Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪৬

    অধ্যায় ৪৬

    চোখ খুলতেই প্রথমে দেখা গেলো ইলোরার উদ্বিগ্ন মুখ। তার এক হাতেরও কম তফাতে তূর্ণার কুঁচকে থাকা ভ্রু, আরেকটি উদ্বিগ্ন মুখ। হাসার চেষ্টা করলো মুহিব, ঠোঁটে যন্ত্রণা করে উঠলো। হাসি বলতে যে মাংসপেশির পরিবর্তন মানুষ বোঝে, সেসব মাংসপেশিদের অনেকেই আক্রান্ত। তারা নড়তে পারছে না।

    “জ্ঞান ফিরেছে হারামজাদার।” মুখ ঝামটে উঠলো ইলোরা, “শামীমের সাথে তোর গুজুর গুজুর ফুসুর ফাসুর আমি বের করছি। তোকে পিটিয়ে যদি আমি তেলাপোকা না বানিয়েছি তো আমার নাম-”

    “টেনশনে থাকলেই কি তোমার বান্ধবি রেগে যায়?” মুখ টিপে হাসলো তূর্ণা।

    “আমি এখান থেকে বের হতে পারবো না।” গম্ভির মুখে বলল মুহিব, “বুঝতে পারছেন এখান থেকে বের হলে কি মারটা খেতে হবে আমাকে? এবার ঠিক মেরে ফেলবে।”

    “কে?” কড়া গলায় জানতে চাইলো তূর্ণা, “তাজউদ্দিনের ছাত্রসংগঠনের সভাপতিকে পর্যন্ত তোমার ব্যাপারে জানিয়েছি। তুমি জানো, এই কেবিনের বাইরে একজন পুলিশ প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে? তোমাকে কেউ ফুলের টোকাটাও দিতে পারবে না।”

    “যারা আমাকে মেরে ফেলবে তাদের পুলিশ দিয়ে ঠেকাতে পারবেন না।” চোখ টেপার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হলো মুহিব। একটা চোখের পাতা বন্ধ করা যাচ্ছে না। চেষ্টা করলে দুটোই বন্ধ হয়ে আসে। দারুণ যন্ত্রণা।”যদি আপনার আর আমার ক্যাম্পাসের ছেলেরা শোনে দুই ভার্সিটির শীর্ষ সুন্দরির সাথে এক ঘরে শুয়ে আছি…”

    তূর্ণা হেসে ফেললো। ইলোরার মুখ আগের মতোই থমথমে মুখে তাকিয়ে আছে।

    “এখান থেকে বের হয়ে তুই আমার সাথে লম্বা একটা সিটিং দিবি। কোনো রেস্ট নাই।”

    “এখান থেকে বের না হওয়ার আরও ভালো একটা কারণ!”

    মাথা ঘুরিয়ে চারপাশে তাকালো মুহিব। ওপরে একটা ব্লাডব্যাগ ঝুলছে। সেখান থেকে ওর চোখ এসে থামলো ইলোরার বাম হাতের কনুইয়ের ওপর। একটা ব্যান্ড-এইড। মেয়েটা তবে ওকে রক্ত দিয়েছে? জেগে ওঠার আনন্দ ছাপিয়ে তাকে ঘিরে ফেললো বিস্ময়। ওকে রক্ত দেওয়া হচ্ছে কেন? সামান্য মুখ আর গাল কাটার জন্য কারও রক্ত লাগে নাকি?

    “আমার কি হয়েছে?” সম্পূর্ণ বিভ্রান্ত হয়ে জানতে চাইলো মুহিব।

    মাত্রই কেবিনে হেঁটে ঢুকছিলো শামীম। মুহিবের প্রশ্নটার উত্তর সে দিলো অট্টহাসি দিয়ে, “আরে নবাবের বাচ্চার ঘুম ভাঙছে দেখা যায়। নবাবজাদা বুঝতে পারতেছে না তার কি হইছে। ঐ খানকির পোলা জাকিকে যদি আমি মাটিতে পুইতা না ফেলছি…”

    অবাক হয়ে তূর্ণা তার দিকে তাকালো, “জাকি?”

    “মুহিবকে জাকি ভাই ডেকে পাঠিয়েছিলো। তারপর তারে ছুরি মারা হইছে। আর কে মারবে বলেন!”

    “আমাকে তুমি আগে বলোনি কেন?” তূর্ণাকে আহত দেখাচ্ছে। জাকির সম্পর্কে তার ধারণা অনেক উঁচুতে, বোঝা যায়।

    এতোক্ষণ দুশ্চিন্তায় ওরা কার্যকারণ নিয়ে কথা বলার চেষ্টাও করেনি। ডলফিন ক্লিনিকটা প্রাইভেট, দ্রুত সার্ভিস পাওয়া গেছে। বিকেলে একজন ছুরিকাহত রোগিকে আনার পর রাত আটটায় অপারেশন থিয়েটারে তাকে ঢোকানো হয়েছে। রোগির ভেতর ফরেইন পার্টিকলস পাওয়া গেছে, তাদের সরিয়ে সেলাই করে রোগিকে নিজের কেবিনে এনে রক্ত সরবরাহ করা হয়েছে। ওয়েটিং রুমে তূর্ণা, ইলোরা, শামীমের সাথে আরও অনেকেই ছিল। মুহিবের মেসের প্রায় সব ছেলে চলে এসেছে। তাদের শামীম অনেক বুঝিয়ে আবার মেসে ফেরত পাঠিয়েছে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে যে ভালো-মন্দ খবরের আপডেট তাদের দেওয়া হবে। এতো মানুষের ভিড়ে জাকি গ্রুপ নিয়ে আলোচনা করা যায় না।

    একটা হাত তোলার চেষ্টা করলো মুহিব, তেমন জোর পেলো না।”থাম তোরা। জাকি ভাইয়ের সাথে আমার অবস্থার কোনো সম্পর্ক নাই।”

    “হুঁ!” বিদ্রুপের সুর শামীমের কণ্ঠে, “জাকির সাথে সম্পর্ক নাই। তোর পিঠে তিন ইঞ্চি ফলার ছুরি ঢুকিয়েছে তূর্ণা আপু। তারপর টেনে মেডিকেলে নিয়ে এসেছে, তাই বলতে চাইছিস?”

    “ছুরি এলো কোথা থেকে?” অবাক হয়ে গেলো মুহিব।

    “সেটাই।” সবজান্তার মতো বলল শামীম, “সেটাই ভাবছিলাম। তোর শর্ট টাইম মেমরি লস ঘটে গেছে। ছুরির কথা ভুলে গেছিস। এবার জানতে চাইবি জাকি এলো কোথা থেকে!”

    কনুইয়ে ভর দিয়ে ওঠার চেষ্টা করলো মুহিব। উঠতে কোনো সমস্যা হলো না, তবে হা হা করে এগিয়ে আসতে যাচ্ছিলো মেয়ে দুটো। ওদের শান্ত করতেই শুয়ে পড়লো আবার, “তুই পুরো কাহিনী জানিস না। অযথা দোষারোপ করার মানে হয় না। আমাকে রিলিজ দেবে কখন?”

    কাঁধ ঝাঁকালো শামীম, “রাতটা থেকে যেতে বলছে। তবে আমি একটু চাপ দেওয়ার পর বলেছে এই ব্যাগটা দেওয়া হয়ে গেলে তুই বাড়ি ফিরে যেতে পারবি। বিশ্রাম ছাড়া প্রেসক্রিপশনে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই। গুরুত্বপূর্ণ কোনো রগ-টগ কেটে যায়নি। চাকু মেরে একেবারে হা করে দিয়েছিলো তোর পিঠ, সেইটা থেকে রক্তপাতে দুর্বল হয়ে পড়েছিলি।

    পালাক্রমে ইলোরা আর তূর্ণার দিকে তাকালো মুহিব। সোজা হয়ে বসার জন্য যাদের হাহাকার চোখে পড়ার মতো, তাদের সামনে আজ রাতেই ক্লিনিক ছেড়ে মেসে ফিরে যাওয়ার আলোচনা স্বাস্থ্যকর নয়। আশানুরূপ প্রতিফলন দেখা গেলো মুখ দুটোয়। পাথর খুঁদে বানানো হয়েছে যেন ইলোরার চেহারা, এতোটাই শক্ত। তূর্ণার চোখে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা, সেটাই তার মুখ থেকে বেরিয়ে এলো।

    “অসম্ভব। আজকে রাতে মুভমেন্টের দরকার নেই কোনো। কাল দেখা যাবে এসব।”

    শামীম অবশ্য চোখ টিপলো, “দোস্ত, বেরিয়ে আয়। নারীকূলের কথায় কর্ণপাতের দরকার দেখি না। ভদকার একটা বোতল ম্যানেজ করেছি।”

    দুই জোড়া অসন্তুষ্ট চোখের সামনেই শয়তানের মতো হাসলো ওরা। আরেকবার ব্লাড ব্যাগের দিকে তাকালো মুহিব, অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে রাত এগারোটা সাড়ে এগারোটার দিকেই কেটে পড়া যাবে।

    “এভাবে তাকাবি না।” ইলোরার দিকে পরের বার তাকিয়ে ধমক খেতে হলো।

    “আমি আবার কোনভাবে তাকালাম? তোর ভ্রুটা সোজা কর। পরে কপালে পারমানেন্ট দাগ পড়ে যাবে।” হাসিমুখেই প্রতিবাদ করলো মুহিব, “আজকে রাতে আমি এখান থেকে ভাগছি, এটাই শেষ কথা। এমনিতেই সময় এখন বর্ষাকাল, হরিণ খামচায় বাঘের গাল।”

    “এটার মানে কি?”

    “তোর বয়ফ্রেন্ড যদি টের পায় রাতে তুই আমার সাথে থাকছিস, এবার হয়তো ছুরিতে থামবে না। তরোয়াল সেঁধিয়ে দেবে!”

    তূর্ণা দু-হাত দুইদিকে ছড়িয়ে ঝট করে উঠে দাঁড়ালো, “হোয়াট?” ইলোরার মুখ সামান্য হা হয়ে গেছে, নিরেট বিস্ময় তার চোখেও, তূর্ণার প্রতিধ্বনীই তুললো সে, “হোয়াট?”

    শামীম বসে পড়লো বিছানার পাশে, “কি বললি তুই?”

    ভ্রুজোড়া কপালে তুলে ওদের তিনজনের দিকে তাকিয়ে থাকলো মুহিব, ঠিক ইলোরার মতোই। তারপর উষ্ণ একটা হাসি উপহার দিলো প্রত্যেককে।

    “চল।” হাত নাড়লো ইলোরা, “রাতে তুই অবশ্যই যাবি, তবে তোর ঐ নোংরা মেসে না। এখান থেকে সরাসরি শামীমের বাসায় যাচ্ছিস। আর আমিও আজকে থাকবো শামীমের রুমে। ঝেড়ে কাশবি ওখানে, নাহলে এবার তোকে ছুরি আমি মারবো।”

    একটা হাত তুললো তূর্ণা, তাকে অনেকটা ফ্যাকাসে দেখাচ্ছে এখন “আমার মনে হয় এটা একটা খারাপ আইডিয়া হবে। ছেলেদের ভাড়া করা বাসায় এক দুই রাত থাকা অনেক অ্যাডভেঞ্চারাস আমি জানি, আমিও এভাবে থেকেছি অনেকদিন। তবে আজকে ছেলেটার জন্য এটা অনেক রিস্কি হবে।”

    ইলোরার চেহারায় বিরক্তির ছাপ পড়লো, “আপু, স্রেফ অ্যডভেঞ্চার করতে যাচ্ছি না আমি।”

    জোরে জোরে মাথা ঝাঁকালো তূর্ণা, “জানি আমি। তারপরও আমি বলবো এটা একেবারে দরকার না পড়লে করা উচিত না। আর যখন তোমাদের হাতে একটা বেটার অপশন আছে, অহেতুক ঝুঁকি নেওয়ার দরকার কি? এক দিনের জন্য ঝুঁকির পরিমাণটা কি যথেষ্ট হয়নি?”

    মুহিব ইঙ্গিতটা বুঝতে পারলো। আজকে রাতে শামীমের রুমে ইলোরাকে রাখা এমনিতেও যেতো না। ভার্সিটির সবগুলো পরিচিত মুখ আজ ওখানে হুমড়ি খেয়ে পড়বে। মুহিবের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কথা তাদের কারও জানতে বাকি নেই, দর্শনপ্রার্থিদের সংখ্যা হবে অগণিত। ওখানে গিয়ে তারা যদি দেখে ক্যাম্পাসের শ্রেষ্ঠ সুন্দরি শামীমের ঘরে রাত কাটাচ্ছে তো পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের দারোয়ানরাও তা জানতে পারবে। এতোগুলো ছেলেকে ওদের “লিটল সিক্রেট’ জানতে দেওয়ার প্রশ্ন আসে না। মুখ বন্ধ রাখার ব্যাপারে শামীমের আর সব সাবলেটরা দক্ষ হতে পারে, কিন্তু এক ক্যাম্পাস ভর্তি সাধুপুরুষ পাওয়া কঠিন। পরে এটা নিয়ে সমস্যা হবে এবং সেই সমস্যার শিকার হবে শামীম নিজেই।

    “কোনো বেটার অপশন?” তূর্ণার কাছে জানতে চাইলো ইলোরা।

    কাঁধ ঝাঁকালো তাজউদ্দীন বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেষ্ঠ সুন্দরি, “আজকে রাতটা আমার বাসায় থেকে যাও। আমাদের বাসার গেস্ট রুমটা জোস। তবে,” সরাসরি শামীমের দিকে তাকালো সে, “ভদকার বোতল নট অ্যালাউড!”

    *

    তুর্ণার বাবা-মার সঙ্গে বিশ মিনিট কথা বলেই তাদের ভক্ত হয়ে গেলো ওরা তিনজন। রাত সাড়ে বারোটায় তিন তিনটে উটকো ঝামেলা এসে বাড়িতে জুটলে বাংলাদেশের ক’জনের বাবা-মা এতো সাদরে বরণ করতে পারতেন তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করলো শামীমও। গল্পের জাদুকর বাবাটি, নিজের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের কিছু সংশ্লিষ্ট ঘটনা শেয়ার করতে করতে এতো নিখুঁতভাবে অপ্রচলিত কিছু প্রাপ্তবয়স্কদের কৌতুকে পৌছে গেলেন যে ওরা কেউ প্রসঙ্গের পরিবর্তনটা টের পেলো না। কোটিপতি বসায়ি, খুবই ওপেন মাইন্ডেড–তূর্ণার মতো সুন্দরি মেয়েদের জন্য এমন ব্যাকগ্রাউন্ডের বাবা-ই তো দরকার। একে অন্যের সঙ্গে কনুই দিয়ে খোঁচাখুঁচি করলো মুহিব।

    মুহিবকে একেবারে রিলিজ দেওয়া হয়নি। ব্যান্ডেজ খোলা, ড্রেসিং ইত্যাদি নিয়ে নিয়মিত ডলফিন ক্লিনিকে যাওয়া আসার একটা শিডিউল ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। রিসিপশনে বসে থাকা মেয়েটা জানিয়েছিলো রোগি চাইলে বাড়ি গিয়ে একজন ডাক্তার গিয়ে দেখভাল করে আসবে, তবে দাম পড়বে চড়া। চড়া খরচে মুহিবের আগ্রহ না থাকায় মেয়েটির মুখের একশ ওয়াটের বাল্বের মতো ঝলমলে হাসিটা একেবারেই বৃথা গেছে।

    তূর্ণার বাবা মা রাত একটার মধ্যেই ওদের নিস্তার দিলেন। আর আধঘণ্টা সময় চেয়ে নিয়ে মেয়ে দুটো ওদের সঙ্গে থেকে গেলো। জুনিয়র বলে রক্ষা! শামীম আর মুহিব আরেক দফা কনুই খোঁচাখুঁচি করে ইলোরার ধমক খেলো। আসল আলাপে আসা গেলো ওরা একা হওয়ার পর। তূর্ণা তার দিক থেকে গল্পটা বলে গেলো। আগামীকাল ভার্সিটির এক বান্ধবির জন্মদিন, শায়লা মেয়েটাকে সবাই অবশ্য তূর্ণার বেস্ট ফ্রেন্ড বলেই জানে। সেলিব্রেশনের উদ্দেশ্যে আজকের রাতটা হলেই থাকার কথা ছিল তার। টুকিটাকির সামনের ছেলেদের আড্ডা থেকে উঠতে উঠতে তূর্ণার সন্ধ্যা হয়ে গেছিলো। হলে ফেরার পথেই রাস্তায় মুহিবকে দেখতে পায় সে। এটা অবশ্য নেহায়েত কাকতাল মনে করার উপায় নেই, মেয়েদের হলে যাওয়ার আর কোনো বিকল্প রাস্তা ছিল না।

    ধীরে ধীরে পুরো ঘটনাটা তাদের খুলে বলল মুহিব।

    “আউট অব জেলাসি?” তূর্ণা দুইপাশে মাথা নাড়লো, যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না বিষয়টা, “তোফায়েলের মতো একটা পলিটিকাল ব্যাকগ্রাউন্ডের ছেলে এমনটা করবে কেন?”

    “তার নিজেরই তো রেকর্ড ভালো না।” একটা কাঠি চিবুতে চিবুতে বলল শামীম। রাতের খাবারে গরু ছিল, আন্টি অল্প সময়েই অনেকগুলো আইটেম করে ফেলেছিলেন।”কিছু মনে করিস না ইলোরা, মাগিবাজ হিসাবে তার খ্যাতি পুরা শহর জুড়েই আছে। সে কি আশা করতেছিলো, গার্লফ্রেন্ড হবে সতী-সাধ্বী?” আবারও দ্রুত একবার ইলোরার দিকে তাকালো শামীম, “কিছু মনে করিস না, তোকে মিন করে বলতেছি না।”

    মাথা নাড়লো ইলোরা, “তোদের মিসকনসেপ্ট আমি আগেও ভাঙানোর চেষ্টা করেছি, তবে কানে তোলার চেষ্টা করিস নাই। আমি ঐ মাদারচোতের গার্লফ্রেন্ড না। এই জিনিসটা আমি তার সাথেও ক্লিয়ার করেছি অনেকবার, তোদের সাথেও করেছি।”

    “বাল বকিস না।” এবার ক্ষেপেই উঠলো শামীম, “তুই একটা সিনিয়র ছেলের সাথে রোজ বিকেলে ঘুরে বেড়াবি, বাইকে জড়াজড়ি করে থাকবি, এখানে ওখানে হাত ধরাধরি করে হাঁটবি, তারপর বলবি গার্লফ্রেন্ড না। তোর মনে কি আছে তা কেবল খোদা জানে আর তুই জানিস, কিন্তু দুনিয়াবাসি কিভাবে তোদের দেখে বলে ভাবছিস?”

    “আমি জানি দুনিয়াবাসি কিভাবে আমাদের দেখে। তোদের থেকে আমি ঠিকভাবে দেখাটা আশা করেছিলাম। ভুল করেছি হয়তো।” গাল ফুলিয়ে ফেললো ইলোরা।

    ঝগড়ার মাঝে বাগড়া দিলো তূর্ণা, “ইলোরার ওপর এতো চাপ দেওয়াটা তোমাদের উচিত হচ্ছে না আসলে। তোফায়েলের রেকর্ড তোমরা জানো। এরকম একটা ছেলে যখন ক্যাম্পাসের কোনো মেয়ের পেছনে লাগে তখন তাকে ডিফেন্সিভ কিছু করতে হয়। একটা উপায় হলো মধ্যমপন্থায় থাকা। ইলোরা সেটা বেছে নিয়েছে, সে তোফায়েলকে চটিয়ে দেয়নি আবার নিজেকেও একটা নিরাপদ দূরত্বে রেখেছে। নিজে একজন মেয়ে হিসেবে আমি তার অ্যাপ্রোচকে অ্যাপ্রিশিয়েট করবো।”

    “আমি ঠিক ডিফেন্সিভ অ্যাপ্রোচ বলবো না এটাকে, সেটা মিথ্যে বলা হবে।” ইলোরা বলল, “ছেলেটার নামে এতো বদনাম শুনেছি, ক্যাম্পাসে ঢোকার পর থেকে শুনছি। আমার এখনও মনে আছে, মেডিকেল সেন্টারের সামনে বাইক নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল ও, আমার সাথে ছিল সিভিলের একটা মেয়ে। ও আমাকে প্রথম দেখায় তোফায়েলকে। বলেছিলো এই ক্যাম্পাসে একশ রেপ করা কোনো ছেলে না থাকলেও তাদের কাছাকাছি রেপ কেউ যদি করে থাকে তবে এই ছেলে। তারপর বন্ধুদের দেখেছি রেপের প্রসঙ্গ উঠলেই তোফায়েলের নাম নিতে। আমার কাছে এটাকে বাস্তবতার চেয়ে বেশি মনে হয়েছিলো ট্রল।” নিজের সুন্দর হাতজোড়া অযথাই দেখলো ইলোরা।”বলতে চাইছি, আমি মনে হয় নিষিদ্ধ বস্তুর আকর্ষণে পড়ে যাই।”

    হাততালির শব্দে ঘরটা ভরে গেলো। শুয়ে থাকা মুহিবের দিকে একযোগে ঘুরে গেলো তিনজোড়া মাথা। ডাক্তার নড়াচড়া করতে নিষেধ করেছে তাকে, বিশেষ করে হাত আর পিঠের পেশি নড়ে এমন সব কাজ করা আপাতত নিষিদ্ধ। আগামি কয়েক মাসে ক্রিকেট খেলার সম্ভাবনা একেবারেই নেই তার তবে দর্শকের কাতারে থেকে তালি দেওয়ার কাজটা যে সে এখনও করতে পারে তার একটা ছোটোখাটো প্রদর্শনী চালাচ্ছে সে এখন।

    “তারমানে তুই তার প্রতি দুর্বল ছিলি। আর তোফায়েল তো স্পষ্টতই তোর প্রেমে ডুবে আছে। মাগিবাজের প্রেম যে এতো সিরিয়াস হয় তা জানতাম না। দু-জন দু-জনের প্রতি আগ্রহি, ঘুরছিস একসাথে, অথচ গার্লফ্রেন্ড বলা যাবে না। *

    তূর্ণাই ঘরে নারীবাদী সংগঠনের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে ইলোরার পক্ষ নিলো, “এরকম একটা ছেলের প্রেমে পড়া আরও কঠিন কাজ। তুমি জানবে না তার কাছে তুমি কতোটা নিরাপদ।”

    কিছুক্ষণের জন্য সবাই চুপ হয়ে গেলো।

    “ক্যাম্পাসে তুমি নিরাপদ তো?” তূর্ণাই নিস্তব্ধতা ভাঙে, এবারের প্রশ্নটা করা হয়েছে মুহিবের উদ্দেশ্যে।

    মাথা দোলালো মুহিব, “তা নিরাপদ। ক্যাম্পাসের কেউ এসব নিয়ে জানুক এমনটা তোফায়েল চায়নি, নয়তো এতো রাখঢাকের দরকার ছিল না। ক্লাস থেকে ফেরার সময়ই দলবল ধরে পিট্টি দিতে পারতো। উগ্রবাদী ছাত্র সংগঠনের সদস্য হিসেবে প্রচার করে দিলেই কেউ কিছু জানতে চাইতো না। এমন হয়েছে না কয়েকদিন আগে? চাঁদার টাকা নিয়ে ঝামেলা হয়েছিলো সিভিলের তাহেরের সাথে। ওকে পরীক্ষার হলে গিয়ে পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। পরে প্রচার করা হয়েছে ছেলেটা উগ্রবাদী সংগঠনের হয়ে ছাত্র রাজনীতি করে। আসলে তাহের একেবারেই নন-পলিটিকাল। জায়েজ করা হলো আরকি নিজেদের অপরাধটা।” খ্যাক খ্যাক করে হাসলো সে।

    ছেলেটাকে কিছুটা বিস্ময় নিয়ে দেখলো তূর্ণা। মার খেয়ে হাসপাতাল ঘুরে এসেছে অথচ এ নিয়ে তাকে বিন্দুমাত্র বিচলিত মনে হচ্ছে না। বরং ঠাট্টার সুরে কথা বলছ বিষয়টা নিয়ে। হাসাহাসি করছে। ভয় পেয়েছে কি? না, ভয় পাওয়ার লক্ষণও তার মধ্যে নেই। এরকম কিছুই যেন ঘটা স্বাভাবিক ছিল। ভয়ের বদলে তার মধ্যে স্বস্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। আশ্চর্য এক ছেলে!

    “আমার একটা প্রশ্ন আছে।” শামীম তার নাক উঁচু ভঙ্গির সম্পূর্ণ বিপরীত ঢঙে বলল। অনেকটা বিনয়ের মতোই শোনায়।

    “শিওর।” অভয় দিলো তূর্ণা।

    “তোফায়েল মুহিবকে ছুরি মেরেছে জানার পর আপনি এতোটা আগ্রহি হয়ে উঠলেন কেন?”

    মিটিমিটি হাসিটা এখনও লেগে আছে মুহিবের মুখে, যেন ছুরি খায়নি, পিকনিকে এসেছে। শামীমের প্রশ্নের উত্তরটা এলো তার মুখ থেকে, “কারণ, আপু ঠিক ঠিক জানে শামস মার্ডারে তোফায়েলের ভূমিকার ব্যাপারে।”

    “কি ভূমিকা?” গত কয়েকমিনিটে প্রথমবারের মতো মুখ খুললো ইলোরা!

    “তোফায়েল শামস হত্যাকাণ্ডের একজন অন্যতম প্রধান খুনি, ইলোরা।” শান্ত গলায় তাকে বলল মুহিব, “আমি দুঃখিত, তোকে আগে জানাইনি। এটা পেটে ধরে রাখার জন্য একজন গার্লফ্রেন্ডের কাছে অনেক বড় তথ্য। সম্ভাবনা ছিল তুই এটা নিয়ে তোফায়েলকে কিছু জিজ্ঞেস করতি। একবার যদি সে বুঝতে পারে আমরা তার পেছনে লেগে আছি, গভির জলে ডুব দেবে সে। তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ জোগাড় করার সম্ভাবনাই থাকবে না আমাদের।”

    তথ্যটা জানার পর ইলোরা প্রতিক্রিয়া দেখাবে বলে আশা করেছিলো ওরা, তবে মেয়েটি তেমন কিছু করলো না। আবারও চুপ করে বসে নিজের হাত দেখতে শুরু করলো সে।

    “তুমি ভুল ভাবছো, মুহিব।” তূর্ণা বলল, “ক্লিনিক থেকে আজ রাতে চলে যাবে এই আইডিয়াটা আমার পছন্দ হয়নি। যেহেতু তুমি নাছোড়বান্দা, মেসের

    নোংরা পরিবেশে না ফিরে গিয়ে আমার বাসায় থাকাটাই তোমার জন্য ভালো হবে মনে করেছি। তোফায়েলের সাথে এর সম্পর্ক নেই।”

    মাথা নাড়লো মুহিব, “আপনার এই কাজটা আমি খুবই অ্যাপ্রিশিয়েট করছি। কিন্তু সেই সাথে আলমগির কবির ভাইয়ের সাথে আপনার সম্পর্কের ব্যাপারটাও আমি বুঝতে পেরেছি।

    “কবিরকে এখানে টানছো কেন?” শক্ত হয়ে গেলো তূর্ণার গলা।

    “বেয়াদবী হলে মাফ করবেন, আপনি তো ব্যাংকার ভদ্রলোকের সাথে ব্রেকআপ করেছেন বলেই জেনেছি।”

    “ও একটা ব্যাংকে চাকরি করতো। ব্যাংকার নয় মোটেও।” এ নিয়ে শতবারের মতো এই ভুলটা তাকে শুধরে দিলো কেউ।”আমার লাভ লাইফ নিয়ে কথা বলার আগ্রহ সত্যি নেই, মুহিব। তোমার ওপর অনেক ধকল গেছে। আমার মনে হয় এখন তোমার ঘুমানো দরকার।”

    মুচকি হাসলো মুহিব, “ধকল? উঁহু। মস্তিষ্ক পূর্ণ কর্মদক্ষতার সাথেই সচল আছে। ছুরি খেলে মাথা খুলে যায় বলে জানতাম না, তবে আমার ক্ষেত্রে ব্যাপারটা তেমনই হয়েছে মনে হচ্ছে। আসলে গত কয়েক সপ্তাহ এতো দৌড়াদৌড়ি গেছে, ঘুমাতেও পারিনি ঠিকমতো। ছুরি খেয়ে ঘুমটা ভালো হয়েছে। ঠিকমতো চিন্তা করতে পারছি আবার।”

    থমথমে মুখে তার দিকে তাকিয়ে রইলো তূর্ণা।

    “কোন কারণে একটা মেয়ে তার বয়ফ্রেন্ডের সাথে ব্রেকআপ করতে পারে? কবির ভাই মনে করছেন আপনি শামসভাইয়ের মার্ডার নিয়ে শকড। সেজন্যই এধরণের একটা ‘হঠকারী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে তিনি সম্পূর্ণটাই ভুল ধরেছেন আসলে। এসব ছেঁদো কারণে কেউ কারও সঙ্গে ব্রেকআপ করে না। এরকম যুক্তি দিয়ে গল্প লিখা হলে সেই বই ডাহা ফ্লপ খাবে।”

    তূর্ণার সুন্দর মুখটা এখন ধারালো ক্ষুরের মতোই দেখাচ্ছে। ভারি গলায় জানতে চাইলো সে, “ঠিক কি বোঝাতে চাইছো?”

    ভ্রু উঁচু করলো মুহিব, “ব্যাপারটা সহজ। আপনি কবির ভাইয়ের সাথে ব্রেকআপ করেছেন, কারণ আপনার মনে তার জন্য আর কোনো অনুভূতি নেই। থাকার কথা নয় অবশ্যই, ভালোবাসার মানুষটি জীবনে ফিরে এলে মেয়েরা উচ্ছিষ্টদের মনে রাখে না। আমি যেটা বোঝাতে চাইছি আপু, শামসভাই তার মৃত্যুর কিছুদিন আগে আপনার জীবনে ফিরে এসেছিলেন। আপনি আবারও জড়িয়ে গেছিলেন তার সঙ্গে। আরও একবার প্রেমে পড়েছিলেন শামসভাইয়ের, অথচ তখন আপনি কবির ভাইয়ের সঙ্গে রিলেশনে। এর প্রেক্ষাপটেই আপনি ব্রেকআপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কারণ, কবির ভাইকে আপনি যে ভালোবাসেন না তা শামসভাই ফিরে আসার সঙ্গে সঙ্গে উপলব্ধি করেছেন আপনি।” দীর্ঘশ্বাস ফেললো মুহিব, “মিসিং ডটগুলো জোড়া দিলে এরচেয়ে ভালো গল্পের প্লট বানানো আসলেই সম্ভব না।”

    ইলোরার একনিষ্ঠ অনুসারীতে পরিণত হলো তূর্ণা। মনোযোগ দিয়ে নিজের হাতজোড়া দেখতে থাকলো সে। ইলোরার চেয়েও সুন্দর তার আঙুলগুলো, লম্বা, শীর্ণকায়, শিল্পীর আঙুল বলতে যেমনটা বোঝানো হয়ে থাকে।

    “আপু।” শামীম ডাকলো এক পাশ থেকে, “মুহিবের কথাটা যদি সত্য হয়, আপনি আমাদের পুরোটা খুলে বলতে পারেন। আমরা শামসভাইয়ের মার্ডারটা খতিয়ে দেখছি, অনেক কিছুই জানি আমরা। আপনি যদি তথ্য সাহায্য দিয়ে উপকার করেন, ঐ বানচোতটাকে আমরা কফিনের ভেতর একেবারে গজাল দিয়ে গেঁথে ফেলতে পারবো হয়তো।”

    আরও কিছুক্ষণ নিজের নখের মধ্যে মূল্যবান কোনো ধাতু খোঁজার বৃথা চেষ্টা চালিয়ে গেলো তূর্ণা। মেয়েদের এই ভঙ্গিটা ছেলেরা অনায়াসে বুঝতে পারে। কোনো মিথ্যে বলে ধরা পড়ে গেলে ওরা এমনটা করে।

    অবশেষে যেন দীর্ঘ এক যুগ পর মুখ তুললো তূর্ণা।

    “মুহিবের ধারণা সম্পূর্ণ সঠিক। আমার মনে হয় লেগে থাকলে ও অনেক নামকরা লেখক একদিন হবে।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }