Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪৪

    অধ্যায় ৪৪

    “আমি কখনও কাউকে গুলি করিনি।” মেপে মেপে শব্দগুলো উচ্চারণ করলো মুহিব।

    “করোনি। এর মানে তো এই নয় ভবিষ্যতে গুলি করবে না কাউকে।” উঁচুদরের রসিকতা হয়েছে এভাবে হাসলো জাকি।

    “কিন্তু আমি কেন?”

    “কারণ, তোমার কৌতূহল প্রচুর, মুহিব। এই নোংরা ব্যাপারটায় গলা পর্যন্ত ডুবে গেছো তুমি। নাউ ইউ আর আ পার্ট অব অল দিস। তোফায়েলকে গুলি করার জন্য যদি আমাদের অ্যালিবাইয়ের প্রয়োজন হয়, তবে তুমি হলে সেই লোক যে হতে পারে আমাদের শুটার।”

    “আমি-ই কেন? কোনো হিটম্যান-”

    “তোফায়েল হাই প্রফাইল। হিটম্যানরা এরকম কাজ নিতে চায় না। নিলেও তারা মুখ বন্ধ রাখবে কি না সন্দেহ আছে। পরে ফেঁসে যেতে হবে।”

    “আমি তাকে গুলি করলে ফাঁসবো না?”

    “তোমাকে ক্যাম্পাসে কয়জন চেনে?”

    “অনেকেই, আই গেস।”

    “তারা তোমাকে অনেকভাবে চিনতে পারে, মুহিব। কিন্তু ভায়োলেন্ট হিসেবে না। তোমাদের মেকানিক্যালের ফার্স্ট বয়ের নামটা যেন কি?”

    মুহিবের জন্য এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া সহজ।

    “তুহিন। সিজি থ্রি পয়েন্ট নাইন থ্রি।”

    “গুড। আজকে যদি আমি আমার ঘরে গুলি খেয়ে মরে পড়ে থাকি, তোমরা কি তুহিনকে সন্দেহ করবে? তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে?”

    মুহিব জানে এই দৃশ্যটা কল্পনা করাও কতোটা হাস্যকর। তুহিন বেঁটে–খাটো একটা ছেলে। চশমা পরা গোলগাল মুখ। থলথলে শরীর। সেকেন্ড সেমিস্টারে উঠে সেকেন্ড বয়কে প্রশ্ন করেছিলো “বাচ্চা কিভাবে হয়?” এ নিয়ে কম হাসাহাসি হয়নি। ক্রিকেট খেলে না। রাস্তায় ঘোরে না। চায়ের দোকানে বসে না কারণ সে চা পর্যন্ত খায় না, সিগারেট দূরে থাকুক। তবে পড়াশোনাটা ভালো পারে। প্রথম সেমিস্টারেই থ্রি পয়েন্ট নাইনের ওপর তোলা মেকানিক্যালদের জন্য বিস্ময়। ক্যাম্পাস শুটআউট হলে কেউ তুহিনের নাম মুখে নেবে না।

    “বুঝতেই পারছো।” মুহিবের অনুচ্চারিত উত্তরকেই ধ্রুবক মানলো জাকি, “তুমি যদি দেশের প্রেসিডেন্টকেও গুলি করো, কেউ তোমাকে সন্দেহ করবে না। তোমার সাথে আমাকে ক্যাম্পাসে আজ পর্যন্ত একবারও দেখা যায়নি। সবাই জানে রাজনীতি থেকে তুমি একশ’ হাত দূরে থাকো। তোমার রেকর্ড পরিস্কার। আগেও কখনও কোনো গ্যাঞ্জামে জড়াওনি। এমনকি তোফায়েল ও তোমাকে দেখতে পাবে না।” শুষ্ক হাসলো জাকি, “গুলিটা খাওয়ার আগ পর্যন্ত।”

    মাথা দোলালো মুহিব। এখনই কোনো কথা দিতে সে প্রস্তুত না। তবে জাকির পরিকল্পনাটা মুফতে জানতে পারলে খারাপ কি। কাজেই আলাপ চালিয়ে গেলো সে, “আর রেদোয়ানের ব্যাপারে আপনার পরিকল্পনা কি? শামসভাইয়ের গলা সে-ই কেটেছে। তালিকায় তার নাম প্রথমে রাখা উচিত।”

    বিষয়টা নিয়ে এতোবার আলাপ হয়েছে যে এতোবড় ঘটনাও হারিয়েছে নতুনত্ব। তবুও জাকির চোখজোড়া ক্রোধে জ্বলে উঠলো এক মুহূর্তের জন্য।

    “তার বদলা সে পাবে। তবে দুইজনকে একসাথে সরানো সম্ভব হবে না। বড় মাছ এক বড়শি দিয়ে দুটো ধরার চেষ্টা করলে একটাও পড়বে না। আমরা ফাতনা গেলাবো একটা একটা করে।”

    এরকম একটা ষড়যন্ত্রের মধ্যে বসে থাকতে মুহিবের ভালো লাগছে না। মনে হচ্ছে কোনো মানুষের পিঠে গুলি করার জন্য আয়োজন করা হচ্ছে। মুখোমুখি দাঁড়িয়ে লড়াই এটা না। তবে নিজের কাছে তাকে স্বীকার করতেই হলো তোফায়েল তার জায়গায় থাকলে এটাই করতো। এর আগেও সে এধরণের কাজ করেছে। শামসকে সমানে সমানে লড়াই করার সুযোগ সে দেয়নি। চার-পাঁচ জন মিলে তাকে আক্রমণ করেছে। মাটির সাথে চেপে ধরে অসহায় অবস্থায় জবাই করে মেরে ফেলেছে। একজন ষড়যন্ত্রকারী আর কাপুরুষ হিসেবে তোফায়েলের সঙ্গে একই আচরণ ফেরত দেওয়া ঠিক আছে।

    “কি মনে হচ্ছে তোমার? আর ইউ আপ ফর দিস?” উরুতে বন্ধুত্বপূর্ণ চাপড় দিয়ে জানতে চাইলো জাকি।

    “এরকম একটা সিদ্ধান্ত আমি এক সিটিংয়ে নিতে পারবো না।” সত্য কথাটাই বলল মুহিব, “তাছাড়া কাজটা আমার কাছে কাপুরুষতা মনে হচ্ছে। যেন কারও পিঠে গুলি করতে যাচ্ছি।”

    অন্তত গুলি করার ব্যাপারটা নিয়ে তাকে দুইবার চিন্তা করতে হয়নি, সে ভাবছে গুলি করার প্রক্রিয়াটা নিয়ে। বিষয়টা জাকির জন্য স্বস্তিদায়ক।

    বন্ধুত্বপূর্ণ আরও দুটো চাপড় দিলো তাকে জাকি, “সময় নাও। আমি তো আর তোমাকে বলছি না এখনই গিয়ে ওকে গুলি করতে।”

    রাজ্যের চিন্তা মাথায় নিয়ে শেরে বাংলা হল থেকে বেরিয়ে রাস্তায় নামলো মুহিব। আজকে তাকে আলাদা করে ডেকে আনার অর্থটা পরিস্কার হয়েছে। শামীম এখনও মেসে সম্ভবত। ঘুমাচ্ছে। তাকে ডেকে তোলাও চলবে না। লিটুকে বিদায় দিয়ে আজকেই ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফিরে এসেছে ওরা। জাকি ভাইয়ের কল পেয়ে মুহিব বের হয়ে গেছে, শামীম সুযোগটা নিয়ে হাল্কা ঘুম দেবে সেটাই স্বাভাবিক। মুহিবও ঘুমাতে চাইছিলো, তবে জাকি ভাইকে পাওয়া সহজ কাজ না। নিজে থেকে সে দেখা করতে চেয়েছে মানে শামস মার্ডারের জন্য অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ কিছু হবে ভেবে সময় নষ্ট করেনি আর। চলে এসেছে শেরে বাংলা হলে। সময়টা একেবারে নষ্ট হয়নি। জাকির পরিকল্পনাটা জানা গেছে।

    তবে নিজের পরিকল্পনাটাও মুহিব জানে। সেখানে অনাকর্ষণীয় এক পিস্তল নিয়ে তোফায়েলকে গুলি করার দৃশ্যপট উধাও। জাকি গ্রুপের যদি প্রতিশোধ নেওয়ার এতো পিনিক থাকে তারা নিজেরা নিক। মুহিব এমনকি শামসের আপন বোনকেও প্রতিশোধ নেওয়ার তাড়া থেকে ঠেকিয়ে রেখেছে, সেখানে নিজেকে এর মধ্যে জড়িয়ে ফেলার মানে হয় না।

    শিয়া এরকম কোনো পাগলামি করবে না। অন্তত ভাইয়ের সঙ্গে ঠিক কি ঘটেছিলো জানার আগে সে কিছু করবে না। তবে জাকি গ্রুপকে ঠেকিয়ে রাখা অসম্ভব। তাদের জানার আগ্রহ কম! একটা তথ্যই জানতে চেয়েছিলো তারা, খুনটা কে করেছে। সেই প্রশ্নের উত্তর তারা পেয়ে গেছে। মুহিবের ধারণা রেদোয়ানকে নিয়ে তাদের নিজস্ব পরিকল্পনা আছে। তোফায়েলকে সরিয়ে দেওয়া গেলে রেদোয়ান একাকি সহজ এক টার্গেটে পরিণত হবে।

    “আরে লেখকসাহেব যে।” কানের পাশ থেকে পরিচিত কণ্ঠটা আরেকটু হলেই ওকে ছুট লাগাতে বাধ্য করেছিলো, “ইয়াং প্রিন্স চার্মিং!”

    কণ্ঠে ব্যঙ্গের ভাব স্পষ্ট। মুহিবের ঠিক পাশে এসে থেমেছে তোফায়েলের বাইক। আজও একটা সানগ্লাস পরে আছে সে। কালো চশমার নিচে চোখের তারায় কি অভিব্যক্তি ফুটে উঠেছে তা জানা সম্ভব না। চোখের পাশে কাটা দাগটা আজও স্পষ্ট। এই লোকটা কি তাকে অনুসরণ করছে? জাকির রুমে যাওয়ার ব্যাপারে কি সে জেনে ফেলেছে? মুহিবের গলার কাছে হৃৎপিণ্ডটা উঠে এলো যেন। ভাগ্যিস পিস্তলটা সঙ্গে নিয়ে আসেনি! বমাল ধরা পড়লে আর রক্ষা ছিল না।

    “আসসালামু আলাইকুম, ভাই।”

    সালামটা বিশুদ্ধ উচ্চারণে দিয়েই মুহিবের মনে হলো এটা করা উচিত হলো না। অতিভক্তি করা হয়ে গেলো। তোফায়েলের সঙ্গে সেই প্রথম ‘বিড়ি সেইভ’-এর ঘটনার পর থেকে খুবই ঠাণ্ডা সম্পর্ক ধরে রেখেছে ও। দেখা হলে সালাম কখনোই দেয়নি। সিগারেটও এরপর থেকে আর কোনোদিন লুকায়নি। দূরত্ব একটু বেশি হলে ইচ্ছে করে তাকে উদ্দেশ্য করে ধোঁয়া ছেড়েছে, যেমনটা হলে সিনিয়র একজন ছাত্র স্পষ্ট বুঝতে পারবে তার প্রতি ঘৃণাবশতই জুনিয়র ছাত্রটি এমন করলো, তবে কোনো কিছু বলতে পারবে না। সেখানে বিশুদ্ধ উচ্চারণে সালাম দেওয়ার অর্থ মুহিবের মনেই শয়তানি। অতিভক্তি চোরের লক্ষণ।

    তোফায়েলও বা-ব্বা করে উঠলো সালামের বহর দেখে, “আজকে দেখি একেবারে সুফি, অ্যাঁ? উঠো, উইঠা পড়ো বাইকে। বাতাস খায়া আসি।”

    তোফায়েল আর তার বাইকের দিকে সন্দেহের চোখে তাকালো মুহিব। নিশ্চিতভাবেই সব জেনে গেছে সে! তোফায়েলকে শুট করার আলাপ এতো খোলামেলা একটা জায়গায় ওরা কি ভেবে করলো? ঠিক আছে, শেরে বাংলা হল জাকিদের হল। তোফায়েল গ্রুপের কোনো সিনিয়র বা জুনিয়র ছেলে স্বাভাবিকভাবেই শেরে বাংলায় নাই, তারপরও কথা থেকে যায়। জাকির রুমের জানালায় যে কেউ আড়ি পেড়ে থাকতে পারে। সাউন্ডপ্রুফ রুম তো আর না। আর আড়িপাতা যে কারও জন্য চোখ ছানাবড়া হয়ে যাওয়ার মতোই আলোচনা হয়েছিলো ওখানে। তারপর অসময়ে তোফায়েলের চেহারা মোবারক প্রদর্শনের জন্য একটা ফোনকলই যথেষ্ট।

    “আরে তোমারে খায়া ফালামু না। উইঠা পড়ো মিয়া।”

    এতো আবেগ নিয়ে তো এই লোক ইলোরাকেও তার বাইকে ডাকে না। চারপাশে তাকালো মুহিব, মানুষজন তেমন দেখা গেলো না। ওরা যখন ঢাকা থেকে ফিরছিলো, ক্যাম্পাসে নতুন দিগন্তের সূচনা হয়েছে। পয়ত্রিশ ক্রেডিটের দাবি প্রশাসন মেনে নিয়েছে। এরপর বিজয়ের আনন্দে ছেলেমেয়েরা ক্যাম্পাসজুড়ে আনন্দ মিছিল করেছিলো। তারপর থেকে মেইন গেট আর তার সামনেটা তুলনামূলকভাবে নির্জন।

    কিছু কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় মানুষ বুঝতে পারে, এটা তার ক্ষতি করবে। তাও সে সেই সিদ্ধান্তই নেয় এবং পরে দেখতে পায় তার ধারণা একেবারেই ঠিক ছিল। ছুরি খেয়ে সেলেব্রিটি আসাদ এভাবেই তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছিলো। যখন সামনে ছয়-সাতজন টিচার-স্টাফের ছেলেকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছিলো, তার ইচ্ছে হয়েছিলো প্রাণটা হাতে নিয়ে এক দৌড়ে পালিয়ে যেতে। অথচ সে পালাতে পারেনি, তার আত্মসম্মানে বেঁধেছিলো পালাতে। আবার যখন সিদ্ধান্ত নিলো ওদের দিকে এগিয়ে যাবে, তখনও মন বলছিলো এই সিদ্ধান্ত তাকে খুব খারাপ এক ভবিষ্যতে নিয়ে যাবে। তারপরও সে ছুটে পালায়নি। ছিনতাইকারীদের সঙ্গে কথা বলতে গেছিলো এবং ছুরি খেয়ে হাসপাতালে পড়ে ছিল একটা সপ্তাহ।

    তোফায়েলের বাইকে যখন মুহিব উঠে বসলো, আসাদের অনুভূতিটা সে সামান্য হলেও বুঝতে পারলো।

    তুফানগতিতে বাইক ছোটালো তোফায়েল। স্টেট ইউনিভার্সিটির গেট থেকে ঐ গতিতেই বাইকটা বেরিয়ে এলো। তীরবেগে ছুটে ঢুকে গেলো পার্শ্ববর্তী তাজউদ্দীন আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় দুটো, অথচ তাজউদ্দীনের তুলনায় স্টেট ইউনিভার্সিটি নেহায়েতই ক্ষুদ্র। সংস্কৃতিতে পিছিয়ে, শিক্ষক-ছাত্রের মানসিকতাও বেশ পশ্চাৎপদ। কেবলমাত্র পাহাড়সম ইগো আর ইনফিরিয়রিটি কমপ্লেক্স দিয়ে অনায়াসে তাজউদ্দীনকে পেছনে ফেলতে পারবে স্টেট।

    বিশাল ক্যাম্পাসে প্রাণ খুলে বাইক ছোটানো যায়। তোফায়েলও টানলো ইচ্ছেমতো। এই ছোকরাকে অ্যামবুশ করে কতো সহজে উড়িয়ে দেওয়া চলে তা মুহিব এখন নিজের চোখেই দেখতে পাচ্ছে। এমন বেপরোয়া গতিতে বাইক চালালে যে কেউ এর ঘিলু বের করে দিতে পারবে, পিস্তল-বন্দুকের প্রয়োজন কি? বাইকের পেছনে সামান্য যা ধাতব অবলম্বন পেলো শক্ত করে আঁকড়ে ধরলো মুহিব। বাতাসে চুল এমনভাবে উড়ছে যেন ছিঁড়ে যাবে সব। টাক পড়ে যাবে ওদের সেকশনের জিসানের মতো।

    বধ্যভূমির পেছনে বাইক থামালো তোফায়েল। আগে নামতে হলো মুহিবকে, তারপর নেমে এলো তোফায়েল। চারপাশে তাকিয়ে একটা কাকপক্ষীও দেখতে পেলো না মুহিব, মানুষ দূরে থাকুক। এখানে ওকে টেনে আনার অর্থ কি?

    তোফায়েলের দিকে জিজ্ঞাসু চাহনি নিয়ে তাকাতেই এর জবাব পেয়ে গেলো মুহিব। একটা হাত ছুটে আসতে দেখলো সে, মধ্যমার আঙটিটা ঝিলিক দিয়ে উঠলো শেষ বিকেলের আলোয়। ওপরের ঠোঁট থেকে রক্তের স্বাদ পেলো মুহিব, হাতে পেলো ঘাসের সজীব স্পর্শ।

    ঘুষির প্রচণ্ড ধাক্কায় ছিটকে মাটিতে পড়ে গেছে ও, এতোক্ষণে বুঝতে পারলো। সেই সঙ্গে আরও দুটো ভুল ধারণা ভাঙলো তার। এক. ওপরের ঠোঁট নেমে আসা রক্তের স্বাদ পায়নি সে, স্বাদটা পাওয়া গেছে মুখের ভেতরে দাঁতের সঙ্গে ঘষা খেয়ে কেটে যাওয়া ক্ষত থেকে বেরিয়ে আসা রক্তের। আর থুতনি বেয়ে গড়িয়ে নামা ধারাটা আসছে বাইরের ক্ষত থেকে। দুই. তোফায়েল তাকে এখানে আলাপ করতে নিয়ে আসেনি। এনেছে গুরুতর জখম করার জন্য।

    দু-হাতে ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করলো মুহিব, মাথার ভেতরটা ঝিমঝিম করছে এখনও। হামাগুড়ি দিয়ে ঘাস থেকে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে পাঁজরের ওপর প্রবল ধাক্কা অনুভব করলো। চার ফিট দূরের কাঁঠাল গাছে আছড়ে পড়লো ওর পিঠ, তখনও পা নামায়নি তোফায়েল। লাথির প্রচণ্ডতা অনুভব করে দ্রুত আরেকটা সিদ্ধান্তে পৌছে গেলো মুহিব, এই লোকের মারে জোর আছে।

    তোফায়েল এগিয়ে আসছে। হাঁফাতে হাঁফাতে উঠে বসলো মুহিব, পাঁজরে এসে পড়া লাথিটার সাথে সাথে সবটুকু দম হারিয়ে ফেলেছে সে। তোফায়েল এখন আরও কাছে, প্রবল ক্রোধে চোখ মুখ বিকৃত হয়ে আছে তার। চাইলে এখন শত্রুর গোড়ালির ঠিক ওপর বিদ্যুৎগতিতে বেমক্কা লাথি কষিয়ে তাকে ও মাটিছাড়া করে দিতে পারে মুহিব, তবে ক্ষ্যাপা জানোয়ার আরও ক্ষেপিয়ে না তোলার ব্যাপারে নিজস্ব কিছু শিক্ষা আছে ওর। কলেজ জীবনে বেশ কিছু মারামারির পরিণতি মুহিব দেখেছে। ছোটখাটো ক্ষততেই শেষ হতে পারতো ঐসব খণ্ডযুদ্ধ, তার বদলে মার খাওয়া পক্ষকে হাসপাতাল পর্যন্ত যেতে দেখেছে ক্ষ্যাপা জানোয়ারকে আরও ক্ষেপিয়ে দেওয়ার কারণে। এখন তোফায়েলকে বাঁধা দিলে সে তাকে এখানেও মেরে ফেলতে পারে।

    উঠে দাঁড়াতে অনেকটাই পরিশ্রম করতে হলো মুহিবকে। তোফায়েল ওকে কোনোরকম ভূমিকা ছাড়াই এভাবে পেটাতে শুরু করলো কেন! এসব ভাবতে চাইলেও পারছে না সে। মাথা কাজ করছে না, ঝিমঝিমানি বেড়েছে। জাকির সঙ্গে দেখা করার বিষয়টা জেনে ফেলেছে হয়তো, কিন্তু পুরোটা নিশ্চয় জানে না। পুরোটা জানলে ওকে স্রেফ পেটাতো না। মেরে ফেলতো ঠিক শামসের মতো।

    নাকি মেরে ফেলার জন্য এখানে তাকে নিয়ে এসেছে তোফায়েল? খালি হাতে পিটিয়ে একজন মানুষকে মেরে ফেলার ক্ষমতা কি রাখে সে? নাকি সে জেনে ফেলেছে ব্ল্যাকমেইলিংয়ে মুহিবের হাত আছে?

    তোফায়েল যেন ওর দাঁড়ানোর জন্যই অপেক্ষা করছিলো এতোক্ষণ। পুরোপুরি দাঁড়ানো মাত্রই আগের চেয়েও জোরে ঘুষি মারলো, এবার নাকে। মুহিবের মনে হচ্ছে সে একটা ভিডিও প্লেয়ারের ভেতর আছে। যখন সে নিজে থেকে নড়াচড়া করছে, দর্শক দেখতে পাচ্ছে রিয়েলটাইমের চার ভাগের একভাগ স্লো হিসেবে। যখন তোফায়েল মারছে তখন ভিডিও স্পিড বেড়ে হয়ে যাচ্ছে রিয়েলটাইমের চারগুণ ফাস্ট।

    অন্তত ঘুষিটা নিয়ে চোখের পলকে মাথার পেছনদিকটা গাছের পেছনের ঠুকে যাওয়ার সময় তার এমনটাই মনে হলো। শরীরের সবখানে তীব্র ব্যথা পরক্ষণেই বুঝতে পারলো সবখানে নয়। কেবল নাকে, নাকের হাড়টা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে নিঃসন্দেহে। হাঁটুগেড়ে ওখানেই বসে থাকলো মুহিব, গাছের সাপোর্ট পেয়েছে বলেই হয়তো একেবারে ভূপাতিত হয়নি।

    একটু নিচু হয়ে পাশ ফিরে থাকা চোয়ালে আরেকটা ঘুষি মেরে ওকে মাটিতে ফেলে দিলো তোফায়েল। আঙটিতে লেগে কানের ঠিক পাশ থেকে গালের অনেকখানি কেটে রক্ত বের হয়ে এলো এবার। আরও নিচু হয়ে তোফায়েল ওর চুল শক্ত করে ধরলো।

    “এটা স্রেফ একটা ডেমো।” দাঁতে দাঁত চেপে বলল তোফায়েল। চুল ধরে রেখেই পর পর দুইবার মারলো ওর পেটে। মুহিবের চোখ উল্টে গেলো এবার। পরিবর্তনটা তৃপ্তির সাথে খুঁটিয়ে লক্ষ্য করে আবারও পেটে মারলো তোফায়েল।”ইলোরার সাথে এর পর মাখামাখি করে দেখিস, লাভার বয়। সেদিন ডেমো দেখানো হবে না এটা নিশ্চিত থাকতে পারিস।”

    ওকে ছেড়ে দিয়ে বাইকের দিকে কয়েক পা এগিয়ে গিয়েও ফিরে এলো তোফায়েল। মুহিবের উরুসন্ধিতে জোরে একবার লাখি দিলো। এবার সত্যিই কুঁকড়ে গেলো মুহিব। মুখ থেকে গোঁ গোঁ শব্দ বেরিয়ে এলো অজান্তেই। শত চেষ্টাতেও এই একটা আর্তনাদ বুকের ভেতর চেপে রাখতে পারলো না।

    মৃদু হাসলো তোফায়েল, অদ্ভুত আর নিষ্ঠুর এক হাসি। ওতে মিশে ছিল রক্তপিপাসা। মুহিবের আর্তচিৎকার ছাত্রনেতাকে অনেকটাই শান্ত করেছে এনেছে। ওর মনে হলো কেউ ওকে পিঠে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিচ্ছে, মাটিতে পড়ার আগেই অবসন্নতায় ছেয়ে গেলো দেহ। শুয়ে শুয়ে বাইকে চেপে বসা তোফায়েলকে তুফানবেগেই এলাকা থেকে বিদায় নিতে দেখলো ও।

    প্রথম পাঁচ মিনিট মুহিব শত চেষ্টা করেও নড়তে পারলো না। ব্যথার অনুভূতিও সেভাবে টের পাচ্ছে না। নিজেকে রক্ষা করতে ইন্দ্ৰিয়গুলোকে ভোঁতা করে দিয়েছে শরীর। মুখের প্রায় পুরোটাই নিজের রক্তে মাখামাখি, তা বুঝতে পারছে পরিস্কার। কান বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে রক্ত, এতো অস্বস্তি লাগছে বলার মতো না। দুই পায়ের ফাঁকের যন্ত্রণার থেকেও বেশি ঝামেলার মনে হচ্ছে কানের সুড়সুড়ি। থুতনির রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করেছে, থকথকে একটা রূপ ধারণ করেছে ওরা। অর্থাৎ ক্ষতটা অতো গভির না। তবে রক্ত ভালোই পড়েছে। কি কুক্ষণে যে আজ সাদা টিশার্ট পরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো! বুকের কাছে থকথকে রক্ত পরিস্কার দেখা যাচ্ছে। কোমর ভিজে কাদা হয়ে আছে, ওখানে রক্ত গেলো কি করে?

    কাঁঠাল গাছ ধরে ধরে মুহিব দাঁড়াতে পারলো। দাঁড়ানোর সাথে সাথে সে কঠিন মার খাওয়ার একটা বৈশিষ্ট্য আবিষ্কার করে ফেললো। কঠিন মার খাওয়ার পর কোনোভাবে একবার দাঁড়াতে পারলে আর বসতে ইচ্ছে করে না। একটু খুঁড়িয়ে হলেও সে হাঁটতে পারছে। কোমরে টেনে ধরা যন্ত্রণাটা বাদ দিলে, হাঁটতে তার ভালোই লাগছে। মুহিবের দুই চোখ ইতিউতি করে রিকশা খুঁজছে, এটা সে অনেকক্ষণ পর বুঝতে পারলো। মানুষ বিভ্রান্ত হয়, কিন্তু মানুষের অবচেতন বিভ্রান্ত হয় না। অবচেতন এখন সচেতনভাবেই রিকশা খুঁজছে।

    দূর থেকে একটা রিকশা মুহিব দেখতে পেলো। রিকশা দেখে তার মধ্যে নতুন একটা ভয় জেঁকে বসে। এই রিকশায় সে যদি উঠে বসে তাহলে কি আর নামতে পারবে? কঠিন মার খাওয়ার পর একই রকম থাকতে ভালো লাগে। বসে থাকলে বসে থাকাই আনন্দের। উঠতে ইচ্ছা করে না। আবার উঠে গেলে আর বসতে ইচ্ছা করে না। কঠিন মার কিছুটা হলেও নিউটনের সূত্র মানবজীবন প্রতিপাদিত করে হয়তো।

    রিকশা ডাকা গেলো না। কাছে আসার পর দেখা গেলো রিকশায় মানুষ আছে। শীর্ণকায় একটা মেয়ে, মুহিবকে বিকালের আলোয় পরিস্কার দেখতে পেলো মানুষ মনে হয় ভুত দেখলেও এতো চমকায় না। রিকশা তো থামালোই না, রিকশাওয়ালাও মনে হলো গতি বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বধ্যভূমি হিসেবে জায়গাটাকে সংরক্ষণ করা হয়েছে। একাত্তরে এখানেই ছাত্রসহ সর্বস্তরের মানুষকে একত্র করে গুলি করে মেরে ফেলা হয়। মেয়েদের হলগুলো এর কাছাকাছি। রাতের বেলায় মেয়ে দেখতেও কেউ এদিকে আসে না। সন্ধ্যার আগেভাগে বধ্যভূমির সামনে মুহিবের মতো রক্তমাখা সাদা কাপড় পরা কাউকে দেখা গেলে অনেকেই রিকশার গতি বাড়াবে।

    “আরে মুহিব, তোমার এ কী অবস্থা!”

    মিষ্টি কণ্ঠটায় উদ্বেগ। টলে উঠে রাস্তার মাঝেই পড়ে গেলো মুহিব। বাম হাতটা চকেছে, টের পেলো এতোক্ষণে। সারা শরীরে এতো ব্যথা আলাদা করে এতোক্ষণ বোঝেনি।

    “কি হয়েছে তোমার?” একহাতে ওকে টেনে তোলার চেষ্টা করলো তূর্ণা।”কিছু না।” বলতে গিয়ে লক্ষ্য করলো ওপরের ঠোঁট সাড়া দিচ্ছে না। বিকৃত উচ্চারণ বের হচ্ছে মুখ থেকে। এর মধ্যেই প্রশ্ন করলো, “আপনি এখানে?”

    “আমি এখানেই থাকি। এটা আমার ক্যাম্পাস।”

    মোবাইল বের করে কাকে যেন ফোন করতে শুরু করলো তূর্ণা। নিশ্চিন্তভঙ্গিতে শক্ত আর রোদে পুড়ে গরম রাস্তায় মাথা ঠেকালো মুহিব। তূর্ণা এমন করছে কেন? ওর প্রশ্ন বুঝতে পারছে না কেন? ওর তো বাসা এ শহরেই, মেয়েদের হলে থাকার দরকার কি তার? ওকে উত্তর দিচ্ছে না কেন? মুহিবের মনে হচ্ছে এটাই এখন পৃথিবীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।

    “আপনি তো হলে থাকেন না?”

    প্রশ্নটা করেই জ্ঞান হারালো মুহিব। তাজউদ্দীন বিশ্ববিদ্যায়ের নাম আর লোগো বসানো অ্যাম্বুলেন্সটার ছুটে আসা তার সেজন্যই দেখা হলো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }