Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৩০

    অধ্যায় ৩০

    গাড়ির ভেতর গরমে টেকা যায় না। এলাকা তাঁতিয়ে গেছে উত্তরবঙ্গের সুতীব্র গরমে। জোড়া ভ্রুর ওপর ঘামের পানি গড়িয়ে পড়তে শুরু করলে বিরক্ত হয়ে দরজা খুলে বের হয়ে এলো নির্ঝর। তুলনামূলকভাবে ঠাণ্ডা আবহাওয়া বাইরে। বাতাস আছে। ঘামের ওপর বাতাসের পরশ ভালোই লাগছে। গাড়ির দরজায় তালা মেরে কাছের একটা চায়ের দোকানে বসলো সে। ভালোই পসরা সাজিয়ে বসেছে লোকটা। কাছাকাছি একটা মেস থাকলে ব্যবসা ভালো চলারই কথা। হলে ওঠার আগে এই মেসে নির্ঝরও থাকতো। তখন এই ব্যাটা এখানে চা বিক্রি করতো বলে মনে হয় না।

    “নির্ঝর ভাই!” কানের কাছে গগণবিদারী আওয়াজ তুললো কেউ

    ভ্রু কুঁচকে তাকে দেখলো নির্ঝর। পরিচিত কেউ বলে মনে হচ্ছে না। জুনিয়র হবে, মুখে তরুণ রবীন্দ্রনাথের মতো দাঁড়ি। লাল টিশার্ট পরে আছে, বুকে বড় করে লেখা “ফাক মি হার্ড”।

    নির্ঝর তাকে চিনতে না পারলেও জুনিয়র ছেলেটার উৎসাহে ভাটা পড়লো না। সামনে এসে হাত বাড়িয়ে দিলো সে, “আমি সঞ্জয়, ওয়ান টু! থার্টি ফার্স্টের দিন দেখা হয়েছিলো ভাই। আমাকে যে পোকা খাইয়ে দিয়েছিলেন।”

    এবার নির্ঝরের মনে পড়লো। এই ছেলে থার্টিফার্স্টে এসে নগ্ন হওয়ার উপক্রম করেছিলো। পুরো মাতাল ছিল সেদিন। জুনিয়র, সিনিয়র মিলে অনেক মানুষ উঠেছিলো ইলেকট্রিক্যাল বিল্ডিংয়ে, বারবিকিউ করতে। মদ তো ছিলই, সেই সাথে ছিল অফুরান গাঁজা। দুই ঘণ্টা পরই সঞ্জয় একটা ছোটো দড়ি নিয়ে ছাদের কোণে চলে যেতে থাকে। ওকে নির্ঝর থামিয়েছিলো।

    “ছাদের কিনারায় গিয়ে কি করবি?”

    “দড়ি বেয়ে নিচে নামবো।”

    “এইটুকু দড়ি দিয়ে পাঁচতলা নামতে পারবি?”

    “একতলা নামতে পারবো। তখন আর চারতলা থাকবে।”

    “সেই চারতলা নামবি কি করে? পড়ে মরে যাবি না?”

    সঞ্জয় তখন বুঝিয়েছিলো, “ভাই, দড়ি তো আমার ওপরে লাগতেছে না। লাগতেছে নিচে। ঐ ওপরের একতলার দড়ি নিচে ফালায়া নাইমা যামু।”

    মাতাল মানুষকে তো আর বোঝানো যায় না যুক্তির সমস্যা। কাজেই নির্ঝর যা করার ছিল তাই করেছে। ছাদের এক কোণে ছোট্ট লাইট জ্বালানো হয়েছিলো। সেখানে পোকা জমেছিলো কিছু। একটা পোকা ধরে জোর করে সঞ্জয়কে খাইয়ে দিতেই নেশা ছুটে গেছিলো তার।

    গরম চোখে নির্ঝর বলেছিলো, “এটাকে ছাদ থেকে নামা। আর কোনো দিন এর হাতে গাঁজা দিবি না।”

    সেই সঞ্জয় তাকে চিনেছে ঠিকই। ক্যাম্পাসে সিনিয়র ব্যাচগুলোর একটা হয়ে যাওয়ার সমস্যা এই। অর্ধেক দুনিয়া চিনবে। এখানে গেলে ঐ কোণা থেকে ডাকবে “নির্ঝর ভাই!”, সেখানে গেলে সেই কোণা থেকে ডাকবে। এতো ঝামেলার মধ্যে কাজ করা যায় না।

    মেসের দরজার দিকে একটা চোখ রেখে সামান্য হাই হ্যালো করে সঞ্জয়কে বিদায় করার চেষ্টা করলো নির্ঝর। কিন্তু এতো সহজে করা গেলো না কাজটা। একসাথে মদ-গাঁজা খাওয়া মানুষ একে অন্যকে খুব ঘনিষ্ঠ মনে করতে শুরু করে। সঞ্জয়ও তেমনটাই ভাবছে। হয়তো অনেক জায়গায় গিয়ে বুক ফুলিয়ে বলেছে, “আমি নির্ঝর ভাইয়ের ক্লোজ ছোটোভাই! একসাথে বসে গাঁজা খাই ব্যাটা।” এধরণের গায়ে পড়া ‘ক্লোজ’ ছোটোভাইদের নিয়েই যতো সমস্যা।

    সঞ্জয়কে পরিস্কারভাবে চলে যেতে বলার পরও ছেলেটা আরও দশ মিনিট থাকলো। হাবিজাবি নিয়ে বক বক করে মাথা ধরিয়ে দিলো একেবারে। যাওয়ার সময় মনে করিয়ে দিতেও ভুললো না, “ভাই, আমার দুইটা সিগারেট, একটা কলা, একটা চিপস আর একটা চা ছিল।”

    পারলে ঈদের বাজারটাও করে নে! বিরক্ত হয়ে মনে মনে বলল নির্ঝর বিল দেওয়ার জন্য বড় ভাইকে সালাম-কালাম করেছিস যখন তখন এতো কমেই বা ছাড়বি কেন?

    সঞ্জয় ছেলেটা যখন চলে যাচ্ছিলো, তখনই মাথায় আইডিয়াটা এলো। দুটো বেনসন, একটা কলা, একটা চিপস আর একটা চায়ের দাম উসুল করার উপায় হয়তো পাওয়া গেছে। পেছন থেকে ওকে ডাক দিয়ে কাছে আনলো নির্ঝর। ঠিকমতো বুঝিয়ে বলতেই বুঝলো ছেলেটা। মাথা দুলিয়ে কালো মতো বাক্সটা হাতে নিয়ে সুড়সুড় করে মেসে ফিরে গেলো সে।

    ওই মেসেই মুহিব নামের ছেলেটা থাকে। কয়েক ঘণ্টা ধরে শামীমটাও ওখানে গিয়ে ঢুকেছে। খুব বেশি কিছু জানা যায়নি এদের ব্যাপারে, জানানো হয়নি আসলে। এরা দু’জন জাকির পেছনে লেগেছে, এটুকু জানাই নির্ঝরের জন্য যথেষ্ট।

    *

    রেদোয়ান বিষয়টা পছন্দ করেনি, তোফায়েলের সাথে সরাসরি আলোচনা না হলেও সে এটা বুঝতে পেরেছে। পছন্দ হওয়ার মতো বিষয় এটা নয় অবশ্য। তোফায়েল স্বীকৃতি দিয়েছে, এতো সহজে তা সে দিয়ে ফেলবে এটা রেদোয়ান বিশ্বাস করতে পারছিলো না। যখন তাকে সবকিছু খুলে বলেছিলো তখন তার চোখে ছিল অবিশ্বাস।

    “কি কাজটা করেছিস তোর মাথায় ঢুকেছে?” দাঁতে দাঁত পিষে বলেছিলো রেদোয়ান।

    ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো তোফায়েল।

    “তুই তাদের সাথে নেগোশিয়েট করার চেষ্টা করেছিস। এর অর্থটা বুঝতে পারছিস?”

    “অবশ্যই!” সবজান্তার মতো তার মাথা দোলানো দেখে রাগটা আরও বেড়ে গেলো রেদোয়ানের।

    “এর অর্থ হলো, তুই স্বীকার করে ফেলেছিস শামসকে খুন করার সময় ওখানেই ছিলি। তোর পক্ষ থেকে স্বীকারোক্তি পেয়ে গেছে ওরা।”

    “এতে কিছু যায় আসে না। ওদের কাছে ছবি আছে।”

    “নাও তো থাকতে পারে। হয়তো তোর মুখ থেকে স্বীকারোক্তি বের করার চেষ্টা করেছে কেউ।”

    “ছবি থাক আর না থাক, উইটনেস ওখানে ছিল। ঠিক ঠিক ঐ কথাগুলোই বলেছে মেয়েটা। উইটনেস ছাড়া আর কারও জানার কথা না এসব।”

    গরম চোখে ওর দিকে তাকিয়ে দ্রুত পায়ে ঘরের মধ্যে পায়চারি করেছিলো রেদোয়ান।

    “আমরা একটা কিছু মিস করছি। একটা ঘাপলা আছে এখানে। সমস্যাটা ঠিক ধরতে পারছি না।”

    “ঘাপলা আছে তো অবশ্যই। সাক্ষী পয়দা হবে তা কে ভেবেছিলো!”

    “সাক্ষী পয়দা হওয়াটা সমস্যা না। এক দুইজন থাকতে পারে ওদিকে, দূর থেকে দেখে ফেলতে পারে আমাদের এমনটা আমরা জানতাম। সম্ভাবনা কম ছিল ঠিক, তবে ছিল। সাক্ষী সামলে ফেলা সমস্যা হতো না আমাদের জন্য। আদালতের দিক থেকে ঝামেলা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। তবে এরা তো আদালতে যাচ্ছে না।”

    “হুঁ। নিজেরাই আমাদের দিকে আসছে। অথচ আমাদের পলিটিকাল ব্যাকগ্রাউন্ড তাদের জানা আছে। খানকিটা ভয় খাচ্ছে না কেন?”

    “হতে পারে তাদের পেছনেও বড় কোনো শক্তি আছে। ব্যাক সাপোর্ট না পেলে তো এরকম একটা কাজে নামার কথা না। জাকি গ্রুপের কেউ নাকি? জাকিরে বানানোটা ঠিক হয় নাই, অন্য সিস্টেম করা উচিত ছিল। শামসের ঘটনার সাথে আমাদের রিলেশনটা সে জানে।”

    “তা জানুক। সে আমাদের জন্য কোনো থ্রেট না। সাংগঠনিকভাবে তাকে দমিয়ে রাখা যাবে। পাতিনেতাদের পোছার টাইম আমাদের আগে ছিল, এখন নাই। এর মধ্যে সে যদি এই কেসে মাথা ঢোকায় পাতিনেতাও হইতে পারবে না আর কেন্দ্রে। ওর ক্যারিয়ারের খবর হয়ে যাবে। আমি নিজে খবর করার ব্যবস্থা করবো। মেসেজটার কথা সে কি ভুইলা গেছে?”

    পায়চারী থামিয়ে একটা বিয়ারের বোতল বের করে খাটের কোণে বসে পড়লো রেদোয়ান। ছিপিটা খুলতে মিষ্টি শব্দে গড়িয়ে গেলো ধাতব মুখ। লম্বা এক চুমুক দিয়ে বন্ধুর হাতে তুলে দিলো বোতলটা।

    “শালাকে জাকি গ্রুপ সাপোর্ট দিলে এতো সাহস হইতো না। এক সেকেন্ড দোস্ত।” রেদোয়ানকে এখন আতঙ্কিত মনে হচ্ছে, “এটা পলিটিকাল কোনো স্কিম না তো? আমাদের সঙ্গে কেউ খেলতেছে। সাধারণ কেউ এধরণের ঝামেলায় জড়াবে না। ক্যাম্পাসে আমাদের চেনে না কে?”

    “শিট। হতে পারে।” তোফায়েলের কপালের ভাঁজ কয়েকটা বেড়ে গেলো, “এরকম পাওয়ার ছাড়া কেউ আমাদের ঘাঁটাতে আসবে না। এটাই হয়তো আমরা মিস করছিলাম। ছাত্র সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এধরণের ব্যাকআপ দেয় না। এরকম ঝামেলাতেও আসতে চাইবে না ইন্টারনাল ব্যাপার নিয়ে। পেছনে কে আছে? কোনো এমপি?”

    দুশ্চিন্তাগ্রস্ত দুই যুবক অনেকটা সময় চুপ করে গেলো। অনেক লম্বা একটা সময় ধরে নিজেদের ক্ষমতাবান ভেবে এসেছে তারা। অনেক দীর্ঘ একটা সময়। এতোদিন পর আচমকাই টের পাচ্ছে, তাদের চেয়ে ক্ষমতাবান মানুষও এই পৃথিবীতে আছে। এধরণের মানুষগুলোকে তোয়াজ করে রাখাই রাজনীতির জগতের নিয়ম। তেমনটা তোফায়েল–রেদোয়ান নিয়মিতই করে এসেছে। কেন্দ্রে তাদের আলাদা মর্যাদা আছে। এরপরও কিভাবে অধিক ক্ষমতাবান কেউ তাদের বিরুদ্ধে অন্য এক পক্ষকে ইন্ধন যোগাতে পারে? সাধারণ ছাত্রদের দিয়ে এরকম সাহসিকতাপূর্ণ একটা কাজ করে ফেলা সম্ভব নয়, এমনটাই তাদের দৃঢ় বিশ্বাস। ওরা কল্পনাও করতে পারলো না এই ঘটনার পেছনে একজন সাধারণ ছাত্র ছাড়া আর কারও ইন্ধন নেই!

    এসময় কেউ ওদের ঘরে ঢুকে পড়লে দৃশ্যটা নিজের চোখে দেখেও বিশ্বাস করতে পারতো না। রেদোয়ান আর তোফায়েলের মুখে এখন বিশেষ এক অনুভূতির ছাপ, যেমনটা এই ক্যাম্পাসের কেউ তাদের মুখে কোনোদিন দেখেনি।

    পরাক্রমশালী দুই ছাত্রনেতা ভয় পেয়েছে।

    একটুখানি ভয় আর অনেকখানি বিভ্রান্তি।

    *

    সঞ্জয়কে ভেতরে পাঠিয়ে দেওয়ার ঘণ্টাখানেক পর বেরিয়ে এলো তারা দুইজন। কান থেকে হেডফোন খুলে মেসের প্রবেশপথের দিকে তাকিয়ে রইলো নির্ঝর। পার্ক করা গাড়ির ভেতরে বসে থাকার একটা সুবিধে আছে। মানুষ ভেতরটা লক্ষ্য করে না। মুহিব-শামীম ওর ঠিক জানালা ঘেঁষে হেঁটে গেলো, তবে ড্রাইভারের দিকে তাকানোর চেষ্টাও কেউ করলো না। ওদের গতিপথ গাড়ির বিপরীতে। বেশ খানিকটা দূরে চলে যাওয়ার পরও ইঞ্জিন স্টার্ট দিলো না নির্ঝর। মানুষের পিছু নেওয়ায় তার নামডাক আছে। জাকি গ্রুপের দুই বছর আগের সফলতার পেছনে বড় একটা ভূমিকা রেখেছিলো নির্ঝরের ফলোইং স্কিল। তবে বিরোধীদলের রাঘব বোয়াল ফলো করার সঙ্গে ফার্স্ট ইয়ারের চুনোপুঁটি ফলো করার পার্থক্য আছে। ভিআইপিকে গাড়ি ধরে ফলো করা সহজ। দ্রুতগামী যানবাহনে বসে থাকলে মানুষের পরিপার্শ্ব দেখার ক্ষমতা কমে যায়। অনেক বেশি তথ্য প্রসেস করতে হয় মস্তিষ্ককে। হেঁটে চললে এতো তথ্য নিয়ে মস্তিষ্ক কাজ করে না। চারপাশে কি চলছে সে বিষয়ে সতর্ক থাকে ষষ্ঠ ইন্দ্রীয়। অনুসরণকারীর ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। ফার্স্ট ইয়ার স্টুডেন্ট দু’জন এখন হেঁটে চলছে।

    অনেকটা পেছনে পড়ে গেলো ওরা, মৃদু শব্দ করে স্টার্ট নিলো নির্ঝরের ইঞ্জিন। এখন সরাসরি ইউ-টার্ন নেওয়া যাবে না। ঘটনাটা মুহিবদের মনে থাকবে। অবচেতন মনে গাড়িটার একটা পরিচিতি আঁকা হয়ে যাবে। পরের কোনো রিমার্কেবল ইভেন্ট তার পরিচয় ফাঁস করে দেবে। কাজেই অনেকটা সামনে চলে গেলো নির্ঝর, তারপর ডিভাইডারে ফাঁক পেতে ঘুরিয়ে নিলো গাড়ি। ছুটলো মুহিব-শামীমের গতিপথে।

    অনেকটা সামনে গিয়ে ওদের পাওয়া গেলো। একটা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে সিগারেট ধরিয়েছে। এই চায়ের দোকানেই একটু আগে বসেছিলো নির্ঝর। ওর টার্গেট দু’জন এখন বেঞ্চে বসেছে। সম্ভবত চায়ের অর্ডার করেছে। ওদের ছাড়িয়ে আরও সামনে চলে গেলো নির্ঝর। নিরিবিলি দেখে পার্ক করলো। পেছনের সিটে উঠে বসলো তারপর, বাইনোকুলার বের করে তাকাতেই অনেকটা কাছ থেকে দেখা যায় শামীমের চেহারাটা।

    এখান থেকে নির্ঝরের চোখ ফাঁকি দিয়ে কোনোদিকে যেতে পারবে না তারা।

    খানিক আগে এদের দু’জনের কথা রেকর্ড হয়েছে তার স্পাইওয়ারে। রিসিভার প্ল্যান্ট করার কাজটা নির্ঝর নিজেই করতে এসেছিলো, তবে সঞ্জয়ের সঙ্গে ওভাবে আলাপ হয়ে যাওয়ার পর বুঝতে পেরেছে এমনটা করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে যায়। জাকির ডান হাত হিসেবে নির্ঝরকে অনেকেই চেনে। মুহিবের ঘরটা চারতলায়। যদি একবার চারতলায় উঠে এমন কোনো জুনিয়রের সঙ্গে দেখা হয়ে যায়, তখন সমস্যা হতে পারতো। তাছাড়া নির্ঝরের মতো একজন হলে থাকা হাই ক্লাস সিনিয়রকে মেসের চারতলার বাথরুমের ছাদের ফোকড়ে ঝুলে থাকতে দেখলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যেতো।

    মেসটা আদ্যোপান্ত চেনে নির্ঝর। মুহিবের রুম নম্বর বের করার জন্য একটা ফোন কলই যথেষ্ট ছিল। লোকেশন পেয়ে যাওয়ার পর বাগ কোথায় প্ল্যান্ট করবে তা ভেবে বের করতে সমস্যা হয়নি। সঞ্জয়কে পেয়ে যাওয়ার কারণে নিজেকে ঢোকা লাগেনি, এটা তার পরিকল্পনার পক্ষেই গেছে।

    জাকি তাকে এমন একটা কাজে কেন পাঠিয়েছে সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত ধারণা তার নেই। জাকি টিম লিডার হিসেবে যথেষ্ট ভালো, তবে কোনো কিছু নিশ্চিত হওয়ার আগে মুখ খোলার অভ্যাস তার নেই। গত বার যখন এভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছিলো, নির্ঝর সেবারও জাকির কথামতো কাজ করেছে। চব্বিশ দিন একজনের পেছনে লেগে থাকার পর পঁচিশদিনের মাথায় জাকি তাকে জানিয়েছিলো এরা একটা বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছে আর সেজন্যই তাকে ফলো করতে বলা হয়েছিলো। আগে জানালে সমস্যাটা কোথায় ছিল? তবে এসব কথা জাকিকে বলে লাভ নেই। সে তার ইনফর্মারদের অন্ধকারে রেখে আনন্দ পায়। ইনফর্মার বেস্ট ফ্রেন্ড হলেও।

    এবারও তাই ঘটবে মনে হচ্ছে। বিশ-বাইশ দিন এদের ফলো করবে নির্ঝর। রেকর্ড করবে এদের আলাপচারিতা। প্রাপ্ত সব তথ্য প্রতিরাতে জাকির কাছে ডেলিভারি দেবে। সারা রাত ধরে মনযোগ দিয়ে জাকি সেই রেকর্ডিং শুনবে। রিপোর্ট পড়বে। নোটবুকে নীল কালি দিয়ে হিজিবিজি লিখবে তারপর দেখা যাবে এই দুই ছোকরাও বোমা-টোমা বানাচ্ছে। বাইনোকুলারে তাদের চেহারা ভালো মতো পর্যবেক্ষণ করলো নির্ঝর।

    ছুঁচকো দাঁড়ি আছে একটার মুখে। শিবির নাকি? কাঁধ ঝাঁকালো পাতিনেতা। এসব নিয়ে ইনফর্মারের ভাবার দরকার কি? তার কাজ তথ্য সংগ্রহ করা।

    তথ্য যা সংগ্রহ করেছে তাতে করে বিশেষ লাভ হয়তো জাকির হবে না। ছেলে দুটো বেশিরভাগ আলোচনাই করেছে তাদের অসুস্থ বন্ধু লিটুকে নিয়ে। এর বাইরে আর কিছু নিয়েও তারা কথা বলেছে। জনৈক ভাইপার এবং বারবিকে ঘিরে তাদের আলাপ কোনদিকে গেছে ঠিক বোঝা যায়নি। তবে গুরুত্বপূর্ণ কিছু হবে তা

    নির্ঝরের ধারণা তারা কাউকে কিডন্যাপ করতে যাচ্ছে। তাদের আলোচনায় “ড্রপ পয়েন্ট” আর “র‍্যানজম” শব্দ দুটো একাধিকবার ব্যবহার হয়েছে। জাকি বলেছিলো গুরুত্বপূর্ণ কিছু পাওয়া গেলে তাকে সঙ্গে সঙ্গে ফোন দিতে। দুর্বোধ্য সাঙ্কেতিক ভাষা থেকে কিডন্যাপিংয়ের উপসংহারে পৌঁছে যাওয়ার পর ফোন করা যায় না। নির্ঝরের অনুমানশক্তি যে খুব একটা প্রখর নয় তার প্রমাণ অতীতে বহুবার করা হয়েছে, অনুসিদ্ধান্তসহ।

    ফোন নয়, জুম লেন্সসহ ক্যামেরাটা বের করে কয়েকটা ছবি তুললো সে, দুইজনকে যেন স্পষ্ট দেখা যায়। চায়ের বিল দিচ্ছে তার শিকারদ্বয়। পেছনের সিটে ক্যামেরাটা ফেলে তাদের দিকে তাকালো নির্ঝর।

    ছেলেদুটো রাস্তার অন্যপাশে একটা অটো দাঁড় করাচ্ছে। নির্ঝরের গাড়ির বিপরীত দিকেই ছুটতে শুরু করলো অটোটা। দীর্ঘশ্বাস ফেলে সামনে বাড়লো নির্ঝর। আরেকটা ডিভাইডার খুঁজছে। আক্ষরিক অর্থেই তিনশ’ ষাট ডিগ্রি পাক খাওয়ালো তাকে ছেলেদুটো।

    ডিভাইডার ঘুরে আসায় একটা লাভ হলো। অটোটা অনেকটা দূরে চলে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছে। রাস্তা এদিকটায় ভাঙা, গতি অস্বাভাবিক কমিয়ে রাখার ছুতো পেয়ে গেলো নির্ঝর। বড়দার মোড়ে এসে অবশ্য রাস্তা ভালো হয়ে গেছে। এখানে গতি কমিয়ে একটা প্রাইভেট কার চালানোই হবে সন্দেহজনক। তবে নির্ঝর গতি কমিয়ে রাখলো যতোক্ষণ না অটোটা চৌরাস্তার ঠিক কোন দিকে ঢুকছে তা নিশ্চিত হওয়া গেলো।

    অটো ঢুকেছে বাম দিকের রাস্তায়। এটা সরাসরি রেলস্টেশনে চলে গেছে। ভণিতার সুযোগ কম, গতি বাড়ালো নির্ঝর। অটোটাকে নিমেষেই ওভারটেক করে সামনে চলে যেতে হলো তাকে। স্টেশনের সামান্য আগে এক পেট্রল পাম্পের পেছনে গাড়ি থামালো। অটোটা তাকে ছাড়িয়ে চলে যাওয়ার সময় ভেতরে মুহিব-শামীমকে দেখা না গেলে ইউ-টার্ন নিয়ে ফিরতি পথে ছুটতে হবে। নতুবা সামনে এগিয়ে যাবে নির্ঝর। গাড়ি নিয়ে মানুষ ফলো করার ঝামেলাগুলোর মধ্যে এই ট্রায়াল-অ্যান্ড-এরর মেথড অন্যতম।

    পেছন পেছন অনুসরণ না করে, সামনে থেকে করো!

    অটোটা কিছুক্ষণের মধ্যেই নির্ঝরের গাড়িকে ছাড়িয়ে গেলো। ভেতরে মুহিব আর শামীম এখনও মুখোমুখী বসে আছে। তাদের একজনের হাতে সিগারেট দেখা গেলো। অটোতে তারা ছাড়া আর কোনো যাত্রী না থাকার সুযোগে ছেলেগুলো সিগারেট ধরিয়েছে। নিঃশব্দে গাড়ি নিয়ে আড়াল ছেড়ে বের হয়ে এলো নির্ঝর। আঠার মতো লেগে থাকলো স্টেশন পর্যন্ত। অটোর গতি কমে যেতে থাকলেও নিজের গাড়ির গতি কমালো না; ওদের ছাড়িয়ে সামনে চলে গেলো। বাম দিকে বাসের কাউন্টারগুলো আছে। তাদেরও ছাড়িয়ে একটা ফাঁকা জায়গা বেছে গাড়ি পার্ক করে বের হয়ে এলো সে। চাবির গুচ্ছটা পকেটে ভরে একরকম দৌড়ে এলো রেল স্টেশনের দিকে। আজকের দিনের দ্বিতীয় ট্রায়াল অ্যান্ড এরর।

    অনেকটা দূর থেকে মুহিবের লম্বা দেহটাকে স্টেশনে ঢুকে যেতে দেখলো নির্ঝর। প্রায় ছুটতে ছুটতে স্টেশন বিল্ডিংয়ে ঢুকে পড়লো ও। হৃৎপিণ্ডটা খুব জোরে জোরে শব্দ করছে। বুকের খাঁচা থেকে বেরিয়ে যাবে কি না কে জানে! মনে হচ্ছে এই ধুকপুকানির শব্দ তার শিকার দু’জনের কানেও চলে যাবে।

    স্টেশনের ভেতর লোকে লোকারণ্য। আঁতিপাতি করে ওদের খুঁজলো নির্ঝর। এখানে তাদের হারিয়ে ফেলা যাবে না। মুহিব বা শামীমের হাতে লাগেজ ছিল না। এমনকি একটা মামুলি কাঁধের ব্যাগও না। তারা নিশ্চয় স্টেশনে ট্রেন ধরতে আসেনি। অর্থাৎ, এখানে হয় তারা কারও সাথে মিট করতে এসেছে, নয়তো…

    নির্ঝরের চোখ ছানাবড়া হয়ে গেলো। প্ল্যাটফর্মের দিক থেকে মধ্যম উচ্চতার শ্যামলা একটা মেয়েকে হেঁটে আসতে দেখছে সে। পায়ে শক্ত মেয়েলি বুটজোড়া, গায়ে হলুদ ফতুয়া আর নীল জিন্সে দারুণ আকর্ষণীয়া মনে হচ্ছে এখান থেকে।

    এগিয়ে এসে মুহিবকে জড়িয়ে ধরলো মেয়েটা। শামীমের বুকে হাল্কা খোঁচা দিয়ে কি যেন জানতে চাইলো।

    কাঁপা হাতে ফোন বের করে জাকির নাম্বারে ডায়াল করতে শুরু করলো নির্ঝর। কাকে কিডন্যাপ করা হবে তা মনে হয় সে বুঝতে পেরেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }