Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪২

    অধ্যায় ৪২

    নিজের ক্যাম্পাসে ফিরে এসে মুহিব প্রথম যে কাজটা করলো তা হলো শেরে বাংলা হলে ঢুঁ মারা। আজ জাকির ঘরে মঞ্জুর একটা পিস্তল নিয়ে বসে ছিল না। পাতিনেতা একাই ছিল, আগেরদিনের মতোই চুলে রিবন নেই। লম্বা চুলগুলো নানাদিকে ছড়িয়ে আছে। ক্যাম্পাসের অনেক মেয়ের স্বপ্নপুরুষটি রুমের ভেতর লম্বা চুলগুলো খোলাই রাখে। আলগোছে শামসের টেবিলের দিকে তাকালো মুহিব, একেবারে ঝকঝক করছে। শুন্য টেবিল, শুন্য খাট। পাটাতন পর্যন্ত দেখা যায়। এখানে একসময় নিশ্চয় অনেক কিছু থাকতো। মঞ্জুর কিংবা জাকির টেবিলের মতোই অগোছালো ছিল শামসেরটা। নির্ঝরের অংশটা ফাঁকা ফাঁকা। নিজের বাড়ির কাছে বিশ্ববিদ্যালয় হলে কেউ পুরোপুরি হলে শিফট করে না। মাঝে মধ্যে দুই একদিন থাকা যেন যায় তেমনই জিনিসপত্র এনেছে সে। তার খাট আর টেবিলটাই সবচেয়ে বেশি গোছানো।

    “বসো, বসো। কাজটা করে নেই। তোমার সাথে জরুরি কথা আছে।” নিজের ল্যাপটপ থেকে মুখ না তুলেই বলল জাকি।

    বসার লক্ষণ দেখালো না মুহিব, ইতিউতি তাকাচ্ছে চারপাশে। বলল, “শামসভাইয়ের টেবিলে বসলে সমস্যা আছে, ভাই?”

    একটা হাত নেড়ে দুর্বোধ্য ভঙ্গি করলো জাকি। যার অর্থ খুব সম্ভবত: যেখানে মন চায় বসে পড়ো না হে! এতো বকর বকরের দরকার কি? কাজেই বসে পড়লো মুহিব। বাইরে এখনও শেষ বিকেলের আলো। তিন তলার এই ঘরে আর যারই অভাব থাকুক, আলোর কোনো অভাব নেই। নিজের স্মার্টফোনটা বের করে ফেসবুক ব্রাউজের অভিনয় করতে শুরু করলো মুহিব, আসলে টেবিলের প্রতিটা ইঞ্চি ধীরে ধীরে খালি চোখে এক্সপ্লোর করছে। ওপরের তল পুরোটা দেখে ফেললো, কোনো সন্দেহজনক খাঁজ নেই। একটা হাত টেবিলে অলসভাবে ফেলে রাখার ভান করে ধীরে ধীরে তলাটাও কেবল অর্ধেক পর্যন্ত পরীক্ষা করেছে, উচ্চস্বরে হাসির শব্দে ঘর ভরে উঠলো।

    ল্যাপটপ বন্ধ করে উঠে দাঁড়িয়েছে জাকি, মাথা নাড়ছে দুই পাশে।

    “নাই। আমরা তিনজন মিলে এই ঘরের প্রতিটা ইঞ্চি খুঁজেছি। ঐ মেমরি কার্ড তো পাইনি-ই, অন্য কোনো ডাটা স্টোরিং ডিভাইসও পাইনি।” মঞ্জুরের টেবিল থেকে একটা সিগারেটের প্যাকেট এনে নিজের খাটে বসলো সে,

    “এদিকে চইলা আসো। অযথা খোঁজাখুঁজি করে সময় নষ্ট করে লাভ নাই।”

    অগত্যা মধুসূদন বলে যে প্রবাদটা আছে তার সামনে নিজেকে পুরোপুরি সঁপে দিলো মুহিব। জাকির চেয়ার টেনে নিয়ে তার মুখোমুখি বসলো।

    “শামসভাই কার্ড ছাড়াই ওদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলো এমনটা আপনারাও সন্দেহ করেছিলেন?”

    একটা ভ্রু উঁচু করলো জাকি, “আমার বেস্ট ফ্রেন্ড কিভাবে চিন্তা করে তা আমি ভালো জানবো, না তুমি?”

    কাঁধ ঝাঁকালো মুহিব, “গতদিন এটা আমাদের বলেননি।”

    “কার্ডটা পেলে বলতাম হয়তো। যেটা পাওয়া যায়নি তার কথা তুলে লাভ কী?”

    এক সেকেন্ড সম্ভাবনাময় রাজনীতিবিদের দিকে তাকিয়ে থাকলো মুহিব। জাকি গ্রুপ কি শামসের মেমরি কার্ড পেয়ে গেছে? সম্ভবত না। ওটা তারা পেয়ে গেলে তোফায়েল এতোক্ষণে ইতিহাস হয়ে যেতো। অথচ ছোকরা বহাল তবিয়তেই ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া, রুমমেটরা সহজে নাগাল পাবে এমন কোথাও মেমরি কার্ড লুকাতে যাবে কেন সে? তাহলে নিজের ল্যাপটপেও রাখতে পারতো এর একটা কপি।

    “তা অবশ্য ঠিক।” অবশেষে জাকির মন্তব্য মেনে নেওয়ার ভান করলো মুহিব, “আপনার সাথে দেখা করার ইচ্ছে আমারও ছিল, ভাই। দু’-একটা প্রশ্ন আগের দিন করা হয়নি।”

    “শিওর।”

    “যেদিন তূর্ণা আপুকে এই হল থেকে কাঁদতে কাঁদতে বের হতে দেখলাম, আপনারা কি নিয়ে আলাপ করছিলেন?”

    “আসলে,” দীর্ঘশ্বাস ফেললো জাকি, “আমি তার সাথে কোনো কিছু নিয়েই আলাপ করতে চাইনি। জানো তো ওই সময় আমি বলতে গেলে রুম থেকেই বের হইনি। অথচ ঘটনাটার পর থেকে তূর্ণা আমাকে ফোন করে করে একাকার হয়ে যাচ্ছিলো। সে আমার সঙ্গে কথা বলবেই। ফোনে বলেছিলাম এই বিষয়ে আমিও কিছু জানি না কিন্তু সে দেখা করার জন্য মরিয়া হয়ে গেলো।”

    বাঁ হাতে সিগারেট নিয়ে লাইটার খুঁজে যাচ্ছে জাকি, তার ফাঁকেই কথা বলছিলো এতোক্ষণ। এবার বেশ অসহিষ্ণু হয়ে উঠলো সে, “আগুন-টাগুন আছে নাকি?”

    পকেট থেকে দুই টাকা দামের একটা ম্যাচ বের করে জাকিকে সিগারেট ধরিয়ে দিলো মুহিব।

    “তো, যা বলছিলাম,” গল গল করে ধোঁয়া ছাড়তে ছাড়তে বলল জাকি, “মেয়ে একেবারে হলে চলে আসলো। গেস্ট রুমে বসে আমার রুমে খবর পাঠিয়েছে, চিন্তা করতে পারো? নামতেই হলো।”

    “তারপর?”

    “নেমে ধরা খেয়ে গেলাম। আমার মাথায় তখন পুরো পেঁচানো ব্যান্ডেজ। তূর্ণা আর যাই হোক, বোকা না। এটার পেছনের কাহিনী জানতে চাইলো। তূর্ণাকে তো চেনো না, সে যদি চেপে ধরে তো শেষ। না বললে এমন সিন ক্রিয়েট করে বসবে যে মানুষ সন্দেহ করবেই।” সিগারেটে টান দেওয়ার জন্য ছোট্ট বিরতি দিলো জাকি।

    “সবটা বলে দিলেন?”

    “সবটা না। তোফায়েলের সাথে আমরা কি করেছি তা বলিনি। মেমরি কার্ড বিভ্রাটের কথা সে জানে না। শুধু জানে আমাদের সাথে পুরাতন বিরোধের জোরে এই কাজটা তোফায়েল করেছে। ওকে নির্ঝরকে তুলে নিয়ে যাওয়ার কাহিনীটা বললাম। আমি যে গাধার মতো ওদের ফাঁদে পড়েছিলাম তা জানালাম। আমার ফোন ব্যবহার করে ওরা শামসকে ওখানে ডেকে নিয়ে গেছিলো তাও বললাম। ঐ সময় গেস্ট রুম একেবারে ফাঁকা ছিল অবশ্যই।”

    “ব্যাপারটা তূর্ণা আপু কিভাবে নিলো?”

    “যতোটা খারাপভাবে নেওয়া যায়। আমাকে শামসের মৃত্যুর জন্য দায়ি করলো সে। একটা ছাতা নিয়ে এসেছিলো, খুব রোদ পড়েছিলো সেদিন। ঐ ছাতা সে আমার দিকে ছুঁড়ে মারলো প্রথমে, তারপর একটা পেপারওয়েট। চিৎকার করে কি সব যেন বলছিলো, তারপর কান্নাকাটি শুরু করে দিলো। ওকে যে ধরবো সেই সুযোগও দিলো না। হল থেকে বের হয়ে সোজা সামনে হাঁটা। কি করবো বুঝতে না পেরে আমিও বের হয়েছিলাম। সেই সময় তোমরা আমাকে দেখেছিলে।”

    সিগারেটের অবশিষ্টাংশ মুহিবকে দিয়ে দিলো জাকি। একটু অবাক হলেও সিগারেটটা নিলো মুহিব, এখনও অর্ধেক বাকি আছে। আজকে জাকিকে বাড়াবাড়ি রকমের বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে। শিয়াল কখন মুরগির ভাগ দেয়? মুহিব জানে না। ঘাড়ের পেছনের শিরশিরে অনুভূতিটা বাড়তি সতর্কতা নেওয়ার জন্য তাগিদ দিলো ওকে।

    “তোমার প্ল্যান কি? তোফায়েলের ব্যাপারটা নিয়ে কি করবা?” চলিত ভাষা ছাড়তে শুরু করেছে জাকি, অর্থাৎ সে সিরিয়াস হয়ে উঠছে ধীরে ধীরে।

    “আপাতত কিছুই না। মেমরি কার্ডটা পেলে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নিবো।”

    “আমরা বিশ্বাস করি ঐ মেমরি কার্ড এখন তোফায়েলের কাছে। শামসের ঘটনার পর এসব নিয়ে সে আর ঘাঁটায়নি। অর্থাৎ কোনো একটা কারণে সে সন্তুষ্ট। মেমরি কার্ড হাতে না এলে তার সন্তুষ্ট হওয়ার কথা না। সে এখন জানে তার বিরুদ্ধে কারও কোনো প্রমাণ নাই।” মুহিবকে চোখ ছোটো করে তাকাতে দেখে নিজের বক্তব্যটা শুধরে নিলো জাকি, “আদালতে টিকবে এমন কোনো প্রমাণের কথা বলছি।”

    “আমার সাক্ষ্য আদালতের রায়ে কোনো পরিবর্তন আনবে না?”

    শুষ্ক হাসি হাসলো জাকি, “তোমাকে আমি দোষ দেই না। আদালতের বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের অনেকেরই ভুল ধারণা আছে। বিষয়টা এমন না যে তুমি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলবা ঐ রাতে তোফায়েল-রেদোয়ানকে ভিক্টিমের গলা কাটতে দেখেছো আর গোটা আদালত বিস্ময়ধ্বনী করবে। ‘হা–আআআআ!’ টাইপ। বিবাদী পক্ষের উকিল একটু নড়ে চড়ে বসবে কেবল, তারপর ঐ ব্যাটা যদি ঘুষ খাওয়া লোক না হয়, তোমার সাক্ষ্যকে সে আধঘণ্টার মধ্যেই ধরাশায়ী করে ফেলবে। আমি উকিল না, কিন্তু তোমাকে বলি কোন প্রশ্নগুলো তোমার সাক্ষ্য স্রেফ উড়িয়ে দেবে।”

    মাথা দোলালো মুহিব।

    “প্রশ্ন নম্বর এক. মেশিন শপের পেছনে তখন কেমন আলো ছিল? ওখানে কোনো ল্যাম্প নেই, আলোর উৎস শুন্য।”

    “ঘুটঘুটে অন্ধকার ছিল।” স্বীকার করলো মুহিব। একেবারে ভূত দেখার উপযোগি অন্ধকারই ছিল সেরাতে। অমাবশ্যা।

    “প্রশ্ন দুই। ঐ আলোয় কি কারও চেহারা স্পষ্ট দেখা গেছিলো?”

    “না। তবে আমি গলার স্বরে চিনেছিলাম। রেদোয়ানকে নাম ধরেও ডেকেছিলো ওখানে, সে তার ট্রেডমার্ক গালিও দিয়েছে।”

    হাহা করে হাসলো জাকি, “শেষ তোমার সাক্ষ্যের বৈধতা। তুমি আউট দুই প্রশ্নেই কাত। এটা ছিঁচকে চুরি নিয়ে কথা হচ্ছে না, ব্রাদার, যে তোমার গলার স্বর চেনার ‘ক্ষমতা’র ওপর ভিত্তি করে একটা রায় হয়ে যাবে। এটা মার্ডার কেস। এতো অল্প বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে কোনো আদালতই কাউকে দোষী বলে রায় দেবে না। যদি রেকর্ড করে রাখতে পারতে কিংবা ছবি তুলতে পারতে, ওরা একটা ঝামেলায় পড়তে পারতো। তাছাড়া রেদোয়ান–তোফায়েলের কোনো ভয় নেই।”

    “ক্রাইম সিনে আমিও ছিলাম এটা তো তাদের মানতেই হবে?”

    “মাথা নাড়লো জাকি, “অবশ্যই। তোমার কথা আদালতে উপস্থিত সবাই বিশ্বাস করবে, মায় বিচারক পর্যন্ত। তুমি ওখানে ছিলে এবং খুনটা হতে দেখেছো। কিন্তু খুনি যে তোফায়েল আর রেদোয়ানই তার স্বপক্ষে তোমার সাক্ষ্য জোরালো না। তুমি বলেছো ওখানে আলো ছিল না। তুমি বলেছো শুধুমাত্র পরিচিত কণ্ঠের কারণে তুমি খুনিদের চিনতে পেরেছো। এইটুকুর ওপর ভিত্তি করে কাউকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় না কোথাও।”

    অতি সত্য কথা। মুহিব আদালত-মামলা ইত্যাদি নিয়ে এতো বিশদভাবে ভাবেনি। সে প্রথমে রহস্যটা উদঘাটন করতে চেয়েছে। রহস্য এখনও উদ্ধার হয়নি যেহেতু ওসব নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার অর্থ দুই ধাপ সামনের জিনিস নিয়ে চিন্তা করা। মুহিব এই ভুলটা কখনও করে না। সে কাজ করে তার বর্তমান নিয়ে। বর্তমানে আদালতে উপস্থিত হতে হচ্ছে না তাকে, তাই এসব নিয়ে ভাবতেও চায়নি এতোদিন।

    “তুমি এখন আদালত নিয়ে ভাবতে চাচ্ছো না, আমি জানি।” সবজান্তার ভেক ধরে জাকি বলল, “কিন্তু রাজনীতির মাঠে আমার যে কয় দিনের অভিজ্ঞতা তা থেকে একটা জিনিস ভালোমতো শিখেছি।”

    নতুন একটা সিগারেট ধরালো জাকির। যথারীতি মুহিবের ম্যাচ, জাকির সিগারেট। যৌথ উদ্যোগে অগ্নিসংযোজন। একারণেই কি তাকে আজ সিগারেটের ভাগ বেশি দেওয়া হচ্ছে? হতেও পারে।

    “শিক্ষাটা হলো, তুমি যাই করো না কেন তার শেষ ফলাফলটা সবার আগে বিবেচনা করতে হবে। প্রথম স্টেপ থেকে তুমি চিন্তা করবে শেষ স্টেপ। এভাবে ভাবার কারণে কি উপকারটা হচ্ছে আমাকে বলতে পারবে?”

    যেন ক্লাস নিতে ঢুকেছে প্রফেসর শাহাবুজ্জামান। পিত্তি জ্বলে গেলো মুহিবের। তবে শান্তভঙ্গিতেই উত্তর দিলো সে, “এতে করে আপনি যদি বুঝতে পারেন শেষ ধাপে ফলাফল শুভ না, তবে প্রথম ধাপেই থেমে যেতে পারবেন। সময় আর রিসোর্স বাঁচবে।”

    “ঠিক তাই। এভাবে চিন্তা করা আমার জন্য সহজাত একটা ব্যাপার হয়ে এসেছে। তুমি কি বুঝতে পারছো আদালতে তোফায়েলদের আটকে ফেলাটা যে অসম্ভব সেই দিকটা আমি নিশ্চিত হয়েছি? এই মাদারচোতকে আদালতে তুলতে পারলে আমার চেয়ে খুশি আর কেউ হবে না। কিন্তু কাজটা অসম্ভব।”

    জরুরি এবং গোপন মিটিংয়ে তাকে একাকি ডাকার কারণ কি? মুহিবের ধারণা, জাকি তার সঙ্গে মিষ্টিমধুর আলাপ করছে যেন তারা আদালতে না যায়। আদালত পর্যন্ত বিষয়টা গড়ালে জাকির কুকীর্তিও পরিস্কার ফুটে উঠবে। এই ঝুঁকি কোনো উঠতি রাজনীতিবিদ নেবে না। মুহিব এবার সেদিক থেকেই আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলো।

    “কিন্তু আপনি একটা জিনিস ভুলে যাচ্ছেন। আমরা যদি মেমরি কার্ডটা বের করতে পারি, তবে নতুন কোনো দিক থেকে আদালতে তাকে আটকে ফেলা যাবে হয়তো। শামসের মার্ডারটা তখন ভিন্ন প্রসঙ্গ হয়ে যাবে।”

    “যেমন?”

    “ঐখানে তোফায়েল কিংবা রেদোয়ানের কোনো এক ক্রাইমের প্রমাণ অবশ্যই আছে। এমন কিছু সেখানে ছিল যা মুখে মুখে প্রচার হলে থলের বেড়াল বের হয়ে যেতে পারে। নতুবা খুনোখুনির দিকে যাওয়ার দরকার পড়তো না। আর সেই প্রমাণ যদি আমাদের হাতে চলে আসে, তোফায়েলকে আদালতে আটকে ফেলাটা কঠিন হবে না। শামসভাইয়ের মার্ডার, আপনার ভূমিকা, কিছুই সেখানে তুলতে হচ্ছে না।”

    “আমার প্রসঙ্গ আদালতে উঠলে কোনো সমস্যা নেই।” মুহিবের আশঙ্কাকে অবাস্তর প্রমাণের জন্যই যেন বলল জাকি, “কিন্তু মেমরি কার্ডের ওপর তুমি যে বাজিটা ধরতে চাইছো, আমার মনে হয় এটা একটা বোকামি। আমাদের ধারণা, ঐ জিনিস এরই মধ্যে তোফায়েলের কাছে আছে। আগেও বলেছি তোমাকে।”

    মাথা দোলালো মুহিব, “তবে আমাদের ধারণা, ওটা শামসভাই কোথাও লুকিয়ে ফেলেছিলেন।”

    আবারও সিগারেটের অর্ধেকটা জুনিয়রের হাতে তুলে দিলো জাকি, “ফাইন। তর্কের খাতিরে ধরলাম তুমি ঐ মেমরি কার্ড পেলা। সেখানে ক্রাইম রেকর্ডও পাওয়া গেলো। খুব চমৎকার। আদালতে উত্থাপিত হলো এবং আদালত তোফায়েল আর রেদোয়ানকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিলো। তারপর?”

    বোকার মতো সিগারেটে টান দিলো মুহিব।

    “তুমি কি সত্যিই আশা করো,” তার দিকে ঝুঁকে এলো জাকি, “আমাদের ছাত্র সংগঠনের কেউ খুন-ধর্ষণ করার পর তাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হবে? প্রেসিডেন্টের সাধারণ ক্ষমা আছে কি করতে?”

    এদিকটাও ভেবে দেখেনি মুহিব।

    “গত বছরের কাহিনী মনে নাই? মাধুরীকে ধর্ষণ করে হত্যা করলো আমাদেরই সংগঠনের এক লোক। তার যাবজ্জীবন দেওয়া হয়েছিলো। সে এখন কাওরান বাজারে সবজি বিক্রি করে।”

    “সিরিয়াসলি?”

    “অবশ্যই। পয়েন্টে আসো, কোথায় তার যাবজ্জীবন? এক বছরের মধ্যে সে বের হয়ে এলো কি করে? কারণ সে আমাদের সংগঠনের হয়ে রাজনীতি করতো। কর্মিদের মনোবল ধরে রাখতে হলেও আমাদের সিনিয়ররা এমন কিছু কাজ করেন। আমাদের সাথে রাজনীতি করে যদি ফাঁসিতেই ঝোলা লাগে, নতুন কর্মি আসবে কোত্থেকে? আর এটা নিশ্চিত থাকো, তোফায়েলের সঙ্গে অনেক সিনিয়রের যোগাযোগ আছে। রেদোয়ানের বাবা নিজেই তো উপমন্ত্রি। পুরা ফ্যামিলিই পলিটিকাল। বুঝতে পারছো রেজাল্ট কি হতে যাচ্ছে? আদালত রায় ঘোষণা করলেও কোনো পরোয়া নেই। তাদের তুমি এক বছরের মধ্যে মুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়াতে দেখবে।”

    “আপনার কথা সম্ভবত ঠিক।”

    “অবশ্যই ঠিক। এরকম কতো কেস দেখলাম। তোমরা তো একটা দেখেই টাসকি খায়া গেলা!”

    চুপচাপ ধূমপান করলো মুহিব। জাকি তার ল্যাপটপে আবারও কি যেন খুটখাট শুরু করেছে। হয়তো যা বলল তা নিয়ে ভাবার জন্য মুহিবকে যথেষ্ট সময় দিতে চাইছে। টেবিলের নিচে রাখা অ্যাশট্রের ভেতর সিগারেটের মোথা ফেলে দেওয়ার সময় মুহিব নিশ্চিত হলো, এ নিয়ে বেশী ভাবনাচিন্তার কিছু নেই। মুহিবরা জানে তারা কি করছে। জাকি গ্রুপ কি জানে তারা কি করছে? সন্দেহ আছে। বন্ধু হত্যার পর হাত-পা গুটিয়ে বসে আছে। কাপুরুষের দল। ক্যাম্পাসে এদের ‘ধ্বজ’ বলা হয় কেন তা এখন সুস্পষ্ট।

    “অ্যাশট্রের পাশে লাল কাপড়ের ব্যাগটা বের করো তো।” টাইপ করতে করতেই বলল জাকি। লাল কাপড়ের ব্যাগটা দেখতে পেলো মুহিব। ভেতরে কোনো বই রেখে পেঁচিয়ে দেওয়া হয়েছে যেন। টেনে বের করার সময় বুঝতে পারলো, যথেষ্ট ভারি।

    “ভেতরে কি আছে বের করো।”

    ব্যাগের ভেতর থেকে বেরিয়ে এলো লাল ভেলভেট মোড়ানো এক বাক্স। যথেষ্ট ভারি। তুলে একবার ঝাঁকিয়ে ভেতরে কি আছে বোঝার চেষ্টা করলো মুহিব।

    “খোলো ওটা।”

    খুললো মুহিব। সৌম্যদর্শন এক পিস্তল শুয়ে আছে সেখানে। তিনটা বাড়তি ম্যাগাজিন। অস্বীকার করবে না, পিস্তলটার চেহারাটাই বদখত অথচ ওটা একবার স্পর্শ করার জন্য হাত নিশপিশ করে উঠলো ওর।

    “এটা হলো তোমার সব প্রশ্নের জবাব, মুহিব। তোফায়েল–রেদোয়ানের আদালত, ন্যায়বিচার সব আছে তোমার হাতের ঐ বাক্সের ভেতর।”

    “আপনি নিশ্চয় ওদের দু’জনকে ঠাণ্ডা মাথায় গুলি করে মারতে চাইছেন না!”

    মাথা নাড়লো জাকি, “ঠিক সেটাই চাইছি আমি। ওখানে যারা ছিল, চার–পাঁচজনের সবাইকে এটা করা যাবে না। তবে পালের গোদা দুটোর জন্য ক্ষমা নেই! শামসকে মেরে ফেলার আগে ওদের এটা নিয়ে আরও ভালোভাবে ভাবা উচিত ছিল।”

    “ফাইন।” বাক্সটা বন্ধ করে জাকির ল্যাপটপের পাশে রেখে দিলো মুহিব। তাকে এই হত্যা-পরিকল্পনা স্পষ্ট করে দেওয়ার পরও ভীত বা আতঙ্কিত মনে হচ্ছে না। যেন জাকি জনি ডেপের নতুন কোনো মুভি ল্যাপটপ থেকে চিরতরে ডিলেট করার কথা বলেছে আর মুহিব সে ব্যাপারে মতামত জানিয়েছে। ছেলেটার শক্ত নার্ভ জাকিকে সন্তুষ্ট করলো।

    মুহিব বলল, “কাজটা কবে করছেন?”

    হাসলো জাকি, “এই কাজটা আমি করতে পারবো না। তোফায়েল গুলি খেলে সবার আগে আমাদের খোঁজা হবে। আমাকে, নির্ঝরকে আর মঞ্জুরকে তো অবশ্যই, আমাদের গ্রুপের যে জুনিয়রগুলো আছে, তাদেরও। সেন্টার থেকে আর কিছু বুঝুক আর না বুঝুক, অ্যাফিলিয়েশনটা বোঝে। কার সাথে কার খাতির। আমার সাথে কার কার খাতির তার তালিকা তাদের হাতে প্রস্তুত আছে। আমাদের কেউ এই কাজটা করলেই ফেঁসে যাবে। বন্ধুহত্যার প্রতিশোধ আমি কেন নিতে পারছি না, তা হয়তো তোমার কাছে স্পষ্ট হয়েছে। আমাদের অবস্থা বস্তার ভেতর বন্দি সিংহের মতো। যে সিংহকে নিয়মিত বাইরে থেকে পিন মারা হচ্ছে, তবে তাদের কিছু করার নাই। রাজনীতির মাঠটা এরকমই।”

    “তাহলে?”

    “তোফায়েল-রেদোয়ান যখন গুলি খাবে, আমাদের সবাইকে শক্ত অ্যালিবাই রেডি রাখতে হবে। আমার মনে হয় আসছে সম্মেলনে এটা করা সম্ভব। ওখানে আমরা সবাই থাকবো। সিনিয়র নেতারা থাকবেন। ক্যামেরা থাকবে। অ্যালিবাইয়ের জন্য এরচেয়ে ভালো আর কিছু হয় না।”

    “সত্য, আপনাদের থাকবে পাথরের মতো শক্ত অ্যালিবাই। কিন্তু সেক্ষেত্রে তোফায়েলকে গুলি করছে কে?”

    ভেলভেটের বাক্সটা বাঁ হাত দিয়ে ঠেলে মুহিবের কাছে পাঠিয়ে দিলো জাকি, “তুমি। পিস্তলটা তোমার কথা ভেবেই কেনা হয়েছে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }