Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ২৯

    অধ্যায় ২৯

    আননোন নাম্বারটা দেখেই তোফায়েল বুঝতে পারলো অতোটা অচেনাও নয় এই কনট্যাক্ট নাম্বার। মেরুদণ্ডে শিরশিরে অনুভূতি হলো ওর, এই নাম্বার থেকেই ফোন এসেছিলো সেদিন। টেবিলের অপর প্রান্তে ইলোরার সুন্দর মুখটা আগ্রহের সাথে কিছু একটা বলে যাচ্ছে। এরকম একটা পরিবেশ থেকে তোফায়েলের মনোযোগ অন্য কোনোদিকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা কারও ছিল না, শুধু এই ফোনকলটাই সব গড়বড় করে দিলো।

    “এক সেকেন্ড, বেবি।” হাত তুলে বলল তোফায়েল, “এই ফোনটা আমাকে ধরতে হবে। হাই কমান্ড।”

    মেকি হাসিটা মুখে ঝুলিয়ে ইলোরার সামনে থেকে সরে এলো সে। রেস্তোঁরার বাইরের বের হয়ে রিসিভ করলো ইনকামিং কলটা। এখান থেকে নদীর চমৎকার ভিউ পাওয়া যায়। রিভারভিউ নামটি একেবারেই যুতসই হয়েছে।

    প্রত্যাশিত নারীকণ্ঠটি ফোনের অপর প্রান্ত থেকে বলল, “ দেরি করতেছোস ক্যান, র‍্যাড? কুইক, ম্যান।”

    প্রথমদিনের মতো চমকে গেলো না তোফায়েল। আজকে সে সম্পুর্ণ প্রস্তুত। রেলিংয়ে একটা হাত রেখে দূরের নিঃসঙ্গ নৌকার দিকে তাকিয়ে জানতে চাইলো, “আমি সোজা সাপ্টা কথার মানুষ। প্যাঁচ খেলানো আমার পছন্দ না। সরাসরি জানতে চাইবো, ঠিক কি চাইছেন আপনি আমার থেকে?”

    খিলখিলে নারীকণ্ঠের হাসির শব্দ ভেসে এলো এবার। মেয়েটার বয়স খুব বেশি না। উনিশ থেকে পঁচিশের মধ্যে যে কোনো একটা হতে পারে। গলা শুনে এই বয়সের মেয়েদের একটা বছরে আটকে ফেলা যায় না।

    “আমি চাই তুই রেদোয়ানের স্মৃতির কুঠুরিতে একটা দোলা দে।” নারীকণ্ঠটা অট্টহাসিতে ফেটে পড়লো এবার। যেন কোনো কবিতার লাইন ভেঙ্গিয়েছে কেবল, খুব মজার কিছু ঘটে গেছে।

    “সত্য বলতে, সে এরই মধ্যে দুলছে।” একটু ভেবে যোগ করলো তোফায়েল, “তবে আমার ধারণা আমাদের দেখা হওয়া উচিত।”

    “দেখা হবে। তোর চামচিকার মতো গলা শোনার জন্য তো আর ফোন দেই নাই। আচ্ছা, তোর সাথে ঐ মেয়েটা থাকে কি দেখে আমাকে বোঝা তো? ইলোরা নাম না ওর? মেকানিক্যালের? তোর পার্সোনালিটি মাগিদের থেকেও খারাপ, গলাখান ছাড়লে রাস্তার কুত্তাও মুখ খোলার সাহস পায় না, সেই সাথে চেহারাও তো ধর্ষকের মতো…” আবারও খিলখিলে হাসিতে ফেটে পড়লো ফোনের অন্যপ্রান্তের মেয়েটা, “ওহ সরি, তুই তো আবার পার্ট-টাইম সিরিয়াল ধর্ষকও। কি আয়রনি!”

    রেলিং শক্ত করে খামচে ধরলো তোফায়েল, “ইলোরাকে এর মধ্যে টানবি না!”

    “টানবো না? ওমা!” খুব অবাক হয়ে যাওয়ার ভান করলো মেয়েটা, “বেশ বেশ। বেশ। তালিকার সবার ওপর অবশ্য ওরই নাম রেখেছিলাম।”

    তোফায়েল লক্ষ্য করলো ওর মুখ ঘামে ভেসে যাচ্ছে। দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলে এমনটা হয়, আগেও লক্ষ্য করেছে।

    “কিসের তালিকা?”

    “ইনফ্রা রেড ক্যামেরায় তোলা তোদের বীরপুঙ্গবদের যে ছবিগুলো ধরেছিলাম সে রাতে, তাদের প্রিন্টেড কপি কাদের দেবো সেই তালিকা। টাইম স্ট্যাম্প আছে বিলকুল বিলক্ষণ। শামস মার্ডারের সাথে সময় মিলিয়ে দেখতে কারও সমস্যা হবে না।” চাপা হাসির শব্দ এবার, “তো, আমার যেটা ইন্টারেস্টিং মনে হচ্ছে, প্রেমিকের হাতে রক্ত দেখতে পেলে মেয়েটা কি করবে? চমৎকার একটা নাটক হবে যা হোক।”

    তোফায়েল এখন কুল কুল করে ঘামছে। ইলোরা তাকে কি বলেছিলো তা মনে পড়ে যাচ্ছে এখন। আমি এতোদিন শুনেছি আপনি কোন স্তরের জানোয়ার। শোনা কথায় আমি বিশ্বাস করি না। তাই নিজের চোখে সেইটা দেখতে আসছি।

    অজানা ব্ল্যাকমেইলার তাহলে ইলোরার চোখ খুলে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট উদ্যোগ নিতে চলেছে। সেই দিন রাতে যা ঘটেছে তার সবটাই ভুল ছিল, যতো দিন যাচ্ছে ততো এই উপসংহারে থিতু হচ্ছে ও। এতো রাতে নাকি খানকি একটা মেয়ে ইনফ্রা রেড ক্যামেরা ধরে ঐ জঙ্গলে বসে ছিল! এ কেমন খানকি?

    মিথ্যে কি বলছে খানকিটা? তোফায়েলের তা মনে হয় না। উদ্ধৃতি ধরে ধরে তাদের সেরাতে হওয়া কথোপকথন বলে দেওয়া ওখানে উপস্থিত নয় এমন কারও পক্ষে সম্ভব না। কিন্তু এতোদিন পরে কেন? এতোদিন পর যখন ওরা মনে করছে শামসের ঘটনাটা ভুলে নতুন কিছু শুরু করা যেতে পারে, তখন কেন এই গায়েবী ব্ল্যাকমেইলার উড়ে এসে জুড়ে বসলো?

    “আমার কাছে কি চাস তোরা? টাকা?” চেষ্টা করেও গলা নামিয়ে রাখতে পারলো না তোফায়েল।

    “ব্যস্ত হওয়ার কিছু নাই। পরে জানানো হবে। অনুগ্রহপূর্বক কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন।” খিলখিলে হাসিটা শুরু হলো আবার। হাসির মাঝপথেই ফোনটা কেটে দিলো রহস্যময় নারী।

    বিভ্রান্তি আর হতাশায় রেলিংয়ে দু-হাত দিয়ে জোরে থাবা মারলো তোফায়েল।

    *

    মুহিবের ছয়-ফিট বাই সাত ফিট ঘরে প্রায় দু’মাস পর পা রাখলো শামীম চারপাশে তাকিয়ে বুঝতে পারলো, আগের থেকে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি ঘরটায়। ছোট্ট খাটটায় জমে থাকা বইয়ের সংখ্যা আগের চেয়ে বেড়েছে। বেড়েছে কাপড়ের স্তুপ, খাটের এক কোণে এখনও ভাঁজ করে রাখা আছে সেই লেপটা। এই চল্লিশ ডিগ্রির গরমে মুহিব লেপ দিয়ে কি করে কে জানে! লেপের কভারের ময়লার স্তর আরও পুরু হয়েছে।

    কানে হেডফোন, মুহিব তখন ঝড়ের বেগে টাইপ করছে। দরজা খোলা রেখে ওকে কখনও লিখতে দেখেনি শামীম। চুপচাপ চৌকাঠে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ বন্ধুর দিকে তাকিয়ে থাকলো সে। এই মুহূর্তে মুহিবকে দেখে মানুষ মনে হচ্ছে না, মনে হচ্ছে যন্ত্র। শিরদাঁড়া সোজা করে চেয়ারে বসে আছে সে। ঘাড় টানটান, চোখের দৃষ্টি সরাসরি সামনের মনিটরে। এক চুল নড়ছে না শরীরের কোনো অংশ, কেবলে দু-হাতে কব্জির নিচে দশটা আঙুল বুকে হেঁটে চলা কোনো প্রজাতির মতো অনিয়মিত ছন্দে আছড়ে পড়ছে টেবিলের ওপর রাখা কালো কিবোর্ডে। যন্ত্রের মতো এভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লিখে যায় মুহিব, এমনটা শামীমের জানা আছে। এটা নাকি তার “স্নায়ু ঠাণ্ডা রাখতে” সাহায্য করে। কিভাবে তা করে এটা শামীম জানতে চায়নি। কতোরকম পাগল আছে দুনিয়ায়।

    একদিন চায়ের দোকানের আড্ডায় মুহিবের কব্জির নিচে যেখানে পালস মাপতে হয় সে জায়গাটা কুচকুচে কালো হয়ে থাকতে দেখে জানতে চেয়েছিলো জায়গাটা পুড়ে গেছিলো কি না। মুহিব তখন ওকে দেখতে দিয়েছিলো তার কব্জি। দু-হাতের একই দশা। কালশিটে পড়ে গেছে ওখানটায়। কালো কালো দাগ। মুহিব হেসে বলেছিলো, “এটা হলো রাইটার’স মার্ক। কেউ যদি বলে সে লেখালেখি করে তাহলে প্রথমেই হাতে রাইটার’স মার্ক খুঁজবি। যদি না পাস তাহলে বুঝবি সেই লোক অলস। সে আমার বালের লেখক। লেখক হতে হলে কব্জিতে কালশিটে অবশ্যই ফেলতে হবে। এতোটুকু পরিশ্রম না করলে আবার লেখক পরিচয় দাবি করা কি?”

    এই মুহূর্তে পরিশ্রমের খণ্ডচিত্র দেখে অবাক হলো না শামীম। মুহিব এভাবে গত চার-পাঁচ ঘণ্টা ধরে বসে আছে, সে জানে। ক্লাস আপাতত হচ্ছে না। তার বদলে হচ্ছে আন্দোলন। অ্যাড বিল্ডিংয়ের সামনে ছেলেরা খাট পালঙ্ক বিছিয়ে বসে পড়েছে। ভিসি স্যারকে তার অফিসের মধ্যেই ঘেরাও করা হয়েছে। সরাসরি ভিসি স্যারের দরজার বাইরে অনেক ছেলে অবস্থান নিয়েছে। ওখানে নানা রকম নাটক হচ্ছে। ভিসি স্যারকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। জুনিয়র কিছু ক্ষমতালোভী শিক্ষক এগিয়ে এসেছিলেন। তারা ছাত্রদের নিরস্ত করার চেষ্টা না করে বলেছিলেন, “দেখি, রুমের ভেতরে যেতে দাও তো।”

    বিপদের সময় ভাইস চ্যান্সেলরের পাশে দাঁড়ানোর আলাদা মর্যাদা আছে। সেই মর্যাদা লাভের সুযোগ প্রতিদিন পাওয়া যায় না। মর্যাদা লাভের লোভে অনেক শিক্ষক ব্যতিব্যস্ত হয়ে ভাইস চ্যান্সেলর স্যারের রুমে ঢুকে পড়েছেন। আহাজারি করেছেন, ছাত্রদের নিন্দা করেছেন। একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরকে তার অফিস থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না এতো রীতিমতো ক্রাইম! তারপর ভিসি স্যারকে তারা আশ্বাস দিয়েছেন এখনই বাইরে গিয়ে তারা সর্বশক্তিতে এই বেয়াদব ছাত্রদের বিরুদ্ধে নামবেন। সেই মর্মে ভিসি স্যারের রুমেই মিটিং ডাকা হয়েছিলো। যেহেতু ভিসি স্যার বাইরে বের হতে পারছেন না, তাই সবাইকে ভেতরে ডাকা। একে একে অন্য শিক্ষকরাও মিটিংয়ে যোগ দিতে উপাধ্যক্ষের অফিসে ঢুকে পড়েছিলেন।

    মিটিং শেষ হওয়ার পর ছাত্রদের পরিকল্পনার চাতুরিপূর্ণ অংশটা টের পেলেন তাঁরা। শিক্ষকদের দলটাকে অফিস ঘেরাও করা ছাত্ররা ভেতরে হাসিমুখে ঢুকতে দিয়েছে কেন তাও স্পষ্ট হয়ে গেলো। ভেতরে যারা ঢুকে পড়েছে তাদের আর কোনোমতেই বের হতে দিচ্ছে না তারা। একবার ঢুকে পড়েছেন যখন, তখন বেশ, থাকুন না! তারা অবরুদ্ধ করা শিক্ষকদের খাবার আর পানিও অফার করেছে। আত্মসম্মানবোধের উদাহরণ ধরে রাখতে মনুমেন্টের সমান ইগোধারীরা সেই খাবার ছুঁড়ে ময়লার ঝুড়িতে ফেলে দিয়েছেন।

    ভিসি স্যারকে তার অফিসে অবরুদ্ধ করার পরিকল্পনাটা সখের বশে করা হয়নি। প্রশাসন গত চল্লিশ বছর ধরে ছাত্রদের একটা দাবিকেও পাত্তা দেয়নি। যদিও বা কোনো দাবি মেনে নিয়েছে, তার বদলে দিয়েছে নানা রকম যন্ত্রণা। পরীক্ষা পেছানোর দরখাস্তে সাইন করার পর সেই পরীক্ষার ডেট তিন মাস পর দেওয়া, একদিনের ছুটির দরখাস্ত সাইন করে এক মাসের জন্য ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া ইত্যাদি ধরণের আচরণ থেকে প্রশাসন তাদের প্রতিশোধ নেওয়ার প্রবণতাই বার বার নির্লজ্জের মতো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছে। নিঃশর্ত দাবি মেনে নেওয়ার ঘটনা এখানে ঘটানোটা কঠিন। কঠিন সময় নিয়ে আসে কঠিন সব সিদ্ধান্ত, সেখান থেকেই শিক্ষক অবরুদ্ধ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

    তবে এই কাজটা করার জন্য পর্যাপ্ত সাহস জোগাড় করা গেছে শিক্ষকদের আক্রমণাত্মক ভূমিকার কারণেই। প্রথমদিন সকালে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য মেয়েদের হল থেকে মেয়েরা বের হচ্ছিলো। তাদের এসকর্ট করে আনতে গিয়েছিলো দুইশজন ছেলেদের একটা দল। তখন শিক্ষকদের একটা দল তাদের পথ আটকায়। মেয়েরা রাস্তায় বেপর্দা আন্দোলন করবে, এমন জাহেলী পরিবেশ এই ক্যাম্পাসে তারা হয়তো মেনে নিতে পারেননি। ছেলেমেয়েরা স্যারদের বিনীতভাবে সরে যেতে বললে হিতে বিপরীত হয়। রাস্তা থেকে নেমে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করায় একাধিক ছাত্রকে চড়-থাপ্পড় মারতে শুরু করেন শিক্ষকদের একজন। এক পর্যায়ে সিকিউরিটি গার্ডের হাত থেকে পুলিশ ব্যাটন খুলে নিয়ে কয়েকজনকে আঘাত করেন তিনি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যে স্কুলে পড়া শিশু নয়, তাদের যে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করা কোনো বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের সাজে না তা হয়তো তাঁরা ভুলে গিয়েছিলেন। সেখানে সিএসই-র এক ম্যাডাম চলে এসে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করে দেন। নিজের মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ছাত্রিদের ভিডিও করতে শুরু করেন তিনি। সেই সঙ্গে চেঁচিয়ে হুমকি দেন, “তোমাদের সবার রোল নাম্বার আমি জোগাড় করবো।”

    ভারি নিতম্বের অধিকারী হওয়ার কারণে এই ম্যাডামকে নিয়ে ছেলেদের হলে বেশ কিছু নোংরা কৌতুক প্রচলিত ছিল। ভদ্রমহিলার অজায়গায় নাক গলানোর বেশ কিছু ঘটনা আছে। ছাত্রছাত্রিরা তাকে প্লেগের মতোই ঘৃণা করে। এমন একজন মানুষের মুখ থেকে “রোল নাম্বার” শব্দ দুটো শোনার জন্য প্রস্তুত ছিল না কেউ। বিশেষ করে ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা পরীক্ষার খাতায় যেন কেউ চরিতার্থ করতে না পারে সেজন্যই ওরা এই আন্দোলনে নেমেছে। এমন একটা আন্দোলনের উত্তপ্ত পরিবেশে যদি শিক্ষক সমাজের একজন সেই একই হুমকি দিয়ে বসেন, স্বভাবতই পরিস্থিতি আর কারও হাতে থাকে না।

    বারুদ ফেটে পড়লো ক্যাম্পাসে।

    ছেলেমেয়েরা যখন ক্যাম্পসের ঐ প্রান্তে শিক্ষকদের হাতে লাঠিপেটার শিকার হচ্ছে, শিক্ষিকা যেখানে নিয়েছেন ভিডিও করার দায়িত্ব, একরকম বিনা যুদ্ধে অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিল্ডিংয়ে অপর একটা দল ঢুকে পড়ে। বিনীতভাবে ভাইস চ্যান্সেলরের অফিসে ঢুকে দাবি দাওয়ার কাগজপত্র জমা দেয়, তাতে সিগনেচার করে দেওয়ার অনুরোধ জানায়। ভাইস চ্যান্সেলর সিগনেচার করতে অস্বীকৃতি জানান। পীড়াপীড়িতে অতিষ্ঠ হয়ে একসময় তাদের মুখের সামনে থেকে সরাতেই হয়তো বলেন, “সময় লাগবে।” ছাত্ররা ভদ্র ছেলেদের মতো হাঙ্গামা না করে বের হয়ে এসে সেখানেই অবস্থান নেয়। এবং তখন থেকেই ভাইস চ্যান্সেলরের অফিস অবরোধ করার শুরু।

    লাঠিসোটা রেখে বীর শিক্ষকদের দলটা যখন ভিসি স্যারের অফিসে এসে পৌছেছেন, রাজধানী দখল হয়ে গেছে।

    ভাইস চ্যান্সেলর মান্ধাতা আমলের নিয়ম কানুন এখনও চোখ বন্ধ করে মেনে চলেন। গোঁড়ামিতে তিনি পুরো বিভাগজুড়েই বিখ্যাত। গোঁড়া মানুষ দাবি-দাওয়া সহজে মেনে নেবেন না সেটাও ছাত্রদের জানা আছে। সেজন্য তিনদিন টানা অবরোধ চালিয়ে যাওয়ার পরও যখন শিক্ষকরা তাদের দাবি মেনে নিলো না, তাদের কেউ অবাক হলো না। পয়ত্রিশ ক্রেডিট সিস্টেম রাখার জন্য যদি শিক্ষক সম্প্রদায় সাতদিন উপবাস করার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন (প্রতিদিন খাবার সরবরাহ করা হলেও তারা সেই খাবার ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন। একটু কাব্যভরে বলা হলে ‘ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছেন) তো থাকুন তারা উপবাসেই। বিন্দু বিন্দু জমে ঘৃণার পাহাড় ছাত্রদের মধ্যে আজ হিমালয়ের চূড়ো হয়ে উঠেছে। পয়ত্রিশ ক্রেডিট বাতিল না করলে ভাইস চ্যান্সেলরের অফিসের সামনে থেকে একজনও নড়বে না। মানবিকতা দেখানোর জন্য খুব একটা ব্যগ্র নয় তাদের কেউ।

    শামীমের সাথে অবরোধের মিছিলে দেখা হয়েছিলো সিএসই-র মেহতাবের সঙ্গে। মুখ বাঁকিয়ে সে বলেছিলো, “এইটা আমি কমু হেরা নিজেগোর উপরে নিজেরাই টাইনা আনছে। ঘাউরামির লিমিট তো রাখে নাই। আমাদের বড় ভাইদের লগে করছে। এরে ওরে ফেল করাইছে। আমাদের আপুদের লগে করছে, এরে ওরে প্রেমের প্রস্তাব দিছে। আমাদের লগে করতেছে। এইসবের বিরুদ্ধে কিছু কওয়া যাইবো না, তাইলে সিজিপিএ নামায়া দেবো। ঘাউরামি আর ফাইজলামির একটা লিমিট তো থাকা দরকার। অহন কেউ হেগোরে মায়া কইরা ছাইড়া দেবো না। দাবি মানলে সাইন কইরা বাইর হও। নাইলে না খায়া মইরা যাও। হু কেয়ারস।”

    সব মিলিয়ে ক্যাম্পাসে একরকম বারুদ ঠাসা পরিবেশ। বিস্ফোরণ এখনও ঘটেনি। গেটের সামনে তিনটা পুলিশের গাড়িও দাঁড়িয়ে আছে সব সময়। কিন্তু বিক্ষোভকারীদের খুবই অর্গানাইজড অবস্থায় রাখা হয়েছে। কোনো ভাঙচুর যেন না হয়। পুলিশকে কোনো সুযোগ দিতে তারা চায় না।

    এরকম একটা পরিবেশে ভাইস চ্যান্সেলর তার পোষা ক্যাডারদের ফোন করে বলেন সাধারণ ছাত্রদের মধ্যে ‘মিশে যেতে’। তারপর একটা গাড়ি ভেঙে দিলেই পুলিশ হারে-রে-রে করে মাঠে নেমে পড়বে। ধড়পাকড় হবে। আন্দোলন থেমে যাবে। কিন্তু ভাইস চ্যান্সেলর নিজের গোঁড়ামির কারণেই আজ রাজনৈতিক সাহায্য পাচ্ছেন না। এই ভাইস চ্যান্সেলর ক্ষমতায় আসার পর থেকে তিনি ছাত্রনেতাদের বিশেষ পাত্তা দেননি। হয়তো ভাবেননি কোনো একদিন এই ছেলেগুলোকে তাদের প্রয়োজন পড়তে পারে। সংগঠনগুলোও প্রশাসনের প্রতি বর্তমানে বিন্দুমাত্র সহানুভূতিশীল নয়। রাজনীতি করা ছেলেরা সরাসরি আন্দোলনে নামেনি, এতে করে এটাকে আর গণ-ছাত্রদের আন্দোলন হিসেবে দেখানো যাবে না। তবে কেউ যেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আন্দোলনের মূল লক্ষ্য বানচাল করতে না পারে সেদিকে তারা লক্ষ্য রাখছে। পরিকল্পনা সেটাই, ক্যাম্পাসকে বারুদঠাসা উত্তেজনায় তুলে রাখা, তবে বিস্ফোরণটা না ঘটানো। স্নায়ুর এই যুদ্ধে শিক্ষকপক্ষ কতোক্ষণ লড়ে যেতে পারেন তাই এখন দেখার বিষয়।

    বন্ধুকে নিজের ঘরের দরজায় হঠাৎই খেয়াল করলো মুহিব, “আরে! কতোক্ষণ হয়েছে দাঁড়িয়ে আছিস?”

    চট করে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলটা মিনিমাইজ করে দিলো সে। একটু হেসে নোংরা খাটটায় বসলো শামীম। এই ঘরে জুতো খুলে ঢোকার ঝামেলা নেই। মুহিব নিজেই স্যান্ডেল পরে ঘুরাফেরা করে। মেঝের সঙ্গে সাহারা মরুভূমির তফাত সামান্যই।

    “বেশিক্ষণ দাঁড়াইনি। তোর জরুরি তলব যে হঠাৎ?”

    কোনো কথা না বলে দরজাটা লাগিয়ে দিলো মুহিব। একটা প্রিন্ট করা কাগজ ধরিয়ে দিলো বন্ধুর হাতে।”এখানে সব লিখা আছে। তুই পড়ে দ্যাখ এই কলমটা ধর। এডিট করা দরকার যেসব সেগুলোতে গোল্লা মার।”

    পড়ে দেখলো শামীম। কাউকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য যে কেউ এতো অর্গানাইজড প্ল্যান করতে পারে তা সে আগে কখনও কল্পনাও করেনি। খুঁটিনাটি কোনো পয়েন্ট সে বাদ দেয়নি। যেটাই ধরা পড়ার ক্ষেত্রে বিন্দুমাত্র ভূমিকা রাখবে মনে করেছে, আলোচনা করেছে। একটা পয়েন্টে লিখা

    “মানি ড্রপ : মানি ড্রপের ঘটনা থেকে ভাইপার চেষ্টা করবে ব্ল্যাকমেইলারের পরিচয় বের করার। কাজেই ড্রপের ব্যাপারটা আমাদের সুবিধাজনক পরিবেশে ঘটানো হবে। এমন এক পদ্ধতিতে যাকে ট্রেস করা যায় না এবং যার রেসপন্সে কেবলমাত্র ভাইপার একাকি আসবে। এখানে লেভারেজ হিসেবে বারবিকে ব্যবহার করতে হবে।”

    অবাক হয়ে শামীমকে তাকাতে দেখে ব্যাখ্যা করলো মুহিব, “ভাইপার হচ্ছে তোফায়েল। আর বারবি–”

    “ইলোরা।”

    “কারেক্ট।”

    মুহিবের পরিকল্পনা তেরো পৃষ্ঠার। নিজস্ব প্রিন্টার ব্যবহার করে প্রিন্ট করেছে, গোপনীয়তা নিয়ে ফাঁক সে রাখেনি। পড়া শেষ করে কাগজের তাড়াটা বন্ধুকে ফেরত দিলো শামীম।

    “মনে হচ্ছে আমরা কোনো কম্পিউটার গেমের মাঝে দাঁড়িয়ে আছি। সাধারণ দু’জন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র যাদের কোনো ক্রিমিনাল রেকর্ড নেই, তারা করতে যাচ্ছে প্রথম কোনো পানিশেবল অফেন্স। একজনকে ব্ল্যাকমেইল করতে যাচ্ছি আমরা এটা এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না আমার।”

    “আস্তে বল গাধা। করিডোরে কেউ শুনলে খবর হয়ে যাবে। কোনো ফাঁক ফোকড় রাখা যাবে না!”

    “সরি।” লেপে হেলান দিলো শামীম, গলা নামিয়েছে।”হজম করার জন্য বেশ বড় একটা ব্যাপার এটা। আমরা সত্যি একজনকে ব্ল্যাকমেইল করতে যাচ্ছি!”

    “এমন একজনকে, যে ব্ল্যাকমেইলারদের পরিচয় জানতে পারলে তাদের খুন করে ফেলবে।”

    “সোজা বাংলায়, আগুন নিয়ে খেলছি আমরা।”

    এক মুহূর্ত বন্ধুর দিকে তাকিয়ে থাকলো মুহিব।”কাজটা খুব রিস্কি মনে হলে তুই না জড়াতে পারিস। আমি আর শিয়া মিলে চালিয়ে নেবো। সমস্যা নেই।”

    জোরে জোরে মাথা নাড়লো ড্রামা কিং শামীম, “মাথা খারাপ? এরকম একটা অ্যাডভেঞ্চার শামীম ছেড়ে দেবে?”

    মুচকি হাসলো মুহিব, “খরগোশ থিওরির কি হবে তাহলে? শিকারীর গন্ধ শোঁকা, দুই পা এগিয়ে নাকটাকে আকাশের দিকে তাক করে গন্ধ নেওয়া?”

    “ওটা নতুন কোনো জায়গায় প্রথম যাওয়ার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আমরা এখন পুরাতন। তাছাড়া, শামসভাইয়ের জাস্টিস আমাদের আনতে হবে। এখন এতো কিছু ভাবলে চলবে না। কিছুটা ঝুঁকি থাকবেই। আমরা দুই মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার যদি এরকম একটা কাজ র‍্যাশনালি পুল করতে না পারি, কে পারবে? এটাকে আমরা ক্রাইম হিসেবে ট্রিট করবো না, সায়েন্স প্রজেক্ট হিসেবে ট্রিট করবো।”

    চাপা হাসলো মুহিব, “সেটাই করার চেষ্টা করছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে অপরাধ। আমার উচিত এ নিয়ে একটা বই লিখে ফেলা।

    “লিখিস। এখন আমাকে পরিকল্পনাটা বুঝিয়ে বল। তোর পয়েন্টগুলো আমি পড়েছি। ওগুলো হলো সমীকরণের একটা পাশ। দুই যোগ দুই। ফলাফল কতো আসবে সেটা তুই নিজের মুখে আমাকে বলে ধন্য কর।”

    ড্রয়ার ঘেঁটে অনেক খুঁজে একটা দোমড়ানো সিগারেট বের করলো মুহিব। যত্ন করে আগুন ধরালো তাতে। তারপর ঝুঁকে এলো শামীমের দিকে, “তবে শোন্…..”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }