Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪৫

    অধ্যায় ৪৫

    অফিসটা বিশাল। মেহগনি কাঠের টেবিলের ওপর সুসজ্জিত রাজ্যের অফিস ম্যাটেরিয়াল। টেবিলে একটু কোণ করে বসিয়ে রাখা ল্যাপটপটা স্যামসাংয়ের নতুন একটা মডেল। কাগজের মতো পাতলা ডিসপ্লে, সব মিলিয়ে মাত্র আধ–কেজি ওজন। অফিসগামী কর্মকর্তা আর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। টেবিলের অপরপ্রান্তে বসে থাকা মানুষটাও তার ল্যাপটপের মতোই চটপটে দেখতে। শীর্ণকায়, লম্বা, ঋজু দেহ। চুলগুলো রেশমি, ওয়াক্স করে এলোমেলো করে রাখা।

    এই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একজন নেতা।

    ফাহাদ হিল্লোল। বর্তমানে অনেকে তাকে ‘ফাদার’ হিল্লোল বলে ডাকেন, খুবই নীতিসচেতন একজন মানুষ। পিতৃপ্রদত্ত নামের মাঝে একটা ‘পাটোয়ারি ছিল, সম্ভবত ‘আনকুল’ হওয়ার কারণে ঝেড়ে ফেলেছেন। রাজনীতির মাঠে জনগণের মন কিভাবে কাজ করে তা জানতে হয়। সিডনির এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় এটা পাওয়া গেছে মানুষের মন নাম ধরেই আগে অপর কোনো ব্যক্তির গুণবিচার করে। নাম যদি হয় ‘কিশোর কুমার’ তো মানুষ আগেই ধরে নেবে এটা কোনো অপ্রাপ্তবয়স্ক, অপরিপক্ক মানসিকতার লোক হবে। অথবা ‘লস্কর পাশা’ নামটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে যে কেউ ধরে নেবে মানুষটা বসায়ি। নাম টপকে কেবল কাজের জন্য প্রশংসা কুড়ানো সহজ কাজ নয়। বার বার নিজেকে প্রমাণ করে দেখাতে হয় সেজন্য। তবে আগেই যদি কেউ নিজের নাম থেকে ‘আনকুল’ অংশগুলো ঝেড়ে ফেলে, মানুষ সরাসরি কাজের জন্যই বিচার করবে তার। ফাহাদ হিল্লোল সেই সুযোগটাই নিয়েছেন। নাম থেকে পাটোয়ারি সরিয়ে নিজেকে ‘হিল্লোল’-এ পরিণত করেছেন। অল্পবয়সে রাজনীতির মাঠে তার সাফল্যের পরিমাণ কম নয়। তার প্রভাবের গণ্ডি বর্ডার ছাড়িয়ে বাইরেও সমুজ্জ্বল, এর একটা নিদর্শন হিসেবে বলা চলে সিনিয়র নেতাদের টপকে সাফ গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে মনোনীত হওয়া। সমালোচকদেরও মধ্যেও একটা বিষয়ে মতৈক্য দেখা যায়, ‘ফাহাদ হিল্লোল ২০৫০-এর বাংলাদেশের সম্ভাব্য একজন প্রধানমন্ত্রী’। যে দেশে আঠারো কোটি মানুষের মধ্যে এক কোটিই রাজনীতিবিদ পরিচয় দেন, সেখান থেকে সেলেব্রিটি পলিটিশিয়ান বেরিয়ে আসা কঠিন। এই কঠিন কাজটি হিল্লোল সম্পন্ন করেছেন।

    ভদ্রলোকের জনপ্রিয়তার কারণ অনেকগুলো। অনেকে এগিয়ে রাখবে তার বাগ্মীতাকে। আগুন ঝড়ানো বক্তব্য রাখতে পারেন তিনি। স্বাধীনতা-উত্তর সময়ে এমন বাগ্মিতা এদেশে দেখা যায়নি। সুবক্তা তিনি সন্দেহ নেই, দেশে রাজনৈতিক বক্তব্যগুলো যেখানে বিভিন্ন ট্রল পেজে স্থান করে নিচ্ছিলো সেখানে মানুষ আগ্রহ নিয়ে তার বক্তৃতা শোনে। শিক্ষিত এবং অশিক্ষিত, শ্রেণিভেদে সবাই তার বক্তব্যের প্রশংসা করেন। ইউটিউবে তার যে বক্তৃতাগুলো আপলোড করা হয়েছে, কোনোটারই দশ লাখের কম ভিউ নেই। প্রচুর শেয়ার হয়, কারণ সেগুলো আসলেই কোয়ালিটি ম্যাটেরিয়াল। শেয়ার করার মতোই জিনিস। এমনকি বিরোধীদলও তার বিরুদ্ধে কথা বলার মতো পর্যাপ্ত মাটি খুঁজে পায়নি আজ পর্যন্ত।

    দ্বিতীয়ত, ভদ্রলোকের সততা। রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেওয়ার যে দৃষ্টিকটু কাজটি এদেশের রাজনীতিবিদেরা সচরাচর করে আসছেন তাতে তিনি বিশ্বাস করেন না। হিল্লোলের জনপ্রিয় এক বক্তব্যের একাংশে তিনি বলেছিলেন, “লেখকরা যদি চাকরি-বাকরি করে বই লিখতে পারেন, গায়করা যদি চাকরি-ব্যবসা করে গান গাইতে পারেন, গান লিখতে পারেন, রাজনীতিবিদেরা কেন তা পারবেন না? আমরা তো পুলিশ ফোর্স নই যে এটা আমাদের চাকরি। শিল্পীদের মতো আমরাও সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি মাত্র। আমাদের কাজটিকে এর থেকে কম বা বেশি করে দেখার সুযোগ নেই। আমার পেশা রাজনীতি নয়, পেশায় আমি একজন সাধারণ সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার মাত্র। ভিডিও গেম বানিয়ে পেট চালাই।”

    “সাধারণত সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারের অফিসটি অবশ্যই অসাধারণ। একমাত্র বাংলাদেশি ভিডিও গেমস নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘বাংলা-গেমস’ আন্তর্জাতিক মহলেও সাড়া ফেলেছে। তাদের একজন অফিসারের অফিস এমন হওয়াই মানানসই।

    হিল্লোলের জনপ্রিয়তার পেছনে তৃতীয় যে কারণটাকে অনেক মনস্তত্তবিদ দেখে থাকবেন, তা অবশ্যই ভদ্রলোকের প্রেজেন্টেশন। সবসময় ঝাঁ চকচকে পোষাক পরে থাকেন তিনি। ফর্সা চেহারায় আভিজাত্যের একটা ভাব আছে, যার পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞাত থেকেও যে কেউ বুঝতে পারবে এই মানুষটা গুরুত্বপূর্ণ। পুরু কাঁচের চশমাটি তার চেহারায় তারল্য আনতে পারতো, তবে ঘটেছে উল্টোটা। তাকে দেখে রাশভারি প্রফেসরও মনে হয় না, আবার একেবারে সস্তা কৌতুক পরিবেশন করার মতো ব্যক্তিত্বও যে তিনি নন তা বেশ বোঝা যায়। কিছু কিছু চরিত্রের বর্ণনা দিতে গিয়ে লেখকরা যেমন অদ্ভুত কিছু শব্দ গুচ্ছ যেমন ব্যবহার করেন, “তার অবয়ব থেকে ব্যক্তিত্বের ছটা যেন ঠিকরে বেরুচ্ছিলো!”

    এই মুহূর্তে শিয়া প্রবল ব্যক্তিত্বের ছটার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।

    দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রি-খ্যাত জনপ্রিয় রাজনৈতিক নেতাটি উষ্ণ আর ঝলমলে হাসি হাসলেন, “বসুন, প্লিজ। হ্যাভ আ সিট!”

    বিশাল ডেস্কের অপর প্রান্তে বসলো শিয়া। হিল্লোলের পেছনের দেওয়ালটা পুরোপুরি কাঁচের। ঠিক যেন তার প্রথম “অ্যাসাইনমেন্ট”-এর মন্ত্রিটির বাসভবনের মতো। নস্টালজিয়ায় হারিয়ে যাচ্ছিলো শিয়া, জোর করে বাস্তবে ফিরে এলো।

    “তাসমিম তাবাসসুম শিয়া। আপনি তো ঢাকেশ্বরী বিশ্ববিদ্যালয়ে আছেন, আমার অনেক ইচ্ছে ছিল ওখানে পড়ার। আপনাদের প্রতি আমার ঈর্ষাটা বেশ প্রবল।” ‘ফাদার’ হিল্লোলের পড়াশোনা দেশের প্রখ্যাত প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে।

    “একসময় আমারও ইচ্ছে ছিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার।” মৃদু হেসে বলল শিয়া, “আপনি হয়তো এখন বলবেন নদীর এপাড় কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস-”

    “ঠিক তাই, একদম তাই।” তর্জনী ঝাঁকিয়ে তাকে সমর্থ দিলো হিল্লোল।”আমি ভাবিনি আপনার সঙ্গে দেখা করার সৌভাগ্য হবে।” সত্য কথাটাই বলল সে। ভাইয়ার খাতা থেকে ‘ফাদার’ হিল্লোলের নাম আর ব্যক্তিগত ফোন নাম্বার পাওয়ায় দারুণ চমকে গিয়েছিলো শিয়া। তার অফিসের নাম্বার খুঁজে বের করা সহজ ছিল। সহজ ছিল না সেক্রেটারির সঙ্গে কথা বলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট আদায় করা। সুরেলাকণ্ঠি পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট তাকে প্রথমে না-ই করে দিয়েছিলো। ঘণ্টা খানেক পর মেয়েটি ফোন করে আবার জানিয়েছিলো, হিল্লোল স্যার দেখা করতে রাজি হয়েছেন। এটা একটা আশাব্যঞ্জক ফলাফল।

    “আমার সেক্রেটারির কথায় কিছু মনে করবেন না।” ঝানু রাজনীতিবিদ ঠিক ধরে ফেললেন কি বলতে চাইছে শিয়া।”প্রতিদিন প্রচুর মানুষ আমার সাথে দেখা করতে চান। প্রাথমিকভাবে সবাইকে না করে দেওয়ার জন্যই ওকে রাখা হয়েছে। তাই বলে যেন ভাববেন না আমি জনগণ থেকে একেবারেই বিচ্ছিন্ন। আমার ওয়েবসাইটে পার্সোনাল মেইল করার অপশন রাখা আছে। যে কেউ আমাকে সেখানে মেইল করে রাখতে পারেন, চাইলে নাম পরিচয় গোপন করেও তারা যোগাযোগ করতে পারেন। এবং প্রতিদিন রাতে আমি একটা করে ঘণ্টা ঐ মেইল পড়ার কাজে দেই। কাজেই আমি জনগণের কথা শুনি, সবাই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। কেবল সামনাসামনি সবাইকে সময় দেওয়াটা সম্ভব যে নয় তা নিশ্চয় বুঝতে পারছেন।”

    শিয়া এমনিতেও কিছু মনে করেনি। একজন সেলেব্রিটি রাজনীতিবিদের ক্ষেত্রে বিষয়গুলো এমনই হওয়ার কথা। চাইলেই তো আর যে কেউ তাদের সঙ্গে দেখা করতে পারে না। তবে রাজনীতিবিদেরা সাধারণত এতো কৈফিয়তের ধার ধারেন না। ফাদার হিল্লোলের এই বিনীত ভঙ্গিটা ভালো লাগার মতো। শিয়া এখন জানে কেন এই দেশে তার এতো ভক্ত।

    “ঠিক আছে, স্যার। আমি বুঝতে পেরেছি।”

    “ব্যাখ্যাটা আপনাকে দিচ্ছি তার কারণও আছে, মিস শিয়া। আমি একটি দলের সমর্থনে রাজনীতি করি ঠিক, তাই বলে নেহায়েত অন্ধ নই। রাজনীতিতে যারা নেমেছেন তাদের কাছে সাধারণ মানুষ যেন সহজে যেতে পারে সেই দিকটা দেখা উচিত। বিরোধী দল তো বটেই, আমার নিজের সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছেও সাধারণ মানুষ কিন্তু সহজে ঘেঁষতে চান না। আগে দিন ছিল অন্যরকম। মানুষ মানুষের সঙ্গে আলাপ করতো হয় চিঠিতে নয়তো সামনাসামনি। সামনাসামনি সবার সঙ্গে দেখা করা এমনিতেও অসম্ভব, আর চিঠি তো সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এখন ইন্টারনেটের যুগ। চাইলে সবাই ঘরে বসে মুহূর্তের মধ্যে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন। এটা যদি আমরা ব্যক্তিগত জীবনে নিয়ে আসতে পারি, তাহলে রাজনীতিতে কেন আনবো না? আমি হয়তো প্রথম একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যে এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে জনতার সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছি, তবে আশা করবো আমিই শেষ নই।”

    ভ্রুজোড়া কুঁচকে যাওয়া থেকে অনেকটাই নিজেকে বাধ্য করে আটকে রাখলো শিয়া। ফাদার হিল্লোলকে এদেশি রাজনীতিবিদদের সবগুলো দোষ ধরতে না পারলেও একটা-দুটো তো ধরেছেই। যেকোনো বিষয়ের মধ্যে রাজনীতির প্রেক্ষাপট টেনে আনার এই দোষটা অবশ্য ক্ষমার যোগ্য, কারণ হিল্লোল ঠিক উগ্র নন এ বিষয়ে।

    “প্রতিদিনের ভিজিটরদের লিস্ট সেক্রেটারি মেয়েটা আমার কাছে পাঠিয়ে দেয়। আপনার ব্যাপারটা জানতে পারার সঙ্গে সঙ্গেই আমি ওকে বলে দিয়েছিলাম আপনাকে যেন ইনভাইট করা হয়।”

    বিস্মিত হলো শিয়া, “কেন?”

    “শামসুর রহমানের বোন আপনি। আপনার ভাইয়ের সঙ্গে যা ঘটেছে তা নিয়ে আমি খুব, খুব দুঃখিত প্রসঙ্গটা কিভাবে তুলবে তা নিয়ে খুব বেশি ভেবে আসেনি শিয়া। তবে কথা ওঠায় একরকম স্বস্তি অনুভব করলো সে।

    “আপনারা একজন আরেকজনকে চিনতেন?”

    “শামস একবার আমার অফিসে এসেছিলেন। বসেছিলেন ঠিক যেখানে আপনি বসেছেন।” উত্তরটা এভাবেই দিলো হিল্লোল, “আমার কাছে সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। অথচ এই একটা ক্ষেত্রে আমি সাহায্য করার আগেই দুর্ঘটনা ঘটে গেলো।”

    হিল্লোলকে দেখে বেশ ব্যথাতুর মনে হচ্ছে এখন। খুঁটিয়ে তার চেহারার প্রতিটা ভাঁজ লক্ষ্য করলো শিয়া। শঠতার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না সেখানে। হয় তিনি প্রচলিত গল্পগুলোর মতোই পরিপাটী সৎ একজন মানুষ, নয়তো তুখোড় অভিনেতা।

    “আপনার সঙ্গে তার দেখা করার উদ্দেশ্য কি ছিল তা কি ভাইয়া জানিয়েছে?”

    এই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর পাওয়ার আশা করেনি শিয়া, তবে তাকে আরও একবার বিস্মিত করে দিয়ে উত্তরটা দিলেন ফাদার হিল্লোল, “শামস আমার কাছে এসেছিলো একটা অভিযোগ নিয়ে। আমাদের সংগঠনের কোনো এক ছাত্র নেতার প্রতি নাকি তার অভিযোগ। অভিযোগের স্বপক্ষে তার কাছে নাকি প্রমাণও ছিল।”

    “প্রমাণ?”

    “একটা ভিডিও ক্লিপ। আমি তার অভিযোগ একারণেই গুরুত্বের সাথে নিয়েছিলাম। জনতার কাছে ওপেন থাকার একটা সমস্যা হলো প্রতিদিন আপনার কাছে কেউ না কেউ অভিযোগ তুলবে, আর সেই অভিযোগের তীর থাকবে আপনারই সংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রতি। বেশিরভাগই ভুয়া অভিযোগ। তবে এমন নয় যে অভিযোগে সত্য হলে আমি যথাযথ ব্যবস্থা নেই না। গত কয়েক মাসে অনেক নেতাকর্মী সংগঠন থেকে বহিষ্কৃত হয়েছে। আপনি হয়তো জেনে থাকবেন, এসব খবর বিরোধী দল ঘেঁষা সংবাদমাধ্যমগুলোতে খুব ঢালাওভাবে প্রচার করা হয়। আমার প্রতি অনেকে অসন্তুষ্ট যে নন তেমনটাও নয়। তবে অন্যায়ের সঙ্গে আপোষ করার শিক্ষা আমি নেইনি।”

    “ক্লিপটা কি আপনি দেখেছেন?”

    মাথা নাড়লেন ফাদার হিল্লোল, “তিনি সঙ্গে ওটা নিয়ে আসেননি। আমার সঙ্গে কথা বলে তিনি প্রথমে নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন আমাকে বিশ্বাস করা চলে কি না। এটা খুবই যুক্তিযুক্ত একটা আচরণ। আমি তার জায়গায় থাকলেও হয়তো এমনটাই করতাম।”

    মাথা দোলালো শিয়াও। এমন একটা বিষয় নিয়ে ভাইয়া ঘাটাঘাটি করছিলো যেটা তার প্রাণের ওপর হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিপদের সম্ভাবনা কতোখানি তা ভাইয়া ভালো করেই জানতো। এমন একটা পরিস্থিতি হ্যান্ডল করার সময় সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণে তার কার্পণ্য করার কথা না। ভাইয়াকে শিয়া যতোটুকু চেনে তাতে সঙ্গে করে ভিডিও ক্লিপ না নিয়ে আসাই তার সঙ্গে যায়। এবং ক্ষমতাসীন একটি দলের ছাত্রনেতার নামে অভিযোগ করার জন্য সবচেয়ে বুদ্ধিদীপ্ত পদক্ষেপ হতে পারতো এই জেনারেশনেরই একজন রাজনীতিবিদের সঙ্গে তা নিয়ে আলোচনা করা। সৎ, দুর্নীতির প্রশ্নে আপোষহীন কারও সঙ্গে। যিনি নিজের দলের ভেতরের কারও দুর্নীতির প্রমাণ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেন তেমন কারও সঙ্গে–ফাদার হিল্লোলের মতো কারও সঙ্গে।

    “তারপর?” জানতে চাইলো শিয়া।

    মাথা নিচু করলেন হিল্লোল, ব্যথাতুর দৃষ্টিটা আবারও ফিরে এসেছে তার মুখমণ্ডলে।”তারপর আমি জানতে পারি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে একটা ট্র্যাজিক ঘটনা ঘটে গেছে।”

    “আপনি পুলিশকে এটা জানাননি? ভাইয়া যে আপনার সঙ্গে এমন একটা বিষয় নিয়ে কথা বলতে আসার পর খুন হয়ে গেলো, তা কি জানিয়েছিলেন তাদের?” অজান্তেই কর্কশ হয়ে উঠলো শিয়ার কন্ঠস্বর

    “অবশ্যই। অবশ্যই জানিয়েছিলাম। ওদের কাছে স্টেটমেন্ট দিয়েছি, থানায় গিয়ে দিয়ে এসেছি। এটা আমার দায়িত্ব বলেই মনে হয়েছিলো।” মুখ তুলে তাকালেন তিনি, “তবে এতে করে খুনিকে ধরার কোনো বিশেষ অগ্ৰগতি আনতে তারা পারেনি। কাজেই আমি ভিন্ন সোর্সের মাধ্যমে স্টেট ইউনিভার্সিটির খবর নেওয়ার চেষ্টা করেছি। সবখানেই আমার কম-বেশি প্রতিপত্তি আছে।”

    “আপনার সোর্স কিছু জানাতে পারলো?”

    দুই পাশে মাথা নাড়লেন হিল্লোল, “বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসগুলো একেকটা দুর্গ। এটা নিশ্চয় জানেন, ভাইস চ্যান্সেলরের অনুমতি ছাড়া ক্যাম্পাসে এমনকি পুলিশের গাড়িও ঢুকতে পারে না? হলগুলো আরও দুর্ভেদ্য। ইনফরমেশনের ব্যাপারটাও অনেকটা তেমন। এমন না যে কিছুই শুনতে পাবেন না, প্রচুর গল্প শোনা যাবে। এর মধ্যে কতোটা সত্য আর কতোটা মিথ্যে তা বের করাই কঠিন। আমিও এমন কিছু গল্প শুনেছি।”

    “সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য ছিল কোন গল্পটা?”

    “শামস আমার সঙ্গে যোগাযোগ করার ব্যাপারটা তার বন্ধুদের কাউকে কাউকে জানিয়েছিলো নিশ্চয়। ওদের ক্যাম্পাসে বিষয়টা ছড়িয়ে যায়। বিরোধীদলের কিছু ছেলে তার থেকে ভিডিও ক্লিপটা কিনে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলো, আমাদের বিরুদ্ধে প্রচারণার একটা বড় অস্ত্র হিসেবে এটা কিন্তু কাজ করতো। তবে শামস ঐ তথ্য রাজনৈতিক কোনো কারণে ব্যবহার করার পক্ষে ছিল না, সে চেয়েছিলো ন্যায়বিচার। কাজেই এটা নিয়ে বিরোধীদলের সঙ্গে তার একটা দ্বন্দ্ব লেগে যায়।”

    “আপনি বিশ্বাস করছেন এমন একটা দ্বন্দ্ব থেকেই আমার ভাইকে খুন করে ফেলা হয়েছে?”

    “আমি একটা সম্ভাবনার কথা বলছি কেবল। বিরোধীদলের কাজ হোক বা আর কারও, আমার মনে হয় তারা ঐ ভিডিও ক্লিপ উদ্ধার করতে পারেনি।”

    নাক কোঁচকালো শিয়া, “আর যদি কাজটা বিরোধী দলের না হয়? যদি স্টেট ইউনভার্সিটির কোনো সরকারপক্ষের ছাত্রনেতারই কাজ হয় ওটা? নিজের কুকাজ গোপন করতে আমার ভাইকে মেরে ফেলে তার থেকে ভিডিও ক্লিপ কেড়ে নিয়েছে, এমনটাই বেশি বিশ্বাসযোগ্য মনে হচ্ছে আমার।”

    ভ্রু কুঁচকে গেছে হিল্লোলের, “আমাদের কেউ? না না, তা সম্ভব না।

    “কেন?”

    “অকাজ-কুকাজ করে ফেলার মতো নেতা-কর্মী যে আমাদের নেই তা কিন্তু বলছি না। তারা আছে। তবে তাদের প্রতিটা অকাজের বিবরণ আমাদের হাতে চলে আসে। আগে অথবা পরে। আপনার ভাইয়ের ঘটনাটা অনেক বড় একটা ঘটনা। এটা আমাদের কেউ ঘটালে ফাঁস হয়ে যেতো নিঃসন্দেহে।”

    “কিভাবে? তারা তো চাইবে এটা যেন কেন্দ্রীয় কোনো নেতার কানে না যায়।”

    হাসলেন হিল্লোল, “রাজনীতির ভেতরের নোংরামি আপনি হয়তো বিশদ জানেন না। বড় ধরণের অন্যায় হলে আমাদের কানে সেটা কিভাবে চলে আসে বলুন তো? অপরাধী নিশ্চয় বিবেকের দংশনে অতিষ্ঠ হয়ে আমাদের ফোন দিয়ে স্বীকারোক্তি দেয় না?”

    “গোয়েন্দা বাহিনি?”

    সশব্দে হাসলেন হিল্লোল, “প্লিজ! গোয়েন্দা বাহিনী পুষবো আমরা? যারা প্রতিটা সাংগঠনিক অফিসের খবর নেবে? এটা কি সম্ভব?”

    “তাহলে আপনাদের কানে কিভাবে আসে?”

    “অপরাধীর খুব কাছের বন্ধুই তা প্রতিবার ফাঁস করে দেয়। আমাদের দলের কর্মী কিংবা ভালো কোনো পদ না পাওয়া নেতারাই এসব করে থাকে। কোনো এক কর্মী দেখবেন আমার অফিসে ফোন করে তার বন্ধুর করা কুকর্মের বিস্তারিত বর্ণনা দিলো। এতে ঐ বন্ধু নেতাজী বহিষ্কৃত হবে সংগঠন থেকে। আর এদিকে সততার সঙ্কটে আমরা কাকে বেছে নেবো নেতৃত্বের জন্য? যে হিরোটি ফোন দিয়ে তারই নেতাকে ফাঁসিয়ে দিলো, তাকেই তো? মাঝ দিয়ে এরা নেতা-টেতা হয়ে যায়। অন্তত ভালো একটা পদ তো বাগাতে পারে। এটা তাদের লাভ, এটুকুর জন্যই নিজেদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করতে বাঁধে না ওদের। বাঙালির জন্য আবার গুপ্তচর লাগে নাকি? এরা নিজেরাই নিজেদের কথা ফাঁস করায় ওস্তাদ। শোনেননি? বাঙালিদের নরকে দরজায় পাহারা থাকবে না।”

    “এমন কি হতে পারে না, এবার যে কাজটা করেছে তার এমন কোনো বিশ্বাসঘাতক বন্ধু নেই?”

    মাথা নাড়লেন রাজনীতিবিদ-কাম-সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ার, “হতেই পারে না। আমার পলিটিকাল ক্যারিয়ারের দুই দশকে এমন চরিত্রের দেখা একবারও পাইনি। ক্ষমতার লোভ যে কি ভয়ানক জিনিস তা আপনি জানেন না মিস শিয়া।”

    “তবে অন্তত আপনি কনভিন্সড যে এই কাজটা আপনার দলের কেউ করেনি?”

    “বাতাসে তেমন গন্ধই পাওয়া যাচ্ছে।”

    “এই প্রশ্নগুলোর উত্তরই আমি খুঁজে বেড়াচ্ছিলাম, স্যার। আপনার সময়ের জন্য ধন্যবাদ।” ওঠার উপক্রম করলো শিয়া, হাসলো একটু, “আপনি এতোটা ফ্রেন্ডলি হবেন, তা আশা করিনি। ভেবেছিলাম রাজনীতিবিদেরা গম্ভির হয়ে থাকেন।”

    ডেস্ক ঘুরে এসে তার সঙ্গে হাত মেলালেন হিল্লোল, “কথা বলে ভালো লাগলো। আপনি এখানে সব সময়ই আমন্ত্রিত। আরও একবার, আপনার ভাইয়ের ব্যাপারে আমি দুঃখিত। খুনিরা যেন ধরা পড়ে যেজন্য যা করা লাগবে আমি করবো, কথা দিচ্ছি।”

    মাথা দোলালো শিয়া, “থ্যাংক ইউ, স্যার।“

    দরজার কাছে প্রায় পৌছে গেছে ও, পেছন থেকে আরও একবার ডাক পড়লো, “মিস শিয়া?”

    ঘুরে তাকালো ও, “ইয়েস?”

    “ঐ মেমরি কার্ডটা যদি হাতে পান, আমার কাছে চলে আসবেন সরাসরি। ওটা থেকে হয়তো খুনিদের আইডেন্টিফাই করা যাবে। আপনাকে আমি সবরকমের সহযোগিতা করবো। উঁচুমহলে আমার চেনা অনেক লোক আছে। আপনি একা নন এটা মনে রাখবেন। আমি আছি।”

    থমকে গেলো শিয়া, মেমরি কার্ড! ভাইয়া কি ক্লিপটা কিসের মাধ্যমে পেয়েছে তা জানিয়েছে? একটা ভিডিও পেন ড্রাইভে থাকতে পারে, পোর্টেবল হার্ডডিস্কে থাকতে পারে, গুগল ড্রাইভেও রেখে দেওয়া যায়। এতো থাকতে মেমরি কার্ডের কথা তিনি কেন বলতে গেলেন?

    সন্দেহের লক্ষণ দেখালো না শিয়া, মাথা দোলালো কেবল, “শিওর।”

    দরজা বন্ধের শব্দ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পকেট থেকে একটা আইফোন বের করলেন ফাদার হিল্লোল। নির্দিষ্ট নাম্বারটা ফোন রিসিভ করেই বিনীত সালাম দিলো। দাঁতে দাঁত চেপে হুঙ্কার দিলেন তিনি, “সালাম চোদায়ো না! শামসের বোনটা তোদের হোগায় লাইগা গেছে। বালের একটা কাম করছো আর সেইটার খেসারত দিতে হইতেছে আমারে। মাগি আমার অফিস পর্যন্ত এসে গেছিলো।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }