Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪৮

    অধ্যায় ৪৮

    “শামস সেদিন এসেছিলো এখানে।” তিন জুনিয়রের দিকে একে একে তাকালো তূর্ণা, “সকাল এগারোটার দিকে হবে। হঠাৎ করেই দেখা করতে চাইলো ও, বলল খুব জরুরি। আমি স্বাভাবিকভাবেই দেখা করতে রাজি হইনি। ব্রেক-আপের পর এক বছর পেরিয়ে গেছিলো ঠিক, তবে এক্স-দের ব্যাপারে অনুভূতিটা তোমরা জানো। হুট করে দেখা করতে চাইলেই করা যায় না আসলে। তাছাড়া আমাদের ব্রেকআপটা খুব পরিণত ছিল না। একে অন্যকে…” একটু কাশলো সে, অযথাই, “মানে, মুখে যা আসে তাই বলেছিলাম আমরা, শেষ যে বার কথা বলি। এর জন্য শামস কখনও আমাকে সরি বলেনি, আমিও না। ঐভাবে যখন দুটো মানুষের মধ্যে যোগাযোগ শেষ হয় তখন দেখা করার কথা বললেই দেখা করার প্রশ্ন আসে না।”

    “কিন্তু দেখা আপনি করেছিলেন।”

    “হুঁ।” আবারও নিজের হাতের দিকে মনোযোগ ফিরিয়ে নিয়ে গেলো তূর্ণা, “তা করেছিলাম। যখন ও বলেছিলো ব্যাপারটার ওপর তার জীবন-মরণ নির্ভর করছে। আমাদের রিলেশন নিয়ে সে একটা শব্দও করবে না, কথা দিয়েছিলো। সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা ব্যাপার নিয়ে কথা বলতে চাইছিলো সে।”

    তিনজন মানুষ সাগ্রহে তাকিয়ে থাকলো তার মুখের দিকে।

    “শামস আমাকে ঐদিন ফোনে বলেছিলো এটা পাবলিক প্লেসে বলা যাবে না। কেউ জানতে পারলে সমস্যা হবে। আমি তখন ভয় পেয়েছি কিছুটা। এক্স-বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে তুমি কখনোই নির্জনে দেখা করতে চাইবে না। বিশেষ করে যখন তুমি একজন ব্যাংকে জব করা প্রতিষ্ঠিত ছেলের সাথে প্রেম করছো আর তোমার এক্স এখনও রয়ে গেছে সিঙ্গেল!”

    মাথা দোলালো মুহিব। শামসভাই প্রতিশোধ নিতে এই ‘জরুরি’ এবং ‘গোপন’ মিটিং ডাকলো কি না তা নিশ্চিত করে জানার উপায় তূর্ণার ছিল না।

    “তারপরও আমি দেখা করলাম। ওকে বললাম, বাসায় চলে আসতে। ঐ সময় বাসায় কেউ থাকে না। বাবা ব্যবসার কাজে বাড়ি ফেরেনই রাতে, আর মা তো কলেজে পড়ানোটা ছাড়তে পারলো না। দিনটা একাই থাকি আমি, কাজেই গোপনীয়তা সে পাচ্ছে। তাছাড়া বাইরে তার ঠিক করা নির্জন কোনো জায়গার চেয়ে আমি নিজের বাসার নির্জনতায় বেশি নিরাপদ বোধ করতাম। আমার প্রস্তাবে শামসের আপত্তি ছিল না।”

    *

    দরজা খুলে দিতেই উদ্ভ্রান্তের মতো ভেতরে ঢুকে পড়েছিলো শামস। দ্রুত দরজা ভিড়িয়ে ওয়াচিং গ্লাসে চোখ রেখে সিঁড়িঘরটা কয়েক সেকেন্ড পর্যবেক্ষণ করলো সে। তূর্ণা তাকে এতো আতঙ্কিত কখনও দেখেনি। ঘামছে দর দর করে, চুলগুলো ভেজা সেই ঘামে। শামসের আতংক ধীরে ধীরে সংক্রমিত হচ্ছিলো ওর মধ্যেও।

    “কি হয়েছে? কিসের সঙ্গে জড়িয়েছো তুমি নিজেকে? “

    তূর্ণার প্রশ্নটাকে পাত্তাই দিলো না শামস। এখনোও ওয়াচিং গ্লাসে চোখ রেখে স্থির দাঁড়িয়ে আছে।

    “কাম অন, শামস!” নিজের গলায় আতঙ্কের ছোঁয়া টের পেলো তূর্ণা। কেউ কি শামসকে ফলো করছে? তারা কি ছেলেটাকে অনুসরণ করে ওদের বাসা পর্যন্ত চলে আসবে? এক পা এগিয়ে গিয়ে শামসের কাঁধে হাত রাখলো সে, “কাম অন!”

    ঝট করে ওর দিকে ফিরলো ছেলেটা, একসময় যাকে ভালোবেসেছিলো। চোখে তাড়া খাওয়া পশুর দৃষ্টি।

    “আ’ম সো সরি। আমাকে নিশ্চিত হতে হতো…” কোন ব্যাপারে তার নিশ্চয়তার প্রয়োজন তা অবশ্য খোলাসা করে বলল না সে। দুই পা এগিয়ে এক পা পিছিয়ে গেলো। তারপর তাড়াহুড়ো করে বসে পড়লো একটা সোফায়।”পানি, এক গ্লাস পানি খাওয়াতে পারো নাকি দেখো তো।”

    রান্নাঘরে গিয়ে একটা গ্লাস বের করে তাতে পানি ঢালার সময় তূর্ণা লক্ষ্য করেছিলো তার হাত কাঁপছে। ছেলেটা এমন করছে কেন? তবে কি রিলেশনটা ভেঙে যাওয়ার পর সে রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়েছে? এমনটা হওয়ার কথা নয়। শামসের রাজনৈতিক মতাদর্শ সম্পর্কে ধারণা আছে তূর্ণার। সেটা পুঁজিবাদের সঙ্গে যায় না, আবার সমাজতান্ত্রিক দলগুলোর সঙ্গেও হাত মেলাবে না সে, দেশে বর্তমান যে কয়টি বামধাঁচের দল আছে তাদের সঙ্গেও ঠিক মেলে না তার। তাহলে কাকে এতো ভয় পাচ্ছে সে? শামসের আচরণ থেকে এটুকু স্পষ্ট বিনা কারণে এমন আচরণ সে করছে না। ছেলেটা যেন প্রাণনাশের আশঙ্কা করছে।

    পানিটুকু এক নিঃশ্বাসে খেয়ে ফেললো শামস। শেষদিকে গলায় আটকে ফেললো তাড়াহুড়োয়। পাগলের মতো কিছুক্ষণ কাশলো সে। প্রাক্তন প্রেমিকের একটা হাত চেপে ধরলো তূর্ণা, “প্লিজ, শান্ত হও। আমাকেও ভয় দিচ্ছো তুমি। বলবে তো কি হয়েছে?”

    আচমকাই শান্ত হয়ে এলো শামস। ধীরে ধীরে মেয়েটির দিকে তাকালো সে। উচ্চারণ করলো সচেতন এক বাচনভঙ্গিতে, “ওরা আমাকে মেরে ফেলবে, তূর্ণা। কিন্তু কি করতে পারতাম আমি আর, বলো?”

    “কারা?”

    এই প্রশ্নের জবাব না দিয়ে তূর্ণার হাত নিজের হাতে তুলে নিয়েছিলো শামস, “আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো। তোমার মতামত আমার জানা দরকার।”

    “আমাকে আগে বলবে তো কিসের সঙ্গে জড়িয়েছো?”

    “বলছি।” হাতের উল্টোপিঠ দিয়ে ঠোঁটের ওপর থেকে পানি আর ঘামের জমে থাকা ফোঁটাগুলো মুছলো সে, “মনে করো, এমন কারও দুর্নীতির অকাট্য প্রমাণ তোমার হাতে চলে আসলো, যার অনেক ক্ষমতা। দুই-চারজনকে খুন করে গুম করে ফেলা তার জন্য কোনো ব্যাপারই না। এমন কেউ, যার সঙ্গে তুমি যথেষ্ট কারণ থাকার পরও লাগতে যাবে না। কিন্তু এখন তোমার হাতে আছে প্রমাণ, আর এটা নিয়ে যদি তুমি এগিয়ে যাও তবে সম্ভাবনা থাকে আর কোনো দুর্নীতি সেই মানুষটা করতে পারবে না। তোমার কি উচিত হবে না এটা ফাঁস করে দেওয়া?”

    “এক সেকেন্ড।” হাত সরিয়ে নিতে চাইলো তূর্ণা, তবে শামস বেশ শক্ত করে ওকে ধরে রেখেছে, যেন এর ওপরই তার বেঁচে থাকা নির্ভর করছে।”আমি তো কিছুই বুঝতে পারছি না। কার কথা বোঝাচ্ছো তুমি? কেমন দুর্নীতি, কেমন প্রমাণ?”

    “বিস্তারিত তোমাকে বলা যাবে না। শুধু জেনে রাখো, এর সঙ্গে অনেকের নিরাপত্তা জড়িয়ে আছে।”

    “আদালতে তোলার চেষ্টা করতে পারো তুমি এসব। নাকি আগেই নিজেকে প্রকাশ করে ফেলেছো?” নিজের চিন্তাশক্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে তূর্ণা, “প্রশাসনের কোনো বড় অফিসারের সঙ্গে—”

    “লাভ নেই। আমি জানি না কাকে বিশ্বাস করবো। সত্যিই জানি না।”

    “ব্যাপারটার সাথে কি পলিটিশিয়ানদের কেউ জড়িত?”

    মাথা দোলালো শামস।

    “তারা কি জেনে গেছে তোমার কাছে এটা আছে?”

    “হ্যাঁ।”

    “তুমি কি ভাবছো ওরা তোমাকে—” কথাটা শেষ করতে পারলো না তূর্ণা। বুকের ভেতর অজানা এক আতঙ্ক শেষ করতে দিলো না।

    “হ্যাঁ, ওরা আমাকে মেরে ফেলতে চাইছে। গতকাল থেকে আমার পেছনে লেগেছে ওরা। ফলো করেছে সারাদিন।” বলতে বলতে ঘামে ভিজে গেলো শামসের মুখ, “আই উইশ আই হ্যাড আ পিস্টল অর সামথিং।”

    নিজের হাত ছাড়িয়ে নিয়ে শামসের মাথাটা চেপে ধরে কাঁধে এনে রাখলো তূর্ণা, “এসব ভাববে না একদম। শান্ত হও। শান্ত হও তুমি। আমি তোমাকে যা বলি মন দিয়ে শোনো। তুমি বলছো কোনো এক ক্ষমতাশালী লোকের কুকীর্তির প্রমাণ তোমার হাতে আছে। সেটা ফেরত পাওয়ার জন্য ওরা তোমাকে খুঁজছে। এমনকি ওটা পাওয়ার জন্য ওরা তোমাকে সরিয়েও দিতে পারে। এটাই এখন সমস্যা। তাই না? অ্যাই?”

    তূর্ণার কাঁধে মাথা রেখে শিশুর মতো শান্ত হয়ে যায় শামস। মাথা দোলালো একবার শুধু। প্রাক্তন প্রেমিকের জন্য তূর্ণার বুকের ভেতরটা হু হু করে উঠলো। এই নিষ্পাপ ছেলেটাকে ছেড়ে চলে আসা উচিত হয়নি। একেবারেই উচিত হয়নি!

    “তাহলে আমার কথাটা শুনবে তুমি?” আলতো করে ছেলেটার চুলে হাত বুলিয়ে দিলো তূর্ণা, “জিনিসটা ওদের ফেরত দিয়ে দাও। জীবনের বেশি মূল্য কিছুর নেই। এই ঝুঁকি নিও না।”

    মাথা নাড়লো শামস।

    “কি হলো? কথা বলো।”

    “ওই বানচোতকে না ডুবিয়ে আমি মরছি না।” দাঁতে দাঁত চেপে বলল সে, “তাছাড়া আমি ওদের সঙ্গে দেখা করে জিনিসটা ফিরিয়ে দিলেও ওরা আমাকে ছাড়বে না। বিশ্বাসই করবে না ওরা আমাকে।”

    “কেন?”

    “প্রমাণটা আছে ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায়। একটা ভিডিও ক্লিপ। ওরা কখনোই বিশ্বাস করবে না আমি এর আর কোনো কপি করে রাখিনি।”

    ভারি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো তূর্ণা, “তাহলে?”

    “আমি ওদের গোড়ায় আঘাত করার চেষ্টা করবো, তূর্ণা। এটা আমার ডিসিশন। আমি এটা পাবলিকে ছেড়ে দেবো বলে ভাবছি-”

    “তুমি ওপরের দিকের কারও সাথে যোগাযোগ করতে পারো”

    “চেষ্টা করেছি। মি. ফাহাদ হিল্লোলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম। উনি বলেছেন এটা তিনি দেখবেন। পরশু উনার সঙ্গে আরেকটা মিটিং আছে। সেখানে উনার কাছে আমি প্রমাণাদি হ্যান্ডওভার করবো। তারপর শুরু হবে আসল খেলা।”

    প্রাক্তন প্রেমিকের দিকে আড়চোখে তাকালো তূর্ণা, “মি. হিল্লোলের ব্যাপারে আমি অনেক ভালো কথাই শুনেছি। তুমি কি তাকেও অবিশ্বাস করছো?”

    “ঠিক তেমনটা না। তবে রাজনৈতিক কোনো চ্যানেলই আমি বিশ্বাস করি না। একটা ইভেন্ট পাবলিক হয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তারা চেষ্টা করে ব্যাপারটাকে ধামাচাপা দেওয়ার। প্রতিষ্ঠানের সম্মানই তখন তাদের কাছে বড় হয়ে দাঁড়ায়। আমি জানি না এর উর্ধ্বে ফাদার হিল্লোল যেতে পারবেন কি না। শেষ কথা হলো, উনার সাহায্য নিয়ে হোক আর সাহায্যটুকু না পেয়েই হোক, আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো।”

    “ভিডিও ক্লিপে কি ছিল?”

    মাথা নাড়লো শামস, “তুমি যতো কম জানবে ততোই ভালো।” ওর কাঁধ থেকে মুখ তুলে খুব কাছ থেকে তাকে দেখলো সে, “তুমি দেখি দিন দিন আরও সুন্দর হচ্ছো।”

    “শামস!”

    “প্লিজ, আমাকে শুধু বলো–আমি কাজটা ঠিক করছি কি না? আমার কি পিছিয়ে আসা উচিত ছিল? ঐ লোকের নামে এই জিনিস নিয়ে মামলাও আছে, তবে আদালত তার চুলটাও ছিঁড়তে পারেনি। বরং তার ডেথ থ্রেটে বাদী পক্ষ মামলা তুলে নিতে বাধ্য হয়েছে। অকাট্য প্রমাণ ছাড়া জানোয়ারটাকে আটকানো সম্ভব না। সত্যি কথাটা হলো, এই মুহূর্তে শুধু মাত্র আমারই সেই ক্ষমতা আর ইচ্ছে আছে। এরপর কি আর পিছিয়ে পড়া সম্ভব ছিল আমার?”

    “কয়জন জানোয়ারকে আটকাবে তুমি, হুঁ?” তূর্ণা অনুভব করেছিলো এক অদ্ভুত ক্রোধ।”কয়জনকে? যেমন প্রোফাইলের কথা তুমি বললে তেমন কি একজন দুইজন আছে দেশে? অনেক আছে। অন্নে-এ-ক! কয়জনকে ঠেকাতে পারবে, হ্যাঁ? সেজন্য নিজের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে কে বলেছে তোমাকে?”

    “একজনকে তো অন্তত ঠেকাতে পারবো। তুমি কি বুঝতে পারছো না বেবি, এটা একটা অনেক বড় ব্যাপার। অন্তত একজনকে থামানো গেলেও অনেকগুলো মানুষ তাদের নিরাপত্তা ফিরে পাবে, ন্যায় বিচার পাবে।”

    “শাট আপ! মূল্যটা কেমন দিতে হচ্ছে তোমাকে? আর কয়টা দিন পর ভার্সিটি থেকে বের হয়ে যাবে। আর কয়দিন আছে? এক বছর? ভার্সিটি থেকে বের হওয়ার পর তোমার জীবন কেবল শুরু হবে। এই বয়সে এমন একটা ঝুঁকি নেওয়া খুব আনফেয়ার, শামস। খুব!”

    তূর্ণার নরোম গালে হাত বুলিয়ে দিলো শামস, মেয়েটার দেহের পরিচিত গন্ধ নাকে পেতে ভালো লাগছে তার।”মানুষ এতো কিছু ভেবে চিন্তে কাজ করে না, বেবি। তাহলে যন্ত্রের সাথে আমাদের পার্থক্য থাকে কোথায়? আমরা বাই স্পিসিস কৌতূহলী। এধরণের একটা ব্যাপার আমার গোচরে আসার পর সেটাকে ভুলে গিয়ে কিছুই হয়নি এমন একটা ঢঙে জীবনযাপন করা আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না। তুমিও কি পারতে? একটু ভেবে বলো, যদি তোমার কোনো বান্ধবিকে কেউ ব্রুটালি রেপ করে, সেই রেপকেস সে নিজের মোবাইলে ভিডিও করে রাখে, তারপর তুমি জানতে পারলে বান্ধবিটি আদালতে মামলা করে সুবিধে করতে পারেনি। বাসার সামনে পর পর দুইদিন ককটেল ফাটার পর তোমার বান্ধবির বাবা মামলাটি তুলে নিলেন। তুমি জানলে এই অন্যায়ের কোনো বিচার হবে না। কোনো বিচারই হবে না। তারপর তোমার হাতে কোনো কারণে ঐ ক্লিপটা চলে এলো। তুমি কি পারতে ‘এটা কিছুই নয়। ক্যারিয়ার গুছাই’ ভেবে তা ভুলে যেতে?”

    বাস্তবসম্মত একটা উদাহরণ পাওয়ার পর পরই তূর্ণা প্রথমবারের মতো বিষয়টার গুরুত্ব অনুধাবন করতে পারলো। তাৎক্ষণিক কোনো জবাব মুখে এলো না তার। এমন যদি হয়ে থাকে ঘটনা, শামসকে এর সঙ্গে না জড়াতে বলার সে কে?

    “তুমি কি মেয়েটিকে চিনতে?”

    মাথা নাড়লো শামস, “পার্সোনালি চিনতাম না। তবে ঐ মেয়েটির জায়গায় তুমিও কিন্তু থাকতে পারতে। তবে আমার কথাকে গ্র্যান্টেড ধরে নেওয়ার দরকার নেই। রেপ কেসই সব নয় ঐ ভিডিওর। ওখানে আরও ব্যাপার আছে। আমি তোমাকে শুধু বিষয়টার গুরুত্ব বোঝাতে চাইছি। তুমি কি এখনও আমাকে সরে আসতে বলবে?”

    শামসের চুলে এখনও নিজের হাত ডুবে আছে, সচেতন হতে লক্ষ্য করলো তূর্ণা। লজ্জিত একটা ভঙ্গিতে হাতটা সরিয়ে নিলো সে।

    “তোমাকে বাঁধা দেওয়ার জন্য দুঃখিত। যেটা সঠিক, যেটা ন্যায় তাই করো। আমি আর তোমাকে নিষেধ করবো না।”

    এখনও তূর্ণার গাল থেকে হাত সরায়নি শামস। মনোযোগ দিয়ে তাকে দেখছে। যেন অনেকদিন পর প্রিয় খেলনাটি হাতে এসেছে কোনো শিশুর

    “খুব একটা পাল্টাওনি।”

    তার চোখে চোখে তাকালো তূর্ণা, “তোমার এই ন্যায়-অন্যায়ের সেন্সটা আগের মতোই আছে। এটা একটা কারণ ছিল তোমার প্রেমে পড়েছিলাম আমি। বোকা ছিলাম…”

    তাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে খুব আলতোভাবে আঙুল দিয়ে ঠোঁট স্পর্শ করলো শামস। ধীরে ধীরে ঝুঁকে এসে ছোট্ট করে চুমু খেলো প্রাক্তন প্রেমিকার ঠোঁটে, “তোমাকে আমি একদিনের জন্যও ভুলতে পারিনি।”

    গাল থেকে শামসের হাতটা টেনে নামিয়ে দিলো তূর্ণা।”শামস, এসবের কথা কিন্তু ছিল না!”

    তূর্ণার ঘন কালো চুলে বাম হাতটা ঢুকিয়ে দিলো শামস। মাথাটা টেনে নিজের আরও কাছে নিয়ে এলো। এবারের চুম্বনপর্ব হলো আরও গভির, আরও দীর্ঘ সময় ধরে। অজান্তেই সক্রিয়ভাবে অংশ নিলো তূর্ণা, ঠোঁটগুলো আলাদা হতে ওরা লক্ষ্য করলো দু’জনই হাঁপিয়ে উঠেছে। চকচক করছে শামসের চোখ, এক হাত তূর্ণার উরুর নিচে ঢুকিয়ে মেয়েটার হাল্কা দেহটা নিজের কোলের ওপর নিয়ে এলো সে, অজান্তেই ওর পিঠ জড়িয়ে ধরলো তূর্ণা–ঠিক আগের দিনগুলোর মতো। তৃতীয় দফায় ওরা হিংস্র হয়ে উঠলো অনেকটাই। তূর্ণা বুঝতে পারছে নিচের ঠোঁটের ভেতরদিকটা হাল্কা কেটে গেছে। মৃদু রক্তপাতও হচ্ছে সেখানে। রক্তের নোনা স্বাদ সব সময়ই ওকে বন্য করে তোলে, সোফার সঙ্গে শামসকে চেপে ধরে তার ওপর বাঘিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়লো সে।

    ওরা যখন ব্যস্ত হয়ে একে অন্যের কাপড় খুলছিলো, শামসের পকেট থেকে ঝড়ঝড় করে রাজ্যের জিনিস পড়তে শুরু করে। চাবির রিং, মোবাইল, পাওয়ার ব্যাংক, এয়ারফোন, লাইটার, এক্সটেন্ডেড ফিল্টার, ব্রেসলেট ফিক করে হেসে ফেলেছিলো তূর্ণা, “একটুও পাল্টাওনি।”

    “প্রাক্তন প্রেমিকার নগ্ন দেহটা দুই বাহুতে তুলে বেডরুমের দিকে এগিয়ে যেতে যেতে শামস ফিসফিস করে বলেছিলো, “মিসড ইউ।”

    তূর্ণা জানতো না, তার অনুভূতি কতোটা সঠিক, একজনের সঙ্গে প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ থেকে এধরণের আবেগকে প্রশ্রয় দেওয়া তার জন্য উচিত হচ্ছে কি না। তবে ঐ মুহূর্তে তার মনে হয়েছিলো উত্তরটা না দিলেই অন্যায় হতো, “আমিও।”

    *

    “তাহলে নিজের সুবিধেমতো নির্জন জায়গা বেছে নেওয়ার পরও যা হওয়ার তাই হলো।” কৌতুকের সুরে বলল মুহিব, “আপনি ঘুরে ফিরে শামসভাইয়ের প্রেমে আবারও পড়ে গেলেন।”

    মাথা নাড়লো তূর্ণা, “আমি ওকে সব সময়ই ভালোবেসেছি। সব সময়। ঐ ঝগড়ার পর ওর ওপর এতো রাগ ছিল আমার, এত্তো রাগ! দূরত্বটা এসেছিলো। কখনও ভাবিনি ওর কাছে আবার ফিরে যাবো, আমার ইগো যাকে বলে হিমালয়ের মতো!” তূর্ণা তিনজন জুনিয়রকে অবশ্যই বিস্তারিত বলেনি সেদিন উজ্জ্বল দিনের আলোয় ঠিক কি কি করেছিলো ওরা দুই মানব-মানবী তবে বুঝে নেওয়ার মতো হাল্কা ইঙ্গিত সে দিয়েছে। মুহিবের কথা ঠিক, তোফায়েলদের বিরুদ্ধে কিছু করতে পারলে এরা দুইজনই পারবে। তাদের কাছে তথ্য গোপন করা ঠিক হবে না।

    “এরপর আপনি নিজেকে আরেকটু চিনতে পারলেন। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নিলেন কবির ভাইয়ের সঙ্গে রিলেশনটা টেনে নিয়ে যাওয়া উচিত হবে না। ঠিক তো?”

    মুহিবের প্রশ্নের মধ্যে ছিল উত্তর মেলানোর ভঙ্গি। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে হেসে ফেললো তূর্ণা।”হ্যাঁ, তোমার অনুমান এই ক্ষেত্রে নির্ভুল। তাছাড়া, আমার মধ্যে অপরাধবোধও কাজ করেছে। কবিরের তো আর কোনো দোষ নেই।”

    কাঁধ ঝাঁকালো শামীম। একজন ছেলে হিসেবে তূর্ণার অবস্থানটা তার তেমন পছন্দ হয়নি। তবে ক্যাম্পাস্টুয়েন্টিফোরসেভেনের হয়ে সাংবাদিকতার টুকিটাকি শিখে ফেলার সুবাদেই হয়তো সোর্সের সামনে নিজের মনোভাব প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকতে পারলো সে।

    “শামসের ঘটনাটা ঘটে যাওয়ার পর আমি রেপ কেসগুলো নিয়ে একটু খোঁজ খবর নিয়ে দেখেছি। তখনই প্রথমবারের মতো জানতে পেরেছিলাম তোফায়েলের রেকর্ড, তার মিথগুলো। সবচেয়ে বড় ব্যাপার, সে ছিল শামসের বন্ধুদের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। আমার ধারণা হয়ে যায় কাজটা সে-ই করেছে। জাকির সঙ্গে যখন দেখা করে তাকে আমি চার্জ করলাম, সে ভুল বুঝলো।”

    মাথা দোলালো শামীম, “সে ধরে নিলো আপনি জেনে গেছেন তার মাধ্যমেই শামসকে ডেকে এনে একটা ফাঁদে ফেলেছিলো তোফায়েল গ্রুপ।”

    “এক্সাক্টলি।” তার দিকে একটা আঙুল তুলে বলল তূর্ণা, “জাকি তখন গড়গড় করে আসল কাহিনী বলে দিলো! আমি তো ওসব আগে থেকে জানি না! রাগে অন্ধ হয়ে গেছিলাম সব শুনে, জানো? এতো ঘনিষ্ঠ একজন বন্ধুকে সে ফাঁসিয়ে দিতে পারলো এভাবে? সম্ভব কি করে!”

    জাকি’র পক্ষই সমর্থন করলো মুহিব, “কিন্তু জাকি ভাই স্বেচ্ছায় বা সজ্ঞানে…”

    “হোয়াটেভার!” তূর্ণা শুনতেই রাজি না কিছু।”ওর জন্যই মরতে হলো না শামসকে? বলো? জাকির দিকে আমি ওদের গেস্টরুমের পেপারওয়েটটা ছুঁড়ে মারি ঐদিন। তারপর এতো কান্না পাচ্ছিলো, উঠে চলে এসেছিলাম। পেছন পেছন জাকি দৌড়ে এসে আমাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলো, তবে কান দেইনি।”

    এটা ওদের সামনেই হয়েছিলো, মুহিব-শামীমের এখনও ঐ দৃশ্যটা মনে আছে। তারা চুপচাপ শুনে গেলো শুধু।

    “এটুকুই তোমাদের অজানা। মিসিং পিসেস। নতুন আর কিছু জানানোর নেই আমার।” উঠে দাঁড়ালো তূর্ণা, “ঘুমাও তোমরা। বিশেষ করে মুহিবের একটা লম্বা ঘুম দরকার। ইলোরা, আমার সাথে চলো, নাকি এখানেই ঘুমাতে চাও?”

    দুষ্ট একটা হাসি ফুটলো ইলোরার মুখে। তবে কিছু বলল না সে।

    দরজার কাছে গিয়ে ওদের দিকে ঘুরে তাকালো তূর্ণা, “তোমাদের ধন্যবাদ। বুকের ভেতর জমে ছিল কথাগুলো, কাউকে বলতেও যে শান্তি! মাঝে মাঝে মনে হয় শামস ঐদিন বাসায় না এলেই ভালো হতো। ওর স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকতে হতো না আমাকে।

    “কিছু একটা মিলছে না, আপু।” মাথার কাছে হাল্কা চুলকে বলল মুহিব।”আপনার মতামত নিতে শামসভাই এ বাসায় এসেছেন বলে মনে হয় না। উনি এই বিষয়টা নিয়ে এমনকি জাকি ভাইয়ের সাথেও আলোচনা করেননি, আপনাকে এসে বলে দিলেন কেন গড়গড় করে? যুক্তিতে মিলছে না এই গল্প। যাই হোক, এটা নিয়ে আমাকে পরে ভাবতে হবে। তবে উনার কোনো উদ্দেশ্য না থেকেই যায় না।

    “শামস আমাকে ভালোবাসতো। এটা আমার প্রতিটা কোষ জানে!” প্রায় ধমকে উঠলো তূর্ণা, “উদ্দেশ্য নিয়ে আমার কাছে আসবে কেন সে? তখন বিভ্রান্ত ছিল ও, আর…আর অনেক একা। আমার থেকে অপিনিয়ন চাইতে না আসুক, একটু মেন্টাল সাপোর্ট নিতে আসতেই পারে! এটা নিয়েও তোমরা গোয়েন্দাগিরি করবে না। প্লিজ!”

    তূর্ণাকে দেখে মনে হচ্ছে সে কেঁদে ফেলবে। ভালোবাসার মানুষটিকে সে এমন একটা সময়ে পেয়েছে যখন নিজেই জানতো না নিজের অনুভূতি। এরপর সে নিজের মনকে বুঝতে পেরেছে, সত্যটা জানতে পেরেছে। জেনেছে শামসের জন্য তার ভালোবাসা কতোখানি। এবং এর ঠিক পরপরই কেউ তার প্রেমিককে চিরতরে সরিয়ে নিয়েছে তার জীবন থেকে। এমন এক ধাক্কার পর কেউ যদি প্রেমিকটির উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলে, সহ্য করা কঠিন। পরিস্থিতি শামীম ঠিক ঠিক বুঝতে পারছে। মুহিবকে সবার অলক্ষ্যে একবার কনুই দিয়ে খোঁচাও দিলো সে। কিন্তু এর মধ্যেই আরও একটি প্রশ্ন করে ফেলেছে তরুণ গল্পকার।

    “আপনাকে কিছু রাখতে দিয়েছিলেন শামসভাই?”

    মাথা নাড়লো তূর্ণা, “না, তবে…”

    চৌকাঠ শক্ত করে আঁকড়ে ধরলো সে। মুখ সাদা হয়ে গেছে ভূতের মতো। কিছু একটা মনে পড়ে গেছে যেন।

    “আপু, প্লিজ, লুকাবেন না। আমাদের জানা দরকার।”

    ওভাবেই চৌকাঠ ধরে দাঁড়িয়ে থাকলো তূর্ণা। পাশ থেকে ইলোরা আস্তে করে ডাকলো, “আপু?”

    “পাওয়ার ব্যাংক আর ফিল্টারটা ফেলে গেছিলো আমার বাসায়।”

    “আপনি ওসব ফিরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেননি?”

    “ফোন দিয়েছিলাম।” আগের মতোই নিষ্প্রাণ গলায় বলল মেয়েটা, ‘পরে আর নিতে চায়নি, বলেছিলো এদিকে বার বার আসাটা তার জন্য রিস্কি হবে। আমাদের পাবলিক প্লেসে দেখা গেলে সেটাও আমার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। আমি চাপাচাপি করিনি, তারপর তো…”

    “প্লিজ, একবার দেখতে চাই ওগুলো।” প্রায় সোজা হয়ে বসেছে মুহিব এখন, প্রবল উত্তেজনায়।

    “পাওয়ার ব্যাংক আর সিগারেটের ফিল্টারে মেমরি কার্ড রাখার জন্য কোনো ব্যবস্থা তো নেই! ওটা সে ইচ্ছে করে ফেলে যায়নি, অবশ্যই সে ইচ্ছে করে ফেলে যায়নি। ও আমাকে দেখতে এসেছিলো। আমাকে ভালোবাসতো ও।”

    তূর্ণার কাঁধ জড়িয়ে ধরলো ইলোরা, “আপু, অস্থির হবেন না প্লিজ। আপাতত বাদ দেই আমরা এসব। এই মুহিব, ঘুমা। এসব নিয়ে কালকে সকালে কথা বলা যাবে। আপু, চলেন। এখন এসব নিয়ে না ভাবলেও চলবে আমাদের। আপনারও ঘুম দরকার, অনেক লম্বা একটা দিন গেছে।”

    মাথা নাড়লো তূর্ণা। অদ্ভুত এক কাঠিন্য ফুটে উঠেছে তার মুখে। চৌকাঠ অবশেষে ছাড়লো সে। ইলোরার দিকে তাকালো সরাসরি, “এর শেষ না দেখে আজকে রাতে ঘুমাতে পারবো না আমি।”

    পাঁচ মিনিট পর ওদের ব্যস্ত হতে দেখা যায় একটা পাওয়ার ব্যাংক আর সিগারেটের এক্সটেন্ডেড ফিল্টার নিয়ে। প্রথমেই ছোট্ট একটা চাকু আর স্ক্রুড্রাইভার দিয়ে পাওয়ার ব্যাংকের কাভার খুলে ফেললো মুহিব। ভেতরের প্রতিটা পার্টস আলাদা করে ফেললো একে একে। প্রাণ হারানো চলে এমন ভিডিও ক্লিপ সম্বলিত একটি মেমরি কার্ড কোথাও পাওয়া গেলো না।

    ফিল্টারটা খুলে কার্ট্রিজ চেম্বারের দিকে তাকিয়ে থাকলো শামীম। যেন কিছুই হয়নি এভাবে বলল, “মালটাকে পেয়েছি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }