Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    যে হীরকখণ্ডে ঘুমিয়ে কুকুরদল – কিশোর পাশা ইমন

    কিশোর পাশা ইমন এক পাতা গল্প607 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    কুকুরদল – ৪৯

    অধ্যায় ৪৯

    শাহাবুজ্জামান যখন কমনরুমে ঢুকলেন, ভেতরে প্রফেসর রবিনকে ঘিরে একটা জটলা তৈরি হয়েছে। গত সপ্তাহে ইংল্যান্ডে এক কনফারেন্সে যোগ দিয়েছেন তিনি এবং হরিপদ গুপ্ত স্যার। এখন ঐ কনফারেন্স কিংবা ট্যুরের ব্যাপারেই কথা হচ্ছে। প্রফেসর রবিন আড্ডাবাজ মানুষ, খুব সাধারণ বিষয়গুলো এমনভাবে বলছেন যে শিক্ষকদের এই দলটা না হেসে পারছে না। শাহাবুজ্জামান মনে মনে খুব নোংরা একটা গালি উচ্চারণ করলেন।

    সশব্দে হাতের ফাইলগুলো টেবিলের ওপর নামিয়ে রাখলেন তিনি তারপর কিছু ফাইল বের করে একটা কলম নিয়ে বসে পড়লেন চেয়ার টেনে 1 নিজের উপস্থিতি জানানোর জন্য যতোটা সম্ভব শব্দ করা যায় তিনি করে যাচ্ছেন। এদের দেখাতে তো হবে, সবাই কমনরুমে আড্ডাবাজি করতেই আসে না। কেউ কেউ হাতের কাজটুকু করতেও এখানে আসেন। সেমিস্টার ফাইনালের খাতাগুলো কাটতে শুরু করলেন প্রবল মনোযোগ দেওয়ার ভান করে। এই খাতাগুলো এতো মনোযোগের দাবিদার নয়, কাজেই ভানটুকু করার জন্য উপযুক্ত।

    নীতু মেয়েটা বেহায়ার মতো হাসছে। শব্দটা কানে যেতে বিরক্তির দৃষ্টিতে তার দিকে তাকালেন তিনি। মেয়েমানুষ থাকবে পর্দার ভেতর। তারা বের হয়ে এসে মাঠেঘাটে কাজ করছে তা বেশ কথা। পনেরো কোটি মানুষের ত্রিশ কোটি হাত। কিন্তু বাবার বয়েসী বুড়ো প্রফেসরের সঙ্গে লেপ্টালেপ্টিটা যে বাড়াবাড়ি সেটা যে কেউ স্বীকার করবে। এই মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দিয়েছে কে?

    শাহাবুজ্জামানের মন-মেজাজ বিগড়ে থাকার পেছনে অবশ্য নীতুর হাসি দায়ি নয়। লুলা প্রফেসর আর ধ্বজভঙ্গ হরিপদ গুপ্তকে ইংল্যান্ডের কনফারেন্সে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এটা জানার পর থেকেই দিনকাল খুব ভালো যাচ্ছে না তাঁর। সিনিয়রিটির দিক থেকে তিনি কি ঐ হরিপদের থেকে এগিয়ে না? প্রফেসর রবিন নাহয় একজন নাস্তিক, ইউরোপ-আমেরিকার দোসর, ডুয়াল সিটিজেনশিপ–সে এসব জায়গা থেকে ডাক পেতেই পারে। অথচ শাহাবুজ্জামানের বিষয়ের ওপর একটা কনফারেন্স হলো তাও খ্রিস্টানগুলো তাকে দাওয়াতপত্র দিলো না একটা? তার কনফারেন্স পেপারটা সরাসরি রিজেক্ট করে দিলো তারা? পেছনের কারণটা অবশ্য তিনি একেবারেই জানেন না এমনটা না।

    শাহাবুজ্জামানের ইংলিশ স্পিকিং স্কিল একেবারেই জঘন্য। তিনি এই একটা কারণে ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়। একবার সেন্ট্রিফিউগাল পাম্পের কার্যপদ্ধতি বোঝাতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, “ইট ক্যান নট এক্সপ্লেইনড বাই মাউথ।” সেই উক্তিটি অনেকে কাভার ফটো দিয়েছে। গ্রামার ধ্বংসকারী, বিধ্বংসী সব শব্দগুছের জন্মদাতা হিসেবে ছাত্রসমাজ তাকে এমন ভয়ানক রকমের শ্রদ্ধা করে যে ক্যাম্পাসে টেকাই দিন দিন সমস্যার হয়ে যাচ্ছে। এই একটা কারণে থাইল্যান্ডে পিএইচডি-টা করতে গিয়েও ছিটকে পড়েছেন। কোথা থেকে যেন ঐ ব্রিটিশগুলোও বিষয়গুলো জেনে গেছে। শাহাবুজ্জামান ভুল ইংরেজির জেরে স্টিম ইঞ্জিনের ওপর একটা কাজকে তিনি স্টেম সেলের বিতর্কে পরিণত করতে নিয়েছিলেন, থাইল্যান্ড বিজ্ঞান অ্যাকাডেমির উচ্চপদের সব পণ্ডিতের সামনে, ঘরভর্তি কনফারেন্স রুমে। ভদ্রতাবশতঃ অনেকেই হাসি চাপার চেষ্টা করেছিলো, শেষটায় কনফারেন্স রুম কাঁপিয়ে হেসে ফেলেন থাই অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট সাকারিন্দ্র ভূমিরত্ন। এর এক সপ্তাহের মধ্যেই তাকে বিমানের টিকেট ধরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

    এই ঘটনার পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলো অবশ্য ছাত্রছাত্রিরা। যাদের ক্লাস-ই তাকে দেওয়া হয়েছে তাদের তিনি অত্যাচার করেছেন ভুল ইংরেজি আর ভুলভাল সংজ্ঞা পড়িয়ে। ছাত্ররা জানতো এই স্যারের কোর্সে ভালো নাম্বার তুলতে হলে ভুলটা মুখস্ত করতে হবে। সেই সঙ্গে জানতেও হবে ঠিকটা। নয়তো পাশ করে বেরিয়ে সাবুর মতোই ইজ্জত খোয়াতে হবে। এমন একটা মানসিক অত্যাচারে পড়ে যাওয়ার পর কোনো ছাত্রেরই তাকে ভালোবাসার কারণ নেই। কয়েকদিন আগে হয়ে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আলোড়ন তোলা আন্দোলনে শাহাবুজ্জামান স্যারকে নিয়েই সবচেয়ে বেশি অশ্লীল স্লোগান দেওয়া হয়েছে। এরপর থেকে সহকর্মিদের সামনে পড়লে লজ্জাবোধ করতেন তিনি। নিজেকে বিজ্ঞানী বলে প্রচার করে এসেছেন এতোদিন, অথচ সেটা খুব একটা প্রতিষ্ঠা পায়নি। প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলো ছাত্রদের দেওয়া নামগুলো। ভালো জিনিস প্রচার পায় না, খারাপগুলো ছড়ায় বাতাসের আগে আগে। রাগে-ক্ষোভে এগারো নাম্বারের একটা অঙ্কে শুন্য বসিয়ে দিলেন শাহাবুজ্জামান।

    তার হাতে ধরে থাকা খাতাটা আন্দোলনকারীদের একজনের। খাতা হাতে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এদের খাতাগুলো আলাদা করেছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিস্টার ফাইনালের খাতা দেখার প্রক্রিয়ায় আর যাই থাকুক, স্বচ্ছতার কোনো ব্যাপারই নেই। প্রথমত, খাতাগুলোর প্রথম পাতায় স্পষ্ট করে লিখা থাকে ছাত্র বা ছাত্রির রোল নম্বরখানা। দ্বিতীয়তঃ কোনো ছাত্র বা ছাত্রি যদি মনে করে থাকে তাকে কম নাম্বার দেওয়া হয়েছে, সে খাতা চ্যালেঞ্জ করতে পারে না। এমন কোনো সুযোগ বিশ্ববিদ্যালয়ে রাখা হয়নি। ছাত্র-ছাত্রিদের একটা বিচ্ছিন্ন গ্রুপ এসব নিয়ে অনেকদিন ধরেই অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছে, খাতা যে দেখবে সে ছাত্র বা ছাত্রির রোল নাম্বার দেখার সুযোগ পাবে কেন? এ তো রীতিমতো এক অস্বচ্ছ প্রক্রিয়া! তারা মনে করে এধরণের অস্বচ্ছ মূল্যায়নের মাধ্যমে যে কোনো স্বাধীন মত প্রকাশের দাবি দমিয়ে রাখা হচ্ছে। কোনো শিক্ষকের সঙ্গে কোনো ছাত্রের সম্পর্ক খারাপ যেতেই পারে। শিক্ষকটি যদি চান ছাত্রটির খাতাটি খুব কড়াভাবে দেখবেন, তাও তিনি দেখতে পারছেন। স্রেফ রোল নম্বরটা খুঁজে বের করে খাতাটা বের করে নিলেই হলো। এই মুহূর্তে শাহাবুজ্জামান ঠিক সেই কাজটাই করে যাচ্ছেন নিষ্ঠার সঙ্গে।

    এই আন্দোলনকারী ছেলেটি এগারো নম্বরের এক অঙ্ক কষেছে। প্রক্রিয়া পুরোটাই ঠিক আছে। তবে শেষে ক্যালকুলেটর চাপতে করেছে ভুল, কাজেই উত্তর ভুল এসেছে। এমন ভুলের জন্য এগারোয় নয় দেওয়া নিয়ম। তিনি গতকাল রাতে আন্দোলন করেনি যারা তাদের খাতায় সেভাবেই মার্কিং করেছেন। তবে এই ছেলের খাতায় তিনি একটা স্পষ্ট শুন্য বসিয়ে দিলেন। এতে করে বিবেকের দংশন মোটেও অনুভব করলেন না। তিনি তো আর হারাম কাজ করছেন না। ঠিক অঙ্কতে শুন্য দেননি, বরং উত্তর ভুল হয়েছে বলেই শুন্য দিয়েছেন। এতে কেউ দোষ দিতে পারবে না তাকে। অবশ্য দোষারোপের প্রশ্নও আসে না। কেউ তো আর খাতা চ্যালেঞ্জ করে এই শুন্য পাওয়া দেখতে পারছে না। এই ছেলে ফেল করবে। শুধুমাত্র রেজাল্টশিটে নিজের রোলের পাশে ফেলের ঘরে এই বিষয়টার নাম খুঁজে পাবে, ওখানেই গল্প শেষ। সে তো আর এসে খাতা খুলে দেখতে পারবে না তার নাম্বার শাহাবুজ্জামান কোথায় কোথায় কেটেছেন আর কমিয়েছেন।

    ফেল একবার করলেই যে তাদের মুক্তি চিরন্তন, এমনটা নয়। এই বিষয়ের ওপর তাদের আবার ব্যাকলগ পরীক্ষা দিতে হবে। যেহেতু কোর্সের টিচার শাহাবুজ্জামান নিজেই তিনি সেই ব্যাকলগের খাতাও দেখবেন। এই খাতাও আসবে প্রথম পৃষ্ঠায় ছাত্রের রোল নম্বর নিয়েই। তিনি চাইলে আবারও ছোটোখাটো ভুল ধরে ধরে একেকটা প্রশ্নে শুন্য শুন্য করে দিতে থাকতে পারবেন। এবং এই ছাত্র ব্যাকলগ পরীক্ষাতেও ফেল করবে। এটা এমন কোনো কঠিন ব্যাপার নয়। বাৎসরিক মূল্যায়ন সভাগুলোয় তাকে অবশ্য জবাবদিহিতার সামনে পড়তে হবে, ক্লাসে কেন বিশজন ফেল করলো তার জন্য তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে। এসব সামান্য অপমানের, তবে এই বেয়াড়া ছাত্রগুলোকে গাড্ডায় ফেলার জন্য মূল্যটা খুবই সামান্য। এই সামান্য মূল্য চুকাতে শাহাবুজ্জামান রাজি আছেন। এবার এরা বুঝবে কে কার ‘ইয়ে’ মারে। তিনি পরের বড় প্রশ্নটাতেও নির্দ্বিধায় শুন্য দিলেন। গুরুত্বপূর্ণ একটা শব্দগুচ্ছ সে নিজের ভাষায় লিখলো কেন? সংজ্ঞা বইয়ের ভাষায় মুখস্ত না লিখলে তার কি করার আছে?

    “তারপর, শাহাবুজ্জামান স্যার তো ইদানিং কথাই বলেন না আর কারও সাথে।” প্রফেসর রবিন খুব অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে বললেন, “অবশ্য আপনার ব্যাপারটা আমি বুঝি। এখন অত্যন্ত জরুরি কাজে ব্যস্ত দেখা যাচ্ছে আপনাকে। আন্দোলনকারীদের সেমিস্টার ফাইনালের খাতায় শুন্য দিচ্ছেন।”

    শাহাবুজ্জামান স্যারের হাত থেকে কলম পড়ে গেলো।

    “না, না। বিচলিত হচ্ছেন কেন? আপনি নিশ্চিন্ত মনে আপনার কাজ করতে থাকেন। এটা আপনার কাজ, তা নিয়ে কথা বলার অধিকার তো আমাদের নেই। আমি এসব জানি, কষ্ট করে ভাষণটা দিতে হবে না।” একটা হাত তুলে তাকে নিরস্ত করার ভঙ্গি করতে করতে বললেন প্রফেসর রবিন। হাত অবশ্য উনার ওই একটাই।

    “সেটাই। এই প্রসঙ্গ আর না তুললে খুশি হবো।” কলমটা তুলে নিয়ে দ্বিগুণ মনোযোগ দিয়ে খাতা দেখার ভান করতে থাকলেন তিনি।

    প্রফেসর রবিনকে মনে হয় আজ কথা বলার ভুত পেয়েছে। নতুন এক প্রসঙ্গ তুললেন তিনি, “ছাত্ররা আপনাকে নিয়ে এতোগুলো স্লোগান দিলো, আপনার এই জনপ্রিয়তার কারণ কি মাঝে মাঝে ভাবি। আমাদের তো জানাতে পারেন অন্তত রহস্যটা।” চোখ টিপ দিলেন তিনি, “আমাদেরও তো কখনোও কখনোও স্লোগান শুনতে ইচ্ছে করে।”

    সজোরে কলম টেবিলে নামিয়ে রাখলেন শাহাবুজ্জামান, “এবার কিন্তু বাড়াবাড়ি হয়ে যাচ্ছে, প্রফেসর। আপনি ঐ কালপ্রিটগুলোর ব্যাপারে এতো নরোম মনোভাব নিয়ে কথা বলেন যে তা প্রশ্রয়ের কাতারেই চলে যায়।”

    “আহা, চটছেন কেন?” গলায় মধু ঢেলে জানতে চাইলেন প্রফেসর রবিন, “আপনারা নাকি চৌদ্দ দফা দাবি পেশ করছেন কর্তৃপক্ষের কাছে? তার মধ্যে মানহানীকারীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কথাও বলেছেন?”

    “অবশ্যই বলেছি।” গলার রগ ফুলিয়ে চিৎকার করলেন শাহাবুজ্জামান, “অপমান করে পার পেয়ে যাবে? ওদের বয়স কারোই আঠারোর কম না। এখন অন্যায় করলে আর তা আদালতে প্রমাণ হলে জেলে যাবে। সিম্পল। স্কুল-কলেজ পেয়েছে, এহ? মামলা করবো সবার নামে। বিচার না পেলে ওদের ক্লাসই নিবো না।”

    উরুতে জোরে জোরে চাপড় দিলেন প্রফেসর রবিন, “হাততালি দিতে পারলাম না বলে এই অভিবাদনটাই নিতে হবে আপনাকে। বাহ্, চমৎকার বলেছেন তো। আঠারোর বেশি যখন ওদের বয়স, তখন তো প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবেই ট্রিট করা উচিত। মামলা করা উচিত ব্যক্তিগত শত্রুতা থাকলে। এটা খুবই প্রফেশনাল কথা, খুবই যৌক্তিক কথা। আমি কিন্তু আপনাকে পূর্ণ সমর্থন জানাই এ ব্যাপারে।”

    এই লোকটাকে এক মুহূর্তের জন্যও বিশ্বাস করতে পারলেন না শাহাবুজ্জামান। সন্দেহের চোখে তার দিকে তাকিয়ে রইলেন তিনি। তার সন্দেহকে অভ্রান্ত প্রমাণ করে নীরবতা ভাঙলেন স্বয়ং প্রফেসর রবিনই।”সমস্যা তো তখন হয় যখন আপনারা ভাতেও তাদের মারেন, পানিতেও মারেন। মানে, মামলা ঠুকবেন এদিক দিয়ে, ওদিক দিয়ে হাল্কা ছুতো পেলেই খাতায় নাম্বার দেবেন শুন্য। ব্যাকলগের পরীক্ষা দিলে আবারও শুন্য টেকনিক খাটিয়ে ফেল করাবেন। এসব তো আপনারা অনেকেই করে আসছেন, অনেক বছর ধরে। এসব ছাড়েন, বুঝলেন? ক্লাস এইটের মেয়েদের মতো মান–অভিমান খেলা খেলে একটা ছাত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলবেন না। মামলা করবেন সেটা ঠিক আছে। একদম ঠিক আছে। কিন্তু অনৈতিকভাবে অ্যাকাডেমিকভাবে হেনস্থা করে তাদের জীবন নষ্ট করবেন সেটা ঠিক না। খাতায় ঠিক লিখলে নাম্বার দিতে আপনি বাধ্য, কিন্তু তা তো দিচ্ছেন না। এটা নৈতিক কাজ হলো কি? আর, কিসের আঠারোর বেশি বয়স? ক্লাস যখন নেন তখন তাদের সেই সম্মান কি দিয়েছেন? একবারও তাদের ‘আপনি’ করে বলেছেন? বলেন নাই। বলেছেন তুমি-তুমি করে। নাম ধরে ডেকেছেন। পারবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে ওদের বয়েসী কাউকে এভাবে নাম ধরে ডাকতে, তুমি করে বলতে? পারবেন না। প্রাপ্তবয়স্কের সম্মান তাদের দেন নাই একবারও। যখনই কোনো ঝামেলা হয় তখন অবশ্য ঠিকই প্রাপ্তবয়স্ক টানেন। এসব হিপোক্রেসি ছাড়েন।”

    কমন রুমে আবারও পিনপতন নিরবতা নেমে এসেছে। আরও একবার লেগে যাচ্ছে শাহাবুজ্জামান এবং প্রফেসর রবিনের। এই পরিবেশে একটা পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে ইদানিং। আগে আক্রমণভাগে সব সময় দেখা যেতো প্রফেসর শাহাবুজ্জামানকেই। ইদানিং তাকে বেশি বেশি রক্ষণামত্মক ভূমিকাতে খেলতে দেখা যায়। এমন পরিবর্তন এসেছে ছাত্রদের সেই বিতর্কিত আন্দোলনের পর থেকে। প্রফেসর রবিন সেই আন্দোলনে কারও পক্ষ নিতেই অস্বীকৃতি জানিয়েহিলেন। না শিক্ষকদের মিটিংগুলোয় অংশ নিয়েছেন, না ছাত্রদের মিছিলে নিয়মিত থেকেছেন। পুরো ঘটনাটায় তিনি একরকম আমোদ পেয়েছেন বলেই মনে হয়েছে। সেই থেকে তিনি চলে গেছেন আক্রমণে। আজকের আক্রমণটাও দীর্ঘায়িত হচ্ছে।

    প্রফেসর রবিন বলে চললেন, “আবার এমন কথা বলাও তো নিষেধ 1 তখন বলবেন আপনাদের সঙ্গে ছাত্রদের সম্পর্কটা পিতা-পুত্রের। তবে এতে করে কিন্তু দায় এড়ানো যাচ্ছে না। বলতে নেই আবার বলতেও হয়, আমাদের টিচার্স কমিউনিটির অনেকেই ছাত্রিদের প্রতি হাল্কা দুর্বলতা দেখান। পিতা–কন্যার মধ্যে আবার প্রেম এলো কি করে? এতো টারগারিয়ানদের জন্যও বাড়াবাড়ি হয়ে যায়! এধরণের অভদ্রতা কি স্টুডেন্ট কমিউনিটিতে কিছুটা হলেও অসন্তোষের সৃষ্টি করছে না? এর আগেও তো অনেক ছাত্রকে প্রতিহিংসা বশত লগ দিয়েছেন। ছাত্রসমাজ কিন্তু এসব মনে রাখে। আন্দোলনের মতো একটা ব্যাপার যখন চলে আসে তারা সব উগরে দেয়। এগুলো যখন আপনারা করেন, তখন মনে হয় তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপনার ক্ষতি হচ্ছে না, বরং উচ্ছৃঙ্খল ছাত্রদেরই শিক্ষা হচ্ছে বলে আপনারা ভাবেন, কিন্তু এর একটা লং টার্ম ইফেক্ট আছে।”

    শাহাবুজ্জামান কলম খাতা একপাশে সরিয়ে রগ ফুলিয়ে বললেন, “আপনি যে কাদের পক্ষে তা আমার বোঝা হয়ে গেছে, স্যার। আপনাদের মতো শিক্ষকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাটা একটা অভিশাপ। ডিসপ্লিন বলতে কিছু থাকে না। একটা প্রতিষ্ঠান চালাতে হলে কিছুটা ডিসিপ্লিনের দরকার আছে। সেজন্য আমাদের কখনো কখনও কঠোর হতে হয়। এটাকে আপনি বলবেন অন্যায়, তাই তো? তাহলে মনে হয় আপনি তেমন কোনো ছাত্রের সামনে পড়েননি, ওই ওরা, চূড়ান্ত মাত্রার বেয়াদব কিছু আছে। তাদের আপনার নরোম কথা কোনো প্রভাবেই প্রভাবিত করতে পারবে না। এদের আপনি এসব মিষ্টি কথা শুনিয়ে কিভাবে লাইনে আনেন তা আমার দেখার খুব ইচ্ছে।”

    বিনয়ের মতোই দেখায় এবার প্রফেসর রবিনের হাসিটা, “ভালোবাসায় সব হয়। আমাদের তো পাঁচ হাজার রকেট সায়েন্টিস্টের দরকার নেই, এটা আপনারা কবে বুঝতে পারবেন আমি জানি না। আমাদের দরকার সব ছাত্ররা যেন তাদের ফুল পোটেনশিয়াল ব্যবহার করতে শিখে যায়। সেই পোটেনশিয়াল খুঁজে বের করার দায়িত্ব তাদের, এটা আমাদের দায়িত্ব না। আপনি একটা পর্যায়ে কাউকে গিয়ে গিয়ে হাতে তুলে জ্ঞান খাইয়ে দিতে পারবেন না। বিশ্ববিদ্যালয় জগতটা এমনই। আমরা শুধু পারি তাদের সক্ষমতার পুরোটা বের করে আনতে। এটা তারা নিজেরাই করবে, আমাদের কেবল গাইড করতে হবে। তা না করে যদি আমরা তাদের সিজিপিএ বাড়ানোর জন্য গাইড করতে শুরু করি তখন ঝামেলাগুলো বেঁধে যায়। ওরা আমাদের প্রতি শ্রদ্ধা হারায়, আমরা হারাই সম্মান, আর তারাও আমাদের শ্রদ্ধা হারায়। আপনার কি মনে হয় আজকে ছাত্র-শিক্ষকের যে সম্মানের অবনতি তা একদিনে হয়েছে?”

    এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য কাউকে আগ্রহি দেখা গেলো না। তারা সবাই জানে এসব ঘটনা একদিনের প্রতিক্রিয়া অবশ্যই নয়। এবং এতে নিজেদের দিকেও যে কিছুটা ভ্রান্তি থাকতে পারে সেটা প্রতিটি শিক্ষকই বুঝতে পেরেছেন, আন্দোলনটা অনেকের জন্যই নতুন উপলব্ধি নিয়ে এসেছে। সেই উপলব্ধি অস্বীকার করার জন্য অনেকে প্রতিশোধের রাস্তা বেছে নিয়েছেন, অনেকে নিয়েছেন সংশোধনের পথ। শাহাবুজ্জামানের বিপরীত অবস্থান এখানে হরিপদ গুপ্তের। তিনি স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতে ধীরস্থির হয়ে কথা শুরু করলেন।

    “প্রফেসর রবিনে সাথে এক্ষেত্রে আমি একমত। আমাদের কিছু দোষ তো অবশ্যই আছে। আমরা বছরের পর বছর ওদের মানসিক আর শারীরিক অত্যাচার করে গেছি। আমরা বলতে আমি পুরো কমিউনিটিটাকেই বলবো। কারণ, কম হোক আর বেশি, আমি নিজেও সিস্টেমের অংশ। যদিও আপনারা জানেন এধরণের নিয়ন্ত্রণ আমি সমর্থন করি না। কিন্তু নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা আমি করেছি, অনেকেই করেছে। হয়তো আমি কাউকে লগ খাইয়ে দেইনি, তবে সত্যি করে যদি বলি…অ্যান অনেস্ট কনফেশন…ক্লাস টেস্টে বেয়াড়া ছাত্রদের নাম্বার তুলনামূলক কমিয়ে দিয়েছি এমন হয়েছে কখনও কখনও। যাদের অ্যাটেন্ডেন্স কম, বা জানি পড়াশোনা করে না, এর ওর টুকলি করে পরীক্ষা দেয় এমন ছাত্রদের নাম্বার ক্লাস টেস্টে আমি কম দেই। এদের কিন্তু আমি মার্ক করে রাখছি। তাদের নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। আমার উদ্দেশ্য অবশ্যই তাদের মানসিকভাবে হেনস্থা করা ছিল না। বরং ক্লাস টেস্টে একটা ধাক্কা খেলে তারা নিজেদের অবস্থাটা কম হোক আর বেশি বুঝতে পারবে। এটা তাদের জন্য সেমিস্টারে ভালো করবে। হয়তো ওরা বুঝবে পড়াশোনা করার বা নিয়মিত হওয়ার প্রয়োজনীয়তা। তবে যেটা বলেই জাস্টিফাই করার চেষ্টা করি না কেন, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা আমিও করেছি। যেটা বলতে চাইছি, আমাদের মতো যারা এইভাবে ওদের কন্ট্রোলের চেষ্টা করি, তারা নিজেদের কাজটাকে ঠিক মনে করেই করি।”

    মাথা দোলালেন হাকারবিন, “আপনার পয়েন্টটা আমি বুঝি, হরিপদ স্যার। কিন্তু যেটা আপনাদের বোঝাতেই পারি না–এখানে একটা দ্বিমুখী সম্পর্ক আছে। এটা ঠিক একলা বাথরুমে গিয়ে স্বমেহনের মতো কোনো ঘটনা না।” প্রফেসর রবিনের লাগামহীন মুখের ব্যাপারে সবাই কম বেশি জেনে ফেলেছেন এতোদিনে, সেজন্য অশ্লীল এই শব্দটা ব্যবহারের পরও কেউ আঁতকে উঠলেন না।”যেটা বলছিলাম, এখানে দুটো দিক আছে। দুটো পক্ষ জড়িত আছে। আপনার আমার ইচ্ছেই এখানে সব না। ছাত্রদের মনে কি আছে, তারা কি চাইছে তাও আমাদের জানতে হবে। অন্তত সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। তাদের ইচ্ছে-অনিচ্ছের পাত্তা দিতে হবে আমাদের। এই কাজটা আমরা যদি না করি, একসময় ঘটবে কনফ্লিক্ট। সেই কনফ্লিক্টের একটা চেহারা আপনারা দেখতে পেয়েছেন। আমি একটা কথা বলে রাখি, আপনারা আজকে লাল কালি দিয়ে লিখে রাখতে পারেন।”

    সবাই উৎসুক হয়ে তাকালো তারছেঁড়া মানুষটার দিকে।

    “আপনারা আজকে একটা কোল্ড ওয়ার লাগাচ্ছেন, আমি টের পাই এসব। এই যে ছেলেরা আন্দোলন করলো আপনারা তার প্রতিশোধ নিতে অনেকগুলো ছেলেকে লগ দিলেন। যারা লগ খেলো না, তাদের রেজাল্টের অবনতি হবে আমি জানি। সাধারণ ছাত্রদেরও সুযোগ পেলেই নানা কথা শুনিয়ে দিচ্ছেন। এধরণের ঠাণ্ডা কিন্তু স্পষ্ট একটা আঘাত আপনারা তাদের ওপর করে চলছেন। আপনারা কি ভাবছেন আমি জানি। এমন একটা পাল্টা আঘাত তাদের ওপর হানা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এটা একটা ওয়ার্নিং হিসেবে যাবে। তারা এমনটা আর করতে পারবে না। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি। কিন্তু আপনারা এই একটা জায়গাতেই ভুল করছেন।” সবার মুখের দিকে একবার করে তাকালেন প্রফেসর, শেষে দৃষ্টি স্থাপন করুলেন প্রফেসর শাহাবুজ্জামানের দিকে, “ওরা হয়তো দশ বছর চুপ থাকবে। আবারও সহ্য করে যাবে। আপনাদের রোষের আগুনে জ্বলে পুড়বে নতুন ব্যাচগুলোও, যারা এই আন্দোলনের সাথে বিন্দুমাত্র জড়িত ছিল না। তারপরও আপনারা তাদের ওপর কঠোর হবেন। এই ভয় থেকেই কঠোর হবেন যে মুঠো আলগা করে দিলেই তারা হয়তো একদিন মাথা তুলে দাঁড়াবে, বিদ্রোহ করবে এই ব্যাচগুলোর মতো। কিন্তু আপনাদের প্রতিশোধ তারা ডিজার্ভ করে না, যেমন তা করে না আন্দোলনকারীরাও। ফলাফলটা কি দাঁড়াবে বুঝতে পারছেন? মানুষ তাদের ওপর হওয়া শোষণ টের পায়। বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিলো এভাবেই। সাধারণ জনগণ রাজনীতি বুঝতো না। একদমই জানতো না রাষ্ট্রবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সব সংজ্ঞা। তারা অর্থনীতি বুঝতো না। অথচ তারা শোষণটা বোঝে। এই ছাত্রগুলোও, আমাদের চেয়ে বয়সে হাঁটুর সমান যারা…তারা আমাদের দিক থেকে জ্ঞানের পাল্লায় সম্ভবত অনেক পিছিয়ে। তারা অনেক কিছু বুঝতে পারে না যা আমরা পারি। কিন্তু তারা শোষণটা বুঝে, নিজের অধিকার বোঝে। আপনাদের শোষণ ওরা বছরের পর বছর হজম করে যাবে। তারপর একদিন ঘটবে বিস্ফোরণ। ঠিক এই আন্দোলনটার মতোই, তবে আমার ধারণা পরবর্তি আন্দোলনটা হবে আরও কঠিন। আরও বীভৎস।”

    আরও একবার সবার দিকে তাকালেন তিনি, “এই প্রসঙ্গ তোলার ইচ্ছে আমার ছিল না। তবে আপনাদের ভালোর জন্যই বলছি, স্ট্যান্ড ডাউন। বছর পাঁচেক পর রীতিমতো সম্মান হারানোর মতো একটা অবস্থানে নিজেদের নিয়ে যেতে না চাইলে, প্রতিশোধের যা যা পরিকল্পনা ছকে রেখেছেন তা ভুলে যান। এটা একটা দ্বিমুখী প্রক্রিয়া, দুটো পক্ষ যখন ছাত্র আর শিক্ষক হারানোর পুরোটাই আছে আমাদের শিক্ষকদের। একজন ছাত্র চার বছর পড়ে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চলে যায়, কিন্তু একজন শিক্ষক এখানে আটকে থাকেন চল্লিশ বছর। আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে হারানোর থাকে কেবল তার, যার আছে পিছুটান। ওটা আপনাদের আছে, ওদের নেই। আপনারা গুরুত্বটা বুঝতে পারছেন আশা করি। স্ট্যান্ড ডাউন, প্লিজ।”

    কিছু না বলে খাতাপত্রগুলো ফাইলে ঢুকিয়ে উঠে দাঁড়ালেন প্রফেসর শাহাবুজ্জামান। তার নিঃশ্বাস ভারি হয়ে উঠেছে, টকটকে লাল মুখ নিয়ে বাইরের দিকে রওনা দিলেন তিনি। টিচার্স কমন রুমের দরজাটা লাগালেন সশব্দে। অসহায় একটা ভঙ্গি করলেন প্রফেসর রবিন। কেউ নিজের ভালো বুঝতে না পারলে তার কি করার আছে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56 57 58 59 60 61
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleক্রন্দসী প্রিয়া – কাসেম বিন আবুবাকার
    Next Article আর্সেন লুপাঁ ভার্সেস হার্লক শোমস
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }