Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৩৩

    অধ্যায় ৩৩

    হোটেল ওয়ারিশানের অ্যাটাচ বাথগুলো চমৎকার। হট ওয়াটার কাজ করছে, বডি লোশন, শ্যাম্পু, সাবান, শাওয়ার ক্রিম গুছিয়ে রাখা, ঝকঝকে তোয়ালে গোল করে রাখা হয়েছে বেসিনের নিচে কাঠের কেবিনেটে। মফস্বলে এসে এতো গুছানো বাথরুম শিয়া আশা করেনি। মুহিবরা চলে যাওয়ার পর রুমে ফিরে এসে দুটো সিগারেট খেতে খেতে ঘরটা গুছিয়ে নিয়েছে। তারপর টানা আধঘণ্টার শাওয়ার, মোবাইল ফোনটা সব সময় দৃষ্টিসীমার মধ্যে রেখেছে অবশ্য।

    শুধুমাত্র অন্তর্বাস পরে নিজের ঘরে ফিরে এলো শিয়া। ল্যাপটপটা টেবিলের ওপর খোলা। একটা চেয়ার টেনে তার সামনে বসে পড়লো। হোটেলের ওয়াইফাই স্পিড খুব আনন্দিত হওয়ার মতো না, তবে ইন্টারনেট সংযোগ আছে। গুগল ম্যাপসে ঢুকে সার্চ দিলো “লালখালি”। ম্যাপসে জায়গাটা পাওয়া গেলো। একটা ক্লিক করে স্যাটেলাইট ভিউ নিয়ে এলো শিয়া। অনেক গাছপালা সেদিকে, মফস্বলে গাছপালা একটু বেশিই দেখা যায়। স্যাটেলাইট ভিউয়ে রাস্তা খুঁজে পাওয়া যায় না। রাস্তায় গাছ। ডিভাইডারে গাছ। সবুজ ‘শহর’ হয়তো পরিবেশের জন্য বেশ উপকারী, এই মুহূর্তে শিয়ার কোনো কাজে আসছে না পরিবেশের বন্ধুরা। চোখ কুঁচকে এলাকাটার ব্যাপারে একটা ধারণা নেওয়ার চেষ্টা করলো সে।

    মোবাইলটা চার্জে আছে। ডিসপ্লে অন করে দেখলো অষ্টআশি পার্সেন্ট 1 ল্যাপটপটা খোলা রেখেই উঠে গেলো ও, লাগেজ খুলে পোষাকগুলো লকারের ভেতর হ্যাঙ্গারে সাজিয়ে রাখলো। হলুদ জামাগুলো স্পর্শ করলো মমতা নিয়ে, কিন্তু গায়ে দিলো না। আজকে রাতে হলুদ পরে বের হওয়া যাবে না। কালো টিশার্ট আর কালো এক জিন্স বেছে নিলো। কমব্যাটের জন্য এই টিশার্টগুলো বেশ আরামদায়ক। অনুশীলন সমিতির সাজেশন থেকে এই ড্রেসগুলো কিনেছিলো। এমনকি সমিতির পছন্দ করে দেওয়া অন্তর্বাসও আছে।”তিন মিলিমিটারের স্বস্তির অভাবে মিশন ব্যর্থ হতে পারে!” ওয়ার্ডরোব ট্রেইনার কমরেড আসলাম এটা বলেছিলেন। তিনি কি বোঝাতে চেয়েছিলেন তা হয়তো শিয়া এখন বোঝে বুটজোড়ার ফিতে যত্ন করে বেঁধে আয়নার সামনে এসে দাঁড়িয়ে পনিটেইল করলো। লাগেজ ব্যাগের ভেতর চোরাকুঠুরির ভেতর হাত গলিয়ে বের করে আনলো নাকবোঁচা রিভলভারটা।

    “স্নাব-নোজড!” বিড়বিড় করে ফুলহাতা টিশার্টের ডানহাত গুটিয়ে ফেললো সে। মেয়েদের হাত অনেক পুরুষের কাছেই আকর্ষণীয় মনে হয়। কালো টিশার্ট আর কালো জিন্সের সঙ্গে সাদা চকচকে নারীহস্তের আবেদন স্বভাবতই আরও বেশি। আবেদন বাড়ানো দু-হাত ব্যবহার করে শিয়া তার রিভলভার দৃশ্যত লুকিয়ে ফেলতে পারবে। পুরুষের মনোযোগ তার হাতে আর বুকে থাকলেই সুবিধে, কোমরে খুব ভালোমতো না গেলেই হলো।

    ছোট্ট হোলস্টারটা ডান কোমরে আটকে নিলো। জিন্সের ভেতরের দিকে ওটা আটকানোর জন্য প্যান্টের সাথে কাস্টোমাইজড হোল্ডার আছে। সেখানে রিভলভারটা ভরে ফেলতেই হয়ে গেলো। আয়নার সামনে একবার ঘুরে ফিরে দেখলো শিয়া। কোনোদিক থেকেই কোমরের সঙ্গে রিভলভারটা দেখা যায় না। যদি সে বামদিকে উবু হয়, তবে একটা এক ইঞ্চিমতো চারকোণা আবরণ দেখা যাবে। ওটাকে যে কেউ ইলেক্ট্রিক ডিভাইস ভেবে ভুল করবে। রিভলভারের চিন্তা তাদের মাথায় আসার কথা না। আর ঐ চারকোণা হাতলটাও যেন চোখে না পড়ে সেজন্যই কি নিজের আকর্ষণীয় হাতজোড়া কনুই পর্যন্ত উন্মুক্ত করেনি সে?

    ঠিক এই সময় দরজায় নক পড়লো।

    রিভলভারের ওপর টিশার্ট নামিয়ে দরজা খুলে দিলো শিয়া। অগোছালো ধাঁচের একটা ছেলে দাঁড়িয়ে আছে। সন্দেহাতীতভাবে এ রুম সার্ভিস নয়। স্থির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকিয়ে রইলো শিয়া। বয়সে তার থেকে কিছুটা বড়ই হবে। শামসভাইয়ের বয়েসী। মুখে অবহেলায় না কাটা কয়েকদিনের দাঁড়ি। চোখে কোমলতা।

    “শিয়া, তুমি আমাকে চিনবে না। তোমার ভাই আমার বন্ধু ছিল।” হড়বড় করে বলল সে, “আমার নাম নির্ঝর।”

    এক মুহূর্ত হতভম্বের মতো দাঁড়িয়ে থাকলেও সামলে নিলো সে। মিষ্টি করে হাসলো, “ভেতরে আসুন!“

    মাথার ভেতর ঝড়ের গতিতে চিন্তা চলছে তার। তিন ঘণ্টাও হয়নি এই মফস্বলে নেমেছে সে। কারও সঙ্গে যোগাযোগ করেনি। মুহিব আর শামীম ছাড়া কেউ জানে না তার পরিচয়, তার এই শহরে উপস্থিতি। এই ছেলে সবগুলো দাঁত বের করে নিজেকে শামসভাইয়ের বন্ধু বলে পরিচয় দিলেই আনন্দে আত্মহারা হয়ে যাওয়া যায় না। জাকির সঙ্গে মুহিবরা দেখা করতে গিয়েছে, তারা জাকিকে জানাতেই পারে শহরে শিয়া এসেছে। তবে শিয়াকে একটিবারও ফোন না করে তার হোটেল রুম নম্বরসহ বলে দেবে এতোটা বোকাও শামীম-মুহিব না

    রুমের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে নিজেকে নির্ঝর পরিচয় দেওয়া মানুষটা। দরজা লাগিয়ে ছিটকিনি তুলে দিয়ে তার পেছনে গিয়ে দাঁড়ালো শিয়া, ঠিক চারফুট দূরে। হাসিমুখে নির্ঝর ঘুরে দাঁড়াতেই সাপের মতো নড়ে উঠলো শিয়ার ডান পা।

    কেউ যদি জানালা থেকে দৃশ্যটা দেখতো, মুগ্ধ না হয়ে পারতো না। শিয়ার সম্পূর্ণ দেহই অনড়। ডান আর বাম হাত শরীরের দুইপাশে আলগোছে ঝুলে আছে। তাদের অবস্থানের একচুল পরবর্তন ঘটলো না। ভাঁজ হলো না বাম কিংবা ডান পায়ের হাঁটু। বাঁ পায়ে সটান সোজা দাঁড়িয়েই ডানদিক থেকে ছড়িয়ে দিয়ে সামনে আঘাত হানলো ডান পায়ের বুট। নির্ঝরের ঘাড়ের বাম পাশে সজোরে চাপড় মারার শব্দ তুলে আছড়ে পড়লো ওটা। সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যে মুখ থুবড়ে হোটেল রুমে পড়ে থাকলো নির্ঝর। কিছু বুঝে ওঠার আগেই জ্ঞান হারিয়েছে সে। আগের মতোই অবিচল ভঙ্গিতে তার থেকে চার ফিট দূরে দাঁড়িয়ে থাকলো শিয়া। তারপর খুব শান্তভঙ্গিতে গিয়ে লাগেজ থেকে একফালি দড়ি বের করে হাত আর পা পিছমোড়া করে বেঁধে ফেললো। মুখে ঢোকানোর মতো কাপড় চারপাশে তাকিয়ে পেলো না। অগত্যা একটা ব্রা বিসর্জন দিতে হলো সেখানে। দেহটাকে বক্স খাটের পাটাতন তুলে তার ভেতরের ধূলোয় ফেলে দিলো তারপর। সবগুলো পাটাতন বসিয়ে দিতেই বন্দি গায়েব। মাথার দিকে চাদর যেন খাটের ভেতরটা বায়ুনিরোধ করে না দেয় সেজন্য চাদর খানিক সরিয়ে রাখলো শিয়া। তারপর মোবাইল ফোনের চার্জার খুলতে খুলতে লক্ষ্য করলো, একশ’ পার্সেন্ট চার্জ হয়ে গেছে। অনুপ্রবেশকারীকে ধন্যবাদ।

    হোটেল রুমে তালা মেরে বেরিয়ে পড়লো ও।

    *

    লালখালির মাগিপাড়ায় প্রতিরাতের দৃশ্য একই রকম। এখানে ওখানে হট্টগোল লেগে আছে। এসব জায়গার পরিচয় শুধু দেহ বেচাকেনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। বরং চোলাই মদ, বিদেশি মদ এখানে সস্তায় মেলে। সস্তায় পাওয়া যায় যৌনবর্ধক ঔষধ। গাঁজা এখানে একরকম ফ্রি, বহিরাগতদের বিক্রিও করা হয় মহাসমারোহে। উৎকট নেশাদ্রব্যের গন্ধের সাথে এসে মিশে মানুষের গন্ধ। পাড়া দেখভালের জন্য আছে বয়স্কা পতিতারা। গল্পগাঁথায় যেমন দেখা যায়, একজন ‘সর্দারনি’ বা বয়স্কা পতিতা গোটা একটা পতিতালয়ের দেখভাল করেন, বাস্তবের লালখালির মাগিপাড়ায় এমন সর্দারনি আছেন তিনজন। এরা যদি কোনো নামকরা ক্রাইম অর্গানাইজেশনের সর্দার হতেন, তবে নানারকম সাহিত্যিক খেতাব এদের তিনজনের কপালে জুটতো। তবে পতিতাবৃত্তি তেমন ‘এলিট’ ক্রাইম না। যেকারণে সস্তা এক পরিচয়ই পেয়েছে জায়গাটা –”তিন মাগির পাড়া।”

    প্রিয়াংকা এখানে কাজ করে দেড় বছর ধরে। তার জীবনের একটা আলাদা গল্প আছে। প্রিয়াংকা আজীবন ভেবে এসেছে সে ‘আলাদা’, তার গল্পটার গুরুত্ব অন্যরকম। আর সবার মতো তো সে নয়। তবে এখানে আসার পর সে বুঝতে পেরেছে তার জীবনের গল্পটা তেমন গুরুত্বপুর্ণ নয়। কারণ, আসলে সবাই ‘আলাদা’, একজনের গল্পের গুরুত্ব অন্য কারও চেয়ে কম না। একেকজনের ভাগ্য পরিবর্তনের গল্পটা অপরজনের চেয়ে কম রোমাঞ্চকর নয়, বরং একের থেকে অন্যের গল্পের ট্র্যাজেডিটা উত্তরোত্তর বেড়ে চলে। গুরুত্ব রাখার মতো তথ্য একটাই, প্রিয়াংকা তার আসল নাম নয়। আসল নামটা আরও সুন্দর, তবে ব্যবসার জন্য যথেষ্ট চটকদার না।

    ফুলি খালা যখন ডেকে বললেন আজকে ক্লায়েন্ট বাইরের, তখন প্রিয়াংকার মন হঠাৎ করেই ভালো হয়ে গেলো। বিকালে তাকে বাজারে কেনাকাটা করতে দেখলে কেউ ঘুণাক্ষরেও সন্দেহ করতে পারবে না এই মেয়েটি একজন পতিতা। অসাধারণ ঢেউ খেলানো চুল আর পরিপূর্ণ ভরাট মুখখানির সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের ছাত্রির মিল রয়েছে, পতিতাদের নয়। প্রিয়াংকার ধারণা মাথায় সামান্য বুদ্ধি থাকলে সময় থাকতেই এই পথ থেকে সরে আসা সম্ভব। টাকা সে জমাচ্ছে, তবে আরও তিন চার বছর এখানে কাজ করতে হবে। তারপর গ্রামের বাড়িতে ফিরে গিয়ে একটা বুটিক শপ দেবে সে। খামার করবে। পতিতাবৃত্তিতে কতো টাকা তা অনেকেই জানে না। পাঁচ বছরের ব্যবধানে নিজের একটা ব্যবসা করার কথা অঁজ পাড়াগায়ের কোন মেয়েটা ভাবতে পারতো? গতানুগতিক পথে টাকা কামানোর চেষ্টা করলে পড়াশোনা করতেই হতো আরও ছয় সাত বছর। সবে কলেজের ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রি হতো সে। তারপর দুই বছর ধরে কলেজের পড়াশোনা করো। এইচএসসিতে ভালো রেজাল্ট করো। তারপর ভর্তি পরীক্ষা দাও। ভর্তি পরীক্ষায় বাদ পড়ে গেলে বাদ। প্রাইভেটে পড়ানোর মতো টাকা নেই তার রিটায়ার্ড স্কুল শিক্ষক বাবার

    বিশ্ববিদ্যালয়ে না পড়লে মানুষ বেশি বেতনের চাকরি দেয় না মেয়েদের। পড়লেও যে অনেক বেতন তেমন না। ছয় বছরের চড়াই উতরাই পার করে প্রিয়াংকা যখন চাকরি শুরু করতো, তখন সে থাকতো কপর্দকশুন্য। চাকরি করতো হয়তো, বুড়ো বাপ আর ছোটভাইকে টাকা দিতে হতো। টেনে টুনে সংসার চালিয়ে নিতো। কিন্তু নিজের ব্যবসা খুলে বসা আর হতো না।

    এরচেয়ে শরীর বিক্রি করা ভালো না? রূপ কম নেই প্রিয়াংকার, সেই সঙ্গে আছে সুশিক্ষিত বাবার কল্যাণে বিশুদ্ধ উচ্চারণে কথা বলার ক্ষমতা। পর্নো ভিডিও দেখে অনেক কৌশল রপ্ত করেছে সে। তিন মাগির পাড়া থেকে যে হাই ক্লাস এসকর্ট সার্ভিসগুলো বাইরে দেওয়া হয়, তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ড তার। এখানে আসা কাস্টোমারও তাকে পেতে চাইলে এক রাতের জন্য খরচ করতে হয় দশ হাজার টাকা। খদ্দের তাতে কমে যায়নি, বেড়েই চলেছে। খুব কম রাতই কাজ ছাড়া থাকতে হয় তাকে। এলিট শ্রেণির দেহবসায়ি হওয়ার বিশেষ সুবিধেগুলো সে পাচ্ছে ঠিকঠাক। এরই মধ্যে ব্যাংকে জমিয়ে ফেলেছে ত্রিশ লাখ টাকা। এই কাজে বেশ্যালয়ের বেতনের থেকে খদ্দেরদের খুশি হয়ে দেওয়া উপরিই বেশি। কোটি টাকা নিয়ে ব্যবসায় নামবে যখন, তাকে আর এই পথে ফিরে আসতে হবে না।

    চেহারা আর শরীর একটু ভালো হলে ওসব চব্বিশ-পঁচিশ বছর ধরে পড়াশোনা করে ফকিরের জীবন যাপন করার পথে মাথায় বুদ্ধি থাকলে কোনো মেয়েই যাবে না বলে প্রিয়াংকার বিশ্বাস। বুদ্ধি বিক্রি করে শিক্ষকরা ছাত্র পড়ান, বুদ্ধিটা বিক্রি করেই টাকা নেন মাস শেষে। কারণ, তাদের বুদ্ধিটা ভালো, বিক্রি করার মতো। যার তার বুদ্ধি তো কেনে না মানুষ। নয়তো কম সিজিপিএ ধারীরাও শিক্ষক বনে যেতো।

    তাহলে কারও যদি সুন্দর শরীর থাকে সে কেন সেই শরীর বিক্রি করতে পারবে না? মানুষ তো টাকা দিয়ে কিনতে আগ্রহি আছেই। এই কেনাবেচা কেন খারাপ? আত্মসম্মান হারানোরই বা আছেটা কি? প্রিয়াংকা এসএসসিতে গোল্ডেন ফাইভ পাওয়া ছাত্রি। সে এতটুকু জানে মানুষ একটা বায়োলজিকাল প্রাণি। তারা হাগামুতা যেমন করে, তেমন পুরুষ-নারীর সঙ্গেও যৌন সহবাস করে থাকে। এগুলো একই বিষয়, আলাদা কিছু নয়। ভাত খাওয়া যদি অপরাধ না হয়, যৌনসংস্রবও অপরাধ নয়। কারণ, দিন শেষে মানুষ একধরণের জানোয়ারই। যদিও নিজেদের মহৎ করে তুলে ধরার জন্য, শ্রেষ্ঠ প্রাণি হিসেবে পরিচয় দেওয়ার জন্য তারা বাড়তি পার্থক্য গড়ে তুলতে চায়। এসবই বাজে কথা। মানুষ তার বুদ্ধির জন্য শ্রেষ্ঠ। সেজন্য নিকৃষ্ট বুদ্ধির প্রাণিদের সবই বর্জন করার চেষ্টা তারা করবে কেন? এটাই তো নির্বুদ্ধিতা। নির্বোধ না হলে প্রাণি হয়েও নির্দোষ প্রাণিসত্তা অস্বীকার করে কেউ? অস্বীকার করবেই বা কি করে, বীরপুরুষেরা কি পারবে স্বপ্নদোষ ঠেকাতে?

    প্রিয়াংকা নিজেকে চোখ রাঙায়। ক্লায়েন্টের সঙ্গে বাইরে যাওয়ার ডাক আসলে একটু দার্শনিক চিন্তার বিলাসীতা করা তার পুরোনো অভ্যাস। এতে তার দোষ সামান্য। বড়লোক ক্লায়েন্টদের সঙ্গে মেলামেশার মজা আলাদা। ডাক আসলে প্রিয়াংকার শরীর ঝমঝম করে। বিবাহপূর্ব অথবা বিবাহউত্তর, যতোক্ষণ অংশ নেওয়া প্রতিটি পক্ষ স্বেচ্ছায় কাজটা করছে একে কখনও পাপ হিসেবে দেখেনি সে। যৌনতা স্বাভাবিক একটা মানববৃত্তীয় বিষয়। এটা উপভোগের বিষয় হতে পারে, পাপের নয়। যখন ঝাঁ চকচকে পোষাকে প্রিয়াংকা বের হয়ে এলো, তখনও তার মাথায় এসব উদ্ভট চিন্তাভাবনা ঘুরছে। শরীর ঝমঝম করছে অনাগত উত্তেজনার কথা ভবে।

    বাইরে ওকে সঙ্গে করে নিয়ে এলেন রমজ” ভাই। এই মানুষটার মতো নির্মোহ মানুষ প্রিয়াংকা তার গোটা জীবনে দেখেনি। ওদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন তিনি। কোমরে একটা বিশাল পিস্তল সব সময় থাকে, আর তা ক্লায়েন্টদের দেখানোর ক্ষেত্রে তিনি সমান সচেষ্ট। লুকোছাপায় নয়, অস্ত্র প্রদর্শনই এখানে মঙ্গলজনক। রমজান ভাই কখনও তাদের দিকে খারাপ নজরে দেখেননি। এমনকি প্রিয়াংকার বিখ্যাত বুকজোড়ার দিকেও কখনও আলাদা করে তাকাননি। পতিতাদের মুখের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন তিনি, কখনও কাউকে স্পর্শ করেন না। এবং কথা তিনি বলেন যথাযোগ্য সম্মান দেখিয়েই। যেমনটা স্কুল-কলেজে গেলে শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে করে থাকে সভ্য জগতের মানুষ। রমজান ভাই ক্লায়েন্টের সঙ্গে একবার ঠিকমতো কথা বলে নিলেই তারা নিজেদের বাড়িতে গিয়ে ‘মিসবিহেভ’ করার আগে কয়েকবার ভাবে। তারপরও যদি কেউ তেমন কিছু করে ফেলে, খদ্দেরের ঠিকানা তো আর রমজান ভাইয়ের অজানা নয়। তিনি ব্যবস্থা নেন। অন্তত সবাই তেমনটা জানে, রমজান ভাই কি ব্যবস্থা নেবেন তা দেখার জন্য কেউ কোনো মেয়েকে বাইরে নিয়ে অত্যাচার করার সাহস করেনি। যমরাজও নাকি ভগবানকে ভয় পায়। সেরের ওপর সোয়া সের থাকে, সোয়া সেরের ওপরও দেড় সের থাকে।

    রাস্তায় বের হয়ে ক্লায়েন্টের গাড়িটা দেখে প্রিয়াংকার উত্তেজনা বেড়ে গেলো। এই গাড়ি কারও ব্যক্তিগত যান হতেই পারে না। সামনের ছোট্ট স্টারটা স্থানীয় এক রেন্ট-এ-কারের। অর্থাৎ খদ্দের শহরের বাইরে থেকে এসেছে। এধরণের খদ্দেরদের সে বেশি ভালোবাসে। কারণ, এদেরই মানিব্যাগ বেশি ফুলে থাকে! আরও একবার উপলব্ধি করলো সে, নিজের কাজটাকেও সে প্রচণ্ড ভালোবাসে। আর সব ব্যাকডেটেড পতিতার মতো শরীরবৃত্তীয় কুসংস্কার না থাকার কারণেই হয়তো নিজের কাজটাকে সে ভালোবাসতে পেরেছে মন থেকে।

    গাড়ির কাছে যেতে গ্লাসটা নেমে গেলো। প্যাসেঞ্জার সিটের দিকে ইশারা করে শিয়া ছোট্ট করে শুধু বলল, “উঠে পড়ো।”

    বিস্ময়ে বোবা হয়ে গেছে প্রিয়াংকা। লেসবিয়ান সেক্স? এই পেশায় ঢোকার সময় সমকামিত্বে আপত্তি নেই বলে জানিয়েছিলো সে। তবে দেড় বছরে একটা মেয়ে খদ্দেরও পায়নি। এই দেশে মেয়েরা সমকামিত্ব টাকা দিয়ে কেনায় এখনও অভ্যস্ত হয়নি মনে হচ্ছে। সমকামী ছেলেরা তো দিব্যি চালাচ্ছে

    ব্যবসা। মেয়েদের বেলায় পশ্চাৎপদতা অকারণ।

    “এরকম একটা রাতের জন্য অনেকগুলো মাস অপেক্ষা করেছি আমি। আপনাকে ধন্যবাদ।” আলতো করে একটা হাত ড্রাইভিং সিটের মেয়েটার উরুতে রাখলো প্রিয়াংকা।

    পতিতার মুখে বিশুদ্ধ উচ্চারণ শুনে মোটেও অবাক হলো না শিয়া। সেরা মানুষটাকেই সে ভাড়া করতে পেরেছে জেনে বরং সন্তুষ্ট হলো।

    “আমি তোমার ক্লায়েন্ট, তবে নিজের জন্য চুক্তিতে আসছি না তোমার সঙ্গে। আমার দুই বন্ধুর জন্য দরকার তোমাকে।”

    হাতটা উরু থেকে সরিয়ে ফেললো প্রিয়াংকা, অবশ্যই সপ্রতিভ ভঙ্গিতে। এই গোপনীয়তার বিষয়টা সে এবার বুঝতে পেরেছে।

    শিয়ার উদ্দেশ্যে চোখ টিপলো একবার, “ডোন্ট ওরি। আই লাভ থ্রিসাম।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }