Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪

    অধ্যায় ৪

    ওরা চলে যাওয়ার পরও দুটো মিনিট একটুও নড়তে পারলো না মুহিব। কাঁপতে কাঁপতে উঠে বসলো সে। বিজ বিজ ধরণের একটা শব্দ হচ্ছে বিশ গজ দূর থেকে। সদ্য জবাই করা প্রাণির গলার কাছে রক্তের নড়াচড়ায় এমন এক শব্দ মাঝে মাঝে হয়। মুহিবের শরীরে কাঁটা দিয়ে ওঠে।

    ত্রিশটা সেকেন্ড চোখ বন্ধ করে থাকলো ও। নিজেকে গুছিয়ে নিচ্ছে। তারপর উঠে দাঁড়ালো শান্ত পায়ে। খানিক আগের অস্থির মুহিবকে আর দেখা যাচ্ছে না। যদিও হাতজোড়া কাঁপছে এখনও।

    হাঁটুগেড়ে মাটিতে বসে পড়লো মুহিব। হাতড়ে হাতড়ে সিগারেটের ফিল্টার তুলছে। ছয়টা ফিল্টার পেলো অন্ধকারেই। ওগুলোকে যত্নের সাথে প্যাকেটে তুলে রাখলো সে, ভেতরের পাঁচটা গোটা সিগারেটের সাথে। আতঙ্ক ধীরে ধীরে ফিরে আসছে, টের পায় মুহিব। এক প্যাকেটে সিগারেট থাকে বিশটা। প্যাকেটের ভেতর থেকে গেছে পাঁচটা গোল্ডলিফ। ফিল্টার কুড়িয়েছে ছ’টার। মোট এগারোটা হলো।

    আর নয়টা ফিল্টার গেলো কোথায়?

    মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালাবে কি? জ্বালাবে ফ্ল্যাশ?

    যদি কালিগোলা অন্ধকার এই মাঠের শেষ প্রান্তে ফ্ল্যাশ জ্বালালে দূর থেকে সেটা স্টেডিয়ামের ফ্লাডলাইটের মতো দেখায়? যদি কারও চোখে লাশটা পড়ে যায়? কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একমাত্র মানুষ হিসেবে মুহিব কি ফেঁসে যাবে না? যদি খুনিরা ফিরে আসে কোনো কারণে। দূর থেকে লাশের কাছে আলো জ্বলতে দেখে ব্যাপারটা খতিয়ে দেখতে আসে?

    সর্বনাশ!

    মাটিতে পাগলের মতো হাতড়াচ্ছে মুহিব। এতোক্ষণ ধরে খাওয়া সিগারেটগুলোর অবশিষ্ট ফিল্টার খুঁজছে। গেলো কোথায় ওরা? গেলো কোথায়?

    “ফাক! ফাক!” বিড়বিড় করতে করতে আর দুটো ফিল্টার পেয়ে গেলো ও, “তেরো। আনলাকি। আনলাকি। আর সাতটা কই?”

    বাকি ছয়টাকে পাওয়া গেলো একটু অন্যপাশে। গাছের গোড়ার সিমেন্টের বেদিতে শুয়ে পড়ার পর হাতটা লম্বভাবে মেলে ধরে বেদির বাইরে ছাই ফেলছিলো তখন। সিগারেট শেষ হতেই গোড়াটা আলতো করে ছেড়ে দিলে খসে পড়ে বাইরে-ওখানেই ফেলেছিলো ছ’টা সিগারেট ফিল্টার। অন্ধকারে হাতড়ে তাদের দ্রুত প্যাকেটে ভরে ফেললো মুহিব।

    আর একটা কোথায় গেলো?

    আশেপাশের মাটি আঁতিপাতি করে স্পর্শ করেও অবশিষ্ট সিগারেটের গোড়াটা খুঁজে পেলো না মুহিব। সর্বনাশ!

    মনের পর্দায় স্পষ্ট দেখতে পেলো তদন্তকারী অফিসারের ছবি। ঝকঝকে দিনের আলোয় একটা লাশের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। ভুত দেখার উপযোগি ঘোর অমাবস্যায় মুহিব লাশ থেকে মাত্র ছয় ইঞ্চি দূরে যে সিগারেটের ফিল্টারটা খুঁজে পায়নি, তা তিনি কড়া রোদের আলোয় স্পষ্ট দেখতে পেলেন। ফরেনসিক অনায়াসে বলে দেবে এই সিগারেট খাওয়ার সময়কাল খুনটা হওয়ার সামান্য আগে।

    তারপর?

    ফিল্টারে থাকবে স্যালিভা। সোজা বাংলায় লালা। মুহিব ফিল্টার ভেজানো ছেলে না। তবে যতো সামান্য পরিমাণেই থাকুক না কেন, তা ধরা পড়বে ফরেনসিক রিপোর্টে। আঙুলের ছাপ তো বোনাস। কয়েকদিন আগে ভোটার আইডি কার্ড করে ফেলেছে মুহিব, একবার সার্চ দিলেই আঙুলের ছাপ স্পষ্ট খুঁজে পাওয়া যাবে ডাটাবেজে। তারপরের দৃশ্যগুলো খুব দ্রুত দেখতে পাবে পুলিশ।

    খুনের একটু আগে অপেক্ষমান খুনি সিগারেট খেয়েছে।

    অর্থাৎ খুনি জানতো এখানে ভিক্টিম আসবে। তার জন্য অপেক্ষার সময়টা সিগারেট খেয়ে পার করেছে সে। এবং খুনি ভিক্টিমকে পাওয়ার পর খানিক আলাপ করেছে। মতের অমিল হওয়ায় ছুরি মেরে গলা কেটে ফেলেছে ভিক্টিমের।

    খুনি হিসেবে মুহিবকে আইডেন্টিফাই করে ফেলার পর কি ঘটবে তাও হাল্কা পাতলা বুঝতে পারছে ও। তার ব্যাকগ্রাউন্ড খতিয়ে দেখা হবে। ঢাকার মিরপুরে যে কলেজে সে পড়াশোনা করেছে সেখানে লোক যাবে। শাহ আলী থানা থেকে রিপোর্ট রেডি করতে গিয়ে তাদের আক্কেল গুড়ুম হয়ে যাবে।

    মুহিবের কলেজের বন্ধুদের মধ্যে অন্তত তিনজন মিরপুর দুই নম্বরের টপ টেরর। বন্ধুদের সুবাদে ছুরি মারামারির ঘটনা খুব দূরের কিছু ছিল না ওর জন্য। আড্ডায় আলাপে উঠে আসতো কিভাবে কোন গ্যাং মেম্বার কোন ভুলের কারণে ছুরি খেয়েছে। কার পেট কোন কাজের জন্য আজ সকালে ফাঁড়া হয়েছে টিন মেরে। কোন ধরণের বেয়াদবী করে ফেলায় গজারি মেরে মাথা ফাটানো হয়েছে মণিপুরের গ্যাং মেম্বারের। পুরোটা কলেজ লাইফ এসবের মধ্যেই তো আড্ডা জমতো। পরবর্তিতে সবাই তো আর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেনি। টেন্ডারবাজিতে হাত পাকিয়ে ফেলেছে ওদের সার্কেলেরই এক বন্ধু। রিভলভারের প্রকোপে তার সাথে আড্ডা দেওয়াই কঠিন হয়ে গেছে এখন। পুলিশের মামলা ঝুলছে অন্তত চৌদ্দটা।

    এরকম এক ফ্রেন্ড সার্কেল থেকে সরাসরি ভদ্র-সভ্যদের জগৎ ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটিতে ঢুকে পড়ে তো মুহিব আর ফেরেশতা হয়ে যায়নি। অন্তত এমনটাই ধরে নেবে তদন্তকারী অফিসার। আর এতে করে মুহিব এমন একটা খুন করতে পারে তা দিনের আলোর মতোই প্রমাণ হয়ে যাবে। আদালতে টিকতেই পারবে না মুহিব।

    একটা সিগারেটের ফিল্টারের জন্য!

    মোবাইলটা কাঁপা হাতে বের করলো ও। আলো দরকার ওর। আলো দরকার অনেক। একটা ফিল্টারের জন্য এমন এক অপরাধে ফেঁসে যেতে পারে না যেটা করেইনি সে।

    ফ্ল্যাশ না জ্বালিয়ে ডিসপ্লে অন করলো মুহিব। মৃদু আলোয় আঁতিপাতি খুঁজছে ওর চোখজোড়া।

    “বেশিক্ষণ আলো জ্বালানো যাবে না। মারা খেয়ে যাবো, ম্যান। আই অ্যাম সো ফাকড!” বিড়বিড় করে নিজের সঙ্গেই যেন কথা বলছে মুহিব। চেষ্টা করছে অটোসাজেশন দিয়ে নিজেকে শান্ত রাখতে। পারছে না।

    অবশেষে জিনিসটাকে দেখতে পেলো মুহিব। আলো নেভাতে ভুলে গেলো রাতারাতি।

    পড়ে থাকা লাশটার চেহারা আলো-আঁধারিতে স্পষ্ট নয়। তবে ভীতিকর চিত্রকল্পটা যথেষ্ট বার্তা পৌছে দিচ্ছে মুহিবের মস্তিষ্কে। সামান্য বাঁয়ে কাত হয়ে শুয়ে থাকা একটা লাশ। রক্ত ছড়িয়ে গেছে খানিকটা দূর পর্যন্ত। তবে ইংরেজি চলচ্চিত্রে যেমনটা দেখা যায়, অনেকটা দূর পর্যন্ত গলার রক্ত ছড়ানো, অতোটা নয়। গলার ক্ষতের দেড় ফুট ব্যাসের মধ্যেই রক্তের বিস্তৃতি শেষ। সম্ভবত মাটি শুষে নেওয়ার কারণে বেশিদূর ছড়ায়নি আঠালো তরল।

    রক্তের ছোপ যেখানে শেষ, সেখানেই পড়ে আছে সিগারেটের শেষ ফিল্টারটা।

    *

    গত আধ ঘণ্টা ধরে মেসের বাথরুমে সাবান দিয়ে ঘষে ঘষে হাত ধুচ্ছে মুহিব। ঘষতে ঘষতে হাতের চামড়া তুলে ফেলার যোগাড়, তারপরও থামার লক্ষণ নেই তার মধ্যে। ঘিন ঘিন করছে হাত, খুন হয়ে যাওয়া মানুষটার রক্ত ওর হাতে মেখে গিয়েছিলো।

    শেষ সিগারেটের ফিল্টারটা কোনদিকে ফেলেছিলো তা মনে করতেই ফিল্টারের সম্ভাব্য হদিস পেয়ে গেছিলো মুহিব। ফিল্মি স্টাইলে টোকা মারা মুহিব কোনোদিনই শিখতে পারেনি। ফিল্টারের তলে নিখুঁত এক টোকা দিয়ে ফিল্টারকে কয়েক গজ দূরে ফেলার এই শিক্ষা কলেজে থাকতে টপ টেরর বন্ধু থেকে শুরু করে ক্লাসের ফার্স্ট বয় পর্যন্ত ওকে শেখানোর চেষ্টা করেছিলো। কাজটা করতে গিয়ে নিদারুণভাবে ব্যর্থ হয়েছে পুরো দুটো বছর। তবে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে ঢোকার পর শামীমের প্যাঁদানি খেয়ে শিখে নিতে হয়েছে জিনিসটা।

    টোকা-বিদ্যার প্রয়োগ করে একটা ফিল্টারকে বেশ খানিকটা দূরে ফেলেছিলো কালিগোলা মাঠে। ইতির কথা ভাবতে ভাবতে টোকাটা দারুণ হয়েছিলো। আক্রোশ মেটাতে ফিল্টার টোকা মেরে দূরে পাঠানোর চেয়ে চমৎকার কিছু হতে পারে না। কিন্তু খানিক বাদেই ওই ফিল্টারের চারপাশে এতো কাণ্ড হয়ে যাবে কে ভাবতে পেরেছিলো!

    মুহিবের এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না। সাবান মেখে কচলাতে থাকা হাতজোড়ার দিকে অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে সে। মনে হচ্ছে, ফেনাগুলোকে ধুয়ে ফেললেই বেরিয়ে পড়বে তর্জনীর পাশের আঁচড় রাঙা রক্তের ছোপ!

    হাত ধুয়ে ফেললো মুহিব। ফেরার পথে তাকালো তিনশ’ চৌদ্দের দরজার দিকে। বন্ধ, বড় একটা তালা ঝুলছে লিটুর দরজায়। শালাকে ভূত দেখার জন্য স্পন্সর করেছিলো শামীম আর ও। ফুটবল টিমের পরিবারে তো আর ভুত দেখার বিলাসীতা মানায় না। টাকা সে বাসায় চাইতে পারতো না। এতো বিভ্রান্তির মধ্যেই মুচকি একটা হাসি ফুটলো মুহিবের মুখে। লিটু এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো আছে অন্তত।

    বেয়াল্লিশ বর্গফুটের ঘরে ঢুকে দরজাটা দ্রুত লাগিয়ে দিলো ও। ওপর আর নিচের ছিটকিনি তুলে দিয়েছে। হাতটা ধুয়ে এসেছে বটে, তবে ঝামেলা এখনই শেষ হয়নি। ঘরের মধ্যে মুহিবের খুনের ঘটনাস্থলে থাকার প্রমাণ কিছু রয়ে গেছে।

    সিগারেটের একটা ফিল্টার, গোড়ায় খুন হয়ে যাওয়া একজন মানুষের টাটকা রক্ত। সিগারেটের প্যাকেটের অভ্যন্তরভাগ, যেখানে সিগারেটের রক্তমাখা ফিল্টার ফেলতে গিয়ে ওই রক্ত নানা জায়গায় মাখিয়ে ফেলেছে মুহিবই।

    “ট্রেস অ্যামাউন্ট!” বিড়বিড় করে নিজেকেই বলল মুহিব।

    ফরেনসিকের জন্য ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র নমুনাও যথেষ্ট। ট্রেস অ্যামাউন্ট রক্তের

    ছোপের কারণে মুহিবের ফাঁসি পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে। বাংলাদেশের আইনশৃংঙ্খলা বাহিনি অতো তৎপর না হয়তো, কিন্তু সম্ভাবনাটা উড়িয়ে দেওয়ার মতো নয়।

    ট্রেস অ্যামাউন্ট। অর্থাৎ শার্ট আর প্যান্টটাও ধ্বংস করতে হবে। কে জানে বিন্দু বিসর্গ রক্ত লেগে গিয়েছে কি না! সাবধানের মার নেই।

    ঘরের চারপাশে তাকালো মুহিব। প্রথম দিনের মতোই, আরেকটা আন্ডারওয়ার টেবিলের নিচ থেকে তাকিয়ে আছে ওর দিকে। দ্রুত চোখ সরিয়ে দরজার দিকে দেখতেই মনে পড়লো।

    স্যান্ডেলজোড়া। সবচেয়ে বেশি রক্তের ট্রেস থাকার সম্ভাবনা ওদের মধ্যে। তলে হয়তো ওভাবে পাওয়া যাবে না। ভিসির বাসার সামনের মাঠ থেকে এই মেস পর্যন্ত দূরত্ব দুই কিলোমিটারের কাছাকাছি। লুকিয়ে এলাকা ত্যাগ করার লক্ষ্যে আরও বড় একটা জায়গা পার হতে হয়েছে তাকে। তলার সঙ্গে ঘষা খেয়েছে দীর্ঘ পথ। তবে এক মুভিতে জেনেছিলো জুতোর ক্ষেত্রে সুখতলার চাইতে বেশি এভিডেন্স ধারণ করে গোড়ার সঙ্গে লম্বভাবে উঠে যাওয়া সোলের শক্ত অংশ। আর সেটাই এখন ভাবাচ্ছে মুহিবকে।

    স্যান্ডেলজোড়াও বিসর্জন দিতে হবে। তবে এমনভাবে নয়, যেন আবার কোথাও আবিষ্কৃত হয়ে যায়! কম্পিউটারের মনিটরের ওপর দুটো হাত রাখলো ও। হাল্কা কাঁপছে হাতজোড়া। তারপর বেশ ভালো মতো কাঁপা শুরু হলো।

    আজকে আরেকটু হলেই ও নিজেও জবাই হয়ে যেতে পারতো!

    “ফাক, ম্যান!” নিজে থেকেই উচ্চারণ করলো ও শব্দ দুটো। এভিডেন্স সিগারেট প্যাক থেকে অবশিষ্ট পাঁচ সিগারেটের একটা বের করে ধরিয়ে ফেললো তারপর।

    মনোযোগ অন্য কোনোদিকে সরাতে হবে। এখন জামাকাপড় অথবা স্যান্ডেল ধ্বংস করার উপযুক্ত সময় না। সম্ভবত খুনের ব্যাপারটা এখনও জানাজানি হয়নি, তাহলে হইহট্টগোল কিছু শোনা যেতো–তবে হয়ে যাবে যে কোনো সময়। আজ রাতের ঘন অমাবস্যায় কেউ ওদিকে যদি নাও যায়, আগামিকাল সকালে লাশ পাওয়া যাবে নিঃসন্দেহে। লাশ আবিষ্কার হওয়ার পর যদি কেউ মুখ ফস্কেও বলে ফেলে, “মুহিব ব্যাটাকে তো ঘটনার রাতে কিছু পোড়াতে দেখলাম!”

    আর এটা বলা হবে তা নিশ্চিত। আজ হলরুমে গন্ধযুক্ত বায়ুত্যাগও তাকে ক্যাম্পাসের ফেসবুক-গোয়েন্দাদের চোখে আসামী বানিয়ে ফেলতে পারে। তারা সব কিছু নিয়ে ব্যবচ্ছেদ করবে। রাতারাতি গোয়েন্দা বনে যাবে অনেকেই। তারা জামা-কাপড় পোড়ানোর মতো একটা ঘটনা ঘোষণা করে বেড়াতে থাকলে নিঃসন্দেহে সেটা কর্তব্যরত অফিসারের কানেও আসবে। তারপর ফাঁসির দড়ি।

    না, আজ রাতে অস্বাভাবিক কিছুই করা যাবে না। সেজন্য ওকে দেখতে হবে মুভি। অন্তত ফেসবুকে এমন একটা স্ট্যাটাস দিয়ে রাখাটা হয়তো ভালো হবে। ডেস্কটপ অন করে দ্রুত নিজের টাইমলাইনে চলে গেলো মুহিব। স্ট্যাটাস দিলো : Watching Sully (2016)

    এতোক্ষণে খেয়াল করলো ধরানো সিগারেটটা ফিল্টারে চলে এসেছে। দরজা বরাবর ছুঁড়ে মারতে গিয়েও থমকে গেলো মুহিব। এটাও ছিল অবশিষ্ট রক্তমাখা ফিল্টারের সঙ্গে। ট্রেস অ্যামাউন্ট রক্ত এখানে নেই কে বলতে পারে? এভিডেন্স প্যাকেটের মধ্যেই চাপ দিয়ে আগুনটা নেভালো মুহিব। তারপর ধরালো আরেকটা।

    হোমপেজে এসে ভুতবাবা সুমনের পোস্ট দেখতে পেলো, “অপারেশন সাকসেসফুল!”

    মাথা দোলালো মুহিব। এটা একটা সেমি-অ্যালিবাই হতে পারে। এভিডেন্স প্যাকেট পকেটে নিয়ে বেরিয়ে এলো ঘর থেকে। রুমে তালা দিয়ে চাবি ক্যাচ ধরতে ধরতে রওনা দিলো নিচের দিকে। চারতলা নামার পুরোটা সময় ঠোঁটে থাকলো গেম অব থ্রোনসের থিম মিউজিকের সুর। মোস্ট সিনিয়র বেলায়েত ভাইয়ের সামনে পড়ে একবার থামলো, সালাম দিলো বিনয়ের সাথে। বিরস মুখে সেটা গ্রহণ করতে করতে ওপরের দিকে রওনা হলেন তিনি। সিগারেটখোরের আবার সালাম!

    নিচে নেমে বাচ্চুদাকে কোথাও দেখতে পেলো না ও। হয়তো জরিমানা করছেন আর কাউকে, নামকরণের সার্থকতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে তো। খোলা দরজা দিয়ে মেসের বাইরে বের হয়ে এলো মুহিব। পাশেই একটা বিরাট পুকুর। এখানে দিনের বেলা হাঁসেরা ঘুরে বেড়ায়। সবুজ রঙের পানি এই পুকুরে, গাঢ় সবুজ। বিকেলের দিকে এখানে দাঁড়াতেই মন ভালো হয়ে যায়। সবুজ রঙের পানির কারণ হিসেবে কৃতিত্ব দিতে হবে চারপাশে দাঁড়িয়ে থাকা গাছগুলোকে। তারাই প্রতিফলিত হয়, সবুজ ছড়ায় পানিতে। তবে মেসের ছাত্ররা বলে ভিন্ন কথা। তাদের মতে সাততলা মেসের প্রতিটা টয়লেটের কমন আউটিং এই পুকুর। নুরুল্লাহকে সেদিন এই পুকুরে গোসল করতে দেখে বাকিরা ব্যঙ্গ করেছিলো খুব, “কি রে, গুয়ের পানি দিয়া গোসল করে আসলি!”

    গুয়ের পানি টলটল করছে। পাড়ে কেউ নেই। রাত হয়ে গেলে এখানে কেউ আসে না তেমন। পুকুর পাড়ে বসার সুবন্দোবস্ত নেই বলেই সম্ভবত, নয়তো আড্ডার জন্য দারুণ একটা জায়গা। রাতের অন্ধকারে পুকুরের পানি অবশ্য সবুজ দেখাচ্ছে না। গাঢ় কালো রঙা পানি, প্রতিফলিত হচ্ছে চাঁদ।

    অপচয়কারী শয়তানের ভাই। এভিডেন্স তো কি হয়েছে? অবশিষ্ট সিগারেটের প্যাকেট থেকে আরেকটা সিগারেট বের করে নিলো মুহিব। তারপর ফোন দিলো শামীমকে। ফোনটা ধরলো ইলোরা।

    “কি রে? আসলেই কাপল হয়ে গেছিস নাকি?” হাসি হাসি গলায় জানতে চাইলো মুহিব, “বাসে যে রোমান্টিক ছবি দেখলাম! তারপর আবার এর ফোন ও রিসিভ করছিস। দারুণ ব্যাপার স্যাপার।”

    হাসলো মেয়েটা, “এটুকু তো কিছুই না। আমরা একসাথে রাতও কাটিয়েছি গত তিন দিন।

    “সাবাশ। সেই রাত কাটানোর রসালো বর্ণনা শুনতেই ফোন করেছিলাম শামীমকে। তুই-ও বলতে পারিস। ছিলি তো একসাথেই।” জানে একয়দিন সারারাত জেগে ভৌতিক আলামত রেকর্ড করেছে ওরা।

    “তা ছিলাম। আজকে রাতটা ভালোভাবে শুরু হয়েছে। মাঝের ঘরের ছাত ধ্বসে পড়েছে আটটার দিকে। ফ্যান্টাস্টিক!”

    “তোরা ঠিক আছিস তো?” চিন্তিত কণ্ঠে জানতে চাইলো মুহিব।

    “তা আছি। কিন্তু আমাদের একটা ক্যামেরা গেছে। একেবারে ভেঙে চুরচর। গোটা বাড়িতেই ক্যামেরা সেট করেছিলাম তো। হিউজ লস খেয়ে গেলো ভুতবাবা।”

    “সাবধানে থাকিস। মানুষের শয়তানিও হতে পারে সব। তেমন হলে তোদের সেফটি কিন্তু কম্প্রোমাইজড।”

    “মানুষের কারসাজি হলে ওই শালার ব্যাটাকে ধরেই ক্যাম্পাসে ফিরবো। ক্যামেরার দাম জানে মাদারসান? ভাঙলো যে খুব!”

    “ধরতে পারলে জানাস। একসাথে থাকিস। বিপদে পড়িস না।”

    “ওকে, বস।” কৌতুকময় কণ্ঠে বলল ইলোরা, “বিপদে পড়বো না। তোর কি হয়েছে? মন খারাপ কেন?”

    দুই সেকেন্ড কথাই বলতে পারলো না মুহিব।

    “তুই কি ম্যাজিশিয়ান?”

    “না। তোর মন বিশেষ ভালো না। তবে সেটা আমাদের ভুত দেখা নিয়ে না। কি ঘটেছে বল্ তো?”

    “বলবো। লং স্টোরি। তোরা ফিরে আয়।”

    “ওকে।”

    এক সেকেন্ড চুপ থাকলো ওরা। একটু ইতস্তত করে জানতে চাইলো মুহিব, “তুই কিভাবে মানুষের মনের অবস্থা বুঝিস?”

    খিলখিল করে হাসলো ইলোরা। চেহারার মতো ওর হাসিটাও সুন্দর।”আরে গাধা, মেয়েরা অনেক কিছু বুঝতে পারে। রাখি তাহলে। ক্যাম্পাসে ফিরে কথা হবে।

    “চলে আসছিস তাহলে?”

    “হুম, আর দুই দিন। এরপর তো এমনিতেও ক্লাস শুরু।”

    “ওকে। টাটা।”

    বালখিল্য বিদায় সম্ভাষণে অবাক হয় না ইলোরা। মুহিব-শামীম এটা নিয়মিত করে, “টাটা।”

    ফোনটা রেখে সিগারেটের প্যাকেট থেকে একটা একটা করে ফিল্টার বের করলো মুহিব। টোকা-বিদ্যা কাজে লাগিয়ে পুকুরের যতোদূর সম্ভব ভেতরের দিকে ফেললো তাদের। একটা একটা করে সবগুলো ফেলতে ফেলতে হাতে ধরা সিগারেটটাও শেষ হয়ে গেলো। ওটাকেও টোকা মেরে পুকুরের মাঝে পাঠালো মুহিব। সবশেষে তিনটা অবশিষ্ট সিগারেট বের করে শার্টের পকেটে রাখলো ও, ভেতর থেকে ফয়েল পেপারটা বের করে কুঁচি কুঁচি করে ছিড়তে শুরু করলো। সাবধানে কাজটা করলো যেন একটা কুচিও বাইরে না পড়ে। তারপর সবগুলোকে ভাসিয়ে দিলো পুকুরে।

    পানি আলামত ধ্বংস করে!

    সবশেষে গেলো সিগারেটের প্যাকেটটা। ভাঁজ আর আঠাগুলো খুলে সমান একটা কাগজে রূপান্তরিত করলো ওটাকে, তারপর ছিঁড়ে টুকরো টুকরো করলো। ফয়েলের পথেই গেলো ওরা। কাজগুলো করতে করতে দুটো সিগারেট শেষ করেছে মুহিব। সর্বশেষ সিগারেটটা ধরিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ফিরে এলো মেসের ভেতর। চারতলা পৌছাতে পৌছাতে শেষের পথে চলে আসে সেটাও।

    বাথরুমের পাশে করিডোরের একটা জানালা। নিচের দিকে তাকালে স্পষ্ট দেখা যায় মেসের রান্নাঘরের ছাদ। জানালা বরাবর সেই ছাদের ওপর সর্বশেষ ফিল্টারটা ছুঁড়ে মারলো মুহিব।

    এতোক্ষণে নিশ্চিন্ত!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }