলো মুহিব, “কি?”

    “ঠিকই শুনছিস। লাখপতি হওয়া সম্ভব হয়নি।”

    “কোন হারামজাদা মেরে দিয়েছে তোদের টাকা?”

    “শুনলাম নানা ভাগ বাটোয়ারা আছে। পলিটিকাল কিছু গেছে। স্যারদের পকেটেও গেছে শুনলাম। কথা হলো এইখানে এক লাখ টাকা জিতলে তুই পাবি পাঁচ হাজার। আর বাকিটা পাবে অন্যরা। আমি ভেবেছিলাম অন্তত রোবটের পার্টসগুলোর দাম উঠে আসবে, প্লাস একটা জার্ভিস বানানোর ইচ্ছে ছিল। পুরষ্কারের টাকা দিয়ে তো আমি আর শার্ট কিনতাম না। নেক্সট প্রজেক্টে ঢালতাম।”

    “হোগাচোদারা।” মুহিব খুব ঠাণ্ডা মাথায় খুব অশ্লীল একটা গালি দিলো।”তবে এবার ভেবেছিলাম ধারদেনা শোধ করার পর দশ পনেরো হাজার টাকা থেকে যাবে, ওটা লিটুর জন্য দিয়ে দেবো। মাদারচোতগুলার জন্য হলো আর কই। তুই এইটা রাখ।”

    তড়িঘড়ি করে একটা খাম ধরিয়ে দিয়ে দ্রুত চলে গেলো ইন্দ্র। খামটার বাইরে গ্রিন ব্রেইনের সিল দেওয়া। ভেতরে থাকার কথা ছিল একটা চেক। খামের ভেতর তো আর পঞ্চাশ হাজার টাকা রাখা যায় না। খামটা খুলে দেখলো মুহিব, ভেতরে পাঁচটা পাঁচশ’ টাকার নোট। ইন্দ্র তার প্রাইজমানির পুরোটাই লিটুর চিকিৎসার জন্য দিয়ে দিয়েছে। একজন সদ্য টিনএজ পেরুনো ছেলে মনে কতোটা আঘাত পেলে খাম থেকে প্রাইজমানি একবারও বের না করে দান করে দিতে পারে?

    খামটা ব্যাকপকেটে রেখে পেছনের গেটের দিকে রওনা দিলো মুহিব। এভাবে পেছনের গেট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার দিন প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। অচিরেই হলে সিট পাবে ওরা, এমন একটা গুঞ্জন শোনা যায়। ০৮ এর ভাইরা বিদায় নিয়ে চলে গেছে কয়েক মাস হয়ে গেলো। এখন সময় নতুনদের হলে উঠিয়ে নেওয়ার। তবে এর আগে অতি অবশ্যই রাজনীতির সাথে জড়িত থাকা ছেলেদের হলে সিট দেওয়া হবে, ফেলটু আর জুনিয়ররাও স্রেফ রাজনীতি

    করার কারণে হলে সিট পেয়ে যাবে। এসব নিয়ম হলগুলোতে খুব ঘটা করে মেনে চলে সংগঠনগুলো। হলের ম্যানপাওয়ার যেন ঠিক থাকে। বিরোধীদলের ছাত্র সংগঠন শোডাউন করতে এলে যেন ‘যোদ্ধা’র অভাব না হয়।

    আজিজ মামার দোকান থেকে একটা সিগারেট কিনলো মুহিব। লিটুর অসুস্থতার পর সিগারেট খাওয়াটা কমে গেছে। এখন আর খরচ করতেই ইচ্ছে করে না। নব্বই লাখ টাকার চিন্তা মাথার ভেতর জাঁকিয়ে বসেছে একেবারে শামস হত্যা নিয়েও বেশি ভাবতে ভালো লাগে না আর। লিটুটা যদি সুস্থ হয়ে ফিরে আসতো তাড়াতাড়ি! সে সম্ভাবনা অবশ্য কম। লিটু এখন তার নিজের মাকে দেখলেও চিনতে পারে না। একেবারেই কোমায়, ক্লিনিকালি ডেড। আইসিইউ থেকে বের করলে চব্বিশ ঘণ্টাও বাঁচবে না ডাক্তাররা এ বিষয়ে নিঃসংশয়। তাছাড়া ভাইরাসটা মস্তিষ্কে সংক্রমণ করেছে, অনেকগুলো স্নায়ু বিকল হয়ে গেছে বলেই ডাক্তারদের আশঙ্কা।

    পেছনের গেট দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরও থমথমে ভাবটা চলে গেলো না। এদিকে প্রায় ডজনখানেক মেস আছে, সবগুলোতেই সিংহভাগ ভাড়াটে স্টেট ইউনিভার্সিটির ছাত্র। ক্যাম্পাসে থম ধরে গেলে তার ছোঁয়া অবধারিতভাবে শহরের এই অংশে এসেও লাগে। থমথমে পথে হাঁটতে হাঁটতে ইন্দ্রর সঙ্গে আলাপচারিতার কিছু অংশ নিয়ে ভাবলো মুহিব।

    ইন্দ্র বাংলাদেশের একজন সম্ভাবনাময় তরুণ আবিষ্কারক। রাজা আর বানরের গল্পটা সবাই জানে। রাজা বানরকে আদর করলেও একটা করে বেতের বাড়ি দিতেন। সভাসদরা জানতে চেয়েছিলেন বানরকে আদর করলে বেত দিয়ে মারার দরকার কি? কাজেই রাজা তাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য বেত মারা বন্ধ করেছিলেন। ফলাফল প্রথম দিন বানর রাজার পায়ে, দ্বিতীয় দিন কোলে, তৃতীয় দিন লাফিয়ে একেবারে মাথায় চড়ে বসলো।

    স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষক সম্প্রদায় ইন্দ্রকে ঘৃণা করেন। তার পক্ষে কথা বলেছে এমন যে কোনো শিক্ষার্থিকে ভুগতে হয়েছে। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্ভাবনাময় তরুণ ইনভেনটরকে তার শিক্ষকরা ঘৃণা করবেন কেন? সব বানরকে আদরের পাশাপাশি বেত মারতে হয় না। কিছু বানরকে মাথায় চড়তে দিতে হয়, তারা তা করার যোগ্য। ইন্দ্র তেমন একজন বানর। অথচ এই ছেলেটির প্রাইজ মানি পর্যন্ত চুরি হয়ে যাচ্ছে। প্রতিভারা উৎসাহ উদ্দীপনা না পেলে এই কাজে লেগে থাকবে কেন? পৃষ্ঠপোষকতার বদলে যা উপার্জন করে নিচ্ছে তাও হয়ে যাচ্ছে চুরি।

    মুহিব একটা ব্যাপার নিশ্চিতভাবে জানে, শিক্ষকদের বিরুদ্ধে একটা আন্দোলনে যদি সাধারণ ছাত্ররা নামে তো শিক্ষক সম্প্রদায় একবিন্দু সহানুভূতি পাবে না। শিক্ষকদের ছোটো ছোটো শত ঘটনার মিলে বিন্দু বিন্দু হয়েছে মহাসমুদ্র। ব্যক্তিগত প্রতিহিংসাবশতঃ অ্যাকাডেমিক ফলাফল নির্ধারণ, নিরাপত্তার অভাবে দুর্বৃত্ত ছিনতাইকারী দ্বারা আহত হওয়া ছাত্রদের ‘পরিস্থিতির শিকার’ ঘোষণা, সেমিস্টার ফাইনালের খাতা দেখায় স্বচ্ছতার অভাব, ছাত্রদের প্রাপ্তবয়স্কের মর্যাদা না দেওয়া, তাদের অযথাই ভোগানোর চেষ্টা করা, উচ্চ সিজিপিএ না থাকা ছাত্রদের অবহেলা-অপমান করা, এখানে ওখানে বেফাঁশ মন্তব্য করে ফেলাসহ শিক্ষকদের ওপর ছাত্রদের ক্ষেপে থাকার শ’য়ে শ’য়ে কারণ আগেই ছিল। ইন্দ্রদের টাকাটা শিক্ষকরা মেরে দিয়েছে এমন একটা খবর খুব দ্রুতই সবার কানে কানে পৌছে যাবে। আরও একটা কারণ যোগ হবে তাদের ঘৃণা করার

    ছাত্ররা তাদের ঘৃণা করবেই না কেন? ইন্দ্রর টাকা শিক্ষকদের কেউ চুরি করেছেন নাকি অন্য কেউ তা তো নিশ্চিত করে জানার উপায় নেই। শিক্ষকরা জবাবদিহিতা করবেন না যে! পরীক্ষার খাতায় স্বচ্ছতা যদি বজায় রাখা হয়েও থাকে, তা তো নিশ্চিত করে জানার উপায় নেই। যেহেতু এ বিষয়ক কোনো চ্যালেঞ্জ ছোঁড়া নিষিদ্ধ। কেউ যদি চ্যালেঞ্জ করেও বসে, একই কারণে এর নিষ্পত্তি হবে না। শিক্ষকরা জবাবদিহিতা করবেন না। শিক্ষকরা যেহেতু শিক্ষাগত যোগ্যতায় একজন আন্ডারগ্র্যাড স্টুডেন্ট থেকে ‘ওঁচা, তারা নিম্নশ্রেণির কারও সামনে জবাবদিহিতা করতে চান না। অথচ পরীক্ষার খাতা ঐ আন্ডারগ্র্যাড স্টুডেন্টের, ভবিষ্যতটাও তার। যেমনভাবে প্রাইজমানির টাকাটা ইন্দ্রর। এখানে জবাবদিহিতা না থাকা মানেই দুর্নীতির পথ খোলা। আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মানেই তো আকাশ থেকে নেমে আসা ফেরেশতা নন। জবাবদিহিতা যেহেতু নেই, স্বচ্ছতার সুযোগ নেই, ঘৃণা ছাড়া আর কোনো পথও ছাত্রদের জন্য শিক্ষক সম্প্রদায় খোলা রাখেননি।

    নিজের মেসের সামনে এসে বড় এক জটলা দেখতে পেলো মুহিব। জাহিদ আর আসাদকে জটলার হোতা মনে হলো। আসাদ জটলায় নেতৃত্ব দিতেই পারে। ছুরি খেয়ে সেলেব্রিটি হওয়ার কারণে তার গ্রহণযোগ্যতা আছে, একটা ফেস ভ্যালু আছে। কাজেই সরাসরি তার কাছে গিয়ে জানতে চাইলো, “কি হচ্ছে রে আজ?”

    ওকে শক্ত আলিঙ্গন করে স্বাগত জানালো আসাদ, “আরে মিয়া, তুমি চইলা আসছো? আমি তো ভাবলাম ঢাকায় ক্যাম্পেইন করতাছো। লিটুর কি অবস্থা?”

    লিটুকে আইসিইউ-য়ে গিয়ে দেখে এসেছিলো মুহিব। শীতাতপ নিয়ন্ত্ৰিত একটা ঘরে অসহায়ের মতো শুয়ে থাকা একজন মানুষ। চারপাশে অসংখ্য নাম না জানা যন্ত্রপাতি। শ্বাস প্রশ্বাসটাও চলছে যন্ত্রের সাহায্যে। মুহিবের মনে হয়েছিলো এই দেখাই তার সাথে শেষ দেখা। ব্যাঙ্গালোরের নারায়ণ হেলথ সেন্টারে তাকে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এর অর্থ খরচ আরও বাড়বে, তবে দিনশেষে লিটুর সুস্থ হয়ে ফিরে আসার সম্ভাবনাও বৃদ্ধি পাবে। আসাদকে এতোকিছু বলল না মুহিব। পাল্টা আলিঙ্গন করে কেবল বলল, “অবস্থা আগের মতোই। ভালো খবর যে আর অবনতি হয়নি।”

    লিটুর অসুখের পর থেকে এই মিথ্যেগুলো খুব ভালোমতো আয়ত্ব করেছে ওরা।”কোনো উন্নতি নেই” বলা যাবে না, বলতে হবে “আর অবনতি হয়নি”। সবার ভেতরে আশা জিইয়ে রাখতে হবে। চেষ্টা করে যেতে হবে। নিরাশ হয়ে কেউ যেন লিটুর পাশ থেকে সরে না যায়।

    “তাও ভালো।” মুহিবের কাঁধে বার দুয়েক চাপড় দিয়ে বলল আসাদ, “আমরা এখন যাচ্ছি অবস্থান নিতে। পয়ত্রিশ ক্রেডিট সিস্টেমের নামে যে বাল-ছাল আমাদের ওপর চাপায় দিতেছে প্রশাসন, সেইটার একটা গতি না করে নড়ছি না।”

    বিষয়টা এবার স্পষ্ট হলো মুহিবের কাছে। এজন্য এতো আয়োজন? এজন্যই থমথমে পরিবেশ ক্যাম্পাসজুড়ে? তাই হবে। পয়ত্রিশ ক্রেডিট সিস্টেমটা শিক্ষক সমাজের নিয়ন্ত্রণলিপ্সায় নতুন সংযোজন। যদিও তারা সকাল সন্ধ্যা বলে যাচ্ছেন, “এটা আমরা ছাত্রদের ভালোর জন্য করছি!” তবে রাজনীতিবিদ আর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকের মুখের কথার ফুটো পয়সা দামও নেই দেশের এই প্রান্তে। সাধারণ ছাত্ররা মনে করে এই নতুন সিস্টেম চাপিয়ে দেওয়ার কারণ ছাত্রদের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা। তাদের ধারণা ভুল-এমনটা প্রমাণ করার মতো শক্ত যুক্তি শিক্ষকরা দিতে পারেননি।

    এতোদিন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যারি অন সিস্টেম ছিল। কেউ যদি একটা সেমিস্টার একেবারেই ক্লাস না করতো, সে পরের সেমিস্টারে ভর্তি হয়ে এগিয়ে যেতে পারতো। পরবর্তিতে ব্যাকলগ পরীক্ষা দিয়ে ঐ আগের সেমিস্টারের পরীক্ষাগুলোয় পাশ করার একটা সুযোগ দেওয়া হতো। এতে করে একজন ছাত্রকে ঠিক ঠিক সবগুলো বিষয়ই পড়তে হচ্ছে এবং পাশ করতে হচ্ছে। কোথাও কোনো কারচুপির ব্যাপার নেই। এটা ঠিক, যারা সেমিস্টার ফাইনাল একটা দিলো না সেইসব ছাত্রদের অনেক বেশি চাপ নিতে হচ্ছে। ছয় মাসে দশটার জায়গায় তেরোটা কোর্স পড়তে হচ্ছে, পাশ করতে হচ্ছে। তবে ছাত্রদের এই চাপ নেওয়াতে কোনো আপত্তি ছিল না।

    নতুন পয়ত্রিশ ক্রেডিট সিস্টেম অনুসারে, কেউ যদি এক শিক্ষাবর্ষে চল্লিশের মধ্যে পয়ত্রিশ ক্রেডিট উত্তীর্ণ হতে না পারে, তাকে এক বছর ডিমোশন দেওয়া হবে। স্কুলের মতো অনেকটা। ক্লাস নাইনের ফাইনালে ফেল করলে আবারও ক্লাস নাইনে ভর্তি হও। অর্থাৎ ছাত্রটির জীবন থেকে এক বছর নষ্ট করে দেওয়া হবে। কে অসুস্থ হওয়ার কারণে একটা পরীক্ষায় ফেল করলো বা অনুপস্থিত থাকলো তা প্রশাসনের দেখার বিষয় থাকছে না। তুমি পরীক্ষা দিতে আসোনি, বেশ তো, এক বছর পিছিয়ে গেলে। জুনিয়রদের সঙ্গে নতুন বছরে ভর্তি হয়ে যাও! আর ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা যে সব শিক্ষক চরিতার্থ করেন, তাদের তো পোয়াবারো। ক্রিকেটার জাফরভাইদের সময় এই নিয়ম চালু থাকলে উনি আজও ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্র হিসেবে পড়াশোনা করতেন, পাশ আর করা লাগতো না। এই কর্তৃত্ব শিক্ষকদের হাতে তুলে দেওয়ার ঘোর বিরোধী অনেকেই। এর প্রতিবাদেই লিটুরা আন্দোলন করতে চেয়েছিলো। যে রাতে লিটু অসুস্থ হয়ে পড়লো, এই আন্দোলন নিয়েই উত্তেজিত হয়ে আলোচনা করছিলো সে।

    আজ লিটু ক্যাম্পাসে নেই, তবে তার লিগেসি চলছে। জটলার দিকে তাকিয়ে মুহিব লক্ষ্য করলো সবার মুখেচোখে অদ্ভুত এক রঙ লেগে আছে। এ অন্য রকম এক দৃঢ়তা। এখানে দাঁড়িয়ে থাকা অনেক ছেলেরই পরিবারের অবস্থা ভালো না। চালচুলো নেই। অনেকের বাবা চাষাভূষো মানুষ। অনেকে এরই মধ্যে সংসারের হাল ধরেছে। লিটুর মতোই তাদের মুখে সব সময় লেগে থাকে সংশয়। তবে এই এক ইস্যু নিয়ে তারা একসাথে দাঁড়িয়েছে। তাদের চেহারায় সংকল্পবদ্ধতা। নিজেদের অধিকার আদায়ের সময় বাঙালি ছাত্রের চিরায়ত রূপ। অথবা, যখন বাঙালি ছাত্ররা মনে করে তারা ন্যায়ের পথে লড়ছে, তখন তাদের মুখে এই রঙটা ছড়িয়ে যায়।

    “মুহিব, সামনে থাকিস আমাদের সাথে।” জাহিদ পেছন থেকে ওর পিঠ চাপড়ে দিলো।

    মাথা নাড়লো মুহিব, “একেবারে ভচকে গেছি, দোস্ত। তোরা শুরুটা কর, পর জয়েন করবো। আমার ছয় ঘণ্টা না ঘুমালে চলছে না।”

    লিটুর ক্যাম্পেইনে শামীম-মুহিবের ছোটাছুটির কথা সবাই জানে। আপত্তি তোলার কেউ ছিল না। জাহিদ হাত মিলিয়ে মিছিলের সামনের দিকে চলে গেলো। ফাঁকে ফোকড়ে অনিক, শাওনকে দেখা যাচ্ছে সবাইকে সঙ্ঘবদ্ধ করে লাইন ফর্ম করছে। ভালোই ছোটাছুটি যাচ্ছে তাদের।

    মাথা গরম এক ছাত্র হঠাৎ হুঙ্কার দিয়ে উঠলো, “জ্বালো জ্বালো…”

    অতিউৎসাহী আর কয়েকজন গলা মেলালো, “… আগুন জ্বালো!”

    ইউআরপি’র শাফাকাত তার টি-শার্ট খুলে ফেলেছে। টিশার্টের সামনে বড় বড় অক্ষরে লিখা “মাদারফাকার”। শাফাকাত কড়িৎকর্মা ছেলে। মেসের সামনে ট্রাকের গ্যারেজ, সেখান থেকে চটপট এক ক্যান গ্যাসোলিন যোগাড় করে ফেললো সে। খানিক বাদেই দেখা গেলো আধডজন মশাল জ্বালিয়ে ফেলা হয়েছে। রণহুঙ্কারে কেঁপে উঠছে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা।

    অজান্তেই ঠোঁটের ফাঁকে মুচকি হাসির একটা রেখা ফুটে উঠলো মুহিবের এখানে দু’শ ছাত্রকে দেখা যাচ্ছে। ক্যাম্পাসে ঢুকতে ঢুকতে এই মিছিল হবে ছয়শ জনের। ভাইস চ্যান্সেলরের অফিস ঘেরাও করার সময় সেখানে থাকবে অন্তত দেড় হাজার মানুষ। চল্লিশ বছর ধরে শিশুতোষ কমন সেন্স দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় চালিয়ে গেলে একদিন তো পাল্টা ধাক্কা লাগবেই। লাগুক, তা নিয়ে মুহিবের কোনো আপত্তি নেই। হাতে কাজ না থাকলে এদের সঙ্গে জুটে যেতো সে নিজেও। কাছের একটা ছেলের হাত থেকে লিফলেট নিয়ে পুরোটা পড়লো।

    নয় নম্বর কর্মসূচিতে আছে “ক্লাস বর্জন”। মাথা দোলালো মুহিব, ওই পর্যন্ত তাদের আন্দোলন যাবেও। এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কখনও নিঃশর্তভাবে ছাত্রদের দাবি মানেনি। যদি পরীক্ষা পেছানোর অ্যাপ্লিকেশন গ্রহণ করেছে, তো পরের পরীক্ষা জেদ দেখিয়ে ফেলেছে চার মাস পর। শিক্ষকদের আবার জেদ! একদিন বন্ধ বাড়িয়ে দেওয়ার অ্যাপ্লিকেশনে সাক্ষর করেছে, তো পরের এক সামার ভ্যাকেশন পনেরোদিনের বন্ধসহ গায়েব করে দিয়েছে। এমন প্রতিশোধপরায়ণ প্রশাসন সহজে মাথা নত করতে যাচ্ছে না। অর্থাৎ ক্লাস বর্জন হবেই।

    ক্লাস এখন দুই চার সপ্তাহ না হলেই সবার জন্য মঙ্গল। একটু সরে এসে ফোন বের করলো ও। শিয়ার নম্বরে ডায়াল করছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }