Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪১

    অধ্যায় ৪১

    বিকট শব্দে টেবিলের ওপর পিস্তলটা আছড়ে ফেললো তোফায়েল। এক থাবায় টেবিলের ওপর থেকে ফেলে দিলো দুটো মদের বোতল। প্রকাণ্ড এক লাথি বসিয়ে দিলো চেয়ার। হাল্কা-পাতলা সরকারি চেয়ার সেই লাথির প্রচণ্ডতা সহ্য করতে পারলো না। কিছুদূর গিয়ে গড়িয়ে পড়লো, গড়াতে গড়াতেই চলে গেলো ঘরের অন্য প্রান্তে।

    “মাগির পরিচয়টা জানতে পারলে দুই মিনিটে নিকেশ করে দিতাম। হারামজাদি!” পিস্তলটা আবার তুলে নিয়ে উন্মাদের মতো ঝাঁকাতে ঝাঁকাতে বলল সে।

    রেদোয়ান দু-হাত পকেটে পুরে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হঠাৎ ক্ষেপে যাওয়ায় তার খ্যাতি তোফায়েলের চেয়ে বেশি। অথচ এখন তাকেই তুলনামূলক শান্ত মনে হচ্ছে। বিপদে পড়লে রেদোয়ানের মাথা ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

    শান্ত গলাতেই জানতে চাইলো সে, “মেয়েটা তোকে আবারও ফোন করেছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “আর তোর কাছে ঐ কার্ডটা চেয়েছে?”

    মাথা নাড়লো তোফায়েল, “তারা বলতে চাইছে কার্ডটা তারা অবশেষে হাতে পেয়েছে।”

    “যথারীতি তারা ঐ রাতে আমাদের বলা কোনো একটা লাইন শুরুতে বলেছে?”

    “হ্যাঁ। তুই ঘোড়া ডিঙ্গিয়ে ঘাস খাওয়া নিয়ে একটা কিছু বলেছিলি, সেইটা। এই মেয়ে সে রাতে ওখানে ছিল না, আমি শতভাগ নিশ্চিত। তাকে কেউ ব্যবহার করছে।”

    “এই মাত্র বললি সেখানে আমরা কি বলছি তা এই মেয়ে গড়গড় করে বলে যাচ্ছে। আবার কি করে বলিস সে ওখানে ছিল না?”

    “ওখানে কেউ ছিল। চারপাশ অন্ধকার থাকে, আমরা খেয়াল করিনি 1 কোনো মাদারচোত জঙ্গলে গিয়ে শুয়ে থাকবে ঐ হতচ্ছাড়া জায়গায় তা আমরা কি করে জানবো? কিন্তু যে হারামজাদা ওখানে ছিল সে কোনো মেয়ে না। আমাদের ক্যাম্পাসের কোনো ছেলে সে। এখন এই মেয়েকে ব্যবহার করে আমাদের থেকে ব্ল্যাকমেইল করতে চাচ্ছে হয়তো।”

    “এই মেয়ে কি তার বান্ধবি?”

    “হতে পারে। কি আসে যায়? আমার মনে হয় এই মেয়ে আমাদের ভার্সিটিরই না। তাকে গলা শুনে চেনার কোনো উপায় আমার নাই বলেই একে ব্যবহার করা হচ্ছে।”

    বুকপকেট থেকে একটা বেনসনের প্যাকেট বের করে ধরালো রেদোয়ান, “ফাইন। এখন আমরা তাহলে কি তাদের ফাঁকা থ্রেট খেতে থাকবো? নাকি পাল্টা ফাঁদ পাতবো?”

    অন্ধকারে এক বিন্দু আলোর দেখা পেলে যেমন উৎসাহ নিয়ে মানুষ তাকায়, তেমনই দৃষ্টি বন্ধুর মুখে ফেললো তোফায়েল, “তুই ফাঁদ পাতবি কি করে?”

    ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার আগে রেদোয়ান শুধু বলল, “বিষয়টা আমার ওপর ছেড়ে দে তুই।”

    *

    হঠাৎই কালো হয়ে এসেছে ঢাকার আকাশ। অলসভঙ্গিতে পড়ছে বৃষ্টির ফোঁটা, যেন শহরটিকে ডুবিয়ে দিতে তাদের কোনো তাড়াহুড়ো নেই। এটা ঘটবেই, যেন তারাও জানে। সামান্য সময়ের ব্যবধান মাত্র, তারপর ডুববে শহর কোমর পানিতে সাঁতরাবে নগরবাসী। ছয় কিলোমিটার ধরে লেগে থাকবে টানা জ্যাম। সুভাসের এসইউভির ভেতর বসে দৃশ্যকল্পটার সঙ্গে নিজের সাদৃশ্য শিয়া পরিস্কার দেখতে পেলো। ভাইয়ার সঙ্গে কি ঘটেছিলো তা সে অচিরেই জানতে পারবে, সময়ের ব্যাবধান মাত্ৰ।

    কোকড়া চুলের পরচুলাটা ঠিকমতো শিয়ার মাথায় বসিয়ে দিলো সুভাষ আইল্যাশ ঠিকমতো বসালো। তারপর যত্নের সাথে দুই চোয়ালে লাগালো সিনথেটিক প্যাড। চোয়ালের হাড় সামান্য উঁচু মনে হচ্ছে এখন, রূপ বাড়লো বই কমলো না। চোখের নিচে নকল ট্যাটুটা পরিপাটি করে বসানোর পরই অন্য এক মেয়েতে পরিণত হলো শিয়া।

    “সব কিছু বাই দ্য বুক করবে। দেখবে কি সহজ একটা কাজ এটা।” উষ্ণ হাসি সুভাষের মুখে, “নার্ভাস?”

    “খানিকটা।” সুভাষ ছাড়া আর কেউ হলে মরে গেলেও স্বীকার করতো না

    “স্বাভাবিক। এর আগে কখনও কারও প্রাণ নাওনি তুমি। সবকিছুরই প্রথম আছে।” ওর ঘাড়ের পেছনে হাত জড়িয়ে নরোম কিন্তু গভির চুম্বন উপহার দিলো সিনিয়র অনুশীলনী। প্রেমিকের বুকে বাম হাত ঠেকিয়ে তার সুগঠিত পেশি অনুভব করলো শিয়া। আড়ষ্টতা দূর হয়ে গেলো নিমেষেই।

    গাড়ির দরজা খুলে যখন নেমে এসেছে, ওর হাত আর কাঁপছে না। মাথার ওপর কুচকুচে কালো আকাশ, ভর দুপুরেও মনে হচ্ছে সন্ধ্যার আলো। কারও প্রাণ হরণের জন্য একেবারে মানানসই আবহাওয়া। শিয়ার মনে হলো বাংলাদেশ তাকে ভালোবাসা জানাচ্ছে। এসো হে কন্যা, আমাকে আবর্জনামুক্ত করো। ভালোবাসায় সিক্ত করলাম তোমায়।

    জ্যাকেটটা দু-হাতে চেপে ধরে লম্বা পায়ে এগিয়ে গেলো সদর দরজার দিকে। পনেরো ফিট উঁচু দেওয়াল। তার ফাঁকে বসিয়ে দেওয়া প্ৰধান ফটক। কারুকার্য দেখে মনে হবে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রির বাসভবন থেকে খুলে আনা। ভেতরে প্রাসাদসম ডুপ্লেক্স। মজার ব্যাপার হলো, এই বিলাসবহুল বসতবাড়ি কোনো প্রধানমন্ত্রির বাসভবন নয়। এটা স্বাধীন বাংলাদেশের একজন মন্ত্রির বাড়ি। সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি চমৎকার এক সরকারি ফ্ল্যাট পান। প্রতিটি সংসদ সদস্যের জন্যই রয়েছে ফ্ল্যাটের বরাদ্দ।

    ঐ ফ্ল্যাট তিনি ভাড়া দিয়ে দিয়েছেন। ভাড়া বাবদ প্রতি মাসে কড়কড়ে ষাট হাজার টাকা আদায় করেন। ভদ্রলোকের দয়ার শরীর, ঐ বিরাট ফ্ল্যাটের ভাড়া আশি হাজারের কম হওয়া উচিত নয়। তিনি কতোটাই না কমিয়ে রেখেছেন। সরকার কা মাল, দরিয়া মে ঢাল। তিনি দরিয়াতে মাল ঢালেননি, নগদ কিছু ভাড়ার বিনিময়ে জনগণকে ফিরিয়ে দিয়েছেন জনগণের সম্পদ। প্রাসাদসম ডুপ্লেক্স থাকতে ঐ ছোট্ট ফ্ল্যাটে বাস করবে কোন গর্দভ?

    পুঁজিবাদের ভয়াবহ থাবার প্রকৃষ্ট উদাহরণ!

    জনগণের সম্পদ অপচয় করার জন্য এরকম আড়াইশ’ সংসদ সদস্যের নাম অনুশীলন সমিতির হাতে এসেছে। একজন একজন করে দেশের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার শাস্তি ভোগ করবে। এর একটা অংশ হতে পেরে শিয়া গর্ববোধ করছে। ঝলমলে মুখে প্রধান ফটকের সামনে দাঁড়ালো সে।

    ধারণার চেয়েও সহজ হলো কাজটা। দারোয়ান তাকে একটা প্ৰশ্ন পর্যন্ত করলো না। নোংরা আর তেলতেলে একটা হাসি মুখে নিয়ে দরজাটা খুলে দিলো সে। আজকে এসময় একজন এসকর্টের সঙ্গে মন্ত্রিমহোদয়ের অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে। এমনটা মন্ত্রিসাহেবের অন্যায় বলে দারোয়ান শামসু মিয়া মোটেও ভাবে না। ঘরের বউয়ের বয়স পঁয়তাল্লিশ ছাড়িয়ে গেলে অল্প বয়েসী মেয়েদের সঙ্গ যে কোনো পুরুষই প্রত্যাশা করতে পারে। ভদ্রলোকের যেহেতু টাকা আছে, আশা পূর্ণ করতে সমস্যা কোথায়?

    আজকের মেয়েটাকে দেখে শামসু মিয়ার চোখ চকচক করে উঠলো একেবারে টসটসে। এসকর্ট সার্ভিসগুলো ড্রেসআপে সচেতন, তাদের প্রোডাক্ট দেখা মাত্রই গা ঝিমঝিম করে উঠবে যে কোনো পুরুষের। মন্ত্রির জন্য আজেবাজে মেয়ে পাঠাবে এমন সাহস কোনো এসকর্ট সার্ভিসেরই নেই। বিশেষ করে যখন এই মন্ত্রির মদদেই অর্ধশতাধিক এসকর্ট সার্ভিস নির্বিঘ্নে শহরজুড়ে ব্যবসা চালাচ্ছে!

    দারোয়ানের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসলো শিয়া। এই লোক তাকে মনে রাখবে। খুব ভালো ভাবেই মনে রাখবে। তবে পুলিশের কাছে যখন স্বীকারোক্তি দেবে তখন সে মনে করতে পারবে মেয়েটির মুখের উল্কির কথা, মনে করতে পারবে অদ্ভুত কটা চোখের কথা, মনে করতে পারবে সুন্দর উন্নত চোয়ালের কথা, আকর্ষণীয় কোকড়া চুলের কথা। কিন্তু এগুলো কোনোটাই শিয়ার শরীরের অংশ নয়।

    “সোজা চইলা যান। গেট খুলা আছে।” দারোয়ান অভয়ের সুরে বলল।

    এতোই সহজ তাহলে সব! কোনো চেকআপ নেই। অস্ত্র খোঁজার ব্যাপার নেই। মেটাল ডিটেক্টর নেই! থাকলেও সমস্যা হতো না, শিয়ার কাঁধের ব্যাগে চমৎকার সব কুঠুরি আছে। মেটাল ডিক্টেটর এটাকে আটকাবে ধাতব ডিজাইন করা হ্যান্ডেলের কারণে। তারপর গার্ড এটা খুলে দেখবে। টিপে দেখবে। সাপ্রেসরটাও খুঁজে পাবে না তারা, পাবে না পিস্তলের অন্যান্য যন্ত্রাংশ। ডেরিঞ্জারের পার্টস এতো ক্ষুদ্র করেই বানানো হয়! এদেশের অনেক সিকিউরিটি এতো ছোটো পিস্তলের জন্য চেকই করে না।

    আলিশান বাড়িটায় ঢুকে পড়লো শিয়া। এদের ড্রইংরুমে অনায়াসে ক্রিকেট খেলা যাবে। সেখানেই পাওয়া গেলো খানসামাকে। যত্নের সাথে তাকে ‘সাহেবের’ বেডরুমে নিয়ে এলো সে। বিনয়ের সাথে জানালো, সাহেব এখন সংলগ্ন বাথরুমে। সাফ সুতরো হয়েই বেরুবেন তিনি। ততোক্ষণ বেডরুমে অপেক্ষা করতে পারবেন কি ‘ম্যাডাম’? কিছু কি লাগবে? ঠাণ্ডা, গরম?

    তাকে খালি হাতেই ফেরত পাঠালো শিয়া। অ্যাটাচড বাথরুয়মের ভেতর থেকে পানি পড়ার শব্দ আসছে। বিশাল বিছানাটার আস্ত হাতি ঘুমাতে পারবে। একপাশে দেওয়ালের বদলে পুরোটাই জানালা। সৌভাগ্যের বিষয়, পুরো পাশটাই পর্দা টানা এই মুহূর্তে। বিছানার বরাবর সামনে স্টেডিয়ামের বিগ স্ক্রিনের সমান একটা টিভি। সিএনএন চলছে সেখানে, শব্দ নেই।

    যে কোনো মিশনে হাসিমুখে শিকারের সঙ্গে বিছানায় যাওয়ার শারীরিক ও মানসিক ট্রেনিং আছে শিয়ার। অনুশীলন সমিতির ইন্সট্রাক্টর ফাইনাল সার্টিফিকেট দেওয়ার আগে ‘ডেমো মিশন’-এ তাদের পাঠিয়েছেন। বাইরে জগতে সেসব ডেমো মিশন। আজকের মতোই, ড্রাইভ করে টার্গেটের বাড়িতে যাওয়া। টার্গেটের সঙ্গে বিভিন্ন পরিবেশে দেখা হওয়া। বিভিন্ন রকম ব্যবহার সেসব ডামি-টার্গেট করতো। মোট দশটি ডেমো-মিশনের সাতটিতেই ডামি–টার্গেটরা তাকে বিছানায় তুলেছে। চতুর্থবারের পরই অচেনা মানুষের সঙ্গে বিছানায় যাওয়া নিয়ে আর অস্বস্তিবোধ হয়নি ওর। এটা তেমন কোনো বড় ব্যাপার না এখন। এই ডামি-টার্গেটরা সবাই কমিউনিস্টি পার্টির লোক। তাদের দেওয়া চরিত্রে তারা রোল প্লে করেছে। প্রতিবারই সফলভাবে টার্গেটকে ‘হত্যা’ করেছে শিয়া। ক্যামেরায় আটকায়নি, সিকিউরিটি আটকাতে পারেনি। অতি অবশ্যই, ডেমো-মিশনে তার সঙ্গে আসল পিস্তলের বদলে থাকতো ডার্ট গান। ছুরিগুলোও আসল নয়, সেন্সর বসানো স্প্রিংয়ের ছুরি। ডেডলি হিট ডিটেক্ট করার জন্য ডামি-টার্গেটই যথেষ্ট। এরাও প্রকৃতপক্ষে অন্য শাখার ইন্সট্রাক্টর। তারাই মার্কিং করে থাকে, ফেল করলে বাদ।

    অথচ বাস্তব জীবনের প্রথম মিশনটা মোটেও কঠিন হলো না শিয়ার জন্য। কোনো রকম তাড়াহুড়ো না করে বিছানায় বসে একটা একটা করে গোপন কুঠুরির ভেতর থেকে প্রতিটা পার্টস বের করে আনলো সে। তারপর সাপ্রেসরটা বসালো অস্ত্রের সামনে। ভ্যানিটি ব্যাগটা যত্ন করে বাম কাঁধে ঝুলিয়ে ডান হাতে পিস্তলটা তুলে নিলো তারপর, গুলিবর্ষণের জন্য সম্পুর্ণ প্রস্তুত অস্ত্রটা। খুব শান্ত পায়ে হেঁটে এসে অ্যাটাচড বাথের দরজা বরাবর বিছানায় বসে রইলো, যতোক্ষণ না ভেতরে পানি পড়ার শব্দ বন্ধ হয়।

    এর দশ মিনিটের মাথায় খুট করে দরজাটা খুলে যায়। পঞ্চাশোর্ধ্ব ফর্সামতো একজন মানুষ সম্পূর্ণ বিবস্ত্র হয়ে বাথরুম থেকে বেডরুমে ঢুকতে যাচ্ছে, ঠিক তখনই একবার মাত্র গুলি করলো ও।

    মন্ত্রি মহোদয় শিয়ার অস্ত্রটা দেখার সুযোগ পর্যন্ত পেলেন বলে মনে হলো না। যে গতিতে ভেতরে ঢুকছিলেন, তার দ্বিগুণ গতিতে বাথরুমের ভেতর ফিরে গেলেন তিনি। বুলেটটা ডান চোখের সামান্য ওপর দিয়ে ঢুকেছে, মস্তিষ্ক ভেদ করেছে নিঃসন্দেহে। মারা গেছেন তৎক্ষণাত।

    নিজের শরীরের দিকে নজর দিলো শিয়া। এতোদূরে রক্তের স্প্রে আসেনি। বিশেষ কায়দায় ভ্যানিটিব্যাগের নিচের কুঠুরিতে পিস্তলটা ঢোকালো সে। এভাবে রাখা হলে ব্যাগের ভেতর হাত ঢোকানোর প্রয়োজন পড়বে না; বাইরে থেকেই অস্ত্রটার বাট আর ট্রিগার ধরতে পারবে যখন ইচ্ছে। কাঁধের সঙ্গে ঝুলে থাকা ব্যাগের সঙ্গে রেডিমেড শুটিং উইপন-বুয়েটের এক ছাত্রের ডিজাইন, কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। এদেশে এমন কতো প্রতিভা আছে কে জানে! পুঁজিবাদের আমলে তাদের প্রতিভার কদর পাওয়ার সুযোগ সামান্য।

    ড্রইং রুমের ফ্লাওয়ার ভাসগুলোর কাছে পাওয়া গেলো পরিচারক ছোকরাকে। এদিকে পিঠ ফিরিয়ে একটা ব্রাশ দিয়ে ভাস পরিস্কার করছে সে। তার দশ ফিট দূরে দাঁড়িয়ে নিঃশব্দে থামলো শিয়া, আরেকবার ফায়ার করলো। সাপ্রেসরের কল্যাণে থুতু ফেলার মতো মৃদু একটা শব্দ হলো কেবল। তিনটা ভাসসহ ভেঙেচুড়ে পড়ে গেলো পরিচারকের দেহ। ঘাড়ের রগের সামান্য ওপর দিয়ে মাথায় ঢুকেছে বুলেট, শিরোশ্ছেদের সঙ্গে কোনো পার্থক্য নেই ‘কজ অব ডেথের’। মৃত্যুপথযাত্রী লোকটা যা সামান্য শব্দ করছে তা আলিশান বাড়ি ভেদ করে বাইরে যাওয়ার সম্ভাবনা শুন্য। মেইন গেট থেকে বের হওয়ার আগে নবের লকটা লাগিয়ে দিলো ও, তারপর বাইরে থেকে টেনে লাগিয়ে দিলো দরজা। এটার ডুপ্লিকেট চাবি মিসেস মন্ত্রির কাছে আছে, তিনি পার্লার থেকে ফিরে আসার আগ পর্যন্ত কেউ ভেতরে ঢুকতে পারবে না। অর্থাৎ ততোক্ষণে লাশগুলো কেউ আবিষ্কার করে বসবে এমন সম্ভাবনা নেই। সময়টা সেফ হাউজে ফিরে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট।

    ভ্যানিটি ব্যাগের নিচ থেকে হাত সরিয়ে ফেলেছে শিয়া। প্রয়োজনে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যে ড্র করতে পারবে অবশ্য। তড়িৎগতি নিশ্চিত করার আগে কাউকে অনুশীলন সমিতির ডেমো-মিশনে পাঠানো হয় না। বাস্তব মিশন দূরে থাকুক!

    দারোয়ান তার দিকে সন্দেহের দৃষ্টিতে তাকালো। এতো দ্রুত বের হয় না সাধারণত এসকর্ট মেয়েগুলো। তার দৃষ্টি হাস্যোজ্জ্বল মুখেই ফিরিয়ে দিলো শিয়া। ঢলে পড়া সুরে বলল, “মিসাস চলে আসছেন। আজকে আর হলো না।”

    কি ‘হলো’ না তা ভেবেই দারোয়ানের মুখে কুৎসিত একটা হাসি ফুটে উঠলো। শিয়ার ইচ্ছে করছে এই ব্যাটাকেও একটা গুলি করে দেয়। তবে এটা করা যাবে না। নিতান্ত ঠেকায় না পড়লে কোনো ‘আউট ইন দ্য ওপেন টার্গেট’কে ‘এনগেজ’ করা চলবে না। এই দারোয়ান ব্যাটা ‘আউট ইন দ্য ওপেন টার্গেট’।

    রাজকীয় প্রধান ফটক টপকে বেরিয়ে পাশের রোদে পার্ক করে রাখা ভুয়া নাম্বারপ্লেট বসানো সুভাষের আসল এসইউভির কাছে পৌছে লক্ষ্য করলো ঢাউস জ্যাকেটটা পরে ড্রাইভিং সিটের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ছেলেটা। ঐ জ্যাকেটের নিচে আজ যা যা সে নিয়ে এসেছে তা দিয়ে গোটা গুলশান দখল করে ফেলা চলে। শিয়ার ব্যাকআপের এক হাত এরই মধ্যে দরজার হাতলে চলে গেছে। তার উদ্দেশ্যে আলতো করে একবার মাথা দোলালো ও, অর্থ : কাজ শেষ।

    যান্ত্রিক দক্ষতায় দু’জন দু’পাশ থেকে গাড়িতে উঠে বসলো। মসৃণ গতিতে গাড়িটা ছেড়ে দিলো সুভাষ, যেন কোনো তাড়াহুড়া নেই। কিছুই ঘটেনি এখানে। বিশ মিনিট পর একটা সিগন্যালে আটকে গেলো ওদের গাড়ি। ততোক্ষণে শিয়া তার নিজস্ব চেহারা ফিরে পেয়েছে। মেকআপের সব উপকরণ একটা প্লাস্টিক ব্যাগে প্রস্তুত, সেফ হাউজের চুলোয় পুড়ে মরার জন্য। বাতিটা সবুজ হওয়ার জন্য অপেক্ষা করছে দু’জনে, প্রথমবারের মতো কথা বলল সুভাষ।

    “ইউ ডিড গুড। দারুণ একজন অ্যাসাসিন হতে যাচ্ছো তুমি। আই অ্যাম সো প্রাউড অব ইউ। বাংলাদেশ তোমাকে নিয়ে গর্ব করবে একদিন, আমি নিশ্চিত।”

    জবাবে গিয়ার লিভারের ওপর দিয়ে তার দিকে ঝুঁকে এলো শিয়া। আলতো করে চুমু খেলো প্রেমিকের ঠোঁটে, “আই লাভ ইউ, সুভাষ।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }